hadith book logo
১

অতি গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় প্রশ্নোত্তর

আল্লামা শাইখ আব্দুর রহমান ইবন নাসির ইবন সা‘দী আত-তামীমী আন-নাজদী আল-হাম্বলী
২

আকীদাহ্ সম্পর্কিত কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মাস’আলাহ্

শাইখ মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ খান মাদানী, শাইখ মুহাম্মাদ আবদুন নূর মাদানী
৩

আক্বীদা ইসলামিয়াহ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৪

আক্বীদা ও আমলের সংস্কার

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৫

আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল গুরুত্ব ও তাৎপর্য

আব্দুল্লাহ শহীদ আবদুর রহমান
৬

আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের আকীদার সংক্ষিপ্ত মূলনীতি

ড. নাসের ইবন আবদুল করীম আল-আকল
৭

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদা

শাইখ মুহাম্মাদ আস-সালেহ আল-উসাইমীন
৮

ইমাম ত্বহাবী লিখিত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদা

ইমাম আবু জা‘ফর আহমাদ আত-ত্বহাবী রহ.
৯

ইসলাম প্রচারক ভাই! প্রথমে তাওহীদের দাওয়াত দিন

শাইখ মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী রহ.
১০

ইসলাম ভঙ্গের ১০টি কারণ

মোহাম্মদ ইমাম হুসাইন কামরুল
১১

ইসলামি আকিদা ও মানবপ্রকৃতি

সানাউল্লাহ নজির আহমাদ
১২

ইসলামি আকিদার বৈশিষ্ট্যসমূহ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
১৩

ইসলামী আকীদা বিষয়ক কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মাসয়ালা

শায়খ মুহাম্মাদ জামীল যাইনু
১৪

ইসলামের মৌলিক নীতিমালা

ড. মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন সালেহ আস-সুহাইম
১৫

ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা

কতিপয় ছাত্র
১৬

ঈমান বুনিয়াদ ও পরিণতি

কামাল উদ্দীন মোল্লা
১৭

ঈমান-ইসলামের মূলভিত্তি ও ইসলামী আকীদা বিশ্বাস

মুহাম্মাদ বিন জামীল যাইনূ
১৮

ঈমানের প্রকৃত স্বাদ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১৯

ঈমানের মূলনীতিসমূহের ব্যাখ্যা

মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উছাইমীন
২০

ঈমানের মৌলিক নীতিমালা সংক্রান্ত মণিমুক্তা

ড. মুহাম্মাদ ইয়োসরী
২১

ঈমানের রুকনসমূহ

ইলমী গবেষণা ডীনশীপ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মদিনা মুনাওয়ারা
২২

ঈমানের স্বচ্ছ ধারণা

আমির জামান, নাজমা জামান
২৩

কতিপয় দীনী বিষয় যা একজন মুসলিমের জানা প্রয়োজন

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
২৪

কালেমা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এর অর্থ, শর্তসমূহ এবং ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে তার প্রভাব

শায়খ সালেহ ইবন ফাওযান আলে-ফাওযান
২৫

কালেমা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’

শাইখ আবদুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ ইবন বায
২৬

কালেমা শাহাদাত

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
২৭

কালেমার মর্মকথা

মুহাম্মদ মতিউল ইসলাম বিন আলী আ‏হমাদ
২৮

কাশ্‌ফুশ্‌ শুবহাত (সংশয় নিরসন)

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহ্‌হাব রহ.
২৯

কুরআন ও সহীহ হাদীছের আলোকে ২শতাধিক প্রশ্নোত্তর সহ নাজাত প্রাপ্ত দলের আকীদাহ

হাফেয বিন আহমাদ আল-হাকামী
৩০

কুরআন ও হাদীসের আলোকে সহজ আকীদা

ড. আহমাদ ইবন আব্দুর রহমান আল-কাযী
৩১

চার ইমামের আকীদাহ - মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান

মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান
৩২

চার ইমামের আকীদাহ

একদল অভিজ্ঞ আলেম
৩৩

তওহীদের তত্ত্বকথা

সানাউল্লাহ বিন নজির আহমদ
৩৪

তাওহীদ ও আকাইদ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ, কামালুদ্দিন মোল্লা, ইকবাল হোসাইন মাসুম
৩৫

তাওহীদ ও তার প্রমাণাদি আকীদার ব্যাপারে ৫০টি প্রশ্নোত্তর

শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব রহ.
৩৬

তাওহীদ পরিচিতি

ড. সালিহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
৩৭

তাওহীদ পুনরুদ্ধার

আবদুল্লাহ্‌ আল কাফী
৩৮

তাওহীদ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩৯

তাওহীদের কালেমা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ [এর ফযীলত, অর্থ, শর্ত ও পরিপন্থী বিষয়]

শাইখ ড. আব্দুর রাযযাক ইবন আব্দুল মুহসিন আল-বদর
৪০

তাওহীদের কিশতী

ডঃ মুহাম্মাদ বিন আবদুর রহমান আল উরাইফী
৪১

তাওহীদের বিশ্বাস

মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওহহাব
৪২

তাওহীদের মর্মকথা

আব্দুর রহমান বিন নাসের সাদী
৪৩

তাওহীদের হাকীকত

কাউসার বিন খালিদ
৪৪

তাক্বদীরঃ আল্লাহ্‌র এক গোপন রহস্য

আব্দুল আলীম ইব্‌ন কাওসার
৪৫

তিনটি মূলনীতি ও তার প্রমাণপঞ্জি

মুহাম্মাদ ইবন আবদুল ওয়াহহাব রহ.
৪৬

তোমার রব কে

মুহাম্মাদ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মদ আল-আম্মারী
৪৭

দু’টি সাক্ষী (লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ ওয়া মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ) এর অর্থ ও তাদের প্রত্যেকের জরুরী বিষয়

মাননীয় শাইখ আল্লামা আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুর রাহমান ইবন জিবরীন
৪৮

প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য যা জানা একান্ত কর্তব্য

শাইখ আব্দুল্লাহ ইবন ইবরাহীম আল-কার‘আওয়ী
৪৯

প্রশ্নোত্তরে তাওহীদ

ড. ইবরাহীম ইবন সালেহ আল-খুদ্বায়রী
৫০

প্রশ্নোত্তরে সহজ তাওহীদ শিক্ষা চার ইমামের আক্বীদা অবলম্বনে

বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম
৫১

প্রাথমিক তাওহীদ শিক্ষা

ডঃ আব্দুল আযীয বিন মুহাম্মাদ
৫২

ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম-১ ঈমান

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৫৩

ফিরক্বা নাজিয়াহ

ফিরক্বা নাজিয়াহ
৫৪

মহা উপদেশ (‘আদী ইবন মুসাফিরের অনুসারীদের এর কাছে লেখা চিঠি)

শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন তাইমিয়্যাহ
৫৫

মানব জীবনে ইসলামি আকিদার প্রভাব

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৫৬

যা না জানলেই নয়

নোমান বিন আবুল বাশার
৫৭

যেসব কারণে ঈমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৫৮

শাশ্বত জীবন ব্যবস্থা (হক দীন)

আশ-শাইখ আবদুর রহমান ইবন হাম্মাদ আ-লে উমার
৫৯

শিয়া আকীদা সম্পর্কে ইবন তাইমিয়্যার মিনহাজুস সুন্নাহ থেকে নির্বাচিত কিছু কথা

শরীফ ইবন ‘আলী আর-রাজেহী
৬০

সঠিক আকীদা-বিশ্বাস ও যা এর পরিপন্থী

শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায
৬১

সঠিক ইসলামী মতবাদ [আর-রিসালাতুশ শামিয়্যাহ]

আব্দুল আযীয ইবন মারযূক আত-ত্বারীফী
৬২

সমাজ সংস্কারে সঠিক আকীদার গুরুত্ব

ড. মোহাম্মাদ মানজুরে ইলাহী
৬৩

সহীহ হাদীস সম্বলিত অহী ও ঈমান বিশ্বকোষ

দ্বিয়াউর রহমান আব্দুল্লাহ আল-আ‘যামী
৬৪

সাহাবাদের ব্যাপারে আহলে সুন্নত ওয়াল-জামাতের আকিদা

মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-অহাইবি
৬৫

সাহাবায়ে কেরামের অবস্থান ও মর্যাদার বিষয়ে আহলে সুন্নাতের আকীদা-বিশ্বাস

ড. মো: আমিনুল ইসলাম
৬৬

অপরাধমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে সাওমের ভূমিকা

মুহাম্মাদ শাহিদুল ইসলাম
৬৭

আপনার সন্তানকে সালাতের নির্দেশ দিন

আলী হাসান তৈয়ব
৬৮

আসরের সলাতের সঠিক ওয়াক্ত

কামাল আহমাদ
৬৯

কসর ও জমা করে সালাত আদায় সম্পর্কে কিছু বিধান

আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
৭০

কিতাবুস্ সালাত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৭১

কিয়ামুল লাইলের সমপরিমাণ সওয়াব

ড. মুহাম্মাদ ইব্‌ন ইবরাহিম আন-নাইম
৭২

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে জামা‘আতে সালাত আদায় [বিধান, ফযীলত, ফায়েদা ও নিয়ম-কানূন]

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
৭৩

কুরআন ও সুন্নাহ’র আলোকে রাতের সালাত

ড. সাঈদ ইবন আলী ইবন ওয়াহফ আল-কাহতানী
৭৪

ছহীহ্‌ সুন্নাহ্‌র আলোকে বিতর নামায

মুহা: আবদুল্লাহ্‌ আল কাফী
৭৫

জানাযার কিছু বিধান

শিহাবউদ্দিন হোসাইন
৭৬

জামা‌‘আতের সাথে নামায আদায় কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তার তাৎপর্য, ফযীলত, আহকাম, উপকারিতা ও আদাবসমূহ

ড. সায়ীদ ইবন আলী ইবন ওয়াহফ আল্ ক্বাহতানি
৭৭

জামাআতে নামাযের চল্লিশটি উপকারিতা

জাহিদুল ইসলাম
৭৮

নবী ﷺ এর সালাত আদায়ের পদ্ধতি

আব্দুল আযীয ইবন ‌আব্দুল্লাহ ইবন বায
৭৯

নামাযে আমরা কীভাবে দু‘আ করব

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৮০

পকেট সালাত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৮১

পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর সম্মিলিত মুনাজাত

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৮২

ফজরের সালাত ও কিয়ামুল লাইলের জন্য সহায়ক উপকরণ

ড. রুকাইয়্যাহ বিনতে মুহাম্মদ আল-মাহারিব
৮৩

বেনামাযীর পরিণতি

মোঃ আবদুর রহমান
৮৪

মন দিয়ে নামায পড়ার উপায়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৮৫

মহা নাবীর সর্ব শেষ ওসিয়ত আস-সালাত, আস-সালাত

নূর মুহাম্মদ বদীউর রহমান
৮৬

রোযা বা সাওম

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৮৭

সাজদা থেকে (বসার পর) উঠার পদ্ধতি

মুহাম্মাদ আলী খাসখিলি
৮৮

সালাত আদায়ের জন্য আসো

খালেদ আবূ সালেহ
৮৯

সালাত আদায়ের পদ্ধতি

ড. সায়িদ ইবন আলী ইবন ওহাফ আল-কাহতানী
৯০

সালাত ও পবিত্রতা সম্পর্কে কয়েকটি বিশেষ প্রবন্ধ

আল্লামা শায়খ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায ও শায়খ মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৯১

সালাত ত্যাগকারীর বিধান

আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায রহ. ও মুহাম্মদ বিন সালেহ আল ওসাইমীন রহ.
৯২

সালাত বর্জনকারীর বিধান

মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন
৯৩

সালাত শিক্ষা

ড. আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ আলী আয-যাইদ
৯৪

সালাতুল আউওয়াবীন

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
৯৫

সালাতে একাগ্রতা অর্জনের ৩৩টি উপায়

শাইখ মুহাম্মাদ সালিহ আল-মুনাজ্জিদ
৯৬

সালাতে বিনয়ী হওয়ার তেত্রিশ উপায়

মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জেদ
৯৭

সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের সমাধান

আশরাফুল ইসলাম
৯৮

সালাতের গুরুত্ব ও ফযীলত

শাইখ আব্দুল্লাহ ইবন সা‘দ ইবন ইবরাহীম আল-ফালেহ
৯৯

সালাতের শেষ বৈঠকে বসার পদ্ধতি

কামাল আহমাদ
১০০

সালাতের সময়সূচি

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
১০১

আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যাকাতের ভূমিকা

মোঃ এনামুল হক
১০২

ঈদুল ফিতর ও যাকাতুল ফিতর এর সংক্ষিপ্ত বিধি বিধান

গবেষণা বিভাগ, ‘দুরারুস সানিয়্যা ফাউণ্ডেশন’
১০৩

কুরআন ও সহীহ হাদীসে আলোকে সদকা-খয়রাত

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
১০৪

জাকাতের গুরুত্ব, ফজিলত ও ব্যয়ের খাতসমূহ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১০৫

দানে বাড়ে সম্পদ, বৃদ্ধি পায় মর্যাদা

কামাল উদ্দিন মোল্লা
১০৬

দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা

ইকবাল হুসাইন মাসুম
১০৭

ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম-৩ যাকাত

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
১০৮

ব্যবসায়িক পণ্যের যাকাত

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
১০৯

যাকাত ও সাওম বিষয়ক দু’টি পুস্তিকা

শাইখ আব্দুল আযীয আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
১১০

সিয়াম ও যাকাত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১১১

আল-কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে রামাদান মাসে একজন মুমিনের দায়িত্ব ও কর্তব্য

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
১১২

ই‘তিকাফ তাৎপর্য, উদ্দেশ্য ও বিধান

মুহাম্মদ আকতারুজ্জামান
১১৩

ইবন রজব আল-হাম্বলী রহ. এর ‘লাতায়িফুল মা‘আরিফ’ অবলম্বনে রমযানের দায়িত্ব-কর্তব্য

শাইখ যাইনুদ্দীন আব্দুর রহমান ইবন রজব আল-হাম্বলী রহ.
১১৪

ঈদের তাৎপর্য, করণীয় ও বর্জনীয়

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১১৫

কাদের রোযা কবুল হয়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১১৬

কীভাবে স্বাগত জানাব মাহে রমযানকে

আব্দুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আস-সুদাইস
১১৭

চাঁদ দেখা ও সন্দেহের দিন রোজা রাখা প্রসঙ্গে শরীয়তের বিধান

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১১৮

পবিত্র রমাদান মাসে আমাদের করণীয়

আব্দুল্লাহ আল-মামুন আল-আযহারী
১১৯

প্রশ্নোত্তরে রমযান ও ঈদ

অধ্যাপক মোঃ নূরুল ইসলাম
১২০

ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম-৪ সাওম

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
১২১

বিদায় মাহে রমযান...কিছু ভাবনা...

ইকবাল হুছাইন মাছুম
১২২

বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ে সাওম

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
১২৩

মুমিনদের জন্য মাহে রমজানের হাদিয়া

শায়খ সালেহ বিন ফাওযান আল ফাওযান
১২৪

রমজান ও পরবর্তী সময়ে করণীয়

আবুল কালাম আজাদ
১২৫

রমজানের ফজিলত ও তাৎপর্য

আবদুল বারী আস-সুবায়তী
১২৬

রমযান মাসের ৩০ আসর

শায়খ মুহাম্মদ ইবন সালেহ ইবন উসাইমীন রহ.
১২৭

রমযান মাসের ঐতিহাসিক ঘটনাবলী ও এর কিছু শিক্ষা

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
১২৮

রমযানের বিষয়ভিত্তিক হাদীস শিক্ষা ও মাসায়েল

ইবরাহীম ইবন মুহাম্মাদ আল-হাকীল
১২৯

রমাদান মাসের ৩০ আমল

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
১৩০

রাসূল যেভাবে রমজান যাপন করেছেন

ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী
১৩১

রোজাদার বোনদের প্রতি

আব্দুল মালেক আল কাসেম
১৩২

রোজার আদব

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৩৩

রোযার ফযীলত ও শিক্ষা আমাদের করণীয়

মোঃ আব্দুল কাদের
১৩৪

সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
১৩৫

সাওম বিষয়ক আধুনিক কিছু মাসআলা

ফিকহী গবেষণা সেন্টার, আল-ইমাম ইউনিভার্সিটি
১৩৬

সিয়াম ও রমজান শিক্ষা-তাৎপর্য-মাসায়েল

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৩৭

সিয়াম বিষয়ক নির্বাচিত ফাতাওয়া

ইসলাম কিউ. এ
১৩৮

সিয়াম, তারাবীহ ও যাকাত বিষয়ে কয়েকটি অধ্যায়

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
১৩৯

আকীকা এবং এ সংক্রান্ত কিছু বিধান

আলী হাসান তৈয়ব
১৪০

আপনার হজ ও শ্রম কবুল হোক; কিন্তু…হজের পর করণীয় কী

গবেষণা বিভাগ, দারু ইব্‌ন খুযাইমাহ
১৪১

ইখলাসের অপরিহার্যতা ও হজ কবূলে তার প্রভাব

ড. সালেহ ইবন আবদুল আযীয সিন্দী
১৪২

ইহরাম-এর শিক্ষা

মীর মন্জুর মাহমূদ
১৪৩

উমরা আদায়ের পদ্ধতি

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
১৪৪

কুরবানী ফযীলত ও আমল

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
১৪৫

কুরবানীর ইতিহাস, উদ্দেশ্য ও কতিপয় বিধান

ড. মোঃ আবদুল কাদের
১৪৬

কোরবানি তাৎপর্য ও আহকাম

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৪৭

জিলহজের প্রথম দশ দিনঃ তৎপর্য ও ফজিলত

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৪৮

জিলহজের প্রথম দশ দিনের ফযীলত এবং ঈদ ও কুরবানীর বিধান

আব্দুল মালেক আল-কাসেম
১৪৯

নবী ﷺ যেভাবে হজ করেছেন (জাবের রা. যেমন বর্ণনা করেছেন)

শাইখ মুহাম্মাদ নাসেরুদ্দীন আল-আলবানী – রাহেমাহুল্লাহ –
১৫০

ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম-৫ হজ

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
১৫১

বিদায় হজের খুতবা কিছু আলোকপাত

আলী হাসান তৈয়ব
১৫২

মাবরুর হজ

মুহাম্মদ ইবন জামীল যাইনু
১৫৩

মাসায়েলে কুরবাণী ও আক্বীক্বা

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
১৫৪

মীকাত ও এহরাম বিষয়ক মাসায়েল

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
১৫৫

যিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন, ঈদ, কুরবানি ও আইয়ামে তাশরীকের দিনসমূহ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১৫৬

যিলহজ, ঈদ ও কোরবানি

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৫৭

যিলহজের প্রথম দশক ফযীলত ও আমল

আলী হাসান তৈয়ব
১৫৮

সংক্ষিপ্ত হজ, উমরা ও যিয়ারত গাইড

ড. মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক, মাওলানা মুহাম্মদ আখতারুজ্জামান
১৫৯

সংক্ষিপ্ত হজ, উমরা ও যিয়ারত

নু‘মান আবুল বাশার
১৬০

সহজ হজ্জ ও ওমরাহ্‌ নির্দেশিকা

শাইখ আখতারুল আমান
১৬১

হজ ও কুরবানীর বিকল্পের নসীহত এক অসঙ্গত দাবী

আলী হাসান তৈয়ব
১৬২

হজ কিভাবে মাবরূর হবে

নুমান বিন আবুল বাশার
১৬৩

হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নান্দনিক আচরণ

ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী
১৬৪

হজ, উমরা ও যিয়ারত গাইড

ড. মনজুরে এলাহী, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান, নোমান আবুল বাশার কাউসার বিন খালেদ, ইকবাল হোসাইন মাসুম, আবুল কালাম আজাদ, জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের, মুহাম্মদ আখতারুজ্জামান
১৬৫

হজ, উমরাহ ও যিয়ারতের পদ্ধতি [মাসনূন দো‘আসহ]

হাজী ও উমরাকারীদের হাদিয়া অফিসস্থ ইসলামী গবেষণা পরিষদ, মক্কা
১৬৬

হজ-উমরার ফাযাইল ও উপকারিতা

আলী হাসান তৈয়ব
১৬৭

হজকর্মসমূহের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
১৬৮

হজে প্রদত্ত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ফাতাওয়া

সাঈদ আব্দুল কাদির বাশানফার
১৬৯

হজের পরে

মুহাম্মাদ আব্দুর রব আফ্‌ফান
১৭০

হজের সাথে সংশ্লিষ্ট আকীদাগত ভুল-ভ্রান্তিসমূহ

ড. আহমাদ ইবন উসমান আল-মাযইয়াদ
১৭১

হজের সুবাসিত সুরভি

শাইখ ড. সালেহ ইবন মুহাম্মদ আলে তালেব
১৭২

হজ্জ ও উমরাহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

শাইখ মুহাম্মদ সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
১৭৩

হজ্জ ও ওমরাহ

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
১৭৪

হজ্জের মর্মার্থ ও শিক্ষা

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
১৭৫

আমি তাওবা করতে চাই

মুহাম্মদ বিন সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
১৭৬

আল-কোরআন ও সুন্নাহ হতে সংকলিত শরীয়তসম্মত উপায়ে ঝাড়-ফুঁক

আবদুল্লাহ ইবন আব্দুর রহমান আল-জিবরীন রহ.
১৭৭

আল্লাহর নৈকট্য লাভের অনন্য উপায় তাওবা

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
১৭৮

আসুন গান-বাজনা থেকে তাওবা করি

আলী হাসান তৈয়ব
১৭৯

কান্নার ফযীলত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১৮০

কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তাওবা ও পাপ মোচনকারী কিছু আমল

মো. আব্দুল কাদের
১৮১

কুরআনে কারীম ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে গুনাহ্ মাফের আমল

শাইখ সালীম ইবন ‘ঈদ আল-হিলালী
১৮২

তওবা কেন ও কিভাবে

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৮৩

তাওবা

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
১৮৪

দরূদ

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১৮৫

দৈনন্দিন সহীহ দু‘আ ও কুরআন-সুন্নার চিকিৎসা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১৮৬

দো‘আ-মোনাজাত কখন ও কীভাবে

শাইখ ফায়সাল ইবন আলী আল-বা‘দানী
১৮৭

নামাযের দো‘আ ও যিক্‌র

পশ্চিম দীরাহ ইসলামী দাওয়াহ্ সেন্টার
১৮৮

ব্যাধি ও মহামারী রোগ হতে পরিত্রাণের দুর্গ

ইসলামিক সেন্টার রাবওয়া, রিয়াদ
১৮৯

মানুষের উপর জিনের আছর কারণ, প্রতিকার ও সুরক্ষার উপায়

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৯০

যিকিরের তাৎপর্য ও ফযীলত

আব্দুল্লাহ আল বাকী
১৯১

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর সালাত (দরূদ) পড়ার অর্থ, ফযিলত, পদ্ধতি ও স্থানসমূহ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১৯২

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত প্রয়োজনীয় দো‘আর এক অনবদ্য সংকলন আল-হিসনুল ওয়াকী

আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ আল-সাদহান
১৯৩

শার‘ঈ মানদণ্ডে তাবীয-কবচ এবং ঝাড়-ফুঁক

আব্দুল আলীম ইবন কাওসার
১৯৪

ইন্টারনেট ইমান, আখলাক ও বুদ্ধি-বিবেকের পরীক্ষা

মুহাম্মাদ ইবনে ইব্রাহীম আল হামদ
১৯৫

ইসলাম নিয়ে বিদ্রূপের ভয়ঙ্কর প্রবণতা

ড. আমীন ইব্‌ন আব্দুল্লাহ আশ-শাকাওয়ী
১৯৬

ইসলামে সালাতের গুরুত্ব

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১৯৭

ইসলামে হালাল উপার্জন গুরুত্ব ও তাৎপর্য

ড. মোঃ আবদুল কাদের
১৯৮

ইসলামের দৃষ্টিতে দুর্নীতি প্রতিরোধ প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ

অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম
১৯৯

উপার্জন ইসলামী দৃষ্টিকোণ

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
২০০

কবীরা গুনাহ

ইমাম শামসুদ্দীন আয-যাহাবী রহ.
২০১

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে ব্যভিচার ও সমকামিতার ভয়াবহ পরিণতি

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
২০২

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে মদপান ও ধূমপানের অপকারিতা

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
২০৩

কুরআন-হাদিসের আলোকে সুদের ক্ষতি-অপকার-কুপ্রভাব

সায়ীদ বিন আলী বিন ওয়াহাফ আল-কাহতানি
২০৪

কেন ধূমপান করেন

শাইখ মুহাম্মদ ইবরাহিম আল-হামদ
২০৫

খাদ্য ও পণ্য-দ্রব্যে ভেজাল ইসলামের দৃষ্টিতে এর প্রতিকার

ড. মো: আবদুল কাদের
২০৬

গান-বাজনার ব্যাপারে ইসলামের বিধান

আখতারুজ্জামান মুহাম্মাদ সুলাইমান
২০৭

গানের বিধান ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
২০৮

গীবত থেকে বাঁচার উপায়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২০৯

গুরুতর অপরাধ মানুষ হত্যা

আলী হাসান তৈয়ব
২১০

ঘুষের ভয়াবহতা ও তা থেকে উত্তরণের উপায়

ড. মো. আব্দুল কাদের
২১১

ঘৃণ্য অপরাধ খাদ্যে ভেজাল

আলী হাসান তৈয়ব
২১২

চোখের গুনাহ

মফিজুল ইসলাম
২১৩

জামা‘আতে সালাত আদায়ের গুরুত্ব, পরিপ্রেক্ষিত বর্তমান সমাজ

আবুল কালাম আজাদ
২১৪

তারাবীহ্‌ সালাতের রাকা‘আত একটি তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
২১৫

দুর্নীতি ও ইসলামের দৃষ্টিতে তার প্রতিকার

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
২১৬

নেশাজাত দ্রব্যের বিধান

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২১৭

প্রবৃত্তি পূজাই সকল ব্যাধির কারণ

ড. আব্দুল আজিজ আব্দুল লতিফ
২১৮

বলুন এটাই শেষ সিগারেট

শাইখ আব্দুল মুহসিন আল-কাসিম
২১৯

মিথ্যার প্রচলিত আকার-প্রকৃতি

শামসুল হুদা আযীযুল হক
২২০

মোবাইল ফোন ব্যবহার বৈধতার সীমা কতটুকু

মুফীজুল ইসলাম আব্দুল আযীয
২২১

যে সকল হারামকে মানুষ তুচ্ছ মনে করে থাকে

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
২২২

যে সকল হারামকে মানুষ হালকা মনে করে

মুহাম্মাদ ছালেহ আল-মুনাজ্জিদ
২২৩

সালাত সালাত সংযুক্তি অযু, গোসল এবং পবিত্রতা বিষয়ক প্রবন্ধ

মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উছাইমীন
২২৪

সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি

গবেষণা পরিষদ, আল-মুনতাদা আল-ইসলামী
২২৫

সূদ

শাহ মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান
২২৬

হারাম খাবার যে জন্য নিষিদ্ধ

আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান
২২৭

হালাল উপার্জন

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
২২৮

হালাল রিযিকের সন্ধানে

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২২৯

অলী আওলিয়াদের অসীলা গ্রহণ ইসলামি দৃষ্টিকোণ

শায়খ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায রহ.
২৩০

আমরা কি উদযাপন করব

মদীনাস্থ সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধকারী সরকারী সংস্থার অফিস থেকে প্রকাশিত
২৩১

আশুরা করনীয় ও বর্জনীয়

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৩২

আশূরায়ে মুহাররম ও আমাদের করণীয়

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
২৩৩

ইত্তেবায়ে রাসূল

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
২৩৪

ইলমে গায়েব

অধ্যাপক আবদুন নূর সালাফী (রহ.)
২৩৫

ইসলামে সুন্নাহ’র অবস্থান

শাইখ সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
২৩৬

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী প্রবর্তন ও প্রবর্তক একটি ঐতিহাসিক পর্যালোচনা

প্রফেসর ড. খন্দকার আ.ন.ম আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
২৩৭

ঈদে মীলাদুন্নবী

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৩৮

উম্মতের ওপর নবী মুহাম্মাদ মোস্তাফা সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের অধিকার

ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ, ড. আদেল আশ-শিদ্দী
২৩৯

উসীলা গ্রহণ বৈধ ও অবৈধ পন্থা

আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুল হামীদ আল-আসারী
২৪০

কুফুরের পরিণতি

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
২৪১

ছবি ও মূর্তি

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
২৪২

ছবি ও মূর্তির ব্যাপারে ইসলামের হুকুম

আখতারুজ্জামান মুহাম্মাদ সুলাইমান
২৪৩

জাদুকর্ম, জ্যোতিষ ও দৈবকর্ম এবং এতদসংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে ইসলামের বিধান

আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
২৪৪

জাহেলিয়াতের যে সব রীতিনীতির বিরোধিতা রাসূল করেছেন

শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আবদুল ওহ্‌হাব রহ.
২৪৫

দীনে ইসলামে বিদআত ক্ষতি ও কুপ্রভাব

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৪৬

দুআ-মুনাজাতে নবী রাসূলের অসীলা দেয়া একটি পর্যালোচনা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৪৭

নববর্ষ উদযাপন করার বিধান

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
২৪৮

নবীর সুন্নতকে আঁকড়ে ধরা ও তার প্রভাব

শাইখ মুহাম্মদ সালিহ আল-‘উসাইমীন রহ.
২৪৯

পবিত্র কুরআনের আলোকে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের রিসালাত

