১
ইসলাম ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ
লেখকঃ ড. এম উমর চাপরা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২২
২. সম্মানজনক উপার্জনের উৎস
খলিফার পদবীর সঙ্গে যে মর্যাদা সংযুক্ত করা হয় তার অর্থ হচ্ছে, চাহিদা পূরণ অবশ্যই প্রত্যেকের নিজের চেষ্টায় হতে হবে। সে অনুযায়ী আইনশাস্ত্রবিদগণ নিজের ও নিজের পরিবারের ভরণপোষণের জন্য উপার্জন করাকে প্রত্যেক মুসলমানের ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালন ব্যতিরেকে কোনো মুসলমান এমনকি ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের জন্যও তার দৈহিক ও মানসিক পর্যাপ্ত সুস্থতা ও দক্ষতা রক্ষা করে চলতে পারে না। যেহেতু কোনো মুসলমান কর্মসংস্থান বা আত্ম-কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকলে সততার সঙ্গে উপার্জনের দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম নাও হতে পারে, সেহেতু এ সিদ্ধান্তে আসা যেতে পারে যে, যোগ্যতা ও উদ্যোগের সঙ্গে সংগতি রেখে প্রত্যেকের জন্য সৎ উপার্জনের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা মুসলিম সমাজের সামষ্টিক দায়িত্ব।
তা সত্ত্বেও কিছু লোক অবশ্যই থাকবে, যারা কোনো শারীরিক অবমতার কারণে নিজস্ব উদ্যোগে আয় করতে সক্ষম হবে না। এ ধরনের লোক যাতে কোনোরকম উপহাস বা পাল্টা অভিযোগের শিকার না হয়ে নিজেদের চাহিদা পুরণ করতে পারে, সে জন্যে তাদেরকে সাহায্য করা মুসলিম উম্মহার সামষ্টিক দায়িত্ব (ফরজে কিফায়া)। একটি গভীর বন্ধন ও ভ্রাতৃত্ববোধে আবদ্ধ মুসলিম উম্মাহর এ যৌথ দায়িত্ব পালনের ভার প্রথমে পড়বে পরিবার, বন্ধুবান্ধব, প্রতিবেশী ও আওকাফ বা মানবহিতৈষী সংগঠনগুলোর উপর। এ সমস্ত লোক বা সংস্থা যখন তা করতে সক্ষম হবে না, কেবলমাত্র তখনই রাষ্ট্র সে দায়িত্ব গ্রহণ করবে। এসব কর্মসূচির চূড়ান্ত লক্ষ্য হবে, এভাবে সাহায্যপ্রাপ্ত লোকেরা যাতে বেশি আয়ের মাধ্যমে নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারে তাতে সাহায্যে করা। তবে যতক্ষণ বাস্তবে রূপ না নিচ্ছে, ততক্ষণ এ ধরনের সম্পূরক আয়ের সাহায্য অবশ্যই থাকতে হবে। ইসলামে এ উদ্দেশ্যে বাধ্যতামূলক যাকাত (উশরসহ) এবং সাদাকা ও আওকাফের আকারে স্বেচ্ছাভিত্তিক দানের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান প্রাপ্তির একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা রয়েছে। সরকারের এখাতে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ রাখা উচিত।
তা সত্ত্বেও কিছু লোক অবশ্যই থাকবে, যারা কোনো শারীরিক অবমতার কারণে নিজস্ব উদ্যোগে আয় করতে সক্ষম হবে না। এ ধরনের লোক যাতে কোনোরকম উপহাস বা পাল্টা অভিযোগের শিকার না হয়ে নিজেদের চাহিদা পুরণ করতে পারে, সে জন্যে তাদেরকে সাহায্য করা মুসলিম উম্মহার সামষ্টিক দায়িত্ব (ফরজে কিফায়া)। একটি গভীর বন্ধন ও ভ্রাতৃত্ববোধে আবদ্ধ মুসলিম উম্মাহর এ যৌথ দায়িত্ব পালনের ভার প্রথমে পড়বে পরিবার, বন্ধুবান্ধব, প্রতিবেশী ও আওকাফ বা মানবহিতৈষী সংগঠনগুলোর উপর। এ সমস্ত লোক বা সংস্থা যখন তা করতে সক্ষম হবে না, কেবলমাত্র তখনই রাষ্ট্র সে দায়িত্ব গ্রহণ করবে। এসব কর্মসূচির চূড়ান্ত লক্ষ্য হবে, এভাবে সাহায্যপ্রাপ্ত লোকেরা যাতে বেশি আয়ের মাধ্যমে নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে পারে তাতে সাহায্যে করা। তবে যতক্ষণ বাস্তবে রূপ না নিচ্ছে, ততক্ষণ এ ধরনের সম্পূরক আয়ের সাহায্য অবশ্যই থাকতে হবে। ইসলামে এ উদ্দেশ্যে বাধ্যতামূলক যাকাত (উশরসহ) এবং সাদাকা ও আওকাফের আকারে স্বেচ্ছাভিত্তিক দানের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় অর্থের যোগান প্রাপ্তির একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা রয়েছে। সরকারের এখাতে সম্ভাব্য সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ রাখা উচিত।