hadith book logo

অতি গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় প্রশ্নোত্তর

আল্লামা শাইখ আব্দুর রহমান ইবন নাসির ইবন সা‘দী আত-তামীমী আন-নাজদী আল-হাম্বলী

আকীদাহ্ সম্পর্কিত কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মাস’আলাহ্

শাইখ মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ খান মাদানী, শাইখ মুহাম্মাদ আবদুন নূর মাদানী

আক্বীদা ইসলামিয়াহ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব

আক্বীদা ও আমলের সংস্কার

কামাল উদ্দিন মোল্লা

আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল গুরুত্ব ও তাৎপর্য

আব্দুল্লাহ শহীদ আবদুর রহমান

আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের আকীদার সংক্ষিপ্ত মূলনীতি

ড. নাসের ইবন আবদুল করীম আল-আকল

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদা

শাইখ মুহাম্মাদ আস-সালেহ আল-উসাইমীন

ইমাম ত্বহাবী লিখিত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদা

ইমাম আবু জা‘ফর আহমাদ আত-ত্বহাবী রহ.

ইসলাম প্রচারক ভাই! প্রথমে তাওহীদের দাওয়াত দিন

শাইখ মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী রহ.
১০

ইসলাম ভঙ্গের ১০টি কারণ

মোহাম্মদ ইমাম হুসাইন কামরুল
১১

ইসলামি আকিদা ও মানবপ্রকৃতি

সানাউল্লাহ নজির আহমাদ
১২

ইসলামি আকিদার বৈশিষ্ট্যসমূহ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
১৩

ইসলামী আকীদা বিষয়ক কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মাসয়ালা

শায়খ মুহাম্মাদ জামীল যাইনু
১৪

ইসলামের মৌলিক নীতিমালা

ড. মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন সালেহ আস-সুহাইম
১৫

ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা

কতিপয় ছাত্র
১৬

ঈমান বুনিয়াদ ও পরিণতি

কামাল উদ্দীন মোল্লা
১৭

ঈমান-ইসলামের মূলভিত্তি ও ইসলামী আকীদা বিশ্বাস

মুহাম্মাদ বিন জামীল যাইনূ
১৮

ঈমানের প্রকৃত স্বাদ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১৯

ঈমানের মূলনীতিসমূহের ব্যাখ্যা

মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উছাইমীন
২০

ঈমানের মৌলিক নীতিমালা সংক্রান্ত মণিমুক্তা

ড. মুহাম্মাদ ইয়োসরী
২১

ঈমানের রুকনসমূহ

ইলমী গবেষণা ডীনশীপ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মদিনা মুনাওয়ারা
২২

ঈমানের স্বচ্ছ ধারণা

আমির জামান, নাজমা জামান
২৩

কতিপয় দীনী বিষয় যা একজন মুসলিমের জানা প্রয়োজন

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
২৪

কালেমা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এর অর্থ, শর্তসমূহ এবং ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে তার প্রভাব

শায়খ সালেহ ইবন ফাওযান আলে-ফাওযান
২৫

কালেমা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’

শাইখ আবদুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ ইবন বায
২৬

কালেমা শাহাদাত

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
২৭

কালেমার মর্মকথা

মুহাম্মদ মতিউল ইসলাম বিন আলী আ‏হমাদ
২৮

কাশ্‌ফুশ্‌ শুবহাত (সংশয় নিরসন)

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহ্‌হাব রহ.
২৯

কুরআন ও সহীহ হাদীছের আলোকে ২শতাধিক প্রশ্নোত্তর সহ নাজাত প্রাপ্ত দলের আকীদাহ

হাফেয বিন আহমাদ আল-হাকামী
৩০

কুরআন ও হাদীসের আলোকে সহজ আকীদা

ড. আহমাদ ইবন আব্দুর রহমান আল-কাযী
৩১

চার ইমামের আকীদাহ - মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান

মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান
৩২

চার ইমামের আকীদাহ

একদল অভিজ্ঞ আলেম
৩৩

তওহীদের তত্ত্বকথা

সানাউল্লাহ বিন নজির আহমদ
৩৪

তাওহীদ ও আকাইদ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ, কামালুদ্দিন মোল্লা, ইকবাল হোসাইন মাসুম
৩৫

তাওহীদ ও তার প্রমাণাদি আকীদার ব্যাপারে ৫০টি প্রশ্নোত্তর

শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব রহ.
৩৬

তাওহীদ পরিচিতি

ড. সালিহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
৩৭

তাওহীদ পুনরুদ্ধার

আবদুল্লাহ্‌ আল কাফী
৩৮

তাওহীদ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩৯

তাওহীদের কালেমা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ [এর ফযীলত, অর্থ, শর্ত ও পরিপন্থী বিষয়]

শাইখ ড. আব্দুর রাযযাক ইবন আব্দুল মুহসিন আল-বদর
৪০

তাওহীদের কিশতী

ডঃ মুহাম্মাদ বিন আবদুর রহমান আল উরাইফী
৪১

তাওহীদের বিশ্বাস

মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওহহাব
৪২

তাওহীদের মর্মকথা

আব্দুর রহমান বিন নাসের সাদী
৪৩

তাওহীদের হাকীকত

কাউসার বিন খালিদ
৪৪

তাক্বদীরঃ আল্লাহ্‌র এক গোপন রহস্য

আব্দুল আলীম ইব্‌ন কাওসার
৪৫

তিনটি মূলনীতি ও তার প্রমাণপঞ্জি

মুহাম্মাদ ইবন আবদুল ওয়াহহাব রহ.
৪৬

তোমার রব কে

মুহাম্মাদ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মদ আল-আম্মারী
৪৭

দু’টি সাক্ষী (লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ ওয়া মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ) এর অর্থ ও তাদের প্রত্যেকের জরুরী বিষয়

মাননীয় শাইখ আল্লামা আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুর রাহমান ইবন জিবরীন
৪৮

প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য যা জানা একান্ত কর্তব্য

শাইখ আব্দুল্লাহ ইবন ইবরাহীম আল-কার‘আওয়ী
৪৯

প্রশ্নোত্তরে তাওহীদ

ড. ইবরাহীম ইবন সালেহ আল-খুদ্বায়রী
৫০

প্রশ্নোত্তরে সহজ তাওহীদ শিক্ষা চার ইমামের আক্বীদা অবলম্বনে

বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম
৫১

প্রাথমিক তাওহীদ শিক্ষা

ডঃ আব্দুল আযীয বিন মুহাম্মাদ
৫২

ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম-১ ঈমান

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৫৩

ফিরক্বা নাজিয়াহ

ফিরক্বা নাজিয়াহ
৫৪

মহা উপদেশ (‘আদী ইবন মুসাফিরের অনুসারীদের এর কাছে লেখা চিঠি)

শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন তাইমিয়্যাহ
৫৫

মানব জীবনে ইসলামি আকিদার প্রভাব

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৫৬

যা না জানলেই নয়

নোমান বিন আবুল বাশার
৫৭

যেসব কারণে ঈমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৫৮

শাশ্বত জীবন ব্যবস্থা (হক দীন)

আশ-শাইখ আবদুর রহমান ইবন হাম্মাদ আ-লে উমার
৫৯

শিয়া আকীদা সম্পর্কে ইবন তাইমিয়্যার মিনহাজুস সুন্নাহ থেকে নির্বাচিত কিছু কথা

শরীফ ইবন ‘আলী আর-রাজেহী
৬০

সঠিক আকীদা-বিশ্বাস ও যা এর পরিপন্থী

শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায
৬১

সঠিক ইসলামী মতবাদ [আর-রিসালাতুশ শামিয়্যাহ]

আব্দুল আযীয ইবন মারযূক আত-ত্বারীফী
৬২

সমাজ সংস্কারে সঠিক আকীদার গুরুত্ব

ড. মোহাম্মাদ মানজুরে ইলাহী
৬৩

সহীহ হাদীস সম্বলিত অহী ও ঈমান বিশ্বকোষ

দ্বিয়াউর রহমান আব্দুল্লাহ আল-আ‘যামী
৬৪

সাহাবাদের ব্যাপারে আহলে সুন্নত ওয়াল-জামাতের আকিদা

মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-অহাইবি
৬৫

সাহাবায়ে কেরামের অবস্থান ও মর্যাদার বিষয়ে আহলে সুন্নাতের আকীদা-বিশ্বাস

ড. মো: আমিনুল ইসলাম
৬৬

অপরাধমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে সাওমের ভূমিকা

মুহাম্মাদ শাহিদুল ইসলাম
৬৭

আপনার সন্তানকে সালাতের নির্দেশ দিন

আলী হাসান তৈয়ব
৬৮

আসরের সলাতের সঠিক ওয়াক্ত

কামাল আহমাদ
৬৯

কসর ও জমা করে সালাত আদায় সম্পর্কে কিছু বিধান

আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
৭০

কিতাবুস্ সালাত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৭১

কিয়ামুল লাইলের সমপরিমাণ সওয়াব

ড. মুহাম্মাদ ইব্‌ন ইবরাহিম আন-নাইম
৭২

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে জামা‘আতে সালাত আদায় [বিধান, ফযীলত, ফায়েদা ও নিয়ম-কানূন]

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
৭৩

কুরআন ও সুন্নাহ’র আলোকে রাতের সালাত

ড. সাঈদ ইবন আলী ইবন ওয়াহফ আল-কাহতানী
৭৪

ছহীহ্‌ সুন্নাহ্‌র আলোকে বিতর নামায

মুহা: আবদুল্লাহ্‌ আল কাফী
৭৫

জানাযার কিছু বিধান

শিহাবউদ্দিন হোসাইন
৭৬

জামা‌‘আতের সাথে নামায আদায় কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তার তাৎপর্য, ফযীলত, আহকাম, উপকারিতা ও আদাবসমূহ

ড. সায়ীদ ইবন আলী ইবন ওয়াহফ আল্ ক্বাহতানি
৭৭

জামাআতে নামাযের চল্লিশটি উপকারিতা

জাহিদুল ইসলাম
৭৮

নবী ﷺ এর সালাত আদায়ের পদ্ধতি

আব্দুল আযীয ইবন ‌আব্দুল্লাহ ইবন বায
৭৯

নামাযে আমরা কীভাবে দু‘আ করব

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৮০

পকেট সালাত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৮১

পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর সম্মিলিত মুনাজাত

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৮২

ফজরের সালাত ও কিয়ামুল লাইলের জন্য সহায়ক উপকরণ

ড. রুকাইয়্যাহ বিনতে মুহাম্মদ আল-মাহারিব
৮৩

বেনামাযীর পরিণতি

মোঃ আবদুর রহমান
৮৪

মন দিয়ে নামায পড়ার উপায়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৮৫

মহা নাবীর সর্ব শেষ ওসিয়ত আস-সালাত, আস-সালাত

নূর মুহাম্মদ বদীউর রহমান
৮৬

রোযা বা সাওম

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৮৭

সাজদা থেকে (বসার পর) উঠার পদ্ধতি

মুহাম্মাদ আলী খাসখিলি
৮৮

সালাত আদায়ের জন্য আসো

খালেদ আবূ সালেহ
৮৯

সালাত আদায়ের পদ্ধতি

ড. সায়িদ ইবন আলী ইবন ওহাফ আল-কাহতানী
৯০

সালাত ও পবিত্রতা সম্পর্কে কয়েকটি বিশেষ প্রবন্ধ

আল্লামা শায়খ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায ও শায়খ মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৯১

সালাত ত্যাগকারীর বিধান

আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায রহ. ও মুহাম্মদ বিন সালেহ আল ওসাইমীন রহ.
৯২

সালাত বর্জনকারীর বিধান

মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন
৯৩

সালাত শিক্ষা

ড. আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ আলী আয-যাইদ
৯৪

সালাতুল আউওয়াবীন

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
৯৫

সালাতে একাগ্রতা অর্জনের ৩৩টি উপায়

শাইখ মুহাম্মাদ সালিহ আল-মুনাজ্জিদ
৯৬

সালাতে বিনয়ী হওয়ার তেত্রিশ উপায়

মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জেদ
৯৭

সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের সমাধান

আশরাফুল ইসলাম
৯৮

সালাতের গুরুত্ব ও ফযীলত

শাইখ আব্দুল্লাহ ইবন সা‘দ ইবন ইবরাহীম আল-ফালেহ
৯৯

সালাতের শেষ বৈঠকে বসার পদ্ধতি

কামাল আহমাদ
১০০

সালাতের সময়সূচি

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
১০১

আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যাকাতের ভূমিকা

মোঃ এনামুল হক
১০২

ঈদুল ফিতর ও যাকাতুল ফিতর এর সংক্ষিপ্ত বিধি বিধান

গবেষণা বিভাগ, ‘দুরারুস সানিয়্যা ফাউণ্ডেশন’
১০৩

কুরআন ও সহীহ হাদীসে আলোকে সদকা-খয়রাত

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
১০৪

জাকাতের গুরুত্ব, ফজিলত ও ব্যয়ের খাতসমূহ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১০৫

দানে বাড়ে সম্পদ, বৃদ্ধি পায় মর্যাদা

কামাল উদ্দিন মোল্লা
১০৬

দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা

ইকবাল হুসাইন মাসুম
১০৭

ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম-৩ যাকাত

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
১০৮

ব্যবসায়িক পণ্যের যাকাত

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
১০৯

যাকাত ও সাওম বিষয়ক দু’টি পুস্তিকা

শাইখ আব্দুল আযীয আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
১১০

সিয়াম ও যাকাত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১১১

আল-কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে রামাদান মাসে একজন মুমিনের দায়িত্ব ও কর্তব্য

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
১১২

ই‘তিকাফ তাৎপর্য, উদ্দেশ্য ও বিধান

মুহাম্মদ আকতারুজ্জামান
১১৩

ইবন রজব আল-হাম্বলী রহ. এর ‘লাতায়িফুল মা‘আরিফ’ অবলম্বনে রমযানের দায়িত্ব-কর্তব্য

শাইখ যাইনুদ্দীন আব্দুর রহমান ইবন রজব আল-হাম্বলী রহ.
১১৪

ঈদের তাৎপর্য, করণীয় ও বর্জনীয়

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১১৫

কাদের রোযা কবুল হয়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১১৬

কীভাবে স্বাগত জানাব মাহে রমযানকে

আব্দুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আস-সুদাইস
১১৭

চাঁদ দেখা ও সন্দেহের দিন রোজা রাখা প্রসঙ্গে শরীয়তের বিধান

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১১৮

পবিত্র রমাদান মাসে আমাদের করণীয়

আব্দুল্লাহ আল-মামুন আল-আযহারী
১১৯

প্রশ্নোত্তরে রমযান ও ঈদ

অধ্যাপক মোঃ নূরুল ইসলাম
১২০

ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম-৪ সাওম

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
১২১

বিদায় মাহে রমযান...কিছু ভাবনা...

ইকবাল হুছাইন মাছুম
১২২

বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ে সাওম

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
১২৩

মুমিনদের জন্য মাহে রমজানের হাদিয়া

শায়খ সালেহ বিন ফাওযান আল ফাওযান
১২৪

রমজান ও পরবর্তী সময়ে করণীয়

আবুল কালাম আজাদ
১২৫

রমজানের ফজিলত ও তাৎপর্য

আবদুল বারী আস-সুবায়তী
১২৬

রমযান মাসের ৩০ আসর

শায়খ মুহাম্মদ ইবন সালেহ ইবন উসাইমীন রহ.
১২৭

রমযান মাসের ঐতিহাসিক ঘটনাবলী ও এর কিছু শিক্ষা

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
১২৮

রমযানের বিষয়ভিত্তিক হাদীস শিক্ষা ও মাসায়েল

ইবরাহীম ইবন মুহাম্মাদ আল-হাকীল
১২৯

রমাদান মাসের ৩০ আমল

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
১৩০

রাসূল যেভাবে রমজান যাপন করেছেন

ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী
১৩১

রোজাদার বোনদের প্রতি

আব্দুল মালেক আল কাসেম
১৩২

রোজার আদব

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৩৩

রোযার ফযীলত ও শিক্ষা আমাদের করণীয়

মোঃ আব্দুল কাদের
১৩৪

সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
১৩৫

সাওম বিষয়ক আধুনিক কিছু মাসআলা

ফিকহী গবেষণা সেন্টার, আল-ইমাম ইউনিভার্সিটি
১৩৬

সিয়াম ও রমজান শিক্ষা-তাৎপর্য-মাসায়েল

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৩৭

সিয়াম বিষয়ক নির্বাচিত ফাতাওয়া

ইসলাম কিউ. এ
১৩৮

সিয়াম, তারাবীহ ও যাকাত বিষয়ে কয়েকটি অধ্যায়

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
১৩৯

আকীকা এবং এ সংক্রান্ত কিছু বিধান

আলী হাসান তৈয়ব
১৪০

আপনার হজ ও শ্রম কবুল হোক; কিন্তু…হজের পর করণীয় কী

গবেষণা বিভাগ, দারু ইব্‌ন খুযাইমাহ
১৪১

ইখলাসের অপরিহার্যতা ও হজ কবূলে তার প্রভাব

ড. সালেহ ইবন আবদুল আযীয সিন্দী
১৪২

ইহরাম-এর শিক্ষা

মীর মন্জুর মাহমূদ
১৪৩

উমরা আদায়ের পদ্ধতি

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
১৪৪

কুরবানী ফযীলত ও আমল

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
১৪৫

কুরবানীর ইতিহাস, উদ্দেশ্য ও কতিপয় বিধান

ড. মোঃ আবদুল কাদের
১৪৬

কোরবানি তাৎপর্য ও আহকাম

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৪৭

জিলহজের প্রথম দশ দিনঃ তৎপর্য ও ফজিলত

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৪৮

জিলহজের প্রথম দশ দিনের ফযীলত এবং ঈদ ও কুরবানীর বিধান

আব্দুল মালেক আল-কাসেম
১৪৯

নবী ﷺ যেভাবে হজ করেছেন (জাবের রা. যেমন বর্ণনা করেছেন)

শাইখ মুহাম্মাদ নাসেরুদ্দীন আল-আলবানী – রাহেমাহুল্লাহ –
১৫০

ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম-৫ হজ

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
১৫১

বিদায় হজের খুতবা কিছু আলোকপাত

আলী হাসান তৈয়ব
১৫২

মাবরুর হজ

মুহাম্মদ ইবন জামীল যাইনু
১৫৩

মাসায়েলে কুরবাণী ও আক্বীক্বা

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
১৫৪

মীকাত ও এহরাম বিষয়ক মাসায়েল

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
১৫৫

যিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন, ঈদ, কুরবানি ও আইয়ামে তাশরীকের দিনসমূহ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১৫৬

যিলহজ, ঈদ ও কোরবানি

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৫৭

যিলহজের প্রথম দশক ফযীলত ও আমল

আলী হাসান তৈয়ব
১৫৮

সংক্ষিপ্ত হজ, উমরা ও যিয়ারত গাইড

ড. মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক, মাওলানা মুহাম্মদ আখতারুজ্জামান
১৫৯

সংক্ষিপ্ত হজ, উমরা ও যিয়ারত

নু‘মান আবুল বাশার
১৬০

সহজ হজ্জ ও ওমরাহ্‌ নির্দেশিকা

শাইখ আখতারুল আমান
১৬১

হজ ও কুরবানীর বিকল্পের নসীহত এক অসঙ্গত দাবী

আলী হাসান তৈয়ব
১৬২

হজ কিভাবে মাবরূর হবে

নুমান বিন আবুল বাশার
১৬৩

হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নান্দনিক আচরণ

ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী
১৬৪

হজ, উমরা ও যিয়ারত গাইড

ড. মনজুরে এলাহী, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান, নোমান আবুল বাশার কাউসার বিন খালেদ, ইকবাল হোসাইন মাসুম, আবুল কালাম আজাদ, জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের, মুহাম্মদ আখতারুজ্জামান
১৬৫

হজ, উমরাহ ও যিয়ারতের পদ্ধতি [মাসনূন দো‘আসহ]

