১
মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৬৮
জান্নাতবাসীদের মুখাবয়বের বিবরণ:
(১) আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন:
إِنَّ الْأَبْرَارَ لَفِي نَعِيمٍ ﴿22﴾ عَلَى الْأَرَائِكِ يَنْظُرُونَ ﴿23﴾ تَعْرِفُ فِي وُجُوهِهِمْ نَضْرَةَ النَّعِيمِ ﴿24﴾ { المطففين :22-24}
নিশ্চয় সৎকর্মশীল নেকবান্দাগন থাকবে পরম আরামে। সিংহাসনে বসে অবলোকন করবে। তুমি তাদের মুখাবয়বে স্বাচ্ছন্দের সজীবতা দেখতে পাবে। {সূরা আল মুতাফফিফীন:২২-২৪}
(২) আল্লাহ তাআলা আরো বলেন:
وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَاضِرَةٌ ﴿22﴾ إِلَى رَبِّهَا نَاظِرَةٌ ﴿23﴾ { القيامة :২২-২৩}
সে দিন অনেক মুখমন্ডল উজ্জ্বল হবে, তারা তাদের পালনকর্তার দিকে তাকিয়ে থাকবে।{সূরা কিয়ামাহ:২২-২৩}
(৩) আরো ইরশাদ হচ্ছে:
وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَاعِمَةٌ ﴿8﴾ لِسَعْيِهَا رَاضِيَةٌ ﴿9﴾ فِي جَنَّةٍ عَالِيَةٍ ﴿10﴾ { الغاشية :৮-১০}
অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে সজীব, তাদের কর্মের কারণে সন্তুষ্ট। তারা থাকবে সুউচ্চ জান্নাতে। {সূরা গাশিয়াহ:৮-১০}
(৪) অনত্র ইরশাদ হচ্ছে:
وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ مُسْفِرَةٌ ﴿38﴾ ضَاحِكَةٌ مُسْتَبْشِرَةٌ ﴿39﴾ { عبس :৩৮-৩৯}
অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে উজ্জ্বল, সহাস্য ও প্রফুল্ল। {সূরা আবাসা:৩৮-৩৯}
(৫) আরো ইরশাদ হচ্ছে:
وَأَمَّا الَّذِينَ ابْيَضَّتْ وُجُوهُهُمْ فَفِي رَحْمَةِ اللَّهِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ ﴿107﴾ { آل عمران :107}
আর যাদের মুখ উজ্জ্বল হবে, তারা থাকবে রহমতের মাঝে, তাতে তারা অনন্তকাল অবস্থান করবে।{সূরা আলে ইমরান:১০৭}
وعن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم : أول زمرة تدخل الجنة على صورة القمر ليلة البدر , والذين على آثارهم كأحسن كوكب دري في السماء إضاءة قلوبهم على قلب رجل واحد , لا تباغض بينهم و لا تحاسد . متفق عليه
সাহাবী আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:জান্নাতে প্রবেশকারী প্রথম দলটি পূর্ণিমা রাতের আলোকদ্ভাসিত চাঁদের আকৃতি নিয়ে প্রবেশ করবে। এর পরপরই যারা প্রবেশ করবে তারা হবে আকাশস্থ আলোকজ্জ্বল নক্ষত্র থেকেও অধিক আলোকময়।( হৃদ্যতা ও ভালবাসায়) তারা হবে অভিন্ন হৃদয় সম্পন্ন। তাদের মাঝে কোন বিদ্বেষ ও শত্রুতা থাকবে না। [বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম। হাদীস নং যথাক্রমে (৩২৫৪) ও (২৮৩৪)।]
إِنَّ الْأَبْرَارَ لَفِي نَعِيمٍ ﴿22﴾ عَلَى الْأَرَائِكِ يَنْظُرُونَ ﴿23﴾ تَعْرِفُ فِي وُجُوهِهِمْ نَضْرَةَ النَّعِيمِ ﴿24﴾ { المطففين :22-24}
নিশ্চয় সৎকর্মশীল নেকবান্দাগন থাকবে পরম আরামে। সিংহাসনে বসে অবলোকন করবে। তুমি তাদের মুখাবয়বে স্বাচ্ছন্দের সজীবতা দেখতে পাবে। {সূরা আল মুতাফফিফীন:২২-২৪}
(২) আল্লাহ তাআলা আরো বলেন:
وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَاضِرَةٌ ﴿22﴾ إِلَى رَبِّهَا نَاظِرَةٌ ﴿23﴾ { القيامة :২২-২৩}
সে দিন অনেক মুখমন্ডল উজ্জ্বল হবে, তারা তাদের পালনকর্তার দিকে তাকিয়ে থাকবে।{সূরা কিয়ামাহ:২২-২৩}
(৩) আরো ইরশাদ হচ্ছে:
وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَاعِمَةٌ ﴿8﴾ لِسَعْيِهَا رَاضِيَةٌ ﴿9﴾ فِي جَنَّةٍ عَالِيَةٍ ﴿10﴾ { الغاشية :৮-১০}
অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে সজীব, তাদের কর্মের কারণে সন্তুষ্ট। তারা থাকবে সুউচ্চ জান্নাতে। {সূরা গাশিয়াহ:৮-১০}
(৪) অনত্র ইরশাদ হচ্ছে:
وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ مُسْفِرَةٌ ﴿38﴾ ضَاحِكَةٌ مُسْتَبْشِرَةٌ ﴿39﴾ { عبس :৩৮-৩৯}
অনেক মুখমন্ডল সেদিন হবে উজ্জ্বল, সহাস্য ও প্রফুল্ল। {সূরা আবাসা:৩৮-৩৯}
(৫) আরো ইরশাদ হচ্ছে:
وَأَمَّا الَّذِينَ ابْيَضَّتْ وُجُوهُهُمْ فَفِي رَحْمَةِ اللَّهِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ ﴿107﴾ { آل عمران :107}
আর যাদের মুখ উজ্জ্বল হবে, তারা থাকবে রহমতের মাঝে, তাতে তারা অনন্তকাল অবস্থান করবে।{সূরা আলে ইমরান:১০৭}
وعن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم : أول زمرة تدخل الجنة على صورة القمر ليلة البدر , والذين على آثارهم كأحسن كوكب دري في السماء إضاءة قلوبهم على قلب رجل واحد , لا تباغض بينهم و لا تحاسد . متفق عليه
সাহাবী আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:জান্নাতে প্রবেশকারী প্রথম দলটি পূর্ণিমা রাতের আলোকদ্ভাসিত চাঁদের আকৃতি নিয়ে প্রবেশ করবে। এর পরপরই যারা প্রবেশ করবে তারা হবে আকাশস্থ আলোকজ্জ্বল নক্ষত্র থেকেও অধিক আলোকময়।( হৃদ্যতা ও ভালবাসায়) তারা হবে অভিন্ন হৃদয় সম্পন্ন। তাদের মাঝে কোন বিদ্বেষ ও শত্রুতা থাকবে না। [বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম। হাদীস নং যথাক্রমে (৩২৫৪) ও (২৮৩৪)।]