১
মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৭৫
আল্লাহর নির্দেশনাবলি দুই প্রকার:
১-শরয়ী নির্দেশনাবলী কখনো সংঘটিত হয়, আবার কখনো কখনো আল্লাহর ইচ্ছায় বান্দা তার বিরোধিতাও করে। যেমন:
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করছেন:
وقضى ربك ألا تعبدوا إلا إياه وبالوالدين إحسانا . { الإسراء :২৩}
আর তোমার প্রতিপালক নির্দেশ দিচ্ছেন; তোমরা একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করবে আর পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করবে। {সূরা ইসরা:২৩}
২-কাওনী নির্দেশনাবলী অবশ্যই সঙ্ঘটিত হয়, মানুষের পক্ষে তার বিরোধিতা করা অসম্ভব। সেটি আবার দুই প্রকার:
(ক)আল্লাহর সরাসরি নির্দেশ (যা) অত্যাবশ্যকীয়ভাবে সঙ্ঘটিতব্য।
যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন:
إنما أمره إذا أراد شيئا أن يقول له كن فيكون .{ يس :৮২}
তাঁর ব্যাপার শুধু এই, তিনি যখন কোন কিছুর ইচ্ছা করেন, তখন বলেন, হয়ে যাও, ফলে সেটি হয়ে যায়। {সূরা ইয়াসীন:৮২}
(খ) আল্লাহর কাওনী নির্দেশনা আর সেটি হচ্ছে কাওনী রীতি যা বিভিন্ন আসবাব ও নতীজা থেকে গঠিত হয়, যার কিছু অপর কিছুকে প্রভাবিত করে। আর প্রত্যেক কাওনী সববের একটি নতীজা থাকে। আর সুনানে কাওনী থেকে:
১- ইরশাদ হচ্ছে:
ذَلِكَ بِأَنَّ اللَّهَ لَمْ يَكُ مُغَيِّرًا نِعْمَةً أَنْعَمَهَا عَلَى قَوْمٍ حَتَّى يُغَيِّرُوا مَا بِأَنْفُسِهِمْ وَأَنَّ اللَّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٌ
{ الأنفال : ৫৩}
এটি এ জন্য যে, যদি কোন সম্প্রদায় নিজের অবস্থার পরিবর্তন না করে, তবে আল্লাহ এমন নন যে, তিনি তাদেরকে যে সম্পদ দান করেছেন তা পরিবর্তন করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বশ্রোতা,সর্বজ্ঞ।
২- আরো ইরশাদ হচ্ছে:
وَإِذَا أَرَدْنَا أَنْ نُهْلِكَ قَرْيَةً أَمَرْنَا مُتْرَفِيهَا فَفَسَقُوا فِيهَا فَحَقَّ عَلَيْهَا الْقَوْلُ فَدَمَّرْنَاهَا تَدْمِيرًا
{ الإسراء :১৬}
আর আমি যখন কোন জনপদ ধ্বংস করতে চাই তখন তার সমৃদ্ধিশালী ব্যক্তিদেরকে সৎকর্ম করতে আদেশ দেই, কিন্তু তারা সেখানে অপকর্ম করে, তখন সে জনপদের উপর আদেশ (দন্ডাজ্ঞা) অবধারিত হয়ে যায়। এবং সেটি আমি সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত করি।
{সূরা ইসরা:১৬}
ইবলিস ও তার অনুসারীদের পক্ষে এ কাওনী রীতিকে বশীভূতকরার চেষ্টা করা সম্ভব যাতে করে এটি কোন কোন মানুষের ধ্বংসের কারণ হতে পারে। করুনাময় আল্লাহ তাআলা আমাদের জন্য সেসব থেকে মুক্তির লক্ষ্যে দুআ ও ইস্তেগফারের অনুমোদন করেছেন। দুআ হচ্ছে আল্লাহর আশ্রয় যিনি সকল কাওনী রীতিকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি যে কোন সময় এবং যে ভাবে ইচ্ছা তার কার্যকারিতা নষ্ট করার ক্ষমতা রাখেন অনুরূপভাবে তার নতীজা (পরিণতি) ও পরিবর্তন করতে পারেন। যেমন তিনি নবী ইবরাহীম আলাইহিস সালামের ক্ষেত্রে আগুনের কার্যকরিতা নষ্ট করে দিয়েছিলেন। ইরশাদ হচ্ছে:
قلنا يا نار كوني بردا و سلاما على إبراهيم . { الأنبياء :৬৯}
