১
মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৬
(খ) পরকালীন জীবনের সাথে সম্পৃক্ত কিছু প্রতিশ্রুতি।
(১) মুমিনদের জান্নাতে প্রবেশ, সেখানে অনন্তকাল থাকা এবং আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে সন্তুষ্টির প্রতিশ্রুতি। আল্লাহ তাআলা বলেন :
وَعَدَ اللَّهُ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا وَمَسَاكِنَ طَيِّبَةً فِي جَنَّاتِ عَدْنٍ وَرِضْوَانٌ مِنَ اللَّهِ أَكْبَرُ ذَلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ ﴿72﴾ ( سورة التوبة : 72)
আল্লাহ মু’মিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হবে নহরসমূহ, তাতে তারা চিরদিন থাকবে এবং (ওয়াদা দিয়েছেন) স্থায়ী জান্নাতসমূহে পবিত্র বাসস্থানসমূহের। আর আল্লাহর পক্ষ থেকে সন্তুষ্টি সবচেয়ে বড়। এটাই মহাসফলতা। [সূরা তাওবা : ৭২।]
(২) আল্লাহ তাআলাকে দর্শনের প্রতিশ্রুতি।
আল্লাহ বলেন :
وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَاضِرَةٌ ﴿22﴾ إِلَى رَبِّهَا نَاظِرَةٌ ﴿23﴾ ( سورة القيامة : 22-23)
সেদিন কতক মুখমন্ডল হবে হাস্যোজ্জ্বল। তাদের রবের প্রতি দৃষ্টিনিক্ষেপকারী। [সূরা কিয়ামাহ : ২২-২৩।]
মুমিনদের জন্য ইহকালীন জীবনে আল্লাহর দেয়া প্রতিশ্রুতিসমূহের অধিকাংশই বর্তমানে বেশিরভাগ মুসলমানদের জীবনে অনুপস্থিত। এটি তাদের ঈমানের দুর্বলতার কথাই প্রমাণ করছে। সুতরাং প্রতিশ্রুত নিয়ামতের উপস্থিতি কাম্য হলে বর্তমান ঈমানকে আরো মজবুত করে কাংক্ষিত পর্যায়ে উন্নীত করা ছাড়া বিকল্প রাস্তা নেই। তাতেই আমরা ঈমানের উপর দেয়া অঙ্গীকারাবলি আমাদের পার্থিক জীবনে দেখতে পাব। আর তার সহজ উপায় হচ্ছে আমাদের ঈমান ও আমলসমূহকে নবী ও সাহাবাদের ঈমান ও আমলসমূহের সদৃশ করে তোলা।
(১) আল্লাহ তাআলা বলেন :
فَإِنْ آَمَنُوا بِمِثْلِ مَا آَمَنْتُمْ بِهِ فَقَدِ اهْتَدَوْا وَإِنْ تَوَلَّوْا فَإِنَّمَا هُمْ فِي شِقَاقٍ فَسَيَكْفِيكَهُمُ اللَّهُ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ﴿137﴾ ( سورة البقرة : 137)
অতএব যদি তারা ঈমান আনে, তোমরা যেরূপে তার প্রতি ঈমান এনেছ, তবে অবশ্যই তারা হিদায়াতপ্রাপ্ত হবে। আর যদি তারা বিমুখ হয় তাহলে তারা রয়েছে কেবল বিরোধিতায়, তাই তাদের বিপক্ষে তোমার জন্য আল্লাহ যথেষ্ট। আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। [সূরা- আল-বাকারা : ১৩৭।]
(২) আল্লাহ আরও বলেন :
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا آَمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَالْكِتَابِ الَّذِي نَزَّلَ عَلَى رَسُولِهِ وَالْكِتَابِ الَّذِي أَنْزَلَ مِنْ قَبْلُ وَمَنْ يَكْفُرْ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ وَالْيَوْمِ الْآَخِرِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا بَعِيدًا ﴿136﴾ ( سورة النساء : 136)
হে মুমনিগণ, তোমরা ঈমান আন আল্লাহর প্রতি, তাঁর রাসূলের প্রতি এবং সে কিতাবের প্রতি যা তিনি তাঁর রাসূলের উপর নাযিল করেছেন এবং সে কিতাবের প্রতি যা তিনি পূর্বে নাযিল করেছেন। আর যে আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ, তার রাসূলগণ এবং শেষ দিনকে অস্বীকার করবে, সে ঘোর বিভ্রান্তিতে বিভ্রান্ত হবে। [সূরা নিসা : ১৩৬।]
(৩) আল্লাহ তাআলা আরও বলেছেন :
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافَّةً وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِينٌ ﴿208﴾ ( سورة البقرة : 208)
হে মুমিনগণ, তোমরা ইসলামে পূর্ণরূপে প্রবেশ কর এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ কর না, নিশ্চয় সে তোমাদের জন্য প্রকাশ্য শত্রু। [সূরা আল-বাকারা : ২০৮।]
وَعَدَ اللَّهُ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا وَمَسَاكِنَ طَيِّبَةً فِي جَنَّاتِ عَدْنٍ وَرِضْوَانٌ مِنَ اللَّهِ أَكْبَرُ ذَلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ ﴿72﴾ ( سورة التوبة : 72)
আল্লাহ মু’মিন পুরুষ ও মুমিন নারীদেরকে জান্নাতের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হবে নহরসমূহ, তাতে তারা চিরদিন থাকবে এবং (ওয়াদা দিয়েছেন) স্থায়ী জান্নাতসমূহে পবিত্র বাসস্থানসমূহের। আর আল্লাহর পক্ষ থেকে সন্তুষ্টি সবচেয়ে বড়। এটাই মহাসফলতা। [সূরা তাওবা : ৭২।]
(২) আল্লাহ তাআলাকে দর্শনের প্রতিশ্রুতি।
আল্লাহ বলেন :
وُجُوهٌ يَوْمَئِذٍ نَاضِرَةٌ ﴿22﴾ إِلَى رَبِّهَا نَاظِرَةٌ ﴿23﴾ ( سورة القيامة : 22-23)
সেদিন কতক মুখমন্ডল হবে হাস্যোজ্জ্বল। তাদের রবের প্রতি দৃষ্টিনিক্ষেপকারী। [সূরা কিয়ামাহ : ২২-২৩।]
মুমিনদের জন্য ইহকালীন জীবনে আল্লাহর দেয়া প্রতিশ্রুতিসমূহের অধিকাংশই বর্তমানে বেশিরভাগ মুসলমানদের জীবনে অনুপস্থিত। এটি তাদের ঈমানের দুর্বলতার কথাই প্রমাণ করছে। সুতরাং প্রতিশ্রুত নিয়ামতের উপস্থিতি কাম্য হলে বর্তমান ঈমানকে আরো মজবুত করে কাংক্ষিত পর্যায়ে উন্নীত করা ছাড়া বিকল্প রাস্তা নেই। তাতেই আমরা ঈমানের উপর দেয়া অঙ্গীকারাবলি আমাদের পার্থিক জীবনে দেখতে পাব। আর তার সহজ উপায় হচ্ছে আমাদের ঈমান ও আমলসমূহকে নবী ও সাহাবাদের ঈমান ও আমলসমূহের সদৃশ করে তোলা।
(১) আল্লাহ তাআলা বলেন :
فَإِنْ آَمَنُوا بِمِثْلِ مَا آَمَنْتُمْ بِهِ فَقَدِ اهْتَدَوْا وَإِنْ تَوَلَّوْا فَإِنَّمَا هُمْ فِي شِقَاقٍ فَسَيَكْفِيكَهُمُ اللَّهُ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ ﴿137﴾ ( سورة البقرة : 137)
অতএব যদি তারা ঈমান আনে, তোমরা যেরূপে তার প্রতি ঈমান এনেছ, তবে অবশ্যই তারা হিদায়াতপ্রাপ্ত হবে। আর যদি তারা বিমুখ হয় তাহলে তারা রয়েছে কেবল বিরোধিতায়, তাই তাদের বিপক্ষে তোমার জন্য আল্লাহ যথেষ্ট। আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। [সূরা- আল-বাকারা : ১৩৭।]
(২) আল্লাহ আরও বলেন :
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا آَمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَالْكِتَابِ الَّذِي نَزَّلَ عَلَى رَسُولِهِ وَالْكِتَابِ الَّذِي أَنْزَلَ مِنْ قَبْلُ وَمَنْ يَكْفُرْ بِاللَّهِ وَمَلَائِكَتِهِ وَكُتُبِهِ وَرُسُلِهِ وَالْيَوْمِ الْآَخِرِ فَقَدْ ضَلَّ ضَلَالًا بَعِيدًا ﴿136﴾ ( سورة النساء : 136)
হে মুমনিগণ, তোমরা ঈমান আন আল্লাহর প্রতি, তাঁর রাসূলের প্রতি এবং সে কিতাবের প্রতি যা তিনি তাঁর রাসূলের উপর নাযিল করেছেন এবং সে কিতাবের প্রতি যা তিনি পূর্বে নাযিল করেছেন। আর যে আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ, তার রাসূলগণ এবং শেষ দিনকে অস্বীকার করবে, সে ঘোর বিভ্রান্তিতে বিভ্রান্ত হবে। [সূরা নিসা : ১৩৬।]
(৩) আল্লাহ তাআলা আরও বলেছেন :
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافَّةً وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِينٌ ﴿208﴾ ( سورة البقرة : 208)
হে মুমিনগণ, তোমরা ইসলামে পূর্ণরূপে প্রবেশ কর এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ কর না, নিশ্চয় সে তোমাদের জন্য প্রকাশ্য শত্রু। [সূরা আল-বাকারা : ২০৮।]