১
মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫৬
এ শাফাআতের জন্য দু’টি শর্ত আবশ্যক করা হয়েছে:
(১)আল্লাহর পক্ষ থেকে শাফাআত করার অনুমতি। যেমন আল্লাহ বলেন:
من ذا الذي يشفع عنده إلا بإذنه . { البقرة :২৫৫}
কে আছ এমন, যে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া সুপারিশ করবে।{সূরা বাকারা:২৫৫}
(২) শাফাআতকারী এবং যার জন্য শাফাআত করা হবে উভয়ের প্রতি আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করছেন:
وكم من ملك في السماوات لا تغني شفاعتهم شيئا إلا من بعد أن يأذن الله لمن يشاء ويرضى . { النجم :২৬}
আকাশে অনেক ফেরেশতা রয়েছে। তাদের কোন সুপারিশ ফলপ্রসূ হয় না যতক্ষণ আল্লাহ যার জন্য ইচ্ছা ও যাকে পছন্দ করেন, অনুমতি না দেন। {সূরা নাজম:২৬}
কাফেরের পক্ষে কোন সুপারিশ হবে না। সে চিরস্থায়ী ভাবে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। তার পক্ষে কেউ সুপারিশ করলেও সেটি ফলপ্রসূ হবে না। এসব অপরাধী সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন:
فما تنفعهم شفاعة الشافعين .{ المدثر :৪৮}
অতএব সুপারিশকারীদের সুপারিশ তাদের কোন উপকারে আসবে না।
{সূরা মুদ্দাস্সির:৪৮}
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শাফাআত প্রার্থনা করার বিধান:
নবীজীর শাফাআত কামনাকারী ব্যক্তির জন্য নিম্নোক্ত কাজগুলো সম্পন্ন করা জরুরী। আল্লাহ তাআলার নিকট নবীজীর শাফাআত প্রার্থনা করা। যেমন এভাবে বলতে পারে: হে আল্লাহ তুমি আমাকে তোমার নবীর শাফাআত নসীব কর। পাশাপাশি শাফাআত আবশ্যককারী নেক কাজ অধিক পরিমাণে সম্পাদন করে যাওয়া। যেমন একমাত্র আল্লাহ তাআলর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ইবাদত করতে থাকা, নবীজীর উপর বেশি বেশি দরূদ পড়া এবং তাঁর জন্য আল্লাহর নিকট ওসীলা প্রার্থনা করা।
عن أبي هريرة رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال : (( أسعد الناس بشفاعتي يوم القيامة من قال لا إله إلا الله خالصا من قلبه أو نفسه )). أخرجه البخاري
বিশিষ্ট সাহাবী আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন: কেয়ামতের দিন আমার সুপারিশ পেয়ে সবচে ভাগ্যবান ব্যক্তি হচ্ছে, যারা খাঁটি মনে এ স্বীকৃতি প্রদান করেছে যে, আল্লাহ তাআলা ব্যতীত আর কোন সত্যিকার উপাস্য নেই))। [বুখারী (৯৯)।]
من ذا الذي يشفع عنده إلا بإذنه . { البقرة :২৫৫}
কে আছ এমন, যে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া সুপারিশ করবে।{সূরা বাকারা:২৫৫}
(২) শাফাআতকারী এবং যার জন্য শাফাআত করা হবে উভয়ের প্রতি আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করছেন:
وكم من ملك في السماوات لا تغني شفاعتهم شيئا إلا من بعد أن يأذن الله لمن يشاء ويرضى . { النجم :২৬}
আকাশে অনেক ফেরেশতা রয়েছে। তাদের কোন সুপারিশ ফলপ্রসূ হয় না যতক্ষণ আল্লাহ যার জন্য ইচ্ছা ও যাকে পছন্দ করেন, অনুমতি না দেন। {সূরা নাজম:২৬}
কাফেরের পক্ষে কোন সুপারিশ হবে না। সে চিরস্থায়ী ভাবে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। তার পক্ষে কেউ সুপারিশ করলেও সেটি ফলপ্রসূ হবে না। এসব অপরাধী সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন:
فما تنفعهم شفاعة الشافعين .{ المدثر :৪৮}
অতএব সুপারিশকারীদের সুপারিশ তাদের কোন উপকারে আসবে না।
{সূরা মুদ্দাস্সির:৪৮}
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শাফাআত প্রার্থনা করার বিধান:
নবীজীর শাফাআত কামনাকারী ব্যক্তির জন্য নিম্নোক্ত কাজগুলো সম্পন্ন করা জরুরী। আল্লাহ তাআলার নিকট নবীজীর শাফাআত প্রার্থনা করা। যেমন এভাবে বলতে পারে: হে আল্লাহ তুমি আমাকে তোমার নবীর শাফাআত নসীব কর। পাশাপাশি শাফাআত আবশ্যককারী নেক কাজ অধিক পরিমাণে সম্পাদন করে যাওয়া। যেমন একমাত্র আল্লাহ তাআলর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ইবাদত করতে থাকা, নবীজীর উপর বেশি বেশি দরূদ পড়া এবং তাঁর জন্য আল্লাহর নিকট ওসীলা প্রার্থনা করা।
عن أبي هريرة رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال : (( أسعد الناس بشفاعتي يوم القيامة من قال لا إله إلا الله خالصا من قلبه أو نفسه )). أخرجه البخاري
বিশিষ্ট সাহাবী আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন: কেয়ামতের দিন আমার সুপারিশ পেয়ে সবচে ভাগ্যবান ব্যক্তি হচ্ছে, যারা খাঁটি মনে এ স্বীকৃতি প্রদান করেছে যে, আল্লাহ তাআলা ব্যতীত আর কোন সত্যিকার উপাস্য নেই))। [বুখারী (৯৯)।]