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
২৫০

প্রচলিত বিভিন্ন খতম তাৎপর্য ও পর্যালোচনা

শাইখ মুস্তাফা সোহেল হিলালী
২৫১

বাংলাদেশে প্রচলিত শির্ক বিদ‘আত ও কুসংস্কার পর্যালোচনা

মো: আব্দুল কাদের
২৫২

বিদ‘আত ও এর মন্দ প্রভাব

শাইখ আবদুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায
২৫৩

বিদ‘আত পরিচিতির মূলনীতি

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
২৫৪

বিদ‘আত হ’তে সাবধান

শায়খ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায
২৫৫

বিদআত থেকে সাবধান

শাইখ সালেহ বিন ফাওযান আল-ফাওযান (রহঃ)
২৫৬

বিদআত দর্পণ

আবদুল হামীদ ফাইযী আল মাদানী
২৫৭

বিদআত

ইকবাল হোসাইন মাছুম
২৫৮

বিদআতের পরিচয়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২৫৯

বৈধ ও অবৈধ অসীলা- আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ আল জুহানী

আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ আল জুহানী
২৬০

বৈধ ও অবৈধ অসীলা

ডক্টর আব্দুস সালাম বারজাস আল আব্দুল করীম
২৬১

ভ্রান্ত তাবিজ-কবচ

: মুহাম্মদ বিন সোলায়মান আল-মুফাদ্দা
২৬২

মানত সম্পর্কে আমরা কী জানি

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৬৩

মানবগোষ্ঠীর জন্য নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রিসালাতের প্রয়োজনীয়তা

আদেল আলী আশ-শিদ্দী ও আবদুর রাযযাক মা‘আশ
২৬৪

মাযারে প্রচলিত বিদআতসমূহ

কাউসার বিন খালেদ
২৬৫

মিলাদ মাহফিল

মুহাম্মাদ হারুন হুসাইন
২৬৬

মীলাদ প্রসঙ্গ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
২৬৭

মুহররম মাসে শিয়া সম্প্রদায়ের মাতম বিষয়ক বিদয়াত

আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আযিয আহমদ আত-তুয়াইজিরী
২৬৮

মূর্তি বনাম ভাস্কর্য সমকালীন বিতর্ক

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৬৯

মৃত ব্যক্তির জন্য ইছালে ছাওয়াব শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৭০

মৃত ব্যক্তির দাফন কাফন

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
২৭১

মৃত-ব্যক্তির জন্য করণীয় কাজের মাসনূন পদ্ধতি

আ.শ.ম শোয়াইব আহমাদ
২৭২

যুলুমের ভয়াবহ পরিণাম ও বাঁচার উপায়

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
২৭৩

যে কেউ কোনো জাতির সাথে সামঞ্জস্য বিধান করে চলবে সে তাদের দলভুক্ত বলে গণ্য হবে

ড. নাসের ইবন আবদিল কারীম আল-‘আকল
২৭৪

যেসব কারণে ইবাদাত বরবাদ হয়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২৭৫

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহর উপর আমলের আবশ্যকতা আর তার অস্বীকারকারীর কাফের হওয়া

আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
২৭৬

রাসূলুল্লাহ সা. তোমাদেরকে যা দিয়েছেন তা গ্রহণ কর

ড. আদেল আশ-শিদ্দী, ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ
২৭৭

শবে বরাত ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
২৭৮

শবে বরাতঃ সঠিক দৃষ্টিকোণ

আব্দুল্লাহ শহীদ আবদুর রহমান
২৭৯

শবেবরাত

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
২৮০

শরী‘আতের স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও বিদ‘আতের ভয়াবহতা

শাইখ মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
২৮১

শাবান মাস বিবিধ আলোকপাত

কামাল উদ্দিন মোল্লা
২৮২

শাবানের পনেরতম রজনী উদযাপনের বিধান

আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায
২৮৩

শিরক

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২৮৪

শির্ক কী ও কেন

ড. মুহাম্মদ মুয্‌যাম্মিল আলী
২৮৫

শির্কের সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ

সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
২৮৬

সবচেয়ে বড় গুনাহ

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আহমদ আল-আম্মারী
২৮৭

সুন্নতের আলো ও বিদআতের আঁধার

সাঈদ বিন আলী ইবনে ওহাফ আল-কাহতানী
২৮৮

সুন্নতের প্রতি যত্নবান হওয়ার আদেশ ও তার আদব

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৮৯

সুন্নাত ও বিদয়াত

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (র.)
২৯০

সুন্নাত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২৯১

সুন্নাতে রাসূলুল্লাহ আঁকড়ে ধরা ও বিদ‘আত থেকে সতর্ক থাকা

আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
২৯২

অকাল মৃত্যু বলে কিছু নেই

আলী হাসান তৈয়ব
২৯৩

আত্মহত্যা কোনো সমাধান নয়; সমস্যা

আলী হাসান তৈয়ব
২৯৪

এসো জান্নাতের পথে

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
২৯৫

কবর যিয়ারত ও কবরবাসীর কাছে সাহায্যের আবেদন

শাইখুল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যাহ
২৯৬

কবর যিয়ারত সংক্রান্ত কতিপয় জাল ও দুর্বল হাদীস

শাইখ হাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ আল-আনসারী আল-খাযরাজী আস-সা‘দী
২৯৭

কবরের প্রশ্ন ও প্রাসংগিক আলোচনা

মুহাম্মাদ মুনিরুজ্জামান বিন আশরাফ আলী
২৯৮

কবরের বর্ণনা

মুহাম্মদ ইকবাল কীলানী
২৯৯

কবরের শাস্তি ও শান্তি সম্পর্কে কতিপয় মাসআলা বারযাখী জীবন

শাইখ খালেদ ইবন আব্দুর রহমান আশ-শায়ে‘
৩০০

কিয়ামতের আলামত

আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
৩০১

কিয়ামতের ভয়াবহতা ও তারপর

আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
৩০২

কীভাবে আপনি জান্নাত লাভ করবেন

ইউসুফ ইবন মুহাম্মাদ আল ‘উয়াইয়েদ
৩০৩

কুরআন ও সুন্নাহ’য় বর্ণিত শাফা‘আত এবং শাফা‘আতকারী

শাইখ ইবরাহীম ইবন আবদিল্লাহ আল-হাযেমী
৩০৪

কুরআন ও সুন্নাহ্‌র আলোকে জান্নাত ও জাহান্নাম

আব্দুর রহমান বিন সাঈদ বিন আলী বিন ওহাফ আল-কাহতানী রহ.
৩০৫

কুরআন ও হাদীসের আলোকে মহাসাফল্য ও বড় ব্যর্থতা

ড. সাঈদ ইবন আলী ইবন ওয়াহাফ আল-ক্বাহত্বানী
৩০৬

কুরআনের আলোকে জান্নাত ও জাহান্নাম

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
৩০৭

ঘুমানোর আগে মরণের স্মরণ

আলী হাসান তৈয়ব
৩০৮

জান্নাত ও জাহান্নাম

শায়েখ আলী ইবনে আব্দুর রহমান আল-হুজাইফী
৩০৯

জান্নাতও জাহান্নামএর সংবাদপ্রাপ্ত নারী-পুরুষগণ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৩১০

জান্নাতের পথ

মুহাম্মাদ মুনিরুজ্জামান বিন আশরাফ আলী
৩১১

জান্নাতের পথে

আবু আব্দির রহমান
৩১২

জান্নাতের প্রতি আগ্রহী ও জাহান্নাম থেকে পলায়নকারীর জন্য বিশেষ উপদেশ

রাশেদ বিন আব্দুর রহমান আয-যাহরানী
৩১৩

পরকাল ভাবনা

মুহাম্মদ শামছুল হক ছিদ্দিক
৩১৪

মৃত্যু ও কবর সম্পর্কে করণীয় ও বর্জনীয়

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
৩১৫

যা হবে মরণের পরে

আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
৩১৬

সহীহ সুন্নাহ’র আলোকে জান্নাতের বৈশিষ্ট্য

ওয়াহিদ ইবন আবদিস সালাম বালী
৩১৭

আত-তাফসীর আল-মুইয়াসসার (দ্বিতীয় পারা)

একদল বিশেষজ্ঞ সৌদী আলেম
৩১৮

আমরা কিভাবে কুরআন বুঝব

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৩১৯

আম্মা পারা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩২০

আল কোরআন ও আধুনিক যুগের চাহিদা

জহির উদ্দিন বাবর
৩২১

আল-কুরআন ইসলামী শরীয়াহ্-এর অন্যতম উৎস

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৩২২

আল-কুরআন একটি মহা মু‘জিযা

ড. সা‘ঈদ ইবন আলী ইবন ওয়াহাফ আল-ক্বাহত্বানী
৩২৩

আল-কুরআন ও তার সুমহান মর্যাদা

শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ আলে শাইখ
৩২৪

আল-কুরআনুল কারিম হিফয করার ব্যবহারিক পদ্ধতি

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩২৫

আল-কুরআনুল কারীম মর্যাদা, শিক্ষা ও বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা

ইকবাল হুসাইন মাসুম
৩২৬

আল-কুরআনুল কারীমের অর্থানুবাদ প্রেক্ষাপট ও আবশ্যকীয় জ্ঞান

আলী হাসান তৈয়ব
৩২৭

আল-কুরআনের আলোকে মানুষের স্বরূপ বিশ্লেষণ

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৩২৮

আল-কুরআনের সংক্ষিপ্ত তাফসীর [সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১-১৪১]

কতিপয় উলামা
৩২৯

ইহতিসাব সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে অবতীর্ণ আয়াতসমূহ

নুমান আবুল বাশার
৩৩০

কুরআন আপনার পক্ষের কিংবা বিপক্ষের দলিল

মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মদ আল-ইম্মারি
৩৩১

কুরআন ও দীনি ইলম শিক্ষার বিনিময় পারিশ্রমিক নেওয়া

প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ ইবন মুবারক আলে সাইফ
৩৩২

কুরআন তিলাওয়াত ফযীলত ও আদব

আলী হাসান তৈয়ব
৩৩৩

কুরআন তিলাওয়াত করার নিয়ত

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩৩৪

কুরআন তিলাওয়াতের ফজিলত

মুহাম্মদ বিন সালেহ আল-উসাইমীন
৩৩৫

কুরআন শিক্ষা এবং এ খাতে ব্যয় প্রসঙ্গে

আলী হাসান তৈয়ব
৩৩৬

কুরআন শিক্ষা বিধান, পদ্ধতি ও ফযীলত

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
৩৩৭

কুরআনুল কারিমে সম্পদ ও নফসের জিহাদ একসাথে উল্লেখ করার হিকমত

ড. তাওফিক আলী যাবাদী
৩৩৮

কুরআনের সঙ্গে পূর্বসূরীদের সম্পর্ক

খালেদ ইবন আবদুল্লাহ আল-মুসলিহ
৩৩৯

তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩৪০

তাফসীরুল কুরআন

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৩৪১

পবিত্র কোরআনে ইখলাস সম্পর্কে অবতীর্ণ আয়াতসমূহ

নুমান আবুল বাশার
৩৪২

পবিত্র কোরআনে ইত্তেবা সম্পর্কে অবতীর্ণ আয়াতসমূহ

নুমান আবুল বাশার
৩৪৩

সূরা ‘আসর’ আমাদের যা শেখায়

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৩৪৪

সূরা আত-তাওবার তাফসীর

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৩৪৫

সূরা আন-নাবা-এর তাফসীর

আবু আবদুল্লাহ কুরতুবী রহ.
৩৪৬

সূরা আল-ফাতিহা-এর তাফসীর

শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব রহ.
৩৪৭

সূরা আলে ইমরান

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩৪৮

সূরা কাফিরুন ও ইখলাস আমাদেরকে যা শেখায়

ফায়িয বিন সাঈদ আয-যাহরানী
৩৪৯

সূরা ফাতিহা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩৫০

হাফেয ইবন কাসীরের তাফসীর থেকে সংক্ষেপিত সূরা আল-আনফালের তাফসীর

শাইখ আহমদ মুহাম্মাদ শাকের
৩৫১

One Hadith a Day (সহীহ বুখারী থেকে ৩৬৫টি হাদীস ও শিক্ষা)

আমির জামান, নাজমা জামান
৩৫২

কল্যাণকর কাজে উদ্বুদ্ধকারী কতিপয় হাদীস

মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ
৩৫৩

গুরুত্বপূর্ণ বিশটি হাদিসের ভাষ্য

গবেষণা পরিষদ: আল-মুনতাদা আল-ইসলামী
৩৫৪

নির্বাচিত হাদীস চতুর্থ খণ্ড

ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ
৩৫৫

নির্বাচিত হাদীস পঞ্চম খণ্ড

ডক্টর মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ
৩৫৬

রমযান বিষয়ে জাল ও দুর্বল হাদিসসমূহ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩৫৭

শামায়েলে তিরমিযী

মুহাম্মাদ বিন ঈসা আত তিরমিযী (রহ.)
৩৫৮

সহীহ হাদীসে কুদসী

আবু আব্দুল্লাহ মুস্তফা আল-আদাভী
৩৫৯

সুন্নাহের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৩৬০

হাদিসের প্রামাণিকতা

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩৬১

হাদীছের গল্প

গবেষণা বিভাগ, হাদীছ ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ
৩৬২

হাদীছের প্রামাণিকতা

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৩৬৩

হাদীস সংকলনের ইতিহাস

মওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহীম (রহ)
৩৬৪

অযু ব্যতীত কুরআনুল কারীম স্পর্শ করার বিধান

একদল বিজ্ঞ আলেম
৩৬৫

আল-ফাতাওয়া আল-মাক্কীয়্যাহ

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
৩৬৬

আল্লাহর আইন বাস্তবায়ন এবং এর পরিপন্থী বিষয় বর্জনের অপরিহার্যতা

আশ-শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ ইবন বায
৩৬৭

আল্লাহর ওপর ঈমানের অর্থ

ইসলাম কিউ এ
৩৬৮

ইসলামী আইন না মানার বিধান কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
৩৬৯

ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা

ড. আবদুল করিম জায়দান
৩৭০

ইসলামী শরীআতে শাস্তির বিধান

ড. আব্দুল কারীম যাইদান
৩৭১

ইসলামী শরীয়াহর বাস্তবায়ন ও উম্মাহর উপর এর প্রভাব

আব্দুল্লাহ ইবন স‘উদ আল-হুয়াইমিল
৩৭২

ইসলামী শারীয়াহ্ এর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য বর্তমান প্রেক্ষাপটে এর গুরুত্ব

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৩৭৩

ইসলামে মানবাধিকার

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
৩৭৪

কাফিরদেরকে ইসলামের প্রতি দাওয়াত না দিলে কি মুসলিমগণ অপরাধি হবে

ইসলাম কিউ এ
৩৭৫

খাদ্য ও পানীয় বিষয়ে ইসলামের বিধি-বিধান

মুহাম্মাদ ইবন ইবরাহীম ইবন আব্দুল্লাহ আত-তুইজিরী
৩৭৬

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নির্বাচিত ফাতাওয়া

মিরফাত বিনতে কামিল আবদিল্লাহ উসরা
৩৭৭

জানাযার বিধিবিধান সংক্রান্ত ৭০টি প্রশ্ন

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
৩৭৮

জিজ্ঞাসা ও জবাব (১ম খণ্ড)

ড. খোন্দকার আব্দুলাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ)
৩৭৯

তালাক ও তাহলীল

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৩৮০

দীনের ফিক্‌হ তথা জ্ঞানই ফিতনা থেকে বাঁচার সঠিক উপায়

শাইখ সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
৩৮১

ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে কি কোনো ইসলামী দলে যোগ দেওয়া যাবে

ইসলাম কিউ এ
৩৮২

ধূমপান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ফাতাওয়া

আমের সালেহ আলাওয়ী নাজী
৩৮৩

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি নূরের তৈরি

শাইখ আব্দুর রাকীব (মাদানী)
৩৮৪

নারী-পুরুষে দেখাদেখি, নির্জনে অবস্থান ও সহাবস্থান সংক্রান্ত বিবিধ ফাতওয়া

শাইখ আবদুল ‘আযীয ইবন আবদিল্লাহ ইবন বায, শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন, শাইখ আবদুল্লাহ ইবন আবদির রহমান আল-জিবরীন এবং স্থায়ী ফতোয়া বোর্ডের ফতোয়া
৩৮৫

ফিতনাতুত-তাকফীর

শায়খ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহ), শায়খ আব্দুল্লাহ বিন বায (রহ), শায়খ সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ), বিভিন্ন মুফাসসির ও মুহাদ্দিসদের (রহ) উদ্ধৃতি
৩৮৬

বারোশ’ (১২০০) মাস’আলা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩৮৭

মানুষের প্রাণ বাঁচাতেই কিসাস বা প্রাণদণ্ড

আলী হাসান তৈয়ব
৩৮৮

মাসিক আত-তাহরীক প্রশ্নোত্তর ২০১৫

দারুল ইফতা
৩৮৯

মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী

মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী
৩৯০

মুসলিমদের মা‘বুদ কে

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৩৯১

মেধাস্বত্ব ও কপিরাইট আইন

মাওলানা আবুল কালাম আযাদ
৩৯২

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সশরীরে এসে সাক্ষাত করেন, এমন ধারণা পোষণকারী ব্যক্তিকে কীভাবে প্রতিবাদ করব

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৩৯৩

শরিয়া বিধানের উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য

ইকবাল হোসাইন মাসুম
৩৯৪

শাস্তি প্রদান শরয়ি দৃষ্টিকোণ

আমর ইব্রাহীম
৩৯৫

শির্কের হাকিকত ও তার প্রকারসমূহ কী

ইসলাম কিউ.এ
৩৯৬

সহজ ফিকহ শিক্ষা

ড. সালিহ ইবন গানিম আস-সাদলান
৩৯৭

স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত বিবিধ প্রশ্ন-উত্তর

শাইখ মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন
৩৯৮

হিন্দু আশ্চর্যের কোনটি ভাল, হিন্দুধর্ম বা ইসলামের এবং কেন

ইসলাম কিউ এ
৩৯৯

হিল্লা, তালাক ও ফতোয়া যে কথাগুলো না বললেই নয়

আলী হাসান তৈয়ব
৪০০

অমুসলিমদের সাথে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আচরণ প্রসঙ্গ

ড. রাগিব আস-সারজানী
৪০১

আদর্শ মানব মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

এ এক এম নাজির আহমদ
৪০২

আপনার নবীকে চিনুন

মুহাম্মাদ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মাদ আল-আম্মারী
৪০৩

আল্লাহর রাসূলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আদর্শ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৪০৪

আল্লাহর রাসূলের প্রতি দরূদ-সালামের তাৎপর্য

ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ
৪০৫

ইউনুস ‘আলাইহিস সালামের ঘটনা

শায়খ ড. সালেহ আলে তালেব
৪০৬

কীভাবে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালোবাসব

মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৪০৭

চিনে নাও তুমি তোমার নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে

ড. আদেল আশ-শিদ্দী, ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ
৪০৮

দয়া ও ভালোবাসার অনন্য বিশ্ব নবী

আবু আব্দুর রাহমান
৪০৯

নবী আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চরিত্র ও গুণাবলি

নুমান বিন আবুল বাশার
৪১০

নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সাহায্য-সমর্থন করার একশত উপায়

ইকবাল হোসাইন মাছুম, কাউসার বিন খালেদ
৪১১

নবী জীবনী

আয-যুলফি দা‘ওয়াহ সেন্টার
৪১২

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের গুণাবলী

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
৪১৩

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে পবিত্রতা অর্জন করতেন

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
৪১৪

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মহিমান্বিত জীবনের শেষ একশ দিনের অসিয়্যতসমূহ

সালেহ ইবন আব্দুর রহমান আল-হুসাইন, আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ আল-হাজ
৪১৫

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমাজ সংস্কার

চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ
৪১৬

বিরুদ্ধবাদীদের সাথে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আচরণ

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৪১৭

বিশ্বনবী প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রের আদর্শ

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৪১৮

বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলা‌ইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শ (ইমাম ইবনুল কাইয়্যেম রহ. এর যাদুল মা‘আদ হতে সংক্ষেপিত)

ড. আহমাদ ইবন উসমান আল-মাযইয়াদ
৪১৯

বিশ্বমানবতার প্রতি বিশ্বনবীর শাশ্বত অবদান

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৪২০

মহানবীর অবমাননা ওরা যা করেছে আমরা যা করব

আলী হাসান তৈয়ব
৪২১

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবদান

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৪২২

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবদান

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৪২৩

রাসূল অবমাননার পরিণাম ও শাস্তি আমাদের করণীয়

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
৪২৪

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গৃহে একদিন

আব্দুল মালেক আল-কাসেম
৪২৫

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমকালীন আরবের অবস্থা ও তাঁর মক্কী জীবন

মো. আব্দুল কাদের
৪২৬

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহচর্য

শাইখ সালেহ ইবন আবদিল্লাহ আদ-দারওয়ীশ
৪২৭

রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামাজিক বিপ্লবের স্বরূপ

সিরজুল ইসলাম আলী আকবর
৪২৮

রাসূলের শানে সমসাময়িক ধৃষ্টতা আকার-প্রকৃতি ও নেপথ্য কাহিনী

নাসের বিন সুলাইমান আল-উমর
৪২৯

সমরবিদ হিসাবে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

মোঃ আবদুল কাদের
৪৩০

সর্বযুগের বিশ্বস্ত নবী

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৪৩১

সহীহ হাদীসের আলোকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়তের প্রমাণ

শাইখ মুকবিল ইবন হাদী আল ওয়াদি‘য়ী
৪৩২

আবু বকর ও উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমার জীবনের কিছু ঘটনা

হোমায়রা বান
৪৩৩

আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা

আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী
৪৩৪

আয়েশা রাদিআল্লাহু ‘আনহার ফজিলত

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৪৩৫

আল্লামা নওয়াব সিদ্দীক হাসান খান ভুপালী জীবন ও কর্ম

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
৪৩৬

আল্লামা মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী রহ.এর সংক্ষিপ্ত জীবনী

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
৪৩৭

ইহসান ইলাহী যহীর

নূরুল ইসলাম
৪৩৮

উম্মতের ওপর সাহাবীগণের অধিকারসমূহ

ড. সালিহ ইবন আব্দুল আযীয ইবন উসমান সিন্দী
৪৩৯

উসমান (রাঃ) রাঃ সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা

মূল আহমাদ আব্দুল আলি তাহতাভী
৪৪০

ওমর (রাঃ) সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা

আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী
৪৪১

ওমর ইবনে আবদুল আজীজ

রশীদ আখতার নদভী
৪৪২

খলিফা মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু সম্পর্কে ইনসাফপন্থীদের কিছু বাণী

আব্দুল মুহসিন ইবন হামদ আল-আব্বাদ
৪৪৩

ছাহাবা ন্যায়নিষ্ঠতা ও সুমহান মর্যাদা

মুস্তাফা কাসেম আব্বাস
৪৪৪

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবিবৃন্দ

ইকবাল হোসাইন মাসুম
৪৪৫

সাহাবায়ে কেরামের প্রতি আমাদের কর্তব্য

আব্দুর রাযযাক ইব্‌ন আব্দুল মুহসিন আল-বাদ্‌র
৪৪৬

সাহাবীগণের মর্যাদা

সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
৪৪৭

সাহাবীগণের হক ও ফযীলত সম্পর্কে যথাযথ করণীয়

আব্দুল্লাহ ইবন সালিহ আল-কুসাইর
৪৪৮

সাহাবীদের পেয়েছি, কিন্তু আহলে-বাইতকে হারাই নি

আবু খলিফা আলি ইব্‌ন মুহাম্মদ আল-কুদাইবি
৪৪৯

সাহিত্যিক মাওলানা আহমাদ আলী

হাদীছ ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ
৪৫০

আক্বীদায়ে মোহাম্মদী বা মাযহাবে আহলেহাদীছ

মাওলানা আহমাদ আলী
৪৫১

আধুনিক সমাজ ব্যবস্থায় ইসলাম প্রচারের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীতা

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৪৫২

আল্লাহর দিকে আহ্বান ও দাঈর গুণাবলি

শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
৪৫৩

আল্লাহর দিকে দাওয়াতের সম্বল

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৪৫৪

আল্লাহর দিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দাওয়াতের বাস্তব কিছু নমুনা

সাঈদ ইবন আলী ইবন ওহাফ আল-কাহতানী
৪৫৫

আল্লাহর পথে দাওয়াত

ড. আ.ন.ম. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
৪৫৬

আহলেহাদীছ আন্দোলন কি ও কেন

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৪৫৭

ইক্বামতে দ্বীন পথ ও পদ্ধতি

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৪৫৮

ইসলামী আন্দোলনে বিজয়ের স্বরূপ

ডঃ নাছের বিন সোলায়মান আল-ওমর
৪৫৯

ইসলামী দাওয়াহ প্রসারে গণমাধ্যমের অবদান

ড. মো: আব্দুল কাদের
৪৬০

ইসলামী মিডিয়ার স্বরূপ ও তাৎপর্য

ড. মো: আব্দুল কাদের
৪৬১

উদাত্ত আহবান

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৪৬২

উপদেশতত্ত্ব

আকীল ইবন মুহাম্মাদ আল-মাকতিরী
৪৬৩

একজন ঈমানদার দা‘ঈর গুণাবলী

মুহাম্মদ শাহিদুল ইসলাম
৪৬৪

একটি পত্রের জওয়াব

মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী আল-কোরায়শী
৪৬৫

কুরআনের আলোকে নূহ আলাইহিস সালামের দা‘ওয়াহ কার্যক্রম

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৪৬৬

কুরআনের আলোকে মূসা আলাইহিস সালামের ব্যক্তিত্ব ও দা‘ওয়াহ কার্যক্রম

মো: আবদুল কাদের
৪৬৭

দল, সংগঠন, ইমারত ও বায়‘আত সম্পর্কে বিশিষ্ট উলামায়ে কেরামের বক্তব্য

আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার
৪৬৮

দাঈ ভাইদের প্রতি

চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ
৪৬৯

দাঈদের প্রতি বার্তা

শাইখ মোহাম্মাদ বিন সালেহ আল-উসাইমিন
৪৭০

নবী মুহাম্মদ সা. এর আগমনের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য, দা‘ওয়াতের পদ্ধতি ও কৌশল

ড. মো: আবদুল কাদের
৪৭১

মুসলিম উম্মতের সর্বসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দার্‌স-সমূহ

মাননীয় শাইখ আব্দুল আযীয ইব্‌ন আব্দুল্লাহ ইব্‌ন বায
৪৭২

মুসলিম উম্মাহর জন্য গুরুত্বপূর্ণ দরসের সাথে সংশ্লিষ্ট বিধান

শাইখ আবদুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায
৪৭৩

সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ গুরুত্ব ও তাৎপর্য

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৪৭৪

সৎকাজের আদেশ ও মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৪৭৫

সমাজ বিপ্লবের ধারা

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৪৭৬

অর্থনীতিতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এর দশ দফা

শাহ মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান
৪৭৭

ইসলাম ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ

ড. এম উমর চাপরা
৪৭৮

ইসলামি অর্থনীতি শান্তি ও সমৃদ্ধির অব্যর্থ ব্যবস্থা

আলী হাসান তৈয়ব
৪৭৯

ইসলামের অর্থনীতি

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ)
৪৮০

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মাদকাসক্তির প্রভাব ও তার সমাধান

ড. মো. মুস্তাফিজুর রহমান, মো. মোশাররফ হোসাইন
৪৮১

ব্যবসা-বাণিজ্য করনীয় ও বর্জনীয়

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
৪৮২

আল্লাহর বাণী আল-কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান

মোহাম্মদ ওসমান গনি
৪৮৩

ইসলাম প্রচারে মনোবিজ্ঞানের ভূমিকা

আব্দুল্লাহ আল-খাতির রহ.
৪৮৪

ইসলামী বিধান ও আধুনিক বিজ্ঞান (প্রথম খন্ড)

মুহাম্মাদ ওসমান গনি
৪৮৫

কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান

ডা. জাকির নায়েক
৪৮৬

কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান সামঞ্জস্যপূর্ণ না অসামঞ্জস্যপূর্ণ

ডঃ জাকির আবদুল করিম নায়েক
৪৮৭

সৃজনশীল ও বৈজ্ঞানিক চিন্তার ব্যবহার একটি ভূমিকা

নুমান বিন আবুল বাশার
৪৮৮

আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ১ম খন্ড

আবুল ফিদা হাফিজ ইবন কাসীর আদ-দামেশকী (র)
৪৮৯

আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ২য় খন্ড

আবুল ফিদা হাফিজ ইবন কাসীর আদ-দামেশকী (র)
৪৯০

ইতিহাসের ইতিহাস

গোলাম আহমাদ মোর্তজা
৪৯১

ইসলামের ইতিহাস ১ম খণ্ড

মাওলানা আকবর শাহ খান নজিববাদী
৪৯২

চেপে রাখা ইতিহাস

গোলাম আহমাদ মোর্তজা
৪৯৩

বাজেয়াপ্ত ইতিহাস

গোলাম আহমাদ মোর্তজা
৪৯৪

মুসলমানদের পতন অতীত বর্তমান (সালাহউদ্দীন আইউবীর আবির্ভাব পূর্ব ইসলামি বিশ্ব ও বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা)

