১
কিতাবুস্ সালাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৮
ইকামতের শব্দগুলো ১ বার করে না ২ বার করে
আবদুল্লাহ ইবনে যায়েদ (রাঃ) স্বপ্নের মাধ্যমে আযান ও ইকামতের যে শব্দগুলো দেখেছিলেন তাতে ইকামতের শব্দগুলো ১ বার করেই বলা হয়েছে। তাছাড়া এ ব্যাপারে আরো অনেক হাদীস রয়েছে। যেমন-
عَنْ عَمَّارِ بْنِ سَعْدٍ , مُؤَذِّنِ رَسُوْلِ اللهِ ﷺ ، أَنَّ أَذَانَ بِلَالٍ كَانَ مَثْنٰى مَثْنٰى ، وَإِقَامَتَهٗ مُفْرَدَةٌ
রাসূলুললাহ ﷺ এর মুয়াজ্জিন আম্মার ইবনে সাদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাঃ) এর আযান ছিল দু’দু’ শব্দ বিশিষ্ট এবং ইকামত ছিল এক-এক শব্দ বিশিষ্ট। [সহীহ বুখারী, হা/৬০৩; ইবনে মাজাহ, হা/৭৩১।]
عَنْ أَبِي رَافِعٍ ، قَالَ : رَأَيْتُ بِلَالًا يُؤَذِّنُ بَيْنَ يَدَيْ رَسُوْلِ اللهِ ﷺ مَثْنٰى مَثْنٰى ، وَيُقِيْمُ وَاحِدَةً
আবু রাফে‘ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বিলাল (রাঃ) কে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সামনে আযানের প্রতিটি বাক্য দু’বার করে এবং ইকামতের বাক্য একবার করে বলতে শুনেছি। [ইবনে মাজাহ, হা/৭৩২; দার কুতনী, হা/৯৩৪।]
عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ إِنَّمَا كَانَ الْأَذَانُ عَلٰى عَهْدِ رَسُوْلِ اللهِ -ﷺ - مَرَّتَيْنِ مَرَّتَيْنِ وَالْإِقَامَةُ مَرَّةً مَرَّةً غَيْرَ أَنَّهٗ يَقُوْلُ قَدْ قَامَتِ الصَّلَاةُ قَدْ قَامَتِ الصَّلَاةُ
ইবনে উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সময় আযানের শব্দ দু’বার করে এবং ইকামতের শব্দ একবার বলা হতো। কিন্তু ইকামতের মধ্যে ‘‘ক্বাদ ক্বামাতিস সালাহ্’’ শব্দটি দু’বার বলা হতো। [আবু দাউদ, হা/৫১০; নাসাঈ, হা/৬৭১; মুসনাদে আহমাদ, হা/৫৫৬৯।]
৪. আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন,
أُمِرَ بِلَالٌ أَنْ يَّشْفَعَ الْأَذَانَ ، وَأَنْ يُّوْتِرَ الْإِقَامَةَ إِلَّا الْإِقَامَةَ
বিলাল (রাঃ) কে আযানের শব্দগুলো জোড়ায়-জোড়ায় এবং ‘‘ক্বাদ ক্বামাতিস সালাহ্’’ বাক্যটি ব্যতীত ইকামতের শব্দ বেজোড় সংখ্যায় অর্থাৎ একবার করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়। [সহীহ বুখারী, হা/৬০৬; সহীহ মুসলিম, হা/৮৬৭; আবু দাউদ, হা/ ৫০৮; তিরমিযী, হা/১৯৩; নাসাঈ, হা/৬২৭; ইবনে মাজাহ, হা/৭২৯; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২৯৯৪।]
কিছু হাদীস থেকে ইকামতের শব্দগুলো আযানের ন্যায় দু’বার করে বলা প্রমাণিত থাকলেও ১ বার করে বলাই উত্তম। কেননা উপরের বর্ণিত হাদীসগুলো ব্যাপক এবং অধিক শক্তিশালী।
ইকামত কে দেবেন :
উত্তম হলো যিনি আযান দেবেন ইকামতও তিনি দেবেন। তবে অন্য কেউ ইকামত দিলেও তা জায়েয আছে।
ইকামতের জবাব :
ইকামতকেও হাদীসে আযান বলা হয়েছে বিধায় ইকামতেরও জবাব দেওয়া যায়। ইকামতের জবাবে ‘‘ক্বাদক্বামাতিস সালাহ্’’ বলার সময় ‘‘আক্বামাহাল্লাহু ওয়া আদামাহা’’ বলার হাদীসটি যঈফ। [যঈফ আবু দাউদ, নাসিরুদ্দীন আলবানী, হা/৮৪।] তাই এ সময়ও ‘‘ক্বাদক্বামাতিস সালাহ’’ বলতে হবে।
عَنْ عَمَّارِ بْنِ سَعْدٍ , مُؤَذِّنِ رَسُوْلِ اللهِ ﷺ ، أَنَّ أَذَانَ بِلَالٍ كَانَ مَثْنٰى مَثْنٰى ، وَإِقَامَتَهٗ مُفْرَدَةٌ
রাসূলুললাহ ﷺ এর মুয়াজ্জিন আম্মার ইবনে সাদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাঃ) এর আযান ছিল দু’দু’ শব্দ বিশিষ্ট এবং ইকামত ছিল এক-এক শব্দ বিশিষ্ট। [সহীহ বুখারী, হা/৬০৩; ইবনে মাজাহ, হা/৭৩১।]
عَنْ أَبِي رَافِعٍ ، قَالَ : رَأَيْتُ بِلَالًا يُؤَذِّنُ بَيْنَ يَدَيْ رَسُوْلِ اللهِ ﷺ مَثْنٰى مَثْنٰى ، وَيُقِيْمُ وَاحِدَةً
আবু রাফে‘ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বিলাল (রাঃ) কে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সামনে আযানের প্রতিটি বাক্য দু’বার করে এবং ইকামতের বাক্য একবার করে বলতে শুনেছি। [ইবনে মাজাহ, হা/৭৩২; দার কুতনী, হা/৯৩৪।]
عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ إِنَّمَا كَانَ الْأَذَانُ عَلٰى عَهْدِ رَسُوْلِ اللهِ -ﷺ - مَرَّتَيْنِ مَرَّتَيْنِ وَالْإِقَامَةُ مَرَّةً مَرَّةً غَيْرَ أَنَّهٗ يَقُوْلُ قَدْ قَامَتِ الصَّلَاةُ قَدْ قَامَتِ الصَّلَاةُ
ইবনে উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সময় আযানের শব্দ দু’বার করে এবং ইকামতের শব্দ একবার বলা হতো। কিন্তু ইকামতের মধ্যে ‘‘ক্বাদ ক্বামাতিস সালাহ্’’ শব্দটি দু’বার বলা হতো। [আবু দাউদ, হা/৫১০; নাসাঈ, হা/৬৭১; মুসনাদে আহমাদ, হা/৫৫৬৯।]
৪. আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন,
أُمِرَ بِلَالٌ أَنْ يَّشْفَعَ الْأَذَانَ ، وَأَنْ يُّوْتِرَ الْإِقَامَةَ إِلَّا الْإِقَامَةَ
বিলাল (রাঃ) কে আযানের শব্দগুলো জোড়ায়-জোড়ায় এবং ‘‘ক্বাদ ক্বামাতিস সালাহ্’’ বাক্যটি ব্যতীত ইকামতের শব্দ বেজোড় সংখ্যায় অর্থাৎ একবার করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়। [সহীহ বুখারী, হা/৬০৬; সহীহ মুসলিম, হা/৮৬৭; আবু দাউদ, হা/ ৫০৮; তিরমিযী, হা/১৯৩; নাসাঈ, হা/৬২৭; ইবনে মাজাহ, হা/৭২৯; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২৯৯৪।]
কিছু হাদীস থেকে ইকামতের শব্দগুলো আযানের ন্যায় দু’বার করে বলা প্রমাণিত থাকলেও ১ বার করে বলাই উত্তম। কেননা উপরের বর্ণিত হাদীসগুলো ব্যাপক এবং অধিক শক্তিশালী।
ইকামত কে দেবেন :
উত্তম হলো যিনি আযান দেবেন ইকামতও তিনি দেবেন। তবে অন্য কেউ ইকামত দিলেও তা জায়েয আছে।
ইকামতের জবাব :
ইকামতকেও হাদীসে আযান বলা হয়েছে বিধায় ইকামতেরও জবাব দেওয়া যায়। ইকামতের জবাবে ‘‘ক্বাদক্বামাতিস সালাহ্’’ বলার সময় ‘‘আক্বামাহাল্লাহু ওয়া আদামাহা’’ বলার হাদীসটি যঈফ। [যঈফ আবু দাউদ, নাসিরুদ্দীন আলবানী, হা/৮৪।] তাই এ সময়ও ‘‘ক্বাদক্বামাতিস সালাহ’’ বলতে হবে।