১
ইসলামের অর্থনীতি
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯১
নিকটাত্মীয়দের জন্য অর্থব্যয়
প্রত্যেক ব্যক্তির ব্যক্তিগত অধিকার ও প্রয়োজন পূর্ণ করার পর তাহার পক্ষে সর্বাপেক্ষা নিকটাত্মীয়দের অধিকার পূরণ করার প্রয়োজনীয়তা ঘোষণা করা হইয়াছে। ইসলামী পরিভাষায় ইহাকে বলা হয় “ছেলায়ে রেহম”। তাই কুরআন মজীদে বলা হইয়াছে: (আরবী)
হে নবী, জানাইয়া দাও, মুসলমানগণ যেন তাহাদের পিতামাতা নিকটাত্মীয়, এতীম, মিসকীন ও নিঃস্ব পথিকতের জন্য সম্পদ ব্যয় করে, এতদ্ব্যতীত মানুষের উপকারার্থে আরো যত কাজ করিবে আল্লাহ (তাহা কবুল করিবেন, তিনি) সে সম্পর্কে অবহিত।
এই আয়াত হইতে প্রমাণিত হইতেছে যে, ব্যক্তির নিজের ও নিজের পরিবারবর্গের প্রয়োজন পূর্ণ করার পরেই নিকটাত্মীয়দের, নিকটবর্তী প্রতিবেশীর, সমাজের অসহায় শিশু, গরীব, দুঃখী এবং নিঃস্ব পথিকদের প্রয়োজন পূর্ণ করার জন্য অর্থ ব্যয় করা বাঞ্ছনীয়। কোন কোন নিকটাত্মীয়দের জীবিকা নির্বাহের পূর্ণ দায়িত্ব ব্যক্তির উপর অর্পণ করা হইয়াছে। অক্ষম উপার্জনহীন পিতা-মাতা ইত্যাদি এই পর্যায়ে উল্লেখ্য।
এই জন্যই ইসলামী সমাজ নিকটাত্মীয়দের অধিকার-লংঘনকারীকে স্বাভাবতই কখনো বরদাশ্ত করিতে পারে না। দুর্নিবার সামাজিক চাপে তাহাতে এই অধিকার পূরণ ও দায়িত্ব পালনে একান্তভাবে বাধ্য করা হয়। এই জন্য নবী করীম (ﷺ) বলিয়াছেন:
(আরবী)
নিজ প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত রহিয়াছে এ কথা জানা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি পেট ভরিয়অ আহর করে এবং সুখের নিদ্রায় অচেতন হয়, তাহার ঈমান আছে বলিয়া কোন প্রমাণ নাই।
অভাবগ্রস্ত প্রতিবেশীর জন্য অর্থব্যয়ের ব্যাপারে আরো অধিক উৎসাহ দানের ব্যাপারে নবী করীম (ﷺ) ইরশাদ করিয়াছেন:
(আরবী)
১৮৪তম পৃষ্ঠার শেষের দুই লাইন স্পষ্ট নয়।
একটি মুদ্রা তোমার পরিবারবর্গের জন্য ব্যয় করিলে; জানিয়া রাখ, এই সকল মুদ্রার মধ্যে তোমার পরিবারবর্গের জন্য ব্যয়কৃত মুদ্রাটিই সওয়াব ও পূণ্যের দিক দিয়া শ্রেষ্ঠ বলিয়া গণ্য হইবে।
নিজ পরিবারবর্গের প্রয়োজন পূরণের পর নিকটাত্মীয়দের জন্য অর্থ ব্যয় করা এবং গরীব আত্মীয়দিগকে দান-ছদকার ব্যাপারে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রত্যেক মুসলমানেরই কর্তব্য বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে।
হাদীসে বলা হইয়াছে: (আরবী)
মিসকীনকে দান করা হইলে তাহা একটি দান মাত্র। কিন্তু নিকটাত্মীয় গরীবকে দান করা হইলে তাহা যেমন দান, তেমনি তাহা আত্মীয়তার হক্ রক্ষারও ব্যবস্থা।
হে নবী, জানাইয়া দাও, মুসলমানগণ যেন তাহাদের পিতামাতা নিকটাত্মীয়, এতীম, মিসকীন ও নিঃস্ব পথিকতের জন্য সম্পদ ব্যয় করে, এতদ্ব্যতীত মানুষের উপকারার্থে আরো যত কাজ করিবে আল্লাহ (তাহা কবুল করিবেন, তিনি) সে সম্পর্কে অবহিত।
এই আয়াত হইতে প্রমাণিত হইতেছে যে, ব্যক্তির নিজের ও নিজের পরিবারবর্গের প্রয়োজন পূর্ণ করার পরেই নিকটাত্মীয়দের, নিকটবর্তী প্রতিবেশীর, সমাজের অসহায় শিশু, গরীব, দুঃখী এবং নিঃস্ব পথিকদের প্রয়োজন পূর্ণ করার জন্য অর্থ ব্যয় করা বাঞ্ছনীয়। কোন কোন নিকটাত্মীয়দের জীবিকা নির্বাহের পূর্ণ দায়িত্ব ব্যক্তির উপর অর্পণ করা হইয়াছে। অক্ষম উপার্জনহীন পিতা-মাতা ইত্যাদি এই পর্যায়ে উল্লেখ্য।
এই জন্যই ইসলামী সমাজ নিকটাত্মীয়দের অধিকার-লংঘনকারীকে স্বাভাবতই কখনো বরদাশ্ত করিতে পারে না। দুর্নিবার সামাজিক চাপে তাহাতে এই অধিকার পূরণ ও দায়িত্ব পালনে একান্তভাবে বাধ্য করা হয়। এই জন্য নবী করীম (ﷺ) বলিয়াছেন:
(আরবী)
নিজ প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত রহিয়াছে এ কথা জানা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি পেট ভরিয়অ আহর করে এবং সুখের নিদ্রায় অচেতন হয়, তাহার ঈমান আছে বলিয়া কোন প্রমাণ নাই।
অভাবগ্রস্ত প্রতিবেশীর জন্য অর্থব্যয়ের ব্যাপারে আরো অধিক উৎসাহ দানের ব্যাপারে নবী করীম (ﷺ) ইরশাদ করিয়াছেন:
(আরবী)
১৮৪তম পৃষ্ঠার শেষের দুই লাইন স্পষ্ট নয়।
একটি মুদ্রা তোমার পরিবারবর্গের জন্য ব্যয় করিলে; জানিয়া রাখ, এই সকল মুদ্রার মধ্যে তোমার পরিবারবর্গের জন্য ব্যয়কৃত মুদ্রাটিই সওয়াব ও পূণ্যের দিক দিয়া শ্রেষ্ঠ বলিয়া গণ্য হইবে।
নিজ পরিবারবর্গের প্রয়োজন পূরণের পর নিকটাত্মীয়দের জন্য অর্থ ব্যয় করা এবং গরীব আত্মীয়দিগকে দান-ছদকার ব্যাপারে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রত্যেক মুসলমানেরই কর্তব্য বলিয়া ঘোষিত হইয়াছে।
হাদীসে বলা হইয়াছে: (আরবী)
মিসকীনকে দান করা হইলে তাহা একটি দান মাত্র। কিন্তু নিকটাত্মীয় গরীবকে দান করা হইলে তাহা যেমন দান, তেমনি তাহা আত্মীয়তার হক্ রক্ষারও ব্যবস্থা।