১
মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৪০
জাহান্নামবাসীদের অনুতাপ:
১- আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করছেন:
كَذَلِكَ يُرِيهِمُ اللَّهُ أَعْمَالَهُمْ حَسَرَاتٍ عَلَيْهِمْ وَمَا هُمْ بِخَارِجِينَ مِنَ النَّارِ
{ البقرة :১৬৭}
এভাবেই আল্লাহ তাআলা তাদের কে দেখাবেন তাদের কৃতকর্ম তাদের অনুতপ্ত করার জন্য। তারা কস্মিনকালেও আগুন (জাহান্নাম) থেকে বের হতে পারবে না। {সূরা বাকারাহ: ১৬৭}
২- হাদীসে এসেছে
وعن أبي هريرة رضي الله عنه قال : قال النبي صلى الله عليه وسلم : ( لا يدخل أحد الجنة إلا أري مقعده من النار لو أساء ليزداد شكرا , ولا يدخل النار أحد إلا أري مقعده من الجنة لو أحسن , ليكون عليه حسرة ). أخرجه البخاري
সাহাবী আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করছেন: কোন ব্যক্তিই জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না যতক্ষণ না জাহান্নামে তার অবস্থান দেখানো হয় যদি পাপ কর্ম করে থাকে। যাতে অধিক পরিমাণে শুকরিয়া ও কৃতজ্ঞতা আদায় করতে পারে। অনুরূপভাবে কোন ব্যক্তিই জাহান্নামে প্রবেশ করতে পারবে না, যতক্ষণ না জান্নাতে তার অবস্থান দেখানো হয় যদি পূণ্যকর্ম করে থাকে, যাতে বেশী করে অনুতাপ হয়। [বর্ণনায় বুখারী হাদীস নং (৬৫২৯)।]
وعن أنس رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال : إن الله يقول لأهون أهل النار عذابا : لو أن لك ما في الأرض من شيئ أ كنت تفتدي به؟قال : نعم , قال : فقد سألتك ما هو أهون من هذا و أنت في صلب آدم : أن لا تشرك بي , فأبيت إلا الشرك )). متفق عليه .
বিশিষ্ট সাহাবী আনাস বিন মালেক রাদিয়াল্লাহ আনহু নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করছেন, নবীজী বলেন, মহান আল্লাহ তাআলা সবচে সহজ শাস্তি ভোগকারী জাহান্নামীকে জিজ্ঞেস করবেন: পৃথিবীস্থিত সমস্ত কিছু যদি তোমার হতো তুমি কি এ শাস্তির মুক্তিপণ হিসাবে সেগুলো দান করতে? সে বলবে, হ্যাঁ। তখন আল্লাহ তাআলা বলবেন: তুমি যখন আদমের ওরসে ছিলে আমি তোমার নিকট এরচেয়ে সহজ জিনিষ কামনা করেছিলাম যে তুমি কাউকে আমার সমকক্ষ - শরীক স্থির করবে না। অথচ তুমি তা অস্বীকার করেছ এবং শরীক স্থির করেছ। [বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম। হাদীস নং যথাক্রমে (৩৩৩৪) এবং (২৮০৫)।]
كَذَلِكَ يُرِيهِمُ اللَّهُ أَعْمَالَهُمْ حَسَرَاتٍ عَلَيْهِمْ وَمَا هُمْ بِخَارِجِينَ مِنَ النَّارِ
{ البقرة :১৬৭}
এভাবেই আল্লাহ তাআলা তাদের কে দেখাবেন তাদের কৃতকর্ম তাদের অনুতপ্ত করার জন্য। তারা কস্মিনকালেও আগুন (জাহান্নাম) থেকে বের হতে পারবে না। {সূরা বাকারাহ: ১৬৭}
২- হাদীসে এসেছে
وعن أبي هريرة رضي الله عنه قال : قال النبي صلى الله عليه وسلم : ( لا يدخل أحد الجنة إلا أري مقعده من النار لو أساء ليزداد شكرا , ولا يدخل النار أحد إلا أري مقعده من الجنة لو أحسن , ليكون عليه حسرة ). أخرجه البخاري
সাহাবী আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করছেন: কোন ব্যক্তিই জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না যতক্ষণ না জাহান্নামে তার অবস্থান দেখানো হয় যদি পাপ কর্ম করে থাকে। যাতে অধিক পরিমাণে শুকরিয়া ও কৃতজ্ঞতা আদায় করতে পারে। অনুরূপভাবে কোন ব্যক্তিই জাহান্নামে প্রবেশ করতে পারবে না, যতক্ষণ না জান্নাতে তার অবস্থান দেখানো হয় যদি পূণ্যকর্ম করে থাকে, যাতে বেশী করে অনুতাপ হয়। [বর্ণনায় বুখারী হাদীস নং (৬৫২৯)।]
وعن أنس رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال : إن الله يقول لأهون أهل النار عذابا : لو أن لك ما في الأرض من شيئ أ كنت تفتدي به؟قال : نعم , قال : فقد سألتك ما هو أهون من هذا و أنت في صلب آدم : أن لا تشرك بي , فأبيت إلا الشرك )). متفق عليه .
বিশিষ্ট সাহাবী আনাস বিন মালেক রাদিয়াল্লাহ আনহু নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করছেন, নবীজী বলেন, মহান আল্লাহ তাআলা সবচে সহজ শাস্তি ভোগকারী জাহান্নামীকে জিজ্ঞেস করবেন: পৃথিবীস্থিত সমস্ত কিছু যদি তোমার হতো তুমি কি এ শাস্তির মুক্তিপণ হিসাবে সেগুলো দান করতে? সে বলবে, হ্যাঁ। তখন আল্লাহ তাআলা বলবেন: তুমি যখন আদমের ওরসে ছিলে আমি তোমার নিকট এরচেয়ে সহজ জিনিষ কামনা করেছিলাম যে তুমি কাউকে আমার সমকক্ষ - শরীক স্থির করবে না। অথচ তুমি তা অস্বীকার করেছ এবং শরীক স্থির করেছ। [বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম। হাদীস নং যথাক্রমে (৩৩৩৪) এবং (২৮০৫)।]