হাজী ও উমরাকারীদের হাদিয়া অফিসস্থ ইসলামী গবেষণা পরিষদ, মক্কা
১৬৬

হজ-উমরার ফাযাইল ও উপকারিতা

আলী হাসান তৈয়ব
১৬৭

হজকর্মসমূহের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
১৬৮

হজে প্রদত্ত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ফাতাওয়া

সাঈদ আব্দুল কাদির বাশানফার
১৬৯

হজের পরে

মুহাম্মাদ আব্দুর রব আফ্‌ফান
১৭০

হজের সাথে সংশ্লিষ্ট আকীদাগত ভুল-ভ্রান্তিসমূহ

ড. আহমাদ ইবন উসমান আল-মাযইয়াদ
১৭১

হজের সুবাসিত সুরভি

শাইখ ড. সালেহ ইবন মুহাম্মদ আলে তালেব
১৭২

হজ্জ ও উমরাহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

শাইখ মুহাম্মদ সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
১৭৩

হজ্জ ও ওমরাহ

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
১৭৪

হজ্জের মর্মার্থ ও শিক্ষা

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
১৭৫

আমি তাওবা করতে চাই

মুহাম্মদ বিন সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
১৭৬

আল-কোরআন ও সুন্নাহ হতে সংকলিত শরীয়তসম্মত উপায়ে ঝাড়-ফুঁক

আবদুল্লাহ ইবন আব্দুর রহমান আল-জিবরীন রহ.
১৭৭

আল্লাহর নৈকট্য লাভের অনন্য উপায় তাওবা

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
১৭৮

আসুন গান-বাজনা থেকে তাওবা করি

আলী হাসান তৈয়ব
১৭৯

কান্নার ফযীলত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১৮০

কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তাওবা ও পাপ মোচনকারী কিছু আমল

মো. আব্দুল কাদের
১৮১

কুরআনে কারীম ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে গুনাহ্ মাফের আমল

শাইখ সালীম ইবন ‘ঈদ আল-হিলালী
১৮২

তওবা কেন ও কিভাবে

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৮৩

তাওবা

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
১৮৪

দরূদ

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১৮৫

দৈনন্দিন সহীহ দু‘আ ও কুরআন-সুন্নার চিকিৎসা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১৮৬

দো‘আ-মোনাজাত কখন ও কীভাবে

শাইখ ফায়সাল ইবন আলী আল-বা‘দানী
১৮৭

নামাযের দো‘আ ও যিক্‌র

পশ্চিম দীরাহ ইসলামী দাওয়াহ্ সেন্টার
১৮৮

ব্যাধি ও মহামারী রোগ হতে পরিত্রাণের দুর্গ

ইসলামিক সেন্টার রাবওয়া, রিয়াদ
১৮৯

মানুষের উপর জিনের আছর কারণ, প্রতিকার ও সুরক্ষার উপায়

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৯০

যিকিরের তাৎপর্য ও ফযীলত

আব্দুল্লাহ আল বাকী
১৯১

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর সালাত (দরূদ) পড়ার অর্থ, ফযিলত, পদ্ধতি ও স্থানসমূহ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১৯২

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত প্রয়োজনীয় দো‘আর এক অনবদ্য সংকলন আল-হিসনুল ওয়াকী

আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ আল-সাদহান
১৯৩

শার‘ঈ মানদণ্ডে তাবীয-কবচ এবং ঝাড়-ফুঁক

আব্দুল আলীম ইবন কাওসার
১৯৪

ইন্টারনেট ইমান, আখলাক ও বুদ্ধি-বিবেকের পরীক্ষা

মুহাম্মাদ ইবনে ইব্রাহীম আল হামদ
১৯৫

ইসলাম নিয়ে বিদ্রূপের ভয়ঙ্কর প্রবণতা

ড. আমীন ইব্‌ন আব্দুল্লাহ আশ-শাকাওয়ী
১৯৬

ইসলামে সালাতের গুরুত্ব

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১৯৭

ইসলামে হালাল উপার্জন গুরুত্ব ও তাৎপর্য

ড. মোঃ আবদুল কাদের
১৯৮

ইসলামের দৃষ্টিতে দুর্নীতি প্রতিরোধ প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ

অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম
১৯৯

উপার্জন ইসলামী দৃষ্টিকোণ

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
২০০

কবীরা গুনাহ

ইমাম শামসুদ্দীন আয-যাহাবী রহ.
২০১

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে ব্যভিচার ও সমকামিতার ভয়াবহ পরিণতি

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
২০২

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে মদপান ও ধূমপানের অপকারিতা

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
২০৩

কুরআন-হাদিসের আলোকে সুদের ক্ষতি-অপকার-কুপ্রভাব

সায়ীদ বিন আলী বিন ওয়াহাফ আল-কাহতানি
২০৪

কেন ধূমপান করেন

শাইখ মুহাম্মদ ইবরাহিম আল-হামদ
২০৫

খাদ্য ও পণ্য-দ্রব্যে ভেজাল ইসলামের দৃষ্টিতে এর প্রতিকার

ড. মো: আবদুল কাদের
২০৬

গান-বাজনার ব্যাপারে ইসলামের বিধান

আখতারুজ্জামান মুহাম্মাদ সুলাইমান
২০৭

গানের বিধান ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
২০৮

গীবত থেকে বাঁচার উপায়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২০৯

গুরুতর অপরাধ মানুষ হত্যা

আলী হাসান তৈয়ব
২১০

ঘুষের ভয়াবহতা ও তা থেকে উত্তরণের উপায়

ড. মো. আব্দুল কাদের
২১১

ঘৃণ্য অপরাধ খাদ্যে ভেজাল

আলী হাসান তৈয়ব
২১২

চোখের গুনাহ

মফিজুল ইসলাম
২১৩

জামা‘আতে সালাত আদায়ের গুরুত্ব, পরিপ্রেক্ষিত বর্তমান সমাজ

আবুল কালাম আজাদ
২১৪

তারাবীহ্‌ সালাতের রাকা‘আত একটি তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
২১৫

দুর্নীতি ও ইসলামের দৃষ্টিতে তার প্রতিকার

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
২১৬

নেশাজাত দ্রব্যের বিধান

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২১৭

প্রবৃত্তি পূজাই সকল ব্যাধির কারণ

ড. আব্দুল আজিজ আব্দুল লতিফ
২১৮

বলুন এটাই শেষ সিগারেট

শাইখ আব্দুল মুহসিন আল-কাসিম
২১৯

মিথ্যার প্রচলিত আকার-প্রকৃতি

শামসুল হুদা আযীযুল হক
২২০

মোবাইল ফোন ব্যবহার বৈধতার সীমা কতটুকু

মুফীজুল ইসলাম আব্দুল আযীয
২২১

যে সকল হারামকে মানুষ তুচ্ছ মনে করে থাকে

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
২২২

যে সকল হারামকে মানুষ হালকা মনে করে

মুহাম্মাদ ছালেহ আল-মুনাজ্জিদ
২২৩

সালাত সালাত সংযুক্তি অযু, গোসল এবং পবিত্রতা বিষয়ক প্রবন্ধ

মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উছাইমীন
২২৪

সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি

গবেষণা পরিষদ, আল-মুনতাদা আল-ইসলামী
২২৫

সূদ

শাহ মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান
২২৬

হারাম খাবার যে জন্য নিষিদ্ধ

আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান
২২৭

হালাল উপার্জন

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
২২৮

হালাল রিযিকের সন্ধানে

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২২৯

অলী আওলিয়াদের অসীলা গ্রহণ ইসলামি দৃষ্টিকোণ

শায়খ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায রহ.
২৩০

আমরা কি উদযাপন করব

মদীনাস্থ সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধকারী সরকারী সংস্থার অফিস থেকে প্রকাশিত
২৩১

আশুরা করনীয় ও বর্জনীয়

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৩২

আশূরায়ে মুহাররম ও আমাদের করণীয়

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
২৩৩

ইত্তেবায়ে রাসূল

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
২৩৪

ইলমে গায়েব

অধ্যাপক আবদুন নূর সালাফী (রহ.)
২৩৫

ইসলামে সুন্নাহ’র অবস্থান

শাইখ সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
২৩৬

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী প্রবর্তন ও প্রবর্তক একটি ঐতিহাসিক পর্যালোচনা

প্রফেসর ড. খন্দকার আ.ন.ম আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
২৩৭

ঈদে মীলাদুন্নবী

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৩৮

উম্মতের ওপর নবী মুহাম্মাদ মোস্তাফা সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের অধিকার

ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ, ড. আদেল আশ-শিদ্দী
২৩৯

উসীলা গ্রহণ বৈধ ও অবৈধ পন্থা

আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুল হামীদ আল-আসারী
২৪০

কুফুরের পরিণতি

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
২৪১

ছবি ও মূর্তি

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
২৪২

ছবি ও মূর্তির ব্যাপারে ইসলামের হুকুম

আখতারুজ্জামান মুহাম্মাদ সুলাইমান
২৪৩

জাদুকর্ম, জ্যোতিষ ও দৈবকর্ম এবং এতদসংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে ইসলামের বিধান

আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
২৪৪

জাহেলিয়াতের যে সব রীতিনীতির বিরোধিতা রাসূল করেছেন

শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আবদুল ওহ্‌হাব রহ.
২৪৫

দীনে ইসলামে বিদআত ক্ষতি ও কুপ্রভাব

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৪৬

দুআ-মুনাজাতে নবী রাসূলের অসীলা দেয়া একটি পর্যালোচনা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৪৭

নববর্ষ উদযাপন করার বিধান

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
২৪৮

নবীর সুন্নতকে আঁকড়ে ধরা ও তার প্রভাব

শাইখ মুহাম্মদ সালিহ আল-‘উসাইমীন রহ.
২৪৯

পবিত্র কুরআনের আলোকে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের রিসালাত

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
২৫০

প্রচলিত বিভিন্ন খতম তাৎপর্য ও পর্যালোচনা

শাইখ মুস্তাফা সোহেল হিলালী
২৫১

বাংলাদেশে প্রচলিত শির্ক বিদ‘আত ও কুসংস্কার পর্যালোচনা

মো: আব্দুল কাদের
২৫২

বিদ‘আত ও এর মন্দ প্রভাব

শাইখ আবদুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায
২৫৩

বিদ‘আত পরিচিতির মূলনীতি

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
২৫৪

বিদ‘আত হ’তে সাবধান

শায়খ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায
২৫৫

বিদআত থেকে সাবধান

শাইখ সালেহ বিন ফাওযান আল-ফাওযান (রহঃ)
২৫৬

বিদআত দর্পণ

আবদুল হামীদ ফাইযী আল মাদানী
২৫৭

বিদআত

ইকবাল হোসাইন মাছুম
২৫৮

বিদআতের পরিচয়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২৫৯

বৈধ ও অবৈধ অসীলা- আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ আল জুহানী

আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ আল জুহানী
২৬০

বৈধ ও অবৈধ অসীলা

ডক্টর আব্দুস সালাম বারজাস আল আব্দুল করীম
২৬১

ভ্রান্ত তাবিজ-কবচ

: মুহাম্মদ বিন সোলায়মান আল-মুফাদ্দা
২৬২

মানত সম্পর্কে আমরা কী জানি

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৬৩

মানবগোষ্ঠীর জন্য নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রিসালাতের প্রয়োজনীয়তা

আদেল আলী আশ-শিদ্দী ও আবদুর রাযযাক মা‘আশ
২৬৪

মাযারে প্রচলিত বিদআতসমূহ

কাউসার বিন খালেদ
২৬৫

মিলাদ মাহফিল

মুহাম্মাদ হারুন হুসাইন
২৬৬

মীলাদ প্রসঙ্গ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
২৬৭

মুহররম মাসে শিয়া সম্প্রদায়ের মাতম বিষয়ক বিদয়াত

আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আযিয আহমদ আত-তুয়াইজিরী
২৬৮

মূর্তি বনাম ভাস্কর্য সমকালীন বিতর্ক

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৬৯

মৃত ব্যক্তির জন্য ইছালে ছাওয়াব শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৭০

মৃত ব্যক্তির দাফন কাফন

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
২৭১

মৃত-ব্যক্তির জন্য করণীয় কাজের মাসনূন পদ্ধতি

আ.শ.ম শোয়াইব আহমাদ
২৭২

যুলুমের ভয়াবহ পরিণাম ও বাঁচার উপায়

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
২৭৩

যে কেউ কোনো জাতির সাথে সামঞ্জস্য বিধান করে চলবে সে তাদের দলভুক্ত বলে গণ্য হবে

ড. নাসের ইবন আবদিল কারীম আল-‘আকল
২৭৪

যেসব কারণে ইবাদাত বরবাদ হয়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২৭৫

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহর উপর আমলের আবশ্যকতা আর তার অস্বীকারকারীর কাফের হওয়া

আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
২৭৬

রাসূলুল্লাহ সা. তোমাদেরকে যা দিয়েছেন তা গ্রহণ কর

ড. আদেল আশ-শিদ্দী, ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ
২৭৭

শবে বরাত ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
২৭৮

শবে বরাতঃ সঠিক দৃষ্টিকোণ

আব্দুল্লাহ শহীদ আবদুর রহমান
২৭৯

শবেবরাত

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
২৮০

শরী‘আতের স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও বিদ‘আতের ভয়াবহতা

শাইখ মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
২৮১

শাবান মাস বিবিধ আলোকপাত

কামাল উদ্দিন মোল্লা
২৮২

শাবানের পনেরতম রজনী উদযাপনের বিধান

আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায
২৮৩

শিরক

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২৮৪

শির্ক কী ও কেন

ড. মুহাম্মদ মুয্‌যাম্মিল আলী
২৮৫

শির্কের সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ

সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
২৮৬

সবচেয়ে বড় গুনাহ

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আহমদ আল-আম্মারী
২৮৭

সুন্নতের আলো ও বিদআতের আঁধার

সাঈদ বিন আলী ইবনে ওহাফ আল-কাহতানী
২৮৮

সুন্নতের প্রতি যত্নবান হওয়ার আদেশ ও তার আদব

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৮৯

সুন্নাত ও বিদয়াত

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (র.)
২৯০

সুন্নাত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২৯১

সুন্নাতে রাসূলুল্লাহ আঁকড়ে ধরা ও বিদ‘আত থেকে সতর্ক থাকা

আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
২৯২

অকাল মৃত্যু বলে কিছু নেই

আলী হাসান তৈয়ব
২৯৩

আত্মহত্যা কোনো সমাধান নয়; সমস্যা

আলী হাসান তৈয়ব
২৯৪

এসো জান্নাতের পথে

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
২৯৫

কবর যিয়ারত ও কবরবাসীর কাছে সাহায্যের আবেদন

শাইখুল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যাহ
২৯৬

কবর যিয়ারত সংক্রান্ত কতিপয় জাল ও দুর্বল হাদীস

শাইখ হাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ আল-আনসারী আল-খাযরাজী আস-সা‘দী
২৯৭

কবরের প্রশ্ন ও প্রাসংগিক আলোচনা

মুহাম্মাদ মুনিরুজ্জামান বিন আশরাফ আলী
২৯৮

কবরের বর্ণনা

মুহাম্মদ ইকবাল কীলানী
২৯৯

কবরের শাস্তি ও শান্তি সম্পর্কে কতিপয় মাসআলা বারযাখী জীবন

শাইখ খালেদ ইবন আব্দুর রহমান আশ-শায়ে‘
৩০০

কিয়ামতের আলামত

আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
৩০১

কিয়ামতের ভয়াবহতা ও তারপর

আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
৩০২

কীভাবে আপনি জান্নাত লাভ করবেন

ইউসুফ ইবন মুহাম্মাদ আল ‘উয়াইয়েদ
৩০৩

কুরআন ও সুন্নাহ’য় বর্ণিত শাফা‘আত এবং শাফা‘আতকারী

শাইখ ইবরাহীম ইবন আবদিল্লাহ আল-হাযেমী
৩০৪

কুরআন ও সুন্নাহ্‌র আলোকে জান্নাত ও জাহান্নাম

আব্দুর রহমান বিন সাঈদ বিন আলী বিন ওহাফ আল-কাহতানী রহ.
৩০৫

কুরআন ও হাদীসের আলোকে মহাসাফল্য ও বড় ব্যর্থতা

ড. সাঈদ ইবন আলী ইবন ওয়াহাফ আল-ক্বাহত্বানী
৩০৬

কুরআনের আলোকে জান্নাত ও জাহান্নাম

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
৩০৭

ঘুমানোর আগে মরণের স্মরণ

আলী হাসান তৈয়ব
৩০৮

জান্নাত ও জাহান্নাম

শায়েখ আলী ইবনে আব্দুর রহমান আল-হুজাইফী
৩০৯

জান্নাতও জাহান্নামএর সংবাদপ্রাপ্ত নারী-পুরুষগণ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৩১০

জান্নাতের পথ

মুহাম্মাদ মুনিরুজ্জামান বিন আশরাফ আলী
৩১১

জান্নাতের পথে

আবু আব্দির রহমান
৩১২

জান্নাতের প্রতি আগ্রহী ও জাহান্নাম থেকে পলায়নকারীর জন্য বিশেষ উপদেশ

রাশেদ বিন আব্দুর রহমান আয-যাহরানী
৩১৩

পরকাল ভাবনা

মুহাম্মদ শামছুল হক ছিদ্দিক
৩১৪

মৃত্যু ও কবর সম্পর্কে করণীয় ও বর্জনীয়

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
৩১৫

যা হবে মরণের পরে

আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
৩১৬

সহীহ সুন্নাহ’র আলোকে জান্নাতের বৈশিষ্ট্য

ওয়াহিদ ইবন আবদিস সালাম বালী
৩১৭

আত-তাফসীর আল-মুইয়াসসার (দ্বিতীয় পারা)

একদল বিশেষজ্ঞ সৌদী আলেম
৩১৮

আমরা কিভাবে কুরআন বুঝব

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৩১৯

আম্মা পারা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩২০

আল কোরআন ও আধুনিক যুগের চাহিদা

জহির উদ্দিন বাবর
৩২১

আল-কুরআন ইসলামী শরীয়াহ্-এর অন্যতম উৎস

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৩২২

আল-কুরআন একটি মহা মু‘জিযা

ড. সা‘ঈদ ইবন আলী ইবন ওয়াহাফ আল-ক্বাহত্বানী
৩২৩

আল-কুরআন ও তার সুমহান মর্যাদা

শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ আলে শাইখ
৩২৪

আল-কুরআনুল কারিম হিফয করার ব্যবহারিক পদ্ধতি

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩২৫

আল-কুরআনুল কারীম মর্যাদা, শিক্ষা ও বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা

ইকবাল হুসাইন মাসুম
৩২৬

আল-কুরআনুল কারীমের অর্থানুবাদ প্রেক্ষাপট ও আবশ্যকীয় জ্ঞান

আলী হাসান তৈয়ব
৩২৭

আল-কুরআনের আলোকে মানুষের স্বরূপ বিশ্লেষণ

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৩২৮

আল-কুরআনের সংক্ষিপ্ত তাফসীর [সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১-১৪১]

কতিপয় উলামা
৩২৯

ইহতিসাব সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে অবতীর্ণ আয়াতসমূহ

নুমান আবুল বাশার
৩৩০

কুরআন আপনার পক্ষের কিংবা বিপক্ষের দলিল

মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মদ আল-ইম্মারি
৩৩১

কুরআন ও দীনি ইলম শিক্ষার বিনিময় পারিশ্রমিক নেওয়া

প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ ইবন মুবারক আলে সাইফ
৩৩২

কুরআন তিলাওয়াত ফযীলত ও আদব

আলী হাসান তৈয়ব
৩৩৩

কুরআন তিলাওয়াত করার নিয়ত

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩৩৪

কুরআন তিলাওয়াতের ফজিলত

মুহাম্মদ বিন সালেহ আল-উসাইমীন
৩৩৫

কুরআন শিক্ষা এবং এ খাতে ব্যয় প্রসঙ্গে

আলী হাসান তৈয়ব
৩৩৬

কুরআন শিক্ষা বিধান, পদ্ধতি ও ফযীলত

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
৩৩৭

কুরআনুল কারিমে সম্পদ ও নফসের জিহাদ একসাথে উল্লেখ করার হিকমত

ড. তাওফিক আলী যাবাদী
৩৩৮

কুরআনের সঙ্গে পূর্বসূরীদের সম্পর্ক

খালেদ ইবন আবদুল্লাহ আল-মুসলিহ
৩৩৯

তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩৪০

তাফসীরুল কুরআন

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৩৪১

পবিত্র কোরআনে ইখলাস সম্পর্কে অবতীর্ণ আয়াতসমূহ

নুমান আবুল বাশার
৩৪২

পবিত্র কোরআনে ইত্তেবা সম্পর্কে অবতীর্ণ আয়াতসমূহ

নুমান আবুল বাশার
৩৪৩

সূরা ‘আসর’ আমাদের যা শেখায়

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৩৪৪

সূরা আত-তাওবার তাফসীর

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৩৪৫

সূরা আন-নাবা-এর তাফসীর

আবু আবদুল্লাহ কুরতুবী রহ.
৩৪৬

সূরা আল-ফাতিহা-এর তাফসীর

শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব রহ.
৩৪৭

সূরা আলে ইমরান

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩৪৮

সূরা কাফিরুন ও ইখলাস আমাদেরকে যা শেখায়

ফায়িয বিন সাঈদ আয-যাহরানী
৩৪৯

সূরা ফাতিহা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩৫০

হাফেয ইবন কাসীরের তাফসীর থেকে সংক্ষেপিত সূরা আল-আনফালের তাফসীর

শাইখ আহমদ মুহাম্মাদ শাকের
৩৫১

One Hadith a Day (সহীহ বুখারী থেকে ৩৬৫টি হাদীস ও শিক্ষা)

