১
ইসলাম ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ
লেখকঃ ড. এম উমর চাপরা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮৮
মুদ্রামান অবমূল্যায়ন ও বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণ
বেসরকারি ভোগ ও সরকারি ব্যয় ইতঃপূর্বে আলোচিত পদ্ধতি অনুযায়ী পুনর্গঠনপূর্বক সম্পদের চাহিদা হ্রাস করা ব্যতীত অধিকাংশ মুসলিম দেশে অব্যাহত মুদ্রার অবমূল্যায়ন প্রতিরোধ করা যাবে না। পক্ষান্তরে অধিকাংশ মুসলিম সরকার মুদ্রার বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণ (আমদানি নিয়ন্ত্রণসহ বৈদেশিক মুদ্রার উচ্চ মূল্য), উচ্চ শুল্ক ও আমদানি বিকল্প শিল্পের উন্নয়নের উপর তাদের মূল্য নির্ভরতা স্থাপন করেছে।
অভিজ্ঞতায় দেখা যায় যে, বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণ ব্যাপকভাবে অকার্যকর হয়েছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার সরকারি ও কালোবাজারী দ্বৈত বিনিময় হার সৃষ্টি হয়। মুদ্রার সরকারি মূল্যহার কৃত্রিমভাবে বৃদ্ধির ফলে আমদানি উৎসাহিত এবং রপ্তানি নিরুৎসাহিত হয়। এতে বৈদেশিক বাণিজ্যের ভারসাম্য অধিকতর খারাপ হয়, সম্পদের প্রবাহ বিকৃত হয় এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্দা দেখা দেয়। এ অবস্থা ভোক্তা ও রপ্তানিকারকগণের ত্যাগের মূল্যে আমদানিতে ভর্তুকি দেয়ার মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক অবিচারের সহায়ক হয়। কারণ ভোক্তাগণ সাধারণত আমদানিকৃত দ্রব্যের জন্য বৈদেশিক মুদ্রার সুযোগ পরিব্যয় অনুযায়ী মুল্য প্রদান করে, কিন্তু রপ্তানিকারকগণ তাদের সামগ্রীর জন্য স্বল্প মূল্য প্রাপ্ত হয়। এতে দুর্নীতি ও অদক্ষতাও বৃদ্ধি পায়। বৈদেশিক মুদ্রার বাস্তবসম্মত বিনিময় মূল্যের অনুপস্থিতিতে রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরনের বোনাস প্রদানের কর্মসূচি কেবলমাত্র অবিচার ও দুর্নীতিকেই বাড়িয়ে তোলে। এ সকল কর্মসূচির উপকার প ্রকৃত উৎপাদক পর্যন্ত পৌঁছায় না। ফলে তাদে সম্পদ বৃদ্ধি না পাওয়ায় তারা উন্নত উপকরণ ও প্রযুক্তি সংগ্রহ করতে পারে না। তাদের উৎপাদন ক্ষমতা পূর্বের মতোই নিম্নমানের থেকে যায়।
অভিজ্ঞতায় দেখা যায় যে, বিনিময় হার নিয়ন্ত্রণ ব্যাপকভাবে অকার্যকর হয়েছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার সরকারি ও কালোবাজারী দ্বৈত বিনিময় হার সৃষ্টি হয়। মুদ্রার সরকারি মূল্যহার কৃত্রিমভাবে বৃদ্ধির ফলে আমদানি উৎসাহিত এবং রপ্তানি নিরুৎসাহিত হয়। এতে বৈদেশিক বাণিজ্যের ভারসাম্য অধিকতর খারাপ হয়, সম্পদের প্রবাহ বিকৃত হয় এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্দা দেখা দেয়। এ অবস্থা ভোক্তা ও রপ্তানিকারকগণের ত্যাগের মূল্যে আমদানিতে ভর্তুকি দেয়ার মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক অবিচারের সহায়ক হয়। কারণ ভোক্তাগণ সাধারণত আমদানিকৃত দ্রব্যের জন্য বৈদেশিক মুদ্রার সুযোগ পরিব্যয় অনুযায়ী মুল্য প্রদান করে, কিন্তু রপ্তানিকারকগণ তাদের সামগ্রীর জন্য স্বল্প মূল্য প্রাপ্ত হয়। এতে দুর্নীতি ও অদক্ষতাও বৃদ্ধি পায়। বৈদেশিক মুদ্রার বাস্তবসম্মত বিনিময় মূল্যের অনুপস্থিতিতে রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরনের বোনাস প্রদানের কর্মসূচি কেবলমাত্র অবিচার ও দুর্নীতিকেই বাড়িয়ে তোলে। এ সকল কর্মসূচির উপকার প ্রকৃত উৎপাদক পর্যন্ত পৌঁছায় না। ফলে তাদে সম্পদ বৃদ্ধি না পাওয়ায় তারা উন্নত উপকরণ ও প্রযুক্তি সংগ্রহ করতে পারে না। তাদের উৎপাদন ক্ষমতা পূর্বের মতোই নিম্নমানের থেকে যায়।