১
২
সূরা বাকারা : ২১-২২
৩
১- তাওহীদ:
৪
২- তাওহীদের প্রকারভেদ
৫
তাওহীদের সার-নির্যাস:
৬
তাওহীদের ফলাফল
৭
তাওহীদের ফযীলত
৮
তাওহীদ পন্থীদের পুরস্কার
৯
কালেমায়ে তাওহীদের মহত্ব ও মর্যাদা
১০
তাওহীদের পূর্ণতা
১১
তাগুতের পরিচয়
১২
প্রধান প্রধান তাগুত।
১৩
৩- ইবাদত ইবাদতের অর্থ ও তাৎপর্য:
১৪
মানব ও জিন সৃষ্টির তাৎপর্য :
১৫
ইবাদত ও দাসত্ব প্রকাশের পদ্ধতি:
১৬
ইবাদত করার দিক থেকে সর্বাপেক্ষা শ্রেষ্ঠ ও পরিপূর্ণ মানুষ।
১৭
বান্দার উপর আল্লাহর অধিকার :
১৮
ইবাদত ও দাসত্বের উৎকর্ষ ও পরিপূর্ণতা
১৯
৪-শিরক
২০
শিরকের ভয়াবহতা :
২১
শিরকের নিকৃষ্ট পরিণাম
২২
শিরককারীদের শাস্তি :
২৩
শিরকের ভিত্তিমূল:
২৪
৫- শিরকের প্রকার
২৫
(১) শিরকে আকবর
২৬
শিরকে আকবরের কিছু নমুনা :
২৭
নিফাকের প্রকার :
২৮
(২) শিরকে আসগর বা ছোট শিরক:
২৯
শিরকে আসগরের কিছু নমুনা :
৩০
কতিপয় কর্ম ও কথা যা শিরকের অন্তর্ভূক্ত বা তার মাধ্যম :-
৩১
৬- ইসলাম মানবজাতির জন্য ইসলামের প্রয়োজনীয়তা :
৩২
ইসলাম ধর্মের তিনটি স্তর রয়েছে। ইসলাম, ঈমান ও ইহসান। প্রতিটি স্তরের স্বতন্ত্র কিছু মৌলিক বিষয় রয়েছে। ইসলাম, ঈমান ও ইহসানের মধ্যে পার্থক্য :-
৩৩
ইসলামের অর্থ :
৩৪
৭- ইসলামের রুকনসমূহ ইসলামের রুকন পাঁচটি:
৩৫
৮- ঈমান :
৩৬
ঈমানের স্তর বিন্যাস:
৩৭
ঈমানের পূর্ণতা :
৩৮
৯- ঈমানের কিছু বৈশিষ্ট্য ও নিদর্শন
৩৯
ঈমান সর্বোত্তম আমল :
৪০
ইবাদত ও আনুগত্যের মাধ্যমে ঈমান বৃদ্ধি পায়-দৃঢ় হয়, পাপ ও অবাধ্যতার কারনে হ্রাস পায়- দুর্বল হয়।
৪১
কাফেরদের ইসলাম গ্রহণ করার পূর্বে সম্পাদিত নেক আমলের বিধান:
৪২
১০- ঈমানের রুকনসমূহ
৪৩
১-আল্লাহ তাআলার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন
৪৪
(এক) আল্লাহ তাআলার অস্তিত্বের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা।
৪৫
(দুই) এ বিশ্বাস রাখা যে, আল্লাহ তাআলাই হচ্ছেন রব-প্রতিপালক, এতে তাঁর কোন শরীক নেই।
৪৬
(তিন) আল্লাহ তাআলার উলূহিয়্যাতের (উপাস্যত্ব) প্রতি বিশ্বাস স্থাপন :
৪৭
(চার) আল্লাহ তাআলার নাম ও সিফাতের প্রতি বিশবাস স্থাপন :
৪৮
আসমাউল হুসনার বিবরণ
৪৯
ঈমান বৃদ্ধি
৫০
