১
ইসলামের অর্থনীতি
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯৭
মীরাসী আইনের গুরুত্ব
প্রসংগত: উল্লেখযোগ্য, ইসলামী সমাজে এই মীরাসী আইন এক অনস্বীকার্য বিধান। ইহাকে কার্যকর করিলে ইহকালে ও পরকালে- সর্বত্রই পরিপূর্ণ সাফল্য ও অর্থনৈতিক প্রগতি লাভ করা সম্ভব। আর এই আইনকে জারী না করিলে- ইহার ভিত্তিতেসম্পত্তি বন্টন না করিলে, ইহকাল পরকাল সকল ক্ষেত্রে চরম দুর্গতি ও লাঞ্ছনা ঘটিবে, তাহাতে বিন্দুমাত্র সংশয় থাকিতে পারে না। কুরআন মজীদে মীরাসী আইন বিস্তারিতরূপে বর্ণনা করার পরেই আল্লাত তা’আলা জলদ-গম্ভীর স্বরে ঘোষণা করিয়াছেন:
(আরবী)
এইগুলি আল্লাহ তা’আলার নির্ধারিত সীমা, এই সীমা রক্ষা করিয়া যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং তাঁহার রাসূলের আনুগত্য করিয়া চলিবে, তাহকে আল্লাহ তা’আলা এমন বেহেস্তে স্থান দিবেন, যাহার পাদদেশ হইতে প্রতিনিয়ত ঝর্ণাধারা প্রবাহিত হয় এবং তাহাতে সে চিরদিন বসবাস করিবে। বস্তুত ইহাই হইতেছে চরম সাফল্য। পক্ষান্তরে এই সীমা রক্ষার ব্যাপারে যে ব্যক্তি আল্লাহর ও তাঁহারা রাসূলের নাফরমানী করিবে এবং আল্লাহর নির্দিষ্ট সীমা লংঘনি করিবে, আল্লাহ তাহাকে আগুনে নিক্ষেপ করিবেন- ইহাতে সে চিরদিন অবস্থান করিবে। সেখানে তাহাকে কঠিন আযাব দেওয়া হইবে।[মীরাস বন্টনের মৌলিক বিষয়াদি আল্লাহ নিজেই বলিয়া দিয়াছেন, তাহা আল্লাহর বিধান হিসাবেই মানিতে হইবে। কিন্তু আয়অতে আল্লাহর আনুগত্যের কথা বলার সাথে সাথে রাসূলের আনুগত্য করিতে হয় বলিয়া বুঝাইতে চাওয়া হইয়াছে যে, এই বিধানের বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও আনুসাঙ্গিক আইন রাসূল করীম (ﷺ) বলিয়াছেন।]
(আরবী)
এইগুলি আল্লাহ তা’আলার নির্ধারিত সীমা, এই সীমা রক্ষা করিয়া যে ব্যক্তি আল্লাহ এবং তাঁহার রাসূলের আনুগত্য করিয়া চলিবে, তাহকে আল্লাহ তা’আলা এমন বেহেস্তে স্থান দিবেন, যাহার পাদদেশ হইতে প্রতিনিয়ত ঝর্ণাধারা প্রবাহিত হয় এবং তাহাতে সে চিরদিন বসবাস করিবে। বস্তুত ইহাই হইতেছে চরম সাফল্য। পক্ষান্তরে এই সীমা রক্ষার ব্যাপারে যে ব্যক্তি আল্লাহর ও তাঁহারা রাসূলের নাফরমানী করিবে এবং আল্লাহর নির্দিষ্ট সীমা লংঘনি করিবে, আল্লাহ তাহাকে আগুনে নিক্ষেপ করিবেন- ইহাতে সে চিরদিন অবস্থান করিবে। সেখানে তাহাকে কঠিন আযাব দেওয়া হইবে।[মীরাস বন্টনের মৌলিক বিষয়াদি আল্লাহ নিজেই বলিয়া দিয়াছেন, তাহা আল্লাহর বিধান হিসাবেই মানিতে হইবে। কিন্তু আয়অতে আল্লাহর আনুগত্যের কথা বলার সাথে সাথে রাসূলের আনুগত্য করিতে হয় বলিয়া বুঝাইতে চাওয়া হইয়াছে যে, এই বিধানের বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও আনুসাঙ্গিক আইন রাসূল করীম (ﷺ) বলিয়াছেন।]