১
ইসলাম ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ
লেখকঃ ড. এম উমর চাপরা • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪৮
উৎপাদক, রপ্তানিকারক ও ভোক্তাদের প্রতি ন্যায়বিচার
বৈদেশিক মুদ্রার বাস্তবতাবর্জিত বিনিময় হার ও দ্রব্য মূল্যের অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ উৎপাদক ও রপ্তানিকারকদের ক্ষতিগ্রস্ত করে। উচ্চ ট্যারিফ জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে ভোক্তাশ্রেণীর দুর্ভোগ সৃষ্টি করে। এসব ব্যবস্থা সাধারণ মানুষ ও দেশের উন্নয়নের স্বার্থে গৃহীত হয় মর্মে প্রচারণ চালানো হয়। এ প্রচারণা আসলে প্রহসন। বস্তুত এসব যুক্তির কোনো সারবত্তা নেই। এসব ব্যবস্থা প্রকৃতপক্ষে ধনিক ও ক্ষমতাশালীদের কায়েমী স্বার্থকে রক্ষা করে। এ স্বার্থবাদী মহল দুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বাস্তবানুগ নীতি গ্রহণ, মৌলিক চাহিদা অনুযায়ী জিনিসের সরবরাহ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সমপ্রসারণ নীতি গ্রহণে সরকারকে বাধাগ্রস্ত করে।
যে কর্মসূচি সাধারণ মানুষের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে গুটিকয়েক মানুষের সম্পদের স্পীতি ঘটায়, শরীয়াহর আলোকে তা সমর্থনযোগ্য নয়। গরীব জনসাধারণের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যেমন, যাকাত ও অনুরূপ তহবিল হতে রিলিফ সাহায্য প্রদান, মৌলিক দ্রব্যসামগ্রী উৎপাদন উৎসাহিত করার জন্য উৎপাদককে সুযোগ-সুবিধা প্রদান, সাধারণ মানুষের আয় বৃদ্ধি ও নানা সুযোগের সমপ্রসারণ।
যে কর্মসূচি সাধারণ মানুষের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে গুটিকয়েক মানুষের সম্পদের স্পীতি ঘটায়, শরীয়াহর আলোকে তা সমর্থনযোগ্য নয়। গরীব জনসাধারণের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যেমন, যাকাত ও অনুরূপ তহবিল হতে রিলিফ সাহায্য প্রদান, মৌলিক দ্রব্যসামগ্রী উৎপাদন উৎসাহিত করার জন্য উৎপাদককে সুযোগ-সুবিধা প্রদান, সাধারণ মানুষের আয় বৃদ্ধি ও নানা সুযোগের সমপ্রসারণ।