১
ইসলামের অর্থনীতি
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২৫
সরকারী ঋণ
সাধারণভাবে রাষ্ট্র-সরকারের যে আয় হইয়া থাকে, সেই অনুসারে রাষ্ট্র-সরকারের যাবতীয় খরচ বহন করা বাঞ্ছনীয়। অবশ্য জররী পরিস্থিতিতে আকস্মিক প্রয়োজন দেখা দিলে জরুরী কর ধার্য করিয়া তাহা পূরণ করিতে হয়। কিন্তু ইহাতে যদি প্রয়োজন পূর্ণ না হয়, -কাজ সম্পন্ন না হয়- তাহা হইলে সরকারকে শেষ পর্যন্ত বাধ্য হইয়া ঋণ গ্রহণ করিতে হয়।
সাধারণত লোকেরা আমদানী অণুসারেই নিজেদের সম্পদ ব্যয় করিয়া থাকে। কিন্তু রাষ্ট্র-সরকার ইহার বিপরীত- নিজের প্রয়োজন অনুসারেই আয়ের ব্যবস্থা করে। কিন্তু মনে রাখিতে হইবে যে, দেশবাসীর উপর নূকতন নূতন কর ধারায করণেরও একটা সীমা আছে। এই ব্যাপারে যদি সেই সীমা লংঘন করা হয়, -যদি অস্বাভাবিকভাবে অতিরিক্ত কর ধার্য করাহয়, তবে দেশবাসীর জীবনযাত্রার মান মারাত্মকরূপে নিম্নগতি ধারণ করার সঙ্গে সঙ্গে দেশে চরম গণবিক্ষোভ দেখা দেওয়ারও সম্ভাবনা রহিয়াছে। জীবনযাত্রার মান উন্নত হওয়ার পরিবর্তে হীন হইয়া পড়িলে দেশবাসীর মারাত্মক অধঃপতন অবশ্যম্ভাবী এবং ইহার ফলে পরবর্তী বৎসরের মূল আয় বর্তমান বৎসর অপেক্ষাও নিশ্চিতরূপে কম হইবে। বস্তুত সোনার ডিম দাত্রী মুরগীর পেট চিরিয়া একবারেই সব বাহির করিয়া লওয়ার মত চরম নির্বুদ্ধিতা আর কি হইতে পারে? একটা দেশের পক্ষে ইহা খুবই মারাত্মক নীতি। এমতাবস্থা নূতন কর ধার্য করার পরিবর্তে রাষ্ট্র-সরকারকে নিজের প্রয়োজন পূর্ণ করার জন্য বাধ্য হইয়া ঋণই গ্রহণ করিতে হয়।
ইসলামী রাষ্ট্র-সরকারের ঋণ গ্রহণ অধিকর রহিয়াছে। রাষ্ট্র-প্রধান দেশে বিপর্যয় দেখা দেওয়ার আশঙ্কা করিলে বায়তুলমালের দায়িত্বে ঋণ গ্রহণ করিতে পারে স্বয়ং নবী করীম (ﷺ) এইরূপ পরিস্থিতিতে বাধ্য হইয়া ঋণ গ্রহণ করিয়াছেন।
সাধারণত লোকেরা আমদানী অণুসারেই নিজেদের সম্পদ ব্যয় করিয়া থাকে। কিন্তু রাষ্ট্র-সরকার ইহার বিপরীত- নিজের প্রয়োজন অনুসারেই আয়ের ব্যবস্থা করে। কিন্তু মনে রাখিতে হইবে যে, দেশবাসীর উপর নূকতন নূতন কর ধারায করণেরও একটা সীমা আছে। এই ব্যাপারে যদি সেই সীমা লংঘন করা হয়, -যদি অস্বাভাবিকভাবে অতিরিক্ত কর ধার্য করাহয়, তবে দেশবাসীর জীবনযাত্রার মান মারাত্মকরূপে নিম্নগতি ধারণ করার সঙ্গে সঙ্গে দেশে চরম গণবিক্ষোভ দেখা দেওয়ারও সম্ভাবনা রহিয়াছে। জীবনযাত্রার মান উন্নত হওয়ার পরিবর্তে হীন হইয়া পড়িলে দেশবাসীর মারাত্মক অধঃপতন অবশ্যম্ভাবী এবং ইহার ফলে পরবর্তী বৎসরের মূল আয় বর্তমান বৎসর অপেক্ষাও নিশ্চিতরূপে কম হইবে। বস্তুত সোনার ডিম দাত্রী মুরগীর পেট চিরিয়া একবারেই সব বাহির করিয়া লওয়ার মত চরম নির্বুদ্ধিতা আর কি হইতে পারে? একটা দেশের পক্ষে ইহা খুবই মারাত্মক নীতি। এমতাবস্থা নূতন কর ধার্য করার পরিবর্তে রাষ্ট্র-সরকারকে নিজের প্রয়োজন পূর্ণ করার জন্য বাধ্য হইয়া ঋণই গ্রহণ করিতে হয়।
ইসলামী রাষ্ট্র-সরকারের ঋণ গ্রহণ অধিকর রহিয়াছে। রাষ্ট্র-প্রধান দেশে বিপর্যয় দেখা দেওয়ার আশঙ্কা করিলে বায়তুলমালের দায়িত্বে ঋণ গ্রহণ করিতে পারে স্বয়ং নবী করীম (ﷺ) এইরূপ পরিস্থিতিতে বাধ্য হইয়া ঋণ গ্রহণ করিয়াছেন।