আমির জামান, নাজমা জামান
৩৫২

কল্যাণকর কাজে উদ্বুদ্ধকারী কতিপয় হাদীস

মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ
৩৫৩

গুরুত্বপূর্ণ বিশটি হাদিসের ভাষ্য

গবেষণা পরিষদ: আল-মুনতাদা আল-ইসলামী
৩৫৪

নির্বাচিত হাদীস চতুর্থ খণ্ড

ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ
৩৫৫

নির্বাচিত হাদীস পঞ্চম খণ্ড

ডক্টর মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ
৩৫৬

রমযান বিষয়ে জাল ও দুর্বল হাদিসসমূহ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩৫৭

শামায়েলে তিরমিযী

মুহাম্মাদ বিন ঈসা আত তিরমিযী (রহ.)
৩৫৮

সহীহ হাদীসে কুদসী

আবু আব্দুল্লাহ মুস্তফা আল-আদাভী
৩৫৯

সুন্নাহের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৩৬০

হাদিসের প্রামাণিকতা

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩৬১

হাদীছের গল্প

গবেষণা বিভাগ, হাদীছ ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ
৩৬২

হাদীছের প্রামাণিকতা

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৩৬৩

হাদীস সংকলনের ইতিহাস

মওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহীম (রহ)
৩৬৪

অযু ব্যতীত কুরআনুল কারীম স্পর্শ করার বিধান

একদল বিজ্ঞ আলেম
৩৬৫

আল-ফাতাওয়া আল-মাক্কীয়্যাহ

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
৩৬৬

আল্লাহর আইন বাস্তবায়ন এবং এর পরিপন্থী বিষয় বর্জনের অপরিহার্যতা

আশ-শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ ইবন বায
৩৬৭

আল্লাহর ওপর ঈমানের অর্থ

ইসলাম কিউ এ
৩৬৮

ইসলামী আইন না মানার বিধান কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
৩৬৯

ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা

ড. আবদুল করিম জায়দান
৩৭০

ইসলামী শরীআতে শাস্তির বিধান

ড. আব্দুল কারীম যাইদান
৩৭১

ইসলামী শরীয়াহর বাস্তবায়ন ও উম্মাহর উপর এর প্রভাব

আব্দুল্লাহ ইবন স‘উদ আল-হুয়াইমিল
৩৭২

ইসলামী শারীয়াহ্ এর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য বর্তমান প্রেক্ষাপটে এর গুরুত্ব

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৩৭৩

ইসলামে মানবাধিকার

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
৩৭৪

কাফিরদেরকে ইসলামের প্রতি দাওয়াত না দিলে কি মুসলিমগণ অপরাধি হবে

ইসলাম কিউ এ
৩৭৫

খাদ্য ও পানীয় বিষয়ে ইসলামের বিধি-বিধান

মুহাম্মাদ ইবন ইবরাহীম ইবন আব্দুল্লাহ আত-তুইজিরী
৩৭৬

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নির্বাচিত ফাতাওয়া

মিরফাত বিনতে কামিল আবদিল্লাহ উসরা
৩৭৭

জানাযার বিধিবিধান সংক্রান্ত ৭০টি প্রশ্ন

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
৩৭৮

জিজ্ঞাসা ও জবাব (১ম খণ্ড)

ড. খোন্দকার আব্দুলাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ)
৩৭৯

তালাক ও তাহলীল

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৩৮০

দীনের ফিক্‌হ তথা জ্ঞানই ফিতনা থেকে বাঁচার সঠিক উপায়

শাইখ সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
৩৮১

ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে কি কোনো ইসলামী দলে যোগ দেওয়া যাবে

ইসলাম কিউ এ
৩৮২

ধূমপান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ফাতাওয়া

আমের সালেহ আলাওয়ী নাজী
৩৮৩

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি নূরের তৈরি

শাইখ আব্দুর রাকীব (মাদানী)
৩৮৪

নারী-পুরুষে দেখাদেখি, নির্জনে অবস্থান ও সহাবস্থান সংক্রান্ত বিবিধ ফাতওয়া

শাইখ আবদুল ‘আযীয ইবন আবদিল্লাহ ইবন বায, শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন, শাইখ আবদুল্লাহ ইবন আবদির রহমান আল-জিবরীন এবং স্থায়ী ফতোয়া বোর্ডের ফতোয়া
৩৮৫

ফিতনাতুত-তাকফীর

শায়খ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহ), শায়খ আব্দুল্লাহ বিন বায (রহ), শায়খ সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ), বিভিন্ন মুফাসসির ও মুহাদ্দিসদের (রহ) উদ্ধৃতি
৩৮৬

বারোশ’ (১২০০) মাস’আলা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩৮৭

মানুষের প্রাণ বাঁচাতেই কিসাস বা প্রাণদণ্ড

আলী হাসান তৈয়ব
৩৮৮

মাসিক আত-তাহরীক প্রশ্নোত্তর ২০১৫

দারুল ইফতা
৩৮৯

মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী

মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী
৩৯০

মুসলিমদের মা‘বুদ কে

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৩৯১

মেধাস্বত্ব ও কপিরাইট আইন

মাওলানা আবুল কালাম আযাদ
৩৯২

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সশরীরে এসে সাক্ষাত করেন, এমন ধারণা পোষণকারী ব্যক্তিকে কীভাবে প্রতিবাদ করব

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৩৯৩

শরিয়া বিধানের উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য

ইকবাল হোসাইন মাসুম
৩৯৪

শাস্তি প্রদান শরয়ি দৃষ্টিকোণ

আমর ইব্রাহীম
৩৯৫

শির্কের হাকিকত ও তার প্রকারসমূহ কী

ইসলাম কিউ.এ
৩৯৬

সহজ ফিকহ শিক্ষা

ড. সালিহ ইবন গানিম আস-সাদলান
৩৯৭

স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত বিবিধ প্রশ্ন-উত্তর

শাইখ মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন
৩৯৮

হিন্দু আশ্চর্যের কোনটি ভাল, হিন্দুধর্ম বা ইসলামের এবং কেন

ইসলাম কিউ এ
৩৯৯

হিল্লা, তালাক ও ফতোয়া যে কথাগুলো না বললেই নয়

আলী হাসান তৈয়ব
৪০০

অমুসলিমদের সাথে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আচরণ প্রসঙ্গ

ড. রাগিব আস-সারজানী
৪০১

আদর্শ মানব মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

এ এক এম নাজির আহমদ
৪০২

আপনার নবীকে চিনুন

মুহাম্মাদ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মাদ আল-আম্মারী
৪০৩

আল্লাহর রাসূলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আদর্শ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৪০৪

আল্লাহর রাসূলের প্রতি দরূদ-সালামের তাৎপর্য

ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ
৪০৫

ইউনুস ‘আলাইহিস সালামের ঘটনা

শায়খ ড. সালেহ আলে তালেব
৪০৬

কীভাবে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালোবাসব

মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৪০৭

চিনে নাও তুমি তোমার নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে

ড. আদেল আশ-শিদ্দী, ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ
৪০৮

দয়া ও ভালোবাসার অনন্য বিশ্ব নবী

আবু আব্দুর রাহমান
৪০৯

নবী আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চরিত্র ও গুণাবলি

নুমান বিন আবুল বাশার
৪১০

নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সাহায্য-সমর্থন করার একশত উপায়

ইকবাল হোসাইন মাছুম, কাউসার বিন খালেদ
৪১১

নবী জীবনী

আয-যুলফি দা‘ওয়াহ সেন্টার
৪১২

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের গুণাবলী

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
৪১৩

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে পবিত্রতা অর্জন করতেন

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
৪১৪

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মহিমান্বিত জীবনের শেষ একশ দিনের অসিয়্যতসমূহ

সালেহ ইবন আব্দুর রহমান আল-হুসাইন, আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ আল-হাজ
৪১৫

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমাজ সংস্কার

চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ
৪১৬

বিরুদ্ধবাদীদের সাথে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আচরণ

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৪১৭

বিশ্বনবী প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রের আদর্শ

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৪১৮

বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলা‌ইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শ (ইমাম ইবনুল কাইয়্যেম রহ. এর যাদুল মা‘আদ হতে সংক্ষেপিত)

ড. আহমাদ ইবন উসমান আল-মাযইয়াদ
৪১৯

বিশ্বমানবতার প্রতি বিশ্বনবীর শাশ্বত অবদান

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৪২০

মহানবীর অবমাননা ওরা যা করেছে আমরা যা করব

আলী হাসান তৈয়ব
৪২১

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবদান

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৪২২

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবদান

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৪২৩

রাসূল অবমাননার পরিণাম ও শাস্তি আমাদের করণীয়

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
৪২৪

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গৃহে একদিন

আব্দুল মালেক আল-কাসেম
৪২৫

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমকালীন আরবের অবস্থা ও তাঁর মক্কী জীবন

মো. আব্দুল কাদের
৪২৬

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহচর্য

শাইখ সালেহ ইবন আবদিল্লাহ আদ-দারওয়ীশ
৪২৭

রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামাজিক বিপ্লবের স্বরূপ

সিরজুল ইসলাম আলী আকবর
৪২৮

রাসূলের শানে সমসাময়িক ধৃষ্টতা আকার-প্রকৃতি ও নেপথ্য কাহিনী

নাসের বিন সুলাইমান আল-উমর
৪২৯

সমরবিদ হিসাবে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

মোঃ আবদুল কাদের
৪৩০

সর্বযুগের বিশ্বস্ত নবী

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৪৩১

সহীহ হাদীসের আলোকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়তের প্রমাণ

শাইখ মুকবিল ইবন হাদী আল ওয়াদি‘য়ী
৪৩২

আবু বকর ও উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমার জীবনের কিছু ঘটনা

হোমায়রা বান
৪৩৩

আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা

আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী
৪৩৪

আয়েশা রাদিআল্লাহু ‘আনহার ফজিলত

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৪৩৫

আল্লামা নওয়াব সিদ্দীক হাসান খান ভুপালী জীবন ও কর্ম

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
৪৩৬

আল্লামা মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী রহ.এর সংক্ষিপ্ত জীবনী

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
৪৩৭

ইহসান ইলাহী যহীর

নূরুল ইসলাম
৪৩৮

উম্মতের ওপর সাহাবীগণের অধিকারসমূহ

ড. সালিহ ইবন আব্দুল আযীয ইবন উসমান সিন্দী
৪৩৯

উসমান (রাঃ) রাঃ সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা

মূল আহমাদ আব্দুল আলি তাহতাভী
৪৪০

ওমর (রাঃ) সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা

আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী
৪৪১

ওমর ইবনে আবদুল আজীজ

রশীদ আখতার নদভী
৪৪২

খলিফা মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু সম্পর্কে ইনসাফপন্থীদের কিছু বাণী

আব্দুল মুহসিন ইবন হামদ আল-আব্বাদ
৪৪৩

ছাহাবা ন্যায়নিষ্ঠতা ও সুমহান মর্যাদা

মুস্তাফা কাসেম আব্বাস
৪৪৪

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবিবৃন্দ

ইকবাল হোসাইন মাসুম
৪৪৫

সাহাবায়ে কেরামের প্রতি আমাদের কর্তব্য

আব্দুর রাযযাক ইব্‌ন আব্দুল মুহসিন আল-বাদ্‌র
৪৪৬

সাহাবীগণের মর্যাদা

সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
৪৪৭

সাহাবীগণের হক ও ফযীলত সম্পর্কে যথাযথ করণীয়

আব্দুল্লাহ ইবন সালিহ আল-কুসাইর
৪৪৮

সাহাবীদের পেয়েছি, কিন্তু আহলে-বাইতকে হারাই নি

আবু খলিফা আলি ইব্‌ন মুহাম্মদ আল-কুদাইবি
৪৪৯

সাহিত্যিক মাওলানা আহমাদ আলী

হাদীছ ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ
৪৫০

আক্বীদায়ে মোহাম্মদী বা মাযহাবে আহলেহাদীছ

মাওলানা আহমাদ আলী
৪৫১

আধুনিক সমাজ ব্যবস্থায় ইসলাম প্রচারের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীতা

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৪৫২

আল্লাহর দিকে আহ্বান ও দাঈর গুণাবলি

শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
৪৫৩

আল্লাহর দিকে দাওয়াতের সম্বল

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৪৫৪

আল্লাহর দিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দাওয়াতের বাস্তব কিছু নমুনা

সাঈদ ইবন আলী ইবন ওহাফ আল-কাহতানী
৪৫৫

আল্লাহর পথে দাওয়াত

ড. আ.ন.ম. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
৪৫৬

আহলেহাদীছ আন্দোলন কি ও কেন

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৪৫৭

ইক্বামতে দ্বীন পথ ও পদ্ধতি

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৪৫৮

ইসলামী আন্দোলনে বিজয়ের স্বরূপ

ডঃ নাছের বিন সোলায়মান আল-ওমর
৪৫৯

ইসলামী দাওয়াহ প্রসারে গণমাধ্যমের অবদান

ড. মো: আব্দুল কাদের
৪৬০

ইসলামী মিডিয়ার স্বরূপ ও তাৎপর্য

ড. মো: আব্দুল কাদের
৪৬১

উদাত্ত আহবান

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৪৬২

উপদেশতত্ত্ব

আকীল ইবন মুহাম্মাদ আল-মাকতিরী
৪৬৩

একজন ঈমানদার দা‘ঈর গুণাবলী

মুহাম্মদ শাহিদুল ইসলাম
৪৬৪

একটি পত্রের জওয়াব

মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী আল-কোরায়শী
৪৬৫

কুরআনের আলোকে নূহ আলাইহিস সালামের দা‘ওয়াহ কার্যক্রম

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৪৬৬

কুরআনের আলোকে মূসা আলাইহিস সালামের ব্যক্তিত্ব ও দা‘ওয়াহ কার্যক্রম

মো: আবদুল কাদের
৪৬৭

দল, সংগঠন, ইমারত ও বায়‘আত সম্পর্কে বিশিষ্ট উলামায়ে কেরামের বক্তব্য

আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার
৪৬৮

দাঈ ভাইদের প্রতি

চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ
৪৬৯

দাঈদের প্রতি বার্তা

শাইখ মোহাম্মাদ বিন সালেহ আল-উসাইমিন
৪৭০

নবী মুহাম্মদ সা. এর আগমনের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য, দা‘ওয়াতের পদ্ধতি ও কৌশল

ড. মো: আবদুল কাদের
৪৭১

মুসলিম উম্মতের সর্বসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দার্‌স-সমূহ

মাননীয় শাইখ আব্দুল আযীয ইব্‌ন আব্দুল্লাহ ইব্‌ন বায
৪৭২

মুসলিম উম্মাহর জন্য গুরুত্বপূর্ণ দরসের সাথে সংশ্লিষ্ট বিধান

শাইখ আবদুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায
৪৭৩

সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ গুরুত্ব ও তাৎপর্য

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৪৭৪

সৎকাজের আদেশ ও মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৪৭৫

সমাজ বিপ্লবের ধারা

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৪৭৬

অর্থনীতিতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এর দশ দফা

শাহ মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান
৪৭৭

ইসলাম ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ

ড. এম উমর চাপরা
৪৭৮

ইসলামি অর্থনীতি শান্তি ও সমৃদ্ধির অব্যর্থ ব্যবস্থা

আলী হাসান তৈয়ব
৪৭৯

ইসলামের অর্থনীতি

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ)
৪৮০

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মাদকাসক্তির প্রভাব ও তার সমাধান

ড. মো. মুস্তাফিজুর রহমান, মো. মোশাররফ হোসাইন
৪৮১

ব্যবসা-বাণিজ্য করনীয় ও বর্জনীয়

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
৪৮২

আল্লাহর বাণী আল-কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান

মোহাম্মদ ওসমান গনি
৪৮৩

ইসলাম প্রচারে মনোবিজ্ঞানের ভূমিকা

আব্দুল্লাহ আল-খাতির রহ.
৪৮৪

ইসলামী বিধান ও আধুনিক বিজ্ঞান (প্রথম খন্ড)

মুহাম্মাদ ওসমান গনি
৪৮৫

কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান

ডা. জাকির নায়েক
৪৮৬

কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান সামঞ্জস্যপূর্ণ না অসামঞ্জস্যপূর্ণ

ডঃ জাকির আবদুল করিম নায়েক
৪৮৭

সৃজনশীল ও বৈজ্ঞানিক চিন্তার ব্যবহার একটি ভূমিকা

নুমান বিন আবুল বাশার
৪৮৮

আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ১ম খন্ড

আবুল ফিদা হাফিজ ইবন কাসীর আদ-দামেশকী (র)
৪৮৯

আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ২য় খন্ড

আবুল ফিদা হাফিজ ইবন কাসীর আদ-দামেশকী (র)
৪৯০

ইতিহাসের ইতিহাস

গোলাম আহমাদ মোর্তজা
৪৯১

ইসলামের ইতিহাস ১ম খণ্ড

মাওলানা আকবর শাহ খান নজিববাদী
৪৯২

চেপে রাখা ইতিহাস

গোলাম আহমাদ মোর্তজা
৪৯৩

বাজেয়াপ্ত ইতিহাস

গোলাম আহমাদ মোর্তজা
৪৯৪

মুসলমানদের পতন অতীত বর্তমান (সালাহউদ্দীন আইউবীর আবির্ভাব পূর্ব ইসলামি বিশ্ব ও বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা)

মুহাম্মদ আল আবদাহ
৪৯৫

আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করার গুরুত্ব

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
৪৯৬

আত্মীয়তা-সম্পর্ক রক্ষা করা

আলী হাসান তৈয়ব
৪৯৭

আদর্শ মুসলিম পরিবার

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৪৯৮

ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা

মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ আল কাফী
৪৯৯

ইসলামী নীতিমালার আলোকে বরকত অর্জন

সালেহ ইবন আবদুল আযীয ইবন মুহাম্মাদ আলে শাইখ
৫০০

ইসলামে বন্ধুত্ব ও শত্রুতা

শাইখ সালেহ ইবন ফাউযান আল-ফাউযান
৫০১

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার ভয়াবহ পরিণতি

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
৫০২

কোরআন ও হাদিসের আলোকে এতিম প্রতিপালন

মুহাম্মদ ওসমান গনি
৫০৩

ধৈর্য-সবর কখন ও কিভাবে

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫০৪

পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় ইসলামের শিক্ষা

আলী হাসান তৈয়ব
৫০৫

পরিবার ও পারিবারিক জীবন

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (র.)
৫০৬

পানাহারের আদব

আখতারুজ্জামান মুহাম্মাদ সুলাইমান
৫০৭

পিতামাতার অবাধ্যতা কারণ, কিছু বাহ্যিক চিত্র ও প্রতিকারের উপায়

শাইখ মুহাম্মদ ইবন ইবরাহীম আল-হামাদ
৫০৮

প্রতিবন্ধী ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
৫০৯

প্রতিবেশীর হক

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৫১০

মেহমানের মেহমানদারি

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৫১১

যে চৌদ্দটি আমলে রিজিক বাড়ে

আলী হাসান তৈয়ব
৫১২

রাতে দ্রুত ঘুমানোর উপকারিতা

আব্দুল্লাহ ইবন জারুল্লাহ আলে জারুল্লাহ
৫১৩

রিযক ও তার অনুমোদিত উপকরণ

শায়খ সাউদ আল-শুরাইম
৫১৪

সময় সে তো জীবন

চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ
৫১৫

সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন

আমির জামান, নাজমা জামান
৫১৬

সৌভাগ্যময় ঘর ও স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্ব

ড. সালেহ ইবন আবদিল্লাহ ইবন হুমাইদ
৫১৭

সৌভাগ্যময় জীবনের পূর্ণাঙ্গ উপায়

শাইখ আবদুর রহমান ইবন নাসের আস-সা‘দী
৫১৮

হাদীসের আলোকে আদর্শ স্বামী

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল আযহারী
৫১৯

আয়াতুল কুরসী ও তাওহীদের প্রমাণাদি

শাইখ আব্দুর রায্‌যাক ইবন আব্দুল মুহসিন আল-বদর
৫২০

আল্লাহ তা‘আলার নান্দনিক নাম ও গুণসমগ্র কিছু আদর্শিক নীতিমালা

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
৫২১

আল্লাহ তা‘আলার হক বা প্রাপ্য

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৫২২

আল্লাহ তাআলার দশ অসিয়ত

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫২৩

আল্লাহ তাআলার পরিচয়

হাফেয নেছার উদ্দিন
৫২৪

আল্লাহকে সম্মান দেওয়া ও তাকে গালমন্দকারীর বিধান

শায়খ আব্দুল আজিজ আত-ত্বারীফি
৫২৫

আল্লাহর জন্য ভালোবাসার নিদর্শন

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৫২৬

আল্লাহর জন্য ভ্রাতৃত্ব

মাজেদ আলি হাসান হাবিব
৫২৭

আল্লাহর দর্শন

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
৫২৮

আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করুন, তিনি আপনাকে ভালোবাসবেন

