১
ইসলামের অর্থনীতি
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪৮
ইসলামী ব্যাংকের পরিকল্পনা
আমরা এখানে একটি ইসলামী ব্যাংক গঠন ও সেজন্য কাজ শুরু করার বাস্তব পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করিতেছি। প্রসংগত একটা চালু ব্যাংকের কার্যদ্বারা কি হইবে এবং ইসলামী আদর্শের সহিত পূর্ণ সঙ্গতি রক্ষা করিয়া উহা কিভাবে আধুনিক ব্যাংকের সর্বপ্রকার দায়িত্ব পালনে সক্ষম হইবে, তাহাও বিশ্লেষণ করিতে চেষ্টা হইবে।
বস্তুত ঈমানদার মুসলমানরা যখন জানিতে পারে যে, Interest এবং Usury উভয়টিই ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম, তখন তাহাদের মনে এই প্রশ্ন তীব্র হইয়া জাগিয়া উঠে যে, ইহা ছাড়া এ যুগে ব্যাংক চলিতে পারে কিভাবে? তখন তাহারা এই দুইটিকে সম্পূর্ণ পরিহার করিয়া ইসলামী আদর্শকে বাস্তব রূপ দেওয়ার উদ্দেশ্যে একটি ব্যাংক সংগীত ও চালু করা যায় কিনা তাহা চিন্তা করিতে শুরু করিতে পারে। তখন তাহারা মুনাফা ও শরীকদারীর ভিত্তিতে ব্যাংক গঠনের উদ্দেশ্যে একটি Promoters company গঠন করিয়া অংশীদার হইতে করিয়া অংশীদার হইতে ইচ্চুক লোকদের প্রতি Share capital সংগ্রহ করিবার আবেদন প্রচার করিতে পারে।
পরে জনগণের নিকট হইতে ব্যবসায়ের অংশীদার হিসাবে যেসব Subscription পাওয়া যাইবে। তাহাতে প্রত্যেককে আলাদদা আলাদা Share certificate দিয়া দিবে। ফলে ইহারা প্রত্যেকেই মুল ব্যাংক ব্যবসায়ের অংশীদার রূপে গণ্য হইবে। এই অংশীদাররা নিজেদের একটি অধিবেশনে বোর্ড অব ডাইরেক্টরস (Board of Directors) নির্বাচন করিবে এবং এই ডাইরেক্টরস বোর্ড ব্যাংকের কর্মচারী নিয়োগ করিবে।
বর্তমান সময়ে ব্যাংকের অংশীদাররা নির্দিষ্ট হারে dividend পাইয়া থাকে, কোন কোন ব্যাংক আবার অংশীদারদের মধ্যে নির্দিষ্ট মেয়াদের হিসাবান্তে অর্জিত মুনাফা (Profit) বন্টন করিয়া থাকে। ইসলাম যেহেতু অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যাংক ব্যবসায় ও মলধন বিনিয়োগ সমর্থন করে, তাই প্রস্তাবিত ব্যাংকে অংশীদাররাও একটি আর্থিক বছর শেষান্তে নিজ নিজ অংশের মুকাবিলায় আনুপাতিক divedends পাইতে পারে।
বস্তুত ঈমানদার মুসলমানরা যখন জানিতে পারে যে, Interest এবং Usury উভয়টিই ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম, তখন তাহাদের মনে এই প্রশ্ন তীব্র হইয়া জাগিয়া উঠে যে, ইহা ছাড়া এ যুগে ব্যাংক চলিতে পারে কিভাবে? তখন তাহারা এই দুইটিকে সম্পূর্ণ পরিহার করিয়া ইসলামী আদর্শকে বাস্তব রূপ দেওয়ার উদ্দেশ্যে একটি ব্যাংক সংগীত ও চালু করা যায় কিনা তাহা চিন্তা করিতে শুরু করিতে পারে। তখন তাহারা মুনাফা ও শরীকদারীর ভিত্তিতে ব্যাংক গঠনের উদ্দেশ্যে একটি Promoters company গঠন করিয়া অংশীদার হইতে করিয়া অংশীদার হইতে ইচ্চুক লোকদের প্রতি Share capital সংগ্রহ করিবার আবেদন প্রচার করিতে পারে।
পরে জনগণের নিকট হইতে ব্যবসায়ের অংশীদার হিসাবে যেসব Subscription পাওয়া যাইবে। তাহাতে প্রত্যেককে আলাদদা আলাদা Share certificate দিয়া দিবে। ফলে ইহারা প্রত্যেকেই মুল ব্যাংক ব্যবসায়ের অংশীদার রূপে গণ্য হইবে। এই অংশীদাররা নিজেদের একটি অধিবেশনে বোর্ড অব ডাইরেক্টরস (Board of Directors) নির্বাচন করিবে এবং এই ডাইরেক্টরস বোর্ড ব্যাংকের কর্মচারী নিয়োগ করিবে।
বর্তমান সময়ে ব্যাংকের অংশীদাররা নির্দিষ্ট হারে dividend পাইয়া থাকে, কোন কোন ব্যাংক আবার অংশীদারদের মধ্যে নির্দিষ্ট মেয়াদের হিসাবান্তে অর্জিত মুনাফা (Profit) বন্টন করিয়া থাকে। ইসলাম যেহেতু অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ব্যাংক ব্যবসায় ও মলধন বিনিয়োগ সমর্থন করে, তাই প্রস্তাবিত ব্যাংকে অংশীদাররাও একটি আর্থিক বছর শেষান্তে নিজ নিজ অংশের মুকাবিলায় আনুপাতিক divedends পাইতে পারে।