আমাদের জীবনে উক্ত ঈমান প্রতিষ্ঠিত ও ক্রমশ বৃদ্ধি পেতে হলে, নিম্নোক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে গভীর ধারণা রাখতে হবে।
৫১
আল্লাহ তাআলার কুদরত ও ক্ষমতা :
৫২
সফলতা, কল্যাণ ও উন্নতির উপকরণ ও মাধ্যম :
৫৩
ঈমানদারদের শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদায় শ্রেণী ভিন্নতা:
৫৪
ঈমানের উপর আল্লাহ তাআলার প্রতিশ্রুতি
৫৫
(ক) ইহকালীন জীবনের কতিপয় প্রতিশ্রুতি:
৫৬
(খ) পরকালীন জীবনের সাথে সম্পৃক্ত কিছু প্রতিশ্রুতি।
৫৭
ইবাদত বিধিত করণের তৎপর্য
৫৮
২- ফেরেশতাকুলের প্রতি ঈমান ঈমান বিল মালাইকার অর্থ হচ্ছে:
৫৯
পদ মর্যাদর দিক থেকে তাঁদের অবস্থান :
৬০
কর্ম ও দায়িত্ব সম্পাদনের দিক থেকে তাঁদের অবস্থা হচ্ছে,
৬১
আনুগত্য ও মান্য করার দিক থেকে তাঁদের অবস্থা :
৬২
ফেরেশতাদের সংখ্যা :
৬৩
ফেরেশতাদের নাম ও কর্ম :
৬৪
লেখার কাজে নিয়োজিত সম্মানিত ফেরেশতাবৃন্দ (কিরামুন কাতিবীন)-এর দায়িত্ব :
৬৫
ফেরেশতাদের আকৃতির বিশালতা :-
৬৬
ঈমান বিল মালাইকার উপকারিতা :
৬৭
৩- কিতাবসমূহের প্রতি ঈমান
৬৮
কুরআনে উল্লেখকৃত ঐশী গ্রন্থসমূহের সংখ্যা :
৬৯
পূর্ববর্তী সকল গ্রন্থ যেমন তাওরাত, যাবুর, ইঞ্জীল ইত্যাদি কুরআনুল কারীমের কারণে রহিত হয়ে গিয়েছে।
৭০
আহলে কিতাবদের নিকট বিদ্যমান গ্রন্থাদির হুকুম :
৭১
কুরআনুল কারীমের উপর ঈমান আনা এবং তদানুযায়ী আমল করার বিধান
৭২
কুরআনের আয়াতসমূহের নির্দেশনা :
৭৩
খবর দুই প্রকার :
৭৪
তলব (আহবান-দাবী) দুই প্রকার :
৭৫
৪- রাসূলগণের প্রতি ঈমান
৭৬
আম্বিয়া ও তাঁদের অনুসারীদের প্রশিক্ষণ দান :
৭৭
নবী-রাসূল প্রেরণ :
৭৮
নবী ও রাসূলগণের সংখ্যা :
৭৯
দৃঢ় প্রতিজ্ঞ-সাহসী রাসূলবৃন্দ : أولو العزم من الرسل
৮০
সর্ব প্রথম রাসূল :
৮১
সর্বশেষ রাসূল :
৮২
আল্লাহ তাআলা নবী-রাসূলদের কাদের নিকট প্রেরণ করেছেন :
৮৩
নবী-রাসূল প্রেরণের তাৎপর্য :
৮৪
নবী-রাসূলগণের গুণাগুণ:
৮৫
নবী-রাসূলদের বৈশিষ্ট্যাবলি :
৮৬
নবী-রাসূলগণের প্রতি ঈমানের বিধান:
৮৭
নবী-রাসূলগণের প্রতি ঈমানের উপকারিতা ও ফলাফল :
৮৮
মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বংশ পরিচয় ও বেড়ে উঠা:
৮৯
বৈশিষ্ট্যাবলি .
