১
কিতাবুস্ সালাত
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮২
মুখে উচ্চারণ করে নিয়ত করা যাবে না
নিয়ত কোন পড়ার বিষয় নয়, বরং এটি সংকল্প করার বিষয়। নিয়তের জন্য পৃথক কোন দু‘আর বর্ণনা হাদীসে পাওয়া যায় না। এটি দ্বীনের মধ্যে একটি নতুন আবিষ্কার।
নিয়ত হলো মনের ব্যাপার। সুতরাং সালাত আদায়কারী ব্যক্তি যে ওয়াক্তের সালাত আদায় করতে চাচ্ছে তা মনে মনে ভেবে নিবে। তারপর তাকবীর দিয়ে সালাত শুরু করবে। রাসূলুল্লাহ ﷺ সালাতের জন্য দাঁড়িয়েই ‘‘আল্লা-হু আকবার’’ বলতেন। [আবু দাউদ, হা/৭৮৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৬০৭৬; সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৭৬৮।] কিমত্মু এর পূর্বে তিনি কিছুই পড়তেন না। পড়লে সাহাবারা তা বর্ণনা করতেন।
যারা বলেন, নিয়ত মনে মনে করতে হয় ঠিক, তবে আরবি বা নিজের মাতৃভাষায় বলা উত্তম- একথা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। কারণ রাসূলুল্লাহ ﷺ কিংবা সাহাবায়ে কেরাম যা উত্তম মনে করেননি উম্মতের অন্য কারো জন্য তা উত্তম মনে করা ঠিক নয়।
নিয়তের জটিলতার কারণে অনেকে সালাত শিখতেও ভয় পায়। আর মুখস্থ করলেও ঐ অনর্থক বিষয়ে সময় ব্যয় করা হয় মাত্র। আবার অনেকে নিয়তের কোন অর্থই বুঝে না। অথচ অর্থ না বুঝলে নিয়ত অর্থহীন। সুতরাং যা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নির্দেশ নয় তার পেছনে আমরা অযথা কেন ছুটব?
নিয়ত হলো মনের ব্যাপার। সুতরাং সালাত আদায়কারী ব্যক্তি যে ওয়াক্তের সালাত আদায় করতে চাচ্ছে তা মনে মনে ভেবে নিবে। তারপর তাকবীর দিয়ে সালাত শুরু করবে। রাসূলুল্লাহ ﷺ সালাতের জন্য দাঁড়িয়েই ‘‘আল্লা-হু আকবার’’ বলতেন। [আবু দাউদ, হা/৭৮৩; মুসনাদে আহমাদ, হা/২৬০৭৬; সহীহ ইবনে হিববান, হা/১৭৬৮।] কিমত্মু এর পূর্বে তিনি কিছুই পড়তেন না। পড়লে সাহাবারা তা বর্ণনা করতেন।
যারা বলেন, নিয়ত মনে মনে করতে হয় ঠিক, তবে আরবি বা নিজের মাতৃভাষায় বলা উত্তম- একথা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। কারণ রাসূলুল্লাহ ﷺ কিংবা সাহাবায়ে কেরাম যা উত্তম মনে করেননি উম্মতের অন্য কারো জন্য তা উত্তম মনে করা ঠিক নয়।
নিয়তের জটিলতার কারণে অনেকে সালাত শিখতেও ভয় পায়। আর মুখস্থ করলেও ঐ অনর্থক বিষয়ে সময় ব্যয় করা হয় মাত্র। আবার অনেকে নিয়তের কোন অর্থই বুঝে না। অথচ অর্থ না বুঝলে নিয়ত অর্থহীন। সুতরাং যা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নির্দেশ নয় তার পেছনে আমরা অযথা কেন ছুটব?