hadith book logo

মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী

লেখকঃ মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১২৩

পুনরুত্থানের বিবরণ:

আল্লাহ তাআলা আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করবেন। অত:পর শষ্য-সবজি যে ভাবে উৎপন্ন হয় মানুষ সে ভাবে মাটির নিচ থেকে বের হয়ে আসবে।

১- আল্লাহ তাআলা বলছেন:

وهو الذي يرسل الرياح بشرا بين يدي رحمته ... { الأعراف : ৫৭}

তিনিই বৃষ্টির পূর্বে সুসংবাদবাহী বায়ূ পাঠিয়ে দেন। এমনকি যখন বায়ূরাশি পানিপূর্ণ মেঘমালা বয়ে আনে, তখন আমি এ মেঘমালাকে একটি মৃত শহরের দিকে হাঁকিয়ে দেই। অত:পর এ মেঘ থেকে বৃষ্টিধারা বর্ষণ করি। অত:পর পানি দ্বারা সব রকমের ফল উৎপনণ করি। এমনিভাবে মৃতদেরকে বের করব যাতে তোমরা চিন্তা কর। ( সূরা আল আ’রাফ: ৫৭)

২- হাদীসে এসেছে

وعن أبي هريرة رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم :(( ما بين النفختين أربعون )) قالوا : يا أبا هريرة أربعون يوما؟ قال : أبيت , قالوا : أربعون شهرا ؟ قال : أبيت , قالوا : أربعون سنة ؟ قال : أبيت (( ثم ينزل الله من السماء ماء , فينبتون كما ينبت البقل , و ليس من الإنسان شيئ إلا يبلى إلا عظما واحدا وهو عجب الذنب , ومنه يركب الخلق يوم القيامة )). متفق عليه

বিশিষ্ট সাহাবী আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করছেন: দুই ফুৎকারের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান হচ্ছে চল্লিশ। লোকেরা জিজ্ঞেস করল: হে আবু হুরায়রা চল্লিশ কি, দিন? তিনি বলেন: আমি (জবাব দিতে) অস্বীকার করলাম। লোকেরা বলল: তাহলে কি , চল্লিশ মাস? তিনি বলেন: আমি অস্বীকার করলাম। এরপর লোকেরা আবারো জিজ্ঞেস করল? তাহলে কি চল্লিশ বছর? তিনি বলেন: আমি অস্বীকার করলাম। অত:পর আল্লাহ তাআলা আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন। ফলে তারা (মানুষ) শষ্য- সবজি উৎপন্ন হওয়ার ন্যায় ভূমি অভ্যন্তর থেকে এমতাবস্থায় বের হয়ে আসবে যে, শুধুমাত্র একটি হাড় ব্যতীত মানুষের সবকিছু ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে যাবে। অক্ষত থাকা হাড়কে বলা হয় ‘‘আজবুয যানাব’’ কেয়ামত দিবসে তার থেকেই মানুষকে গঠন করা হবে। [বর্ণনায় বুখারী মুসলিম। বুখারী হাদীস নং (৪৯৩৫) আর মুসলিম (২৯৫৫)]