১
মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫৯
জান্নাতের কতিপয় প্রসিদ্ধ নাম:
মৌলিকত্বের দিক থেকে জান্নাত একটিই তবে বৈশিষ্ট ও গুণাগুণের দিক থেকে সেটি একাধিক। আর এ বিভিন্নতার কারণে তার নামও হয়েছে একাধিক। এ পর্যায়ে আমরা জান্নাতের কিছু প্রসিদ্ধ নাম উল্লেখ করব।
১- জান্নাত:
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করছেন:
وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ يُدْخِلْهُ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا وَذَلِكَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ { النساء : ১৩}
যারা আল্লাহ ও রাসূলের আদেশ মত চলবে, তিনি তাদেরকে এমন জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যেগুলোর তলদেশ দিয়ে স্রোতাস্বিনী প্রবাহিত হবে। তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। সেটি বিরাট সাফল্য। {সূরা নিসা:১৩}
২- জান্নাতুল ফেরদাউস:
আল্লাহ তাআলা বলেন:
إن الذين آمنوا وعملوا الصالحات كانت لهم جنات الفردوس نزلا . { الكهف :১০৭}
নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করেছে তাদের অভ্যর্থনার জন্য রয়েছে জান্নাতুল ফেরদাউস। {সূরা কাহফ:১০৭}
৩- জান্নাতু আদন:
ইরশাদ হচ্ছে:
هَذَا ذِكْرٌ وَإِنَّ لِلْمُتَّقِينَ لَحُسْنَ مَآَبٍ ﴿49﴾ جَنَّاتِ عَدْنٍ مُفَتَّحَةً لَهُمُ الْأَبْوَابُ ﴿50﴾ {ص: ৪৯-৫}
এ এক মহা আলোচনা। তাকওয়া অবলম্বনকারীদের জন্য রয়েছে উত্তম ঠিকানা-জান্নাতু আদন তথা স্থায়ী বসবাসের জান্নাত; তাদের জন্য তার দরজাসমূহ রয়েছে উন্মুক্ত। {সূরা স্বদ:৪৯-৫০}
৪- জান্নাতুল খুলদ:
ইরশাদ হচ্ছে:
قُلْ أَذَلِكَ خَيْرٌ أَمْ جَنَّةُ الْخُلْدِ الَّتِي وُعِدَ الْمُتَّقُونَ كَانَتْ لَهُمْ جَزَاءً وَمَصِيرًا { الفرقان :১৫}
বল, এটা উত্তম না জান্নাতুল খুলদ-চিরকাল বসবাসের জান্নাত। যার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে মুত্তাকীদের? সেটা হবে তাদের প্রতিদান ও প্রত্যাবর্তন স্থল। {সূরা ফুরকান:১৫}
৫- জান্নাতুন না‘য়ীম:
আল্লাহ তাআলা বলেন:
إن الذين آمنوا و عملوا الصالحات لهم جنت النعيم . { لقمان :৮}
যারা ঈমান এনেছে এবং নেক আমল সম্পাদন করে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাতুন না‘য়ীম তথা নিয়ামতপূর্ণ জান্নাত। { সূরা লোকমান:৮}
৬- জান্নাতুল মাওয়া:
ইরশাদ হচ্ছে:
أما الذين آمنوا و عملوا الصالحات فلهم جنات المأوى نزلا بما كانوا يعملون .{ السجدة :১৯}
যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে তাদের জন্য রয়েছে তাদের কৃতকর্মের প্রতিদান স্বরূপ জান্নাতুল মাওয়া।এটি আতিথীয়তার আঙ্গিকে তাদের প্রদান করা হবে।
{সূরা সাজদাহ: ১৯}
৭- দারুস সালাম:
আল্লাহ বলেন:
لَهُمْ دَارُ السَّلَامِ عِنْدَ رَبِّهِمْ وَهُوَ وَلِيُّهُمْ بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ { الأنعام :১২৭}
তাদের জন্য রয়েছে তাদের প্রতিপালকের নিকট দারুস সালাম তথা শান্তি নিকেতন। আর তাদের কর্মের কারণে তিনিই হচ্ছেণ তাদের অভিভাবক। {সূরা আনআম:১২৭}
১- জান্নাত:
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করছেন:
وَمَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ يُدْخِلْهُ جَنَّاتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ خَالِدِينَ فِيهَا وَذَلِكَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ { النساء : ১৩}
যারা আল্লাহ ও রাসূলের আদেশ মত চলবে, তিনি তাদেরকে এমন জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যেগুলোর তলদেশ দিয়ে স্রোতাস্বিনী প্রবাহিত হবে। তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। সেটি বিরাট সাফল্য। {সূরা নিসা:১৩}
২- জান্নাতুল ফেরদাউস:
আল্লাহ তাআলা বলেন:
إن الذين آمنوا وعملوا الصالحات كانت لهم جنات الفردوس نزلا . { الكهف :১০৭}
নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করেছে তাদের অভ্যর্থনার জন্য রয়েছে জান্নাতুল ফেরদাউস। {সূরা কাহফ:১০৭}
৩- জান্নাতু আদন:
ইরশাদ হচ্ছে:
هَذَا ذِكْرٌ وَإِنَّ لِلْمُتَّقِينَ لَحُسْنَ مَآَبٍ ﴿49﴾ جَنَّاتِ عَدْنٍ مُفَتَّحَةً لَهُمُ الْأَبْوَابُ ﴿50﴾ {ص: ৪৯-৫}
এ এক মহা আলোচনা। তাকওয়া অবলম্বনকারীদের জন্য রয়েছে উত্তম ঠিকানা-জান্নাতু আদন তথা স্থায়ী বসবাসের জান্নাত; তাদের জন্য তার দরজাসমূহ রয়েছে উন্মুক্ত। {সূরা স্বদ:৪৯-৫০}
৪- জান্নাতুল খুলদ:
ইরশাদ হচ্ছে:
قُلْ أَذَلِكَ خَيْرٌ أَمْ جَنَّةُ الْخُلْدِ الَّتِي وُعِدَ الْمُتَّقُونَ كَانَتْ لَهُمْ جَزَاءً وَمَصِيرًا { الفرقان :১৫}
বল, এটা উত্তম না জান্নাতুল খুলদ-চিরকাল বসবাসের জান্নাত। যার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে মুত্তাকীদের? সেটা হবে তাদের প্রতিদান ও প্রত্যাবর্তন স্থল। {সূরা ফুরকান:১৫}
৫- জান্নাতুন না‘য়ীম:
আল্লাহ তাআলা বলেন:
إن الذين آمنوا و عملوا الصالحات لهم جنت النعيم . { لقمان :৮}
যারা ঈমান এনেছে এবং নেক আমল সম্পাদন করে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাতুন না‘য়ীম তথা নিয়ামতপূর্ণ জান্নাত। { সূরা লোকমান:৮}
৬- জান্নাতুল মাওয়া:
ইরশাদ হচ্ছে:
أما الذين آمنوا و عملوا الصالحات فلهم جنات المأوى نزلا بما كانوا يعملون .{ السجدة :১৯}
যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম সম্পাদন করে তাদের জন্য রয়েছে তাদের কৃতকর্মের প্রতিদান স্বরূপ জান্নাতুল মাওয়া।এটি আতিথীয়তার আঙ্গিকে তাদের প্রদান করা হবে।
{সূরা সাজদাহ: ১৯}
৭- দারুস সালাম:
আল্লাহ বলেন:
لَهُمْ دَارُ السَّلَامِ عِنْدَ رَبِّهِمْ وَهُوَ وَلِيُّهُمْ بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ { الأنعام :১২৭}
তাদের জন্য রয়েছে তাদের প্রতিপালকের নিকট দারুস সালাম তথা শান্তি নিকেতন। আর তাদের কর্মের কারণে তিনিই হচ্ছেণ তাদের অভিভাবক। {সূরা আনআম:১২৭}