৯০
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি ওহীর সূচনা:
৯১
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সহধর্মিণীবৃন্দ:
৯২
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সন্তান-সন্ততি:
৯৩
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীবৃন্দ:
৯৪
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীদের ভালবাসা:
৯৫
৫-কিয়ামত দিবসের প্রতি ঈমান আল ইয়াওমুল আখের দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে:
৯৬
আল ইয়াওমুল আখেরের অনেকগুলো নাম আছে , প্রসিদ্ধ কয়েকটি যেমন
৯৭
আল ইয়াওমুল আখেরের গুরত্ব ও মর্যাদা
৯৮
কবরের পরীক্ষা
৯৯
কবরের আযাব দু ধরনের:
১০০
কবরের নেয়ামতরাজি :
১০১
মৃত্যুর পর থেকে কিয়ামত পর্যন্ত রূহ (আত্মা)-এর অবস্থানস্থল:
১০২
কিয়ামতের আলামত কিয়ামত সম্পর্কিত জ্ঞান:
১০৩
কিয়ামতের ছোট ছোট নিদর্শনাবলী কিয়ামতের ছোট ছোট নিদর্শনাবলী তিন ধরণের: ১-এমন এমন নিদর্শনাবলী যা সঙ্ঘঠিত হয়েছে এবং শেষও হয়ে গিয়েছে :
১০৪
২-এমন আলামত যা প্রকাশ পেয়ে এখনও বিদ্যমান আছে :
১০৫
৩-এমন সব নিদর্শন যা এখনো প্রকাশ পায়নি তবে নি:সন্দেহে রাসূলুল্লাহর বর্ণনানুযায়ী অচিরেই প্রকাশ পাবে :
১০৬
কিয়ামতের বড় বড় নিদর্শনাবলী
১০৭
১- দাজ্জালের আবির্ভাব:
১০৮
দাজ্জালের ফেতনা:
১০৯
দাজ্জালের বিবরণ:
১১০
দাজ্জালের আবির্ভাবের স্থান:
১১১
দাজ্জালের অনুসারী:
১১২
দাজ্জালের ফেৎনা থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়:
১১৩
২- ঈসা বিন মারইয়াম আলাইহিস সালামের অবতরণ:
১১৪
৩- ইয়াজুজ মাজুজের আবির্ভাব:
১১৫
৪-৫-৬- তিনটি ভুমিধস:
১১৬
৭- ধুম্র:
১১৭
৮- অস্তাচল থেকে সূর্যোদয়:
১১৮
৯- বিশেষ জন্তুর আত্মপ্রকাশ:
১১৯
১০- মানুষদের সমবেত কারী আগুনের আবির্ভাব:
১২০
কেয়ামত কখন সঙ্ঘটিত হবে:
১২১
বা’ছ (পুনরুত্থান) এবং হাশর (সমবেত করণ) একজন মানুষকে যে পর্বগুলো অতিক্রম করতে হবে:
১২২
আল বা’ছ (পুনরুত্থান):
১২৩
পুনরুত্থানের বিবরণ:
১২৪
কবর থেকে সর্ব প্রথম কাকে বের করা হবে:
১২৫
কেয়ামত দিবসে কাদের সমবেত করা হবে:
১২৬
হাশরের ময়দানের বিবরণ:
১২৭
কেয়ামত দিবসে সৃষ্টজীবদের সমবেত করণের বিবরণ:
১২৮
কেয়ামত দিবসের ভয়াবহতা
১২৯
কেয়ামত দিবসে আকাশ ও পৃথিবীকে পরিবর্তন করণ:
১৩০
আকাশ ও পৃথিবীর পরিবর্তনের দিন লোকদের অবস্থান হবে কোথায়:
১৩১
অবস্থানস্থলে গরমের তীব্রতা ও ভয়াবহতা:
১৩২
অবস্থানস্থলে আল্লাহ কাদের ছায়া দান করবেন:
১৩৩
বিচার কার্য সম্পন্ন করার নিমিত্তে মহান আল্লাহ তাআলার আগমন:
১৩৪
বিচার কার্য পরিচালনা
১৩৫
হিসাব ও মিযান হিসাব:
১৩৬
কিতাব তথা আমলনামা গ্রহণ:
১৩৭
দাড়ি পাল্লা স্থাপন:
১৩৮
কেয়ামতের দিন কি বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে:
১৩৯
