১
ইসলাম ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ
লেখকঃ ড. এম উমর চাপরা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১৬
১.বিশ্বজনীন ভ্রাতৃত্ব
খিলাফতের অর্থ মানবজাতির মৌলিক ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ব। প্রত্যেকেই খলিফা এবং কোনো দেশ, দল বা বিশেষ কোনো জাতির সদস্য বা কোনো বিশেষ সুবিধাভোগী ব্যক্তি নয়। এটি সাদাকালো, উঁচুনিচু সকল মানবসত্তার সামাজিক সাম্য ও মহত্ত্বকে ইসলামী বিশ্বাসের মৌলিক উপাদানে পরিগণিত করেছে। মানুষের মর্যাদা নির্ধারণের মানদণ্ড তার জাতি, পরিবার বা সম্পদ নয়; বরং তা হচ্ছে তার চরিত্র ও মানবতার প্রতি সেবা (যা তার বিশ্বাস ও অনুশীলনের প্রতিফলন)। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সুস্পষ্ট করে বলেছেন, ‘সমস্ত মানবসত্তাই আল্লাহর ভৃত্য এবং আল্লাহর নিকট তারাই সবচেয়ে বেশি প্রিয়, যারা তার ভৃত্যদের মধ্যে সর্বোত্তম’।
ভ্রাতৃত্বের এ ধারণাগত কাঠামোর আওতায় অন্যান্য মানবসত্তার প্রতি সঠিক মনোভাব ‘জোর যার মুল্লুক তার’, ‘কেবল আত্মস্বার্থ রক্ষার্থে সংগ্রাম’ অথবা ‘যোগ্যতমরা সেরা’ নয়, বরং তা হচ্ছে সকলের মৌলিক চাহিদা পূরণ, সমগ্র মানবিক সম্ভাবনাকে উন্নত করা এবং মানব জীবনকে সমৃদ্ধ করার জন্য পারস্পরিক কোরবানী ও সহযোগিতার মনোভাব। প্রতিযোগিতাকে ততক্ষণ পর্যন্ত উৎসাহিত করা যায় যতক্ষণ তা সুস্থ থাকে, দক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং ইসলামের সার্বিক উদ্দেশ্য মানবকল্যাণে সহায়তা করে। যখনই তা সীমালঙ্ঘন করে, প্রতিহিংসা ও দাম্ভিকতার জন্ম দেয় এবং নৃশংসতা ও পারস্পরিক ধ্বংসের কারণ হয়, তখনই তা সংশোধন করতে হবে।
ভ্রাতৃত্বের এ ধারণাগত কাঠামোর আওতায় অন্যান্য মানবসত্তার প্রতি সঠিক মনোভাব ‘জোর যার মুল্লুক তার’, ‘কেবল আত্মস্বার্থ রক্ষার্থে সংগ্রাম’ অথবা ‘যোগ্যতমরা সেরা’ নয়, বরং তা হচ্ছে সকলের মৌলিক চাহিদা পূরণ, সমগ্র মানবিক সম্ভাবনাকে উন্নত করা এবং মানব জীবনকে সমৃদ্ধ করার জন্য পারস্পরিক কোরবানী ও সহযোগিতার মনোভাব। প্রতিযোগিতাকে ততক্ষণ পর্যন্ত উৎসাহিত করা যায় যতক্ষণ তা সুস্থ থাকে, দক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং ইসলামের সার্বিক উদ্দেশ্য মানবকল্যাণে সহায়তা করে। যখনই তা সীমালঙ্ঘন করে, প্রতিহিংসা ও দাম্ভিকতার জন্ম দেয় এবং নৃশংসতা ও পারস্পরিক ধ্বংসের কারণ হয়, তখনই তা সংশোধন করতে হবে।