১
ইসলামের অর্থনীতি
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬৬
ভূমি ব্যবস্থা ইসলামী অর্থনীতিতে জমির গুরুত্ব
মানুসের সর্বাপেক্ষা অধিক প্রয়োজনীয় দ্রব্য- খাদ্য ও শিল্পপণ্যের কাঁচামাল- জমি হইতেই উৎপন্ন হইয়া থাকে- তাই মানুষের জীবনের নানাবিধ ও অপরিসীম গুরুত্ব কেহই অস্বীকার করিতে পারে না।
ভূমির গুরুত্ব কুরআন মজীদে নিম্নলিখিত আয়াতসমূহ হইতে বিশেষভাবেব প্রমাণিত হয়। আল্লাহ তা’আলা বলিয়াছেন:
(আরবী)
আমি তোমাদিগকে পৃথিবীর বুজে প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি এবং তাহাতেই তোমাদের জন্য জীবিকা-নির্বাহের যাবতীয় উপাদান সৃষ্টি করিয়াছি।….
অন্যত্র আল্লাহ তা’আলা বলিয়াছেন:
(আরবী)
আল্লাহ তা’আলাই জমিকে তোমাদের জীবিকা উপার্জনের জন্য নম্র ও অনুকূল (চাষযোগ্য ও উৎপাদনী শক্তিপূর্ণ) করিয়া সৃষ্টি করিয়াছেন। তোমরা উহার বিভিন্ন পথে চলাফিরা (শ্রম) করিয়অ জীবিকা উপার্জন কর এবং তাহা হইতে আল্লাহর দেওয়া রিযিক গ্রহণ কর।
সূরা ‘আল-বাকারা’র একটি আয়াতে আল্লাত তা’আলা বলিয়াছেন:
(আরবী)
হে ঈমানদারগণ, তোমাদের সদুপায়ে উপার্জিত সম্পদ ব্যয় কর: এবং তোমাদিগকে জমি হইতে আমি যাহা কিছু উৎপাদন করিয়া দেই, তাহা হইতেও (আল্লাহর পথে) খরচ কর।
প্রথমোল্লিখিত আয়াত হইতে জানা যায় যে, আল্লাহ তা’আলা মানুষকে এই দুনিয়অয় বসবাস করিবার সুযোগ দিয়াছেন এবং এই পার্থিব জীবন সুষ্ঠুরূপে যাপন করার জন্য অপরিহার্য জীবিকার ব্যবস্থাও তিনি এই পৃথিবীতেই করিয়া দিয়াছেন।
দ্বিতীয় আয়াত হইতে সুষ্পষ্টরূপে এই তথ্য জানিতে পারা যাইতেছে যে, মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় জীবিকা প্রধানতঃ এই পৃথিবীর ভূমি হইতে লাভ করিতে হইবে। এই ভূীম হইতে প্রয়োজনীয় জীবিকা প্রধানতঃ এই পৃথিবীর ভূমি হইতে লাভ করিতে হইবে। এই ভূীম হইতে প্রয়োজনীয় দ্রব্য লাভ করিবার জন্য উহার ব্যাপক অনুসন্ধান চালাইতে হইবে এবং যে যে উপায়ে তাহা হইতে জীবিকা সংগ্রহ করা সম্ভব, সেই সেই উপায়ে তাহা হইতে ফসল ও দ্রব্য সম্ভার সংগ্রহ করিতে হইবে, এই বিষয়ে নিরবচ্ছিন্ন সাধনা ও গবেষণা চালাইতে হইবে। মাটির পরতে-পরতে জীবিকার যে অশেষ সম্ভাবনাময় গোপন ভান্ডার লোকচক্ষুর অন্তরালে লুকাইয়া রহিয়াছে, তাহা খুঁজিয়া বাহির করিতে হইবে।
শেণোব্ক আয়াতে বিশেষ করিয়া ঈমানদার লোকের জন্য ভূমি-ব্যবহার সম্পর্কে কয়েকটি মৌলিক নির্দেশ উল্লেখিত হইয়াছে। প্রথ এই যে, ঈমানদার লোকগণ সাধারণভাবে যাহা কিছু উপার্জন করিবে, তাহাকে অবশ্যই পবিত্র, নির্মল এবং সকল নিষিদ্ধ উপায়-মুক্ত হইতে হইবে। দ্বিতীয়, তাহার উপর এবং ভূমি হইতে উৎপন্ন জীবিকার উপর একদিকে সৃষ্টিকর্তার এবং অন্য দিকে সৃষ্ট মানুষের অধিকার রহিয়াছে। এই উভয প্রকারের অধিকার যথাযথরূপে আদায় করা প্রত্যেক ঈমানদার ব্যক্তির কর্তব্য এবং তৃতীয় এই যে, এইভাবে তাহারা যাহা কিছুই উপার্জন করিবে, সীমিত মালিকানা কৃর্তৃত্ব সহকারে তাহা ভোগ ও ব্যবহার করারও তাহাদের পূর্ণ অধিকার রহিয়াছে।
ভূমির গুরুত্ব কুরআন মজীদে নিম্নলিখিত আয়াতসমূহ হইতে বিশেষভাবেব প্রমাণিত হয়। আল্লাহ তা’আলা বলিয়াছেন:
(আরবী)
আমি তোমাদিগকে পৃথিবীর বুজে প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি এবং তাহাতেই তোমাদের জন্য জীবিকা-নির্বাহের যাবতীয় উপাদান সৃষ্টি করিয়াছি।….