হিসাবের ধরন: কেয়ামতের দিন যাদের হিসাব নেয়া হবে তারা মূলত দুইশ্রেণীতে বিভক্ত:
১৪০
আমল পরিমাপ করার পদ্ধতি:
১৪১
কাফেরদের নেক আমলের বিধান:
১৪২
আমল দর্শন:
১৪৩
দুনিয় ও আখেরাতে আমলের প্রতিদান:
১৪৪
কেয়ামত দিবসে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুদের হুকুম:
১৪৫
হাউজ
১৪৬
নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাউজের বিবরণ:
১৪৭
হাউজ থেকে কাদের তাড়িয়ে দেয়া হবে:
১৪৮
পুলসিরাত
১৪৯
পুলসিরাত অতিক্রম করবে কারা:
১৫০
পুলসিরাত ও সেটি অতিক্রম করার বিবরণ:
১৫১
পুলসিরাত সর্বপ্রথম কে অতিক্রম করবে
১৫২
পুলসিরাত পার হওয়ার পর ঈমানদারদের অবস্থা কি হবে:
১৫৩
শাফা‘আত
১৫৪
১- একমাত্র নবী আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে সংশ্লিষ্ট শাফাআত, এটি আবার কয়েক প্রকার
১৫৫
২-নবীসহ অন্য সকল নবী, ফেরেশতা ও মুমিন- সকলের জন্য উন্মোক্ত শাফাআত:
১৫৬
এ শাফাআতের জন্য দু’টি শর্ত আবশ্যক করা হয়েছে:
১৫৭
প্রতিদান স্থান:
১৫৮
জান্নাতের বিবরণ
১৫৯
জান্নাতের কতিপয় প্রসিদ্ধ নাম:
১৬০
জান্নাতের অবস্থান
১৬১
জান্নাতের প্রবেশদারসমূহের নাম:
১৬২
জান্নাতের দরজাসমূহের প্রশস্ততা:
১৬৩
জান্নাতের প্রবেশদারের সংখ্যা
১৬৪
জান্নাতের দরজাসমূহ জান্নাতবাসীদের জন্য উন্মুক্ত
১৬৫
জান্নাতে প্রবেশকারী সর্বপ্রথম ব্যক্তি:
১৬৬
জান্নাতে প্রবেশকারী সর্বপ্রথম দল:
১৬৭
জান্নাতিদের বয়স:
১৬৮
জান্নাতবাসীদের মুখাবয়বের বিবরণ:
১৬৯
জান্নাতীদের অভ্যর্থনার বিবরণ:
১৭০
যারা কোনরূপ হিসাব ও শাস্তি ব্যতীতই জান্নাতে প্রবেশ করবে:
১৭১
জান্নাতের ভূমি ও প্রাসাদের বিবরণ:
১৭২
জান্নাতবাসীদের তাঁবুর বিবরণ:
১৭৩
জান্নাতের মেলা ও বাজার:
১৭৪
জান্নাতের অট্টালিকা:
১৭৫
অট্টালিকার দিক থেকে জান্নাতবাসীদের মর্যাদাগত তারতম্য:
১৭৬
জান্নাতবাসীদের ঘরের বিবরণ:
১৭৭
জান্নাত বাসীদের বিছানার বিবরণ:
১৭৮
গালিচা ও তাকিয়ার বিবরণ:
১৭৯
জান্নাতের সিংহাসন:
১৮০
জান্নাতবাসীদের খাট ও সিংহাসনের বিবরণ:
১৮১
জান্নাতীদের বাসন-পত্রের বিবরণ:
১৮২
জান্নাতবাসীদের অলঙ্কার ও পোশাকের বিবরণ:
১৮৩
জান্নাত অধিবাসীদের পরিচারকবৃন্দের বিবরণ:
১৮৪
জান্নাতবাসীদের সর্বপ্রথম খাবার:
১৮৫
জান্নাতবাসীদের খাদ্য-খাবারের বিবরণ:
১৮৬
জান্নাতবাসীদের পানীয় এর বিবরণ:
১৮৭
জান্নাতের বৃক্ষরাজি ও ফল-ফলাদির বিবরণ:
১৮৮
জান্নাতের নহরসমূহের বিবরণ:
১৮৯
জান্নাতের ঝর্ণার বিবরণ:
১৯০
জান্নাতবাসীদের স্ত্রীদের বিবরণ:
১৯১
জান্নাতের সৌরভ ও সুঘ্রাণ:
১৯২
জান্নাতঅধিবাসীদের স্ত্রীদের গীত-সঙ্গীত:
১৯৩
জান্নাতীদের যৌন-মিলন:
১৯৪
জান্নাতে সন্তান লাভ:
১৯৫
জান্নাতবাসীদের নিয়ামতের চলমানতা:
১৯৬
জান্নাতবাসীদের স্তর বিন্যাস:
১৯৭
আমলের ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকা সত্ত্বেও মুমিনদের সন্তান-সন্ততিদের তাদের স্তরে উঠিয়ে দেয়া:
১৯৮
জান্নাতের ছায়ানীড়ের বিবরণ:
১৯৯
জান্নাতের উচ্চতা ও প্রশস্ততা:
২০০
জান্নাতের সর্বোচ্চ সম্মানিত স্থান:
২০১
জান্নাতের সর্বোচ্চস্তর ও সর্বনিম্নস্তরের অধিকারীগণ:
২০২
জান্নাতবাসীদের সর্বশ্রেষ্ঠ নিয়ামত:
২০৩
জান্নাতের নিয়ামতরাজির বিবরণ
২০৪
জান্নাতবাসীদের কথাবার্তা ও যিকির:
২০৫
জান্নাতবাসীদের প্রতি মহান রবের সালাম:
২০৬
জান্নাতে উম্মতে মুহাম্মাদীর পরিমাণ:
২০৭
জান্নাতবাসীদের কাতার:
২০৮
জান্নাত অধিবাসী:
২০৯
অধিকাংশ জান্নাতবাসী:
২১০
সর্বশেষ যিনি জান্নাতে প্রবেশ করবেন:
২১১
জাহান্নামের বিবরণ
২১২
জাহান্নামের প্রসিদ্ধ কিছু নামঃ
২১৩
জাহান্নামের অবস্থান:
২১৪
জাহান্নামবাসীদের স্থায়িত্ব:
২১৫
জাহান্নামীদের চেহারার বিবরণ:
২১৬
জাহান্নামের প্রবেশদারের সংখ্যা:
২১৭
জাহান্নামের প্রবেশদার নিজ অধিবাসীদের উপর রুদ্ধ:
২১৮
কেয়ামতের ময়দানে জাহান্নামের আগমন:
২১৯
জাহান্নামে পতিত হওয়া ও সর্ব প্রথম পুলসিরাত অতিক্রমকারী:
২২০
জাহান্নামের গভীরতা:
২২১
জাহান্নামবাসীদের আকৃতির বিশালতা:
২২২
জাহান্নামের উত্তাপের তীব্রতা:
২২৩
জাহান্নামের জ্বালানী:
২২৪
জাহান্নামের বিভিন্ন স্তর:
২২৫
জাহান্নামের ছায়ার বিবরণ:
২২৬
জাহান্নামের রক্ষীবৃন্দ:
২২৭
জাহান্নামের দল:
২২৮
জাহান্নামীদের জাহান্নামে প্রবেশ পদ্ধতি:
২২৯
সর্বপ্রথম যাদের মাধ্যমে জাহান্নামকে প্রজ্জ্বলিত করা হবে:
২৩০
জাহান্নামের অধিবাসী:
২৩১
জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসী:
২৩২
জাহান্নামীদের মধ্যে সবচে কঠিন শাস্তি ভোগকারী দল :
২৩৩
জাহান্নামীদের মাঝে সবচে হালকা শাস্তি ভোগকারী ব্যক্তি:
২৩৪
সবচে সহজশাস্তি ভোগকারী জাহান্নামীকে কি বলা হবে:
২৩৫
জাহান্নামের শিকল ও বেড়ি:
২৩৬
জাহান্নামীদের খানা-খাদ্যের বিবরণ:
২৩৭
জাহান্নামীদের পানীয় এর বিবরণ:
২৩৮
জাহান্নামবাসীদের পোষাকের বিবরণ:
২৩৯
জাহান্নামীদের বিছানা:
২৪০
জাহান্নামবাসীদের অনুতাপ:
২৪১
জাহান্নামীদের কথপোকথন:
২৪২
জাহান্নামে শাস্তিভোগকারী লোকদের কিছু নমুনা
২৪৩
জাহান্নামীদের ঝগড়া-বিবাদ:
২৪৪
জাহান্নামীদের স্বীয় পালনকর্তার নিকট তাদের বিভ্রান্তকারীদের দেখা এবং শাস্তি দ্বিগুন করার প্রার্থনা
২৪৫
জাহান্নামীদের মাঝে ইবলিসের ভাষণ:
২৪৬
জাহান্নামের আরোও চাওয়া:
২৪৭
জাহান্নামীদের হাল-অবস্থার কিছু নমুনা
২৪৮
জাহান্নামবাসীদের কান্না ও আর্তনাদ:
২৪৯
জাহান্নামীদের প্রার্থনা-ফরিয়াদ:
২৫০
জান্নাতে জাহান্নামীদের জন্য বরাদ্ধকৃত বাসগৃহগুলো জান্নাত অধিবাসীদের উত্তরাধিকার হয়ে যাওয়া।
২৫১
তাওহীদবাদী পাপীদের জাহান্নাম থেকে বের হয়ে আসা।
২৫২
জাহান্নামীদের সবচে কঠিন আযাব:
২৫৩
জান্নাত ও জাহান্নামের আবরণ:
২৫৪
জান্নাত ও জাহান্নামের নৈকট্য:
২৫৫
জান্নাত ও জাহান্নামের বিতর্ক এবং তাদের মাঝে আল্লাহ তাআলার রায় প্রদান:
