১
মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৬৪
২-দুই নম্বর:
আল্লাহ তাআলা কর্তৃক নির্ধারিত ও সিদ্ধান্তকৃত এমন কাজ, যা করা না করার ব্যাপারে বান্দার ক্ষমতা আছে এবং আল্লাহ প্রদত্ত বোধ-বিবেক, ক্ষমতা-সামর্থ ও এখতিয়ার বলে সম্পাদন করে। যেমন ঈমান ও কুফর.. আনুগত্য ও অবাধ্যতা..ভালকাজ করা ও মন্দকাজ করা।
সুতরাং এসকল ও এ জাতীয় অন্যান্য কাজের ব্যাপারেই বান্দার হিসাব নেয়া হবে, এবং এরই ভিত্তিতে ছাওয়াব ও শাস্তি দেয়া হবে।
কেননা আল্লাহ তাআলা অসংখ্য নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন, অসংখ্য কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, হক্ব ও বাতেল চি হ্নত করে দিয়েছেন, এরপর ঈমান ও আনুত্যের প্রতি উৎসাহ দিয়েছেন পাশাপাশি কুফর ও অবাধ্যতা থেকে সর্তক করেছেন, উপরন্তু মানুষকে বোধ ও বিবেক দ্বারা সমৃদ্ধ করেছেন এবং গ্রহণ করার ব্যাপারে পরিপূর্ণ সামর্থ ও ক্ষমতা প্রদান করেছেন। অতএব যে রাস্তাই সে গ্রহণ করবে সেটি সম্পূর্ণই তার নিজস্ব এখতিয়ারে (কারো চাপিয়ে দেয়ার কারণে নয়)। অবশ্য ভাল-মন্দ দুই রাস্তার যেটিই সে গ্রহণ করবে সেটি আল্লাহর ক্ষমতা ও ইচ্ছার অধীনে দাখিল থাকবে। কারণ আল্লার রাজত্বে তার ইলম ও ইচ্ছা (অনুমোদন) ব্যতীত কোন কিছু সঙ্ঘটিত হতে পারে না।
১- আল্লাহ তাআলা বলেন:
وقل الحق من ربكم فمن شاء فليؤمن ... { الكهف : ২৯}
বল: সত্য তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে আগত। সুতরাং যার ইচ্ছা বিশ্বাস স্থাপন করুক (ঈমান গ্রহণ করুক) আর যার ইচ্ছা অবিশ্বাস করুক (কুফরী করুক)।{সূরা কাহফ:২৯}
২- আরো ইরশাদ হচ্ছে:
مَنْ عَمِلَ صَالِحًا فَلِنَفْسِهِ وَمَنْ أَسَاءَ فَعَلَيْهَا وَمَا رَبُّكَ بِظَلَّامٍ لِلْعَبِيدِ { فصلت : ৪৬}
যে নেক আমল করে সে নিজের উপকারের জন্যই করে, আর যে মন্দকর্ম কর্ম সম্পাদন করে তার ক্ষতি তার উপরই বর্তাবে। তোমার পালনকর্তা বান্দাদের উপর মোটেই যুলুম করেন না। {সূরা ফুসসিলাত:৪৬}
৩-অন্যত্র ইরশাদ হচ্ছে:
مَنْ كَفَرَ فَعَلَيْهِ كُفْرُهُ وَمَنْ عَمِلَ صَالِحًا فَلِأَنْفُسِهِمْ يَمْهَدُونَ { الروم :৪৪}
যে কুফর করে , তার কুফরের জন্য সে-ই দায়ী (তার ক্ষাতি তারই উপর বর্তাবে) আর যে নেক আমল করে তারা নিজেদের জন্যই সুখ-শয্যা রচনা করে।{সূরা আর রূম:৪৪}
৪-আরো ইরশাদ হচ্ছে:
إِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِلْعَالَمِينَ ﴿27﴾ لِمَنْ شَاءَ مِنْكُمْ أَنْ يَسْتَقِيمَ ﴿28﴾ وَمَا تَشَاءُونَ إِلَّا أَنْ يَشَاءَ اللَّهُ رَبُّ الْعَالَمِينَ ﴿29﴾ { التكوير :২৭-২৯}
এটিতো কেবল বিশ্ব বাসীদের জন্য উপদেশ। তার জন্য, তোমাদের মধ্যে যে সরল পথে চলতে চায়। মহান রাববুল আলামীন - আল্লাহ না চাইলে তোমরা কিছুই ইচ্ছা করতে পার না। {সূরা তাকভীর:২৭-২৯}
সুতরাং এসকল ও এ জাতীয় অন্যান্য কাজের ব্যাপারেই বান্দার হিসাব নেয়া হবে, এবং এরই ভিত্তিতে ছাওয়াব ও শাস্তি দেয়া হবে।
কেননা আল্লাহ তাআলা অসংখ্য নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন, অসংখ্য কিতাব অবতীর্ণ করেছেন, হক্ব ও বাতেল চি হ্নত করে দিয়েছেন, এরপর ঈমান ও আনুত্যের প্রতি উৎসাহ দিয়েছেন পাশাপাশি কুফর ও অবাধ্যতা থেকে সর্তক করেছেন, উপরন্তু মানুষকে বোধ ও বিবেক দ্বারা সমৃদ্ধ করেছেন এবং গ্রহণ করার ব্যাপারে পরিপূর্ণ সামর্থ ও ক্ষমতা প্রদান করেছেন। অতএব যে রাস্তাই সে গ্রহণ করবে সেটি সম্পূর্ণই তার নিজস্ব এখতিয়ারে (কারো চাপিয়ে দেয়ার কারণে নয়)। অবশ্য ভাল-মন্দ দুই রাস্তার যেটিই সে গ্রহণ করবে সেটি আল্লাহর ক্ষমতা ও ইচ্ছার অধীনে দাখিল থাকবে। কারণ আল্লার রাজত্বে তার ইলম ও ইচ্ছা (অনুমোদন) ব্যতীত কোন কিছু সঙ্ঘটিত হতে পারে না।
১- আল্লাহ তাআলা বলেন:
وقل الحق من ربكم فمن شاء فليؤمن ... { الكهف : ২৯}
বল: সত্য তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে আগত। সুতরাং যার ইচ্ছা বিশ্বাস স্থাপন করুক (ঈমান গ্রহণ করুক) আর যার ইচ্ছা অবিশ্বাস করুক (কুফরী করুক)।{সূরা কাহফ:২৯}
২- আরো ইরশাদ হচ্ছে:
مَنْ عَمِلَ صَالِحًا فَلِنَفْسِهِ وَمَنْ أَسَاءَ فَعَلَيْهَا وَمَا رَبُّكَ بِظَلَّامٍ لِلْعَبِيدِ { فصلت : ৪৬}
যে নেক আমল করে সে নিজের উপকারের জন্যই করে, আর যে মন্দকর্ম কর্ম সম্পাদন করে তার ক্ষতি তার উপরই বর্তাবে। তোমার পালনকর্তা বান্দাদের উপর মোটেই যুলুম করেন না। {সূরা ফুসসিলাত:৪৬}
৩-অন্যত্র ইরশাদ হচ্ছে:
مَنْ كَفَرَ فَعَلَيْهِ كُفْرُهُ وَمَنْ عَمِلَ صَالِحًا فَلِأَنْفُسِهِمْ يَمْهَدُونَ { الروم :৪৪}
যে কুফর করে , তার কুফরের জন্য সে-ই দায়ী (তার ক্ষাতি তারই উপর বর্তাবে) আর যে নেক আমল করে তারা নিজেদের জন্যই সুখ-শয্যা রচনা করে।{সূরা আর রূম:৪৪}
৪-আরো ইরশাদ হচ্ছে:
إِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِلْعَالَمِينَ ﴿27﴾ لِمَنْ شَاءَ مِنْكُمْ أَنْ يَسْتَقِيمَ ﴿28﴾ وَمَا تَشَاءُونَ إِلَّا أَنْ يَشَاءَ اللَّهُ رَبُّ الْعَالَمِينَ ﴿29﴾ { التكوير :২৭-২৯}
এটিতো কেবল বিশ্ব বাসীদের জন্য উপদেশ। তার জন্য, তোমাদের মধ্যে যে সরল পথে চলতে চায়। মহান রাববুল আলামীন - আল্লাহ না চাইলে তোমরা কিছুই ইচ্ছা করতে পার না। {সূরা তাকভীর:২৭-২৯}