১
ইসলামের অর্থনীতি
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১৬
মালিকবিহীন সম্পদ
ইসরামী রাষ্ট্র সমগ্র দেশের প্রতিনিধিস্থানীয়- আল্লাহ এবং রাজ্রের জনগণের খলীফা। অতএব দেশের যে সব ধন-সম্পদের বস্তুতই কেহ মালিক বা উত্তরাধিকারী থাকিবে না, তাহার মালিক হইবে ইসলামী রাষ্ট্র। বায়তুলমালেই তাহা জমা করিতে হইবে এবং রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনেই তাহা ব্যয় করা হইবে। হযরত উমর ফারূক (রা) মিসরের শাসনকর্তার এক প্রশ্নের জওয়াবে বলিাছেন, ‘মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী থাকিলে পরিত্যক্ত সম্পত্তি তাহাদের মধ্যেই বন্টন করা হইবে। আর যাহার কোন ওয়ারিস নাই তাহার যাবতীয় ধন-সম্পত্তি বায়তুলমালে জমা হইবে। নবী করীম (ﷺ) ইরশাদ করিয়াছেন:
(আরবী)
যাহার কোন উত্তরাধিকারী নাই, তাহার উত্তরাধিকারী আমি। আমি-ই তাহার ত্যাক্ত সম্পত্তি পাইব এবং তাহার তরফ হইতে দায়িত্ব পালন করিব।
বস্তুত নবী করীম (ﷺ) রাষ্ট্রপ্রধান হিসাবেই এই কথা ঘোষণা করিয়াছিলেন। হযরত উমর ফারূক (রা)-ও এইরূপ নির্দেশদিয়া বলিয়াছিলেন:
(আরবী)
যাহাদের উত্তরাধিকারী থাকিবে, মৃতের ধন-সম্পত্তি তাহার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বন্টন কর। আর যাহার উত্তরাধিকারীরূপে পাশ্চোতে কেহ নাই, তাহারধন-সম্পদ মুসলমানে বায়তুলমালেমা করিয়া দাও।
মুর্তাদ- ইসলামত্যাগী ব্যক্তির সম্পত্তিও সরকারে বাজেয়াফত হইবে। যেসব পড়িয়া থাকার মাল কোথাও পাওয়া যাইবে এবং যাহার মালিক খুঁজিয়া পাওয়া যাইবে না, তাহাও অনুরূপভাবে বায়তুলমালে শামিল হইবে।
মুদ্রাশিল্প হইতেও ইসলমী রাষ্ট্রের যথেষ্ট আয় হইতে পারে। টাকশালের শ্রমিকদের মজুরী এবং অন্যান্য খরচাদি ছাড়া রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে তাহা ব্যয় করা হইবে।
(আরবী)
যাহার কোন উত্তরাধিকারী নাই, তাহার উত্তরাধিকারী আমি। আমি-ই তাহার ত্যাক্ত সম্পত্তি পাইব এবং তাহার তরফ হইতে দায়িত্ব পালন করিব।
বস্তুত নবী করীম (ﷺ) রাষ্ট্রপ্রধান হিসাবেই এই কথা ঘোষণা করিয়াছিলেন। হযরত উমর ফারূক (রা)-ও এইরূপ নির্দেশদিয়া বলিয়াছিলেন:
(আরবী)
যাহাদের উত্তরাধিকারী থাকিবে, মৃতের ধন-সম্পত্তি তাহার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বন্টন কর। আর যাহার উত্তরাধিকারীরূপে পাশ্চোতে কেহ নাই, তাহারধন-সম্পদ মুসলমানে বায়তুলমালেমা করিয়া দাও।
মুর্তাদ- ইসলামত্যাগী ব্যক্তির সম্পত্তিও সরকারে বাজেয়াফত হইবে। যেসব পড়িয়া থাকার মাল কোথাও পাওয়া যাইবে এবং যাহার মালিক খুঁজিয়া পাওয়া যাইবে না, তাহাও অনুরূপভাবে বায়তুলমালে শামিল হইবে।
মুদ্রাশিল্প হইতেও ইসলমী রাষ্ট্রের যথেষ্ট আয় হইতে পারে। টাকশালের শ্রমিকদের মজুরী এবং অন্যান্য খরচাদি ছাড়া রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে তাহা ব্যয় করা হইবে।