hadith book logo

ইসলাম ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ

লেখকঃ ড. এম উমর চাপরা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৪৭

ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারী ও শেয়ারহোল্পারদের ন্যায্য পাওনা প্রদান

প্রশাসনিক খামখেয়ালীপনা ও বৃহৎ কর্পোরেট শিল্পের দুর্নীতির কারণে মুসলিম দেশে ডিপোজিটর ও শেয়ারহোল্ডারদের কম মুনাফা দেয়া হয়। ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারী ও বিনিয়োগকারীরা এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বড় প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো না কোনোভাবে তাদের মুনাফার হিস্যা আদায় করে নেয়। বড় বড় শিল্পপতি ও বণিকরা সঞ্চয়ের সিংহভাগ বিদেশে জমা রাখে। উদ্দেশ্য দেশীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন ও ট্যাক্স দেয়া হতে রেহাই পাওয়া। উপরন্তু বিদেশী পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ হতে অধিক লাভের সুযোগ গ্রহণ করা। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এসব শিল্পপতি ও বণিক সমাজ আবার অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগের জন্য দেশীয় ব্যাংক হতে অত্যন্ত সুলভ হারে বিপুল ঋণ সুবিধা লাভ করছে। ফলে বৈষম্য আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে। অবশ্য এ হতে সুদের হার বেশি রাখার পক্ষে যুক্তি দেখানো সংগত নয়। কেননা এতে বিনিয়োগ ব্যাহত হবে। বরং যুক্তিসংগত ও সমীচীন আচরণ হবে ইকুইটির মাধ্যমে পুঁজি সরবরাহের ব্যবস্থা করা এবং ব্যাংক ও অন্যান্য ঋণদানকারী সংস্থাকে শরীয়াহর আলোকে পুনর্বিন্যস্ত করা। এর ফলে ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারী ও বিনিয়োগকারীরা তাদের ন্যায্য পাওনা পাবে। সেই সাথে সম্পদের বিতরণগত দক্ষতা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে।