১
মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৬৫
তাকদীরের বরাত দিয়ে অজুহাত দাড় করা কখন সঙ্গত হবে:
১- মানুষের পক্ষে বিপদ-মুসীবতের ক্ষেত্রে তাকদীরের বরাতে অজুহাত দাড় করা বৈধ। যেমন প্রথম ভাগে আলোচনা হয়েছে। সুতরাং সে যদি অসুস্থ হয় বা মৃত্যু বরণ করে অথবা অনিচ্ছা সত্বেও কোন বিপদে আক্রান্ত হয় তাহলে তার পক্ষে আল্লাহর এ সিদ্ধান্ত ও নির্ধারণের মাধ্যমে হুজ্জত ও অজুহাত পেশ করার বৈধতা আছে। বলবে: قدر الله و ما شاء فعل , আল্লাহ তাআলা নির্ধারণ করেছেন এবং তিনি যা চেয়েছেন, করেছেন। সে সময় তার জন্য আবশ্যক ও অত্যন্ত ফলদায়ক হচ্ছে, সবর করা আর পারলে সন্তুষ্ট থাকা তাতে অনেক ছাওয়াব পাওয়া যাবে। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ ﴿155﴾ الَّذِينَ إِذَا أَصَابَتْهُمْ مُصِيبَةٌ قَالُوا إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ ﴿156﴾ أُولَئِكَ عَلَيْهِمْ صَلَوَاتٌ مِنْ رَبِّهِمْ وَرَحْمَةٌ وَأُولَئِكَ هُمُ الْمُهْتَدُونَ ﴿157﴾ و بشر البقرة : ১৫৫ـ১৫৭)
আপনি ধৈর্য্যশীলগনকে সুসংবাদ দান করুন, যারা তাদের উপর বিপদ আপতিত হলে বলে ‘‘নিশ্চয়ই আমরাতো আল্লাহর জন্যই এবং নিশ্চিতভাবে তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী’’ এরাইতো তারা যাদের উপর তাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে বিশেষ অনুগ্রহ ও রহমত বর্ষিত হয়, আর এরাই হেদায়াত প্রাপ্ত।{সূরা বাকারা : ১৫৫-১৫৭}
২- মানুষের পক্ষে তাকদীরের বরাত দিয়ে পাপ ও অন্যায়কর্মের উপর অজুহাত দাড় করে অবশ্য পালনীয় ইবাদাত ত্যাগ করা বা নিষিদ্ধ ও হারাম কার্যাদি সম্পাদন করা বৈধ নয়। কেননা আল্লাহ তাআলা নেক কার্যাদি সম্পাদন এবং মন্দ কার্যাদি বর্জন করতে নির্দেশ দিয়েছেন। সাথে সাথে কাজ করার আদেশ দিয়েছেন আর তাকদীরের উপর ভরসা করে অলস বসে থাকতে নিষেধ করেছেন। তাকদীর যদি কারো পক্ষে হুজ্জত হতোই তাহলে আল্লাহ তাআলা রাসূলদের মিথ্যা প্রতিপন্নকারী কাফের যেমন নূহ আলাইহিস সালামের কওম এবং কওমে আদ, কওমে ছামূদ প্রমুখদের শাস্তি দিতেন না। অনুরূপ ভাবে অন্যায় - অপরাধকারীদের উপর দন্ডবিধি মোতাবেক হদ্দ কায়েমের নির্দেশ দিতেন না।
যে ব্যক্তির মতে তাকদীর অন্যায় - অপরাধকারীদের জন্য হুজ্জত, তাকে দোষারোপ ও শাস্তি দেয়া যাবে না। তাহলে কেউ যদি তার প্রতি অন্যায় করে সেও তাকে দোষারোপ ও শাস্তি দিতে পারবে না। এবং যে তার সাথে ভাল ব্যবহার করে এবং যে মন্দ ব্যবহার করে উভয়ের মাঝে পার্থক্য করতে পারবে না!। আসলে এটি একটি বাতিল মতবাদ ও অসার কথা।
وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ ﴿155﴾ الَّذِينَ إِذَا أَصَابَتْهُمْ مُصِيبَةٌ قَالُوا إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ ﴿156﴾ أُولَئِكَ عَلَيْهِمْ صَلَوَاتٌ مِنْ رَبِّهِمْ وَرَحْمَةٌ وَأُولَئِكَ هُمُ الْمُهْتَدُونَ ﴿157﴾ و بشر البقرة : ১৫৫ـ১৫৭)
আপনি ধৈর্য্যশীলগনকে সুসংবাদ দান করুন, যারা তাদের উপর বিপদ আপতিত হলে বলে ‘‘নিশ্চয়ই আমরাতো আল্লাহর জন্যই এবং নিশ্চিতভাবে তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী’’ এরাইতো তারা যাদের উপর তাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে বিশেষ অনুগ্রহ ও রহমত বর্ষিত হয়, আর এরাই হেদায়াত প্রাপ্ত।{সূরা বাকারা : ১৫৫-১৫৭}
২- মানুষের পক্ষে তাকদীরের বরাত দিয়ে পাপ ও অন্যায়কর্মের উপর অজুহাত দাড় করে অবশ্য পালনীয় ইবাদাত ত্যাগ করা বা নিষিদ্ধ ও হারাম কার্যাদি সম্পাদন করা বৈধ নয়। কেননা আল্লাহ তাআলা নেক কার্যাদি সম্পাদন এবং মন্দ কার্যাদি বর্জন করতে নির্দেশ দিয়েছেন। সাথে সাথে কাজ করার আদেশ দিয়েছেন আর তাকদীরের উপর ভরসা করে অলস বসে থাকতে নিষেধ করেছেন। তাকদীর যদি কারো পক্ষে হুজ্জত হতোই তাহলে আল্লাহ তাআলা রাসূলদের মিথ্যা প্রতিপন্নকারী কাফের যেমন নূহ আলাইহিস সালামের কওম এবং কওমে আদ, কওমে ছামূদ প্রমুখদের শাস্তি দিতেন না। অনুরূপ ভাবে অন্যায় - অপরাধকারীদের উপর দন্ডবিধি মোতাবেক হদ্দ কায়েমের নির্দেশ দিতেন না।
যে ব্যক্তির মতে তাকদীর অন্যায় - অপরাধকারীদের জন্য হুজ্জত, তাকে দোষারোপ ও শাস্তি দেয়া যাবে না। তাহলে কেউ যদি তার প্রতি অন্যায় করে সেও তাকে দোষারোপ ও শাস্তি দিতে পারবে না। এবং যে তার সাথে ভাল ব্যবহার করে এবং যে মন্দ ব্যবহার করে উভয়ের মাঝে পার্থক্য করতে পারবে না!। আসলে এটি একটি বাতিল মতবাদ ও অসার কথা।