১
কিতাবুস্ সালাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৬
সালাত কায়েমের তাৎপর্য্য
কুরআন এবং হাদীসে আমাদেরকে সালাত কায়েম করতে বলা হয়েছে। সুতরাং সালাত আদায় করাই যথেষ্ট নয়; সালাত কায়েম করা জরুরি। আল্লাহ তা‘আলা বলেন-
﴿فَاَقِيْمُوا الصَّلَاةَ وَاٰتُوا الزَّكَاةَ وَاعْتَصِمُوْا بِاللهِ هُوَ مَوْلَاكُمْ فَنِعْمَ الْمَوْلٰى وَنِعْمَ النَّصِيْرُ﴾
তোমরা সালাত কায়েম করো, যাকাত দাও এবং আল্লাহর রজ্জুকে আঁকড়ে ধরো। তিনিই তোমাদের অভিভাবক, তিনি কতইনা উত্তম অভিভাবক এবং সাহায্যকারী! (সূরা হজ্জ- ৭৮)
সালাত কায়েম হবে তখন, যখন সালাত আদায়কারী বাহ্যিকভাবে সালাতের যাবতীয় আরকান-আহকাম, ফরয, ওয়াজিব ও সুন্নাত ইত্যাদি পালন করবে এবং তার আধ্যাত্মিক বিষয়াবলি প্রতিষ্ঠা করে মনোযোগ সহকারে সালাত আদায় করবে। নিজের সালাত তো আদায় করবেই- সেই সাথে নিজের পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সর্বত্র সালাত প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। যাতে মুসলিমদের মধ্যে কেউ সালাত ত্যাগকারী না থাকে। একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে, তাঁর হুকুম পালনার্থে, তাঁর প্রতি বিশেষ অনুরাগ, ভক্তি ও প্রেম প্রকাশার্থে, তাঁর নৈকট্য ও ভালোবাসা অর্জনের আশায়, তাঁর আযাবের ভয়ে এবং তাঁর সওয়াব ও ক্ষমার প্রত্যাশায় সালাত পড়তে হবে। তখনই সেই সালাত সর্বক্ষেত্রে কল্যাণ বয়ে আনবে এবং সালাত আদায়কারীকে পাপ ও অশ্লীল কাজ হতে বিরত রাখবে।
﴿فَاَقِيْمُوا الصَّلَاةَ وَاٰتُوا الزَّكَاةَ وَاعْتَصِمُوْا بِاللهِ هُوَ مَوْلَاكُمْ فَنِعْمَ الْمَوْلٰى وَنِعْمَ النَّصِيْرُ﴾
তোমরা সালাত কায়েম করো, যাকাত দাও এবং আল্লাহর রজ্জুকে আঁকড়ে ধরো। তিনিই তোমাদের অভিভাবক, তিনি কতইনা উত্তম অভিভাবক এবং সাহায্যকারী! (সূরা হজ্জ- ৭৮)
সালাত কায়েম হবে তখন, যখন সালাত আদায়কারী বাহ্যিকভাবে সালাতের যাবতীয় আরকান-আহকাম, ফরয, ওয়াজিব ও সুন্নাত ইত্যাদি পালন করবে এবং তার আধ্যাত্মিক বিষয়াবলি প্রতিষ্ঠা করে মনোযোগ সহকারে সালাত আদায় করবে। নিজের সালাত তো আদায় করবেই- সেই সাথে নিজের পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সর্বত্র সালাত প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। যাতে মুসলিমদের মধ্যে কেউ সালাত ত্যাগকারী না থাকে। একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে, তাঁর হুকুম পালনার্থে, তাঁর প্রতি বিশেষ অনুরাগ, ভক্তি ও প্রেম প্রকাশার্থে, তাঁর নৈকট্য ও ভালোবাসা অর্জনের আশায়, তাঁর আযাবের ভয়ে এবং তাঁর সওয়াব ও ক্ষমার প্রত্যাশায় সালাত পড়তে হবে। তখনই সেই সালাত সর্বক্ষেত্রে কল্যাণ বয়ে আনবে এবং সালাত আদায়কারীকে পাপ ও অশ্লীল কাজ হতে বিরত রাখবে।