১
ইসলামের অর্থনীতি
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৮
ব্যবসায়-বাণিজ্য
যানবাহন ও আমাদানি-রফতানির সাহায্যে জীবন-যাত্রার পক্ষে অপরিহার্য পণ্যদ্রব্য বাজার ও ব্যবসাকেন্দ্রে পৌঁছায়। ব্যবসায়ী তাহা খরিদ করিয়া পুনরায় অন্যত্র বা অন্যভাবে বিক্রয় করিতে চেষ্টা করে। কাজেই অর্থোৎপাদনের অন্যান্য অসংখ্য উপায়ের মধ্যে ব্যবসা- বাণিজ্যও একটি অন্যতম উপায়। ব্যবসা- বাণিজ্য দ্বারা অর্থোৎপাদনের জন্য কুরআন মজীদ যথেষ্ট উৎসাহ দান করিয়াছে। বলা হইয়াছে:
(আরবী)
নামায সমাপ্ত হওয়ার পর তোমরা পৃথিবীতে ইতস্তত ছড়াইয়া পড় আল্লাহর অনুগ্রহ- ধনসম্পদ- অনুসন্ধান, আহরণ ও উপার্জন কর।
ব্যবসায়-বাণিজ্যের সাহায্যে অর্থোপার্জন করারই নির্দেশ দেওয়া হইয়াছে উল্লি্খিত আয়াতে।
অন্যত্র বলা হইয়াছে:
(আরবী)
মুসলমানগণ, তোমরা অন্যায়ভাবে অসদুপায়ে পরস্পর পরস্পরের ধন-সম্পদ ভক্ষণ করিও না। তোমাদের পারস্পরিক সম্মতিক্রমে ব্যবসা-বাণিজ্যের মারফতেই অর্থের আদান-প্রদান কর।
নবী করীম (ﷺ) মুসলমানদিগকে ব্যবসায়-বাণিজ্যের জন্য বিশেষ উৎসাহ প্রদান করিয়াছেন এবং ইসলামী সত্যবাদী, বিশ্বস্ত ও ন্যায়পন্থী ব্যবসায়ীর বিশেষ মর্যাদার কথা উল্লেখ করিয়াছেন:
(আরবী)
সত্যবাদী, ন্যায়পন্থী ও বিশ্বস্ত ব্যবসায়ী আম্বিয়া, সিদ্দীক ও শহীদ প্রভৃতি মহান ব্যক্তিদের সমান মর্যাদায় অভিষিক্ত হইবেন।
এই জন্যই ইসলামী অর্থনীতি ব্যবসায়-বাণিজ্যের অপরিসীম গুরুত্ব রহিয়াছে। ইহা একদিকে যেমন প্রচুর অর্থোপার্জনের পথ উন্মুক্ত করিয়া দেয়, অপরদিকে ইহামানুষের নৈতিক চরিত্রকে সুদৃঢ় ও উন্নত করিয়া তোলে, অন্য কথায়, ইহা মানুষের খোদাভীতি (তাকওয়া) ও নৈতিক চরিত্রের এক কঠোর পরীক্ষা-ক্ষেত্র।
কালামে পাকে বলা হইয়াছে:
(আরবী)
আল্লাহ তা’আলাক্রয়-বিক্রয়-ব্যবসায়-বাণিজ্য হালাল করিয়াচেন, কিন্তু সূদ ও সূদভিত্তিক যাবতীয় কারবার হারাম বলিয়া ঘোষণা করিয়াছেন।
নবী করীম (ﷺ) বলিয়াছেন:
(আরবী)
রুজীর দশ ভাগের নয় ভাগেই রহিয়াছে ব্যবসায়-বাণিজ্যের মধ্যে। বস্তুত জাতীয় জীবনে ব্যবসা-বাণিজ্য একটি বিরাট স্তম্ভ বিশেষ; তাই বলা হইয়াছে:
(আরবী)
ব্যবসায়-বাণিজ্যের এই ব্যবস্থা না হইলে তোমাদের জীবন দুর্বিসহ ও অপরের উপর দুর্বহ বোঝা হইয়া পড়িত।
(আরবী)
নামায সমাপ্ত হওয়ার পর তোমরা পৃথিবীতে ইতস্তত ছড়াইয়া পড় আল্লাহর অনুগ্রহ- ধনসম্পদ- অনুসন্ধান, আহরণ ও উপার্জন কর।
ব্যবসায়-বাণিজ্যের সাহায্যে অর্থোপার্জন করারই নির্দেশ দেওয়া হইয়াছে উল্লি্খিত আয়াতে।
অন্যত্র বলা হইয়াছে:
(আরবী)
মুসলমানগণ, তোমরা অন্যায়ভাবে অসদুপায়ে পরস্পর পরস্পরের ধন-সম্পদ ভক্ষণ করিও না। তোমাদের পারস্পরিক সম্মতিক্রমে ব্যবসা-বাণিজ্যের মারফতেই অর্থের আদান-প্রদান কর।
নবী করীম (ﷺ) মুসলমানদিগকে ব্যবসায়-বাণিজ্যের জন্য বিশেষ উৎসাহ প্রদান করিয়াছেন এবং ইসলামী সত্যবাদী, বিশ্বস্ত ও ন্যায়পন্থী ব্যবসায়ীর বিশেষ মর্যাদার কথা উল্লেখ করিয়াছেন:
(আরবী)
সত্যবাদী, ন্যায়পন্থী ও বিশ্বস্ত ব্যবসায়ী আম্বিয়া, সিদ্দীক ও শহীদ প্রভৃতি মহান ব্যক্তিদের সমান মর্যাদায় অভিষিক্ত হইবেন।
এই জন্যই ইসলামী অর্থনীতি ব্যবসায়-বাণিজ্যের অপরিসীম গুরুত্ব রহিয়াছে। ইহা একদিকে যেমন প্রচুর অর্থোপার্জনের পথ উন্মুক্ত করিয়া দেয়, অপরদিকে ইহামানুষের নৈতিক চরিত্রকে সুদৃঢ় ও উন্নত করিয়া তোলে, অন্য কথায়, ইহা মানুষের খোদাভীতি (তাকওয়া) ও নৈতিক চরিত্রের এক কঠোর পরীক্ষা-ক্ষেত্র।
কালামে পাকে বলা হইয়াছে:
(আরবী)
আল্লাহ তা’আলাক্রয়-বিক্রয়-ব্যবসায়-বাণিজ্য হালাল করিয়াচেন, কিন্তু সূদ ও সূদভিত্তিক যাবতীয় কারবার হারাম বলিয়া ঘোষণা করিয়াছেন।
নবী করীম (ﷺ) বলিয়াছেন:
(আরবী)
রুজীর দশ ভাগের নয় ভাগেই রহিয়াছে ব্যবসায়-বাণিজ্যের মধ্যে। বস্তুত জাতীয় জীবনে ব্যবসা-বাণিজ্য একটি বিরাট স্তম্ভ বিশেষ; তাই বলা হইয়াছে:
(আরবী)
ব্যবসায়-বাণিজ্যের এই ব্যবস্থা না হইলে তোমাদের জীবন দুর্বিসহ ও অপরের উপর দুর্বহ বোঝা হইয়া পড়িত।