আমি বললাম: হে আগুন! তুমি ইবরাহীমের জন্য শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও।
{সূরা আম্বিয়া:৬৯}
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করছেন:
وقضى ربك ألا تعبدوا إلا إياه وبالوالدين إحسانا . { الإسراء :২৩}
আর তোমার প্রতিপালক নির্দেশ দিচ্ছেন; তোমরা একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করবে আর পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করবে। {সূরা ইসরা:২৩}
২-কাওনী নির্দেশনাবলী অবশ্যই সঙ্ঘটিত হয়, মানুষের পক্ষে তার বিরোধিতা করা অসম্ভব। সেটি আবার দুই প্রকার:
(ক)আল্লাহর সরাসরি নির্দেশ (যা) অত্যাবশ্যকীয়ভাবে সঙ্ঘটিতব্য।
যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন:
إنما أمره إذا أراد شيئا أن يقول له كن فيكون .{ يس :৮২}
তাঁর ব্যাপার শুধু এই, তিনি যখন কোন কিছুর ইচ্ছা করেন, তখন বলেন, হয়ে যাও, ফলে সেটি হয়ে যায়। {সূরা ইয়াসীন:৮২}
(খ) আল্লাহর কাওনী নির্দেশনা আর সেটি হচ্ছে কাওনী রীতি যা বিভিন্ন আসবাব ও নতীজা থেকে গঠিত হয়, যার কিছু অপর কিছুকে প্রভাবিত করে। আর প্রত্যেক কাওনী সববের একটি নতীজা থাকে। আর সুনানে কাওনী থেকে:
১- ইরশাদ হচ্ছে:
ذَلِكَ بِأَنَّ اللَّهَ لَمْ يَكُ مُغَيِّرًا نِعْمَةً أَنْعَمَهَا عَلَى قَوْمٍ حَتَّى يُغَيِّرُوا مَا بِأَنْفُسِهِمْ وَأَنَّ اللَّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٌ
{ الأنفال : ৫৩}
এটি এ জন্য যে, যদি কোন সম্প্রদায় নিজের অবস্থার পরিবর্তন না করে, তবে আল্লাহ এমন নন যে, তিনি তাদেরকে যে সম্পদ দান করেছেন তা পরিবর্তন করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বশ্রোতা,সর্বজ্ঞ।
২- আরো ইরশাদ হচ্ছে:
وَإِذَا أَرَدْنَا أَنْ نُهْلِكَ قَرْيَةً أَمَرْنَا مُتْرَفِيهَا فَفَسَقُوا فِيهَا فَحَقَّ عَلَيْهَا الْقَوْلُ فَدَمَّرْنَاهَا تَدْمِيرًا
{ الإسراء :১৬}
আর আমি যখন কোন জনপদ ধ্বংস করতে চাই তখন তার সমৃদ্ধিশালী ব্যক্তিদেরকে সৎকর্ম করতে আদেশ দেই, কিন্তু তারা সেখানে অপকর্ম করে, তখন সে জনপদের উপর আদেশ (দন্ডাজ্ঞা) অবধারিত হয়ে যায়। এবং সেটি আমি সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত করি।
{সূরা ইসরা:১৬}
ইবলিস ও তার অনুসারীদের পক্ষে এ কাওনী রীতিকে বশীভূতকরার চেষ্টা করা সম্ভব যাতে করে এটি কোন কোন মানুষের ধ্বংসের কারণ হতে পারে। করুনাময় আল্লাহ তাআলা আমাদের জন্য সেসব থেকে মুক্তির লক্ষ্যে দুআ ও ইস্তেগফারের অনুমোদন করেছেন। দুআ হচ্ছে আল্লাহর আশ্রয় যিনি সকল কাওনী রীতিকে সৃষ্টি করেছেন। তিনি যে কোন সময় এবং যে ভাবে ইচ্ছা তার কার্যকারিতা নষ্ট করার ক্ষমতা রাখেন অনুরূপভাবে তার নতীজা (পরিণতি) ও পরিবর্তন করতে পারেন। যেমন তিনি নবী ইবরাহীম আলাইহিস সালামের ক্ষেত্রে আগুনের কার্যকরিতা নষ্ট করে দিয়েছিলেন। ইরশাদ হচ্ছে:
قلنا يا نار كوني بردا و سلاما على إبراهيم . { الأنبياء :৬৯}
আমি বললাম: হে আগুন! তুমি ইবরাহীমের জন্য শীতল ও নিরাপদ হয়ে যাও।
{সূরা আম্বিয়া:৬৯}