১
ইসলাম ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ
লেখকঃ ড. এম উমর চাপরা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭১
ভাবমূর্তিও বিনাশ
কার্যসম্পাদনের নিক্তিতে বিচার করলে দেখা যাবে গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্র এর লক্ষ্য অর্জনে সাফল্য লাভ করেনি এবং ভস্যিতে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা আসলেও এর অধিকতর সাফল্য লাভের সম্ভাবনা ক্ষীণ। কারণ এর লক্ষ্য এবং দৃষ্টিভংগির মধ্যে সামঞ্জস্যের অভাবের কারণে এ মতবাদ কার্যকর কর্মকৌশল রচনায় ব্যর্থ হয়েছে।
ধনতন্ত্রের মতো গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রও রেঁনেসা পরবর্তী সেকুলার দর্শনের ফসল। ধনতন্ত্রের বন্টন ব্যবস্থায় কিছু বাস্তবভিত্তিক পরিবর্তন সাধন করাই গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রের একমাত্র সাফল্য। সার ও মাটির কিছু পরিবর্তন ঘটিয়ে লেবুর বীজ থেকে আম ফলানো কখনই সম্ভব নয়। বিশ্ব সম্পর্কে দৃষ্টিভংগির ব্যাপক পরিবর্তন, সর্বোপরি মানুষের চরিত্র ও স্বভাবের মৌলিক পরিবর্তন সাধন এবং কর্মকৌশলের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ব্যতিরেকে সমাজতন্ত্রের মানবতাবাদী লক্ষ্যসমূহ অর্জন কখনই সম্ভব নয়।
একটি প্রকৃত সমাধানে উপনীত হবার জন্যে নতুন বৈপ্লবিক চিন্তাধারার পরিবর্তে বামপন্থী চিন্তাধারাকে ‘আমেরিকানবাদের’ ছাঁচে ফেলে দেয়া হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণবাদ বা শান্তিকামীতার মতো ইস্যুর সাথে গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রকে সম্পৃক্ত করা একটি প্রচেষ্টা নেয়া হয়েছে। যদিও এগুলোর সম্পৃক্তি অবশ্যই প্রয়োজন, তা সত্ত্বেও শুধুমাত্র এসবের অন্তর্ভুক্তিই মানুষের চাহিদাপূরণ, বৃহত্তর সমতা বা শ্রেণী বৈষম্যের অবসানকে নিশ্চিত করতে পারেনা। বুর্জোয়া দলগুলোও উৎসাহের সাথে এ ব্যবস্থাপত্র নিয়ে জনগণের সম্মুখে আসতে পারে। রায় হেটারসলে তার Economic Priorities for the Labour Government নামক সাম্প্রতিক গ্রন্থে দেখিয়েছেন যে গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রের ভিত্তি কত সংকুচিত রূপ ধারণ করেছে। লেবার পার্টির এক কনফারেন্সে ‘নেইল কিনোক’ পূর্ববর্তী এক পক্ষকালের মধ্যে রক্ষণশীল দুটো দলের উপস্থাপনার মতোই নিখুঁতভাবে ধনতন্ত্রী সামাজিক বাজারনীতির এক এজেন্ডা উপস্থাপন করেন। লেবার পার্টির নেতার মতে, উক্ত দলের লক্ষ্য হচ্ছে ‘রক্ষণশীলদের চেয়েও দক্ষতার সাথে বাজার অর্থনীতিকে পরিচালিত করা’। লেবার পার্টির প্রধান হিসেবে কিনোকের নির্বাচন কার্যত ধনতন্ত্রের আরো উত্তম ব্যবস্থাপনার প্রতি পার্টির অঙ্গীকার ব্যক্ত করে। ফলে প্রতীয়মান হয় যে, গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্র তার লক্ষ্য অর্জন ছাড়াই স্বকীয় ভাবমূর্তি হারিয়েছে।
ধনতন্ত্রের মতো গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রও রেঁনেসা পরবর্তী সেকুলার দর্শনের ফসল। ধনতন্ত্রের বন্টন ব্যবস্থায় কিছু বাস্তবভিত্তিক পরিবর্তন সাধন করাই গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রের একমাত্র সাফল্য। সার ও মাটির কিছু পরিবর্তন ঘটিয়ে লেবুর বীজ থেকে আম ফলানো কখনই সম্ভব নয়। বিশ্ব সম্পর্কে দৃষ্টিভংগির ব্যাপক পরিবর্তন, সর্বোপরি মানুষের চরিত্র ও স্বভাবের মৌলিক পরিবর্তন সাধন এবং কর্মকৌশলের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ব্যতিরেকে সমাজতন্ত্রের মানবতাবাদী লক্ষ্যসমূহ অর্জন কখনই সম্ভব নয়।
একটি প্রকৃত সমাধানে উপনীত হবার জন্যে নতুন বৈপ্লবিক চিন্তাধারার পরিবর্তে বামপন্থী চিন্তাধারাকে ‘আমেরিকানবাদের’ ছাঁচে ফেলে দেয়া হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণবাদ বা শান্তিকামীতার মতো ইস্যুর সাথে গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রকে সম্পৃক্ত করা একটি প্রচেষ্টা নেয়া হয়েছে। যদিও এগুলোর সম্পৃক্তি অবশ্যই প্রয়োজন, তা সত্ত্বেও শুধুমাত্র এসবের অন্তর্ভুক্তিই মানুষের চাহিদাপূরণ, বৃহত্তর সমতা বা শ্রেণী বৈষম্যের অবসানকে নিশ্চিত করতে পারেনা। বুর্জোয়া দলগুলোও উৎসাহের সাথে এ ব্যবস্থাপত্র নিয়ে জনগণের সম্মুখে আসতে পারে। রায় হেটারসলে তার Economic Priorities for the Labour Government নামক সাম্প্রতিক গ্রন্থে দেখিয়েছেন যে গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রের ভিত্তি কত সংকুচিত রূপ ধারণ করেছে। লেবার পার্টির এক কনফারেন্সে ‘নেইল কিনোক’ পূর্ববর্তী এক পক্ষকালের মধ্যে রক্ষণশীল দুটো দলের উপস্থাপনার মতোই নিখুঁতভাবে ধনতন্ত্রী সামাজিক বাজারনীতির এক এজেন্ডা উপস্থাপন করেন। লেবার পার্টির নেতার মতে, উক্ত দলের লক্ষ্য হচ্ছে ‘রক্ষণশীলদের চেয়েও দক্ষতার সাথে বাজার অর্থনীতিকে পরিচালিত করা’। লেবার পার্টির প্রধান হিসেবে কিনোকের নির্বাচন কার্যত ধনতন্ত্রের আরো উত্তম ব্যবস্থাপনার প্রতি পার্টির অঙ্গীকার ব্যক্ত করে। ফলে প্রতীয়মান হয় যে, গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্র তার লক্ষ্য অর্জন ছাড়াই স্বকীয় ভাবমূর্তি হারিয়েছে।