hadith book logo

ইসলামের অর্থনীতি

লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১০০

মীরাস না পাওয়ার প্রশ্ন

প্রসংগত: পৌত্রের মীরাস না পাওয়ার প্রশ্ন সম্পর্কেও সংক্ষেপে দুইটি কথা বলা আবশ্যক:

পৌত্র ও পৌত্রী, কি পিতা মাতার মাধ্যমেই পিতামহের কি মাতামহের সম্পত্তির অংশীদার হইতে পারে- সরাসরিভাবে নয়; ইহাই হইতেছে ইসলামের উত্তরাধিকার আইন। কিন্তু পিতা কিংবা মাতা যদি পূর্বেই মৃত্যুমখে পতিত হয়, তবে মাঝখানের সূত্র ছিন্ন হইয়া যাওয়ার দরুন মীরাস হইতে ইহাদের বঞ্চিত হওয়া অবশ্যম্ভাবী। ইহা যেমন যুক্তিসংগত কথা, অনুরূপভাবে ইসলাম অীভজ্ঞ সকল লোকের নিকট শুরু হইতেই ইহা সমর্থিত হইয়া আসিয়াছে। একটি ছেলে কিংবা মেয়ে পিতার বর্তামনেই যদি মারা যায়, তবে পিতার সম্পত্তিতে তাহার যেমন কোন অংশ স্বীকৃত হয় না, সংশ্লিষ্ট ব্যাপারেও তাহাই হইবে। অবশ্য উক্ত ইয়াতীমের জন্য অসিয়ত করা পিতামহের কিংবা মাতামহের কর্তব্য এবং ইসলামী অর্থনীতিতে ইহার পূর্ণ অবকাশ রহিয়াছে। [কুরআনের ঘোষণানুযায়ী এই অসিয়ত, এতই গুরুত্বপূর্ণ যে, ইহা কার্যকর করার পূর্বে উত্তরাধিকারীদের মধ্যে মীরাস বন্টন করা যাইবে না। ইহা কার্যকর করার পরই মীরাস বন্টন হইতে পারে।] আর সম্পত্তির মালিক কোন কারণে তাহাদের জন্য অসিয়ত না করিলেও সম্পত্তি বন্টনের সময় অবশ্য তাহাদিগকে উহা হইততে দিতে হইবে এই পর্যায়ে আল্লাহর রহিয়াছে।

(আরবী)

মীরাস বন্টনের সময় নিকটাত্মীয় ইয়াতীম ও মিসকীন যারা মীরাসের নিয়মে অংশ পায় নাই, তাহাদিগকে উহা হইতে জীবিকা দাও এবং তাহাদিগকে ভাল কথা বলঅ।

আর কোনরূপ সহায়সম্বল না থাকিলেও ভয়ের কোন কারণ নাই। যেহেতু এই অসহায় ধরনের শিশুর জন্য স্বয়ং ইসলামী রাষ্ট্রই দায়ী থাকিবে, যেখানে এই আইনটি যথাযথাভাবে ও পুরামাত্রায় কার্যকর হইবে।