১
মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮৯
বৈশিষ্ট্যাবলি .
তাঁর বৈশিষ্ট্যাবলির অন্যতম হচেছ, তিনি সর্বশেষ নবী, সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল, মুত্তাকীদের ইমাম। তাঁর রিসালাত আম (ব্যাপক), জিন-ইনসান উভয়কে শামিল করেছে। আল্লাহ তাআলা তাঁকে সারা বিশ্বের জন্য রহমত স্বরূপ প্রেরণ করেছেন। বাইতুল মুকাদ্দাস পর্যন্ত রাতে ভ্রমন করিয়েছেন অত:পর আকাশ পানে উঠিয়ে উর্ধ্ব জগত ভ্রমণ করিয়েছেন অর্থাৎ ইসরা ও মিরাজ করিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা তাঁকে নবুওয়ত ও রিসালাতের সম্মানসূচক বিশেষণ যুক্ত করে; ইয়া আইয়্যুহান্নাবিয়্যু - ইয়া আইয়্যুহাররাসূলু বলে সম্বোধন করেছেন।
عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه و سلم قال : (( أعطيت خمسا لم يعطهن أحد قبلي : نصرت بالرعب مسيرة شهر , وجعلت لي الأرض مسجدا وطهورا , فأيما رجل من أمتي أدركته الصلاة فليصلّ , و أحلت لي المغانم و لم تحل لأحد قبلي , وأعطيت الشفاعة , وكان النبي يبعث إلى قومه خاصة وبعثت إلى الناس عامة )) متفق عليه
বিশিষ্ট সাহাবী জাবের বিন আব্দুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমাকে এমন পাঁচটি বৈশিষ্ট্য দান করা হয়েছে যা আমার পূর্বে আর কাউকে দেয়া হয়নি, আমাকে রু’ব (বিশেষ প্রভাব) দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে; এক মাস ভ্রমণপথের দূরত্ব থেকেও লোকেরা প্রভাবিত হয়ে যায়, সমগ্র ভূমিকে আমার জন্য পবিত্র ও মসজিদ করা হয়েছে, সুতরাং আমার উম্মতের যে কারো যেখানেই সালাতের ওয়াক্ত হবে সে সেখানেই তা তা আদায় করবে। গনিমতের মাল (যুদ্ধলব্ধ সম্পদ) আমার জন্য হালাল করা হয়েছে, আমার পূর্বে তা কারো জন্যই হালাল ছিল না, আমাকে শাফাআতের অধিকার দেয়া হয়েছে, পূর্ববর্তী নবীগণ নির্দিষ্ট করে নিজ সম্প্রদায়ের নিকট প্রেরিত হতেন আর আমাকে ব্যাপকভাবে সমগ্র মানুষের জন্য নবী করে প্রেরণ করা হয়েছে। [বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম। বুখারী হাদীস নং (৩৩৫) আর মুসলিম (৫২১)।]
কতিপয় বৈশিষ্ট্য যা কেবলমাত্র তাঁর জন্য নির্দিষ্ট ছিল, যেমন সওমে বেসাল তথা ইফতার ও সাহ্রি বিহীন লাগাতার রোযা রাখা, মোহর বিহীন বিবাহ, চারজনের অধিক নারী বিবাহ করা ও একই সাথে সংসার করা, (এগুলো শুধুমাত্র তাঁর জন্য বৈধ ছিল অন্য কারো জন্য নয়) যাকাত-সদকা আহার না করা, লোকেরা যা শুনতে পেত না তিনি তা শুনতেন। লোকেরা যা দেখতে পেত না তিনি তা দেখতে পেতেন। যেমন তিনি ফেরেশতা জিবরাীলকে আল্লাহর সৃষ্টিকৃত তাঁর নিজস্ব আকৃতিতে দেখতে পেয়েছিলেন। নবীজীর আরো একটি বৈশিষ্ট্য হল, তিনি কাউকে উত্তরাধিকারী করে যাননি এটি তাঁর জন্য জরুরিও ছিল না ।
عن جابر بن عبد الله رضي الله عنهما أن النبي صلى الله عليه و سلم قال : (( أعطيت خمسا لم يعطهن أحد قبلي : نصرت بالرعب مسيرة شهر , وجعلت لي الأرض مسجدا وطهورا , فأيما رجل من أمتي أدركته الصلاة فليصلّ , و أحلت لي المغانم و لم تحل لأحد قبلي , وأعطيت الشفاعة , وكان النبي يبعث إلى قومه خاصة وبعثت إلى الناس عامة )) متفق عليه
বিশিষ্ট সাহাবী জাবের বিন আব্দুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমাকে এমন পাঁচটি বৈশিষ্ট্য দান করা হয়েছে যা আমার পূর্বে আর কাউকে দেয়া হয়নি, আমাকে রু’ব (বিশেষ প্রভাব) দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে; এক মাস ভ্রমণপথের দূরত্ব থেকেও লোকেরা প্রভাবিত হয়ে যায়, সমগ্র ভূমিকে আমার জন্য পবিত্র ও মসজিদ করা হয়েছে, সুতরাং আমার উম্মতের যে কারো যেখানেই সালাতের ওয়াক্ত হবে সে সেখানেই তা তা আদায় করবে। গনিমতের মাল (যুদ্ধলব্ধ সম্পদ) আমার জন্য হালাল করা হয়েছে, আমার পূর্বে তা কারো জন্যই হালাল ছিল না, আমাকে শাফাআতের অধিকার দেয়া হয়েছে, পূর্ববর্তী নবীগণ নির্দিষ্ট করে নিজ সম্প্রদায়ের নিকট প্রেরিত হতেন আর আমাকে ব্যাপকভাবে সমগ্র মানুষের জন্য নবী করে প্রেরণ করা হয়েছে। [বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম। বুখারী হাদীস নং (৩৩৫) আর মুসলিম (৫২১)।]
কতিপয় বৈশিষ্ট্য যা কেবলমাত্র তাঁর জন্য নির্দিষ্ট ছিল, যেমন সওমে বেসাল তথা ইফতার ও সাহ্রি বিহীন লাগাতার রোযা রাখা, মোহর বিহীন বিবাহ, চারজনের অধিক নারী বিবাহ করা ও একই সাথে সংসার করা, (এগুলো শুধুমাত্র তাঁর জন্য বৈধ ছিল অন্য কারো জন্য নয়) যাকাত-সদকা আহার না করা, লোকেরা যা শুনতে পেত না তিনি তা শুনতেন। লোকেরা যা দেখতে পেত না তিনি তা দেখতে পেতেন। যেমন তিনি ফেরেশতা জিবরাীলকে আল্লাহর সৃষ্টিকৃত তাঁর নিজস্ব আকৃতিতে দেখতে পেয়েছিলেন। নবীজীর আরো একটি বৈশিষ্ট্য হল, তিনি কাউকে উত্তরাধিকারী করে যাননি এটি তাঁর জন্য জরুরিও ছিল না ।