মুহাম্মদ আল আবদাহ
৪৯৫

আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করার গুরুত্ব

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
৪৯৬

আত্মীয়তা-সম্পর্ক রক্ষা করা

আলী হাসান তৈয়ব
৪৯৭

আদর্শ মুসলিম পরিবার

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৪৯৮

ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা

মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ আল কাফী
৪৯৯

ইসলামী নীতিমালার আলোকে বরকত অর্জন

সালেহ ইবন আবদুল আযীয ইবন মুহাম্মাদ আলে শাইখ
৫০০

ইসলামে বন্ধুত্ব ও শত্রুতা

শাইখ সালেহ ইবন ফাউযান আল-ফাউযান
৫০১

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার ভয়াবহ পরিণতি

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
৫০২

কোরআন ও হাদিসের আলোকে এতিম প্রতিপালন

মুহাম্মদ ওসমান গনি
৫০৩

ধৈর্য-সবর কখন ও কিভাবে

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫০৪

পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় ইসলামের শিক্ষা

আলী হাসান তৈয়ব
৫০৫

পরিবার ও পারিবারিক জীবন

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (র.)
৫০৬

পানাহারের আদব

আখতারুজ্জামান মুহাম্মাদ সুলাইমান
৫০৭

পিতামাতার অবাধ্যতা কারণ, কিছু বাহ্যিক চিত্র ও প্রতিকারের উপায়

শাইখ মুহাম্মদ ইবন ইবরাহীম আল-হামাদ
৫০৮

প্রতিবন্ধী ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
৫০৯

প্রতিবেশীর হক

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৫১০

মেহমানের মেহমানদারি

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৫১১

যে চৌদ্দটি আমলে রিজিক বাড়ে

আলী হাসান তৈয়ব
৫১২

রাতে দ্রুত ঘুমানোর উপকারিতা

আব্দুল্লাহ ইবন জারুল্লাহ আলে জারুল্লাহ
৫১৩

রিযক ও তার অনুমোদিত উপকরণ

শায়খ সাউদ আল-শুরাইম
৫১৪

সময় সে তো জীবন

চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ
৫১৫

সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন

আমির জামান, নাজমা জামান
৫১৬

সৌভাগ্যময় ঘর ও স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্ব

ড. সালেহ ইবন আবদিল্লাহ ইবন হুমাইদ
৫১৭

সৌভাগ্যময় জীবনের পূর্ণাঙ্গ উপায়

শাইখ আবদুর রহমান ইবন নাসের আস-সা‘দী
৫১৮

হাদীসের আলোকে আদর্শ স্বামী

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল আযহারী
৫১৯

আয়াতুল কুরসী ও তাওহীদের প্রমাণাদি

শাইখ আব্দুর রায্‌যাক ইবন আব্দুল মুহসিন আল-বদর
৫২০

আল্লাহ তা‘আলার নান্দনিক নাম ও গুণসমগ্র কিছু আদর্শিক নীতিমালা

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
৫২১

আল্লাহ তা‘আলার হক বা প্রাপ্য

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৫২২

আল্লাহ তাআলার দশ অসিয়ত

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫২৩

আল্লাহ তাআলার পরিচয়

হাফেয নেছার উদ্দিন
৫২৪

আল্লাহকে সম্মান দেওয়া ও তাকে গালমন্দকারীর বিধান

শায়খ আব্দুল আজিজ আত-ত্বারীফি
৫২৫

আল্লাহর জন্য ভালোবাসার নিদর্শন

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৫২৬

আল্লাহর জন্য ভ্রাতৃত্ব

মাজেদ আলি হাসান হাবিব
৫২৭

আল্লাহর দর্শন

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
৫২৮

আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করুন, তিনি আপনাকে ভালোবাসবেন

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৫২৯

আল্লাহর পথের অভিযাত্রী

ড. লুতফুল্লাহ ইবন মোল্লা আব্দুল আযীম খাজা
৫৩০

আল্লাহর সুন্দর নামসমূহের ব্যাখ্যা

শাইখ আব্দুর রহমান ইবন নাসের আস-সা‘দী
৫৩১

কার ইবাদত করব ও কেন করব

মুহাম্মদ নূরুল্লাহ তারীফ
৫৩২

কুরআনে বর্ণিত আল্লাহর কিছু সৃষ্টি নিদর্শন

আলী হাসান তৈয়ব
৫৩৩

আল্লাহর নিকট অধিক পছন্দনীয় আমল

আসমা বিনতে রাশেদ আর-রুয়াইশেদ
৫৩৪

ইসলামের নৈতিকতা ও আচরণ

ড. মারওয়ান ইবরাহীম আল-কায়সি
৫৩৫

ইসলামের সৌন্দর্য

আল্লামা শাইখ আব্দুর রহমান বিন নসের সাদী রহ.
৫৩৬

একজন মুসলিমের চারিত্রিক গুণাবলি

ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ, ড. আদেল আশ-শিদ্দী
৫৩৭

কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে মুসলিম জীবনের আদব-কায়দা

ড. মো: আমিনুল ইসলাম
৫৩৮

তরবিয়ত ও চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন

শামছুল হক ছিদ্দিক, নোমান আবুল বাশার, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৩৯

ন্যায়ের আদেশ ও অন্যায়ের নিষেধ অত্যাবশ্যক

শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায
৫৪০

পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য

মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান
৫৪১

ব্যক্তি ও সমাজ সংশোধনে ইসলামি দিক নির্দেশনা

মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনূ
৫৪২

মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৫৪৩

মুসলিম জীবনে সততা ও সত্যবাদিতা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৪৪

মুসলিমের আদব বা শিষ্টাচার

আহমদ আল-মাযইয়াদ/আদেল ইবন আলী আশ-শিদ্দী
৫৪৫

যুব সমাজের অবক্ষয় ও তার প্রতিকার- জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৫৪৬

যুব সমাজের অবক্ষয় ও তার প্রতিকার

সালেহ ইবন্ ফাওযান আল-ফাওযান
৫৪৭

রহমানের বান্দাদের গুণাবলী

আবুল কাসেম মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ
৫৪৮

সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজে নিষেধ

ইকবাল হোছাইন মাসুম
৫৪৯

হিংসা ও অহংকার

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৫৫০

অধ্যয়ন ও জ্ঞানসাধনা

আবু বকর সিরাজী
৫৫১

অন্তরের আমল ইখলাস

মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জেদ
৫৫২

অন্তরের আমল দ্বীনদারি

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৫৫৩

আত্মগঠন

খালিদ ইবন আব্দুল আযীয আবাল খায়ল
৫৫৪

আত্মশুদ্ধি

খালেদ ইবন আব্দুল্লাহ আল-মুসলেহ
৫৫৫

ইখলাছ মুক্তির পাথেয়

ফয়সাল বিন আলী আল বাদানী
৫৫৬

ইখলাস কেন ও কীভাবে

গবেষণা পরিষদ আল-মুনতাদা আল-ইসলামী
৫৫৭

ইখলাস

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
৫৫৮

ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৫৯

ইলম অন্বেষণের ফযীলত ও মর্যাদা

হুসামুদ্দীন সালীম কিলানী
৫৬০

ইলম হাসিল সম্পর্কে পূর্বসুরীদের কিছু বাণী

হিসামুদ্দীন সালীম কিলানী
৫৬১

ইলমে দীন অর্জনের পথ ও পদ্ধতি

সালেহ ইবন আবদুল আযীয আলে শাইখ
৫৬২

ইসলাম ধর্মে সৎকর্ম কবুল হওয়ার শর্তাবলি

ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ
৫৬৩

ইসলামে ‘তাকওয়া’র স্বরূপ ও সমাজ জীবনে এর প্রভাব

ড. মোঃ ছানাউল্লাহ
৫৬৪

ইসলামের প্রাথমিক শিক্ষা

অনুবাদ ও গবেষণা বিভাগ, জুবাইল দাওয়া এন্ড গাইডেন্স সেন্টার
৫৬৫

এক ব্যক্তির ঘটনা এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভাবনা

আলী হাসান তৈয়ব
৫৬৬

একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইলম অর্জন করা

হুসামুদ্দীন সালীম কিলানী
৫৬৭

কল্যাণ ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে পরস্পরে সহযোগিতা করা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৬৮

কল্যাণকর কাজে প্রতিযোগিতার গুরুত্ব ও তাৎপর্য

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৬৯

কিতাবুল ইলম

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৫৭০

গুনাহের দরজা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৭১

চিন্তা ও উৎকন্ঠার ইসলামি এলাজ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৫৭২

চিন্তা ও কর্মে বাস্তবতার অনুশীলন

সানাউল্লাহ বিন নজির আহমদ
৫৭৩

তাকওয়া

আমির জামান, নাজমা জামান
৫৭৪

তাকওয়ার উপকারিতা

মুহাম্মদ ইব্‌ন সালেহ আল-উসাইমীন
৫৭৫

তাক্বওয়া অর্জনের উপায়

মোহাম্মদ ইমাম হোসাইন কামরুল
৫৭৬

তিনটি মতবাদ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৫৭৭

নবী-রাসূলগণের ঘটনায় রয়েছে শিক্ষা

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
৫৭৮

নয়টি প্রশ্নের উত্তর

মুহাম্মাদ নাছেরুদ্দীন আলবানী (রহঃ)
৫৭৯

পাপ আকার-প্রকৃতি, প্রভাব ও প্রতিকার

গবেষণা পরিষদ, আল-মুনতাদা আল-ইসলামী কেন্দ্রীয় কার্যালয়
৫৮০

প্রকাশ্য, অপ্রকাশ্য কাজ ও কথায় নিয়্যত করা এবং ইখলাছ অবলম্বন করা

আবু যাকারিয়া মুহিউদ্দীন ইয়াহইয়া বিন শরফ আন-নববী রহ.
৫৮১

প্রশংসনীয় গবেষণা

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৫৮২

প্রাচ্যবিদ্যা পরিভাষা বিশ্লেষণ

ফয়সাল বিন খালেদ
৫৮৩

প্রিয় নবীর সান্নিধ্যে চল্লিশ আসর

আদেল বিন আলী আশ-শিদ্দী
৫৮৪

বাংলাদেশে ইসলামি শিক্ষানীতির রূপরেখা

আবদুস শহীদ নাসিম
৫৮৫

বিপদে ধৈর্যধারণ দশটি উপদেশ

সানাউল্লাহ বিন নজির আহমদ
৫৮৬

মজলিসের সৌরভ

তুরকী ইবন ইবরাহীম আল-খানীযান
৫৮৭

মুরাকাবা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৮৮

মুসলিম উম্মাহর সংশোধনের গুরুত্ব ও পদ্ধতি

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
৫৮৯

মুহাসাবা বা আত্মপর্যালোচনা প্রয়োজন ও পদ্ধতি

শাইখ মুহাম্মাদ তাকী উসমানী
৫৯০

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শিক্ষাক্রম ও বর্তমান শিক্ষাক্রমের একটি তুলনামূলক পর্যালোচনা

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৫৯১

শয়তান থেকে বাঁচার কৌশল

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৫৯২

শরয়ী ইলম সংক্রান্ত কিছু জরূরী জ্ঞাতব্য বিষয়

আবু আব্দিল ইলাহ্ ছালেহ্ বিন মুক্ববিল আল্ উছায়মী আত্ তামীমী
৫৯৩

শিক্ষা সাহিত্য ও সংস্কৃতি

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ)
৫৯৪

সৎব্যক্তিদের আসরসমূহ থেকে চার আসর

শাইখ আহমদ আর-রুমী আল-হানাফী রহ.
৫৯৫

সবর কী ও কেন

আলী হাসান তৈয়ব
৫৯৬

সাধারণ ও ইসলামী শিক্ষা কী এবং কেন

আলী হাসান তৈয়ব
৫৯৭

সারা বিশ্বের মুসলিমদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় পাঠ সমূহ

শাইখ আব্দুল্লাহ বিন বায (রহ.)
৫৯৮

আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৫৯৯

আহমদ দীদাত রচনাবলি - ফজলে রাব্বী ও মুহাম্মদ গোলাম মোস্তাফা

আহমদ দীদাত
৬০০

ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের ২০টি বিভ্রান্তিকর প্রশ্নের জবাব

ডাঃ জাকির নায়েক
৬০১

ইসলামের উপর ৪০টি অভিযোগ এবং তার প্রমাণ ভিত্তিক জবাব

ডা. জাকির নায়েক
৬০২

ইসলামের কিছু আলোচিত বিষয়ে অগ্রহণযোগ্য বিভ্রান্তি

শাইখ সালেহ ইবন আবদুল্লাহ আল-হুমাইদ
৬০৩

ইসলামের সমালোচনা ও তার জবাব

ড. সাঈদ ইসমাঈল চীনী
৬০৪

ঈসা মসীহ ইসলামের এক নবী চার্চের বিকৃতির এক ঐতিহাসিক আলেখ্য

মুহাম্মাদ আতাউর- রহীম
৬০৫

কিতাবুল মোকাদ্দস, ইঞ্জিল শরীফ ও ঈসায়ী ধর্ম

ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
৬০৬

কুরআন ও সুন্নাহের ওপর আরোপিত বিভিন্ন প্রশ্নের জাওয়াব

শাইখ: আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায রহ., শাইখ: মুহাম্মাদ বিন সালেহ বিন উসাইমীন রহ., শাইখ: আব্দুর রায্‌যাক আফীফি রহ., শাইখ: আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-জাবরীন রহ., শাইখ: সালেহ বিন ফাওযান আল-ফাওযান
৬০৭

খ্রিস্টান বানানোর অপকৌশল থেকে সাবধান

ইলমী গবেষণা ও ফাতাওয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি
৬০৮

ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৬০৯

বাংলাদেশে নাস্তিক্যবাদী অপতৎপরতা প্রতিরোধের উপায়

আলী হাসান তৈয়ব
৬১০

যিশু কি সত্যিই ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন

ডা. জাকির নায়েক
৬১১

সংক্ষিপ্ত ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব

সাইয়্যেদ মাহমূদ শুকরী আলূসী
৬১২

সংক্ষেপিত ইযহারুল হক্ক

ড. মুহাম্মাদ আহমদ আব্দুল কাদির মালকাবী
৬১৩

আল আকসা মসজিদের ইতিকথা

এ. এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
৬১৪

আলোচিত রাত-দিন

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৬১৫

একজন ইমামের দায়-দায়িত্ব

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৬১৬

কুরআন ও সুন্নাহ’র আলোকে আযান ও ইকামত

সাঈদ ইবন আলী ইবন ওহাফ আল-কাহতানী
৬১৭

কুরআন ও সুন্নাহের আলোকে মসজিদের ফযিলত, বিধি-বিধান ও আদাব

ড. সাঈদ বিন আলী বিন ওহাফ আল-কাহতানী
৬১৮

জুমু‘আ ফযীলত ও বিধি-বিধান

শাইখ আবদুল আযীয ইবন আহমাদ আল-উমাইর
৬১৯

জুমু‘আর দিনের বিধান

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৬২০

নাবালক ছেলের ইমামতের বিধান

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬২১

মসজিদে গমন শিষ্টাচার ও প্রভাব

সালেহ ইবন হামেদ আর-রিফা‘ঈ
৬২২

মসজিদে নববী শরীফের যিয়ারত ও যিয়ারতকারীর জন্য কতিপয় সতর্কতা ও নির্দেশনা

ড. আব্দুল্লাহ ইবন নাজী আল-মাখলাফী
৬২৩

মসজিদের ইমামদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান

আব্দুল আযীয ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ আস-সাদহান
৬২৪

জিহাদ ও ক্বিতাল

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৬২৫

দাওয়াত ও জিহাদ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৬২৬

মুজাহাদা মুমিন জীবনের দিশারী

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৬২৭

ইসলামের দৃষ্টিতে আন্তধর্ম বিয়ে

আলী হাসান তৈয়ব
৬২৮

বিয়ে করণীয় ও বর্জনীয়

আলী হাসান তৈয়ব
৬২৯

বিয়ের প্রস্তাব করণীয় ও বর্জনীয়

আলী হাসান তৈয়ব
৬৩০

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বহুবিবাহ

শাইখ মুহাম্মদ আলী সাবুনী
৬৩১

স্ত্রী নির্বাচন

মফিজুল ইসলাম
৬৩২

হিল্লা বিয়ে

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬৩৩

অন্য-পথের-কন্যারা

Mrs. Carol. L. Anway M.S. Ed.
৬৩৪

অসহায় নারীদের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসুন

আলী হাসান তৈয়ব
৬৩৫

ইসলামে নারী বনাম ইয়াহূদী-খৃষ্টান ধর্মে নারী

ড. শরীফ আব্দুল আযীম
৬৩৬

ইসলামে নারীর অধিকার

আলী হাসান তৈয়ব
৬৩৭

ইসলামের পর্দা বিধান নিয়ে একটি লিখিত সংলাপ

আলী হাসান তৈয়ব
৬৩৮

কিতাবুন নিসা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৬৩৯

কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে পর্দা

মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমিন রহ.
৬৪০

জান্নাতী রমণী

মুহাঃ আবদুল্লাহ্‌ আল কাফী
৬৪১

জান্নাতে নারীদের অবস্থা

আলী হাসান তৈয়ব
৬৪২

নারী ইসলামের পূর্বে ও পরে

মুতয়েব উমার আল-হারেসী
৬৪৩

নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ইসলামের ভূমিকা

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৬৪৪

নারী শিক্ষা সম্পর্কে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি

ড. মো. আব্দুল কাদের
৬৪৫

নারীদের যে বিষয়গুলো না জানলেই নয়

আমির জামান, নাজমা জামান
৬৪৬

নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলাম

শাইখ আব্দুর রাজ্জাক ইবন আব্দুল মুহসিন আল-বদর
৬৪৭

নারীর ইসলামী শিক্ষার ব্যবস্থাকরণ

আব্দুল্লাহ আল-মামুন
৬৪৮

নারীর জান্নাত যে পথে

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬৪৯

নারীর প্রাকৃতিক রক্তস্রাব

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৬৫০

পর্দা একটি ইবাদত

মাদারুল ওয়াত্বান, শিক্ষা বিভাগ
৬৫১

পর্দা কেন

শাইখ মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন ইসমাঈল আল-মুকাদ্দিম
৬৫২

পর্দা জাতীয় উন্নতির পথে বাধা নয়

পর্দা জাতীয় উন্নতির পথে বাধা নয়
৬৫৩

পর্দা নারীর দুর্গ ও রক্ষাকারী ঢাল

চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ
৬৫৪

পর্দাহীনতার পরিণতি

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৬৫৫

ফেরারী নারী

আবু বকর সিরাজী
৬৫৬

মহিলাদের স্রাব ও প্রসূতি অবস্থার বিধিবিধান সংক্রান্ত ৬০টি প্রশ্ন

আল্লামা শাইখ মুহাম্মাদ ইব্‌ন সালেহ্‌ আল-উসাইমীন
৬৫৭

মুক্তবাসিনী-২

আবু বকর সিরাজী
৬৫৮

মুখমণ্ডল ঢাকা কি হিজাবের অংশ নয়

আলী হাসান তৈয়ব
৬৫৯

মুমিন নারীদের বিশেষ বিধান

ড. সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
৬৬০

মুসলিম নারী এবং সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য

অধ্যাপক ড. ফালেহ ইবন মুহাম্মাদ আস-সুগাইর
৬৬১

মুসলিম নারীর অধিকার ও দায়িত্ব ইসলামের ইশতিহার ও সনদ

ফায়সাল বিন খালেদ
৬৬২

মুসলিম নারীর অবশ্য পালনীয় কতিপয় আমল

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৬৬৩

শরঈ পর্দা বলতে কী বুঝায়

আলী হাসান তৈয়ব
৬৬৪

সম্পদে নারীর উত্তরাধিকার ইসলামই দিয়েছে প্রাপ্তির নিশ্চয়তা

মুহাম্মাদ আফীফ ফুরকান
৬৬৫

সৌন্দর্য প্রদর্শন ও বেপর্দা প্রসঙ্গে মুমিন নারীদের জন্য কতিপয় নির্দেশনা

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৬৬৬

একজন সফল গার্ডিয়ানের গুণাবলি

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৬৬৭

একজন সফল শিক্ষকের গুণাবলি

মুহাম্মাদ শামসুল হক সিদ্দিক
৬৬৮

কীভাবে আমরা সন্তানদের লালন-পালন করব

আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান
৬৬৯

ক্যারিয়ার বিকশিত জীবনের দ্বার

আইসিএস পাবলিকেশন
৬৭০

ভালো ছাত্র হওয়ার উপায়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৬৭১

মোরা বড় হতে চাই

আহসান হাবীব ইমরোজ
৬৭২

যেভাবে একজন হাজী তার সন্তানদের উপদেশ দেবে

নু‘মান আবুল বাশার
৬৭৩

শিশুদের লালন-পালন [মাতা-পিতার দায়িত্ব ও সন্তানের করণীয়]

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন জামীল যাইনূ রহ.
৬৭৪

সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানের ক্ষেত্রে করণীয়

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬৭৫

সন্তান প্রতিপালনে ইসলামের প্রেরণা

আলী হাসান তৈয়ব
৬৭৬

সন্তানের হক

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
৬৭৭

সফলতা আপনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকবে

আলী হাসান তৈয়ব
৬৭৮

সফলতার পথ-পথান্তর

ড. তাওফিক আলি যবাদি
৬৭৯

আকীদা ও ফিক্হ [ ১ম শ্রেণী ]

অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসাইন মোল্লা, ড. মো. আনোয়ারুল কবীর, অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম, ড. মো. মানজূরে ইলাহী, অধ্যাপক মো. নূরুল্লাহ
৬৮০

আকীদা ও ফিক্হ [ ২য় শ্রেণী ]

অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসাইন মোল্লা, ড. মো. আনোয়ারুল কবীর, অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম, ড. মো. মানজূরে ইলাহী, অধ্যাপক মো. নূরুল্লাহ
৬৮১

আকীদা ও ফিক্হ [ ৩য় শ্রেণী ]

অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসাইন মোল্লা, ড. মো. আনোয়ারুল কবীর, অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম, ড. মো. মানজূরে ইলাহী, অধ্যাপক মো. নূরুল্লাহ
৬৮২

গল্পে আঁকা ইতিহাস ১ -আঁধার রাতের বন্ধু

আলী তানতাভী
৬৮৩

গল্পে আঁকা ইতিহাস ২ -অপরাধী ও পুলিশ

আলী তানতাভী
৬৮৪

গল্পে আঁকা ইতিহাস ৪ -দুই ভাইয়ের গল্প

আলী তানতাভী
৬৮৫

গল্পে আঁকা ইতিহাস ৫ -দুই সওদাগরের কাহিনী

আলী তানতাভী
৬৮৬

গল্পে আঁকা ইতিহাস ৬ -আঙুর ও মন্ত্রীত্ব

আলী তানতাভী
৬৮৭

গল্পে আঁকা ইতিহাস ৭ -মন্ত্রীর ছেলে

আলী তানতাভী
৬৮৮

ছোটদের আকীদাহ ও আখলাক

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৬৮৯

শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মাতৃদুগ্ধদানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য

ড. হুসাইন আহমাদ
৬৯০

শিশু সাহিত্যসাধনায় মুসলমান

মিরাজ রহমান
৬৯১

শিশুদের তাওহীদ শিক্ষা

ড. আব্দুল আজীজ বিন মুহাম্মদ আল আব্দুল লতীফ
৬৯২

শিশুদের প্রতি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভালোবাসা

মনির হোসেন হেলালী
৬৯৩

শিশুর নাম নির্বাচন ইসলামী দৃষ্টিকোণ

মুহাম্মাদ নুরুল্লাহ তারীফ
৬৯৪

শিশুর নৈতিকতা গঠনে পারিবারিক শিক্ষা ও পর্দা অনুশীলনের গুরুত্ব

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৬৯৫

সোনামনিদের হাদীস শিক্ষা আসর-১

আলী হাসান তৈয়ব
৬৯৬

হে আমার মেয়ে

আলী আত-তানতাওয়ী আল-মিসরী
৬৯৭

আয়াতে তাতহীর ও হাদিসে কিসার অর্থ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬৯৮

কতিপয় প্রশ্ন যা শী‘আ যুবকদের সত্যের দিকে ধাবিত করেছে

সুলাইমান ইবন সালেহ আল-খারাশি
৬৯৯

কাদিয়ানী মতবাদ (পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ)

এহসান ইলাহী জহীর
৭০০

কাদিয়ানীরা নিন্দনীয় কেন

ড. রফী‘ উওনলা বাসীরী ইজীবুঈ
৭০১

দ্বাদশ-ইমামী শী‘আ ধর্মের মূলনীতিসমূহের সুস্পষ্ট রূপরেখা

মুহিব্বুদ্দীন আল-খতিব
৭০২

নুসাইরিয়া সম্প্রদায়

ড. গালেব ইব্‌ন আলি আওয়াজি
৭০৩

প্রত্যেক শীয়ার প্রতি আমার নসিহত

শায়খ আবু বকর জাবের আল-জাযায়েরি
৭০৪

বারো ইমামের অনুসারী শিয়াদের দৃষ্টিতে চার ইমাম (আবু হানিফা, মালেক, শাফে‘ঈ ও আহমাদ)

শাইখ খালেদ ইবন আহমাদ আয-যাহরানী
৭০৫

শিয়া আকিদার অসারতা

শাইখ মুহাম্মদ আবদুস সাত্তার আত-তুনসাবী
৭০৬

শিয়া আলেম ও অধিকাংশ মুসলিম আলেমের মধ্যে বিরোধের বাস্তব চিত্র

সা‘ঈদ ইসমাঈল
৭০৭

শিয়া ও মসজিদে আকসা

তারেক আহমদ হিজাযী
৭০৮

শিয়াদের আকীদা-বিশ্বাস

আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আস সালাফী
৭০৯

শী‘আ মতবাদের বিস্তৃতি

আব্দুল্লাহ আল-মাত্বরাফী
৭১০

সূফীবাদ কুরআন ও সুন্নাহ-এর মানদণ্ডে

মুহাম্মাদ জামীল যাইনূ
৭১১

সূফীবাদ

আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
৭১২

হিযবুল্লাহ সম্পর্কে কী জানেন

আলী আস-সাদিক
৭১৩

হুতী শিয়াদের আসল চেহারা

প্রফেসর ডক্টর সুলাইমান বিন সালিহ আল গুসন
৭১৪

অন্তর বিধ্বংসী বিষয় আসক্তি

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৫

অন্তর বিধ্বংসী বিষয় দুনিয়ার মহব্বত

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৬

অন্তর বিধ্বংসী বিষয় প্রবৃত্তির অনুসরণ

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৭

অন্তর বিধ্বংসী বিষয়সমূহ অহংকার

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৮

অন্তর-বিধ্বংসী বিষয়সমূহ ঝগড়া-বিবাদ

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৯

অন্তর-বিধ্বংসী বিষয়সমূহ নিফাক

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭২০

অমুসলিম সংখ্যালঘুদের প্রতি ইসলামের উদারতা

আলী হাসান তৈয়ব
৭২১

আমরা কাদের সাথে বন্ধুত্ব করব

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৭২২

আমার দেখা বৃটেন

ড. আব্দুল্লাহ খাতের রহ.
৭২৩

আল-গিরাস চিন্তার উন্মেষ ও কর্মবিকাশের অনুশীলন (১ম খন্ড)

তাওফীক বিন খলফ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-রেফায়ী
৭২৪

আলেমগণের মধ্যে মতভেদ কারণ এবং আমাদের অবস্থান

আল্লামা শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ্ আল-উসাইমীন
৭২৫

আল্লাহর (দ্বীনকে) রক্ষা কর, তিনি তোমাকে রক্ষা করবেন

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৭২৬

আশুরাকে ঘিরে ইসলামী আদর্শ ও জাহিলি কীর্তিকলাপ

আব্দুল আযীয ইবন মারযুক তারিফী
৭২৭

ইনসানে কামেল

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৭২৮

ইন্টারনেট দীন প্রচারের বিশ্বমঞ্চ

আলী হাসান তৈয়ব
৭২৯

ইবনুল কাইয়্যেম রহ.-এর আল-ফাওয়ায়েদ অবলম্বনে মুখতাসারুল ফাওয়ায়েদ

ড. আহমাদ ইবন উসমান আল-মাযইয়াদ
৭৩০

ইবনুল কাইয়্যেম রহ.-এর কিতাবুর রূহ অবলম্বনে রূহ সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত মাসআলাসমূহ

সুলাইমান ইবন সালিহ আল-খারাশী
৭৩১

ইবাদত-বন্দেগীতে মধ্যপন্থা অবলম্বন

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৩২

ইসলাম একমাত্র পরিপূর্ণ দীন

মুহাম্মাদ আল-আমীন ইবন মুহাম্মাদ আল-মুখতার আশ্‌-শানকীতী
৭৩৩

ইসলাম ও বাস্তবতার আলোকে আরব জাতীয়তাবাদ

শাইখ আব্দুল আযীয ইব্‌ন আব্দিল্লাহ্ ইব্‌ন বায -রাহেমাহুল্লাহ্-
৭৩৪

ইসলাম ও সার্বজনীন মানবাধিকার

শায়খ লিয়াকত আলী আব্দুস সবুর
৭৩৫

ইসলাম বাস্তববাদী জীবনাদর্শ

শায়খ লিয়াকত আলী আব্দুস সবুর
৭৩৬

ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলা নববর্ষ উদযাপন মুসলিমদের করণীয়

ইঞ্জিনিয়ার মো: এনামুল হক
৭৩৭

ইসলামী মিডিয়ার উৎস, মূলনীতি ও ভিত্তিসমূহ

ড. মো: আব্দুল কাদের
৭৩৮

ইসলামী সভ্যতা ও সংস্কৃতি

আবুল কালাম আযাদ আনোয়ার ও আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান
৭৩৯

ইসলামী সমাজে মজুরের অধিকার

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম
৭৪০

ইসলামে ইবাদত ভাব ও তাৎপর্য

ইকবাল হোছাইন মাছুম
৭৪১

ইসলামে ইবাদাত

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৭৪২

ইসলামে জিযয়াহ্‌র বিধান

ড. মুনকিয বিন মাহমুদ আস-সাক্কার
৭৪৩

ইসলামে দাস বিধি

আবদুল্লাহ নাসেহ ‘উলওয়ান
৭৪৪

ইসলামে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) এর বিধান

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
৭৪৫

ইসলামে শ্রমিকের অধিকার

আলী হাসান তৈয়ব
৭৪৬

ইসলামে সার্বভৌমত্বের স্বরূপ

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
৭৪৭

ইসলামের দৃষ্টিতে বিশ্ব ভালবাসা দিবস

আ.স.ম শোয়াইব আহমাদ (পিএইচ.ডি)
৭৪৮

উৎসাহ উদ্দিপনা মূলক গল্প

QuranerAlo Desk
৭৪৯

একগুচ্ছ মুক্তাদানা দ্বীনে ইসলামীর সৌন্দর্য

শাইখ আবদুর রহমান ইবন নাসের ইবন সা‘দী রহ.
৭৫০

এপ্রিলের মিথ্যাচার

মুহাম্মদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৭৫১

কি ঘটেছিল কারবালায় কারা হুসাইন রাদিয়াল্লাহ আনহুকে হত্যা করেছে

আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
৭৫২

কীভাবে করবো বর্ষবরণ

খালেদ ইবন হুসাইন ইবন আবদুর রহমান
৭৫৩

কুরআন ও সুন্নার আলোকে এইচআইভি এইডস প্রতিরোধে তরুণদের করণীয়

ড. মোহাম্মাদ মানজুরে ইলাহী
৭৫৪

কুরআন ও সুন্নাহর দৃষ্টিকোণে স্বপ্ন ও তার ব্যাখ্যা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৫৫

কুরআন ও হাদীসের আলোকে শাফা‘আত

মুহাম্মাদ নাজমুল ইসলাম
৭৫৬

কেউ কারও দাস নয়, সবাই আল্লাহর দাস

আলী হাসান তৈয়ব
৭৫৭

খেলাধুলা ও শরীরচর্চায় ইসলামী মূলনীতি

আলী হাসান তৈয়ব
৭৫৮

গল্পের মাধ্যমে জ্ঞান

হাদীছ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
৭৫৯

গুহাতে আশ্রয় গ্রহণকারী তিন ব্যক্তির গল্প

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৭৬০

জীবন দর্শন

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৭৬১

দাড়ি রাখা ওয়াজিব

এ.কিউ.এম মাসূম মজুমদার
৭৬২

দীনী কাজ সহজিকরণে কম্পিউটার

আলী হাসান তৈয়ব
৭৬৩

দীনের ওপর অবিচল থাকার উপায়

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৭৬৪

দুর্নীতি রোধে কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা ইসলামী দৃষ্টিকোণ

ড. মো. আকতার হোসেন
৭৬৫

নবুওয়তের দাবীদারদের উৎপত্তি ও ঐতিহাসিক পরিণতি

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
৭৬৬

নাজাফ সম্মেলন

সাইয়েদ আব্দুল্লাহ আস-সুওয়াইদী
৭৬৭

নিয়ত অনুসারে পরিণতি

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৭৬৮

নিয়ত একটি তাত্ত্বিক পর্যালোচনা

মু. সাইফুল ইসলাম
৭৬৯

পবিত্র মদীনা মুনাওওয়ারার নাম, ফযিলত ও এখানে অবস্থানের আদবসমূহ

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৭৭০

পরিবেশ বিপর্যয় রোধে ইসলাম

মাওলাই মোস্তাফা বারজাওয়ী
৭৭১

পশ্চিমা সংস্কৃতির কুপ্রভাব

আলী হাসান তৈয়ব
৭৭২

প্রকৃতি ও শরীয়ত স্বীকৃত অধিকার

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল উসাইমিন রহ.
৭৭৩

প্রতিপক্ষের মতামত খন্ডনে ইসলামি শিষ্টাচার

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৭৪

ফিদাক নিয়ে ফাতিমা ও আবূ বকরের মাঝে বিরোধের হাকীকত

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৭৭৫

ফেসবুক হোক দাওয়াতের বাতায়ন

আলী হাসান তৈয়ব
৭৭৬

বন্ধুত্ব ও শত্রুতা ইসলামী দৃষ্টিকোণে

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৭৭৭

বর্ষাকালের বিবিধ বিধান

আলী হাসান তৈয়ব
৭৭৮

বাংলাদেশের মাতৃভাষা আন্দোলনের উদ্দেশ্য ও ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি

মুহাম্মাদ শাহিদুল ইসলাম
৭৭৯

বিশ্ব বাবা দিবস ইসলামী দৃষ্টিকোণ

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৮০

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস পেছন ফিরে দেখা

আলী হাসান তৈয়ব
৭৮১

বিশ্ব মা দিবস শরয়ী দৃষ্টিভঙ্গি

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৮২

বেলা ফুরাবার আগে

আবু বকর সিরাজী
৭৮৩

বৈধ অবৈধের মানদণ্ডে পবিত্র মক্কার বিভিন্ন স্থানসমূহের সম্মাননা

শাইখ সা‘দ ইবন আলী আশ-শাহরানী
৭৮৪

মদিনা শরিফের ফজিলত জিয়ারত ও অবস্থানকালীন আদব

আব্দুল মুহসিন বিন হামাদ আল আববাদ আল বদর
৭৮৫

মদীনাতুন্নবীর যিয়ারত

আখতারুজ্জামান
৭৮৬

মানব ও সমাজসেবায় ইসলামের প্রেরণা

আলী হাসান তৈয়ব
৭৮৭

মানব সম্পদ উন্নয়নে ইসলাম

ড. হুসাইন আহমাদ
৭৮৮

মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কী হারালো?

সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী (র.)
৭৮৯

মুসলিম উম্মাহর মানসিক বিপর্যয়ঃ কারণ ও প্রতিকার

ড. আব্দুল্লাহ আল-খাতির
৭৯০

মুসলিম জাতির বিপর্যয়ের কারণ

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
৭৯১

মুসলিমের হক

আলী হাসান তৈয়ব
৭৯২

মুহররম ও আশুরার ফযীলত

মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৭৯৩

যখন চাইবে আল্লাহর কাছেই চাইবে

ইকবাল হোছাইন মাছুম
৭৯৪

যিয়ারতে মসজিদে নববী

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৭৯৫

রাফ‘উল মালাম সম্মানিত ঈমামগণের সমালোচনার জবাব

শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন আবদুল হালীম ইবন তাইমিয়্যাহ
৭৯৬

শয়তানের প্রবেশপথ

নুমান বিন আবুল বাশার
৭৯৭

শরীয়তের মানদন্ডে রজব মাসের ফজিলত

ফায়সাল বিন আলী আল-বাদানী
৭৯৮

সৎ মানুষের হৃদয়ে শয়তান প্রবেশের ধরণ ও প্রকৃতি

ডক্টর আব্দুল্লাহ আল-খাতির
৭৯৯

সমুদ্র নি‘আমতের অফুরান ভাণ্ডার

আলী হাসান তৈয়ব
৮০০

স্বনির্ভরতা অর্জনে ইসলাম একটি পর্যালোচনা

ড. হুসাইন আহমাদ
৮০১

হারাম শরীফের দেশ ফজিলত ও আহকাম

দা‘ওয়াহ ও উসূলুদ্দীন ফ্যাকাল্টি, উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়

আল্লাহর নৈকট্য লাভের অনন্য উপায় তাওবা

লেখকঃ জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ২৩

পরিচ্ছেদঃ ১

কিতাবের নাম/ লেখক/ অনুবাদক/ সম্পাদক

আল্লাহর নৈকট্য লাভের অনন্য উপায় তাওবা

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের

সম্পাদনা : ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
পরিচ্ছেদঃ ২

ভূমিকা

إِنَّ الْحَمْدُ للهِ ، نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِيْنُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ ، وَنَعُـوْذُ بِاللهِ مِنْ شُرُوْرِ أَنْفُسِنَا ، وَمِنْ سَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا ، مَنْ يَّهْدِهِ اللهُ فَلاَ مُضِلَّ لَهُ ، وَمَنْ يُّضْلِلِ اللهُ فَلاَ هَادِيَ لَهُ ، وَأَشْهَدُ أَنْ لاَّ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ

নিশ্চয়ই যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্য। আমরা তারই প্রশংসা করি, তার কাছে সাহায্য চাই, তার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আল্লাহর নিকট আমরা আমাদের প্রবৃত্তির অনিষ্ট ও আমাদের কর্মসমূহের খারাবী থেকে আশ্রয় কামনা করি। আল্লাহ যাকে হেদায়েত দেন, তাকে গোমরাহ করার কেউ নাই। আর যাকে গোমরাহ করেন তাকে হেদায়েত দেয়ার কেউ নাই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্যিকার ইলাহ নেই, তিনি একক, তার কোন শরিক নাই। আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। সালাত ও সালাম নাযিল হোক তার উপর, তার পরিবার-পরিজন ও তার সাহাবীদের উপর এবং যারা কিয়ামত পর্যন্ত ‌ ইহসানের সাথে তাদের অনুসরণ করেন তাদের উপর।

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন স্বীয় বান্দাদের প্রতি অধিক দয়ালু ও ক্ষমাশীল। তিনি তার বান্দাদের যে কোন উপায়ে ক্ষমা করতে ও তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করতে পছন্দ করেন। আল্লাহ তা’আলা মানুষের ছোট গুনাহ কেবল নেক আমল করা দ্বারাই ক্ষমা করে দেন। কিন্তু কবীরা গুনাহ তাওবা ছাড়া ক্ষমা করা হয় না। তাই কবীরা গুনাহ হতে ক্ষমা পাওয়ার জন্য তাওবা করা জরুরি। আমরা মনে করি মুখে শুধু ‘আসতাগফিরুল্লাহ’ বলার নামই তাওবা। বাস্তবে তা কিন্তু তাওবা নয়। বাস্তবে তাওবা কাকে বলে, তাওবা কবুল হওয়ার শর্ত, তাওবার প্রতিবন্ধকতা, তাওবা করার প্রদ্ধতি, তাওবা কবুল হওয়ার আলামত ইত্যাদি বিষয়গুলো এ বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে।

আল্লাহর নিকট কামনা তিনি যেন আমাদের আমলকে কবুল করেন এবং আল্লাহর নিকট খালেস তাওবা করার তাওফীক দেন। আমীন।
পরিচ্ছেদঃ ৩

তাওবা: তাওবার গুরুত্ব

আল্লাহ তা’আলার দরবারে বান্দার তাওবা অধিক পছন্দনীয়। কোন মানুষ অপরাধ করার পর যখন আল্লাহ তা’আলার নিকট তাওবা করে এবং তার দ্বারা সংঘটিত গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে, আল্লাহ তাকে অত্যধিক পছন্দ করেন, তার তাওবা কবুল করেন এবং তাওবার মাধ্যমে বান্দাকে পবিত্র করেন। আল্লাহ তা’আলা নিজেই মুমিনদেরকে তাওবা করার নির্দেশ দিয়ে বলেন-

﴿ وَتُوبُوٓاْ إِلَى ٱللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ لَعَلَّكُمۡ تُفۡلِحُونَ ٣١ ﴾ [ النور : ٣١ ]

“হে মুমিনগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর দিকে তাওবা [প্রত্যাবর্তন] কর, নিশ্চয় তোমরা সফলকাম হবে”। [সূরা নূর আয়াত: ৩১]

আর যারা তাওবা করে না, তাদের আল্লাহ তা’আলা যালেম বলে আখ্যায়িত করেন। তাদের সম্পর্কে আল্লাহ তা’আলা বলেন,

﴿وَمَن لَّمۡ يَتُبۡ فَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلظَّٰلِمُونَ ١١ ﴾ [ الحجرات : ١١ ]

“যারা তাওবা করবে না, তারাই অত্যাচারী”। [[সূরা হুজরাত, আয়াত: ১১]]

উলে¬খিত আয়াতদ্বয়ে আল্লাহ তা’আলা মুমিনদের দুটি ভাগে ভাগ করেছেন। এক- তাওবাকারী, তাদের সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, তারাই সফলকাম। দ্বিতীয়- যারা তাওবা করে না, তাদের সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, তারাই অত্যাচারী ও জালিম। এ দুই ভাগের মধ্যে কোন তৃতীয় ভাগ নাই। আমাদের নির্ধারণ করতে হবে, আমরা কোন ভাগের অন্তর্ভূক্ত হবো?

বান্দা যখন কোন অপরাধ করে আল্লাহর নিকট ফিরে যায় এবং তাওবা করে, আল্লাহ তার তাওবা কবুল করেন আল্লাহ তা’আলা তার প্রতি অধিক খুশি হন। যেমন, আনাস বিন মালেক রা. হতে বর্ণিত হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-

لله أشد فرحا بتوبة عبده حين يتوب إليه من أحدكم كان راحلته بأرض فلاة فانفلتت منه وعليها طعامه وشرابه فأيس منها فأتى شجرة فاضطجع في ظلها قد أيس من راحلته فبينما هو كذلك إذ هو بها قائمة عنده فأخذ بخطامها ثم قال من شدة الفرح : اللهم أنت عبدي وأنا ربك أخطأ من شدة الفرح " . رواه مسلم .

“আল্লাহ তা‘আলা স্বীয় বান্দার তাওবায় ঐ ব্যক্তির চেয়েও অধিক খুশি হন, যে ব্যক্তি তার বাহন সাওয়ারী নিয়ে কোন জনমানব শূন্য প্রান্তরে অবস্থান করছিল, হঠাৎ তার সাওয়ারীটি পালিয়ে গেল। সাওয়ারীটির সাথে ছিল তার খাদ্য ও পানীয় বস্তু। লোকটি সাওয়ারীটি খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে তার ব্যাপারে হতাশ হয়ে একটি গাছের নিকট এসে তার ছায়া-তলে এসে শুয়ে পড়ল। কিছুক্ষণ পর ঘুম থেকে উঠে সে দেখে তার সাওয়ারীটি তার পার্শ্বে এসে দাঁড়িয়ে আছে। তখন সে অধিক খুশিতে তার সাওয়ারীর লাগাম চেপে ধরে বলল, হে আল্লাহ! তুমি আমার বান্দা এবং আমি তোমার রব! লোকটি অধিক খুশিতে উল্টা-পাল্টা বলে ফেলল”। [মুসলিম, হাদিস: ২৭৪৪, জামে সহীহ: ৩৬৮/৪]

হে মুসলিম ভাই! মনে রাখবেন, আল্লাহ আমাদের হিসাব নেয়ার আগে আমরা আমাদের নিজেদের হিসাব করে নিব। আল্লাহ আপনার হিসাব করার পূর্বে আপনার হিসাব আপনি করুন। তাতে আপনার হিসাব দেয়া সহজ হবে।

যদি সম্ভব হয় প্রতিদিন একবার অথবা সপ্তাহে বা অথবা কমপক্ষে মাসে একবার তাওবা করুন এবং আপনি আপনার হিসাব করুন। আপনি নিজেকে প্রশ্ন করুন, এমন কোন কাজ করছেন কি, যা সঠিক আক্বীদা পরিপন্থী/ দ্বীনের স্তম্ভ সালাত কায়েমে আপনার কোন দুর্বলতা আছে কি? ইসলামের অন্যান্য মৌলিক বিষয়গুলি যথাযথ ভাবে আদায় করছেন কি/ আপনি কোন কবীরা গুনাহে লিপ্ত হয়েছেন কি?

এখনো তওবা দ্বারা ক্ষমা করা হয়। তবে তওবা কাকে বলে, তাওবার অর্থ কি এবং তাওবা কবুল হওয়ার শর্ত কি? তা আমাদের অনেকেরই জানা নাই। তাই আমরা নিম্নে উল্লেখিত বিষয়গুলো আলোচনা করব। আল্লাহ আমাদের বুঝার ও আমল করার তাওফীক দান করুন।
পরিচ্ছেদঃ ৪

তাওবার সংজ্ঞা : তাওবা কাকে বলে?

খারাপ কাজ-গুনাহ, পাপচার, অন্যায়-অবিচার ও আল্লাহর নাফরমানি হতে বান্দা নেক কাজ করার মাধ্যমে তার প্রভুর দিকে ফিরে আসাকে তাওবা বলা হয়। অনেক লোকেরা মনে করে, শুধু মাত্র খারাব কাজ বা গুনাহের কাজ থেকে ক্ষমা চাওয়া বা তা থেকে ফিরে আসার নাম তাওবা। কিন্তু তাদের এ ধরনের ধারণা মোটেই ঠিক না। বরং, এ ক্ষেত্রে সঠিক, নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য কথা হল, যে সব নেক আমল করার জন্য আল্লাহ তা’আলা বান্দাকে নির্দেশ দিয়েছেন তা ছেড়ে দেয়াও গুনাহ-অন্যায়। যারা এ সব নেক আমালগুলো পালন করা ছেড়ে দেয় তাদের অবশ্যই তা ছেড়ে দেয়া হতে তাওবা করা এবং ফিরে আসা, নিষিদ্ধ কাজ করা থেকে তাওবা করার চেয়ে আরও বেশী গুরুত্বপুর্ণ।

অধিকাংশ মানুষ আল্লাহর অনেক আদেশ, অন্তরের কার্যাদি, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের আমল বা যিকির ছেড়ে দেয়, অথচ তারা জানেই না যে এগুলো সবই আল্লাহর আদেশের অন্তর্ভুক্ত এবং এ গুলো ছেড়ে দেয়া বা এ সব আমল পালন করা হতে বিরত থাকা মারাত্মক অপরাধ ও বড় গুনাহ। অথবা জানা থাকলেও তারা তার পাবন্দি করে না এবং এগুলো ছেড়ে দেয়াতে যে তার পাপ হচ্ছে, তা থেকে ফিরে আসা ও তাওবা করা যে গুরুত্বপূর্ণ বা অতীব জরুরী তা তারা বিশ্বাস করে না। ফলে সত্যিকার জ্ঞান না থাকার কারণে তারা হয়ত পথভ্রষ্টদের দলভুক্ত হয় অথবা অভিশপ্ত সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয়। সত্যকে সত্য বলে জানা সত্ত্বেও তা হতে বিরত থেকে তারা মন্দ পরিণতির অধিকারীই রয়ে গেল।

মোট কথা, তাওবা বান্দার জীবনের শেষ ও শুরু। তবে তার প্রয়োজন যেমনিভাবে জীবনের শেষাংশে জরুরী অনুরূপভাবে জীবনের প্রথমাংশেও জরুরী। যেমন- আল্লাহ তা’আলা বলেন-

﴿ وَتُوبُوٓاْ إِلَى ٱللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ لَعَلَّكُمۡ تُفۡلِحُونَ ٣١ ﴾ [ النور : ٣١ ]

“হে ঈমাদারগণ তোমরা সকলে আল্লাহর নিকট তাওবা কর নিশ্চয় তোমরা কামিয়াব হবে”। [সূরা নূর, আয়াত: ৩১] উলে¬খিত আয়াতটি মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে। এ আয়াতে আল্লাহ তা’আলা শুধু ঈমানদার নয় বরং তখনকার সময়ের সবচেয়ে উত্তম মানব যারা জিহাদ, সবর, হিজরতসহ যাবতীয় নেক কাজের জন্য কিয়ামত পর্যন্ত ইতিহাস হয়ে থাকবেন, তাদেরকেও তাওবা করার নির্দেশ দেন এবং তারপর তিনি তাওবা করাকে সফলতা ও কামিয়াবী লাভের কারণ নির্ধারণ করেন। সুতরাং, কামিয়াবী বা সফলতা পাওয়ার একমাত্র উপায় হল আল্লাহর নিকট খালেস তাওবা করা। আল্লাহর দরবারে তাওবা করা ও যাবতীয় গুনাহ হতে ক্ষমা প্রার্থনা ছাড়া কোন ঈমানদারই সফল হতে পারে না।
পরিচ্ছেদঃ ৫

তাওবাতুন নাছুহা কি?

মনে রাখতে হবে, তাওবা হল মানুষের অন্তরের আন্তরিক প্রচেষ্টা, অনুশোচনা। অর্থাৎ, মানুষের অন্তরে অপরাধবোধ জাগ্রত হওয়া এবং নিজেকে গুনাহের কারণে অপরাধী মনে করা যা বান্দার অন্তরে কখনো কখনো জাগ্রত হয়ে থাকে। অন্তরে এ ধরনের অনুভূতি জাগ্রত হওয়ার অর্থই হল তাওবা বা ক্ষমা প্রার্থনা ও আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়া। এ ধরনের ক্ষমা প্রার্থনা বা তাওবাকে তাওবাতুন নাছুহা বলা হয়। আরও মনে রাখবে, আত্মাকে সকল প্রকার গুনাহ, অন্যায়, পাপাচার ইত্যাদি হতে বিরত রাখার মাধ্যমে একজন বান্দা সফলকাম হতে পারে।

জনৈক আলেম তাওবার সংজ্ঞায় বলেন, আল্লাহর অসন্তোষ ও পাকড়াওয়ের ভয়ে গুনাহের ইচ্ছা ত্যাগ করা এবং সমপর্যায়ের যে সব গুনাহ তার দ্বারা সংঘটিত হয়েছে, তার থেকে ফিরে এসে আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করা। শুধু সংঘটিত গুনাহ নয়, যদি কোন গুনাহের ইচ্ছা মনে জাগ্রত হয়ে থাকে তা থেকে ফিরে আসাও এক ধরনের তাওবা। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন-

" إذا تاب العبد توبة نصوحا، أحبه الله فستر عليه " فقلت : وكيف يستر عليه؟ قال : " ينسى ملكيه ما كانا يكتبان عليه، ويوحى إلى جوارحه وإلى بقاع الأرض أن اكتمي عليه ذنوبه، فيلقى الله ـ عز وجل ـ حين يلقاه وليس شيء يشهد عليه بشيء من الذنوب ".

“যখন কোন বান্দা আল্লাহর কাছে খালেস তাওবা-তাওবায়ে নাছুহা- করে, আল্লাহ তা’আলা তাকে মহব্বত করেন এবং তার যাবতীয় গুনাহ গোপন করে রাখেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কীভাবে গোপন করে রাখেন? তিনি বললেন, উভয় ফেরেশতা তার বিরুদ্ধে যা লিপিবদ্ধ করত, তারা তা লিখতে ভূলে যায় এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের প্রতি ও জমীনের -ভূ-খণ্ডের-প্রতি নির্দেশ দেন- তোমরা তার গুনাহগুলো গোপন রাখ! তখন তারা গুনাহগুলো গোপন রাখে। ফলে যে দিন সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে, তখন তার কোন গুনাহ থাকবে না- যা তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে।
পরিচ্ছেদঃ ৬

যে কারণে তাওবা করতে হবে

আর মনে রাখতে হবে, তোমাকে, যে কারণে তাওবা করতে হবে, তার অন্যতম কারণ হল, যাতে আল্লাহর আনুগত্য করা ও বন্দেগী করার সৌভাগ্য তোমার লাভ হয়। কারণ, গুনাহের খারাব পরিণতি হল, গুনাহের কারণে বান্দা যাবতীয় কল্যাণ হতে বঞ্চিত হয় এবং অপমান অপদস্থ হয়। গুনাহ একজন মানুষকে আল্লাহ তা’আলার আনুগত্যের দিকে অগ্রসর হওয়া ও তাঁর গোলামীর দিকে অগ্রগামী হওয়া থেকে বাধা দেয়। এ ছাড়া যার গুনাহের বোঝা ভারি হয়ে যায়, তার জন্য নেক কাজ করা এবং কল্যাণকর কাজে তৎপর হওয়া আর সহজ থাকে না। সব সময় গুনাহে লিপ্ত থাকার কারণে মানুষের অন্তরসমূহ কালো হয়ে যায়। ফলে অন্তরসমূহ অন্ধকারে নিমজ্জিত হয় এবং তা পাথরের মত কঠিন হয়ে পড়ে। তাতে আর কোন ইখলাস থাকে না ইবাদাত বন্দেগীতে কোন মজা ও স্বাদ উপভোগ করে না। আল্লাহ তা’আলা যদি তার প্রতি অনুগ্রহ না করেন তাহলে গুনাহ গুনাহগার ব্যক্তিকে কুফর ও বেঈমানীর দিকে টেনে নিয়ে যায়।

কী আশ্চর্য! যে গুনাহ ও পাপাচারে লিপ্ত তাকে কীভাবে আল্লাহ তার গোলামীর সুযোগ দিবেন। কীভাবে তাকে তার দীনের খেদমতের জন্য ডাকবেন যে সর্বদা তার নাফরমানীতে মশগুল এবং অবাধ্যতায় নিমগ্ন। কীভাবে তাকে মুনাজাতের জন্য কাছে টেনে আনবে যে ময়লা আবর্জনা ও নাপাকীতে আকুণ্ঠ নিমজ্জিত।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন

إذا كذب العبد تنحى عنه الملكان من نتن ما يخرج من فيه فكيف يصلح هذا اللسان لذكر الله عز وجل

“যখন কোন বান্দা মিথ্যা কথা বলে তখন তার মুখ থেকে যে দুর্গন্ধ বের হয় তাতে তার থেকে দুইজন ফেরেশতা দূরে সরে যায়। ফলে এ জিব্হা কীভাবে হবে আল্লাহর যিকির করার যোগ্য বলে বিবেচিত হবে?” [তিরমিযি, হাদিস: ১৯৭২] সুতরাং, এতে বিন্দু পরিমাণও সন্দেহ নাই, যে লোক আল্লাহর নাফরমানী ও তার হুকুমের বিরোধিতার উপর অটল থাকে, সে কখনো আল্লাহর আনুগত্য করা ও ভালো কাজ করার তাওফীক লাভ করতে পারে না এবং তার জন্য নিজ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলিকে আল্লাহর ইবাদাতে কাজে লাগানো সহজ হয় না। সে যদি খরচ করে তবে তাকে অনেক কষ্টে খরচ করতে হয়, তাতে সে মানসিক স্বস্তি ও আন্তরিক তৃপ্তি পায় না এবং ইবাদাতে কোন স্বাদ উপভোগ করে না। এমন হবার মূল কারণ হচ্ছে, সে সব সময় গুনাহতে নিমগ্ন থাকে এবং আল্লাহর দরবারে তাওবা করা ছেড়ে দেয়। সুতরাং, আপনাকে আল্লাহর দরবারে বার বার তাওবা করতে হবে এবং গুনাহের কাজসমূহ হতে বিরত থাকতে হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

يا أيها الناس توبوا إلى الله فإني أتوب في اليوم مائة مرة رواه مسلم

“হে মানব! তোমরা আল্লাহর দরাবরে তাওবা কর। আমি দৈনিক আল্লাহর নিকট একশত বার তাওবা করি”। [[মুসলিম, হাদিস: ২৫৪৩]] আল্লাহ আমাদের বেশি বেশি করে তাওবা করার তাওফীক দান করুন।
পরিচ্ছেদঃ ৭

তাওবা কবুল হওয়ার শর্তাবলী

মনে রাখতে হবে, তাওবা শুধু করলেই কবুল হয়ে যায় না। মুখে ক্ষমা প্রার্থনা দ্বারাই আল্লাহ তা’আলা মানুষকে ক্ষমা করে দেন না। তাওবা কবুল হওয়া বা শুদ্ধ হওয়ার জন্য একাধিক শর্ত রয়েছে। শর্তগুলো পূরণ করা তাওবা কবুল হওয়া পূর্ব শর্ত। এ শর্তগুলোর বাস্তবায়ন ছাড়া তা কবুল হয় না।
পরিচ্ছেদঃ ৮

তাওবা কবুল হওয়ার জন্য চারটি র্শত আছে-

এক- পূর্বের কৃত কাজের উপর লজ্জিত ও অনুতপ্ত হওয়া।

দুই- এমন কাজ দ্বিতীয় বার না করার উপর প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া এবং দৃঢ় সংকল্প করা।

তিন- পূর্বকৃত কাজ থেকে এখনই বিরত হওয়া এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা ও প্রত্যাবর্তন করা।

চার- অন্যের অধিকার ক্ষুন্ন করার কারণে আপনার উপর যে কর্তব্য বা ঋণের দায়িত্ব বর্তায় তা পরিশোধ করা, যেমন, আপনি কাউকে গালি দিয়েছেন অথবা কারও অধিকারে হস্তক্ষেপ করেছেন, তাহলে আপনার কর্তব্য হল, পাওনাদারকে তার পাওনা ফেরত দেয়া এবং তার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা। আর যদি অন্যায়টি অন্যের অধিকার ক্ষুন্ন করার সাথে সম্পর্কিত না হয়, তাহলে পূর্বের তিনটি শর্ত পূর্ণ করলেই তওবা হয়ে যাবে এবং আল্লাহর কাছে আশা করা যায় যে, তিনি আপনাকে ক্ষমা করে দেবেন।

আল্লাহর নিকট প্রার্থনা হল, আল্লাহ যেন আমাদের ক্ষমা করেন এবং আমাদেরকে তাওবা করার তাওফীক দান করেন। আর আমাদের মধ্যে যারা আল্লাহর দরবারে তাওবা করেন তাদের তওবা যেন তিনি কবুল করেন।
পরিচ্ছেদঃ ৯

তাওবার শর্তসমূহের পরিপূরক বিষয়াবলী

এক:- শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করার জন্য পাপ ও গুনাহের কাজ ত্যাগ করাকে তাওবা বলা হবে, অন্য কোন কারণে পাপচার ত্যাগ করাকে তাওবা বলা যাবে না, যেমন;

-অক্ষমতার কারণে পাপ থেকে দূরে থাকা, এসব কর্ম করতে ভাল না লাগা অথবা লোকজন মন্দ বলবে এই ভয়ে পাপ ত্যাগ করা, এমন ব্যক্তিকে তাওবাকারী বলা হবে না।

-যে ব্যক্তি মানহানী ঘটা বা চাকুরীচ্যুত হওয়া বা পদ-পদবী হারানোর ভয়ে তাওবা করে, তাকে তাওবাকারী বলা হবে না।

-যে ব্যক্তি পাপ ত্যাগ করল তার শক্তি ও স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য; যেমন কেউ ব্যভিচার করা ত্যাগ করলো যেন দুরারোগ্য ব্যাধি-এইডস থেকে বাঁচতে পারে অথবা তার শরীর ও স্মৃতি শক্তি যাতে দুর্বল না হয়, তাহলে তাকে তাওবাকারী বলা যাবে না।

-তেমনিভাবে তাকে তাওবাকারী বলা যাবে না, যে ব্যক্তি চুরি করা ছেড়ে দিয়েছে; কোন বাড়ীতে ঢুকার পথ না পেয়ে বা সিন্দুক খুলতে অসমর্থ হওয়ার কারণে কিংবা পাহারাদার ও পুলিশের ভয়ে।

-তাকে তাওবাকারী বলা যাবে না, যে দূর্নীতি দমন বিভাগের লোকজনদের জোর তৎপরতায় ধরা পড়ার ভয়ে ঘুষ খাওয়া বন্দ করে দেয়।

-আর তাকেও তাওবাকারী বলা যাবে না, যে ব্যক্তি মদ পান, মাদকদ্রব্য বা হেরোইন সেবন ইত্যাদি ছেড়ে দেয় দারিদ্রতার আশঙ্কায়।

-তেমনিভাবে তাকেও তাওবাকারী বলা যাবে না, যে সামর্থহীন হওয়ার কারণে গুনাহ করা ছেড়ে দিলো। যেমন মিথ্যা বলা ছেড়ে দিয়েছে তার কথায় জড়তা সৃষ্টি হওয়ার কারণে কিংবা ব্যভিচার করছে না যেহেতু সে শারীরিক সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে, কিংবা চুরি করা ছেড়ে দিয়েছে আহত হয়ে পঙ্গু হয়ে পড়ার কারণে।

বরং এসব থেকে তাওবার জন্য অবশ্যই অনুতপ্ত হতে হবে, সব ধরনের পাপ থেকে মুক্ত হতে হবে এবং অতীত কর্মকান্ডের জন্য লজ্জিত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। এ জন্যেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: التوبة الندامة “অনুতপ্ত হওয়াই হল তাওবা”। [জামে সহীহ, হাদিস নং: ৬৮০২, আহমদ ও ইবনে মাজাহ]

মহান আল্লাহ কোন সৎ কর্ম বা অসৎ কর্ম করার আকাংখা পোষণকারী অপারগকে কর্ম সম্পাদনকারীর মর্যাদায় ভূষিত করেছেন। আপনি জানেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেছেন,

)) ِنَّمَا الدُّنْيَا لأَرَْبَعَةِ نَفَرٍ عَبْدٌ رَزَقَهُ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ مَالاً وَعِلْمًا فَهُوَ يَتَّقِي فِيهِ رَبَّهُ وَيَصِلَ فِيهِ رَحِمَهُ وَيَعْلَمَ للهِ عَزَّ وَجَلَّ فِيهِ حَقًّا، قَالَ : فَهَذَا بِأفْضَلِ الْمَنَازِلِ، وَعَبْدٌ رَزَقَهُ اللهُ عَزَّ وَجَلَّ عِلْمًا وَلَمْ يَرْزُقْهُ مَالاً، قَالَ : فَهُوَ صَادِقُ النِّيَّة، يَقُوْلُ : لَوْ أَنَّ لِي مَالاً لَعَمِلْتُ بِعَمَلِ فُلاَنٍ، فَهُوَ بِنِيَّتِهِ، فَأَجْرُهُمَا سَوَاءٌ، وَعَبْدٌ رَزَقَهُ اللهُ مَالاً وَلَمْ يَرْزُقْهُ عِلْماً يَخْبِطُ فِي مَالِهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَلاَ يَتَّقِي فِيهِ رَبَّهُ، وَلاَ يَصِلُ فِيهِ رَحِمَهُ، وَلاَ يَعْلَمُ لِلّهِ فِيهِ حَقّاً، فَهَذَا بِأَخْبَثِ الْمَنَازِلِ، وَعَبْدٌ لَمْ يَرْزُقْهُ اللهُ مَالاً وَلاَ عِلْماً فَهُوَ يَقُوْلُ : لَوْ أَنَّ لِي مَالاً لَعَمِلْتُ فِيهِ بِعَمَلِ فُلاَنٍ، فَهُوَ بِنِيَّتِهِ، فَوِزْرُهُمَا سَوَاءٌ (( رواه أحمد والترمزي وصححه . وانظر صحيح الترغيب والترغيب .

