hadith book logo

মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী

লেখকঃ মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১২০

কেয়ামত কখন সঙ্ঘটিত হবে:

১-হাদীসে আসার

عن أبي هريرة رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : (( إن طرف صاحب الصور منذ وكّل به مستعد ينظر نحو العرش , مخافة أن يؤمر قبل أن يرتد إليه طرفه , كأن عينيه كوكبان دريان )). أخرجه الحاكم

সাহাবী আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন: (( নিশ্চয় শিঙ্গায় ফুৎকারের দায়িত্ব প্রাপ্ত ফেরেশ্তা ইসরাফীল আলাইহিস সালামের চক্ষু দায়িত্ব প্রাপ্তির পর থেকেই প্রস্ত্তত হয়ে আরশের পানে অপলক তাকিয়ে আছে এ আশংকায় যে পলক ফেলার পূর্বেই যদি ফুৎকার দেয়ার নির্দেশ এসে যায়। তার চক্ষুদ্বয় যেন দুটি আলোকোজ্জ্বল নক্ষত্র। [হাদীসটি সহীহ সনদে ইমাম হাকেম তার মুসতাদরাকে বর্ণনা করেছেন। হাদীস নং (৮৬৭৬) দেখুন আসসিলসিলাতুস সহীহা । ক্রমিক :(১০৭৮)]

২- হাদীসে এসেছে

وعن ابي هريرة رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : خير يوم طلعت عليه الشمس يوم الجمعة , فيه خلق آدم , وفيه أدخل الجنة , وفيه أخرج منها , ولا تقوم الساعة إلا في يوم الجمعة )). أخرجه مسلم

বিশিষ্ট সাহাবী আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন: সূর্য উদিত হয় এমন দিনগুলোর মাঝে সর্বাপেক্ষা উত্তম দিন হচ্ছে জুমুআর দিন, এদিন নবী আদম আলাইহিস সালাম-কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এবং এদিনই তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে আবার এদিনই সেখান থেকে বের করা হয়েছে, আর কেয়ামতও জুমুআর দিনেই সঙ্ঘটিত হবে। [বর্ণনায় মুসলিম: হাদীস নং (৮৫৪)]