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৫২৯

আল্লাহর পথের অভিযাত্রী

ড. লুতফুল্লাহ ইবন মোল্লা আব্দুল আযীম খাজা
৫৩০

আল্লাহর সুন্দর নামসমূহের ব্যাখ্যা

শাইখ আব্দুর রহমান ইবন নাসের আস-সা‘দী
৫৩১

কার ইবাদত করব ও কেন করব

মুহাম্মদ নূরুল্লাহ তারীফ
৫৩২

কুরআনে বর্ণিত আল্লাহর কিছু সৃষ্টি নিদর্শন

আলী হাসান তৈয়ব
৫৩৩

আল্লাহর নিকট অধিক পছন্দনীয় আমল

আসমা বিনতে রাশেদ আর-রুয়াইশেদ
৫৩৪

ইসলামের নৈতিকতা ও আচরণ

ড. মারওয়ান ইবরাহীম আল-কায়সি
৫৩৫

ইসলামের সৌন্দর্য

আল্লামা শাইখ আব্দুর রহমান বিন নসের সাদী রহ.
৫৩৬

একজন মুসলিমের চারিত্রিক গুণাবলি

ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ, ড. আদেল আশ-শিদ্দী
৫৩৭

কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে মুসলিম জীবনের আদব-কায়দা

ড. মো: আমিনুল ইসলাম
৫৩৮

তরবিয়ত ও চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন

শামছুল হক ছিদ্দিক, নোমান আবুল বাশার, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৩৯

ন্যায়ের আদেশ ও অন্যায়ের নিষেধ অত্যাবশ্যক

শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায
৫৪০

পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য

মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান
৫৪১

ব্যক্তি ও সমাজ সংশোধনে ইসলামি দিক নির্দেশনা

মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনূ
৫৪২

মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৫৪৩

মুসলিম জীবনে সততা ও সত্যবাদিতা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৪৪

মুসলিমের আদব বা শিষ্টাচার

আহমদ আল-মাযইয়াদ/আদেল ইবন আলী আশ-শিদ্দী
৫৪৫

যুব সমাজের অবক্ষয় ও তার প্রতিকার- জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৫৪৬

যুব সমাজের অবক্ষয় ও তার প্রতিকার

সালেহ ইবন্ ফাওযান আল-ফাওযান
৫৪৭

রহমানের বান্দাদের গুণাবলী

আবুল কাসেম মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ
৫৪৮

সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজে নিষেধ

ইকবাল হোছাইন মাসুম
৫৪৯

হিংসা ও অহংকার

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৫৫০

অধ্যয়ন ও জ্ঞানসাধনা

আবু বকর সিরাজী
৫৫১

অন্তরের আমল ইখলাস

মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জেদ
৫৫২

অন্তরের আমল দ্বীনদারি

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৫৫৩

আত্মগঠন

খালিদ ইবন আব্দুল আযীয আবাল খায়ল
৫৫৪

আত্মশুদ্ধি

খালেদ ইবন আব্দুল্লাহ আল-মুসলেহ
৫৫৫

ইখলাছ মুক্তির পাথেয়

ফয়সাল বিন আলী আল বাদানী
৫৫৬

ইখলাস কেন ও কীভাবে

গবেষণা পরিষদ আল-মুনতাদা আল-ইসলামী
৫৫৭

ইখলাস

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
৫৫৮

ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৫৯

ইলম অন্বেষণের ফযীলত ও মর্যাদা

হুসামুদ্দীন সালীম কিলানী
৫৬০

ইলম হাসিল সম্পর্কে পূর্বসুরীদের কিছু বাণী

হিসামুদ্দীন সালীম কিলানী
৫৬১

ইলমে দীন অর্জনের পথ ও পদ্ধতি

সালেহ ইবন আবদুল আযীয আলে শাইখ
৫৬২

ইসলাম ধর্মে সৎকর্ম কবুল হওয়ার শর্তাবলি

ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ
৫৬৩

ইসলামে ‘তাকওয়া’র স্বরূপ ও সমাজ জীবনে এর প্রভাব

ড. মোঃ ছানাউল্লাহ
৫৬৪

ইসলামের প্রাথমিক শিক্ষা

অনুবাদ ও গবেষণা বিভাগ, জুবাইল দাওয়া এন্ড গাইডেন্স সেন্টার
৫৬৫

এক ব্যক্তির ঘটনা এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভাবনা

আলী হাসান তৈয়ব
৫৬৬

একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইলম অর্জন করা

হুসামুদ্দীন সালীম কিলানী
৫৬৭

কল্যাণ ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে পরস্পরে সহযোগিতা করা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৬৮

কল্যাণকর কাজে প্রতিযোগিতার গুরুত্ব ও তাৎপর্য

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৬৯

কিতাবুল ইলম

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৫৭০

গুনাহের দরজা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৭১

চিন্তা ও উৎকন্ঠার ইসলামি এলাজ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৫৭২

চিন্তা ও কর্মে বাস্তবতার অনুশীলন

সানাউল্লাহ বিন নজির আহমদ
৫৭৩

তাকওয়া

আমির জামান, নাজমা জামান
৫৭৪

তাকওয়ার উপকারিতা

মুহাম্মদ ইব্‌ন সালেহ আল-উসাইমীন
৫৭৫

তাক্বওয়া অর্জনের উপায়

মোহাম্মদ ইমাম হোসাইন কামরুল
৫৭৬

তিনটি মতবাদ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৫৭৭

নবী-রাসূলগণের ঘটনায় রয়েছে শিক্ষা

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
৫৭৮

নয়টি প্রশ্নের উত্তর

মুহাম্মাদ নাছেরুদ্দীন আলবানী (রহঃ)
৫৭৯

পাপ আকার-প্রকৃতি, প্রভাব ও প্রতিকার

গবেষণা পরিষদ, আল-মুনতাদা আল-ইসলামী কেন্দ্রীয় কার্যালয়
৫৮০

প্রকাশ্য, অপ্রকাশ্য কাজ ও কথায় নিয়্যত করা এবং ইখলাছ অবলম্বন করা

আবু যাকারিয়া মুহিউদ্দীন ইয়াহইয়া বিন শরফ আন-নববী রহ.
৫৮১

প্রশংসনীয় গবেষণা

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৫৮২

প্রাচ্যবিদ্যা পরিভাষা বিশ্লেষণ

ফয়সাল বিন খালেদ
৫৮৩

প্রিয় নবীর সান্নিধ্যে চল্লিশ আসর

আদেল বিন আলী আশ-শিদ্দী
৫৮৪

বাংলাদেশে ইসলামি শিক্ষানীতির রূপরেখা

আবদুস শহীদ নাসিম
৫৮৫

বিপদে ধৈর্যধারণ দশটি উপদেশ

সানাউল্লাহ বিন নজির আহমদ
৫৮৬

মজলিসের সৌরভ

তুরকী ইবন ইবরাহীম আল-খানীযান
৫৮৭

মুরাকাবা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৮৮

মুসলিম উম্মাহর সংশোধনের গুরুত্ব ও পদ্ধতি

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
৫৮৯

মুহাসাবা বা আত্মপর্যালোচনা প্রয়োজন ও পদ্ধতি

শাইখ মুহাম্মাদ তাকী উসমানী
৫৯০

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শিক্ষাক্রম ও বর্তমান শিক্ষাক্রমের একটি তুলনামূলক পর্যালোচনা

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৫৯১

শয়তান থেকে বাঁচার কৌশল

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৫৯২

শরয়ী ইলম সংক্রান্ত কিছু জরূরী জ্ঞাতব্য বিষয়

আবু আব্দিল ইলাহ্ ছালেহ্ বিন মুক্ববিল আল্ উছায়মী আত্ তামীমী
৫৯৩

শিক্ষা সাহিত্য ও সংস্কৃতি

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ)
৫৯৪

সৎব্যক্তিদের আসরসমূহ থেকে চার আসর

শাইখ আহমদ আর-রুমী আল-হানাফী রহ.
৫৯৫

সবর কী ও কেন

আলী হাসান তৈয়ব
৫৯৬

সাধারণ ও ইসলামী শিক্ষা কী এবং কেন

আলী হাসান তৈয়ব
৫৯৭

সারা বিশ্বের মুসলিমদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় পাঠ সমূহ

শাইখ আব্দুল্লাহ বিন বায (রহ.)
৫৯৮

আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৫৯৯

আহমদ দীদাত রচনাবলি - ফজলে রাব্বী ও মুহাম্মদ গোলাম মোস্তাফা

আহমদ দীদাত
৬০০

ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের ২০টি বিভ্রান্তিকর প্রশ্নের জবাব

ডাঃ জাকির নায়েক
৬০১

ইসলামের উপর ৪০টি অভিযোগ এবং তার প্রমাণ ভিত্তিক জবাব

ডা. জাকির নায়েক
৬০২

ইসলামের কিছু আলোচিত বিষয়ে অগ্রহণযোগ্য বিভ্রান্তি

শাইখ সালেহ ইবন আবদুল্লাহ আল-হুমাইদ
৬০৩

ইসলামের সমালোচনা ও তার জবাব

ড. সাঈদ ইসমাঈল চীনী
৬০৪

ঈসা মসীহ ইসলামের এক নবী চার্চের বিকৃতির এক ঐতিহাসিক আলেখ্য

মুহাম্মাদ আতাউর- রহীম
৬০৫

কিতাবুল মোকাদ্দস, ইঞ্জিল শরীফ ও ঈসায়ী ধর্ম

ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
৬০৬

কুরআন ও সুন্নাহের ওপর আরোপিত বিভিন্ন প্রশ্নের জাওয়াব

শাইখ: আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায রহ., শাইখ: মুহাম্মাদ বিন সালেহ বিন উসাইমীন রহ., শাইখ: আব্দুর রায্‌যাক আফীফি রহ., শাইখ: আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-জাবরীন রহ., শাইখ: সালেহ বিন ফাওযান আল-ফাওযান
৬০৭

খ্রিস্টান বানানোর অপকৌশল থেকে সাবধান

ইলমী গবেষণা ও ফাতাওয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি
৬০৮

ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৬০৯

বাংলাদেশে নাস্তিক্যবাদী অপতৎপরতা প্রতিরোধের উপায়

আলী হাসান তৈয়ব
৬১০

যিশু কি সত্যিই ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন

ডা. জাকির নায়েক
৬১১

সংক্ষিপ্ত ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব

সাইয়্যেদ মাহমূদ শুকরী আলূসী
৬১২

সংক্ষেপিত ইযহারুল হক্ক

ড. মুহাম্মাদ আহমদ আব্দুল কাদির মালকাবী
৬১৩

আল আকসা মসজিদের ইতিকথা

এ. এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
৬১৪

আলোচিত রাত-দিন

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৬১৫

একজন ইমামের দায়-দায়িত্ব

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৬১৬

কুরআন ও সুন্নাহ’র আলোকে আযান ও ইকামত

সাঈদ ইবন আলী ইবন ওহাফ আল-কাহতানী
৬১৭

কুরআন ও সুন্নাহের আলোকে মসজিদের ফযিলত, বিধি-বিধান ও আদাব

ড. সাঈদ বিন আলী বিন ওহাফ আল-কাহতানী
৬১৮

জুমু‘আ ফযীলত ও বিধি-বিধান

শাইখ আবদুল আযীয ইবন আহমাদ আল-উমাইর
৬১৯

জুমু‘আর দিনের বিধান

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৬২০

নাবালক ছেলের ইমামতের বিধান

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬২১

মসজিদে গমন শিষ্টাচার ও প্রভাব

সালেহ ইবন হামেদ আর-রিফা‘ঈ
৬২২

মসজিদে নববী শরীফের যিয়ারত ও যিয়ারতকারীর জন্য কতিপয় সতর্কতা ও নির্দেশনা

ড. আব্দুল্লাহ ইবন নাজী আল-মাখলাফী
৬২৩

মসজিদের ইমামদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান

আব্দুল আযীয ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ আস-সাদহান
৬২৪

জিহাদ ও ক্বিতাল

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৬২৫

দাওয়াত ও জিহাদ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৬২৬

মুজাহাদা মুমিন জীবনের দিশারী

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৬২৭

ইসলামের দৃষ্টিতে আন্তধর্ম বিয়ে

আলী হাসান তৈয়ব
৬২৮

বিয়ে করণীয় ও বর্জনীয়

আলী হাসান তৈয়ব
৬২৯

বিয়ের প্রস্তাব করণীয় ও বর্জনীয়

আলী হাসান তৈয়ব
৬৩০

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বহুবিবাহ

শাইখ মুহাম্মদ আলী সাবুনী
৬৩১

স্ত্রী নির্বাচন

মফিজুল ইসলাম
৬৩২

হিল্লা বিয়ে

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬৩৩

অন্য-পথের-কন্যারা

Mrs. Carol. L. Anway M.S. Ed.
৬৩৪

অসহায় নারীদের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসুন

আলী হাসান তৈয়ব
৬৩৫

ইসলামে নারী বনাম ইয়াহূদী-খৃষ্টান ধর্মে নারী

ড. শরীফ আব্দুল আযীম
৬৩৬

ইসলামে নারীর অধিকার

আলী হাসান তৈয়ব
৬৩৭

ইসলামের পর্দা বিধান নিয়ে একটি লিখিত সংলাপ

আলী হাসান তৈয়ব
৬৩৮

কিতাবুন নিসা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৬৩৯

কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে পর্দা

মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমিন রহ.
৬৪০

জান্নাতী রমণী

মুহাঃ আবদুল্লাহ্‌ আল কাফী
৬৪১

জান্নাতে নারীদের অবস্থা

আলী হাসান তৈয়ব
৬৪২

নারী ইসলামের পূর্বে ও পরে

মুতয়েব উমার আল-হারেসী
৬৪৩

নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ইসলামের ভূমিকা

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৬৪৪

নারী শিক্ষা সম্পর্কে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি

ড. মো. আব্দুল কাদের
৬৪৫

নারীদের যে বিষয়গুলো না জানলেই নয়

আমির জামান, নাজমা জামান
৬৪৬

নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলাম

শাইখ আব্দুর রাজ্জাক ইবন আব্দুল মুহসিন আল-বদর
৬৪৭

নারীর ইসলামী শিক্ষার ব্যবস্থাকরণ

আব্দুল্লাহ আল-মামুন
৬৪৮

নারীর জান্নাত যে পথে

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬৪৯

নারীর প্রাকৃতিক রক্তস্রাব

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৬৫০

পর্দা একটি ইবাদত

মাদারুল ওয়াত্বান, শিক্ষা বিভাগ
৬৫১

পর্দা কেন

শাইখ মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন ইসমাঈল আল-মুকাদ্দিম
৬৫২

পর্দা জাতীয় উন্নতির পথে বাধা নয়

পর্দা জাতীয় উন্নতির পথে বাধা নয়
৬৫৩

পর্দা নারীর দুর্গ ও রক্ষাকারী ঢাল

চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ
৬৫৪

পর্দাহীনতার পরিণতি

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৬৫৫

ফেরারী নারী

আবু বকর সিরাজী
৬৫৬

মহিলাদের স্রাব ও প্রসূতি অবস্থার বিধিবিধান সংক্রান্ত ৬০টি প্রশ্ন

আল্লামা শাইখ মুহাম্মাদ ইব্‌ন সালেহ্‌ আল-উসাইমীন
৬৫৭

মুক্তবাসিনী-২

আবু বকর সিরাজী
৬৫৮

মুখমণ্ডল ঢাকা কি হিজাবের অংশ নয়

আলী হাসান তৈয়ব
৬৫৯

মুমিন নারীদের বিশেষ বিধান

ড. সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
৬৬০

মুসলিম নারী এবং সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য

অধ্যাপক ড. ফালেহ ইবন মুহাম্মাদ আস-সুগাইর
৬৬১

মুসলিম নারীর অধিকার ও দায়িত্ব ইসলামের ইশতিহার ও সনদ

ফায়সাল বিন খালেদ
৬৬২

মুসলিম নারীর অবশ্য পালনীয় কতিপয় আমল

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৬৬৩

শরঈ পর্দা বলতে কী বুঝায়

আলী হাসান তৈয়ব
৬৬৪

সম্পদে নারীর উত্তরাধিকার ইসলামই দিয়েছে প্রাপ্তির নিশ্চয়তা

মুহাম্মাদ আফীফ ফুরকান
৬৬৫

সৌন্দর্য প্রদর্শন ও বেপর্দা প্রসঙ্গে মুমিন নারীদের জন্য কতিপয় নির্দেশনা

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৬৬৬

একজন সফল গার্ডিয়ানের গুণাবলি

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৬৬৭

একজন সফল শিক্ষকের গুণাবলি

মুহাম্মাদ শামসুল হক সিদ্দিক
৬৬৮

কীভাবে আমরা সন্তানদের লালন-পালন করব

আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান
৬৬৯

ক্যারিয়ার বিকশিত জীবনের দ্বার

আইসিএস পাবলিকেশন
৬৭০

ভালো ছাত্র হওয়ার উপায়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৬৭১

মোরা বড় হতে চাই

আহসান হাবীব ইমরোজ
৬৭২

যেভাবে একজন হাজী তার সন্তানদের উপদেশ দেবে

নু‘মান আবুল বাশার
৬৭৩

শিশুদের লালন-পালন [মাতা-পিতার দায়িত্ব ও সন্তানের করণীয়]

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন জামীল যাইনূ রহ.
৬৭৪

সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানের ক্ষেত্রে করণীয়

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬৭৫

সন্তান প্রতিপালনে ইসলামের প্রেরণা

আলী হাসান তৈয়ব
৬৭৬

সন্তানের হক

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
৬৭৭

সফলতা আপনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকবে

আলী হাসান তৈয়ব
৬৭৮

সফলতার পথ-পথান্তর

ড. তাওফিক আলি যবাদি
৬৭৯

আকীদা ও ফিক্হ [ ১ম শ্রেণী ]

অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসাইন মোল্লা, ড. মো. আনোয়ারুল কবীর, অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম, ড. মো. মানজূরে ইলাহী, অধ্যাপক মো. নূরুল্লাহ
৬৮০

আকীদা ও ফিক্হ [ ২য় শ্রেণী ]

অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসাইন মোল্লা, ড. মো. আনোয়ারুল কবীর, অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম, ড. মো. মানজূরে ইলাহী, অধ্যাপক মো. নূরুল্লাহ
৬৮১

আকীদা ও ফিক্হ [ ৩য় শ্রেণী ]

অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসাইন মোল্লা, ড. মো. আনোয়ারুল কবীর, অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম, ড. মো. মানজূরে ইলাহী, অধ্যাপক মো. নূরুল্লাহ
৬৮২

গল্পে আঁকা ইতিহাস ১ -আঁধার রাতের বন্ধু

আলী তানতাভী
৬৮৩

গল্পে আঁকা ইতিহাস ২ -অপরাধী ও পুলিশ

আলী তানতাভী
৬৮৪

গল্পে আঁকা ইতিহাস ৪ -দুই ভাইয়ের গল্প

আলী তানতাভী
৬৮৫

গল্পে আঁকা ইতিহাস ৫ -দুই সওদাগরের কাহিনী

আলী তানতাভী
৬৮৬

গল্পে আঁকা ইতিহাস ৬ -আঙুর ও মন্ত্রীত্ব

আলী তানতাভী
৬৮৭

গল্পে আঁকা ইতিহাস ৭ -মন্ত্রীর ছেলে

আলী তানতাভী
৬৮৮

ছোটদের আকীদাহ ও আখলাক

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৬৮৯

শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মাতৃদুগ্ধদানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য

