১
মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭১
কুরআনুল কারীমের উপর ঈমান আনা এবং তদানুযায়ী আমল করার বিধান
‘আল-কুরআনুল কারীম’ আল্লাহ তাআলার নাযিলকৃত সর্বশেষ কিতাব। মহান আল্লাহ এটি সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ-নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর নাযিল করেছেন।
এটি নাযিলকৃত আসমানি গ্রন্থাবলির মধ্যে সর্বশেষ মর্যাদা ও গুরুত্বের দিক থেকে সবচেয়ে বড়, তথ্যাবলির বিচারে সর্বাধিক পরিপূর্ণ এবং দলীল প্রমাণের দিক থেকে সর্বাপেক্ষা মজবুত গ্রন্থ।
মহান আল্লাহ একে প্রত্যেক বস্ত্তর সুস্পষ্ট বর্ণনাকারী, বিশ্ব জগতের জন্য রহমত ও হেদায়াত (সৎপথ প্রদর্শক) করে নাযিল করেছেন।
এটি সর্বাপেক্ষা মর্যাদাপূর্ণ কিতাব। একে নিয়ে অবতরণ করেছেন সর্বশ্রেষ্ঠ ফেরেশতা জিবরীল আলাইহিস সালাম সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর। এবং তার মাধ্যমে সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত মুসলমানদের উপর, যাদের বের করা হয়েছে মানবতার কল্যাণের জন্য। যা হল সর্বশ্রেষ্ঠ, সর্বাধিক বিশুদ্ধ ও সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়।
তাই প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য একে বিশ্বাস করা, এর উপর ঈমান আনা, এর বিধি-বিধান অনুযায়ী আমল করা এবং এর শিক্ষা ও সভ্যতায় শিক্ষিত ও সভ্য হওয়া একান্ত জরুরী। এ গ্রন্থ অবতীর্ণ হওয়ার পর একে বাদ দিয়ে অন্য গ্রন্থানুযায়ী আমল করলে আল্লাহ গ্রহণ করবেন না। মহান আল্লাহ তাআলা এর সংরক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছেন এবং পরিবর্তন-বিকৃতি ও হ্রাস-বৃদ্ধি সাধন থেকে রক্ষা করেছেন ও নিরাপদ রেখেছেন।
১। আল্লাহ তাআলা বলেন,
إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُونَ ﴿9﴾ ( سورة الحجر : 9)
নিশ্চয় আমিই এ উপদেশ গ্রন্থ অবতীর্ণ করেছি এবং আমি নিজেই এর সংরক্ষণকারী। [সূরা হিজর-৯।]
২। অন্যত্র ইরশাদ হচ্ছে :
وَإِنَّهُ لَتَنْزِيلُ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿192﴾ نَزَلَ بِهِ الرُّوحُ الْأَمِينُ ﴿193﴾ عَلَى قَلْبِكَ لِتَكُونَ مِنَ الْمُنْذِرِينَ ﴿194﴾ بِلِسَانٍ عَرَبِيٍّ مُبِينٍ ﴿195﴾ ( سورة الشعراء : 192-195)
আর নিশ্চয় এ কুরআন সৃষ্টিকুলের রবেরই নাযিলকৃত। বিশ্বস্ত আত্মা (জিবরীল) এটা নিয়ে অবতরণ করেছে। তোমার হৃদয়ে, যাতে তুমি সতর্ককারীদের অন্তর্ভুক্ত হও। সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়। [সূরা আশ-শোআরা : ১৯২-১৯৫।]
এটি নাযিলকৃত আসমানি গ্রন্থাবলির মধ্যে সর্বশেষ মর্যাদা ও গুরুত্বের দিক থেকে সবচেয়ে বড়, তথ্যাবলির বিচারে সর্বাধিক পরিপূর্ণ এবং দলীল প্রমাণের দিক থেকে সর্বাপেক্ষা মজবুত গ্রন্থ।
মহান আল্লাহ একে প্রত্যেক বস্ত্তর সুস্পষ্ট বর্ণনাকারী, বিশ্ব জগতের জন্য রহমত ও হেদায়াত (সৎপথ প্রদর্শক) করে নাযিল করেছেন।
এটি সর্বাপেক্ষা মর্যাদাপূর্ণ কিতাব। একে নিয়ে অবতরণ করেছেন সর্বশ্রেষ্ঠ ফেরেশতা জিবরীল আলাইহিস সালাম সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর। এবং তার মাধ্যমে সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত মুসলমানদের উপর, যাদের বের করা হয়েছে মানবতার কল্যাণের জন্য। যা হল সর্বশ্রেষ্ঠ, সর্বাধিক বিশুদ্ধ ও সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়।
তাই প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য একে বিশ্বাস করা, এর উপর ঈমান আনা, এর বিধি-বিধান অনুযায়ী আমল করা এবং এর শিক্ষা ও সভ্যতায় শিক্ষিত ও সভ্য হওয়া একান্ত জরুরী। এ গ্রন্থ অবতীর্ণ হওয়ার পর একে বাদ দিয়ে অন্য গ্রন্থানুযায়ী আমল করলে আল্লাহ গ্রহণ করবেন না। মহান আল্লাহ তাআলা এর সংরক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছেন এবং পরিবর্তন-বিকৃতি ও হ্রাস-বৃদ্ধি সাধন থেকে রক্ষা করেছেন ও নিরাপদ রেখেছেন।
১। আল্লাহ তাআলা বলেন,
إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُ لَحَافِظُونَ ﴿9﴾ ( سورة الحجر : 9)
নিশ্চয় আমিই এ উপদেশ গ্রন্থ অবতীর্ণ করেছি এবং আমি নিজেই এর সংরক্ষণকারী। [সূরা হিজর-৯।]
২। অন্যত্র ইরশাদ হচ্ছে :
وَإِنَّهُ لَتَنْزِيلُ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿192﴾ نَزَلَ بِهِ الرُّوحُ الْأَمِينُ ﴿193﴾ عَلَى قَلْبِكَ لِتَكُونَ مِنَ الْمُنْذِرِينَ ﴿194﴾ بِلِسَانٍ عَرَبِيٍّ مُبِينٍ ﴿195﴾ ( سورة الشعراء : 192-195)
আর নিশ্চয় এ কুরআন সৃষ্টিকুলের রবেরই নাযিলকৃত। বিশ্বস্ত আত্মা (জিবরীল) এটা নিয়ে অবতরণ করেছে। তোমার হৃদয়ে, যাতে তুমি সতর্ককারীদের অন্তর্ভুক্ত হও। সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়। [সূরা আশ-শোআরা : ১৯২-১৯৫।]