১
ইসলাম ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ
লেখকঃ ড. এম উমর চাপরা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৮৭
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা থেকে আকস্মিক সরকারি নীতি পরিবর্তনের ভীতি সৃষ্টি হয়, যার ফলে উদ্যোক্তাকে গুটিয়ে ফেলার ক্ষতি স্বীকার করতে হতে পারে। এ অনিশ্চয়তার কারণ হলোঃ গণতান্ত্রিক পদ্ধতির অনুপস্থিতি এবং বিভিন্নমুখী কায়েমী স্বার্থ ও আন্তর্জাতিক ক্ষমতার রাজনীতির সাথে তাল মিলিয়ে শাসক শ্রেণীর পুঁজিবাদ বা সমাজতন্ত্রের প্রতি আনুগত্য পরিবর্তন। পরিবর্তশীল আনুগত্য রাজনীতিতে বিশৃঙ্খল অবস্থায় জন্ম দেয় এবং সুবির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণে বাধার সৃষ্টি করে। ইসলামের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্য নির্ধারণ করা সম্ভব হবে স্থিতিশীলতার দৃঢ় ভিত্তি রচিত হবে।
ইসলামী শরীয়তে সম্পদে মালিকানার অধিকার ও সীমা সম্পর্কে পরিষ্কার নির্দেশনা রয়েছে। এগুলোকে বৈধভাবে কার্যকর করলে বিনিয়োগকারীদের মন থেকে সম্পদের নির্বিচার আটক ও রাষ্ট্রীয়করণের ভীতি দূর হবে। মহানবী (ﷺ) তাঁর বিদায় হজের ভাষণে ঘোষণা করেন, “তোমাদের জীবন ও তোমাদের সম্পত্তি আজকের হজ্জের দিনের মতোই পবিত্র”। এর অনুসরণে আইনবিদগণ সর্বসম্মতভাবে রাষ্ট্র কর্তৃক সম্পত্তির যথেচ্ছা বাজেয়াপ্তকরণ ও রাষ্ট্রীয়করণের ধারণার বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন। আবু ইউসুফ এ রায়কে সংক্ষিপ্তভাবে আইনের ভাষঅয় বলেছেন, “প্রতিষ্ঠিত ও জ্ঞাত অধিকার ব্যতীত কোনোশাসকের কোনো কিছুর স্বত্ত্ব বিলোপ করার অধিকার নাই”। এমনকি কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি রাষ্ট্রীয়করণ বা জনগণের ব্যবহারের জন্য প্রয়োজন হলেও সে ক্ষেত্রে আইনগত নীতি অনুসারে শরীয়াহ ন্যায়সংগত ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দেয়। আইনের সূত্রটি হলো, “জনগণের প্রয়োজন কোনো ব্যক্তিগত অধিকারকে রহিত করে না।”।
কোন্ কোন্ কেবলমাত্র রাষ্ট্রয়ত্ব প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেয়া হবে এবং কোন্ কোন্ খাতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্বাধীনভাবে কাজ করবে, সেসব বিষয়ে আইনগতভাবে শ্রেণীবিন্যাস করতে শরীয়াহর সুস্পষ্ট নির্দেশ অনুসারে মুসলিম দেশসমূহের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। এরূপ শ্রেণীবিন্যাস ও ন্যায়সংগত ক্ষতিপূরণ প্রদানের ব্যবস্থা সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে স্বেচ্ছাচারী নীতি পরিবর্তনের সম্ভাবনাকে নূন্যতম পর্যায়ে নিয়ে আসবে। সুদ নিষিদ্ধ হওয়ায় এবং কর ও শেয়ার বিক্রয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ব প্রতিষ্ঠানের জন্য পর্যাপ্ত অর্থায়নে সরকারের অসামর্থ্যের কারণে এ সকল প্রতিষ্ঠানকে যে কেনোভাবে ন্যূনতম মাত্রায় রাখতে হবে। একবার শরীয়াহর ভিত্তিতে এরূপ নিরপত্তা দেশের সংবিধান ও আইন কাঠামোতে অন্তর্ভুক্ত করা হলে যে কোনো সরকারের জন্য তার অভ্যন্তরীণ জনপ্রিয়তা ও আন্তর্জাতিক অবস্থানের কারণে এগুলোকে অবজ্ঞা করা কঠিন হবে।
ইসলামী শরীয়তে সম্পদে মালিকানার অধিকার ও সীমা সম্পর্কে পরিষ্কার নির্দেশনা রয়েছে। এগুলোকে বৈধভাবে কার্যকর করলে বিনিয়োগকারীদের মন থেকে সম্পদের নির্বিচার আটক ও রাষ্ট্রীয়করণের ভীতি দূর হবে। মহানবী (ﷺ) তাঁর বিদায় হজের ভাষণে ঘোষণা করেন, “তোমাদের জীবন ও তোমাদের সম্পত্তি আজকের হজ্জের দিনের মতোই পবিত্র”। এর অনুসরণে আইনবিদগণ সর্বসম্মতভাবে রাষ্ট্র কর্তৃক সম্পত্তির যথেচ্ছা বাজেয়াপ্তকরণ ও রাষ্ট্রীয়করণের ধারণার বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন। আবু ইউসুফ এ রায়কে সংক্ষিপ্তভাবে আইনের ভাষঅয় বলেছেন, “প্রতিষ্ঠিত ও জ্ঞাত অধিকার ব্যতীত কোনোশাসকের কোনো কিছুর স্বত্ত্ব বিলোপ করার অধিকার নাই”। এমনকি কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি রাষ্ট্রীয়করণ বা জনগণের ব্যবহারের জন্য প্রয়োজন হলেও সে ক্ষেত্রে আইনগত নীতি অনুসারে শরীয়াহ ন্যায়সংগত ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দেয়। আইনের সূত্রটি হলো, “জনগণের প্রয়োজন কোনো ব্যক্তিগত অধিকারকে রহিত করে না।”।
কোন্ কোন্ কেবলমাত্র রাষ্ট্রয়ত্ব প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেয়া হবে এবং কোন্ কোন্ খাতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্বাধীনভাবে কাজ করবে, সেসব বিষয়ে আইনগতভাবে শ্রেণীবিন্যাস করতে শরীয়াহর সুস্পষ্ট নির্দেশ অনুসারে মুসলিম দেশসমূহের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। এরূপ শ্রেণীবিন্যাস ও ন্যায়সংগত ক্ষতিপূরণ প্রদানের ব্যবস্থা সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে স্বেচ্ছাচারী নীতি পরিবর্তনের সম্ভাবনাকে নূন্যতম পর্যায়ে নিয়ে আসবে। সুদ নিষিদ্ধ হওয়ায় এবং কর ও শেয়ার বিক্রয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ব প্রতিষ্ঠানের জন্য পর্যাপ্ত অর্থায়নে সরকারের অসামর্থ্যের কারণে এ সকল প্রতিষ্ঠানকে যে কেনোভাবে ন্যূনতম মাত্রায় রাখতে হবে। একবার শরীয়াহর ভিত্তিতে এরূপ নিরপত্তা দেশের সংবিধান ও আইন কাঠামোতে অন্তর্ভুক্ত করা হলে যে কোনো সরকারের জন্য তার অভ্যন্তরীণ জনপ্রিয়তা ও আন্তর্জাতিক অবস্থানের কারণে এগুলোকে অবজ্ঞা করা কঠিন হবে।