ড. হুসাইন আহমাদ
৬৯০

শিশু সাহিত্যসাধনায় মুসলমান

মিরাজ রহমান
৬৯১

শিশুদের তাওহীদ শিক্ষা

ড. আব্দুল আজীজ বিন মুহাম্মদ আল আব্দুল লতীফ
৬৯২

শিশুদের প্রতি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভালোবাসা

মনির হোসেন হেলালী
৬৯৩

শিশুর নাম নির্বাচন ইসলামী দৃষ্টিকোণ

মুহাম্মাদ নুরুল্লাহ তারীফ
৬৯৪

শিশুর নৈতিকতা গঠনে পারিবারিক শিক্ষা ও পর্দা অনুশীলনের গুরুত্ব

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৬৯৫

সোনামনিদের হাদীস শিক্ষা আসর-১

আলী হাসান তৈয়ব
৬৯৬

হে আমার মেয়ে

আলী আত-তানতাওয়ী আল-মিসরী
৬৯৭

আয়াতে তাতহীর ও হাদিসে কিসার অর্থ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬৯৮

কতিপয় প্রশ্ন যা শী‘আ যুবকদের সত্যের দিকে ধাবিত করেছে

সুলাইমান ইবন সালেহ আল-খারাশি
৬৯৯

কাদিয়ানী মতবাদ (পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ)

এহসান ইলাহী জহীর
৭০০

কাদিয়ানীরা নিন্দনীয় কেন

ড. রফী‘ উওনলা বাসীরী ইজীবুঈ
৭০১

দ্বাদশ-ইমামী শী‘আ ধর্মের মূলনীতিসমূহের সুস্পষ্ট রূপরেখা

মুহিব্বুদ্দীন আল-খতিব
৭০২

নুসাইরিয়া সম্প্রদায়

ড. গালেব ইব্‌ন আলি আওয়াজি
৭০৩

প্রত্যেক শীয়ার প্রতি আমার নসিহত

শায়খ আবু বকর জাবের আল-জাযায়েরি
৭০৪

বারো ইমামের অনুসারী শিয়াদের দৃষ্টিতে চার ইমাম (আবু হানিফা, মালেক, শাফে‘ঈ ও আহমাদ)

শাইখ খালেদ ইবন আহমাদ আয-যাহরানী
৭০৫

শিয়া আকিদার অসারতা

শাইখ মুহাম্মদ আবদুস সাত্তার আত-তুনসাবী
৭০৬

শিয়া আলেম ও অধিকাংশ মুসলিম আলেমের মধ্যে বিরোধের বাস্তব চিত্র

সা‘ঈদ ইসমাঈল
৭০৭

শিয়া ও মসজিদে আকসা

তারেক আহমদ হিজাযী
৭০৮

শিয়াদের আকীদা-বিশ্বাস

আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আস সালাফী
৭০৯

শী‘আ মতবাদের বিস্তৃতি

আব্দুল্লাহ আল-মাত্বরাফী
৭১০

সূফীবাদ কুরআন ও সুন্নাহ-এর মানদণ্ডে

মুহাম্মাদ জামীল যাইনূ
৭১১

সূফীবাদ

আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
৭১২

হিযবুল্লাহ সম্পর্কে কী জানেন

আলী আস-সাদিক
৭১৩

হুতী শিয়াদের আসল চেহারা

প্রফেসর ডক্টর সুলাইমান বিন সালিহ আল গুসন
৭১৪

অন্তর বিধ্বংসী বিষয় আসক্তি

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৫

অন্তর বিধ্বংসী বিষয় দুনিয়ার মহব্বত

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৬

অন্তর বিধ্বংসী বিষয় প্রবৃত্তির অনুসরণ

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৭

অন্তর বিধ্বংসী বিষয়সমূহ অহংকার

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৮

অন্তর-বিধ্বংসী বিষয়সমূহ ঝগড়া-বিবাদ

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৯

অন্তর-বিধ্বংসী বিষয়সমূহ নিফাক

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭২০

অমুসলিম সংখ্যালঘুদের প্রতি ইসলামের উদারতা

আলী হাসান তৈয়ব
৭২১

আমরা কাদের সাথে বন্ধুত্ব করব

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৭২২

আমার দেখা বৃটেন

ড. আব্দুল্লাহ খাতের রহ.
৭২৩

আল-গিরাস চিন্তার উন্মেষ ও কর্মবিকাশের অনুশীলন (১ম খন্ড)

তাওফীক বিন খলফ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-রেফায়ী
৭২৪

আলেমগণের মধ্যে মতভেদ কারণ এবং আমাদের অবস্থান

আল্লামা শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ্ আল-উসাইমীন
৭২৫

আল্লাহর (দ্বীনকে) রক্ষা কর, তিনি তোমাকে রক্ষা করবেন

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৭২৬

আশুরাকে ঘিরে ইসলামী আদর্শ ও জাহিলি কীর্তিকলাপ

আব্দুল আযীয ইবন মারযুক তারিফী
৭২৭

ইনসানে কামেল

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৭২৮

ইন্টারনেট দীন প্রচারের বিশ্বমঞ্চ

আলী হাসান তৈয়ব
৭২৯

ইবনুল কাইয়্যেম রহ.-এর আল-ফাওয়ায়েদ অবলম্বনে মুখতাসারুল ফাওয়ায়েদ

ড. আহমাদ ইবন উসমান আল-মাযইয়াদ
৭৩০

ইবনুল কাইয়্যেম রহ.-এর কিতাবুর রূহ অবলম্বনে রূহ সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত মাসআলাসমূহ

সুলাইমান ইবন সালিহ আল-খারাশী
৭৩১

ইবাদত-বন্দেগীতে মধ্যপন্থা অবলম্বন

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৩২

ইসলাম একমাত্র পরিপূর্ণ দীন

মুহাম্মাদ আল-আমীন ইবন মুহাম্মাদ আল-মুখতার আশ্‌-শানকীতী
৭৩৩

ইসলাম ও বাস্তবতার আলোকে আরব জাতীয়তাবাদ

শাইখ আব্দুল আযীয ইব্‌ন আব্দিল্লাহ্ ইব্‌ন বায -রাহেমাহুল্লাহ্-
৭৩৪

ইসলাম ও সার্বজনীন মানবাধিকার

শায়খ লিয়াকত আলী আব্দুস সবুর
৭৩৫

ইসলাম বাস্তববাদী জীবনাদর্শ

শায়খ লিয়াকত আলী আব্দুস সবুর
৭৩৬

ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলা নববর্ষ উদযাপন মুসলিমদের করণীয়

ইঞ্জিনিয়ার মো: এনামুল হক
৭৩৭

ইসলামী মিডিয়ার উৎস, মূলনীতি ও ভিত্তিসমূহ

ড. মো: আব্দুল কাদের
৭৩৮

ইসলামী সভ্যতা ও সংস্কৃতি

আবুল কালাম আযাদ আনোয়ার ও আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান
৭৩৯

ইসলামী সমাজে মজুরের অধিকার

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম
৭৪০

ইসলামে ইবাদত ভাব ও তাৎপর্য

ইকবাল হোছাইন মাছুম
৭৪১

ইসলামে ইবাদাত

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৭৪২

ইসলামে জিযয়াহ্‌র বিধান

ড. মুনকিয বিন মাহমুদ আস-সাক্কার
৭৪৩

ইসলামে দাস বিধি

আবদুল্লাহ নাসেহ ‘উলওয়ান
৭৪৪

ইসলামে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) এর বিধান

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
৭৪৫

ইসলামে শ্রমিকের অধিকার

আলী হাসান তৈয়ব
৭৪৬

ইসলামে সার্বভৌমত্বের স্বরূপ

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
৭৪৭

ইসলামের দৃষ্টিতে বিশ্ব ভালবাসা দিবস

আ.স.ম শোয়াইব আহমাদ (পিএইচ.ডি)
৭৪৮

উৎসাহ উদ্দিপনা মূলক গল্প

QuranerAlo Desk
৭৪৯

একগুচ্ছ মুক্তাদানা দ্বীনে ইসলামীর সৌন্দর্য

শাইখ আবদুর রহমান ইবন নাসের ইবন সা‘দী রহ.
৭৫০

এপ্রিলের মিথ্যাচার

মুহাম্মদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৭৫১

কি ঘটেছিল কারবালায় কারা হুসাইন রাদিয়াল্লাহ আনহুকে হত্যা করেছে

আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
৭৫২

কীভাবে করবো বর্ষবরণ

খালেদ ইবন হুসাইন ইবন আবদুর রহমান
৭৫৩

কুরআন ও সুন্নার আলোকে এইচআইভি এইডস প্রতিরোধে তরুণদের করণীয়

ড. মোহাম্মাদ মানজুরে ইলাহী
৭৫৪

কুরআন ও সুন্নাহর দৃষ্টিকোণে স্বপ্ন ও তার ব্যাখ্যা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৫৫

কুরআন ও হাদীসের আলোকে শাফা‘আত

মুহাম্মাদ নাজমুল ইসলাম
৭৫৬

কেউ কারও দাস নয়, সবাই আল্লাহর দাস

আলী হাসান তৈয়ব
৭৫৭

খেলাধুলা ও শরীরচর্চায় ইসলামী মূলনীতি

আলী হাসান তৈয়ব
৭৫৮

গল্পের মাধ্যমে জ্ঞান

হাদীছ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
৭৫৯

গুহাতে আশ্রয় গ্রহণকারী তিন ব্যক্তির গল্প

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৭৬০

জীবন দর্শন

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৭৬১

দাড়ি রাখা ওয়াজিব

এ.কিউ.এম মাসূম মজুমদার
৭৬২

দীনী কাজ সহজিকরণে কম্পিউটার

আলী হাসান তৈয়ব
৭৬৩

দীনের ওপর অবিচল থাকার উপায়

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৭৬৪

দুর্নীতি রোধে কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা ইসলামী দৃষ্টিকোণ

ড. মো. আকতার হোসেন
৭৬৫

নবুওয়তের দাবীদারদের উৎপত্তি ও ঐতিহাসিক পরিণতি

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
৭৬৬

নাজাফ সম্মেলন

সাইয়েদ আব্দুল্লাহ আস-সুওয়াইদী
৭৬৭

নিয়ত অনুসারে পরিণতি

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৭৬৮

নিয়ত একটি তাত্ত্বিক পর্যালোচনা

মু. সাইফুল ইসলাম
৭৬৯

পবিত্র মদীনা মুনাওওয়ারার নাম, ফযিলত ও এখানে অবস্থানের আদবসমূহ

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৭৭০

পরিবেশ বিপর্যয় রোধে ইসলাম

মাওলাই মোস্তাফা বারজাওয়ী
৭৭১

পশ্চিমা সংস্কৃতির কুপ্রভাব

আলী হাসান তৈয়ব
৭৭২

প্রকৃতি ও শরীয়ত স্বীকৃত অধিকার

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল উসাইমিন রহ.
৭৭৩

প্রতিপক্ষের মতামত খন্ডনে ইসলামি শিষ্টাচার

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৭৪

ফিদাক নিয়ে ফাতিমা ও আবূ বকরের মাঝে বিরোধের হাকীকত

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৭৭৫

ফেসবুক হোক দাওয়াতের বাতায়ন

আলী হাসান তৈয়ব
৭৭৬

বন্ধুত্ব ও শত্রুতা ইসলামী দৃষ্টিকোণে

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৭৭৭

বর্ষাকালের বিবিধ বিধান

আলী হাসান তৈয়ব
৭৭৮

বাংলাদেশের মাতৃভাষা আন্দোলনের উদ্দেশ্য ও ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি

মুহাম্মাদ শাহিদুল ইসলাম
৭৭৯

বিশ্ব বাবা দিবস ইসলামী দৃষ্টিকোণ

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৮০

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস পেছন ফিরে দেখা

আলী হাসান তৈয়ব
৭৮১

বিশ্ব মা দিবস শরয়ী দৃষ্টিভঙ্গি

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৮২

বেলা ফুরাবার আগে

আবু বকর সিরাজী
৭৮৩

বৈধ অবৈধের মানদণ্ডে পবিত্র মক্কার বিভিন্ন স্থানসমূহের সম্মাননা

শাইখ সা‘দ ইবন আলী আশ-শাহরানী
৭৮৪

মদিনা শরিফের ফজিলত জিয়ারত ও অবস্থানকালীন আদব

আব্দুল মুহসিন বিন হামাদ আল আববাদ আল বদর
৭৮৫

মদীনাতুন্নবীর যিয়ারত

আখতারুজ্জামান
৭৮৬

মানব ও সমাজসেবায় ইসলামের প্রেরণা

আলী হাসান তৈয়ব
৭৮৭

মানব সম্পদ উন্নয়নে ইসলাম

ড. হুসাইন আহমাদ
৭৮৮

মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কী হারালো?

সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী (র.)
৭৮৯

মুসলিম উম্মাহর মানসিক বিপর্যয়ঃ কারণ ও প্রতিকার

ড. আব্দুল্লাহ আল-খাতির
৭৯০

মুসলিম জাতির বিপর্যয়ের কারণ

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
৭৯১

মুসলিমের হক

আলী হাসান তৈয়ব
৭৯২

মুহররম ও আশুরার ফযীলত

মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৭৯৩

যখন চাইবে আল্লাহর কাছেই চাইবে

ইকবাল হোছাইন মাছুম
৭৯৪

যিয়ারতে মসজিদে নববী

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৭৯৫

রাফ‘উল মালাম সম্মানিত ঈমামগণের সমালোচনার জবাব

শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন আবদুল হালীম ইবন তাইমিয়্যাহ
৭৯৬

শয়তানের প্রবেশপথ

নুমান বিন আবুল বাশার
৭৯৭

শরীয়তের মানদন্ডে রজব মাসের ফজিলত

ফায়সাল বিন আলী আল-বাদানী
৭৯৮

সৎ মানুষের হৃদয়ে শয়তান প্রবেশের ধরণ ও প্রকৃতি

ডক্টর আব্দুল্লাহ আল-খাতির
৭৯৯

সমুদ্র নি‘আমতের অফুরান ভাণ্ডার

আলী হাসান তৈয়ব
৮০০

স্বনির্ভরতা অর্জনে ইসলাম একটি পর্যালোচনা

ড. হুসাইন আহমাদ
৮০১

হারাম শরীফের দেশ ফজিলত ও আহকাম

দা‘ওয়াহ ও উসূলুদ্দীন ফ্যাকাল্টি, উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়

সালাত বর্জনকারীর বিধান

লেখকঃ মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন পরিচ্ছেদ সংখাঃ

পরিচ্ছেদঃ ১

কিতাবের নাম/ লেখক/ অনুবাদক/ সম্পাদক

সালাত বর্জনকারীর বিধান

মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন

অনুবাদ: ড. মোঃ আমিনুল ইসলাম

সম্পাদনা: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
পরিচ্ছেদঃ ২

কভার পেইজ থেকে

গ্রন্থকার এ কিতাবে সালাত বর্জনকারীর বিধান বর্ণনা করেছেন। তিনি দলীল-প্রমাণ দিয়ে সাব্যস্ত করেছেন যে, সালাত বর্জনকারী এমন কাফির, যে কুফুরীর কারণে দীনের গণ্ডি থেকে বের হয়ে যায়। তারপর তিনি সালাত বর্জনকারীর কাফির হওয়ার কারণে দুনিয়াতে তার সাথে সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান বর্ণনা করেছেন, আর আখিরাতে তার পরিণতি কেমন হবে সেটাও বিবৃত করেছেন।
পরিচ্ছেদঃ ৩

ভূমিকা

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য আমরা তাঁর প্রশংসা করি তাঁর নিকট সাহায্য ও ক্ষমা প্রার্থনা কর আর আমাদের নফসের জন্য ক্ষতিকর এমন সকল খারাপি এবং আমাদের সকল প্রকার মন্দ আমল থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। সুতরাং আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন তাকে পথভ্রষ্ট করার কেউ নেই আর যাকে তিনি পথহারা করেন তাকে পথ প্রদর্শনকারীও কেউ নেই। আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই তিনি একক তাঁর কোনো শরীক নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল; আর তাঁর পরিবার-পরিজন সাহাবীগণ এবং কিয়ামতের দিন পর্যন্ত যারা তাঁদের যথাযথ অনুসরণ করেন তাদের ওপর শান্তি বর্ষিত হউক।

অতঃপর……

আধুনিককালে এমন অনেক মুসলিম রয়েছে যারা সালাতের ব্যাপারে অমনোযোগী থাকে এবং তাকে বিনষ্ট করে এমনকি তাদের একটি অংশ অলসতা ও অবহেলা করে তা সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাগ করে।

আর যখন এই বিষয়টি এমন একটি জটিল সমস্যা যে সমস্যার দ্বারা আজকের জনগণ জর্জরিত এবং ইসলামী উম্মাহর আলিম ও ইমামগণ প্রাচীন কাল থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত তার ব্যাপারে মতবিরোধ করে আসছেন তখন আমি এই বিষয়ে যথসম্ভব কিছু একটা লেখার ইচ্ছা পোষণ করেছি।

আর আলোচনাটি দুইটি পরিচ্ছেদে সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত হবে:

প্রথম পরিচ্ছেদ: সালাত বর্জনকারীর বিধান প্রসঙ্গে

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: সালাত বর্জনের কারণে অথবা অন্য কোনো কারণে মুরতাদ (ইসলাম ত্যাগকারী) হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে প্রযোজ্য বিধানাবলী প্রসঙ্গে।

আমরা আল্লাহ তা‘আলার কাছে প্রার্থনা করি যাতে আমারা এই ব্যাপারে সঠিক বিষয়টি তুলে ধরতে পারি।
পরিচ্ছেদঃ ৪

প্রথম পরিচ্ছেদ: সালাত বর্জনকারীর বিধান

নিশ্চয় এই বিষয়টি অত্যন্ত জ্ঞানপূর্ণ বিষয়সমূহের মধ্যে অন্যতম বড় একটি বিষয় যার ব্যাপারে পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সকল যুগের আলিমগণ বিতর্ক বা মতবিরোধ করেছেন। ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল রহ. বলেন

«تارك الصلاة كافر كفراً مخرجاً من الملة ، يقتل إذا لم يتب ويصل»

“সালাত বর্জনকারী মুসলিম মিল্লাত থেকে বহিষ্কার হয়ে যাওয়ার মত কাফির সে তাওবা করে সালাত আদায় করা শুরু না করলে তাকে হত্যা করা হবে।”

আর ইমাম আবূ হানিফা মালেক ও শাফেঈ রহ. বলেন: “সে ফাসিক হবে কাফির হবে না।”

অতঃপর তাঁরা (তিনজন) তার শাস্তির ব্যাপারে মতবিরোধ করেছেন; ইমাম মালেক ও শাফে‌য়ী রহ. বলেন: “তাকে হদ তথা শরী‘আত নির্ধারিত শাস্তি হিসেবে হত্যা করা হবে।” আর ইমাম আবূ হানিফা রহ. বলেন: “তাকে তা‘যীরী তথা শাসনমূলক শাস্তি প্রদান করা হবে হত্যা করা হবে না।”

আর এই মাসআলাটি (বিষয়টি) যখন একটি বিরোধপূর্ণ মাসআলা তখন আবশ্যক হলো এটাকে আল্লাহ তা‘আলার কিতাব এবং তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহর সামনে পেশ করা। কেননা আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

﴿ وَمَا ٱخۡتَلَفۡتُمۡ فِيهِ مِن شَيۡءٖ فَحُكۡمُهُۥٓ إِلَى ٱللَّهِۚ ﴾ [ الشورا : ١٠ ]

“আর তোমরা যে বিষয়েই মতভেদ কর না কেন তার ফয়সালা তো আল্লাহরই কাছে।” [সূরা আশ-শুরা আয়াত: ১০]

আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন:

﴿فَإِن تَنَٰزَعۡتُمۡ فِي شَيۡءٖ فَرُدُّوهُ إِلَى ٱللَّهِ وَٱلرَّسُولِ إِن كُنتُمۡ تُؤۡمِنُونَ بِٱللَّهِ وَٱلۡيَوۡمِ ٱلۡأٓخِرِۚ ذَٰلِكَ خَيۡرٞ وَأَحۡسَنُ تَأۡوِيلًا ٥٩﴾ [ النساء : ٥٩ ]

“অতঃপর কোনো বিষয়ে তোমাদের মধ্যে মতভেদ ঘটলে তা উপস্থাপিত কর আল্লাহ্ ও রাসূলের নিকট যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে ঈমান এনে থাক। এ পন্থাই উত্তম এবং পরিণামে প্রকৃষ্টতর।” [সূরা আন-নিসা আয়াত: ৫৯]

তাছাড়া মতভেদকারীগণের একজনের কথাকে অপরজনের জন্য দলীল হিসেবে পেশ করা যায় না। কারণ তাদের প্রত্যেকেই নিজের মতকে সঠিক মনে করে এবং তাদের একজন মত গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকে অপরজনের মতের চেয়ে অধিক উত্তম নয়। ফলে এই ব্যাপারে তাদের মাঝে মীমাংসা করার মত একজন মীমাংসাকারীর দিকে প্রত্যাবর্তন করা আবশ্যক হয়ে পড়ে; আর সেই মীমাংসাকারী হলো আল্লাহ তা‘আলার কিতাব ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ।

আর আমরা যখন এই বিরোধটিকে কুরআন ও সুন্নাহর নিকট উপস্থাপন করব তখন আমরা দেখতে পাব যে কুরআন ও সুন্নাহর মত শরী‘য়তের উভয় উৎসই সালাত বর্জনকারী ব্যক্তির কাফির হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে নির্দেশনা ও প্রমাণ পেশ করে যা এমন মারাত্মক পর্যায়ের কুফুরী যা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মুসলিম মিল্লাত থেকে খারিজ (বহিষ্কার) করে দেয়।
পরিচ্ছেদঃ ৫

প্রথমত: আল-কুরআন থেকে দলীল-প্রমাণ:

আল্লাহ তা‘আলা সূরা তাওবায় বলেন:

﴿ فَإِن تَابُواْ وَأَقَامُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَءَاتَوُاْ ٱلزَّكَوٰةَ فَإِخۡوَٰنُكُمۡ فِي ٱلدِّينِۗ ﴾ [ التوبة : ١١ ]

“অতএব তারা যদি তাওবা করে সালাত কায়েম করে ও যাকাত দেয় তবে দ্বীনের মধ্যে তারা তোমাদের ভাই।” [সূরা আত-তাওবাহ আয়াত: ১১] আর সূরা মারইয়ামে তিনি বলেন:

﴿ فَخَلَفَ مِنۢ بَعۡدِهِمۡ خَلۡفٌ أَضَاعُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَٱتَّبَعُواْ ٱلشَّهَوَٰتِۖ فَسَوۡفَ يَلۡقَوۡنَ غَيًّا ٥٩ إِلَّا مَن تَابَ وَءَامَنَ وَعَمِلَ صَٰلِحٗا فَأُوْلَٰٓئِكَ يَدۡخُلُونَ ٱلۡجَنَّةَ وَلَا يُظۡلَمُونَ شَيۡ‍ٔٗا ٦٠ ﴾ [ مريم : ٥٩، ٦٠ ]

“তাদের পরে আসল অযোগ্য উত্তরসূরীরা তারা সালাত নষ্ট করল এবং কুপ্রবৃত্তির অনুবর্তী হলো। কাজেই অচিরেই তারা ক্ষতিগ্রস্ততার সম্মুখীন হবে। কিন্তু তারা নয় যারা তাওবা করেছে ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করেছে; তারা তো জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর তাদের প্রতি কোন যুলুম করা হবে না।” [সূরা মারইয়াম আয়াত: ৫৯-৬০]

সুতরাং সূরা মারইয়াম থেকে (আলোচ্য প্রবন্ধে) উল্লিখিত দ্বিতীয় আয়াত সালাত বর্জনকারীর কুফুরী এইভাবে প্রমাণ করে যে আল্লাহ তা‘আলা সালাত বিনষ্টকারী ও প্রবৃত্তির কামনা-বাসনার অনুসরণকারীদের সম্পর্কে বলেন

﴿إِلَّا مَن تَابَ وَءَامَنَ﴾ [ مريم : ٦٠ ]

“কিন্তু তারা নয় যারা তাওবা করেছে ঈমান এনেছে।” [সূরা মারইয়াম আয়াত: ৬০] সুতরাং এর দ্বারা বুঝা যায় যে তারা সালাত বিনষ্ট করার সময় এবং মনের কামনা-বাসনার অনুসরণ কালে মুমিন ছিল না।

আর সূরা তাওবা থেকে (আলোচ্য প্রবন্ধে) উল্লিখিত প্রথম আয়াত সালাত বর্জনকারীর কুফুরী এইভাবে প্রমাণ করে যে এতে আল্লাহ তা‘আলা আমাদের এবং মুশরিকদের মাঝে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সাব্যস্ত করার জন্য তিনটি শর্ত আরোপ করেছেন:

১. শির্ক থেকে তাওবা করে ফিরে আসা

২. সালাত আদায় করা ও

৩. যাকাত প্রদান করা।

সুতরাং তারা যদি শির্ক থেকে তাওবা করে কিন্তু সালাত আদায় না করে এবং যাকাত প্রদান না করে তাহলে তারা আমাদের ভাই নয়। আর তারা যদি সালাত আদায় করে কিন্তু যাকাত প্রদান না করে তবুও তারা আমাদের ভাই নয়।

আর দীনী ভ্রাতৃত্ব তখনই পুরোপুরিভাবে নির্বাসিত হয় যখন মানুষ দীন থেকে সম্পূর্ণভাবে খারিজ হয়ে যায়। ফাসেকী ও ছোট কুফুরীর কারণে দীনী ভ্রাতৃত্ব খতম হতে পারে না।

তুমি কি দেখ না যে হত্যার প্রসঙ্গে বর্ণিত আল্লাহ তা‘আলার বাণী যাতে তিনি বলেছেন:

﴿فَمَنۡ عُفِيَ لَهُۥ مِنۡ أَخِيهِ شَيۡءٞ فَٱتِّبَاعُۢ بِٱلۡمَعۡرُوفِ وَأَدَآءٌ إِلَيۡهِ بِإِحۡسَٰن﴾ [ البقرة : ١٧٨ ]

“তবে তার ভাইয়ের পক্ষ থেকে কোন ক্ষমা প্রদর্শন করা হলে যথাযথ বিধির অনুসরণ করা ও সততার সাথে তার রক্ত-বিনিময় আদায় করা কর্তব্য।” [সূরা আল-বাকারা আয়াত: ১৭৮] এখানে আল্লাহ তা‘আলা ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যাকারীকে নিহত ব্যক্তির ভাই বলে আখ্যায়িত করেছেন অথচ ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করা কবীরা গুনাহসমূহের মধ্যে অন্যতম বড় ধরণের কবীরা গুনাহ। কারণ আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

﴿وَمَن يَقۡتُلۡ مُؤۡمِنٗا مُّتَعَمِّدٗا فَجَزَآؤُهُۥ جَهَنَّمُ خَٰلِدٗا فِيهَا وَغَضِبَ ٱللَّهُ عَلَيۡهِ وَلَعَنَهُۥ وَأَعَدَّ لَهُۥ عَذَابًا عَظِيمٗا ٩٣﴾ [ النساء : ٩٣ ]

“আর কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো মুমিনকে হত্যা করলে তার শাস্তি জাহান্নাম। সেখানে সে স্থায়ী হবে এবং আল্লাহ তার প্রতি রুষ্ট হবেন তাকে লা‘নত করবেন এবং তার জন্য মহাশাস্তি প্রস্তুত রাখবেন।” [সূরা আন-নিসা আয়াত: ৯৩]

অতঃপর তুমি দেখ আল্লাহ তা‘আলার ঐ বাণীর দিকে যাতে মুমিনগণের দুই দলের মধ্যে সংঘটিত পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত অবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি বলেছেন:

﴿ وَإِن طَآئِفَتَانِ مِنَ ٱلۡمُؤۡمِنِينَ ٱقۡتَتَلُواْ فَأَصۡلِحُواْ بَيۡنَهُمَاۖ فَإِنۢ بَغَتۡ إِحۡدَىٰهُمَا عَلَى ٱلۡأُخۡرَىٰ فَقَٰتِلُواْ ٱلَّتِي تَبۡغِي حَتَّىٰ تَفِيٓءَ إِلَىٰٓ أَمۡرِ ٱللَّهِۚ فَإِن فَآءَتۡ فَأَصۡلِحُواْ بَيۡنَهُمَا بِٱلۡعَدۡلِ وَأَقۡسِطُوٓاْۖ إِنَّ ٱللَّهَ يُحِبُّ ٱلۡمُقۡسِطِينَ ٩ إِنَّمَا ٱلۡمُؤۡمِنُونَ إِخۡوَةٞ فَأَصۡلِحُواْ بَيۡنَ أَخَوَيۡكُمۡۚ ﴾ [ الحجرات : ٩، ١٠ ]

“আর মুমিনদের দু’দল দ্বন্দ্বে লিপ্ত হলে তোমরা তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দাও। অতঃপর তাদের একদল অন্য দলের বিরুদ্ধে বাড়াবাড়ি করলে যারা বাড়াবাড়ি করে তাদের বিরুদ্ধে তোমরা যুদ্ধ কর যতক্ষণ না তারা আল্লাহর নির্দেশের দিকে ফিরে আসে। তারপর যদি তারা ফিরে আসে তবে তাদের মধ্যে ইনসাফের সাথে আপোষ মীমাংসা করে দাও এবং ন্যায়বিচার কর। নিশ্চয় আল্লাহ্ ন্যায়বিচারকদেরকে ভালবাসেন। মুমিনগণ তো পরস্পর ভাই ভাই। কাজেই তোমরা তোমাদের ভাইদের মধ্যে আপোষ মীমাংসা করে দাও।” [সূরা আল-হুজুরাত আয়াত: ৯-১০] সুতরাং আল্লাহ তা‘আলা সংস্কারপন্থী গ্রুপ এবং পরস্পর যুদ্ধরত দুই দলের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অবশিষ্ট থাকার কথা ঘোষণা করেছেন অথচ মুমিন ব্যক্তির সাথে লড়াই করা কুফুরী কাজের অন্তর্ভুক্ত যা সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। ইমাম বুখারী রহ. এবং অন্যান্য মুহাদ্দিসগণ আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে হাদীস বর্ণনা করেন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

«سباب المسلم فسوق وقتاله كفر» .

“মুসলিমকে গালি দেওয়া পাপ কাজ এবং তার সাথে মারামারি করা কুফুরী।” [সহীহ বুখারী, অধ্যায়: ঈমান ( كتاب الإيمان ), পরিচ্ছেদ: অজ্ঞাতসারে মুমিনের আমল নষ্ট হওয়ার আশংকা ( باب خوف المؤمن من أن يحبط عمله وهو لا يشعر ), হাদীস নং ৪৮; সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: ঈমান ( كتاب الإيمان ), পরিচ্ছেদ: নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: মুসলিমকে গালি দেওয়া গুনাহর কাজ এবং তার সাথে মারামারি করা কুফুরী ( باب بَيَانِ قَوْلِ النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم : سِبَابُ الْمُسْلِمِ فُسُوقٌ وَقِتَالُهُ كُفْرٌ ), হাদীস নং ৬৪।] কিন্তু তা এমন কুফুরী যা তাকে মুসলিম মিল্লাত থেকে খারিজ করে না। কেননা যদি তা মুসলিম মিল্লাত থেকে বহিষ্কারকারী হত তাহলে তার সাথে ঈমানী ভ্রাতৃত্বের সম্পর্ক অটুট থাকত না অথচ উক্ত আয়াতটি মারামারিতে লিপ্ত থাকা সত্ত্বেও ঈমানী ভ্রাতৃত্ব বহাল থাকা প্রমাণ করে।

আর এর দ্বারা বুঝা গেল যে সালাত ত্যাগ করা এমন কুফুরী কাজ যা সালাত বর্জনকারী ব্যক্তিকে দীন ইসলাম থেকে খারিজ করে দেয়; কেননা তা যদি ফাসেকী অথবা যেনতেন নিম্নমানের কুফুরী হত তাহলে ঈমানী ভ্রাতৃত্ব সালাত বর্জনের কারণে নির্বাসিত হয়ে যেত না যেমনিভাবে তা (ঈমানী ভ্রাতৃত্ব) বিলুপ্ত হয়ে যায় না মুমিনকে হত্যা করা এবং তার সাথে মারামারি করার কারণে।

আর যদি কোনো প্রশ্নকারী প্রশ্ন করে যে আপনারা কি যাকাত আদায় না করার কারণে কেউ কাফির হয়ে যাবে বলে মনে করেন? যেমনটি সূরা তাওবার আয়াত থেকে বুঝা যায়।

জবাবে আমরা বলব: কতিপয় আলিমের মতে যাকাত আদায় না করা ব্যক্তি কাফির হয়ে যাবে; আর এটা ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল রহ. এর থেকে বর্ণিত দু‘টি মতের একটি।

কিন্তু আমাদের নিকট জোরালো মত হলো সে কাফির হবে না তবে তাকে ভয়ানক শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে যা আল্লাহ তা‘আলা তাঁর কিতাবের মধ্যে আলোচনা করেছেন আর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্ণনা করেছেন তাঁর সুন্নাহর মধ্যে। তন্মধ্যে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত হাদীসের মধ্যে আছে তাতে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকাত দানে বিরত থাকা ব্যক্তির শাস্তির কথা উল্লেখ করেছেন আর সেই হাদীসের শেষাংশে রয়েছে:

«ثم يُرَى سَبِيلُهُ إِمَّا إِلَى الْجَنَّةِ وَإِمَّا إِلَى النَّار» .

“অতঃপর তাকে তার পথ দেখানো হবে- হয় জান্নাতের দিকে অথবা জাহান্নামের দিকে।” ইমাম মুসলিম রহ. হাদীসটি “যাকাতে বাধাদানকারীর অপরাধ” ( باب إِثْمِ مَانِعِ الزَّكَاةِ ) নামক পরিচ্ছেদে দীর্ঘ আকারে বর্ণনা করেছেন।” [সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: যাকাত ( كتاب الزكاة ), পরিচ্ছেদ: যাকাতে বাধাদানকারীর অপরাধ ( باب إِثْمِ مَانِعِ الزَّكَاةِ ), হাদীস নং ৯৮৭।] আর এই হাদীসটি প্রমাণ করে যে সে কাফির হবে না। কারণ সে যদি কাফির হয়ে যেত তাহলে তার জন্য জান্নাতে যাওয়ার কোনো পথ থাকত না।

অতএব এই হাদীসটির সরাসরি বক্তব্য সূরা তাওবার আয়াতের ভাবার্থের ওপর প্রাধান্য পাবে। কারণ সরাসরি বক্তব্য ভাবার্থের ওপর প্রাধান্য পায় যেমনটি জানা যায় ফিকহ শাস্ত্রের মূলনীতিমালার মধ্যে।
পরিচ্ছেদঃ ৬

দ্বিতীয়ত: আস-সুন্নাহ থেকে দলীল-প্রমাণ:

১. নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

«إِنَّ بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكَ الصَّلاَةِ»

“কোনো লোক এবং শির্ক ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সালাত পরিত্যাগ করা।” ইমাম মুসলিম রহ. হাদীসটি কিতাবুল ঈমান অধ্যায়ে জাবির ইবন আবদিল্লাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন।” [সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: ঈমান ( كتاب الإيمان ), পরিচ্ছেদ: সালাত পরিত্যাগকারীর উপর কুফর শব্দের প্রয়োগ ( باب بَيَانِ إِطْلاَقِ اسْمِ الْكُفْرِ عَلَى مَنْ تَرَكَ الصَّلاَةَ ), হাদীস নং ২৫৬।]

২. বুরাইদা ইবন হোসাইব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি:

«العهد الذي بيننا وبينهم الصلاة فمن تركها فقد كفر» .

“আমাদের ও তাদের মাঝে অঙ্গীকার বা চুক্তি হলো সালাতের সুতরাং যে ব্যক্তি তা বর্জন করল সে কুফুরী করল।” [আহমদ: ৫/৩৪৬; তিরমিযী, অধ্যায়: ঈমান ( كتاب الإيمان ), পরিচ্ছেদ: সালাত বর্জন প্রসঙ্গে যেসব হাদীস এসেছে ( باب ما جاء في ترك الصلاة ), হাদীস নং ২৬২১ এবং তিনি বলেছেন: হাদীসটি হাসান, সহীহ ও গরীব; নাসাঈ, অধ্যায়: সালাত ( كتاب الصلاة ), পরিচ্ছেদ: সালাত বর্জনকারীর বিধান প্রসঙ্গে ( باب الحكم في تارك الصلاة ), হাদীস নং ৪৬৩; ইবন মাজাহ, অধ্যায়: সালাত কায়েম করা ( كتاب إقامة الصلاة ), পরিচ্ছেদ: সালাত বর্জনকারী ব্যক্তি প্রসঙ্গে যেসব হাদীস এসেছে ( باب ما جاء فيمن ترك الصلاة ), হাদীস নং ১০৭৯।]

আর এখানে কুফর ( الكفر ) দ্বারা উদ্দেশ্য হলো এমন কুফুরী যা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মুসলিম মিল্লাত (সম্প্রদায়) থেকে বের করে দেয়। কারণ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুমিন ও কাফিরদের মাঝে সালাতকে পৃথককারী সূচক বানিয়ে দিয়েছেন আর এটা সকলের নিকট সুবিদিত যে কাফির মিল্লাত এবং মুসলিম মিল্লাত একে অপরের বিপরীত। ফলে যে ব্যক্তি এই (সালাতের) অঙ্গীকার পূরণ করবে না সে কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।

৩. আর সহীহ মুসলিমের মধ্যে উম্মু সালামা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা থেকে বর্ণিত আছে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

«سَتَكُونُ أُمَرَاءُ فَتَعْرِفُونَ وَتُنْكِرُونَ فَمَنْ عَرَفَ بَرِئَ وَمَنْ أَنْكَرَ سَلِمَ وَلَكِنْ مَنْ رَضِىَ وَتَابَعَ» . قَالُوا : أَفَلاَ نُقَاتِلُهُمْ ؟ قَالَ : «لاَ مَا صَلَّوْا» .

“অচিরেই এমন কতক আমীরের (নেতার) উদ্ভব ঘটবে তোমরা তাদের কিছু কর্মকাণ্ডের ভালো-মন্দ চিনতে পারবে আর কিছু কর্মকাণ্ড অপছন্দ করবে; সুতরাং যে ব্যক্তিস্বরূপ চিনে নিল (কোনোরূপ সন্দেহে পতিত না হয়ে তা থেকে বাঁচার জন্য কোনো উপায় বেছে নিল) সে মুক্তি পেল; আর যে ব্যক্তি তাদেরকে অপছন্দ করল সে (গুনাহ থেকে) নিরাপদ হলো; কিন্তু যে ব্যক্তি তাদের পছন্দ করল এবং অনুসরণ করল (সে ক্ষতিগ্রস্ত হলো)। সাহাবীগণ জানতে চাইলেন: আমরা কি তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করব না? জবাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলরেন: না যতক্ষণ তারা সালাত আদায় করবে।” [সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: নেতৃত্ব বা প্রশাসন ( كتاب الإمارة ), পরিচ্ছেদ: শরী‘য়ত গর্হিত কাজে আমীরের আনুগত্য বর্জন করা ওয়াজিব, তবে যতক্ষণ পর্যন্ত তারা সালাত আদায় করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করবে না ( باب وُجُوبِ الإِنْكَارِ عَلَى الأُمَرَاءِ فِيمَا يُخَالِفُ الشَّرْعَ وَتَرْكِ قِتَالِهِمْ مَا صَلَّوْا وَنَحْوِ ذَلِكَ ), হাদীস নং ৪৯০৬।]

৪. আর সহীহ মুসলিমের মধ্যে ‘আউফ ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত আছে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

«خِيَارُ أَئِمَّتِكُمُ الَّذِينَ تُحِبُّونَهُمْ وَيُحِبُّونَكُمْ وَيُصَلُّونَ عَلَيْكُمْ وَتُصَلُّونَ عَلَيْهِمْ وَشِرَارُ أَئِمَّتِكُمُ الَّذِينَ تُبْغِضُونَهُمْ وَيُبْغِضُونَكُمْ وَتَلْعَنُونَهُمْ وَيَلْعَنُونَكُمْ» . قِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَفَلاَ نُنَابِذُهُمْ بِالسَّيْفِ ؟ فَقَالَ : « لاَ مَا أَقَامُوا فِيكُمُ الصَّلاَةَ » .

