১
ইসলামের অর্থনীতি
লেখকঃ মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
প্রস্তর ও খনিজ সম্পদ
প্রস্তর ভূপৃষ্ঠের আর একটি অতি দরকারী বস্তু্ ইহা মানুষের পক্ষে বিশেষ প্রয়োজনীয় সম্পদ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। দালানকোঠা ব্রীজ-কালভার্ড ও সড়ক –প্রাচীর নির্মাণের ব্যাপারে প্রস্তর,, চুনা, সুরকী ইত্যাদি অপরিহার্য উপাদান হিসাবে পরিগণিত হইয়া থাকে। কাজেই অর্থনৈতিক দৃষ্টিতে প্রস্তরেরওযথেষ্ট মূল্য রহিয়াছে।
ভূপৃষ্ঠের সীমা সংখ্যাহীন উপাদান-সামগ্রী ও কাঁচামাল ব্যতীত ভূগর্ভস্থখনিজ সম্পদের অসামান্য গুরুত্ব অনস্বীকার্য। মানব-সভ্যতার স্থিতি ও প্রগতির পথে উহার ভূমিকা বিস্ময়কর। মাটির অতল গভীরে অসংখ্য প্রকারমহামূল্যবান খনিজ দ্রব্যের স্তুপ স্বাভাবিকভাবেই পুঞ্জীভূত হইয়া আছে, উহার পরিমাপ করা মানুষের সাধ্যাতীত। মানুষের জৈব জীবনের পক্ষে অপরিহার্য খনিজ পদার্থ মাটির সহিত মিশিয়া আছে। ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, ফসফরাস,গন্ধক, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়োডিন প্রভৃতি খনিজ পদার্থ মানুষেরস্বাস্থ্যরক্ষার পক্ষে অপরিহার্য।[কেননা মাটির এই সব মৌলিক উপাদান দিয়াই মানব দেহের সৃষ্টি হইয়াছে।] বৃক্ষ-লতা-গুল্ম-সব্জি ইত্যাদি মাটি হইতে রস গ্রহণ করিয়াই বাঁচে এবং ইহারা মটিররসের সঙ্গে এই সব খনিজ দ্রব্যও আহরণ করিয়া থঅকে। আর মানুষ এইসব গাছ ও লতার ফল-মূল এবং শাক সব্জি ইত্যাদি খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করে বলিয়া উল্লিখিত খনিজ পদার্থ সমূহের সারাংশ মানবদেহে প্রবেশ করে।
মানব-সভ্যতার পক্ষে অপরিহার্য লৌহ. তাম্র, পিতল, ইস্পাত, স্বর্ণ-রৌপ্য, হরা-মানিক্য, পেট্রোল ও কেরোসিন ইত্যাদি দ্রব্য মানুষ খনিজ হইতেই লাভ করে। এইসবের অর্থনৈতিক মূল্যের প্রতি লক্ষ্য করিয়াই নবী করীম (ﷺ) বলিয়াছেন:
(আরবী)
মাটির গভীর তলদেশে-ভূপৃষ্ঠের পরতে পরতে-জীবিকার সন্ধান কর।
যে লৌহ বর্তমান বৈজ্ঞানিক সভ্যতার মেরুদন্ড এবং সকল প্রকার বৈঞ্জানিকআবিষ্কার উদ্ভাবনী ও শৈল্পিক যন্ত্রপাতির আদি পিতা, সে সম্পর্কে আল্লাহ তা’আলা বলিয়াছেন:
(আরবী)
আমি লৌহ সৃষ্টি করিয়াছি, তাহাতে বিরাট শক্তি নিহিত রহিয়াছে, এবং আাছে মানুষের প্রভূতকল্যাণ সাধিত হওয়ার অপূর্ব সম্ভাবনা।
ভূপৃষ্ঠের সীমা সংখ্যাহীন উপাদান-সামগ্রী ও কাঁচামাল ব্যতীত ভূগর্ভস্থখনিজ সম্পদের অসামান্য গুরুত্ব অনস্বীকার্য। মানব-সভ্যতার স্থিতি ও প্রগতির পথে উহার ভূমিকা বিস্ময়কর। মাটির অতল গভীরে অসংখ্য প্রকারমহামূল্যবান খনিজ দ্রব্যের স্তুপ স্বাভাবিকভাবেই পুঞ্জীভূত হইয়া আছে, উহার পরিমাপ করা মানুষের সাধ্যাতীত। মানুষের জৈব জীবনের পক্ষে অপরিহার্য খনিজ পদার্থ মাটির সহিত মিশিয়া আছে। ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, ফসফরাস,গন্ধক, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়োডিন প্রভৃতি খনিজ পদার্থ মানুষেরস্বাস্থ্যরক্ষার পক্ষে অপরিহার্য।[কেননা মাটির এই সব মৌলিক উপাদান দিয়াই মানব দেহের সৃষ্টি হইয়াছে।] বৃক্ষ-লতা-গুল্ম-সব্জি ইত্যাদি মাটি হইতে রস গ্রহণ করিয়াই বাঁচে এবং ইহারা মটিররসের সঙ্গে এই সব খনিজ দ্রব্যও আহরণ করিয়া থঅকে। আর মানুষ এইসব গাছ ও লতার ফল-মূল এবং শাক সব্জি ইত্যাদি খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করে বলিয়া উল্লিখিত খনিজ পদার্থ সমূহের সারাংশ মানবদেহে প্রবেশ করে।
মানব-সভ্যতার পক্ষে অপরিহার্য লৌহ. তাম্র, পিতল, ইস্পাত, স্বর্ণ-রৌপ্য, হরা-মানিক্য, পেট্রোল ও কেরোসিন ইত্যাদি দ্রব্য মানুষ খনিজ হইতেই লাভ করে। এইসবের অর্থনৈতিক মূল্যের প্রতি লক্ষ্য করিয়াই নবী করীম (ﷺ) বলিয়াছেন:
(আরবী)
মাটির গভীর তলদেশে-ভূপৃষ্ঠের পরতে পরতে-জীবিকার সন্ধান কর।
যে লৌহ বর্তমান বৈজ্ঞানিক সভ্যতার মেরুদন্ড এবং সকল প্রকার বৈঞ্জানিকআবিষ্কার উদ্ভাবনী ও শৈল্পিক যন্ত্রপাতির আদি পিতা, সে সম্পর্কে আল্লাহ তা’আলা বলিয়াছেন:
(আরবী)
আমি লৌহ সৃষ্টি করিয়াছি, তাহাতে বিরাট শক্তি নিহিত রহিয়াছে, এবং আাছে মানুষের প্রভূতকল্যাণ সাধিত হওয়ার অপূর্ব সম্ভাবনা।