hadith book logo

মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী

লেখকঃ মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২২২

জাহান্নামের উত্তাপের তীব্রতা:

১- মহান আল্লাহ তাআলা বলেন:

وَنَحْشُرُهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى وُجُوهِهِمْ عُمْيًا وَبُكْمًا وَصُمًّا مَأْوَاهُمْ جَهَنَّمُ كُلَّمَا خَبَتْ زِدْنَاهُمْ سَعِيرًا ﴿97﴾ ذَلِكَ جَزَاؤُهُمْ بِأَنَّهُمْ كَفَرُوا بِآَيَاتِنَا { الإسراء :৯৭-৯৮}

আমি কেয়ামতের দিন তাদের সমবেত করব তাদের মুখে ভর দিয়ে চলা অবস্থায়, অন্ধ, মুক ও বধির অবস্থায়। তাদের আবাসস্থল জাহান্নাম। যখনই নির্বাপিত হওয়ার উপক্রম হবে আমি তখন তাদের জন্য অগ্নি আরো বৃদ্ধি করে দেব। এটাই তাদের শাস্তি। কারণ তারা আমার নিদর্শনসমূহ অস্বীকার করেছে।{সূরা ইসরা: ৯৭-৯৮}

২- হাদীসে এসেছে

وعن أبي هريرة رضي الله عنه أن النبي صلى الله عليه وسلم قال :(( ناركم هذه التي يوقد ابن آدم جزء من سبعين جزءا من حر جهنم )) قالوا : والله إن كانت لكافية يا رسول الله , قال :(( فإنها فضلت عليها بتسعة وستين جزءا كلها مثل حرها )). متفق عليه

বিখ্যাত সাহাবী আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবীজী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলছেন: তোমাদের এ আগুন যা আদম সন্তান প্রজ্জ্বলিত করে জাহান্নামের (আগুনের) উষ্ণতার সত্তর ভাগের এক ভাগ। লোকেরা বলল: ইয়া রাসূলাল্লাহ যদি এটিই (দুনিয়ার আগুন) হতো তাহলেইতো যথেষ্ট ছিল। নবীজী বললেন: একে আরো উনসত্তরগুন বৃদ্ধি করা হয়েছে , প্রত্যেকটি এর উষ্ণতার অনুরূপ। [বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম। হাদীস নং যথাক্রমে (৩২৬৫) ও (২৮৪৩)।]

৩- হাদীসে এসেছে

وعن أبي هريرة رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم :(( اشتكت النار إلى ربي فقالت : رب أكل بعضي بعضا , فأذن لها بنفسين , نفس في الشتاء و نفس في الصيف , فأشد ما تجدون من الحر , وأشد ما تجدون من الزمهرير )). متفق عليه

সাহাবী আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: জাহান্নাম তার প্রতিপালক আল্লাহর নিকট অনুযোগ করে বলেছে: হে রব! আমার এক অংশ অন্য অংশকে খেয়ে ফেলছে। তখন আল্লাহ তাআলা তাকে দু’টো নি:শ্বাস ছাড়ার অনুমতি প্রদান করেন। একটি শীতের সময় অপরটি গ্রীষ্মে। অত:এব তোমরা যে তীব্র গরম অনুভব কর। এবং তোমরা যে তীব্র শীত অনুভব কর। (তা সেই নিশ্বাসের প্রতিক্রিয়া)। [বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম। হাদীস নং যথাক্রমে (৩২৬০) ও (৬১৭)।]