১
ইসলামের অর্থনীতি
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৮
অর্থনৈতিক সংগঠন
সংগঠন বা ‘অর্গানাইজেশন’ এক প্রকার মানসিক শ্রম। কার্য সম্পাদনের যোগ্যতা বা সাংগঠনিক শক্তি ব্যতীত কোন দেশেই বিরাট আকারে ও প্রচুর পরিমাণে অর্থোৎপাদন হইতে পারে না। ঠিক এই কারণেই অর্থনীতিবিদগণ সংগঠনকেও স্বতন্ত্রভাবে অর্থোৎপাদনের একটি উপায় (Factor) হিসাবে গণ্য করিয়াছেন। কারণ ‘মূলধন’ ব্যতী যেমন অর্থোৎপাদন সম্ভব নয়, এই সংগঠন ব্যতীতও অর্থোৎপাদন কার্য বর্তমান সময়ে প্রায় অসম্ভব। কুরআন মজীদেও এই সংগঠন ব্যতীত অর্থোৎপাদন কার্য বর্তমান সময়ে প্রায় অসম্ভব। কুরআন মজীদেও এই সংগঠন-শক্তি বা পরিশ্রমযোগ্যতার উল্লেখ পাওয়া যায়। মিশরাধিপতি যখন রাজ্রের সর্বময় কর্তৃত্বভার হযরত ইউসুফ (আ)-এর উপর অর্পণ করিয়াছিলেন, তখন তিনি তাহার পরিচয় দিয়া বলিয়াছেন:
(আরবী)
আজ হইতে আপনি আমাদের নিকট বড়ই সম্মান ও মর্যাদাসম্পন্ন সুপ্রতিষ্ঠালব্ধ ও সর্বতোভাবে বিশ্বস্ত।
তখন হযরত ইউসুফ (আ) বলিলেন:
(আরবী)
দেশের অর্থভাণ্ডার (ব্যবস্থাপনা ও বন্টনের) দায়িত্ব আমর নিকট সোপর্দ করুন। আমি নিশ্চিতভাবে উহার হিফাযতকারী এবং আমি এই বিষয়ে সম্পূর্ণ জ্ঞানেরও অধিকারী।
বস্তুত, এখানে দৌহিক শক্তির কথা না বলিয়া মানসিক শক্তি ও বুদ্ধিমত্তা এবং সংগঠন পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার যোগ্যতার কথাই উল্লেখ করা হইয়াছে।
অর্থনৈতিক সংগঠন সম্পর্কে চিন্তা করিলে বুঝিতে পারা যায়, মূলত ইহা ইসলামী জীবন-ব্যবস্থায় এক নিগূঢ় সত্য কথা। ইসলাম আগাগোড়াই একটি অখন্ড সংগঠন। ইসলামের প্রত্যেকটি কাজ সংগঠনের মাধ্যমেই সম্পন্ন করিতে হয়। সাধারণভাবে সমাজ-জীবনে ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও নবী করীম (ﷺ) সংগঠনকে অপরিহার্য বলিয়া ঘোষণা করিয়াছেন। ইসলামী হুকুমাতের খলীফাকেক রাজনৈতিক সংগঠনকারী হিসাবে প্রয়োজন পরিমাণ বেতন দেওয়া সংগত বলিয়া বিঘোষিত হইয়াছে।
(আরবী)
আজ হইতে আপনি আমাদের নিকট বড়ই সম্মান ও মর্যাদাসম্পন্ন সুপ্রতিষ্ঠালব্ধ ও সর্বতোভাবে বিশ্বস্ত।
তখন হযরত ইউসুফ (আ) বলিলেন:
(আরবী)
দেশের অর্থভাণ্ডার (ব্যবস্থাপনা ও বন্টনের) দায়িত্ব আমর নিকট সোপর্দ করুন। আমি নিশ্চিতভাবে উহার হিফাযতকারী এবং আমি এই বিষয়ে সম্পূর্ণ জ্ঞানেরও অধিকারী।
বস্তুত, এখানে দৌহিক শক্তির কথা না বলিয়া মানসিক শক্তি ও বুদ্ধিমত্তা এবং সংগঠন পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার যোগ্যতার কথাই উল্লেখ করা হইয়াছে।
অর্থনৈতিক সংগঠন সম্পর্কে চিন্তা করিলে বুঝিতে পারা যায়, মূলত ইহা ইসলামী জীবন-ব্যবস্থায় এক নিগূঢ় সত্য কথা। ইসলাম আগাগোড়াই একটি অখন্ড সংগঠন। ইসলামের প্রত্যেকটি কাজ সংগঠনের মাধ্যমেই সম্পন্ন করিতে হয়। সাধারণভাবে সমাজ-জীবনে ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও নবী করীম (ﷺ) সংগঠনকে অপরিহার্য বলিয়া ঘোষণা করিয়াছেন। ইসলামী হুকুমাতের খলীফাকেক রাজনৈতিক সংগঠনকারী হিসাবে প্রয়োজন পরিমাণ বেতন দেওয়া সংগত বলিয়া বিঘোষিত হইয়াছে।