“তোমাদের সর্বোত্তম নেতা হচ্ছে তারাই যাদেরকে তোমরা ভালবাস এবং তারাও তোমাদেরকে ভালবাসে, আর তারা তোমাদের জন্য দো‘আ করে এবং তোমরাও তাদের জন্য দো‘আ কর। পক্ষান্তরে তোমাদের নিকৃষ্ট নেতা হচ্ছে তারাই যাদেরকে তোমরা ঘৃণা করা এবং তারাও তোমাদেরকে ঘৃণা করে, আর তোমরা তাদেরকে অভিশাপ দাও আর তারাও তোমাদেরকে অভিশাপ দেয়। বলা হলো হে আল্লাহর রাসূল! আমরা কি তাদেরকে তরবারী দ্বারা প্রতিহত করব না? তখন তিনি বললেন: না যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তোমাদের মধ্যে সালাত কায়েম রাখবে।” [সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: নেতৃত্ব বা প্রশাসন ( كتاب الإمارة ), পরিচ্ছেদ: উত্তম শাসক ও অধম শাসক ( باب خِيَارِ الأَئِمَّةِ وَشِرَارِهِمْ ), হাদীস নং ৪৯১০।]

সুতরাং এই শেষ দু‘টি হাদীসের মধ্যে একথা প্রমাণিত হয় যে নেতাগণ যখন সালাত কায়েম করবে না তখন তাদেরকে তরবারি দ্বারা প্রতিহত করা আবশ্যক হবে, আর ততক্ষণ পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা বা যুদ্ধ করা বৈধ হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা প্রকাশ্য কুফুরীতে লিপ্ত হবে। এ ব্যাপারে আমাদের নিকট আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ থেকে অকাট্য প্রমাণ রয়েছে। কেননা ওবাদা ইবন সামেত রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন,

«دَعَانَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَبَايَعْنَاهُ فَكَانَ فِيمَا أَخَذَ عَلَيْنَا أَنْ بَايَعَنَا عَلَى السَّمْعِ وَالطَّاعَةِ فِى مَنْشَطِنَا وَمَكْرَهِنَا وَعُسْرِنَا وَيُسْرِنَا وَأَثَرَةٍ عَلَيْنَا وَأَنْ لاَ نُنَازِعَ الأَمْرَ أَهْلَهُ» . قَالَ : «إِلاَّ أَنْ تَرَوْا كُفْرًا بَوَاحًا عِنْدَكُمْ مِنَ اللَّهِ فِيهِ بُرْهَانٌ» .

“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে ডাকলেন তারপর আমরা তাঁর নিকট বায়‘আত গ্রহণ করলাম, তিনি তখন আমাদেরকে যে শপথ গ্রহণ করান তার মধ্যে ছিল: আমরা আমাদের সুখে ও দুঃখে বেদনায় ও আনন্দে এবং আমাদের ওপর অন্যকে অগ্রাধিকার দিলেও পূর্ণঙ্গরূপে শোনা ও মানার ওপর বায়‘আত করলাম। আরো (বায়‘আত করলাম) আমরা ক্ষমতা সংক্রান্ত বিষয়ে ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হব না। তিনি বলেন: তবে যদি তোমরা এমন সুস্পষ্ট কুফুরী দেখ যে বিষয়ে তোমাদের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট প্রমাণ বিদ্যমান তাহলে ভিন্ন কথা।” [সহীহ বুখারী, অধ্যায়: ফিতনা ( كتاب الفتن ), পরিচ্ছেদ: নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: আমার পরে তোমার এমন কিছু দেখতে পাবে, যা তোমরা পছন্দ করবে না ( باب قول النبي صلى الله عليه و سلم ( سترون بعدي أمورا تنكرونها ), হাদীস নং ৬৬৪৭; সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: নেতৃত্ব বা প্রশাসন ( كتاب الإمارة ), পরিচ্ছেদ: পাপের কাজ ছাড়া অন্য সব ব্যাপারে শাসকের আনুগত্য করা জরুরি, আর পাপ কাজের ব্যাপারে তা করা হারাম ( باب وُجُوبِ طَاعَةِ الأُمَرَاءِ فِى غَيْرِ مَعْصِيَةٍ وَتَحْرِيمِهَا فِى الْمَعْصِيَةِ ), হাদীস নং ৪৮৭৭।]

আর এর ওপর ভিত্তি করে বলা যায়- তাদের সালাত বর্জন করা সুস্পষ্ট কুফুরী বলে বিবেচিত হবে যার সাথে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সাথে তরবারী নিয়ে লড়াই করার বিষয়টিকে শর্তযুক্ত করে দিয়েছেন যে ব্যাপারে আল্লাহর নিকট থেকে আমাদের জন্য জ্বলন্ত প্রমাণ রয়েছে।

আর কুরআন ও সুন্নাহর মধ্যে কোথাও বর্ণিত হয় নি যে, সালাত বর্জনকারী ব্যক্তি কাফির নয় অথবা সে মুমিন; বড়জোর এই ব্যাপারে (কুরআন ও সুন্নায়) এমন কতগুলো ভাষ্য এসেছে যা তাওহীদ তথা আল্লাহর একত্ববাদের ফযীলত এবং এর সাওয়াবের প্রমাণ বহন করে, আর সে তাওহীদ হলো: এ কথার সাক্ষ্য প্রদান করা, যে আল্লাহ ব্যতীত কোনো সত্য ইলাহ নেই আর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল। তবে এ ভাষ্যগুলোরও রয়েছে কয়েকটি অবস্থা:

* সে সকল ভাষ্যে রয়েছে এমন কিছু শর্ত যে শর্তের কারণেই সালাত ত্যাগ করা যায় না,

* অথবা তা এমন এক বিশেষ অবস্থার সাথে সম্পর্কযুক্ত হয়ে বর্ণিত হয়েছে যাতে সালাত ত্যাগ করার কারণে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মা‘যুর বা অপারগ বলা যেতে পারে,

* অথবা ভাষ্যগুলো ব্যাপক ( عام ) যা সালাত বর্জনকারী কাফির হওয়ার দলীলসমূহের ওপর প্রযোজ্য হবে। কারণ, সালাত বর্জনকারী কাফির হওয়ার দলীলসমূহ বিশেষ ( خاص ) দলীল, আর খাস (বিশেষ দলীল) ‘আমের (ব্যাপকতাপূর্ণ দলীলের) ওপর অগ্রাধিকার পাবে।

সুতরাং কোনো ব্যক্তি যদি বলে: এই কথা বলা কি সঠিক হবে না যে যেসব দলীল সালাত বর্জনকারী কাফির হওয়া প্রমাণ করে সেগুলো ঐ ব্যক্তির বেলায় প্রযোজ্য হবে যে ব্যক্তি সালাতের আবশ্যকতাকে অস্বীকারকারী হিসেবে তা বর্জন করে?

জবাবে আমরা বলব: এটা সঠিক নয়। কারণ, তা দু’টি কারণে নিষিদ্ধ:

প্রথম কারণ: সেই গুণ বা বৈশিষ্ট্যকে উপক্ষো করা যাকে শরী‘আত প্রবর্তক গুরুত্বারোপ করেছেন এবং তার সাথে বিধান সংশ্লিষ্ট করেছেন।

কারণ শরী‘আত প্রবর্তক সালাত ত্যাগ করাকেই কুফুরী বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যা, সালাত অস্বীকার করার চেয়ে নিম্ন পর্যায়ের। তাছাড়া সালাত প্রতিষ্ঠার ওপর দীনী ভ্রাতৃত্ব স্থাপিত হয়, সালাতের আবশ্যকতার স্বীকৃতির প্রদানের ওপর নয়। কারণ, আল্লাহ তা‘আলা বলেন, সুতরাং তারা যদি তাওবা করে এবং সালাতের আবশ্যকতাকে স্বীকার করে..., আর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামও বলেন, নিঃসন্দেহে বান্দা এবং শির্ক ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হলো সালাতের আবশ্যকতাকে অস্বীকার করা অথবা তিনি বলেন নিঃসন্দেহে আমাদের ও তাদের মাঝে অঙ্গীকার বা চুক্তি হলো সালাতের আবশ্যকতার স্বীকৃতি প্রদান করা। সুতরাং যে ব্যক্তি তার আবশ্যকতাকে অস্বীকার করল সে কুফুরী করল [অর্থাৎ এটা বলেন নি, বরং আল্লাহ বলেছেন, মুসলিম ভ্রাতৃত্বের জন্য শর্ত হচ্ছে সালাত প্রতিষ্ঠা করা, আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, শির্ক ও কুফরির মাঝে পার্থক্য হচ্ছে সালাত ছেড়ে দেওয়া; সুতরাং উপরোক্ত বিধান সালাতের আবশ্যকতা অস্বীকার করার উপর নয়, বরং সালাত পরিত্যাগ করাই হচ্ছে কাফের হওয়ার কারণ। [সম্পাদক]]।

আর যদি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্য এটা [‘সালাত কায়েম করা’ উদ্দেশ্য না হয়ে, ‘সালাতের আবশ্যকতাকে স্বীকার করা’ই উদ্দেশ্য হতো, তাহলে আল্লাহ যে কুরআনুল কারীমকে সবকিছুর স্পষ্ট বর্ণনাকারী হিসেবে নাযিল করেছেন বলে জানিয়েছেন সেটার বিপরীত হওয়া আবশ্যক হয়ে পড়ে, যা কখনো হতে পারে না। [সম্পাদক]]ই হতো তাহলে তা থেকে অন্য দিকে প্রত্যাবর্তন করাটা সেই কথার পরিপন্থি হত যে বক্তব্য আল-কুরআনুল কারীম নিয়ে এসেছে, আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

﴿ وَنَزَّلۡنَا عَلَيۡكَ ٱلۡكِتَٰبَ تِبۡيَٰنٗا لِّكُلِّ شَيۡءٖ ﴾ [ النحل : ٨٩ ]

“আমরা প্রত্যেক বিষয়ের স্পষ্ট ব্যাখ্যাস্বরূপ তোমার প্রতি কিতাব নাযিল করেছি।” [সূরা আন-নাহল আয়াত: ৮৯] তাছাড়া আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নবীকে উদ্দেশ্য করে বলেন,

﴿ وَأَنزَلۡنَآ إِلَيۡكَ ٱلذِّكۡرَ لِتُبَيِّنَ لِلنَّاسِ مَا نُزِّلَ إِلَيۡهِمۡ ﴾ [ النحل : ٤٤ ]

“আর আমরা তোমার প্রতি যিকির (আল-কুরআন) অবতীর্ণ করেছি যাতে তুমি মানুষকে সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করে বুঝিয়ে দিতে পার সেসব বিষয় যা তাদের প্রতি অবতীর্ণ করা হয়েছিল।” [সূরা আন-নাহল আয়াত: ৪৪]

দ্বিতীয় কারণ: এমন এক গুণ বা বৈশিষ্ট্যকে বিবেচনায় রাখা যার ওপর শরী‘আত প্রবর্তক কোনো বিধানের ভিত্তি রাখেন নি।

কেননা পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের অপরিহার্যতাকে অস্বীকার করা কুফুরী, যদি না সে ব্যক্তির পক্ষে এ বিষয়টি না জানার কোনো গ্রহণযোগ্য ওযর না থাকে চাই সে সালাত আদায় করুক অথবা ত্যাগ করুক। অতএব, যদি কোনো ব্যক্তি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করে এবং তার নির্ধারিত শর্তাবলী আরকান (ফরয) ওয়াজিব ও মুস্তাহাবসমূহসহও যথাযথভাবে আদায় করে কিন্তু সে তার (সালাতের) ফরয হওয়ার বিষয়টিকে বিনা ওজরে অস্বীকার করে তাহলে সে সালাত বর্জন না করা সত্ত্বেও কাফির বলে বিবেচিত হবে।

সুতরাং এর মাধ্যমে পরিষ্কার হয়ে গেল যে উপরে বর্ণিত (সালাত ত্যাগকারী কাফের হওয়া বিষয়ক) শরী‘য়তের ভাষ্যসমূহকে যে ব্যক্তি সালাতের অপরিহার্যতাকে অস্বীকার করে- তার জন্য নির্ধারণ করা সঠিক নয়; বরং সঠিক কথা হলো (এগুলোকে সালাত পরিত্যাগকারীর ওপর প্রয়োগ করা হবে সে হিসেবে) সালাত বর্জনকারী এমন কাফির হিসেবে গণ্য হবে যা তাকে মুসলিম মিল্লাত থেকে খারিজ করে দেয়, যেমনটি পরিষ্কারভাবে এসেছে ইবন আবি হাতিম কর্তৃক তাঁর সুনান বর্ণিত হাদীসের মধ্যে তিনি ‘উবাদা ইবন সামেত রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণনা করেন তিনি বলেন:

«أوصانا رسول الله صلى الله عليه و سلم : لا تشركوا بالله شيئا ولا تتركوا الصلاة عمدا فمن تركها متعمدا فقد خرج من الملة» .

“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এই বলে উপদেশ দিয়েছেন: তোমরা আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শরীক করো না এবং ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত বর্জন করো না। কারণ, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত বর্জন করবে সে ব্যক্তি মুসলিম মিল্লাত থেকে খারিজ হয়ে যাবে।”

আর আমরা যদি উপরোক্ত কুরআন ও হাদীসের ভাষ্যসমূহকে (যাতে সালাত পরিত্যাগকারীকে কাফের বলা হয়েছে) সালাতের আবশ্যকতা অস্বীকারকারীর জন্য নির্ধারণ করি তাহলে কুরআন ও হাদীসের বক্তব্যের মধ্যে বিশেষভাবে সালাতকেই উল্লেখ করার কোন অর্থ হয় না। কারণ, এই বিধান সাধারণভাবে যাকাত সাওম ও হজকেও শামিল করে। কেননা যে ব্যক্তি এগুলোর মধ্যে কোনো একটিরও আবশ্যকতাকে অস্বীকারকারী হয়ে তা বর্জন করবে সে কাফির হয়ে যাবে যদি না সেটা না জানার ব্যাপারে তার কোনো ওযর থাকে [অর্থাৎ, ইসলামের যে কোনো প্রমাণিত বিষয়কে অস্বীকারকারীই কাফির, সেটা সালাতের চেয়ে নিম্ন পর্যায়ের হলেও, যা উম্মতের সর্বসম্মত মত। সুতরাং যদি উপরোক্ত কুরআন ও হাদীসের ভাষ্যসমূহকে সালাত পরিত্যাগকারীর ওপর নির্ধারণ না করে সালাত অস্বীকারকারীর জন্য নির্ধারণ করা হয়, তবে সালাতকে নির্দিষ্ট করে এ সব ভাষ্যের কোনো বিশেষত্ব প্রকাশ পায় না। কারণ, অন্যান্য বিষয় অস্বীকারকারীও যদি কাফের হয়ে যায়, তবে সালাতের ব্যাপারে কুরআন ও হাদীসের এসব ভাষ্যের প্রয়োজন পড়ে না। তাই বিশুদ্ধ মত হচ্ছে, সালাত পরিত্যাগকারীর ব্যাপারেই এসব ভাষ্য প্রযোজ্য হবে। [সম্পাদক]]।

আর যেমনিভাবে সালাত বর্জনকারীর কাফির হওয়ার বিষয়টি কুরআন ও হাদীসের দলীলসম্মত ঠিক তেমনিভাবে তা জ্ঞান ও যুক্তিসম্মতও। কারণ, এমন সালাত ত্যাগ করার পরেও কিভাবে কোনো ব্যক্তির ঈমান থাকতে পারে যে সালাত হচ্ছে দীনের খুঁটি? যার ফযীলত ও মাহাত্মের বর্ণনা এমনভাবে হয়েছে যাতে প্রত্যেক জ্ঞানী মুমিন ব্যক্তি তা প্রতিষ্ঠার জন্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে অগ্রসর হবে, আর সেই সালাত বর্জন করার অপরাধে এমন শাস্তির হুমকি এসেছে যাতে প্রত্যেক জ্ঞানী মুমিন ব্যক্তি তা বর্জন ও বিনষ্ট করা থেকে বিরত থাকবে। অতএব, এই পরিস্থিতি বিদ্যমান থাকা অবস্থায় সালাত বর্জন করলে বর্জনকারীর ঈমান অবশিষ্ট থাকতে পারে না।

তবে কোনো প্রশ্নকর্তা যদি প্রশ্ন করে বলে: সালাত বর্জনকারীর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত কুফর ( الكفر ) শব্দটির অর্থ কি কুফরে মিল্লাত (দীন অস্বীকার) না হয়ে কুফরে নিয়ামত (নিয়ামতের অকৃতজ্ঞতা) হওয়ার সম্ভাবনা রাখে না? অথবা তার অর্থ কি বৃহত্তর কুফুরী না হয়ে ক্ষুদ্রতর কুফুরী হতে পারে না? তা কি হতে পারে না নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই বাণীর মত যাতে তিনি বলেছেন:

«اثْنَتَانِ فِى النَّاسِ هُمَا بِهِمْ كُفْرٌ : الطَّعْنُ فِى النَّسَبِ وَالنِّيَاحَةُ عَلَى الْمَيِّتِ» .

“দু’টি স্বভাব মানুষের মাঝে রয়েছে যে দু’টি কুফর বলে গণ্য: (১) বংশের প্রতি কটাক্ষ করা এবং (২) উচ্চস্বরে বিলাপ করা।” [সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: ঈমান ( كتاب الإيمان ), পরিচ্ছেদ: বংশের প্রতি কটাক্ষের এবং উচ্চস্বরে বিলাপের ওপর কুফর শব্দের প্রয়োগ ( باب إِطْلاَقِ اسْمِ الْكُفْرِ عَلَى الطَّعْنِ فِى النَّسَبِ وَالنِّيَاحَةِ عَلَى الْمَيِّتِ ), হাদীস নং ২৩৬।] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেছেন:

«سباب المسلم فسوق وقتاله كفر»

“মুসলিমকে গালি দেওয়া পাপ কাজ এবং তার সাথে মারামারি করা কুফুরী।” [সহীহ বুখারী, অধ্যায়: ঈমান ( كتاب الإيمان ), পরিচ্ছেদ: অজ্ঞাতসারে মুমিনের আমল নষ্ট হওয়ার আশংকা ( باب خوف المؤمن من أن يحبط عمله وهو لا يشعر ), হাদীস নং ৪৮; সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: ঈমান ( كتاب الإيمان ), পরিচ্ছেদ: নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: মুসলিমকে গালি দেওয়া গুনাহর কাজ এবং তার সাথে মারামারি করা কুফুরী ( باب بَيَانِ قَوْلِ النَّبِىِّ صلى الله عليه وسلم : « سِبَابُ الْمُسْلِمِ فُسُوقٌ وَقِتَالُهُ كُفْرٌ » ), হাদীস নং ৬৪।] অনুরূপ আরও অন্যান্য হাদীস।

তার জবাবে আমরা বলব: সালাত ত্যাগকারীর কুফুরীর বিষয়ে এ ধরণের সম্ভাবনা ও উপমা প্রদান কয়েকটি কারণে সঠিক নয়:

প্রথমত: নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতকে কুফর ও ঈমানের মাঝে এবং মুমিনগণ ও কাফিরদের মাঝে পৃথককারী সীমানা বানিয়ে দিয়েছেন। আর সীমানা তার অন্তর্ভুক্ত এলাকাকে অন্যান্য ক্ষেত্রে থেকে পৃথক করে এবং এক এলাকাকে অন্য এলাকা থেকে বের করে দেয়। কারণ, নির্ধারিত ক্ষেত্র দু’টির একটি অপরটির বিপরীত যাদের একটি অপরটির মধ্যে অনুপ্রবেশ করবে না।

দ্বিতীয়ত: সালাত হচ্ছে ইসলামের রুকনসমূহের (স্তম্ভসমূহের) একটি অন্যতম রুকন। কাজেই সালাত বর্জনকারীকে যখন কাফির বলা হয়েছে তখন পরিস্থিতির দাবি করে যে সেই কুফুরী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়। কারণ, সে ব্যক্তি ইসলামের রুকনসমূহের একটি রুকনকে ধ্বংস করল; কিন্তু যে ব্যক্তি কুফুরী কর্মসমূহের কোন কাজ করে ফেলল তার ওপর কুফর শব্দের প্রয়োগ করার বিষয়টি এর (সালাতের বিধানের) চেয়ে ভিন্ন রকম।

তৃতীয়ত: এই ব্যাপারে অনেক দলীল রয়েছে যা থেকে স্পষ্টই প্রমাণিত হয় যে সালাত বর্জনকারী এমন কুফুরীতে আক্রান্ত যা তাকে ইসলাম থেকে খারিজ করে দেয়। তাই কুফুরীর সেই অর্থই নেয়া আবশ্যক যা দীললসমূহ প্রমাণ করে যেন এসব দলীল একে অপরের অনুকুলে এবং সম্মিলিতভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।

চতুর্থত: কুফর ( الكفر ) শব্দের ব্যাখ্যা বা প্রকাশ-রীতি বিভিন্ন রকম; সুতরাং সালাত বর্জনের ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

«إِنَّ بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكَ الصَّلاَةِ » .