“দুনিয়া চার প্রকার লোকের জন্য; [১] সেই বান্দার জন্য যাকে আল্লাহ মাল ও জ্ঞান দান করেছেন সুতরাং সে এতে তার প্রভূকে ভয় করছে, তার আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক রাখছে এবং তার ব্যাপারে আল্লাহর হক কি তা জানছে, এ হল সর্বোত্তম অবস্থানে। [২] সেই বান্দা যাকে আল্লাহ জ্ঞান দান করেছেন কিন্তু মাল দেননি, সে হল সঠিক নিয়তের লোক, সে বলে, যদি আমার টাকা পয়সা থাকতো তাহলে উমুক ব্যাক্তির মত কাজ করতাম। সে তার নিয়ত অনুযায়ী সওয়াব পাবে। এদের দুজনের নেকী সমান হবে। [৩] আর সেই বান্দা যাকে আল্লাহ টাকা পয়সা দিয়েছেন কিন্তু জ্ঞান দান করেননি। সে না জেনেই তার টাকা পয়সা খরচ করছে। এতে সে আল্লাহকে ভয় করে না, আত্মীয়তা রক্ষা করে না এবং এতে আল্লাহর হকও সে জানে না। সে হল সর্ব নিকৃষ্ট অবস্থানে। [৪] আর সেই বান্দা যাকে আল্লাহ মালও দেননি জ্ঞানও দেননি, সে বলে আমার টাকা পয়সা থাকলে উমুকের মতই [খারাপ কাজ] করতাম। সে তার নিয়ত অনুযায়ী প্রতিদান পাবে। এরা দুজনই গুনাহর দিক থেকে সমান। [তিরমিযি, হাদিস : ২৩২৫]

দুই:- পাপের কদর্যতা ও ভয়াবহতা অনুভব করা; অর্থাৎ যদি সঠিক তাওবা করা হয়, তাহলে অতীত পাপের কথা স্মরণ হলেও কখনো আনন্দ ও মজা পাওয়া যাবে না অথবা কখনো ভবিষ্যতে সে সব কাজে ফিরে যাবে, এ কামনা মনে স্থান পাবে না।

ইবনুল কাইয়্যেম রহমতুল্লাহ আলাইহে তার লিখা [ الداء والدواء ] ‘রোগ ও চিকিৎসা’ এবং [ الفوائد ] ‘আল-ফাওয়াইদ’ নামক গ্রন্থে গুনাহের অনেক ক্ষতির কথা উলে¬খ করেছেন।

তন্মধ্যে রয়েছে: জ্ঞান থেকে বঞ্চিত হওয়া, অন্তরে একাকিত্ব অনুভব করা, কাজকর্ম কঠিন হয়ে যাওয়া, শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়া, আল্লাহর আনুগত্য থেকে বঞ্চিত হওয়া, রুজি রোজগারের বরকত কমে যাওয়া, কাজ কর্মে সমন্বয় না হওয়া, গুনাহর কাজে অভ্যস্থ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি। এছাড়াও আল্লাহর ব্যাপারে পাপীর অন্তরে অনাসক্তি সৃষ্টি হয় এবং লোকজন তাকে অশ্রদ্ধা করে। জীবজন্তু ও পশু পাখি তাকে অভিশাপ দেয়। পাপী ব্যক্তি সর্বদা অপমানিত হতে থাকে। পাপীর অন্তরে মোহর পড়ে যায়। পাপী ব্যক্তি লানতের মাঝে পড়ে এবং পাপীর দু’আ আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না। জলে ও স্থলে বিপর্যয় সৃষ্টি হয়। পাপীর আত্মমর্যাদাবোধ কমে যায়। লজ্জা চলে যায়, ফলে সে যা ইচ্ছা তাই করে। নিয়ামত হতে বঞ্চিত হয়। আল্লাহর আজাব ও বিপর্যয় নেমে আসে। পাপীর অন্তরে সর্বদা ভয় ও আতঙ্ক নেমে আসে এবং সে শয়তানের দোসরে পরিণত হয়। তার জীবন সমাপ্ত হয় মন্দের উপর এবং ঈমান হারা হয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে হয়। পরকালীন আজাবে নিপতিত হয়।

পাপের এই ক্ষতি ও বিপর্যয় যদি বান্দা জানতে পারে, তাহলে সে পাপ থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকবে। কিছু কিছু লোক এক পাপ ছেড়ে আরেক পাপ করতে শুরু করে তার কিছু কারণ হল:

১. মনে করে যে, এর পাপ কিছুটা হালকা।

২. মন পাপের দিকে বেশী আকৃষ্ট হয় এবং এর দিকে ঝোঁক খুবই প্রবল থাকে।

৩. অন্যটির তুলনায় এ পাপ করার জন্য পারিপার্শ্বিক অবস্থা সহজ ও সহায়ক হয়, অন্য পাপের জন্য অনেক কিছু জোগাড় করা লাগে।

৪. তার সঙ্গী সাথীরা এ পাপের সাথে জড়িত, তাদেরকে ত্যাগ করা কঠিন বলে মনে হয়।

৫. কোন কোন ব্যক্তির নিকট বিশেষ পাপ তার তার সঙ্গী সাথীদের মাঝে মান সম্মানের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। এজন্য সে চিন্তা করে যেন তার অবস্থান সে ধরে রাখে এবং এ পাপ অব্যাহত রাখে, যেমনটি ঘটে বিভিন্ন অপরাধ ও সন্ত্রাসী গ্রুপের প্রধানদের বেলায়।

তিন- তাড়াতাড়ি তাওবা করা:- যার জন্য তাওবার প্রয়োজন সে যেন তাড়াতাড়ি তাওবা করে। কারণ তাওবা করতে দেরী করাটাই পাপ।

চার- আল্লাহর হক আদায় করা:- আল্লাহর হক যা ছুটে গেছে তা যথাসম্ভব আদায় করা। যেমন যাকাত দেয়া যা সে পূর্বে দেয়নি। কেননা এতে আবার দরিদ্র লোকজনের অধিকারও রয়েছে।

পাঁচ- পাপের স্থানকে ত্যাগ করা:- কারণ যেখানে পাপ করছে, যদি সেখানে অবস্থান করে, আবার সে পাপে জড়িয়ে পড়ার আশংকা থাকে।

ছয়- স্থান ত্যাগ করা:- যারা পাপ কাজে সহযোগিতা করে তাদেরকে পরিত্যাগ করা। তাদের সঙ্গ ত্যাগ করতে না পারলে আবারও সে পাপে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন:

﴿ ٱلۡأَخِلَّآءُ يَوۡمَئِذِۢ بَعۡضُهُمۡ لِبَعۡضٍ عَدُوٌّ إِلَّا ٱلۡمُتَّقِينَ ٦٧ ﴾ [ الزخرف : ٦٧ ]

“আন্তরিক বন্ধুরাই সেদিন একে অপরের শত্রুতে পরিণত হবে, মুত্তাকীরা ছাড়া”। [সূরা যুখরফ, আয়াত: ৬৮]

খারাপ সাথীরা একে অপরকে কিয়ামতের দিন অভিশাপ দিবে। এজন্য হে তাওবাকারী, আপনাকে এদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতে ও এদের থেকে সতর্ক থাকতে হবে, যদি আপনি তাদেরকে দাওয়াত দিতে অপারগ হন। শয়তান যেন আপনার ঘাড়ে আবার সওয়ার হবার সুযোগ না পায় এবং আপনাকে ভুলিয়ে ভালিয়ে আবার কুপথে নিয়ে না যায়। আর আপনি তো জানেন যে, আপনি দুর্বল তাকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হবেন না। এ ধরনের অনেক ঘটনা রয়েছে যে, অনেক লোকই তার পুরাতন বন্ধু বান্ধবের সাথে সম্পর্কিত হওয়ার পর আবার পাপে জড়িয়ে পড়েছে।

সাত- নিজের কাছে রক্ষিত হারাম জিনিসকে নষ্ট করে ফেলা:- যেমন মাদক দ্রব্য, বাদ্যযন্ত্র, যেমন একতারা, হারমনিয়াম, অথবা ছবি, ব্লু ফ্লিম, অশ্লীল নভেল নাটক। এগুলো নষ্ট করে ফেলতে হবে অথবা পুড়িয়ে ফেলতে হবে। তাওবাকারীকে সঠিক পথে দৃঢ়ভাবে থাকার জন্য অবশ্যই সব জাহেলিয়াতের জিনিস থেকে মুক্ত হতে হবে। এ ধরনের অনেক ঘটনা রয়েছে, যাতে দেখা যায়, এসব হারাম জিনিসই তাওবাকারীর পূর্বের অবস্থানে ফিরে যাবার পিছনে প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এর দ্বারাই সে পথভ্রষ্ট হয়েছে। আমরা আল্লাহর নিকট সঠিক পথে টিকে থাকার জন্য তাওফীক কামনা করছি।

আট- ভাল সঙ্গী-সাথী গ্রহণ করা:- ভাল সঙ্গী-সাথী গ্রহণ করতে হবে, যারা তাকে দ্বীনের ব্যাপারে সহায়তা করবে এবং এরা হবে খারাপ সঙ্গী সাথীর বিকল্প। আর চেষ্টা করতে হবে বিভিন্ন ধর্মীয় ও ইলমী আলোচনায় বসার জন্য। নিজেকে সব সময় এমন কাজে মশগুল রাখতে হবে যাতে কল্যাণ রয়েছে, যেন শয়তান তাকে পূর্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেবার সুযোগ না পায়।

নয়- হারাম বর্জন করে হালাল ভক্ষণ করা: নিজ শরীরের দিকে দৃষ্টি দিতে হবে যাকে সে হারাম দিয়ে প্রতিপালন করেছে। একে আল্লাহর আনুগত্যের কাজে লাগাতে হবে এবং হালাল রুজি খেতে হবে যেন শরীরে আবার পবিত্র রক্ত-মাংস সৃষ্টি হয়।

দশ- গরগরা তথা মৃত্যুক্ষণ আসার পূর্বে তাওবা করা: তাওবা দম আটকে যাওয়া বা ফুরিয়ে যাবার [মৃত্যুর পূর্বক্ষণে শ্বাসকষ্ট শুরু হবার] পূর্বে এবং পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত হবার পূর্বে হতে হবে। গরগরার অর্থ হল কণ্ঠনালী হতে এমন শব্দ বের হওয়া যা মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে হয়ে থাকে। এর উদ্দেশ্য হল কিয়ামতের পূর্বেই তাওবা করতে হবে তা ছোট কিয়ামত হোক [মৃত্যু] বা বড় কিয়ামতই হোক [পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদিত হওয়া]। কেননা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, من تاب إلى الله قبل أن يغرغر قبل الله منه “যে ব্যক্তি আল্লাহর নিকট তাওবা করবে গরগরা উঠার পূর্বে, আল্লাহ তার তাওবা কবুল করবেন”। [জামে সহীহ, হাদিস: ৬১৩২]

এগার- সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদয় হওয়ার পূর্বে তাওবা করা: কারণ, হাদীসে বর্ণিত রাসূল সা. বলেন, من تاب قبل أن تطلع الشمس من مغربها تاب الله عليه “যে ব্যক্তি পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উঠার পূর্বে তাওবা করবে, আল্লাহ তা’আলা তার তাওবা কবুল করবেন”। [মুসলিম: ২৭০৩]
পরিচ্ছেদঃ ১০

গুনাহের প্রকার ও তার থেকে প্রতিকারের উপায়

গুনাহ সাধারণত তিন প্রকারের হয়ে থাকে।

১. আল্লাহ তা’আলা বান্দার উপর যে সকল ইবাদাত ফরয করেছেন সে গুলোকে ছেড়ে দেয়া। যেমন নামায, রোজা, যাকাত ইত্যাদি। সালাত আদায় না করা কবীরা গুনাহ অনুরূপভাবে সওম এবং যাকাত আদায় না করাও কবীরা গুনাহ। এ ধরনের গুনাহ হতে মাফ পাওয়ার জন্য করণীয় হল, যে সকল ইবাদাত ছুটে গিয়েছে তা শরীয়তের নির্দেশনা অনুযায়ী পরে আদায় করে নেয়া। আর যদি পরে আদায় করা সম্ভব না হয়, তাহলে যে ক্ষেত্রে তার বিকল্প আছে, যেমন রোজার ক্ষেত্রে ফিদয়া, তা আদায় করা। আর যদি তাও সম্ভব না হয়, কিংবা যে ক্ষেত্রে কোন বিকল্প নেই, তবে তার জন্য আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করতে হবে এবং আল্লাহর নিকট হতে তাওবার মাধ্যমে মাফ করিয়ে নিতে হবে।

২. আল্লাহর হক ও নির্দেশ অমান্য করে গুনাহসমুহে লিপ্ত হওয়া। যেমন: মদ পান করা, গান বাজনা করা, সুদ খাওয়া ইত্যাদি। এ ধরনের গুনাহের কারণে অবশ্যই লজ্জিত হতে হবে এবং মনে মনে প্রতিজ্ঞা করতে হবে যে, এ ধরনের গুনাহ ও অপরাধ আর কখনো করবে না।

৩. আল্লাহর বান্দা তথা মানুষের অধিকার লংঘনজনিত পাপ ও গুনাহ। এ ধরনের গুনাহ সবচেয়ে কঠিন ও মারাত্মক। এ ধরনের গুনাহ আবার কয়েক ধরনের হতে পারে-

[ক] ধন সম্পদের সাথে সম্পর্কিত অধিকার লংঘন, এ বিষয়ে করণীয় হল যে লোকের কাছ থেকে কর্জ নিয়েছেন অথবা যার হক্ব নষ্ট করেছেন কিংবা যার ক্ষতি করেছন, আপনাকে অবশ্যই তার পাওনা পরিশোধ করতে হবে এবং তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। যদি পরিশোধ বা ফেরত দেয়া সম্ভব না হয়, হয়ত যে সম্পদটি আপনি নষ্ট করেছিলেন তা এখন আর আপনার নিকট অবশিষ্ট নাই, কিংবা আপনি নি:স্ব হয়ে গিয়েছেন তাহলে অবশ্যই আপনাকে ক্ষতিগ্রস্ত লোকটির নিকট হতে ক্ষমা চাইতে হবে এবং তার থেকে অনুমতি নিয়ে তা মাফ করে নিতে হবে। আর যদি এ রকম হয় যে, লোকটি মারা গিয়েছে অথবা অনুপস্থিত। যার কারণে ক্ষতিপূরণ দেয়া কিংবা মাফ করিয়ে নেওয়া এর কোনটিই সম্ভব নয় তাহলে তার পক্ষ হতে তা দান করে দিতে হবে। আর যদি তাও সম্ভব না হয়, তবে তাকে অবশ্যই বেশি বেশি নেক আমল করতে হবে, আল্লাহর দরবারে বেশী বেশী তাওবা ও কান্নাকাটি করতে হবে যাতে আল্লাহ কিয়ামত দিবসে লোকটিকে তার উপর রাজি করিয়ে দেন।

[খ] মানুষের জীবনের সাথে সম্পর্কিত, যেমন- হত্যা করা বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নষ্ট করা, তাহলে আপনাকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি অথবা তার অবিভাবককে ক্বিসাস বা প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগ দিতে হবে অথবা তারা আপনাকে ক্ষমা করে দিবে এবং কোনো বদলা নেবে না মর্মে একটি সমঝোতায় পৌঁছতে হবে। আর যদি তাও সম্ভব না হয়, তবে অবশ্যই আল্লাহর দরবারে বেশী বেশী তাওবা ও কান্নাকাটি করতে হবে, যাতে আল্লাহ কিয়ামত দিবসে লোকটিকে আপনার উপর রাজি করিয়ে দেন।

[গ] মানুষের সম্ভ্রম হরণ করা। যেমন- গীবত করা, কারো বিরুদ্ধে অপবাদ দেয়া অথবা গালি দেয়া ইত্যাদি। তখন আপনার করণীয় হল, যার বিপক্ষে এ সকল কথা বলেছিলেন, তার নিকট গিয়ে নিজেকে মিথ্যুক সাব্যস্ত করা এবং বলা যে ভাই আমি মিথ্যুক, আমি আপনার বিরুদ্ধে যে সব অপবাদ বা বদনাম করেছি তা ঠিক নয় আমি মিথ্যা বলেছি। আর যদি ঝগড়া বিবাদ বা নতুন কোন ফাসাদ কিংবা লোকটির ক্রোধ আরো প্রকট আকার ধারণ করার সম্ভাবনা না থাকে, তবে তার নিকট সব কিছু প্রকাশ করে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে। অন্যথায় আল্লাহর নিকট অধিক হারে তাওবা করতে হবে যাতে আল্লাহ তাকে তার উপর রাজি করিয়ে দেন। আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করতে হবে, আল্লাহ যেন লোকটির জন্য এর বিপরীতে তার জন্য অশেষ কল্যাণ নিহিত রাখে এবং এভাবে তার জন্য বেশী বেশী দু’আ করবে।

[ঘ] ইজ্জত হরণ: যেমন কারো অনুপস্থিতিতে তার পরিবারের ইজ্জত হরণ অথবা সন্তান-সন্তুতির অধিকার নষ্ট বা খিয়ানত করা। এ বিষয়ে করণীয় হল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অধিকার ফেরত দেয়া এবং তাওবা করা।
পরিচ্ছেদঃ ১১

গুনাহের খারাপ পরিণতি ও ক্ষতিকর দিক

সম্মানিত পাঠকবৃন্দ, মনে রাখতে হবে, গুনাহ মানুষের দুনিয়া ও আখেরাত উভয় জগতের জন্যই ক্ষতিকর। গুনাহের কারণে মানুষ দুনিয়াতে লাঞ্ছনা-বঞ্চনা, অপমান- অপদস্থের শিকার হয়। দুনিয়ার জীবনে তার অশান্তির অন্ত থাকে না। অনেক সময় দুনিয়ার জীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। ফলে দুনিয়াতেও গুনাহের কারণে তাকে নানাবিধ শাস্তি ও আজাব-গজবের মুখোমুখি হতে হয় এবং আখেরাতে তো তার জন্য রয়েছে অবর্ণনীয়- সীমাহীন দুর্ভোগ। এ ছাড়া গুনাহ কেবল মানুষের আত্মার জন্যই ক্ষতিকর নয় বরং আত্মা ও দেহ দুটির জন্যই ক্ষতিকর। গুনাহ মানুষের জন্য কঠিন এক ভয়ানক পরিণতি ডেকে আনে। গুনাহ মানুষের আত্মার জন্য এমন ক্ষতিকর যেমনিভাবে বিষ দেহের জন্য ক্ষতিকর। গুনাহের কয়েকটি ক্ষতিকর দিক ও খারাব পরিণতি নিম্নে আলোচনা করা হল। যাতে আমরা এগুলো জেনে গুনাহ হতে বিরত থাকতে সচেষ্ট হই।

১- ইলম তথা দ্বীনি জ্ঞান থেকে বঞ্চিত হওয়া: ইলম হল নূর বা আলো যা আল্লাহ তা’আলা মানুষের অন্তরে স্থাপন করেন। আর গুনাহ হল, অন্ধকার, যা ইলমের নুর বা আলোকে নিভিয়ে দেয়। ফলে, ইলম ও গুনাহ এক সাথে এক পাত্রে সহাবস্থান করতে পারে না। তাই গুনাহের কারণে বান্দা দীনি ইলম হতে বঞ্চিত হয়।

২- রিযিক থেকে বঞ্চিত হওয়া: গুনাহের কারণে বান্দা রিযিক হতে বঞ্চিত হয়। মুসনাদে আহমদে বর্ণিত হয়েছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, إن العبد ليحرم الزرق بالذنب يصيبه “বান্দা গুনাহের লিপ্ত হওয়ার কারণে রিযিক হতে বঞ্চিত হয়”। [ইবনু মাযা: ৪০২২,]

৩- গুনাহ ও পাপাচার মানুষের দেহ এবং আত্মাকে দুর্বল করে দেয়: ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহ আনহু বলেন- নিশ্চয় নেক আমলের কারণে মানুষের চেহারা উজ্জল হয়, অন্তর আলোকিত হয়, রিযিক বৃদ্ধি পায় ও আয় রোজগারে বরকত হয়, দেহের শক্তি বৃদ্ধি পায়, মানুষের অন্তরে অপরের প্রতি মহব্বত বৃদ্ধি পায়। পক্ষান্তরে খারাপ কাজে মানুষের চেহারা কুৎসিত হয়, অন্তর অন্ধকার হয়, দেহ দুর্বল হয়, রিযিকে সংকীর্ণতা দেখা দেয় এবং মানুষের অন্তরে তার প্রতি ঘৃণা জন্মায়। ফলে তাকে কেউ ভালো চোখে দেখে না।

৪- আল্লাহ ও তার রাসূলের আনুগত্য হতে পাপী ব্যক্তি বঞ্চিত হয়: যদিও গুনাহের কারণে দুনিয়াতে তাকে কোন শাস্তি নাও দেয়া হয়, কিন্তু সে আল্লাহর বিশেষ ইবাদাত বন্দেগী হতে বঞ্চিত হবে। গুনাহকে ঘৃণা করা বা খারাপ জানার অনুভূতি হারিয়ে ফেলে। ফলে গুনাহের কাজে সে অভ্যস্ত হয়ে যায় এবং গুনাহ করতে কোন প্রকার কুন্ঠাবোধ করে না। এমনকি সমস্ত মানুষও যদি তাকে দেখে ফেলে বা তার সমালোচনা করে, তারপরও সে কোন অপরাধ বা অন্যায় করতে লজ্জাবোধ বা খারাপ মনে করে না। এ ধরনের মানুষকে আল্লাহ ক্ষমা করেন না এবং তাদের তওবার দরজাও বন্ধ হয়ে যায়। ফলে তারা বেঈমান হয়ে দুনিয়া থেকে চির বিদায় নেয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-

كل أمتي معافى إلا المجاهرين وإن من الإجهار أن الله سترعلى العبد ثم يصبح يفضح نفسه ويقول يا فلان عملت اليوم كذا وكذا وكذا فيهتك نفسه يستره ربه , رواه البخاري والمسلم

‘‘আমার সকল উম্মতকে ক্ষমা করা হবে একমাত্র প্রকাশ্য পাপী ছাড়া। আর প্রকাশ্যে পাপ করা হল, আল্লাহ কোন বান্দার অপকর্মকে গোপন রাখল কিন্তু লোকটি তার নিজের অপকর্ম প্রকাশ করে নিজেকে অপমান করে এবং বলে থাকে, হে ভাই! আমি আজ অমুক অমুক কাজ করেছি - ইত্যাদি। এভাবে সে তার নিজের গোপনীয়তা প্রকাশ করে অথচ আল্লাহ তার গুনাহকে গোপন রাখে”। [বুখারি, হাদিস: ২০৬৯ মুসলিম, হাদিস: ২৯৯০]

৬- গুনাহ করাকে হালকাভাবে দেখা: বান্দা গুনাহ করতে করতে গুনাহ করা তার জন্য সহজ হয়ে যায়, অন্তরে সে গুনাহকে ছোট মনে করতে থাকে। আর এটাই হল ধ্বংসের নিদর্শন। ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহ আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন-

أن المؤمن يرى ذنوبه كانه في أصل جبل يخاف أن يقع عليه وأن الفاجر يرى ذنوبه كذباب رفع على أنف فقال به هكذا فطار – ذكر البخاري في الصحيح

“একজন মুমিন সে গুনাহকে এমন ভাবে ভয় করে যে, সে যেন একটি পাহাড়ের নিচে আছে আর আশংকা করছে যে পাহাড়টি তার উপর ভেঙ্গে পড়বে। পক্ষান্তরে একজন বদকার ব্যক্তি সে তার গুনাহকে মনে করে তার নাকের উপর একটি মাছি বসে আছে হাত নাড়া দিল আর সে চলে গেল”। [বুখারি, হাদিস: ৬৩০৮]

৭-গুনাহ লাঞ্ছনা ও অপমানের কারণ হয়: কারণ হল, সকল প্রকার ইজ্জত একমাত্র আল্লাহ আনুগত্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। আর আল্লাহর আনুগত্যের বাহিরে যা কিছু করা হবে, তাই অপমান অপদস্থের কারণ হবে। আল্লাহ তা’আলা বলেন-

﴿ مَن كَانَ يُرِيدُ ٱلۡعِزَّةَ فَلِلَّهِ ٱلۡعِزَّةُ جَمِيعًاۚ١٠ ﴾ [ فاطر : ١٠ ]

‘‘কেউ ইজ্জতের আশা করলে মনে রাখতে হবে যে, সমস্ত ইজ্জত আল্লাহই জন্য”। [সুরা ফাতির, আয়াত: ১০]

অর্থাৎ, ইজ্জত আল্লাহর আনুগত্যের মাধ্যমেই তালাশ করা উচিত, কারণ সে আল্লাহর আনুগত্য ছাড়া কোথাও ইজ্জত খুঁজে পাবে না।

৮- গুনাহ মানুষের জ্ঞান বুদ্ধিকে ধ্বংস করে দেয়: মানুষের জ্ঞান বুদ্ধির জন্য একটি আলো বা নূর থাকে আর গুনাহ ঐ নূর বা আলোকে নিভেয়ে দেয়, ফলে গুনাহের কারণে মানুষের জ্ঞান বুদ্ধি ধ্বংস হয়।

৯- গুনাহ গুনাহকারীর অন্তরকে কাবু করে ফেলে এবং সে ধীরে ধীরে অলসদের অর্ন্তভুক্ত হয়। যেমন, আল্লাহ তা’আলা বলেন-

﴿ كَلَّاۖ بَلۡۜ رَانَ عَلَىٰ قُلُوبِهِم مَّا كَانُواْ يَكۡسِبُونَ ١٤ ﴾ [ المطففين : ١٤ ]

অর্থাৎ ‘‘কখনো না, বরং তারা যা করে তাই তাদের হৃদয়ে মরিচা ধরিয়ে দিয়েছেন”। [সূরা মুতাফফেফীন, আয়াত: ১৪]

এ আয়াত সম্পর্কে ওলামায়ে কেরাম বলেন, বার বার গুনাহ করার কারণেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়।

عن أبي هريرة - رضِي الله عنه - قال : قال رسول الله - صلَّى الله عليه وسلَّم -: إنَّ المؤمن إذا أذنَبَ كانت نكتة سوداء في قَلبِه، فإنْ تاب ونزَع واستَغفَر صقل قلبه، وإنْ زاد زادتْ حتى يعلو قلبه ذاك الرين الذي ذكر الله - عزَّ وجلَّ - في القُرآن : ﴿كَلَّا بَلْ رَانَ عَلَى قُلُوبِهِمْ مَا كَانُوا يَكْسِبُونَ ﴾ [ المطففين : ১৪].