অন্যত্র আল্লাহ তা’আলা বলিয়াছেন:
(আরবী)
আল্লাহ তা’আলাই জমিকে তোমাদের জীবিকা উপার্জনের জন্য নম্র ও অনুকূল (চাষযোগ্য ও উৎপাদনী শক্তিপূর্ণ) করিয়া সৃষ্টি করিয়াছেন। তোমরা উহার বিভিন্ন পথে চলাফিরা (শ্রম) করিয়অ জীবিকা উপার্জন কর এবং তাহা হইতে আল্লাহর দেওয়া রিযিক গ্রহণ কর।
সূরা ‘আল-বাকারা’র একটি আয়াতে আল্লাত তা’আলা বলিয়াছেন:
(আরবী)
হে ঈমানদারগণ, তোমাদের সদুপায়ে উপার্জিত সম্পদ ব্যয় কর: এবং তোমাদিগকে জমি হইতে আমি যাহা কিছু উৎপাদন করিয়া দেই, তাহা হইতেও (আল্লাহর পথে) খরচ কর।
প্রথমোল্লিখিত আয়াত হইতে জানা যায় যে, আল্লাহ তা’আলা মানুষকে এই দুনিয়অয় বসবাস করিবার সুযোগ দিয়াছেন এবং এই পার্থিব জীবন সুষ্ঠুরূপে যাপন করার জন্য অপরিহার্য জীবিকার ব্যবস্থাও তিনি এই পৃথিবীতেই করিয়া দিয়াছেন।
দ্বিতীয় আয়াত হইতে সুষ্পষ্টরূপে এই তথ্য জানিতে পারা যাইতেছে যে, মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় জীবিকা প্রধানতঃ এই পৃথিবীর ভূমি হইতে লাভ করিতে হইবে। এই ভূীম হইতে প্রয়োজনীয় জীবিকা প্রধানতঃ এই পৃথিবীর ভূমি হইতে লাভ করিতে হইবে। এই ভূীম হইতে প্রয়োজনীয় দ্রব্য লাভ করিবার জন্য উহার ব্যাপক অনুসন্ধান চালাইতে হইবে এবং যে যে উপায়ে তাহা হইতে জীবিকা সংগ্রহ করা সম্ভব, সেই সেই উপায়ে তাহা হইতে ফসল ও দ্রব্য সম্ভার সংগ্রহ করিতে হইবে, এই বিষয়ে নিরবচ্ছিন্ন সাধনা ও গবেষণা চালাইতে হইবে। মাটির পরতে-পরতে জীবিকার যে অশেষ সম্ভাবনাময় গোপন ভান্ডার লোকচক্ষুর অন্তরালে লুকাইয়া রহিয়াছে, তাহা খুঁজিয়া বাহির করিতে হইবে।
শেণোব্ক আয়াতে বিশেষ করিয়া ঈমানদার লোকের জন্য ভূমি-ব্যবহার সম্পর্কে কয়েকটি মৌলিক নির্দেশ উল্লেখিত হইয়াছে। প্রথ এই যে, ঈমানদার লোকগণ সাধারণভাবে যাহা কিছু উপার্জন করিবে, তাহাকে অবশ্যই পবিত্র, নির্মল এবং সকল নিষিদ্ধ উপায়-মুক্ত হইতে হইবে। দ্বিতীয়, তাহার উপর এবং ভূমি হইতে উৎপন্ন জীবিকার উপর একদিকে সৃষ্টিকর্তার এবং অন্য দিকে সৃষ্ট মানুষের অধিকার রহিয়াছে। এই উভয প্রকারের অধিকার যথাযথরূপে আদায় করা প্রত্যেক ঈমানদার ব্যক্তির কর্তব্য এবং তৃতীয় এই যে, এইভাবে তাহারা যাহা কিছুই উপার্জন করিবে, সীমিত মালিকানা কৃর্তৃত্ব সহকারে তাহা ভোগ ও ব্যবহার করারও তাহাদের পূর্ণ অধিকার রহিয়াছে।