১
ইসলাম ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ
লেখকঃ ড. এম উমর চাপরা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮৩
(চ) পূর্ণ কর্মসংস্থান
দরিদ্র মানুষের অবস্থা উন্নয়নের অন্যতম প্রধান উপায় কর্মসংস্থানের হার উচ্চমাত্রায় বৃদ্ধির লক্ষ্যও তিক্ততায় পর্যবসিত হয়েছে। পশ্চিমের শিল্পোন্নত দেশসমূহে বেকারত্ব পরিণত হয়েছে এক অমোচনীয় সমস্যায়। ১৯৭০ সালে ইউরোপের ওইসিডি দেশসমূহে বেকারত্বের পরিমাণ ছিল জনসংখ্যার ২.৭%। ১৯৯০ সালে বেকারত্বের পরিমাণ ৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ৮.১% এ এসে দাঁড়ায়। মধ্যবর্তী পর্যায়ে ১৯৮৬ সালে বেকারত্বে ৯.৯% এর শিখরে পৌঁছায়। নিকট ভবিষ্যতে এ হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে মনে হয় না। ১৯৬০ এর দশকের শেষের দিক থেকে সকল বড় শিল্পোন্নত দেশে Non-accelerating Inflation Rate of Unemployment (NAIRU) তীব্রভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সবচেয়ে দুশ্চিন্তার বিষয় হচ্ছে যুব সমাজের অস্বাভাবিক বেকারত্বের হার। কেননা বেকারত্ব বেকার যুবকদের আত্মসম্মানবোধকে আহত করে, ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিরাশা সৃষ্টি করে, সমাজ বিদ্বেষী করে তোলে এবং তাদের সম্ভাবনা ও ক্ষমতাকে তিলে তিলে ক্ষয় করে দেয়।
কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য কল্যাণ রাষ্ট্রের হাতে একমাত্র বড় যে হাতিয়ারটি রয়েছে তা হচ্ছে উচ্চমাত্রার প্রবৃদ্ধি অর্জন। ইউরোপে বেকারত্ব বৃদ্ধি রোধের জন্য ৩.৫% প্রকৃত প্রবৃদ্ধির হার অর্জন প্রয়োজন। কিন্তু ১৯৭৬ সাল হতে এক দশকের বেশি সময় ইউরোপের প্রবৃদ্ধির হার এ বেঞ্চমার্ক হারের কম। ১৯৭৮-৭৯ অর্থ বছরে অবস্থার কিছু উন্নতি হয়েছিল। কিন্তু মধ্যবর্তী মেয়াদের জন্য প্রত্যাশা আশাব্যঞ্জক নয়। এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্ব বৃদ্ধি রোধের জন্য ২.৫%-৩% প্রবৃদ্ধি ও প্রয়োজন। কিন্তু ১৯৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রেরর প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার হচ্ছে ১.৭%। ১৯৯১ সালে এ হার আরো কম হবে বলে মনে হচ্ছে। আবার যুক্তরাষ্ট্র যদি তার বাজেট ঘাটতি হ্রাসে অধিকতর দৃঢ় সংকল্প হয়, তবে প্রবৃদ্ধির হার আরো কমে বেকার-সমস্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটবে। নিকট ভবিষ্যতে স্বল্প প্রবৃদ্ধি পূর্ণ কর্মসংস্থান অর্জনের সম্ভাবনা খুব উজ্জ্বল নয়। এরূপ হতাশাবাদ ব্যক্ত হয়েছে লুইস ইম্মেরিজের কন্ঠে-“স্বল্প প্রবৃদ্ধির হার এবং ক্রমবর্ধমান শ্রমিক সংখ্যা- এ সমীকরণের দু’দিককে মিলিয়ে দেখলে আমরা দেখতে পাই পূর্ণ কর্মসংস্থানের লক্ষ্য পুরণ বলতে গেলে এ এক অসম্ভব আশা”।
কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য কল্যাণ রাষ্ট্রের হাতে একমাত্র বড় যে হাতিয়ারটি রয়েছে তা হচ্ছে উচ্চমাত্রার প্রবৃদ্ধি অর্জন। ইউরোপে বেকারত্ব বৃদ্ধি রোধের জন্য ৩.৫% প্রকৃত প্রবৃদ্ধির হার অর্জন প্রয়োজন। কিন্তু ১৯৭৬ সাল হতে এক দশকের বেশি সময় ইউরোপের প্রবৃদ্ধির হার এ বেঞ্চমার্ক হারের কম। ১৯৭৮-৭৯ অর্থ বছরে অবস্থার কিছু উন্নতি হয়েছিল। কিন্তু মধ্যবর্তী মেয়াদের জন্য প্রত্যাশা আশাব্যঞ্জক নয়। এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্ব বৃদ্ধি রোধের জন্য ২.৫%-৩% প্রবৃদ্ধি ও প্রয়োজন। কিন্তু ১৯৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রেরর প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার হচ্ছে ১.৭%। ১৯৯১ সালে এ হার আরো কম হবে বলে মনে হচ্ছে। আবার যুক্তরাষ্ট্র যদি তার বাজেট ঘাটতি হ্রাসে অধিকতর দৃঢ় সংকল্প হয়, তবে প্রবৃদ্ধির হার আরো কমে বেকার-সমস্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটবে। নিকট ভবিষ্যতে স্বল্প প্রবৃদ্ধি পূর্ণ কর্মসংস্থান অর্জনের সম্ভাবনা খুব উজ্জ্বল নয়। এরূপ হতাশাবাদ ব্যক্ত হয়েছে লুইস ইম্মেরিজের কন্ঠে-“স্বল্প প্রবৃদ্ধির হার এবং ক্রমবর্ধমান শ্রমিক সংখ্যা- এ সমীকরণের দু’দিককে মিলিয়ে দেখলে আমরা দেখতে পাই পূর্ণ কর্মসংস্থানের লক্ষ্য পুরণ বলতে গেলে এ এক অসম্ভব আশা”।