অর্থ: যখন কোন মু’মিন গুনাহ করে তখন তার অন্তরে একটি কালো দাগ পড়ে তারপর সে যখন তাওবা করে এবং গুনাহ থেকে বিরত থেকে আল্লাহর নিকট ক্ষমা চায় তখন তার অন্তর পরিস্কার হয়ে যায়। আর যখন মু’মিন আবারো গুনাহ করে তখন অন্তরের কালো দাগ বৃদ্ধি পেতে থাকে। ফলে মু’মিনের অন্তরে আল্লাহর কুরআনে বর্ণিত ‘রাইন’ তথা মরিচা প্রভাব বিস্তার করে। আল্লাহ্ বলেন, ‘‘কক্ষনো না, বরং তাদের কৃতকর্মই তাদের অন্তরে জং ধরিয়ে দিয়েছে।’’ [তিরমিযি, হাদিস: ৩৩৩৪, আহমদ, হাদিস: ৭৯৫২] (সূরা মুতাফফিফীন, আয়াত: ১৪)

১০- গুনাহ অভিশাপকে টেনে আনে: গুনাহ বান্দাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অভিশাপের অর্ন্তভুক্ত করে। কারণ, তিনি গুনাহগার ও পাপীদের উপর অভিশাপ দিয়েছেন। যেমন - সুদগ্রহীতা, দাতা, লেখক ও সাক্ষী সকলের উপর অভিশাপ করেছেন। এমনি ভাবে চোরের উপর অভিশাপ করেছেন। গাইরুল্লাহর নামে জাবেহকারী, ছবি অংকনকারী, মদ্যপানকারী সহ বিভিন্ন গুনাহের উপর তিনি অভিশাপ করেন।

১১-গুনাহ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার ফেরেশতাদের দু’আ হতে বঞ্চিত হওয়ার কারণ। কেননা আল্লাহ তার নবীকে নর-নারী সকলের জন্য দু’আ করার আদেশ দিয়েছেন।
পরিচ্ছেদঃ ১২

গুনাহ করার পর তাওবার সুযোগ

গুনাহ যত ছোট হোক না কেন, তাকে ছোট মনে করা যাবে না। যদি কোন কারণে আপনার থেকে -ছোট হোক বা বড় হোক- কোন গুনাহ প্রকাশ পায় আপনি সাথে সাথে সে গুনাহ থেকে ফিরে এসে আল্লাহর দরবারে খালেস তাওবা করে নেবেন। অন্যথায় ছোট গুনাহও যখন বার বার করা হয়ে থাকে তখন তা আর ছোট থাকে না, তখন তা কবীরা গুনাহে পরিণত হয় এবং তা আপনার জন্য খারাপ পরিণতি ডেকে আনতে পারে। আপনি জেনে রাখুন [আল্লাহ আপনার প্রতি ও আমার প্রতি দয়া করুন] পরাক্রমশালী আল্লাহ তার বান্দাদের নিষ্ঠার সাথে তাওবা করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ তা’আলা বলেন:

﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ تُوبُوٓاْ إِلَى ٱللَّهِ تَوۡبَةٗ نَّصُوحًا ٨ ﴾ [ التحريم : ٨ ]

“হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট নিষ্ঠার সাথে তাওবা কর [প্রত্যাবর্তন কর]। [সূরা তাহরীম, আয়াত: ৮] ’’ আমরা যখন কোন গুনাহ করি, কিরামান কাতিবীন [ফেরেশতা] সাথে সাথে আমাদের গুনাহ লেখেন না। তারা আমাদের কারো গুনাহ্ লিখার পূর্বে আমাদেরকে তাওবা করার জন্য অনেক সুযোগ দেন। যখন বান্দা গুনাহ করার পর তাওবা করে, তখন তার গুনাহ সাথে সাথে ক্ষমা করে দেয়া হয়। আর যখন সে তাওবা না করে, তখন তার গুনাহ লিপিবদ্ধ করা হয়। নিশ্চয় মুমিন বান্দা যখন কোন অপরাধ করে, তাকে সময় দেয়া হয়। তার গুনাহ লিখা হয় না। যখন সে তাওবা করে, তখন তার গুনাহ লিখা হয় না, তাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়। আর যদি ক্ষমা না চায়, তখন একটি গুনাহ লিখা হয়। আর একজন মুমিন বান্দা যখন বিশ বছর পরও তার গুনাহের কথা স্মরণ করে তার রবের নিকট ক্ষমা চায়, তখন তাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়। আর গুনাহ করার পর ব্যক্তি অনেক সময় তার অপরাধ ভুলে থাকে। আল্লাহ বান্দার গুনাহগুলো মাফ করার জন্য অপেক্ষা করেন এবং তিনি তার হাতকে বাড়িয়ে দেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:

إن الله ـ تعالى ـ يبسط يدهُ بالتوبة لمسيء الليل إلى النهار ولمسيء النهار إلى الليل حتى تطلع الشمس من مغربها ".

“একজন বান্দা রাতে যে সব অপরাধ করে, তা ক্ষমা করার জন্য আাল্লাহ তা’আলা সারা হাত পেতে রাখে, আর দিনের বেলা যে সব অপরাধ করে, তা ক্ষমা করার জন্য সারা রাত হাত পেতে দেয়। এটি ততদিন পর্যন্ত চলতে থাকবে, যেদিন সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদয় হবে”। [মুসলিম, হাদিস: ২৭৫৯]
পরিচ্ছেদঃ ১৩

গুনাহকে তুচ্ছ মনে করার পরিণতি

বর্তমান যুগের সমস্যা হল, অনেক মানুষই আল্লাহকে ভয় করে না, তারা রাতদিন বিভিন্ন রকমের গুনাহ করে চলেছে। এদের কেউ কেউ আবার গুনাহকে তুচ্ছজ্ঞান করে। এজন্য দেখবেন এদের কেউ কেউ সগীরা গুনাহকে খুবই তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে দেখে থাকে। যেমন বলে, একবার খারাপ কিছু দেখলে অথবা কোন বেগানা মহিলার সাথে করমর্দন করলে কি-ই বা ক্ষতি হবে?

অনেকেই আগ্রহ ভরে হারাম জিনিস যেমন পত্র-পত্রিকার খারাপ দৃশ্য বা টিভি সিরিয়াল বা সিনেমার দিকে নজর দেয়, এমনকি এদের কেউ কেউ যখন জানতে পারে যে এটি হারাম, তখন খুবই রসিকতা করে প্রশ্ন করে, এতে কতটুকু গুনাহ রয়েছে? এটি কি কবীরা গুনাহ না সগীরা গুনাহ? আপনি যখন এটির বাস্তব অবস্থা জানবেন তখন তুলনা করে দেখুন নিম্নোক্ত দুটি বর্ণনার সাথে যা ইমাম বুখারী উলে¬খ করেছেন-

এক: আনাস রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,

] إنكم لتعملون أعمالاً هي أدق في أعينكم من الشعر، كنا نعدها على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم من الموبقات [ والموبقات هي المهلكات .

তোমরা এমন সব কাজ কর যা তোমাদের দৃষ্টিতে চুলের চেয়েও সূক্ষ্ম। কিন্তু আমরা রাসূলুল্লাহর যুগে এগুলোকে মনে করতাম ধ্বংসকারী। [বুখারি : ৫৩৫৫]

দুই: ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,

أن المؤمن يرى ذنبه كالجبل فوقه يخاف أن يقع عليه، والمنافق يرى ذنبه كذباب مر على أنفه فاطاره

“একজন মুমিন গুনাহকে এভাবে দেখে থাকে যে, সে যেন এক পাহাড়ের নিচে বসে আছে যা তার মাথার উপর ভেঙ্গে পড়বে। পক্ষান্তরে পাপী তার গুনাহকে দেখে যেন মাছি তার নাকের ডগায় বসেছে, তাকে এভাবে তাড়িয়ে দেয়”। [বুখারি, হাদিস: ৩৬০৮]

এরা কি বিষয়টির বিপদ উপলব্ধি করতে পারবে যখন তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই হাদীস পাঠ করবে;

" إيَّاكُمْ وَمُحَقَّرَاتِ الذُّنُوبِ فَإنَّمَا مَثَلُ مُحَقَّرَاتِ الذُّنُوبِ كَمَثَلِ قَوْمٍ نَزَلُوا بِبَطْنِ وَادٍ فَجَاءَ ذَا بِعُودٍ وَجَاءَ ذَا بِعُودٍ حَتَّى حَمَلُوا مَا أنْضَجُوا بِهِ خُبْزَهُمْ وَإنَّ مُحَقَّرَاتِ الذُّنُوبِ مَتَى يَأخُذُ بِهَا صَاحِبُهَا تُهْلِكُهُ " وَفِي رِوَايَةٍ : " إيَّاكُمْ وَمُحَقَّرَاتِ الذُّنُوبِ فَإنَّهُنَّ يَجْتَمِعْنَ عَلَى الرَّجُـلِ حَتَّى يُهْلِكَنَّهُ "

“তোমরা নগণ্য ছোট ছোট গুনাহ থেকে সাবধান হও! নগণ্য ছোট ছোট গুনাহগুলোর উদাহরণ হল ঐ লোকদের মত যারা কোন মাঠে বা প্রান্তরে গিয়ে অবস্থান করল এবং তাদের প্রত্যেকেই কিছু কিছু করে লাকড়ি [জ্বালানি কাঠ] সংগ্রহ করে নিয়ে এলো। শেষ পর্যন্ত এতটা লাকড়ি তারা সংগ্রহ করল যা দিয়ে তাদের খাবার পাকানো হল। নিশ্চয় নগণ্য ছোট ছোট গুনাহতে লিপ্ত থাকা ব্যক্তিদেরকে যখন সেই নগণ্য ছোট ছোট গুনাহগুলো গ্রাস করবে [পাকড়াও করবে] তখন তাদেরকে ধ্বংস করে ফেলবে।” অন্য এক বর্ণনায় এসেছে যে, “তোমরা নগণ্য ছোট ছোট গুনাহ থেকে সাবধান হও; কেননা সেগুলো মানুষের কাঁধে জমা হতে থাকে অতঃপর তাকে ধ্বংস করে দেয়”। [বর্ণনায় আহমদ, জামে সহীহ, হাদিস: ২৬৮৬-২৬৮৭]

স্কলারগণ উলে¬খ করেছেন: যখন সগীরা গুনাহর সাথে লজ্জাশরম কমে যাবে, কোন কিছুতে ভ্রƒক্ষেপ করবে না, খোদাভীতি থাকবে না এবং আল্লাহর ব্যাপারে ভক্তি হবে না তখন একে কবীরা গুনাহতে পরিণত করবে। এজন্যই বলা হয়েছে যে, لا صغيرة مع الاصرار، ولا كبيرة مع الاستغفار “ক্রমাগত পাপ করলে তা আর সগীরা থাকে না এবং ক্ষমা প্রার্থনা করলে, তা আর কবীরা থাকে না”। অর্থাৎ, ক্রমাগতভাবে সগীরা গুনাহ করতে থাকলে তা কবীরা গুনাহে পরিণত হয় এবং ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকলে কবীরা গুনাহ আর গুনাহ থাকে না, বরং তা মাফ হয়ে যায়। যার এ অবস্থা তাকে আমরা বলি, গুনাহ ছোট আপনি এদিকে দৃষ্টি দিবেন না, বরং আপনি দৃষ্টি দিবেন এদিকে যে, আপনি কার অবাধ্যতা করছেন। আল্লাহ তা’আলা বলেন,

﴿ وَٱلَّذِينَ إِذَا فَعَلُواْ فَٰحِشَةً أَوۡ ظَلَمُوٓاْ أَنفُسَهُمۡ ذَكَرُواْ ٱللَّهَ فَٱسۡتَغۡفَرُواْ لِذُنُوبِهِمۡ وَمَن يَغۡفِرُ ٱلذُّنُوبَ إِلَّا ٱللَّهُ وَلَمۡ يُصِرُّواْ عَلَىٰ مَا فَعَلُواْ وَهُمۡ يَعۡلَمُونَ ١٣٥ ﴾ [ ال عمران : ١٣٥ ]

“আর যারা কোন অশ্লীল কাজ করে বসে অথবা যুলম করে নিজেদের প্রতি, সাথে সাথে আল্লাহকে স্মরণ করে ও নিজদের পাপের জন্য ক্ষমা চায়। আর আল্লাহ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করবে? আর তারা যে পাপ করেছে জেনে শুনে তা চালিয়ে যাওয়ার জেদ করে না।”

এ কথাগুলো দ্বারা অবশ্যই উপকৃত হবেন ইনশাআল্লাহ সত্যবাদীগণ, যারা অনুভব করছেন তাদের গুনাহের ব্যাপারটি। তারা নয় যারা তাদের গোমরাহীতে অনড়, তাদের বাতিল অবস্থার প্রতি অবিচল। এটি তাদের জন্য যারা বিশ্বাস করে মহান আল্লাহর এ বাণীকে:

﴿ ۞نَبِّئۡ عِبَادِيٓ أَنِّيٓ أَنَا ٱلۡغَفُورُ ٱلرَّحِيمُ ٤٩ ﴾ [ الحجر : ٤٩ ]

“আমার বান্দাদের জানিয়ে দাও যে, নিশ্চয় আমিই একমাত্র ক্ষমাকারী দয়ালু”।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

إن الله ـ تعالى ـ يبسط يدهُ بالتوبة لمسيء الليل إلى النهار ولمسيء النهار إلى الليل حتى تطلع الشمس من مغربها ".

“একজন বান্দা রাতে যে সব অপরাধ করে, তা ক্ষমা করার জন্য আাল্লাহ তা’আলা সারা হাত বাড়িয়ে রাখেন, আর দিনের বেলা যে সব অপরাধ করে, তা ক্ষমা করার জন্য সারা রাত হাত বাড়িয়ে দেন। এটি ঐ দিন পর্যন্ত চলতে থাকবে, যেদিন সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদয় হবে”। তেমনি যারা ঈমান রাখে এ বাণীর উপর:

﴿ وَأَنَّ عَذَابِي هُوَ ٱلۡعَذَابُ ٱلۡأَلِيمُ ٥٠ ﴾ [ الحجر : ٥٠ ]

“আর নিশ্চয়ই আমার শাস্তি হল যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি”। [সূরা আল হিজর, আয়াত: ৫০]
পরিচ্ছেদঃ ১৪

অপরাধ যত বড়ই হোক আল্লাহর ক্ষমা তার চেয়েও বড়

অপরাধ ও গুনাহ যত বড় বা বেশি হোক না কেন, যখন বান্দা তাওবা করবেন, আল্লাহ তা’আলা তার অপরাধকে অবশ্যই ক্ষমা করে দেবেন। আমাদের কারো মনে এমন কোন প্রশ্ন জাগে যে, আল্লাহ তা’আলা কি ছোট বড় সব ধরনের গুনাহ ক্ষমা করবেন?। অপরাধ যদি বড় হয় তাও কি তিনি ক্ষমা করবেন?। তার উত্তর হল হ্যাঁ যত বড় অন্যায় হোক না কেন আল্লাহ অবশ্যই ক্ষমা করে দেবেন। আল্লাহ তা’আলা বলেন,

﴿ وَهُوَ ٱلَّذِي يَقۡبَلُ ٱلتَّوۡبَةَ عَنۡ عِبَادِهِۦ وَيَعۡفُواْ عَنِ ٱلسَّيِّ‍َٔاتِ وَيَعۡلَمُ مَا تَفۡعَلُونَ ٢٥ ﴾ [ الشورى : ٢٥ ]

“আর তিনিই তাঁর বান্দাদের তাওবা কবূল করেন এবং পাপসমূহ ক্ষমা করে দেন। আর তোমরা যা কর, তা তিনি জানেন”। [সূরা শোরা, আয়াত: ২৫] আল্লাহ তা’আলা আরও বলেন,

﴿ غَافِرِ ٱلذَّنۢبِ وَقَابِلِ ٱلتَّوۡبِ شَدِيدِ ٱلۡعِقَابِ ذِي ٱلطَّوۡلِۖ لَآ إِلَٰهَ إِلَّا هُوَۖ إِلَيۡهِ ٱلۡمَصِيرُ ٣ ﴾ [ غافر : ٣ ]

“তিনি পাপ ক্ষমাকারী, তাওবা কবূলকারী, কঠোর আযাবদাতা, অনুগ্রহ বর্ষণকারী। তিনি ছাড়া কোন [সত্য] ইলাহ নেই। তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তন”। [সূরা গাফের, আয়াত: ৩]

আল্লাহ তা’আলা আরও বলেন,

﴿ وَمَن يَعۡمَلۡ سُوٓءًا أَوۡ يَظۡلِمۡ نَفۡسَهُۥ ثُمَّ يَسۡتَغۡفِرِ ٱللَّهَ يَجِدِ ٱللَّهَ غَفُورٗا رَّحِيمٗا ١١٠ ﴾ [ النساء : ١١٠ ]

“আর যে ব্যক্তি মন্দ কাজ করবে কিংবা নিজের প্রতি যুলম করবে তারপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবে, সে আল্লাহকে পাবে ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু”। [সূরা নিসা, আয়াত: ১১০]

যদি আপনি এ পরিমাণ অপরাধ করেন, ফলে আপনার গুনাহ আকাশ ছুঁয়ে গেল, অতঃপর আপনি লজ্জিত হয়ে ফিরে আসলেন এবং আল্লাহর দরবারে তাওবা করলেন, আল্লাহ তা’আলা আপনার তাওবা অবশ্যই কবুল করবেন এবং আপনাকে ক্ষমা করে দেবেন।

عن أنس بن مالك رضي الله عنه قال : سمعت رسول الله - صلى الله عليه وسلم - يقول : قال الله تبارك وتعالى : [ يا ابن آدم إنك ما دعوتني ورجوتني غفرت لك على ما كان فيك ولا أبالي، يا ابن آدم لو بلغت ذنوبك عنان السماء ثم استغفرتني غفرت لك ولا أبالي، يا ابن آدم إنك لو أتيتني بقراب الأرض خطايا ثم لقيتني لا تشرك بي شيئا لأتيتك بقرابها مغفرة .

আনাস বিন মালেক রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, “আল্লাহ তা’আলা বলেন, হে আদম সন্তান! যখনই তুমি আমাকে ডাকবে এবং আমাকে পাওয়ার আশা করবে, আমি তোমার মধ্যে যে সব দোষ ত্রুটি আছে, সেগুলো নির্বিঘেœ ক্ষমা করে দেব। হে আদম সন্তান! যদি তোমার গুনাহের স্তুপ আকাশ পর্যন্ত পৌঁছে, তারপরও তুমি আমার নিকট ক্ষমা চাইলে, আমি নির্বিঘেœ তোমাকে ক্ষমা করে দেব। হে আদম সন্তান! যদি তুমি জমিন ভর্তি গুনাহ করে থাক, তারপর তুমি আমার নিকট ক্ষমা চাইতে আসলে যে অবস্থায় তুমি আমার সাথে কাউকে শরিক করোনি, আমি জমিন ভর্তি ক্ষমা নিয়ে তোমার নিকট উপস্থিত হব”। [তিরমিযি: ৩৫৪০]

عن أنس-رضي الله عنه -عن النبي-صلى الله عليه وسلم -فيما يرويه عن ربه- عز وجل- قال : [ إذا تقرب العبد إليّ شبراً تقربت إليه ذراعاً، وإذا تقرب إلي ذراعاً تقربت منه باعاً، وإذا أتاني يمشي أتيته هرولة ] رواه البخاري،

আনাস বিন মালেক রাদিয়াল্লাহ আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে বলেন, আল্লাহ তা’আলা বলেন, যখন কোন বান্দা আল্লাহর দিক এক বিঘাত অগ্রসর হয়, আল্লাহ বলেন, আমি তার দিকে এক হাত অগ্রসর হই। আর যখন কোন বান্দা এক হাত অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে এক বাহু অগ্রসর হই। আর যখন কোন বান্দা আমার দিকে হেঁটে আসে, আমি তার দিকে দৌড়ে যাই। [বুখারি, ৭৪০৫]
পরিচ্ছেদঃ ১৫

একশজন লোক হত্যাকারীর তাওবা

একজন মানুষ যত গুনাহ করুক না কেন, সে যখন গুনাহ থেকে ফিরে এসে অনুতপ্ত হয় এবং তাওবা করে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেবেন। নিম্নে আমরা আগেকার উম্মতদের মধ্য থেকে একজন লোকের কাহিনী উলে¬খ করছি, যিনি একশ লোককে হত্যা করেন।

عن أبي سعيد الخدري أن نبي الله صلى الله عليه وسلم قال كان فيمن كان قبلكم رجل قتل تسعة وتسعين نفسا فسأل عن أعلم أهل الأرض فدل على راهب فأتاه فقال إنه قتل تسعة وتسعين نفسا فهل له من توبة فقال لا فقتله فكمل به مائة ثم سأل عن أعلم أهل الأرض فدل على رجل عالم فقال إنه قتل مائة نفس فهل له من توبة فقال نعم ومن يحول بينه وبين التوبة انطلق إلى أرض كذا وكذا فإن بها أناسا يعبدون الله فاعبد الله معهم ولا ترجع إلى أرضك فإنها أرض سوء فانطلق حتى إذا نصف الطريق أتاه الموت فاختصمت فيه ملائكة الرحمة وملائكة العذاب فقالت ملائكة الرحمة جاء تائبا مقبلا بقلبه إلى الله وقالت ملائكة العذاب إنه لم يعمل خيرا قط فأتاهم ملك في صورة آدمي فجعلوه بينهم فقال قيسوا ما بين الأرضين فإلى أيتهما كان أدنى فهو له فقاسوه فوجدوه أدنى إلى الأرض التي أراد فقبضته ملائكة الرحمة قال قتادة فقال الحسن ذكر لنا أنه لما أتاه الموت نأى بصدره

“আবু সাঈদ সাদ বিন মালেক বিন সিনান আল খুদরী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু হতে বর্ণিত। নবী করীম সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমাদের পূর্বের জাতির একটি লোক নিরানব্বই জন মানুষকে হত্যা করে, এরপর সে সবচেয়ে বড় একজন জ্ঞানী লোকের [আলেমের] খোঁজ করে, তখন তাকে একজন আবেদের কথা বলা হয়। সে তার কাছে গিয়ে বলল, আমি নিরানব্বই জন মানুষকে খুন করেছি, আমার তাওবা আছে কি? সে বলল, না তোমার তাওবা নাই। অতঃপর লোকটি তাকেও হত্যা করে এবং সে একশ জন লোক পুরা করে। অতঃপর সে আবারও একজন বিজ্ঞ ব্যক্তির খোঁজ করলে একজন আলেমের খোঁজ দেয়া হয়। সে তাকে গিয়ে বলে, আমি একশটি লোক হত্যা করেছি, আমার কি তাওবা করার সুযোগ আছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ আছে। কে তোমার ও তাওবার মাঝে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াবে? তুমি উমুক স্থানে যাও সেখানে কিছু মানুষ রয়েছে যারা আল্লাহর ইবাদাত করে, তুমি তাদের সাথে গিয়ে আল্লাহর ইবাদাত কর। আর তুমি তোমার এলাকায় ফিরে যেও না। কেননা, তোমার এলাকাটা খুব খারাপ এলাকা। সে তখন যাত্রা শুরু করে। অর্ধেক পথ অতিক্রম করার সময় তার মৃত্যু এসে উপস্থিত হয়। অতঃপর তার ব্যাপারে রহমতের ফেরেশতা ও আযাবের ফেরেশতারা বিবাদে লিপ্ত হয়। রহমতের ফেরেশতারা বলে, সে তাওবা করে আল্লাহর পানে ছুটে এসেছে। পক্ষান্তরে আযাবের ফেরেশতারা বলে, সে কখনো কোন ভালো কাজই করেনি। অতঃপর সেখানে মানুষের বেশে একজন ফেরেশতা আসে। তারা তাকে বিচারক মানে। তিনি বলেন, তোমরা দুদিকটা মেপে দেখ। সে যেদিকে নিকটবর্তী হবে, তাকে সেদিকের বলে ধরে নেয়া হবে। অতঃপর মেপে দেখা গেল যে, সে যেদিকে যাচ্ছিল সে দিকটাই নিকটে। এর ফলে তাকে রহমতের ফেরেশতারা নিয়ে যায়। [[বুখারী, ৩৪৭০ ও মুসলিম, ৭২৬৬]]

অপর বর্ণনায় এসেছে- সে ছিল ভাল গ্রামটার দিকে এক বিঘত পরিমাণ আগানো যার ফলে তাকে সেদিকের ধরে নেয়া হয়। অপর বর্ণনায় এসেছে- আল্লাহ অহি করে দেন যেন এদিক দূরে হয়ে যায় এবং ঐদিকটা নিকটে হয়ে যায় এবং বলেন এর মধ্যখান মাপো যার ফলে তারা মাত্র এক বিঘত পরিমাণ এর দিকে আগান পায়, যার ফলে তাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়”।

একটু ভেবে দেখুন, লোকটি এত বড় অপরাধী হওয়া সত্ত্বেও আল্লাহ তা’আলা তাকে ক্ষমা করে দেন। আমরা যারা আজকে তাওবা করতে চাই তাদের কেউ আশা করি এত বড় অপরাধী নই। তাহলে আমাদের ক্ষমা পাওয়া তো আরও সহজ। আমরা যদি খালেস মন নিয়ে আল্লাহর দরবারে তাওবা করার জন্য উপস্থিত হই তখন আমার তাওবা কবুল হওয়ার ব্যাপারে কোন প্রতিবন্ধকতা নাই। আমাদের গুনাহ তো এ ব্যক্তির চেয়ে বেশী নয় এবং বড় নয় তাহলে হতাশা কেন? আল্লাহতো আমাদের ক্ষমা করবেনই।
পরিচ্ছেদঃ ১৬

তাওবা করার লাভ ও উপকারিতা

১. তাওবা দ্বারা গুনাহ মাফ হয়ে যায়ঃ

কেউ হয়ত বলতে পারেন, আমি তাওবা করতে চাই কিন্তু তাওবা করলে আমার লাভ কি? এবং কে আমাকে নিশ্চয়তা দেবে যে, আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করবেন? আমি সঠিক পথে চলতে চাই কিন্তু আমার মধ্যে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব রয়েছে, যদি আমি নিশ্চিতভাবে জানতে পারতাম যে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করবেন তাহলে আমি তাওবা করতাম?

আমি তাকে বলব, আপনার ভিতরে যে অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে সে অনুভূতি ইতঃপূর্বে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবাদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছিল। আপনি যদি মনোযোগ সহকারে নিম্নোক্ত দুটি রেওয়ায়েত পড়েন, তাহলে আপনার মনের প্রশ্ন আশা করি দূর হয়ে যাবে।

প্রথমত: ইমাম মুসলিম আমর ইবনে আ’স রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুর ইসলাম গ্রহণের ঘটনা বর্ণনা করেন। তাতে উলে¬খ করা হয়েছে, তিনি বলেন:

فلما جعل الله الإسلام في قلبي أتيت النبي صلى الله عليه وسلم فقلت : ابسط يمينك فلأبايعك، فبسط يمينه فقبضت يديّ قال : مالك يا عمرو ؟ قال : قلت أردت أن أشترط، قال ( تشترط بماذا؟ ) قلت : أن يغفر لي . قال : ( أما علمت يا عمرو أن الإسلام يهدم ما كان قبله وأن الهجرة تهدم ما كان قبلها، وأن الحج يهدم ما كان قبله ؟ ).

“মহান আল্লাহ যখন আমার অন্তরে ইসলামকে পছন্দনীয় করে দিলেন, তখন আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট গিয়ে বললাম, আপনি আপনার হাত বাড়ান আমি বাইয়াত করবো। তখন তিনি হাত বাড়ালে আমি হাত গুটিয়ে নেই। তিনি বলেন, হে আমর তোমার কি হল? আমি বললাম, আমি শর্ত করতে চাই। তিনি বলেন, কিসের শর্ত? বললাম, আমাকে যেন ক্ষমা করে দেয়া হয়। তিনি বললেন, হে আমর! তুমি কি জাননা যে, ইসলাম পূর্বের সবকিছু ধ্বংস করে দেয় এবং হিজরত পূর্বের সমস্ত গুনাহ ধ্বংস করে দেয়। [মুসলিম: ১২১]

দ্বিতীয়ত: সহীহ মুসলিমে ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন:

أن أناساً من أهل الشرك قتلوا فأكثروا، وزنوا فأكثروا ثم أتوا محمداً صلى الله عليه وسلم فقالوا : " إن الذي تقول وتدعوا إليه لحسن، ولو تخبرنا أن لما عملنا كفارة، فنزل قول الله تعالى : { وَالَّذِينَ لَا يَدْعُونَ مَعَ اللَّهِ إِلَهًا آخَرَ وَلَا يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلَّا بِالْحَقِّ وَلَا يَزْنُونَ وَمَن يَفْعَلْ ذَلِكَ يَلْقَ أَثَامًا } الفرقان /68. ونزل : ( قل يا عبادي الذين أسرفوا على أنفسهم لا تقنطوا من رحمة الله ).

