১
ইসলামের অর্থনীতি
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১৫
সামুদ্রিক সম্পদের আয়
সকল প্রকর সামুদ্রিক সম্পদ ইসলামী রাষ্ট্রের আয়ের অন্যতম উপায়। সামুদ্রিক সম্পদ-বিশেষ করিয়া মৎস্য, মুক্তা ও সুক্তি- উৎপাদনের উপর কর ধার্য হইতে পারে। হযরত উমর (রা) সামুদ্রিক সম্পদের উপর কর ধার্য করা এবং তাহা যথাযথভাবে সংগ্রহ করার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মচারী নিযুক্ত করিয়াছিলেন। কোন এক কর্মচারীর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলিয়াছিলেন: ‘সমুদ্র হইতে উৎপন্ন সকল দ্রব্য হইতেই রাজস্য বাবদ এক-পঞ্চমাংশ আদায় করিতে হইবে। কারণ, ইহাও আল্লাহ তা’আলারই একটি দান, হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আক্কাস (রা)-ও এই মতই প্রচার করিয়াছেন। নদী, ঝিল, বিল ইত্যাদি হইতে ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণে যে মৎস্য উৎপাদন হইবে তাহারও এক-পঞ্চমাংশ ইসলমী রাষ্ট্রের বায়তুলমালের প্রাপ্য হইবে। হযরত আলী (রা) কার্যত: ইহার সূত্রপাত করিয়াছিলেন। হযরত উমর ইবনে আবদুল আজীজের মতেও জলভাগ হইতে যাহা কিছু উৎপন্ন হইবে, তাহা হইতেও রাজস্ব আদায় করিতে হইবে। কারণ তাহা স্থলভাগের কনিজ সম্পদেরই সমতুল্য। হযরত উমর (রা) বলিয়াছেন:
(আরবী)
মহান আল্লাহ তা’আলা সমুদ্র হইতে যাহা উৎপাদন করিয়াছেন, তাহা হইতে এক-পঞ্চমাংশ রাজস্ব বাবদ দিতে হইবে। [কিতাবূল খারাজ- আবূ ইউসুফ (৭০ পৃঃ) এ পর্যায়ে ইমাম আবূ হানীফা (র) যদিও ভিন্নমত পোষন করিতেন, কিন্তু তাঁহার-ই প্রধান শাগরিদ ইমাম আবূ ইউসুফ হযরত উমর ফারূকের উদ্ধৃত ঘোষণার ভিত্তিতে সে মত মানিয়া লইতে অস্বীকার করিয়াছেন। হযরত উমর ফারূক (রা) ইয়ালা ইবন উমাইয়াকে যে ফরমান লিখিয়া দিয়াছিলেন তাহাতে সমগ্র সম্পদকে(আরবী) ‘আল্লাহর অপরিমেয় দানের মধ্যে ইহাও একটি দান’ বলিয়া অভিহিত করিয়াভেন। (ঐ ৭০ পৃঃ)]
(আরবী)
মহান আল্লাহ তা’আলা সমুদ্র হইতে যাহা উৎপাদন করিয়াছেন, তাহা হইতে এক-পঞ্চমাংশ রাজস্ব বাবদ দিতে হইবে। [কিতাবূল খারাজ- আবূ ইউসুফ (৭০ পৃঃ) এ পর্যায়ে ইমাম আবূ হানীফা (র) যদিও ভিন্নমত পোষন করিতেন, কিন্তু তাঁহার-ই প্রধান শাগরিদ ইমাম আবূ ইউসুফ হযরত উমর ফারূকের উদ্ধৃত ঘোষণার ভিত্তিতে সে মত মানিয়া লইতে অস্বীকার করিয়াছেন। হযরত উমর ফারূক (রা) ইয়ালা ইবন উমাইয়াকে যে ফরমান লিখিয়া দিয়াছিলেন তাহাতে সমগ্র সম্পদকে(আরবী) ‘আল্লাহর অপরিমেয় দানের মধ্যে ইহাও একটি দান’ বলিয়া অভিহিত করিয়াভেন। (ঐ ৭০ পৃঃ)]