১
ইসলাম ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ
লেখকঃ ড. এম উমর চাপরা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪৫
অগ্রাধিকার নির্ণয়ে ব্যর্থতা
একথা বলা প্রয়োজন যে, কিনস কল্যাণ রাষ্ট্রের শুধুমাত্র একটি বিষয়ের উপরই আলোচনা করেছেন- তা হচ্ছে পূর্ণ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার বিষয়টি। এ উদ্দেশ্যে রাজনীতির মাধ্যমে কার্যকর চাহিদা বৃদ্ধিকে তিনি জোর দিয়েছেন। কিনসের এই ব্যবস্থাপত্র যেহেতু যুগপৎ মুদ্রাস্ফীতি ও মন্দার তীব্রতাকে হ্রাস করে ব্যবসায়িক চক্রের উর্ধ্বগামীতাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে, সেহেতু তার দেয়া ব্যবস্থাপত্র সঠিকভাবেই হোক বা ভুলক্রমেই হোক এ আস্থার জন্ম দিয়েছে যে, ১৯৩০ দশকের গভীর ও প্রলম্বিত মন্দা অতীতের বিষয় এবং এর আর পুনরায় আবির্ভাব হবে না।
কিনস কিন্তু সরকারি ব্যয়ের ক্ষেত্রে কোন খাতে কত বরাদ্দ করতে হবে তথা তুলনামূলক অগ্রাধিকারের বিষয়ে কোনো ব্যবস্থাপত্র রেখে যাননি। তার ব্যবস্থাপত্রে মূল প্রতিষেধক হিসেবে পূর্ণ কর্মসংস্থান অবস্থায় মোট চাহিদার পরিমাণকে একই পরিমাণে অক্ষুন্ন রাখার কথা বলা হয়েছে। প্রতিরক্ষা, ভৌত অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য বা কল্যাণ ভাতা যে কোনো খাতে খরচ বৃদ্ধি বা হ্রাস করে মোট চাহিদার পরিমাণকে অব্যাহত রাখা যেতে পারে। কিনস অগ্রাধিকারের বিষয়ে সচেতন ছিলেন না। তাঁর দৃষ্টিতে পূর্ণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে পুঁজিবাদ ব্যর্থ বলে প্রতিভাত হয়েছিল। তবে তাঁর মতে পুঁজিবাদ বিভিন্ন উৎপাদন খাতে উৎপাদন উপকরণের বণ্টন ও মানুষের সাথে আয়ের বণ্টন সমস্যার সমাধান করতে পেরেছিল। তাই দেখা যায়, কিনস পুঁজিবাদের কাঠামোয় সামান্য পরিবর্তনেই সন্তুষ্ট ছিলেন ততটুকু মাত্র যা পূর্ণ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে পারে। পূর্ণ কর্মসংস্থানে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে না এমন সব পুঁজিবাদের বৈশিষ্ট্য ও কাঠামোয় কোনো প্রকার পরিবর্তন আনয়নে কিনস বিশ্বাসী ছিলেন না।
কিনস কিন্তু সরকারি ব্যয়ের ক্ষেত্রে কোন খাতে কত বরাদ্দ করতে হবে তথা তুলনামূলক অগ্রাধিকারের বিষয়ে কোনো ব্যবস্থাপত্র রেখে যাননি। তার ব্যবস্থাপত্রে মূল প্রতিষেধক হিসেবে পূর্ণ কর্মসংস্থান অবস্থায় মোট চাহিদার পরিমাণকে একই পরিমাণে অক্ষুন্ন রাখার কথা বলা হয়েছে। প্রতিরক্ষা, ভৌত অবকাঠামো, শিক্ষা, স্বাস্থ্য বা কল্যাণ ভাতা যে কোনো খাতে খরচ বৃদ্ধি বা হ্রাস করে মোট চাহিদার পরিমাণকে অব্যাহত রাখা যেতে পারে। কিনস অগ্রাধিকারের বিষয়ে সচেতন ছিলেন না। তাঁর দৃষ্টিতে পূর্ণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে পুঁজিবাদ ব্যর্থ বলে প্রতিভাত হয়েছিল। তবে তাঁর মতে পুঁজিবাদ বিভিন্ন উৎপাদন খাতে উৎপাদন উপকরণের বণ্টন ও মানুষের সাথে আয়ের বণ্টন সমস্যার সমাধান করতে পেরেছিল। তাই দেখা যায়, কিনস পুঁজিবাদের কাঠামোয় সামান্য পরিবর্তনেই সন্তুষ্ট ছিলেন ততটুকু মাত্র যা পূর্ণ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে পারে। পূর্ণ কর্মসংস্থানে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে না এমন সব পুঁজিবাদের বৈশিষ্ট্য ও কাঠামোয় কোনো প্রকার পরিবর্তন আনয়নে কিনস বিশ্বাসী ছিলেন না।