কিছু মুশরিক লোক মানুষ হত্যা করে এবং তারা অনেক হত্যাকান্ড ঘটায়, জিনা করে এবং অনেক ব্যভিচার করে এরপর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বলে, আপনি যা বলেন এবং যার দিকে আহ্বান করেন তা অতি উত্তম। এখন আপনি যদি আমাদেরকে জানাতেন যে, আমরা যা করেছি এর কি কাফ্ফারা রয়েছে? তখন আল্লাহর এ বাণী নাযিল হয়:

﴿ وَٱلَّذِينَ لَا يَدۡعُونَ مَعَ ٱللَّهِ إِلَٰهًا ءَاخَرَ وَلَا يَقۡتُلُونَ ٱلنَّفۡسَ ٱلَّتِي حَرَّمَ ٱللَّهُ إِلَّا بِٱلۡحَقِّ وَلَا يَزۡنُونَۚ وَمَن يَفۡعَلۡ ذَٰلِكَ يَلۡقَ أَثَامٗا ٦٨ يُضَٰعَفۡ لَهُ ٱلۡعَذَابُ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ وَيَخۡلُدۡ فِيهِۦ مُهَانًا ٦٩ إِلَّا مَن تَابَ وَءَامَنَ وَعَمِلَ عَمَلٗا صَٰلِحٗا فَأُوْلَٰٓئِكَ يُبَدِّلُ ٱللَّهُ سَيِّ‍َٔاتِهِمۡ حَسَنَٰتٖۗ وَكَانَ ٱللَّهُ غَفُورٗا رَّحِيمٗا ٧٠ ﴾ [ الفرقان : ٦٨، ٧٠ ]

“আর যারা আল্লাহর সাথে অন্য কোন মা’বুদের উপাসনা করে না এবং আল্লাহ যাকে [হত্যা করা] হারাম করে দিয়েছেন, তাকে হত্যা করে না, শরীয়ত সম্মত কারণ ব্যতীত এবং তারা ব্যভিচার করে না, আর যে ব্যক্তি এরূপ কাজ করবে, তাকে শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে। কিয়ামাতের দিন তার শাস্তি বৃদ্ধি পেতে থাকবে এবং সে তাতে অনন্তকাল লাঞ্ছিত অবস্থায় থাকবে। কিন্তু যারা তাওবা করবে এবং ঈমান আনবে আর নেক কাজ করতে থাকবে আল্লাহ তাদের পাপসমূহকে পুণ্যে পরিবর্তন করে দিবেন। [বুখারি: ৩০৮] আর আল্লাহ বড়ই করুণাময়। [সূরা আল-ফুরকারন, আয়াত: ৬৮-৭০]

এবং এ আয়াতটিও নাযিল হয়:

﴿ ۞قُلۡ يَٰعِبَادِيَ ٱلَّذِينَ أَسۡرَفُواْ عَلَىٰٓ أَنفُسِهِمۡ لَا تَقۡنَطُواْ مِن رَّحۡمَةِ ٱللَّهِۚ إِنَّ ٱللَّهَ يَغۡفِرُ ٱلذُّنُوبَ جَمِيعًاۚ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلۡغَفُورُ ٱلرَّحِيمُ ٥٣ ٥٤ ﴾ [ الزمر : ٥٢، ٥٣ ]

“আপনি বলে দিন, [আল্লাহ বলেন] হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের উপর অত্যাচার করেছো, তোমরা আল্লাহ তা’আলার রহমত হতে নিরাশ হয়ো না। নিঃসন্দেহে আল্লাহ [অতীতের] সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করবেন। নিশ্চয় তিনি বড়ই ক্ষমাশীল, দয়ালু।” [[সূরা যুমার: ৫৩]]

হে মুসলিম ভাই! আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে, তাওবা দ্বারা শুধু গুনাহ মাপ হয় না বরং তাওবা আরও অনেক ফায়েদা ও লাভ রয়েছে। যেমন-

২. তাওবা দ্বারা আল্লাহর ভালো বাসা ও মহব্বত লাভ হয়:

আল্লাহ তা’আলা তাওবাকারীকে মহব্বত করেন। আল্লাহ তা’আলা বলেন,

﴿ إِنَّ ٱللَّهَ يُحِبُّ ٱلتَّوَّٰبِينَ وَيُحِبُّ ٱلۡمُتَطَهِّرِينَ ٢٢٢ ﴾ [ البقرة : ٢٢٢ ]

“নিশ্চয় আল্লাহ তাওবাকারীদেরকে ভালবাসেন এবং ভালবাসেন অধিক পবিত্রতা অর্জনকারীদেরকে”। [[সূরা বাকারাহ, আয়াত: ২২২]

৩. দুনিয়া ও আখেরাতের সফলতা অর্জন: তাওবা দ্বারা একজন বান্দা দুনিয়া ও আখেরাতে সফলকাম হয়। আল্লাহ তা’আলা বলেন,

﴿ وَتُوبُوٓاْ إِلَى ٱللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَ ٱلۡمُؤۡمِنُونَ لَعَلَّكُمۡ تُفۡلِحُونَ ٣١ ﴾ [ النور : ٣١ ]

“হে মুমিনগণ, তোমরা সকলেই আল্লাহর নিকট তাওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার”। [সূরা নূর, আয়াত: ৩১]

৪. গুনাহগুলোকে নেকী দ্বারা পরিবর্তন করে দেয়া হয়:

বান্দা যখন তার অপরাধ বুঝতে পেরে সত্যিকার তাওবা করে, তখন আল্লাহ তা’আলা শুধু তার গুনাহকেই ক্ষমা করবেন না, বরং গুনাহগুলোকে নেকী দ্বারা পরিবর্তন করে দেবেন। আপনি মহান আল্লাহ তা’আলার এ বাণীকে একটু গভীরভাবে চিন্তা করে দেখুন, তাতে আল্লাহ তা’আলা বান্দাদের কী সু-সংবাদ দিচ্ছেন:

﴿ إِلَّا مَن تَابَ وَءَامَنَ وَعَمِلَ عَمَلٗا صَٰلِحٗا فَأُوْلَٰٓئِكَ يُبَدِّلُ ٱللَّهُ سَيِّ‍َٔاتِهِمۡ حَسَنَٰتٖۗ وَكَانَ ٱللَّهُ غَفُورٗا رَّحِيمٗا ٧٠ ﴾ [ الفرقان : ٧٠ ]

“তবে যে তাওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে। পরিণামে আল্লাহ তাদের পাপগুলোকে পূণ্য দ্বারা পরিবর্তন করে দেবেন। আল্লাহ অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু”। [[সূরা আল-ফুরকান: ৭০]]

একটু ভালভাবে চিন্তা করে দেখুন এ বাণীটি, “তাদের পাপকে আল্লাহ নেকীতে পরিবর্তন করে দিবেন”। এতে আপনার নিকট মহান আল্লাহর অসীম অনুগ্রহের কথাই স্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে। আলেমগণ বলেন, পরিবর্তন দুভাবে হতে পারে:

এক: খারাপ গুণকে ভালগুণে পরিবর্তন করে দেয়া। যেমন- তাদের শিরককে ঈমানে পরিবর্তন করে দেয়া এবং ব্যভিচারকে পবিত্রতা ও চারিত্রিক সততায়, মিথ্যাকে সত্যবাদিতায় এবং খিয়ানতকে আমানদারীতা দ্বারা পরিবর্তন করে দেয়া।

দুই: তারা যে পাপ করেছে তা কিয়ামতের দিন নেকীতে রূপান্তরিত করে দেয়া। আপনি একটু ভাল করে পাঠ করুন, তাদের পাপকে নেকীতে পরিবর্তন করে দিবেন। তিনি একথা বলেননি প্রত্যেক পাপের স্থান নেকীতে পরিবর্তন করবেন। কেননা হতে পারে কম বা সমান অথবা বেশীতে পরিবর্তন করে দিবেন। এটা নির্ভর করছে তাওবাকারীর নিষ্ঠা ও পূর্ণতার উপর। আপনি কি এর চেয়ে উত্তম অনুগ্রহ আরো আছে বলে মনে করেন? আপনি মহান প্রভূর বাণীর উত্তম ব্যাখ্যা দেখুন নিম্নোক্ত হাদীসে:

عن عبد الرحمن بين جبير عن أبي طويل شطب الممدود أنه أتى النبي صلى الله عليه وسلم - وفي طرق أخرى – " جاء شيخ هرم قد سقط حاجباه على عينيه وهو يدّعم على عصا حتى قام بين يديّ النبي صلى الله عليه وسلم فقال : أرأيت رجلاً عمل الذنوب كلها فلم يترك منها شيئاً وهو في ذلك لم يترك حاجة ولا داجة أي صغيرة ولا كبيرة إلا أتاها، وفي رواية، إلا اقتطعها بيمينه لو قسمت خطيئته بين أهل الأرض لأوبقتهم أي أهلكتهم فهل لذلك من توبة ؟ قال : ( فهل أسلمت ) قال : أما أنا فأشهد أن لا إله إلا الله وأنك رسول الله . قال : ( تفعل الخيرات وتترك السيئات فيجعلهن الله لك خيرات كلهن ) قال : وغدراتي وفجراتني، قال : ( نعم ) قال : الله أكبر فما زال يكبر حتى توارى . قال الهيثمي رواه الطبراني والبزار بنحوه ورجال البزار رجال الصحيح غير محمد بن هارون أبي نشيطة وهو ثقة، المجمع 1/36 وقال المنذري في الترغيب إسناده جيد قوي 4/113 وقال ابن حجر في الإصابة هو على شرط الصحيح 4/149.

“আবদুর রহমান বিন জুবাইর আবু তালীব শাতবুল মামদুদ হতে বর্ণনা করেন, তিনি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট আসেন। অন্য বর্ণনায় এসেছে, একজন খুবই বৃদ্ধ ব্যক্তি লাঠিতে ভর দিয়ে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আসেন যার চোখের পাতা তার চোখের সাথে লেগে গিয়েছিল। তিনি রাসূলের সামনে এসে দাঁড়িয়ে বলেন, যদি কোন লোক সব ধরনের পাপ করে থাকে, এমন কোন পাপ নেই যা সে করেনি [ছোট বড় সব ধরনের পাপই করেছে]।

[অপর বর্ণনায় এসেছে যে, সে সব পাপই করেছে, তার পাপ যদি দুনিয়াবাসীর উপর বন্টন করে দেয়া হত তাহলে তাদেরকে ধ্বংস করে দিত] এর কি তাওবা করার সুযোগ রয়েছে? তিনি বললেন, আপনি কি ইসলাম গ্রহণ করছেন? সে বলল, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ব্যতীত কোন সত্য মাবুদ নেই এবং নিশ্চয় আপনি আল্লাহর রাসূল। তিনি বললেন, ভাল কাজ করবেন এবং মন্দ [পাপ] কাজ পরিত্যাগ করবেন তাহলে আল্লাহ তা’আলা আপনার জন্য সব পাপকে ভাল কাজে পরিণত করে দিবেন। সে বলল, আমার গাদ্দারী ও কুকীর্তি সমূহ? তিনি বললেন, হ্যাঁ। বর্ণনাকারী বলেন, সে বার বার আল্লাহু আকবার [আল্লাহ মহান] ধ্বনি উচ্চারণ করছিল যতক্ষণ না সে চোখের আড়াল হয়ে যায়”।

এখানে তাওবাকারী হয়তো প্রশ্ন করতে পারেন, আমি ছিলাম পথভ্রষ্ট, নামায পড়তাম না, ইসলামের গন্ডির বাইরে ছিলাম, আমি কিছু ভাল কাজও করেছি, এখন তাওবা করার পর এগুলো কি ধরা হবে, নাকি সব হাওয়া হয়ে যাবে?

আপনার প্রশ্নের জবাব হল, উরওয়া ইবনে জুবাইর হতে বর্ণিত হাদীসটি। তিনি বলেন,

أن حكيم بن حزام أخبره أنه قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم : أي رسول الله أرأيت أموراً كنت أتحنث بها في الجاهلية من صدقة أو عتِاقة أو صلة رحم أفيها أجر ؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم : ( أسلمت على ما أسلفت من خير ) رواه البخاري .

হাকীম ইবনে হিজাম তাকে জানিয়েছেন যে, তিনি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলেছেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি জাহেলিয়াতের যুগে দান-খয়রাত, গোলাম মুক্ত করা, আত্মীয়তা রক্ষা করা ইত্যাদি নেকীর কাজ করতাম। আমি কি এতে নেকী পাব? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তুমি ইসলাম গ্রহণ করেছো, পূর্বেরগুলোকে উত্তম ভাবেই পাবে [বুখারি: ১২৩]।” [বুখারী]

সুতরাং, এসব পাপ ক্ষমায় পরিবর্তন করে দেয়া হবে এবং এসব জাহেলিয়াতের যুগের নেকী তাওবার পরে ঠিক রাখা হবে। তাহলে আর কি-ইবা বাকী থাকলো?

৫. তাওবা দ্বারা জান্নাত লাভ হয়:

তাওবা জান্নাতে প্রবেশের কারণ হয়। আল্লাহ তা’আলা তাওবাকারীদের গুনাহ ক্ষমা করবেন এবং তাদের জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। আল্লাহ তা’আলা বলেন,

﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ تُوبُوٓاْ إِلَى ٱللَّهِ تَوۡبَةٗ نَّصُوحًا عَسَىٰ رَبُّكُمۡ أَن يُكَفِّرَ عَنكُمۡ سَيِّ‍َٔاتِكُمۡ وَيُدۡخِلَكُمۡ جَنَّٰتٖ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُ ٨ ﴾ [ التحريم : ٨ ]

“হে ঈমানদারগণ, তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা কর, খাঁটি তাওবা; আশা করা যায় তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ মোচন করবেন এবং তোমাদেরকে এমন জান্নাতসমূহে প্রবেশ করাবেন যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত”।

আল্লাহ তা’আলা আরও বলেন,

﴿ وَٱلَّذِينَ إِذَا فَعَلُواْ فَٰحِشَةً أَوۡ ظَلَمُوٓاْ أَنفُسَهُمۡ ذَكَرُواْ ٱللَّهَ فَٱسۡتَغۡفَرُواْ لِذُنُوبِهِمۡ وَمَن يَغۡفِرُ ٱلذُّنُوبَ إِلَّا ٱللَّهُ وَلَمۡ يُصِرُّواْ عَلَىٰ مَا فَعَلُواْ وَهُمۡ يَعۡلَمُونَ ١٣٥ أُوْلَٰٓئِكَ جَزَآؤُهُم مَّغۡفِرَةٞ مِّن رَّبِّهِمۡ وَجَنَّٰتٞ تَجۡرِي مِن تَحۡتِهَا ٱلۡأَنۡهَٰرُ خَٰلِدِينَ فِيهَاۚ وَنِعۡمَ أَجۡرُ ٱلۡعَٰمِلِينَ ١٣٦ ﴾ [ ال عمران : ١٣٥، ١٣٦ ]

“আর যারা কোন অশ্লীল কাজ করলে অথবা নিজদের প্রতি যুলম করলে আল্লাহকে স্মরণ করে, অতঃপর তাদের গুনাহের জন্য ক্ষমা চায়। আর আল্লাহ ছাড়া কে গুনাহ ক্ষমা করবে ? আর তারা যা করেছে, জেনে শুনে তা তারা বার বার করে না। এরাই তারা, যাদের প্রতিদান তাদের রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাত ও জান্নাতসমূহ যার তলদেশে প্রবাহিত রয়েছে নহরসমূহ। সেখানে তারা স্থায়ী হবে। আর আমলকারীদের প্রতিদান কতই না উত্তম!

৬. দুনিয়াতে উত্তম জীবন উপকরণ ও আখেরাতে উত্তম প্রতিদান লাভ হয়:

আল্লাহ তা’আলা পবিত্র কুরআনে করীমে এরশাদ করেন-

﴿ وَأَنِ ٱسۡتَغۡفِرُواْ رَبَّكُمۡ ثُمَّ تُوبُوٓاْ إِلَيۡهِ يُمَتِّعۡكُم مَّتَٰعًا حَسَنًا إِلَىٰٓ أَجَلٖ مُّسَمّٗى وَيُؤۡتِ كُلَّ ذِي فَضۡلٖ فَضۡلَهُۥۖ ٣ ﴾ [ هود : ٣ ]

“আর তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও। তারপর তার কাছে ফিরে যাও, (তাহলে) তিনি তোমাদেরকে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত উত্তম ভোগ-উপকরণ দেবেন এবং প্রত্যেক আনুগত্যশীলকে তাঁর আনুগত্য মুতাবিক দান করবেন”। [সূরা হুদ, আয়াত: ৩]

অর্থাৎ, দুনিয়াতে তাকে উত্তম ভোগ উপকরণ দান করবেন আর তার ইবাোত ও আনুগত্য অনুযায়ী তাকে প্রতিদান দেবেন।

৭. আসমান থেকে সময়মত বৃষ্টি ও তোমাদের শক্তি দান করবেন:

আল্লাহ তা’আলা পবিত্র কুরআনে হুদ আ. এর ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, হুদ তার সম্প্রদায়ের লোকদের বলছিল,

﴿ وَيَٰقَوۡمِ ٱسۡتَغۡفِرُواْ رَبَّكُمۡ ثُمَّ تُوبُوٓاْ إِلَيۡهِ يُرۡسِلِ ٱلسَّمَآءَ عَلَيۡكُم مِّدۡرَارٗا وَيَزِدۡكُمۡ قُوَّةً إِلَىٰ قُوَّتِكُمۡ وَلَا تَتَوَلَّوۡاْ مُجۡرِمِينَ ٥٢ ﴾ [ هود : ٥٢ ]

“হে আমার কওম, তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও অতঃপর তার কাছে তাওবা কর, তাহলে তিনি তোমাদের উপর মুষলধারে বৃষ্টি পাঠাবেন এবং তোমাদের শক্তির সাথে আরো শক্তি বৃদ্ধি করবেন। আর তোমরা অপরাধী হয়ে বিমুখ হয়ো না”। [সূরা হুদ, আয়াত: ৫২]

৮. দু’আ কবুল হয়:

আল্লাহ তা’আলা পবিত্র কুরআনে সালেহ আ. এর ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, সালেহ তার সম্প্রদায়ের লোকদের বলছিল,

﴿ ۞وَإِلَىٰ ثَمُودَ أَخَاهُمۡ صَٰلِحٗاۚ قَالَ يَٰقَوۡمِ ٱعۡبُدُواْ ٱللَّهَ مَا لَكُم مِّنۡ إِلَٰهٍ غَيۡرُهُۥۖ هُوَ أَنشَأَكُم مِّنَ ٱلۡأَرۡضِ وَٱسۡتَعۡمَرَكُمۡ فِيهَا فَٱسۡتَغۡفِرُوهُ ثُمَّ تُوبُوٓاْ إِلَيۡهِۚ إِنَّ رَبِّي قَرِيبٞ مُّجِيبٞ ٦١ ﴾ [ هود : ٦١ ]

আর সামূদ জাতির প্রতি (পাঠিয়েছিলাম) তাদের ভাই সালিহকে। সে বলল, ‘হে আমার কওম, তোমরা আল্লাহর ইবাদাত কর, তিনি ছাড়া তোমাদের কোন (সত্য) ইলাহ নেই, তিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে এবং সেখানে তোমাদের জন্য আবাদের ব্যবস্থা করেছেন । সুতরাং তোমরা তাঁর কাছে ক্ষমা চাও, অতঃপর তাঁরই কাছে তাওবা কর। নিশ্চয় আমার রব নিকটে, সাড়াদানকারী’। [সূরা হুদ, আয়াত: ৬১]

৯. তাওবার দ্বারা যাবতীয় বলা-মুসিবত ও আল্লাহর আযাব দূর হয়:

আল্লাহ তা’আলা পবিত্র কুরআনে এরশাদ করেন-

﴿ وَمَا كَانَ ٱللَّهُ لِيُعَذِّبَهُمۡ وَأَنتَ فِيهِمۡۚ وَمَا كَانَ ٱللَّهُ مُعَذِّبَهُمۡ وَهُمۡ يَسۡتَغۡفِرُونَ ٣٣ ﴾ [ الانفال : ٣٣ ]

আর আল্লাহ এমন নন যে, তাদেরকে আযাব দেবেন এ অবস্থায় যে, তুমি তাদের মাঝে বিদ্যমান এবং আল্লাহ তাদেরকে আযাব দানকারী নন এমতাবস্থায় যে, তারা ক্ষমা প্রার্থনা করছে। সূরা আনফাল, আয়াত:

তাওবার দ্বারা পেরেশানি দূর হয়, বিপদ থেকে মুক্ত পায় এবং রিযিক বৃদ্ধি পায়:

আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রা. হতে হাদিস বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সা. এরশাদ করেন

مَن أكثَرَ من الاستغفار جعَلَ الله له مِن كلِّ همٍّ فرجًا، ومن كلِّ ضيقٍ مخرجًا، ورزَقَه من حيث لا يحتَسِب .

“যে ব্যক্তি বেশি বেশি করে আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থণা করে, আল্লাহ তা’আলা তার সমস্ত পেরেশানীকে দূর করে দেয়, সকল বিপদ থেকে উদ্ধার করে এবং তাকে তার ধারণাতীত রিযিক দান করে”। [বর্ণনায়, আহমদ: ২২৩৪]
পরিচ্ছেদঃ ১৭

তাওবার ক্ষেত্রে রাসূল সা. এর অনুসরণ

আল্লাহ তা’আলা রাসূল সা. এর অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের যাবতীয় সব গুনাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন। তার তাওবা করা জরুরি নয়। তারপরও তিনি বলেন, হে মানুষ তোমরা আল্লাহর দিকে ফিরে যাও এবং তার কাছে ক্ষমা চাও। কারণ, আমি দৈনিক একশত বার আর দরবারে ক্ষমা চাই। তিনি আরও বলেন, আমি দৈনিক সত্তুরের অধিক আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাওবা করি। আর আমাদের জন্য রাসূলের অনুকরণ করা ও তার সূন্নাতের অনুসরণ করার মধ্যেই নিহিত রয়েছে যাবতীয় কল্যাণ ও উত্তম আদর্শ। আল্লাহ তা’আলা বলেন,

﴿ قُلۡ إِن كُنتُمۡ تُحِبُّونَ ٱللَّهَ فَٱتَّبِعُونِي يُحۡبِبۡكُمُ ٱللَّهُ وَيَغۡفِرۡ لَكُمۡ ذُنُوبَكُمۡۚ وَٱللَّهُ غَفُورٞ رَّحِيمٞ ٣١ ﴾ [ ال عمران : ٣١ ]

একটি মজলিসের মধ্যে রাসূল সা. ‘হে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা কর, আমার তাওবা কবুল কর, নিশ্চয় তুমি ক্ষমা কারী ও তাওবা কবুল কারী’ এ কথাটি একশ বারের অধিক বলতেন বলে সাহাবীরা গণনা করেন।

সূরা নাসর নাযিল হওয়ার পর যত সালাত আদায় করতেন, সব সালাতে তিনি এ দুআ পড়তেন।

তিনি আরও বলেন, তোমাদের কাউকে তার আমল নাজাত দেবে না। সাহাবীরা জিজ্ঞাসা করলেন, হে আল্লাহর রাসূল আপনাকেও নাজাত দেবে না? তিনি বললেন, না আমাকেও না, তবে যদি আল্লাহ তা’আলা তার রহমত ও দয়া দ্বারা আমাকে ডেকে নেন।

সুতরাং আমাদের রাসূল এর অনুসরণ করতে হবে এবং তার সাহাবীরা কিভাবে তাওবা করেছে তা অনুকরণ করতে হবে। নিম্নে দুই সাহাবীর প্রসিদ্ধ দুটি ঘটনা উল্লেখ করছি।
পরিচ্ছেদঃ ১৮

সাহাবীদের তাওবা

মনে রাখবেন, সাহাবীরা ছিল উম্মতের আদর্শ। তারা যখন কোন ভুল করতেন, সাথে সাথে তারা তার থেকে ক্ষমা পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে যেতেন এবং গুনাহ হতে পবিত্র হওয়ার জন্য তারা অস্থীর হয়ে যেতেন। তারা তাদের নিজেদের অপরাধ স্বীকার করতেন এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দরবারে এসে তা প্রকাশ করতে কোন প্রকার কুন্ঠাবোধ করতেন না। আমরা এখানে এ উম্মতের প্রথম যুগের রাসূলের সাহাবীদের তাওবার কয়েকটি ঘটনা উদাহরণ স্বরূপ উলে¬খ করবো।
পরিচ্ছেদঃ ১৯

মায়েয ইবনে মালেক আল আসলামীর রা. এর তাওবা:

عن بريدة رضي الله عنه : أن ماعز بن مالك الأسلمي أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال : ( يا رسول الله إني ظلمت نفسي وزنيت، وإني أريد أن تطهرني فرده، فلما كان من الغد أتاه، فقال : يا رسول الله إني زنيت فرده الثانية، فأرسل رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى قومه، فقال : ( أتعلمون بعقله بأساً ؟ أتنكرون منه شيئاً ؟ ) قالوا : ما نعلمه إلا وفيّ العقل، من صالحينا فيما نرى، فأتاه الثالثة، فأرسل إليهم أيضاً، فسأل عنه فأخبره أنه لا بأس به ولا بعقله، فلما كان الرابعة حفر له حفرة، ثم أمر به فرجم، قال : فجاءت الغامدية، فقالت : يا رسول الله إني زنيت فطهرني، وإنه ردها، فلما كان الغد، قالت : يا رسول الله لم تردني ؟ لعلك أن تردني كما رددت ماعزاً، فوالله إني لحبلى، قال : ( أما لا، فاذهبي حتى تلدي ) ، قال : فلما ولدت أتته بالصبي في خرقة، قالت : هذا قد ولدته، قال : ( اذهبي فأرضعيه حتى تفطميه ) ، فلما فطمته أتته بالصبي في يده كسرة خبز، فقالت : هذا يا رسول الله قد فطمته، وقد أكل الطعام، فدفع الصبي إلى رجل من المسلمين، ثم أمر بها فحفر لها إلى صدرها، وأمر الناس فرجموها، فيقبل خالد بن الوليد بحجر فرمى رأسها فتنضخ الدم على وجه خالد فسبها، فسمع نبي الله سبه إياها، فقال : ( مهلاً يا خالد ! فوالذي نفسي بيده لقد تابت توبة لو تابها صاحب مكس " وهو الذي يأخذ الضرائب " لغفر له ) رواه مسلم . ثم أمر بها فصلى عليها، ودفنت . وفي رواية فقال عمر يا رسول الله رجمتها ثم تصلي عليها ! فقال : ( لقد تابت توبة لو قسمت بين سبعين من أهل المدينة وسعتهم، وهل وجدت شيئاً أفضل من أن جادت بنفسها لله عز وجل . رواه عبد الرزاق في مصنفه 7/325.

এক - বুরায়দা রাদিয়াল্লাহু তা’আল আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মায়েয ইবনে মালেক আল আসলামী রা. রাসূলুল্লাহ সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার আত্মার উপর জুলুম করেছি, আমি জিনা করেছি। আমি চাই আপনি আমাকে পবিত্র করুন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সম্প্রদায়ের নিকট লোক পাঠিয়ে জিজ্ঞেস করলেন যে, তার মানসিক কোন সমস্যা আছে বলে তোমাদের কাছে খবর আছে কি? তারা বলল, আমরা তো এ ধরনের কিছু জানিনা। তাকে আমরা পূর্ণ জ্ঞানবানই দেখছি। আমাদের দৃষ্টিতে সে একজন সুস্থ মানুষ। এরপর সে তৃতীয়বার আবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসে এবং রাসূল আবার তার গোত্রের নিকট লোক পাঠিয়ে জিজ্ঞেস করেন। তারা জানায়, তার কোন মানসিক সমস্যা নেই। অতঃপর যখন সে চতুর্থবার আসে তখন তার জন্য গর্ত খুঁড়া হয়, পাথর ছুঁড়ে হত্যার মাধ্যমে তার শাস্তি কার্যকর করা হয়।

দুই- গামেদিয়া [গামেদিয়া গোত্রের জনৈকা মহিলা] এসে বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ব্যভিচার করেছি, আপনি আমাকে পবিত্র করুন! রাসূল তার কথার প্রতি কোন কর্ণপাত করলেন না এবং তিনি তাকে ফিরিয়ে দিলেন। পরের দিন সে আবার এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! কেন আপনি আমাকে ফেরত পাঠালেন? হয়তো আপনি আমাকে মায়েযের মত ফেরত পাঠাচ্ছেন! আল্লাহর শপথ! আমি অবৈধভাবে গর্ভবতী। তখন তিনি তাকে বললেন, যখন সন্তান প্রসব করবে, তখন এস। সন্তান জন্ম দেবার পর বাচ্চাটিকে একটি কাপড়ে জড়িয়ে নিয়ে মহিলা রাসূলের নিকট হাজির হলেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, যাও যখন সে খাবার খেতে পারবে তখন আসবে। এরপর যখন বাচ্চা খাবার খেতে শুরু করে তখন মহিলা তার সন্তানকে নিয়ে এসে হাজির হন, তখন বাচ্চার হাতে এক টুকরা রুটি ধরা ছিল। সে বলে, হে আল্লাহর রাসূল! বাচ্চা এখন খাবার খাচ্ছে। অতঃপর তার বাচ্চাটাকে একজন মুসলমানের জিম্মায় দেয়া হল। এরপর তার বুক পর্যন্ত গর্ত খুঁড়তে নির্দেশ দেয়া হল। এরপর লোকদের নির্দেশ দেয়া হল যেন পাথর ছুঁড়ে হত্যার মাধ্যমে তার শাস্তি কার্যকর করা হয়। খালিদ ইবনে অলিদ একটা পাথর ছুঁড়ে তার মাথায় মারেন, যার ফলে রক্ত ছুটে খালিদের মুখে এসে পড়ে, এজন্য খালিদ তাকে গালি দেন। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার গালি শুনতে পেয়ে বলেন, ধীরে, হে খালিদ! আমার জীবন যে সত্ত্বার হাতে রয়েছে তার কসম করে বলছি। এ মহিলা এমন তাওবা করেছে, যদি এ তাওবা কোন অবৈধ ট্যাক্স আদায়কারী করত, তাহলে তাকে ক্ষমা করে দেয়া হত। এরপর নির্দেশ দেয়া হয় এবং তার জানাযা পড়ে তাকে দাফন করা হয়।

এক বর্ণনায় এসেছে, উমার রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তাকে রজম [পাথর ছুড়ে হত্যা] করলেন এরপর তার আবার জানাযা পড়বেন? তখন তিনি বললেন, সে এমন তাওবা করেছে তা যদি মদীনার সত্তর জন লোকের মাঝে বন্টন করে দেয়া হত, তাহলে তা তাদের গুনাহ মাপের জন্য যথেষ্ট হত। তুমি কি এর চেয়ে আর কাউকে উত্তম দেখেছ, যে আল্লাহর উদ্দেশ্যেই নিজের জীবন নিয়ে উপস্থিত হয়েছে”?।
পরিচ্ছেদঃ ২০

আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া যাবে না:

আপনি হয়তো আমাকে বলতে পারেন, আমি তাওবা করতে চাই কিন্তু আমার গুনাহের পরিমাণ অনেক বেশী, আমি আমার জীবনে যত রকমের গুনাহ আছে, তা সবই আমি করেছি। আমি জীবনে অনেক বড় বড় পাপ কামাই করেছি। অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বিগত এত বছরের সব পাপ কি আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করবেন? হে সম্মানিত পাঠক ভাই! আপনাকে আমি বলছি, এটি বিশেষ কোন সমস্যা নয় বরং এটা অনেকেরই সমস্যা যারা তাওবা করতে চায়। গুনাহ যত বড় হোক না কেন, আল্লাহর রহমত ও দয়া তার চেয়ে অনেক বড়। আল্লাহ তা’আলা সব ধরনের পাপকেই ক্ষমা করবেন।

আল্লাহ তা’আলা কুরানে করীমে স্বীয় বান্দাদের সম্বোধন করে বলেন,

﴿ ۞قُلۡ يَٰعِبَادِيَ ٱلَّذِينَ أَسۡرَفُواْ عَلَىٰٓ أَنفُسِهِمۡ لَا تَقۡنَطُواْ مِن رَّحۡمَةِ ٱللَّهِۚ إِنَّ ٱللَّهَ يَغۡفِرُ ٱلذُّنُوبَ جَمِيعًاۚ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلۡغَفُورُ ٱلرَّحِيمُ ٥٣ وَأَنِيبُوٓاْ إِلَىٰ رَبِّكُمۡ وَأَسۡلِمُواْ لَهُۥ مِن قَبۡلِ أَن يَأۡتِيَكُمُ ٱلۡعَذَابُ ثُمَّ لَا تُنصَرُونَ ٥٤ ﴾ [ الزمر : ٥٢، ٥٣ ]

“বলে দাও যে, [আল্লাহ বলেন] হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের উপর অত্যাচার করেছো, তোমরা আল্লাহ তা’আলার রহমত হতে নিরাশ হয়ো না। নিঃসন্দেহে আল্লাহ [অতীতের] সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করবেন; নিশ্চয়ই তিনি বড়ই ক্ষমাশীল, দয়ালু। আর তোমরা তোমাদের রবের দিকে প্রত্যাবর্তন কর এবং তার নিকট আত্মসমর্পণ কর আযাব আসার পূর্বেই, অতঃপর আর তোমাদেরকে সাহায্য করা হবে না”। [[সূরা যুমার, আয়াত: ৫২, ৫৩]]

আল্লাহ তা’আলা বান্দাদের আল্লাহর রহমত থেকে হতাশ হতে নিষেধ করেছেন। আল্লাহ মানুষকে ক্ষমা করবেনই। আনাস বিন মালেক রাদিয়াল্লাহ আনহু হতে হাদিসে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন,

سمعت رسول الله - صلى الله عليه وسلم - يقول : قال الله تبارك وتعالى : [ يا ابن آدم إنك ما دعوتني ورجوتني غفرت لك على ما كان فيك ولا أبالي، يا ابن آدم لو بلغت ذنوبك عنان السماء ثم استغفرتني غفرت لك ولا أبالي، يا ابن آدم إنك لو أتيتني بقراب الأرض خطايا ثم لقيتني لا تشرك بي شيئا لأتيتك بقرابها مغفرة [

আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আল্লাহ তা’আলা বলেন, হে আদম সন্তান! যখনই তুমি আমাকে ডাকবে ও আশা করবে, আমি তোমার মধ্যে যে সব দোষ ত্রুটি আছে, সেগুলো নির্বিঘ্নে ক্ষমা করে দেব। হে আদম সন্তান! যদি তোমার গুনাহের স্তুপ আসমান পর্যন্ত পৌঁছে, তারপর তুমি আমার নিকট ক্ষমা চাইলে, আমি নির্বিঘ্নে তোমাকে ক্ষমা করে দেব। হে আদম সন্তান! যদি তুমি জমিন ভর্তি গুনাহ করে থাক, তারপর যে অবস্থায় তুমি আমার সাথে কাউকে শরিক করোনি সে অবস্থায় তুমি আমার নিকট আসলে, আমি তোমার কাছে জমিন ভর্তি ক্ষমা নিয়ে উপস্থিত হব। [তিরমিযি, ৩৫৪০] রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও এরশাদ করেন,

إن الله ـ تعالى ـ يبسط يدهُ بالتوبة لمسيء الليل إلى النهار ولمسيء النهار إلى الليل حتى تطلع الشمس من مغربها .

“একজন বান্দা রাতে যে সব অপরাধ করে, তা ক্ষমা করার জন্য আাল্লাহ তা’আলা সারা হাত পেতে রাখেন, আর দিনের বেলা যে সব অপরাধ করে, তা ক্ষমা করার জন্য আল্লাহ তা’আলা রাতে হাত পেতে দেন। এটি ততদিন পর্যন্ত চলতে থাকবে, যেদিন সূর্য্ পশ্চিম দিক থেকে উদয় হবে”।

মোট কথা পাপের পরিমাণ যত বেশী হোক না কেন আল্লাহ তা’আলা অবশ্যই ক্ষমা করবেন। কিন্তু তারপরও আমাদের অন্তরে এ অনুভূতি জাগে আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করবেন কিনা? এ অনুভূতি জাগ্রত হওয়া কারণ হচ্ছে:

প্রথমত: আল্লাহর রহমত ও ক্ষমার ব্যাপকতা সম্পর্কে বান্দার অন্তরে দৃঢ় বিশ্বাস না থাকা। এর ব্যাখ্যা হিসেবে মহান আল্লাহর এ বাণীই যথেষ্ট হবে:

﴿ ۞قُلۡ يَٰعِبَادِيَ ٱلَّذِينَ أَسۡرَفُواْ عَلَىٰٓ أَنفُسِهِمۡ لَا تَقۡنَطُواْ مِن رَّحۡمَةِ ٱللَّهِۚ إِنَّ ٱللَّهَ يَغۡفِرُ ٱلذُّنُوبَ جَمِيعًاۚ إِنَّهُۥ هُوَ ٱلۡغَفُورُ ٱلرَّحِيمُ ٥٣ ﴾ [ الزمر : ٥٢ ]

“নিঃসন্দেহে আল্লাহ [অতীতের] সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করবেন; নিশ্চয়ই তিনি বড়ই ক্ষমাশীল, দয়ালু”। [সূরা যুমার, আয়াত: ৫২]

দ্বিতীয়ত: আল্লাহর রহমত যে কত ব্যাপক সে সম্পর্কে ঈমানে ঘাটতি থাকা। এক্ষেত্রে নিম্নের হাদীসে কুদসীই যথেষ্ট। মহান আল্লাহ বলেন, “যে ব্যক্তি জানলো যে, আমি গুনাহ মাফ করার ক্ষমতা রাখি তাহলে তাকে ক্ষমা করে দেব এ ব্যাপারে কোন কিছুতেই পরওয়া করবো না, যদি সে আমার সাথে কোন কিছু শরীক [অংশীদার] না করে থাকে”। এটি হবে, যখন বান্দা আল্লাহর সাথে পরকালে সাক্ষাত করবে।

তৃতীয়ত: তাওবার কার্যকর ক্ষমতা সম্পর্কে এ ধারণা না থাকা যে, তা সব গুনাহকেই ক্ষমা করে দিতে পারে। এক্ষেত্রে রাসূলের এ হাদীসই যথেষ্ট, “যে ব্যক্তি তাওবা করবে তার যেন কোন গুনাহ থাকবে না।”

ক্ষমাকে যারা খুব কঠিন বলে মনে করে এবং চিন্তা করে, আল্লাহ কঠিন পাপ ক্ষমা করবেন কিনা? তাদের জন্য নিম্নোক্ত হাদীসটি পেশ করছি।
পরিচ্ছেদঃ ২১

তাওবার প্রতিবন্ধকতা

১- শয়তান মানুষের সামনে গুনাহগুলো সু-শোভিত করে তুলে এবং প্রিয় বানিয়ে দেয়। ফলে বান্দার অন্তর গুনাহের কর্মের দিক অগ্রসর ও ধাবিত হয়। আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য করা হতে পলায়ন করে এবং ইবাদাত বন্দেগী করা তার নিকট কষ্টকর হয়।

২- হারামকে হালাল হিসেবে তুলে ধরে এবং হালালকে হারাম হিসেবে তুলে ধরে শয়তান বান্দাকে ধোকায় ফেলে দেয়। এ ছাড়াও ভালো কাজকে খারাপ এবং খারাপ কাজকে ভালো হিসেবে প্রকাশ করে শয়তান মানুষকে ধোকা দেয়। ফলে তার আর তাওবা করার সুযোগ হয় না। সে যে অন্যায় করছে, তা সে বুঝতেই পারে না।

৩- শয়তান বান্দাকে তাওবা থেকে ফিরানোর জন্য তারা তাকে বিভিন্ন ধরনের আশা দিয়ে থাকে। শয়তান বান্দাকে বলতে থাকে, তুমি তাওবা করতে এত তাড়াহুড়া করছ কেন? তোমারতো তাওবা করার এখনো অনেক সময় আছে। তুমি এখনো যুবক, পড়া লেখা শেষ করোনি, চাকুরি পাওনি ইত্যাদি। এরপর যখন চাকুরি পায় তখন বলে এখনো বিবাহ করোনি ইত্যাদি বলে শয়তান মানুষকে তাওবা থেকে ফিরিয়ে রাখে। এ ধরনের সমস্য সামনে আসলে মৃত্যুর কথা স্মরণ করবে। কারণ, মৃত্যু ছোট বড় কাউকেই ছাড়ে না। যে কোন সময় যে কোন বয়সের লোকের মৃত্যু এসে যেতে পারে। তখন আর তাওবা করার সুযোগ থাকবে না।

৪- গুনাহকে ছোট মনে করে তাওবা করা হতে বিরত থাকে। যখন কোন একটি গুনাহ করে, তখন শয়তান এসে বলে, এতো বড় ধরনের কোন অপরাধ নয় যে, তা হতে তাওবা করতে হবে। মানুষ এর চেয়ে আরও বড় বড় গুনাহ করে থাকে।

৫- তাওবা করার পর গুনাহ ছেড়ে আল্লাহর আনুগত্যের উপর অবিচল থাকা কষ্টকর হওয়ার কারণে তাওবা করতে মনে চায় না। কারণ, যখন তাওবা করে তখন সাথীরা বলে তুমি এত কষ্ট করছ কেন? তোমার থেকে তোমার সাথীরা দূরে সরে যাচ্ছে, সবাই তোমার বিরুদ্ধে ক্ষেপে যাচ্ছে।

৬- হতাশাও মানুষকে তাওবা থেকে ফিরিয়ে রাখে। কারণ, যখন কোন বান্দাহ গুনাহ করার পর তাওবা করতে চায়, তখন শয়তান এসে বলে, তোমার গুনাহ অনেক বড় যা আল্লাহ কখনোই ক্ষমা করবে না। যদি ক্ষমা নাই করে, তাহলে তাওবা করে লাভ কি? ফলে সে তাওবা করা হতে বিরত থাকে।

উল্লেখিত বিষয়গুলো যখন আপনার সামনে আসবে তখন আমরা আপনাকে বলব, আপনি শয়তানদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করুন। নিশ্চয় শয়তানদের চক্রান্ত খুবই দুর্বল। আপনি শয়তানের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন, এসব শয়তান ও তার দোসররা অবশ্যই থেমে যাবে অতঃপর খুব শীঘ্রই তার ষড়যন্ত্র দূর্বল হয়ে পড়বে এবং মুমিনের ধৈর্য ও দৃঢ়তার সামনে সে পরাজিত হবে।

আপনি নিশ্চিত থাকুন যে, আপনি যদি শয়তানের কথা মত চলেন, তার কাছে মাথা নত করেন, তাহলে সে আরো বেশী বেশী ধোকা আপনার বিরুদ্ধে দাঁড় করাবে। সুতরাং পূর্বে ও পরে সর্বাবস্থায় আপনিই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। অতএব তার অনুসরণ না করে আল্লাহর সাহায্য চান এবং বলুন:

﴿ حَسۡبُنَا ٱللَّهُ وَنِعۡمَ ٱلۡوَكِيلُ ١٧٣ ﴾ [ ال عمران : ١٧٣ ]

“আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই আমার উত্তম অভিভাবক”। [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৭৩] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন সম্প্রদায়ের ক্ষতির আশংকা করতেন তখন বলতেন:

] اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِهِمْ وَنَعُوذُبِكَ مِنْ شُرُورِهِمْ ] [ مسند أحمد، أبو داود، صحيح الجامع [

“হে আল্লাহ! আমি আপনাকে তাদের গলার উপর ছেড়ে দিচ্ছি এবং আপনার নিকট পরিত্রাণ চাচ্ছি তাদের খারাপী থেকে”। [আহমদ: ১৯৭১৯ আবু দাউদ: ১৫৩৭]

অনেক সময় দেখা যায় গুনাহের কর্ম ছাড়ার কারণে তার সাথে তার খারাপ বন্ধুরা যাদের সাথে ইতিপূর্বে বন্ধুত্ব ছিল, তারা যোগাযোগ করে তাকে হুমকি দিয়ে বলে, তুমি এতদিন আমাদের সাথে ছিলে এখন কেন আমাদের থেকে দূরে সরে গেলে? আমাদের কাছে তোমার সব গোপন তথ্য আছে যেগুলো আমরা রেকর্ড করে রেখেছি, তোমার ছবিও আমাদের নিকট রয়েছে, তুমি যদি আমাদের সাথে বের না হও তাহলে তোমার পরিবারের নিকট সব ফাঁস করে দিবো! একথা সঠিক যে, আপনার অবস্থান খুবই নাজুক।

এ ধরনের কোন পরিস্থিতির স্বীকার হলে, আপনাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, আল্লাহ মুত্তাকিদের সাথে রয়েছেন, তাওবাকারীদের সাথে রয়েছেন এবং তিনি মুমিনদের অভিভাবক। তিনি তাদেরকে লাঞ্ছিত করবেন না এবং তাদেরকে ছেড়ে দিবেন না। তাঁর নিকট কোন বান্দা আশ্রয় নেয়ার পর সে কখনো অপমানিত হয় না। আপনি জেনে রাখুন, নিশ্চয় কঠিন অবস্থার সাথেই সহজ অবস্থা আসে এবং সংকীর্ণতার পরেই প্রশস্ততা আসে।

হে তাওবাকারী ভাই!

আপনার জন্য একটি ঘটনা উল্লেখ করছি যা আমাদের কথার যথার্থতা প্রমাণ করবে। ঘটনাটি হল, প্রখ্যাত ফেদায়ী [গেরিলা] সাহাবী মারসাদ ইবন আবিল মারসাদ আল গানাবীর, যিনি দুর্বল মুসলমানদেরকে মক্কা থেকে গোপনে মদীনায় নিয়ে আসতেন। তিনি মক্কা থেকে দুর্বল বন্দী লোকদের গোপনে মদীনায় পৌছে দেয়ার ব্যবস্থা করতেন।

মক্কায় একজন নষ্টা মহিলা ছিল যার নাম আনাক এবং সে ছিল তার বান্ধবী। তিনি মক্কার একজন বন্দী লোককে ওয়াদা দিয়েছিলেন মদীনায় পৌছে দেয়ার। তিনি বলেন, এক চাঁদনী রাতে আমি মক্কার এক দেয়ালের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম। আনাক আমার ছায়া দেখে এগিয়ে আসে এবং বলে, মারসাদ? আমি বললাম হাঁ, মারসাদ। সে বলল, মারহাবা, স্বাগতম, এস আমার কাছে রাত কাটাও। আমি বললাম, হে আনাক! আল্লাহ ব্যভিচারকে হারাম করেছেন। সে তখন চিৎকার দিয়ে বলে উঠলো, হে তাবুবাসীরা! এই লোকটি তোমাদের বন্দীদেরকে নিয়ে ভাগতে চায়।

তিনি বলেন, আটজন লোক আমার পিছু নেয় এবং আমি তখন খান্দামা পাহাড়ে [মক্কার প্রবেশ পথের একটি পাহাড়] ঢুকে পড়ে এক গুহায় লুকিয়ে যাই। এরা আমার সন্ধানে আমার কাছে এসে পড়ে, কিন্তু আল্লাহ আমাকে এদের থেকে আড়াল করে রাখেন। তিনি বলেন, এরপর তারা ফিরে যায় এবং আমিও ঐ লোকটির নিকট গিয়ে তাকে বহন করে নিয়ে আসি। লোকটি ছিল বেশ ভারী, আমার অনেক কষ্ট হয়ে ছিল। তাকে কিছু দূরে বয়ে নিয়ে গিয়ে তার হাত পায়ের বাঁধন খুলে ফেলি। আমি অনেক কষ্টে তাকে মদীনায় নিয়ে আসি। এরপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট এসে বলি, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আনাককে বিয়ে করতে পারি? [কথাটি দুবার বললাম] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চুপ করে থাকলেন কোন জবাব দিলেন না। তখন এ আয়াত নাযিল হয়:

﴿ ٱلزَّانِي لَا يَنكِحُ إِلَّا زَانِيَةً أَوۡ مُشۡرِكَةٗ وَٱلزَّانِيَةُ لَا يَنكِحُهَآ إِلَّا زَانٍ أَوۡ مُشۡرِكٞۚ ٣ ﴾ [ النور : ٣ ]

“ব্যভিচারী পুরুষ ব্যভিচারিণী মহিলাকেই বিয়ে করে অথবা মুশরিকা মহিলাকে এবং ব্যভিচারিণী মহিলা ব্যভিচারী পুরুষ অথবা মুশরিক লোককেই বিয়ে করে থাকে”। [সূরা নূর, আয়াত:১৭]

তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে মারসাদ! ব্যভিচারী পুরুষই কেবল ব্যভিচারিণীকে অথবা মুশরিকা মহিলাকে বিয়ে করে থাকে এবং ব্যভিচারিণী মহিলাও একমাত্র ব্যভিচারী পুরুষ অথবা মুশরিক লোককে বিয়ে করে থাকে, সুতরাং তুমি তাকে বিয়ে করো না”।

আপনি দেখলেন কিভাবে আল্লাহ তা’আলা ঈমানদারের পক্ষে প্রতিরোধ গড়লেন এবং তিনি মুহসিনদের [সৎকর্মশীল লোকদের] সাথে কি আচরণ করলেন? অবস্থা যদি খুবই খারাপ হয় যে, আপনি যা আশংকা করছেন তাই ঘটে, আর এর ব্যাখ্যা দেয়ার প্রয়োজন পড়ে তাহলে আপনি আপনার অবস্থান বর্ণনা করুন, স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিন এবং বলুন, হ্যাঁ, আমি পাপ করতাম। এখন আল্লাহর নিকট তাওবা [প্রত্যাবর্তন] করেছি? এখন তোমরা কি চাও?

আমাদেরকে স্মরণ রাখতে হবে যে, প্রকৃত কেলেঙ্কারী তো হল আল্লাহর সামনে কিয়ামতের দিন প্রকাশিত কেলেঙ্কারী। সেই ভয়ানক দিনে যেদিন একশ, দু’শ, হাজার, দু’হাজার লোকের সামনে নয় বিশ্বের সকল মানুষের সামনে, সমস্ত সৃষ্টিকুলের সামনে, ফেরেশতা, জিন ও ইনসান সবার সামনে আদম থেকে শুরু করে দুনিয়ার সর্বশেষ মানুষের সামনে তা ঘটবে।

আসুন আমরা ইবরাহীম আলাইহি ওয়া সাল্লামের দু’আ পাঠ করি:

﴿ وَلَا تُخۡزِنِي يَوۡمَ يُبۡعَثُونَ ٨٧ يَوۡمَ لَا يَنفَعُ مَالٞ وَلَا بَنُونَ ٨٨ إِلَّا مَنۡ أَتَى ٱللَّهَ بِقَلۡبٖ سَلِيمٖ ٨٩ ﴾ [ الشعراء : ٨٧، ٨٩ ]

েআর যেদিন সকলকে উত্থাপিত করা হবে সেদিন আমাকে লাঞ্ছিত করবেন না। যেদিন কোন ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি কাজে আসবে না। একমাত্র কাজে আসবে যদি সঠিক অন্তঃকরণ নিয়ে কেউ উপস্থিত হয়”। [[সূরা শুআরা, আয়াত: ৮৭,৮৯]] সংকট মুহূর্তে নবীর শেখানো দু’আ পড়ে নিজেকে হেফাযত করুন:

] اللَّهُمَّ اسْتُرْ عَوْرَاتِنَا وَآمِنْ رَوْعَاتِنَا، اللَّهُمَّ اِجْعَلْ ثَأْرَنَا عَلَى مَنْ ظَلَمَنَا، وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ بَغَى عَلَيْنَا، اللَّهُمَّ لاَ تُشْمِتْ بِنَا الأَعْدَاءَ وَلاَ الْحَاسِدِيْنَ [

“হে আল্লাহ! আপনি আমাদের ইজ্জত রক্ষা করুন এবং আমাদের নিরাপদ রাখুন। হে আল্লাহ! আমাদের প্রতিশোধ তাদের উপর ফেলুন যারা আমাদের উপর জুলুম করেছে এবং আমাদেরকে সাহায্য করুন তাদের বিরুদ্ধে যারা আমাদের উপর চড়াও হয়েছে। হে আল্লাহ! আমাদের শত্রুদেরকে ও হিংসুকদেরকে আমাদের বিরুদ্ধে খুশি হতে দেবেন না।” [আহমদ: ১৬২]

আল্লাহর নিকট প্রার্থনা হল আল্লাহ যেন আমাদের ক্ষমা করেন এবং আমাদের তওবা কবুল করেন। আল্লাহ আমাদের সকলকে এ থেকে রক্ষা করুন। নিশ্চয় তিনি শুনেন ও দোয়া কবুল করেন।
পরিচ্ছেদঃ ২২

তাওবার সালাত

তাওবার উদ্দেশ্যে দুই রাকাত বা চার রাকাত সালাত আদায় করা যেতে পারে। অথবা ফরয সালাতের পরও তাওবা করা যেতে পারে। সাইয়্যেদ সাবেক রহ. স্বীয় কিতাব ফিকহুস সূন্নাহতে বিষয়টি উল্লেখ করেন। তারপর তিনি এর প্রমাণ হিসেবে দুটি হাদীস উল্লেখ করেন।

عن أبي بَكْرٍ الصديق رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنَّهُ قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ : ( مَا مِنْ عَبْدٍ يُذْنِبُ ذَنْبًا فَيُحْسِنُ الطُّهُورَ ، ثُمَّ يَقُومُ فَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ ، ثُمَّ يَسْتَغْفِرُ اللهَ إِلَّا غَفَرَ اللهُ لَهُ ، ثُمَّ قَرَأَ هَذِهِ الْآيَةَ : ﴿ وَٱلَّذِينَ إِذَا فَعَلُواْ فَٰحِشَةً أَوۡ ظَلَمُوٓاْ أَنفُسَهُمۡ ذَكَرُواْ ٱللَّهَ فَٱسۡتَغۡفَرُواْ لِذُنُوبِهِمۡ وَمَن يَغۡفِرُ ٱلذُّنُوبَ إِلَّا ٱللَّهُ وَلَمۡ يُصِرُّواْ عَلَىٰ مَا فَعَلُواْ وَهُمۡ يَعۡلَمُونَ ١٣٥ ﴾ [ ال عمران : ١٣٥ ] . صححه الألباني في صحيح أبي داود .

“আবু বকর রা. হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসূল সা. কে বলতে শুনেছি তিনি বলেন, যখন কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করার পর ভালোভাবে ওজু করে এবং দুই রাকাত সালাত আদায় করে- যেমনটি বর্ণিত ইবনে হিব্বান, বাইহাকী ও ইবনে খুজাইমার বর্ণনায়- তারপর সে আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করে, আল্লাহ তা‘আলা তাকে ক্ষমা করে দেন। তারপর তিনি এ আয়াত তিলাওয়াত করেন –

﴿ وَٱلَّذِينَ إِذَا فَعَلُواْ فَٰحِشَةً أَوۡ ظَلَمُوٓاْ أَنفُسَهُمۡ ذَكَرُواْ ٱللَّهَ فَٱسۡتَغۡفَرُواْ لِذُنُوبِهِمۡ وَمَن يَغۡفِرُ ٱلذُّنُوبَ إِلَّا ٱللَّهُ وَلَمۡ يُصِرُّواْ عَلَىٰ مَا فَعَلُواْ وَهُمۡ يَعۡلَمُونَ ١٣٥ ﴾ [ ال عمران : ١٣٥ ]

‘‘যারা কোন পাপ কাজ করে ফেললে কিংবা নিজেদের প্রতি যুলম করলে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজেদের পাপের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে এবং আল্লাহ ব্যতীত গুনাহসমূহের ক্ষমাকারী কেই বা আছে এবং তারা জেনে শুনে নিজেদের (পাপ) কাজের পুনরাবৃত্তি করে না।’’ [(সূরা আলে ইমরান: ১৩৫)] আল্লামা আলবানী সহীহ আবুদাউদে হাদিসটি সহীহ বলে আখ্যায়িত করেন।

আল্লামা তাবরানী স্বীয় কিতাব আল-কবীরে বিশুদ্ধ সনদে আবুদ্ দারদা রা. হতে একটি হাদীস বর্ণনা করেন, তাতে তিনি বলেন, রাসূল সা. বলেন,

مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ وُضُوءَهُ ثُمَّ قَامَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ أَوْ أَرْبَعًا ( شك أحد الرواة ) يُحْسِنُ فِيهِمَا الذِّكْرَ وَالْخُشُوعَ ، ثُمَّ اسْتَغْفَرَ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ ، غَفَرَ لَهُ

“যে ব্যক্তি সুন্দর ভাবে ওজু করে, তারপর সে দাঁড়িয়ে ফরয হোক বা নফল হোক দুই রাকাত অথবা চার রাকাত সালাত আদায় করে এবং তাতে সে ভালোভাবে রুকু করে এবং সেজদা করে, তারপর আল্লাহ তা‘আলার নিকট ক্ষমা প্রার্থণা করে আল্লাহ তা‘আলা তাকে ক্ষমা করে দেন। [মুসনাদে আহমদ: ২৬৮৮৭]
পরিচ্ছেদঃ ২৩

তাওবা কবুল হওয়ার আলামত:

যখন কোন ব্যক্তি তাওবার যাবতীয় শর্তপূরণ করে খালেসভাবে আল্লাহর দরবারে তাওবা করেন এবং গুনাহ মাপ চান, তখন আল্লাহ তা’আলা অবশ্যই তার তাওবা কবুল করেন এবং তাকে ক্ষমা করে দেন। তবে যখন কোন ব্যক্তি তাওবা করে, তার তাওবা কবুল হল কিনা তার কিছু আলামত আছে। যেমন-

এক- তাওবা করার পর লোকটির মধ্যে পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়। যেমন, সে এখন পূর্বের যে কোন সময়ের তুলনায় অধিক নম্র, ভদ্র ও নমনীয়, পূর্বের তুলনায় অধিক নেক আমল করে, খারাপ সঙ্গীদের সাথে মিশে না, আলেম ওলামা ও ভালো লোকদের সাথে উঠা-বসা করে এবং গুনাহের কর্ম ও পাপাচার থেকে দূরে থাকতে চেষ্টা করে।

দুই- সব সময় আল্লাহর পাকড়াও ও আযাবের ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত থাকে। এক মহুর্তের জন্যও সে আল্লাহর পাকড়াও থেকে নিজেকে নিরাপদ মনে করে না। সে মনে করে যে কোন সময় আল্লাহ আমাকে পাকড়াও করতে পারে। মৃত্যুর পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত আল্লাহর ভয় তার অন্তরে বিদ্যমান থাকে। তার ভয় তখন দূর হয়, যখন মৃত্যুর ফেরেস্তা এসে তাকে বলে-

﴿أَلَّا تَخَافُواْ وَلَا تَحۡزَنُواْ وَأَبۡشِرُواْ بِٱلۡجَنَّةِ ٱلَّتِي كُنتُمۡ تُوعَدُونَ ٣٠﴾ [ فصلت : ٣٠ ]

‘তোমরা ভয় পেয়ো না, দুশ্চিন্তা করো না এবং সেই জান্নাতের সু-সংবাদ গ্রহণ কর তোমাদেরকে যার ওয়াদা দেয়া হয়েছিল’।

তিন- লোকটি সব সময় ইতিপূর্বে যে সব অপরাধ করেছে, তার উপর অত্যন্ত লজ্জা অনুভব করতে থাকে। সে সব সময় আফসোস করতে থাকে আর বলতে থাকে- হায় এ অন্যায় কাজটি আমি কেন করলাম! আমি যদি এ কাজটি না করতাম! কতই না ভালো হত! কারণ যে ব্যক্তি দুনিয়াতে তার অপকর্মের উপর লজ্জিত হবে না এবং আফসোস করবে না, আখেরাতে যখন সে আল্লাহর নেক বান্দাদের আমলের সাওয়াব ও বিনিময় এবং অবাধ্য বান্দাদের শাস্তি দেখতে পাবে, তখন সে লজ্জিত হবে এবং আফসোস করবে। কিন্তু তখন তার লজ্জা ও আফসোস কোন কাজে আসবে না।

وصلى الله على عبده وسوله سيدنا محمد وآخر دعوانا أن ا لحمد لله رب العالمين .

সমাপ্ত

রিডিং সেটিংস

Bangla

System

আরবি ফন্ট নির্বাচন

Kfgq Hafs

অনুবাদ ফন্ট নির্বাচন

Kalpurush

22
17

সাধারণ সেটিংস

এই সদাকা জারিয়ায় অংশীদার হোন

মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।

সাপোর্ট করুন