“বান্দা এবং শির্ক ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সালাত পরিত্যাগ করা।” [সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: ঈমান ( كتاب الإيمان ), পরিচ্ছেদ: সালাত পরিত্যাগকারীর ওপর কুফর শব্দের প্রয়োগ ( باب بَيَانِ إِطْلاَقِ اسْمِ الْكُفْرِ عَلَى مَنْ تَرَكَ الصَّلاَةَ ), হাদীস নং ২৫৬।] এখানে আল-কুফর ( الكفر ) শব্দটি আলিফ লাম ( ال ) যোগে ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমাণ করে যে কুফরের অর্থ হচ্ছে প্রকৃত কুফুরী। কিন্তু আলিফ লাম ( ال ) ছাড়া কুফর ( كفر ) শব্দটি যখন নাকেরা (অনির্দিষ্ট) হিসেবে ব্যবহৃত হয় অথবা কাফারা ( كَفَرَ ) শব্দটি ফেল (ক্রিয়া) হিসেবে ব্যবহৃত হয় তখন তা প্রমাণ করে যে এটা কূফরীর অন্তর্ভুক্ত অথবা সে এই কাজের ক্ষেত্রে কুফুরী করেছে; আর সেই সাধারণ কুফুরী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ইসলাম থেকে খারিজ (বের) করে দেয় না।

শাইখুল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যাহ রহ. (আস-সুন্নাতুল মুহাম্মাদীয়া প্রকাশনা কর্তৃক মুদ্রিত) ‘ইকতিদাউস সিরাতিল মুস্তাকীম‌’ ( اقتضاء الصراط المستقيم ) নামক গ্রন্থের ৭০ পৃষ্ঠায় এই হাদীসের ব্যাখ্যায় বলেন,

«اثْنَتَانِ فِى النَّاسِ هُمَا بِهِمْ كُفْرٌ » .

“দু’টি স্বভাব মানুষের মাঝে রয়েছে যে দু’টি তাদের মধ্যে কুফর বলে গণ্য।” [সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: ঈমান ( كتاب الإيمان ), পরিচ্ছেদ: বংশের প্রতি কটাক্ষের এবং উচ্চস্বরে বিলাপের উপর কুফর শব্দের প্রয়োগ ( باب إِطْلاَقِ اسْمِ الْكُفْرِ عَلَى الطَّعْنِ فِى النَّسَبِ وَالنِّيَاحَةِ عَلَى الْمَيِّتِ ), হাদীস নং ২৩৬।]

ইবনু তাইমিয়্যা রহ. বলেন: নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: «هُمَا بِهِمْ كُفْرٌ» “তাদের মধ্যকার স্বভাব দু’টি কুফুরী” এর অর্থ হলো: মানুষের মধ্যে বিদ্যমান এই স্বভাব দু’টি কুফুরী; সুতরাং এখানে প্রকৃতপক্ষে স্বভাব দু’টি কুফুরীর অর্থ হলো কাজ দু’টি কুফুরী যা মানুষের মধ্যে বিদ্যমান; কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে যে কোন ব্যক্তির মধ্যে কুফুরীর কোনো শাখা পাওয়া যাবে সে সম্পূর্ণরূপে কাফির হয়ে যাবে যতক্ষণ না তার মধ্যে প্রকৃত কুফুরী বিদ্যমান থাকবে। যেমনিভাবে যে কোনো ব্যক্তির মধ্যে ঈমানের কোনো একটি শাখা পাওয়া গেলে তাতেই সেই মুমিন হতে পারে না যতক্ষণ পর্যন্ত সত্যিকার অর্থে তার মধ্যে মূল ঈমান না আসবে। আর আলিফ লাম ( ال ) দ্বারা নির্দিষ্টভাবে যে কুফর ( كفر ) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, যেমন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের উক্তি:

«ليس بين العبد وبين الشرك أو الكفر إلا ترك الصلاة» .

“বান্দা এবং শির্ক অথবা কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে শুধু সালাত বর্জন করা।” [সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: ঈমান ( كتاب الإيمان ), পরিচ্ছেদ: সালাত পরিত্যাগকারীর উপর কুফর শব্দের প্রয়োগ ( باب بَيَانِ إِطْلاَقِ اسْمِ الْكُفْرِ عَلَى مَنْ تَرَكَ الصَّلاَةَ ), হাদীস নং ২৫৬।] (এর মধ্যকার ال সম্বলিত ‘আল-কুফর’ শব্দ) এবং যে হাঁ সূচক বাক্যে আলিফ লাম ( ال ) ব্যতীত অনির্দিষ্টভাবে যে কুফর ( كفر ) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে- এই দু’টির মাঝে অনেক পার্থক্য রয়েছে।

অতঃপর যখন উপরোক্ত দলীলসমূহের দাবি অনুযায়ী একথা পরিষ্কার হয়ে গেল যে শরী‘আতসম্মত কোনো ওযর ব্যতীত সালাত বর্জনকারী ব্যক্তি মুসলিম মিল্লাত থেকে খারিজ করে দেওয়ার মত কাফির হিসেবে গণ্য হবে তখন সে মতটিই সঠিক যা ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল রহ. অবলম্বন করেছেন; আর এটা ইমাম শাফেয়ী রহ. এর দু’টি মতের অন্যতম একটি মত যেমনটি ইবন কাছীর রহ. এই আয়াতের তাফসীরে উল্লেখ করেছেন যেখানে আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

﴿ فَخَلَفَ مِنۢ بَعۡدِهِمۡ خَلۡفٌ أَضَاعُواْ ٱلصَّلَوٰةَ وَٱتَّبَعُواْ ٱلشَّهَوَٰتِۖ ﴾ [ مريم : ٥٩ ]

“তাদের পরে আসল অযোগ্য উত্তরসূরীরা তারা সালাত নষ্ট করল এবং কুপ্রবৃত্তির অনুবর্তী হলো।” [সূরা মারইয়াম আয়াত: ৫৯] আর ইবনুল কাইয়্যেম রহ. ‘কিতাবুস সালাত‌’ ( كتاب الصلاة ) এর মধ্যে উল্লেখ করেছেন যে এটা হচ্ছে ইমাম শাফেঈ রহ. এর দু’টি মতের অন্যতম, আর ইমাম ত্বাহাভী রহ. তা স্বয়ং ইমাম শাফেঈ থেকেই বর্ণনা করেছেন।

আর এই মতামত বা বক্তব্যের ওপরই অধিকাংশ সাহাবী একমত ছিলেন, এমনকি অনেকে এর ওপর সাহাবীদের ইজমা সংঘটিত হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন।

আবদুল্লাহ ইবন শাকীক রাহেমাহুল্লাহ বলেন:

«كان أصحاب محمد صلى الله عليه و سلم لا يرون شيئا من الأعمال تركه كفر غير الصلاة » .

“মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণ সালাত ব্যতীত অন্য কোনো আমল বর্জন করাকে কুফুরী বলে মনে করতেন না।” (ইমাম তিরমিযী ও হাকেম রহ. হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং হাকেম হাদীসটিকে বুখারী ও মুসলিমের শর্তের ভিত্তিতে সহীহ বলেছেন)। [তিরমিযী, অধ্যায়: ঈমান ( كتاب الإيمان ), পরিচ্ছেদ: সালাত পরিত্যাগ করার ব্যাপারে যেসব হাদীস এসেছে ( باب ما جاء في ترك الصلاة ), হাদীস নং ২৬২২; হাকেম: ১/৭।]

প্রখ্যাত ইমাম ইসহাক ইবন রাহওয়িয়াহ রহ. বলেন: “নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বিশুদ্ধভাবে বর্ণিত হয়েছে যে সালাত বর্জনকারী ব্যক্তি কাফির; আর অনুরূপভাবে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগ থেকে আমাদের এই যুগ পর্যন্ত আলিমগণের মতে বিনা ওযরে সালাত বর্জনকারী ব্যক্তি সালাতের সময় অতিক্রম করলে কাফির বলে গণ্য হবে।”

ইমাম ইবন হাযম রহ. উল্লেখ করেন যে (সালাত বর্জনকারী কাফির) একথা উমর ফারুক আবদুর রহমান ইবন আউফ মুয়ায ইবন জাবাল আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু প্রমূখ সাহাবীগণ থেকে বর্ণিত হয়েছে; অতঃপর তিনি বলেন: “আমরা এসব সম্মানিত সাহাবীগণের মধ্যে কোন মতবিরোধ পাইনি।” তাঁর থেকে বর্ণনাটি আল্লামা মুনযেরী ‘আত-তারগীব ওয়াত তারহীব‌’ ( الترغيب و الترهيب ) এর মধ্যে বর্ণনা করেছেন। [‘আত-তারগীব ওয়াত তারহীব‌’ ( الترغيب و الترهيب ): ১ / ৪৪৫ - ৪৪৬] তিনি আরও কয়েকজন সাহাবীর নাম উল্লেখ করেন। যেমন, আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস জাবির ইবন আবদিল্লাহ এবং আবূদ দারদা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম।

তারপর তিনি বলেন উপরোক্ত সাহাবীগণ ব্যতীত অন্যান্যদের মধ্যে যারা তা বলেছেন তারা হলেন: ইমাম আহম্মদ ইবন হাম্বল ইসহাক ইবন রাহওয়িয়াহ আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক নাখ‘য়ী হাকাম ইবন উতাইবা আইয়ুব সাখতাইয়ানী আবূ দাউদ আত-তায়ালসী আবূ বকর ইবন আবি শাইবা যুহাইর ইবন হারব রহ. প্রমূখ।

অতঃপর কোনো প্রশ্নকর্তা যদি প্রশ্ন করে বসে: সেসব দলীলের কী জবাব হবে যা ঐসব লোকজন পেশ করে থাকে যাদের মতে: সালাত বর্জনকারী কাফির নয়?

তার জবাবে আমরা বলব: (তারা যেসব দলীল পেশ করে থাকে) তাতে একথা নেই যে সালাত বর্জনকারী কাফির হয় না অথবা সে মুমিন থেকে যায় অথবা সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না অথবা সে জান্নাতের মধ্যে থাকবে অথবা অনুরূপ কিছু।

আর যে ব্যক্তি এসব দলীল নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা-গবেষণা করবে তাহলে সে দেখতে পাবে যে এসব দলীল পাঁচ প্রকারের বাইরে নয় যার মধ্যে একটি প্রকারও সেসব দলীল ও প্রমাণের পরিপন্থী নয় যা প্রমাণ করে যে সালাত বর্জনকারী ব্যক্তি হচ্ছে কাফির।

প্রথম প্রকার: কতিপয় দুর্বল ও অস্পষ্ট হাদীস দ্বারা তারা নিজ মতকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছেন কিন্তু তা কোনো ফলদায়ক নয়।

দ্বিতীয় প্রকার: এমন দলীল যার সঙ্গে প্রকৃত মাসআলার কোনো সম্পর্ক নেই। যেমন, কেউ কেউ আল্লাহ তা‘আলার এই বাণীর মাধ্যমে দলীল পেশ করেছেন:

﴿إِنَّ ٱللَّهَ لَا يَغۡفِرُ أَن يُشۡرَكَ بِهِۦ وَيَغۡفِرُ مَا دُونَ ذَٰلِكَ لِمَن يَشَآءُۚ﴾ [ النساء : ٤٨ ]

“নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সাথে শরীক করাকে ক্ষমা করেন না। এর ছেয়ে নিম্ন পর্যায়ের অন্যান্য অপরাধ যাকে ইচ্ছে তিনি ক্ষমা করেন।” [সূরা আন-নিসা আয়াত: ৪৮] কেননা আল্লাহ তা‘আলার এ বাণীতে উল্লিখিত ﴿مَا دُونَ ذَٰلِكَ﴾ এর অর্থ হলো: শির্ক থেকে ছোট গুনাহ; তার অর্থ এই নয় যে ‘শির্ক ব্যতীত অন্য সকল গুনাহ’। এই অর্থের স্বপক্ষে দলীল হলো: যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সংবাদ দিয়েছেন তা মিথ্যা মনে করবে সে ব্যক্তি কাফির এবং সে এমনই কুফুরী করল যে যার কোনো ক্ষমা নেই, অথচ তার এই গুনাহটি শির্কের অন্তর্ভুক্ত নয়।

আর আমরা যদি মেনেও নেই যে ﴿مَا دُونَ ذَٰلِكَ﴾ এর অর্থ হলো: ‘শির্ক ব্যতীত অন্যান্য গুনাহ’ তাহলে এটা হবে ব্যাপক অর্থপূর্ণ বাণী যাকে সেসব দলীল দ্বারা বিশেষায়িত করা হয়েছে যা প্রমাণ করে যে শির্ক ছাড়াও কুফুরী হতে পারে এবং (সেসব দলীল দ্বারা বিশেষায়িত) যা প্রমাণ করে যে যে কুফর কাউকে মুসলিম মিল্লাত থেকে বের করে দেয় সেটি এমন গুনাহ যা ক্ষমা করা হবে না, যদিও তা শির্ক না হয়।

তৃতীয় প্রকার: যেসব দলীল সাধারণ অর্থ বহন করে তাকে বিশেষায়িত করা হয়েছে ঐসব হাদীস দ্বারা যা প্রমাণ করে যে সালাত বর্জনকারী ব্যক্তি কাফির। যেমন মু‘আয ইবন জাবাল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের মধ্যে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

«مَا مِنْ عَبْدٍ يَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ إِلاَّ حَرَّمَهُ اللَّهُ عَلَى النَّارِ» .

“যে কোনো বান্দা সাক্ষ্য দিবে যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল, তবে আল্লাহ তা‘আলা তার ওপর জাহান্নামের আগুন হারাম করে দিবেন”। [সহীহ বুখারী, অধ্যায়: ইলম বা জ্ঞান ( كتاب العلم ), পরিচ্ছেদ: বুঝতে না পারার আশংকায় ইলম শিক্ষায় কোন এক গোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে অন্য আরেক গোষ্ঠীকে নির্বাচন করা ( باب من خص بالعلم قوما دون قوم كراهية أن لا يفهموا ), হাদীস নং ১২৮; সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: ঈমান ( كتاب الإيمان ), পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি নির্ভেজাল ঈমান নিয়ে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তার ওপর জাহান্নামের আগুন হারাম হয়ে যাবে ( باب مَنْ لَقِىَ اللَّهَ بِالإِيمَانِ وَهُوَ غَيْرُ شَاكٍّ فِيهِ دَخَلَ الْجَنَّةَ وَحَرُمَ عَلَى النَّارِ َ ), হাদীস নং ১৫৭।] আর এটি উক্ত হাদীসের এক বর্ণনার শব্দ, অনুরূপ বর্ণনা এসেছে আবূ হুরায়রা [সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: ঈমান ( كتاب الإيمان ), হাদীস নং ১৪৭।] ‘উবাদা ইবন সামিত [সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: ঈমান ( كتاب الإيمان ), হাদীস নং ১৫১।] এবং ‘ইতবান ইবন মালেক [তার তথ্যসূত্র সামনে আসছে।] রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের মধ্যেও।

চতুর্থ প্রকার: যেসব দলীল ‘আম (ব্যাপক অর্থবোধক) যা এমন বিষয়ের সাথে সম্পর্ক বা শর্তযুক্ত যার সাথে [অর্থাৎ সে শর্তগুলোর দিকে তাকালে আর সালাত ত্যাগ করা সম্ভব হয় না। সুতরাং সে সব হাদীস সালাত ত্যাগকারীর কাফের হওয়ার বিপরীতে পেশ করা যায় না; বরং সে সব হাদীসই প্রমাণ করে যে তাকে অবশ্যই সালাত আদায় করতে হবে। [সম্পাদক]] সালাত ত্যাগ করা সম্ভব নয়। যেমন, ‘ইতবান ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত হাদীসের মধ্যে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

«فَإِنَّ اللَّهَ قَدْ حَرَّمَ عَلَى النَّارِ مَنْ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ يَبْتَغِى بِذَلِكَ وَجْهَ اللَّهِ» .

“যে ব্যক্তি আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য ‘লা-ইলাহা ইল্লাহ’ ( لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ ) বলে আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জাহান্নামের আগুন হারাম করে দেন।” [সহীহ বুখারী, অধ্যায়: সালাত ( كتاب الصلاة ), পরিচ্ছেদ: ঘরের মধ্যে সালাত আদায়ের স্থান ( باب المساجد في البيوت ), হাদীস নং ৪১৫; সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: মসজিদ এবং সালাত আদায়ের স্থানসমূহ ( كتاب المساجد و مواضع الصلاة ), পরিচ্ছেদ: শরী‘আত সম্মত কারণে সালাতের জামা‘আতে অংশগ্রহণ করা থেকে অব্যাহতি প্রসঙ্গে ( باب الرُّخْصَةِ فِى التَّخَلُّفِ عَنِ الْجَمَاعَةِ بِعُذْرٍَ ), হাদীস নং ১৫২৮।] আর মু‘আয ইবন জাবাল রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

«ما من أحد يشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا رسول الله صدقا من قلبه إلا حرمه الله على النار» .

“যে কোনো বান্দা আন্তরিকতার সাথে এ সাক্ষ্য দিবে যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল তার জন্য আল্লাহ তা‘আলা জাহান্নামের আগুন হারাম করে দেবেন।” [সহীহ বুখারী, অধ্যায়: ইলম বা জ্ঞান ( كتاب العلم ), পরিচ্ছেদ: বুঝতে না পারার আশংকায় ইলম শিক্ষায় কোন এক গোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে অন্য আরেক গোষ্ঠীকে নির্বাচন করা ( باب من خص بالعلم قوما دون قوم كراهية أن لا يفهموا ), হাদীস নং ১২৮; সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: ঈমান ( كتاب الإيمان ), পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি নির্ভেজাল ঈমান নিয়ে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তার উপর জাহান্নামের আগুন হারাম হয়ে যাবে ( باب مَنْ لَقِىَ اللَّهَ بِالإِيمَانِ وَهُوَ غَيْرُ شَاكٍّ فِيهِ دَخَلَ الْجَنَّةَ وَحَرُمَ عَلَى النَّارِ َ ), হাদীস নং ১৫৭।] সুতরাং হাদীসে উল্লিখিত এই দু’টি সাক্ষ্যতে ইখলাস (একনিষ্ঠতা) এবং অন্তরের সততার শর্তারোপ করা হয়েছে যা তাকে সালাত বর্জন করা থেকে বিরত রাখবে; কারণ যে কোনো ব্যক্তি সততা ও একনিষ্ঠতার সাথে এই সাক্ষ্য দেবে তার সততা ও একনিষ্ঠতা অবশ্যই তাকে সালাত আদায় করতে বাধ্য করবে; কেননা সালাত হচ্ছে ইসলামের মূলস্তম্ভ; আর তা হচ্ছে বান্দা এবং তার রবের (প্রভুর) মাঝে সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যম। সুতরাং সে যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভে সৎ হয় তাহলে অবশ্যই সে এমন কাজ করবে যা তার সন্তুষ্টি পর্যন্ত পৌঁছায়, আর এমন কাজ থেকে বিরত থাকবে যে কাজ তার এবং তার প্রভূর মধ্যকার সম্পর্কের মাঝে অন্তরায় সৃষ্টি করে। আর অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি আন্তরিকতার সাথে এ সাক্ষ্য দিবে যে আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল, তার এই সততা তাকে আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠ হয়ে এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসারী হয়ে সালাত আদায় করতে বাধ্য করবে। কারণ, এসব হচ্ছে ঐ সত্য সাক্ষ্যের আবশ্যকতার অন্তর্ভুক্ত।

পