১
মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী
লেখকঃ মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৩
ফেরেশতাদের নাম ও কর্ম :
ফেরেশতা আল্লাহ তাআলার এক বিশেষ সম্মানিত বান্দা, তিনি তাদের স্বীয় আনুগত্য ও ইবাদত সম্পাদনের উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছেন। তাদের সংখ্যা তিনি ব্যতীত আর কেউ জানে না। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে তাদের কারো কারো নাম ও কর্ম সম্পর্কে জানিয়েছেন আর অবশিষ্টদের সম্পর্কে কেবল তিনিই জানেন। আল্লাহ ফেরেশতাদের দায়িত্বে বিভিন্ন কর্ম অর্পণ করেছেন। একেক দলকে একেক কাজে নিয়োজিত করেছেন। যেমন :
জিবরীল আলাইহিস সালাম: তিনি নবী-রাসূল গণের নিকট ওহী (প্রত্যাদেশ) নিয়ে আসার ব্যাপারে দায়িত্বশীল।
মীকাঈল আলাইহিস সালাম তিনি বৃষ্টি ও উদ্ভিত সংক্রান্ত বিষয়াদির দায়িত্বে নিয়োজিত।
ইসরাফীল আলাইহিস সালাম তিনি শিঙ্গায় ফুঁ দেয়ার দায়িত্বে নিয়োজিত।
এরা ফেরেশতাদের মাঝে অধিক মর্যাদাসম্পন্ন ও অতি গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা জীবন সংক্রান্ত উপায়-উপকরণ বিষয়ক দায়িত্বে নিয়োজিত। যেমন জিবরীল ওহী বিষয়ক দায়িত্বে নিয়োজিত যে ওহীর মাধ্যমে অন্তর জীবন্ত হয়। মীকাঈল বৃষ্টির দায়িত্বে নিয়োজিত যার মাধ্যমে ভূমি নির্জীব হয়ে যাওয়ার পর নতুন জীবন লাভ করে সজীব হয়। ইসরাফীল শিঙ্গায় ফুৎকারের দায়িত্বে নিয়োজিত। যার মাধ্যমে শরীর প্রাণহীন হওয়ার পর পুনরায় জীবন লাভ করবে।
মালেক, জাহান্নাম প্রহরী : তিনি জাহান্নামের দায়িত্বে নিয়োজিত।
রিদওয়ান, জান্নাত রক্ষী : তিনি জান্নাতের দায়িত্বে নিয়োজিত।
মালাকুল মওত : মৃত্যুর সময় রূহ কবজ করার দায়িত্বে নিয়োজিত।
তাঁদের মধ্যে কিছু আছেন যাদের হামালাতুল আরশ বলা হয়। তাঁরা আরশ বহন করে আছেন।
কিছু আছে যাদের খাযানাতুল জান্নাত বলা হয়। যারা জান্নাতের প্রহরায় নিয়োজিত। একদলকে বলা হয় খাযানাতুন্নার। তাঁরা জাহান্নাম প্রহরা দানে নিয়োজিত। কিছু আছে যাদের দায়িত্ব হচ্ছে বনী আদম ও তাদের আমল সংরক্ষণ করা এবং প্রত্যেক ব্যক্তির আমলসমূহ লিপিবদ্ধ করা।
তাঁদের মধ্যে কিছু আছেন যারা সার্বক্ষনিক বান্দার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন। কিছু আছেন যারা পারস্পরিক দিবা-রাত্রি যাওয়া আসা করেন।
কিছু আছেন, যারা ওয়াজ-নসীহত, আলোচনা ও যিকিরের মজলিস খুঁজে ফেরেন।
কিছু আছেন, যারা জড়ায়ূতে ভ্রূনের দায়িত্বে নিয়োজিত। তাঁরা আল্লাহর নির্দেশে তাদের রিযিক, আমল নির্ধারিত হায়াত এবং নেককার হবে না বদকার, ভাগ্যবান হবে না দুর্ভাগা ইত্যাদি লিখার দায়িত্ব সম্পাদন করেন।
