১
ইসলামের অর্থনীতি
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৯৮
কুটিরশিল্প প্রসারকল্পে সাহায্য সংস্থা
গার্হস্থ্য কিংবা কুটির শিল্পের উৎকর্ষ সাধনের ব্যবস্থা না করিয়া কোন সমাজই উন্নতি করিতে এবং অর্থনৈতিক স্বাতন্ত্র্য ও আত্মনির্ভরশীলতা লাভ করিতে পারে না। ইসলামী সমাজেও ইহার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হইবে এবং ইহার উৎ]কর্ষ সাধনের জন্য পরিপূর্ণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে। এই উদ্দেশ্যে পারস্পরিক সাহায্য সংস্থা স্থাপন করা হইবে এবং বিশেষ করিয়া নিম্নলিখিত শিল্পগুলিকে গার্হস্থ্য পর্যায়ে সুসংগঠিত করা হইবে:
(১) কার্পাস, সূতা, বস্ত্র ও চট শিল্প, (২) চর্ম শিল্প, (৩) পশম শিল্প, (৪) দেশী ঔষধ প্রস্তুতকরণ প্রভৃতি।
গার্হস্থ্য শিল্পের উৎকর্ষ সাধনের জন্য নিম্নলিখিত উপায় অবলম্বন ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইতে পারে।
১. যন্ত্রশিল্পের সহিত প্রতিদন্দ্বিতায় উহার সংরক্ষণ ব্যবস্থা।
২. শিল্প সম্পর্কীয় শিক্ষাদীক্ষা ও ট্রেনিং দানের ব্যবস্থা।
৩. কাচা মাল সংরক্ষ্যণ।
৪. পুঁজি সংগ্রহকরন।
এইসব সংস্থায় শিল্পোৎপাদনকারী, কাঁচামাল উৎপাদনকারী এবং বাজারে খুচরা ও পাইকারী হিসাবে বিক্রয়কারীদের শরীক হওয়া আবশ্যক।
(১) কার্পাস, সূতা, বস্ত্র ও চট শিল্প, (২) চর্ম শিল্প, (৩) পশম শিল্প, (৪) দেশী ঔষধ প্রস্তুতকরণ প্রভৃতি।
গার্হস্থ্য শিল্পের উৎকর্ষ সাধনের জন্য নিম্নলিখিত উপায় অবলম্বন ও ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইতে পারে।
১. যন্ত্রশিল্পের সহিত প্রতিদন্দ্বিতায় উহার সংরক্ষণ ব্যবস্থা।
২. শিল্প সম্পর্কীয় শিক্ষাদীক্ষা ও ট্রেনিং দানের ব্যবস্থা।
৩. কাচা মাল সংরক্ষ্যণ।
৪. পুঁজি সংগ্রহকরন।
এইসব সংস্থায় শিল্পোৎপাদনকারী, কাঁচামাল উৎপাদনকারী এবং বাজারে খুচরা ও পাইকারী হিসাবে বিক্রয়কারীদের শরীক হওয়া আবশ্যক।