২৫৬
জাহান্নাম থেকে সতর্কথাকা ও জান্নাত প্রার্থনা করা:
২৫৭
৬ - তাকদীরের ভাল-মন্দের প্রতি ঈমান:
২৫৮
ঈমান বিল কাদারের রুকনসমূহ:
২৫৯
১-এক নম্বর:
২৬০
২- দুই নম্বর:
২৬১
৩- তিন নম্বর:
২৬২
৪- চার নম্বর:
২৬৩
তাকদীর-কে অজুহাত হিসাবে পেশ করা আল্লাহ তাআলা মানুষের জন্য যে নিয়তি নির্ধারণ ও চুড়ান্ত করেছেন তা দুই প্রকার: ১-এক নম্বর: মানুষের ইচ্ছা ও ক্ষমতা বহির্ভূত বিষয়ে তাঁর সিদ্ধান্ত ও নির্ধারণ:
২৬৪
২-দুই নম্বর:
২৬৫
তাকদীরের বরাত দিয়ে অজুহাত দাড় করা কখন সঙ্গত হবে:
২৬৬
উপায়-উপকরণের কার্যকারিতা:
২৬৭
নিম্নোক্ত ক্ষেত্রাবলিতে তাকদীরকে তাকদীর দ্বারা প্রতিহত করা শরিয়ত সিদ্ধ।
২৬৮
আল্লাহর ইচ্ছা সকল বস্ত্তকে শামিল করে আছে :
২৬৯
তাকদীরের প্রতি সন্তুষ্ট থাকার বিধান: তাকদীরের প্রতি সন্তুষ্টি তিন প্রকার
২৭০
আল্লাহর ফায়সালা ভাল হোক কিংবা মন্দ তার দুটি দিক আছে:
২৭১
বান্দার যাবতীয় কর্ম মাখলূক তথা সৃষ্টিকৃত:
২৭২
ইনসাফ ও অনুগ্রহ:
২৭৩
শরয়ী ও কাওনী নির্দেশাবলি:
২৭৪
কাওনী নির্দেশাবলি তিন প্রকার:
২৭৫
আল্লাহর নির্দেশনাবলি দুই প্রকার:
২৭৬
পাপ ও পুণ্যের প্রকারভেদ:
২৭৭
পাপকর্মের শাস্তি প্রতিরোধ প্রসঙ্গ:
২৭৮
আনুগত্য ও অবাধ্যতা
২৭৯
আনুগত্য ও অবাধ্যতার প্রভাব ও পরিণামঃ
২৮০
হিদায়াত দান ও বিপথগামী করণ:
২৮১
তাকদীরের প্রতি ঈমানের প্রতিফল:
২৮২
ঈমানের রুকনসমূহের প্রতিফল:
২৮৩
ইসলাম ধর্মের স্তরসমূহ
২৮৪
ইহসানের দু’টো স্তর রয়েছে:
২৮৫
আল্লাহর ইবাদত দু’টো বিষয়ের উপর ভিত্তিশীল,
২৮৬
লাভজনক ব্যবসা:
মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮৪
জান্নাতবাসীদের সর্বপ্রথম খাবার:
عن أنس بن مالك رضي الله عنه أن عبد الله بن سلام رضي الله عنه سأل النبي صلى الله عليه وسلم ما أول طعام يأكله أهل الجنة؟ فقال : زيادة كبد حوت . أخرجه البخاري .
সাহাবী আনাস বিন মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করছেন: আব্দুল্লাহ বিন সালাম রাদিয়াল্লাহু নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট জানতে চাইলেন: জান্নাত বাসীরা সর্ব প্রথম যে খাবার খাবে সেটি কি? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: মাছের কলিজার অতিরিক্ত অংশ। [বর্ণনায় সহীহ বূখারী। হাদীস নং (৩৩২৯)]
وعن ثوبان رضي الله عنه قال : كنت قائما عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاء حبر من أحبار اليهود ... ــ وفيه ــ : فقال اليهودي : فمن أول الناس إجازة؟ قال : فقراء المهاجرين . قال اليهودي : فما تحفتهم حين يدخلون الجنة؟ قال : زيادة كبد النون . فقال فما غذاؤهم على إثرها؟ قال : ينحر لهم ثور الجنة الذي كان يأكل من أطرافها , قال : فما شرابهم عليه قال : من عين فيها تسمى سلسبيلا . أخرجه مسلم .
সাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট দাড়ানো ছিলাম, এরই মাঝে জনৈক ইয়াহুদী পন্ডিত তার নিকট আসল... - তাতে আছে- এরপর ইয়াহুদী জানতে চাইল: জান্নাতে প্রবেশের সর্বপ্রথম অনুমতি প্রাপ্ত লোক কারা? রাসূলুল্লাহ বললেন: দরিদ্র মুহাজিরবৃন্দ। ইয়াহুদী জিজ্ঞেস করল: জান্নাতে প্রবেশের পর তাদের তোহফা কি? নবীজী বললেন: মাছের কলিজার অতিরিক্ত অংশ। সে বলল: এরপর তাদের খাবার কি হবে? রাসূলুল্লাহ বললেন: তাদের জন্য জান্নাতের ষাঢ় জবাই করা হবে যে ষাঢ় জান্নাতের পার্শ্বদেশে চরে বেড়াত। ইয়াহুদী জিজ্ঞেস করল: খাবারের পর তাদের পানীয় কি হবে? রাসূলুল্লাহ বললেন: জান্নাতে অবস্থিত ‘‘সালসাবীল’’ নামক ঝর্ণা থেকে। [বর্ণনায় সহীহ মুসলিম। হাদীস নং (৩১৫)]
সাহাবী আনাস বিন মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করছেন: আব্দুল্লাহ বিন সালাম রাদিয়াল্লাহু নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট জানতে চাইলেন: জান্নাত বাসীরা সর্ব প্রথম যে খাবার খাবে সেটি কি? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: মাছের কলিজার অতিরিক্ত অংশ। [বর্ণনায় সহীহ বূখারী। হাদীস নং (৩৩২৯)]
وعن ثوبان رضي الله عنه قال : كنت قائما عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاء حبر من أحبار اليهود ... ــ وفيه ــ : فقال اليهودي : فمن أول الناس إجازة؟ قال : فقراء المهاجرين . قال اليهودي : فما تحفتهم حين يدخلون الجنة؟ قال : زيادة كبد النون . فقال فما غذاؤهم على إثرها؟ قال : ينحر لهم ثور الجنة الذي كان يأكل من أطرافها , قال : فما شرابهم عليه قال : من عين فيها تسمى سلسبيلا . أخرجه مسلم .
সাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট দাড়ানো ছিলাম, এরই মাঝে জনৈক ইয়াহুদী পন্ডিত তার নিকট আসল... - তাতে আছে- এরপর ইয়াহুদী জানতে চাইল: জান্নাতে প্রবেশের সর্বপ্রথম অনুমতি প্রাপ্ত লোক কারা? রাসূলুল্লাহ বললেন: দরিদ্র মুহাজিরবৃন্দ। ইয়াহুদী জিজ্ঞেস করল: জান্নাতে প্রবেশের পর তাদের তোহফা কি? নবীজী বললেন: মাছের কলিজার অতিরিক্ত অংশ। সে বলল: এরপর তাদের খাবার কি হবে? রাসূলুল্লাহ বললেন: তাদের জন্য জান্নাতের ষাঢ় জবাই করা হবে যে ষাঢ় জান্নাতের পার্শ্বদেশে চরে বেড়াত। ইয়াহুদী জিজ্ঞেস করল: খাবারের পর তাদের পানীয় কি হবে? রাসূলুল্লাহ বললেন: জান্নাতে অবস্থিত ‘‘সালসাবীল’’ নামক ঝর্ণা থেকে। [বর্ণনায় সহীহ মুসলিম। হাদীস নং (৩১৫)]
Bangla
English
Bangla
Indonesian
Urdu
রিডিং সেটিংস
আরবি ফন্ট নির্বাচন
Kfgq Hafs
Madinah Mushaf (Qcf V1)
Kfgq Hafs
Indopak
Scheherazade
অনুবাদ ফন্ট নির্বাচন
Kalpurush
Kalpurush
Rajdip
Bensen
Ekushe
Alinur Nakkhatra
Dhakaiya
Saboj Charulota
Niladri Nur
25
16
সাধারণ সেটিংস
এই সদাকা জারিয়ায় অংশীদার হোন
মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।
সাপোর্ট করুন