কিছু আছেন, যাদের দায়িত্ব হচ্ছে, কবরে, রব, দ্বীন ও নবী সম্বন্ধে প্রশ্ন করা।
এরা ছাড়াও অসংখ্য ফেরেশতা রয়েছেন, যাদের প্রকৃত সংখ্যা আল্লাহ ব্যতীত আর কেউ জানে না। তিনি প্রত্যেক বস্ত্তর হিসাব ও গণনা সম্পর্কে পরিপূর্ণরূপে অবহিত।
জিবরীল আলাইহিস সালাম: তিনি নবী-রাসূল গণের নিকট ওহী (প্রত্যাদেশ) নিয়ে আসার ব্যাপারে দায়িত্বশীল।
মীকাঈল আলাইহিস সালাম তিনি বৃষ্টি ও উদ্ভিত সংক্রান্ত বিষয়াদির দায়িত্বে নিয়োজিত।
ইসরাফীল আলাইহিস সালাম তিনি শিঙ্গায় ফুঁ দেয়ার দায়িত্বে নিয়োজিত।
এরা ফেরেশতাদের মাঝে অধিক মর্যাদাসম্পন্ন ও অতি গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা জীবন সংক্রান্ত উপায়-উপকরণ বিষয়ক দায়িত্বে নিয়োজিত। যেমন জিবরীল ওহী বিষয়ক দায়িত্বে নিয়োজিত যে ওহীর মাধ্যমে অন্তর জীবন্ত হয়। মীকাঈল বৃষ্টির দায়িত্বে নিয়োজিত যার মাধ্যমে ভূমি নির্জীব হয়ে যাওয়ার পর নতুন জীবন লাভ করে সজীব হয়। ইসরাফীল শিঙ্গায় ফুৎকারের দায়িত্বে নিয়োজিত। যার মাধ্যমে শরীর প্রাণহীন হওয়ার পর পুনরায় জীবন লাভ করবে।
মালেক, জাহান্নাম প্রহরী : তিনি জাহান্নামের দায়িত্বে নিয়োজিত।
রিদওয়ান, জান্নাত রক্ষী : তিনি জান্নাতের দায়িত্বে নিয়োজিত।
মালাকুল মওত : মৃত্যুর সময় রূহ কবজ করার দায়িত্বে নিয়োজিত।
তাঁদের মধ্যে কিছু আছেন যাদের হামালাতুল আরশ বলা হয়। তাঁরা আরশ বহন করে আছেন।
কিছু আছে যাদের খাযানাতুল জান্নাত বলা হয়। যারা জান্নাতের প্রহরায় নিয়োজিত। একদলকে বলা হয় খাযানাতুন্নার। তাঁরা জাহান্নাম প্রহরা দানে নিয়োজিত। কিছু আছে যাদের দায়িত্ব হচ্ছে বনী আদম ও তাদের আমল সংরক্ষণ করা এবং প্রত্যেক ব্যক্তির আমলসমূহ লিপিবদ্ধ করা।
তাঁদের মধ্যে কিছু আছেন যারা সার্বক্ষনিক বান্দার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকেন। কিছু আছেন যারা পারস্পরিক দিবা-রাত্রি যাওয়া আসা করেন।
কিছু আছেন, যারা ওয়াজ-নসীহত, আলোচনা ও যিকিরের মজলিস খুঁজে ফেরেন।
কিছু আছেন, যারা জড়ায়ূতে ভ্রূনের দায়িত্বে নিয়োজিত। তাঁরা আল্লাহর নির্দেশে তাদের রিযিক, আমল নির্ধারিত হায়াত এবং নেককার হবে না বদকার, ভাগ্যবান হবে না দুর্ভাগা ইত্যাদি লিখার দায়িত্ব সম্পাদন করেন।
কিছু আছেন, যাদের দায়িত্ব হচ্ছে, কবরে, রব, দ্বীন ও নবী সম্বন্ধে প্রশ্ন করা।
এরা ছাড়াও অসংখ্য ফেরেশতা রয়েছেন, যাদের প্রকৃত সংখ্যা আল্লাহ ব্যতীত আর কেউ জানে না। তিনি প্রত্যেক বস্ত্তর হিসাব ও গণনা সম্পর্কে পরিপূর্ণরূপে অবহিত।