১
কিতাবুস্ সালাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২৪
দরূদ পড়া
দরূদের গুরুত্ব ও ফযীলত :
সালাতের শেষ বৈঠকে তাশাহ্হুদ পড়ার পর আমরা দরূদ পড়ি। দরূদ পড়ার সময় এ নিয়তে দরূদ পড়তে হবে যে, আমার এ দরূদ নবী ﷺ এর কাছে পৌঁছানো হবে এবং এ দরূদের সওয়াব আমি নিজে পাব। নবী ﷺ বলেছেন,
مَنْ صَلّٰى عَلَىَّ صَلَاةً صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ بِهَا عَشْرًا
যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরূদ পড়বে, আল্লাহ তার প্রতি দশবার রহমত নাযিল করবেন। [সহীহ মুসলিম, হা/৮৭৫; আবু দাউদ, হা/৫২৩; তিরমিযী, হা/৪৮৪; জামেউস সগীর, হা/৬১৫; নাসাঈ, হা/৬৭৮; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/৪১৮; সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৬৯০ মুসত্মাদরাকে হাকেম, হা/২০১৮; মিশকাত, হা/৬৫৭।]
অপর বর্ণনায় বলা হয়েছে,
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ مَنْ صَلّٰى عَلَيَّ صَلَاةً وَاحِدَةً ، صَلّٰى اللهُ عَلَيْهِ عَشْرَ صَلَوَاتٍ ، وَحُطَّتْ عَنْهُ عَشْرُ خَطِيْئَاتٍ ، وَرُفِعَتْ لَهٗ عَشْرُ دَرَجَاتٍ
আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে আল্লাহ তা‘আলা তার উপর দশবার রহমত নাযিল করবেন, তার দশটি গোনাহ ক্ষমা করে দেবেন এবং দশটি মর্যাদা বাড়িয়ে দেবেন। [নাসাঈ, হা/১৩০৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২০১৭, ১৩৭৮০; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৯০৪; আবু দাউদ, হা/১৫৩০; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৬৫৬; মিশকাত, হা/৯২২।]
বানোয়াট দরূদ পড়া যাবে না :
বিদআতী ও শিরকী আক্বীদা পোষণকারী লোকেরা অনেক দরূদ তৈরি করেছে, যেমন দরূদে তাজ, দরূদে হাজারী, দরূদে লাখী, দু‘আয়ে গাঞ্জিল আরশ ইত্যাদি। এগুলো সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে এগুলোর ব্যাপারে কোন প্রমাণ নেই। এগুলোর মধ্যে অনেক শিরকী শব্দ রয়েছে। তাই এসব দরূদ হতে আমাদেরকে দূরে থাকতে হবে।
সালাতের শেষ বৈঠকে তাশাহ্হুদ পড়ার পর আমরা দরূদ পড়ি। দরূদ পড়ার সময় এ নিয়তে দরূদ পড়তে হবে যে, আমার এ দরূদ নবী ﷺ এর কাছে পৌঁছানো হবে এবং এ দরূদের সওয়াব আমি নিজে পাব। নবী ﷺ বলেছেন,
مَنْ صَلّٰى عَلَىَّ صَلَاةً صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ بِهَا عَشْرًا
যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরূদ পড়বে, আল্লাহ তার প্রতি দশবার রহমত নাযিল করবেন। [সহীহ মুসলিম, হা/৮৭৫; আবু দাউদ, হা/৫২৩; তিরমিযী, হা/৪৮৪; জামেউস সগীর, হা/৬১৫; নাসাঈ, হা/৬৭৮; সহীহ ইবনে খুযায়মা, হা/৪১৮; সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৬৯০ মুসত্মাদরাকে হাকেম, হা/২০১৮; মিশকাত, হা/৬৫৭।]
অপর বর্ণনায় বলা হয়েছে,
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ مَنْ صَلّٰى عَلَيَّ صَلَاةً وَاحِدَةً ، صَلّٰى اللهُ عَلَيْهِ عَشْرَ صَلَوَاتٍ ، وَحُطَّتْ عَنْهُ عَشْرُ خَطِيْئَاتٍ ، وَرُفِعَتْ لَهٗ عَشْرُ دَرَجَاتٍ
আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে আল্লাহ তা‘আলা তার উপর দশবার রহমত নাযিল করবেন, তার দশটি গোনাহ ক্ষমা করে দেবেন এবং দশটি মর্যাদা বাড়িয়ে দেবেন। [নাসাঈ, হা/১৩০৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/১২০১৭, ১৩৭৮০; সহীহ ইবনে হিববান, হা/৯০৪; আবু দাউদ, হা/১৫৩০; সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/১৬৫৬; মিশকাত, হা/৯২২।]
বানোয়াট দরূদ পড়া যাবে না :
বিদআতী ও শিরকী আক্বীদা পোষণকারী লোকেরা অনেক দরূদ তৈরি করেছে, যেমন দরূদে তাজ, দরূদে হাজারী, দরূদে লাখী, দু‘আয়ে গাঞ্জিল আরশ ইত্যাদি। এগুলো সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে এগুলোর ব্যাপারে কোন প্রমাণ নেই। এগুলোর মধ্যে অনেক শিরকী শব্দ রয়েছে। তাই এসব দরূদ হতে আমাদেরকে দূরে থাকতে হবে।