১
ইসলামের অর্থনীতি
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৭
পাখীর অর্থনৈতিক মুল্য
অর্থনৈতিক দৃষ্টিতে পাখীরও যথেষ্ট মূল্য রহিয়াছে। প্রথমত উহার গোশত ও ডিম মানুষের উৎকৃষ্ট খাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়। উহার লালন পালন করিয়া, আরো অধিক পাখী উৎপাদন করিয়া এবং তাহা বিক্রয় করিয়া প্রচুর অর্থোপার্জন করা খুবই সহজ। পাখীর পালক দ্বারাও বহুবিধ মূল্যবান জিনিস প্রস্তুতহইতে পারে। দ্বিতীয়ত, পাখীরব্যবসায় অক্ষাকৃত কম মূলধন-সাপেক্ষ। এই জন্য নবী করীম (সা) সচ্ছল অবস্থায় লোকদিগকে পশুপালন এবংসংগতিহীন লোকদিগকে পাখী পালন ব্যবসায় করার নির্দেশ দিয়াছেন।[ইবনে মাহা ও কানযুল উম্মাল]
মৌমাছির উৎপন্ন মধু এবং মোম হইতে প্রচুর অর্ধাগম হইতে পারে বলিয়া মানব-সমাজে উহার যথেস্ট অর্থনৈতিক মূল্য রহিয়াছে।মধু পুষ্টিকরখাদ্য, উহা ঔষধ হিসাবেও ব্যবহৃত হয়। মধু সম্পর্কেকুরআন মজীদেবলা হইয়াছে:
(আরবী)
ইহাতেমানুষের উপকার এবং রোগ-আরোগ্য-গুণ বর্তমান রহিয়াছে।
বস্তুত মধুকে ক, খ ও গ খাদ্য-প্রাণ বর্তমান। ইহা দীর্ঘকাল পর্যন্ত অবিকৃত থাকে এবং অনায়াসে বহুদূর পথে রফতানী করা চলে। অভিজ্ঞতা হইতে দেখা যায়, মৌমাছি পালন খুবই লাভজনক ব্যবসায়। ইহাকুটির শিল্পসমূহের অন্তর্ভুক্ত। কোন যন্ত্র বা শিল্পের সহিত ইহার কোন প্রতিযোগিতিা নাই। এইজন্যই ইহার জাতীয় ও অর্থনৈতিক মূল্য অত্যধিক। প্রসংগত উল্লেখযোগ্য যে, মধুর ব্যবহারিক মূল্য সম্পর্কেগবেষণার যথেষ্টঅবকাশ এবং প্রয়োজন রহিয়াছে। কারণ কুরআন শরীপেমধুর ব্যবহারিক মূল্যের কথা উল্লেখককরিয়া সেদিকে দৃষ্টি আকর্ষণকরা হইয়াছে এইবলিয়া:
(আরবী)
চিন্তাশল- অনুশীলনকারী ও অুসন্ধিৎসু লোকদের জন্য ইহাতে যথেষ্ট গবেণার বিষয় রহিয়াছে।
অনুরূপভাবে গুটিপোকা পালনর যথেষ্ট আর্থিক মুল্য রহিয়াছে। এই পোকা রেশম তৈয়ার করে। এই রেশম বিক্রয় করিয়া কিংবা উহারকাপড় বুনিয়া প্রচুর অর্থোপার্জন করা যাইতে পারে।
মৌমাছির উৎপন্ন মধু এবং মোম হইতে প্রচুর অর্ধাগম হইতে পারে বলিয়া মানব-সমাজে উহার যথেস্ট অর্থনৈতিক মূল্য রহিয়াছে।মধু পুষ্টিকরখাদ্য, উহা ঔষধ হিসাবেও ব্যবহৃত হয়। মধু সম্পর্কেকুরআন মজীদেবলা হইয়াছে:
(আরবী)
ইহাতেমানুষের উপকার এবং রোগ-আরোগ্য-গুণ বর্তমান রহিয়াছে।
বস্তুত মধুকে ক, খ ও গ খাদ্য-প্রাণ বর্তমান। ইহা দীর্ঘকাল পর্যন্ত অবিকৃত থাকে এবং অনায়াসে বহুদূর পথে রফতানী করা চলে। অভিজ্ঞতা হইতে দেখা যায়, মৌমাছি পালন খুবই লাভজনক ব্যবসায়। ইহাকুটির শিল্পসমূহের অন্তর্ভুক্ত। কোন যন্ত্র বা শিল্পের সহিত ইহার কোন প্রতিযোগিতিা নাই। এইজন্যই ইহার জাতীয় ও অর্থনৈতিক মূল্য অত্যধিক। প্রসংগত উল্লেখযোগ্য যে, মধুর ব্যবহারিক মূল্য সম্পর্কেগবেষণার যথেষ্টঅবকাশ এবং প্রয়োজন রহিয়াছে। কারণ কুরআন শরীপেমধুর ব্যবহারিক মূল্যের কথা উল্লেখককরিয়া সেদিকে দৃষ্টি আকর্ষণকরা হইয়াছে এইবলিয়া:
(আরবী)
চিন্তাশল- অনুশীলনকারী ও অুসন্ধিৎসু লোকদের জন্য ইহাতে যথেষ্ট গবেণার বিষয় রহিয়াছে।
অনুরূপভাবে গুটিপোকা পালনর যথেষ্ট আর্থিক মুল্য রহিয়াছে। এই পোকা রেশম তৈয়ার করে। এই রেশম বিক্রয় করিয়া কিংবা উহারকাপড় বুনিয়া প্রচুর অর্থোপার্জন করা যাইতে পারে।