১
মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭৬
আম্বিয়া ও তাঁদের অনুসারীদের প্রশিক্ষণ দান :
আল্লাহ তাআলা আম্বিয়া ও তাঁদের অনুসারীদের নিজ তত্ত্বাবধানে রেখে এভাবে গড়ে তুলেছেন যে, তারা প্রথমে নিজ নিজ নফসের উপর মুজাহাদা ও পরিশ্রম করবে। যাতে করে ইবাদত, তাযকিয়া (আত্মশুদ্ধি), চিন্তা-গবেষণা, দ্বীনের খাতিরে ত্যাগ ও ধৈর্য্যশীলতা এবং আল্লাহর কালিমা বুলন্দ করার উদ্দেশ্যে ব্যয় ও বর্জন- বিষয়ে ঈমান অর্জিত হয়। এতে প্রথমে তাদের জীবনে ঈমান পূর্ণতা পাবে এবং অন্তরে এ বিশ্বাস সুদৃঢ় হবে যে, আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক বস্ত্তর সৃষ্টিকর্তা, সবকিছুর কর্তৃত্ব তাঁরই হাতে এবং তিনিই এককভাবে সকল ইবাদতের উপযুক্ত। অতঃপর উপযুক্ত পরিবেশের মাধ্যমে ঈমান সংরক্ষণের ব্যাপারে পরিশ্রম করবে যেমন ঈমান ও নেক আমল দ্বারা আবাদকৃত মসজিদসমূহ।
এরপর দ্বীন ও নিজেদের প্রয়োজন মিটানোর নিমিত্তে ঈমান থেকে উপকৃত হওয়ার ব্যাপারে চেষ্টা করবে এবং এ বিশ্বাস মনে বদ্ধমূল করবে যে, তারা যেখানেই থাকুক না কেন আল্লাহ তাদের সাথেই আছেন। তাদের সাহায্য করেন। রিযিক দান করেন এবং শক্তি যোগান, সমর্থন করেন যেমন বদর, মক্কা বিজয়, হুনায়ন ইত্যাদি যুদ্ধে মুসলমানদের সাহায্য করেছিলেন। এবং আল্লাহর উপরই ভরসা করবে। তিনি ব্যতীত আর কারো উপর ভরসা করবে না। অতঃপর স্বীয় জাতি ও যাদের নিকট তাঁরা প্রেরিত হয়েছেন তাঁদের মধ্যে ঈমান প্রচার ও প্রসারে আত্মনিয়োগ করবে যাতে তারা একমাত্র আল্লাহ তাআলার ইবাদত করে। তাদেরকে দ্বীনের আহকাম ও বিধি-বিধান শিক্ষা দিবে এবং স্বীয় প্রতিপালকের নিদর্শনাবলি তেলাওয়াত করে শুনাবে।
আল্লাহ তাআলা বলেন :
هُوَ الَّذِي بَعَثَ فِي الْأُمِّيِّينَ رَسُولًا مِنْهُمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آَيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِنْ كَانُوا مِنْ قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿2﴾ وَآَخَرِينَ مِنْهُمْ لَمَّا يَلْحَقُوا بِهِمْ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿3﴾ ذَلِكَ فَضْلُ اللَّهِ يُؤْتِيهِ مَنْ يَشَاءُ وَاللَّهُ ذُو الْفَضْلِ الْعَظِيمِ ﴿4﴾ ( سورة الجمعة : 2-4)
তিনিই (নিরক্ষর অর্থাৎ আরব জাতি) উম্মীদের মাঝে একজন রাসূল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য থেকে, যে তাদের কাছে তেলাওয়াত করে তাঁর আয়াতসমূহ, তাদেরকে পবিত্র করে এবং তাদেরকে শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত। যদিও ইত:পূর্বে তারা স্পষ্ট গোমরাহীতে ছিল। এবং তাদের মধ্য হতে অন্যান্যদের জন্যও, (এ রাসূলকেই পাঠানো হয়েছে) যারা এখনো তাদের সাথে মিলিত হয়নি। আর তিনিই মহা প্ররাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। এটা আল্লাহর অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি তা দান করেন। আর আল্লাহ মহা অনুগ্রহের অধিকারী। [সূরা জুমুআহ : ২-৪।]
الرسول : রাসূল হচ্ছেন, যাকে আল্লাহ তাআলা নতুন শরিয়ত দিয়ে প্রেরণ করেছেন এবং এ শরিয়ত সম্পর্কে যারা জানে না কিংবা জেনেও বিরোধিতা করে তাদের নিকট প্রচার করার নির্দেশ দিয়েছেন।
النبي : নবী বলা হয়, যাকে আল্লাহ তাআলা পূর্ববর্তী শরিয়ত দিয়েই প্রেরণ করেছেন। তাঁর দায়িত্ব হচেছ তিনি তাঁর চার পাশে অবস্থানরত উক্ত শরিয়তাবলম্বীদেরকে সে শরিয়ত শিক্ষা দেবেন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করবেন। উল্লেখিত সংজ্ঞা থেকে পরিস্কার হল যে, প্রত্যেক রাসূল নবী তবে প্রত্যেক নবী রাসূল নন।
এরপর দ্বীন ও নিজেদের প্রয়োজন মিটানোর নিমিত্তে ঈমান থেকে উপকৃত হওয়ার ব্যাপারে চেষ্টা করবে এবং এ বিশ্বাস মনে বদ্ধমূল করবে যে, তারা যেখানেই থাকুক না কেন আল্লাহ তাদের সাথেই আছেন। তাদের সাহায্য করেন। রিযিক দান করেন এবং শক্তি যোগান, সমর্থন করেন যেমন বদর, মক্কা বিজয়, হুনায়ন ইত্যাদি যুদ্ধে মুসলমানদের সাহায্য করেছিলেন। এবং আল্লাহর উপরই ভরসা করবে। তিনি ব্যতীত আর কারো উপর ভরসা করবে না। অতঃপর স্বীয় জাতি ও যাদের নিকট তাঁরা প্রেরিত হয়েছেন তাঁদের মধ্যে ঈমান প্রচার ও প্রসারে আত্মনিয়োগ করবে যাতে তারা একমাত্র আল্লাহ তাআলার ইবাদত করে। তাদেরকে দ্বীনের আহকাম ও বিধি-বিধান শিক্ষা দিবে এবং স্বীয় প্রতিপালকের নিদর্শনাবলি তেলাওয়াত করে শুনাবে।
আল্লাহ তাআলা বলেন :
هُوَ الَّذِي بَعَثَ فِي الْأُمِّيِّينَ رَسُولًا مِنْهُمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آَيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِنْ كَانُوا مِنْ قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿2﴾ وَآَخَرِينَ مِنْهُمْ لَمَّا يَلْحَقُوا بِهِمْ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ ﴿3﴾ ذَلِكَ فَضْلُ اللَّهِ يُؤْتِيهِ مَنْ يَشَاءُ وَاللَّهُ ذُو الْفَضْلِ الْعَظِيمِ ﴿4﴾ ( سورة الجمعة : 2-4)
তিনিই (নিরক্ষর অর্থাৎ আরব জাতি) উম্মীদের মাঝে একজন রাসূল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য থেকে, যে তাদের কাছে তেলাওয়াত করে তাঁর আয়াতসমূহ, তাদেরকে পবিত্র করে এবং তাদেরকে শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত। যদিও ইত:পূর্বে তারা স্পষ্ট গোমরাহীতে ছিল। এবং তাদের মধ্য হতে অন্যান্যদের জন্যও, (এ রাসূলকেই পাঠানো হয়েছে) যারা এখনো তাদের সাথে মিলিত হয়নি। আর তিনিই মহা প্ররাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। এটা আল্লাহর অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি তা দান করেন। আর আল্লাহ মহা অনুগ্রহের অধিকারী। [সূরা জুমুআহ : ২-৪।]
الرسول : রাসূল হচ্ছেন, যাকে আল্লাহ তাআলা নতুন শরিয়ত দিয়ে প্রেরণ করেছেন এবং এ শরিয়ত সম্পর্কে যারা জানে না কিংবা জেনেও বিরোধিতা করে তাদের নিকট প্রচার করার নির্দেশ দিয়েছেন।
النبي : নবী বলা হয়, যাকে আল্লাহ তাআলা পূর্ববর্তী শরিয়ত দিয়েই প্রেরণ করেছেন। তাঁর দায়িত্ব হচেছ তিনি তাঁর চার পাশে অবস্থানরত উক্ত শরিয়তাবলম্বীদেরকে সে শরিয়ত শিক্ষা দেবেন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করবেন। উল্লেখিত সংজ্ঞা থেকে পরিস্কার হল যে, প্রত্যেক রাসূল নবী তবে প্রত্যেক নবী রাসূল নন।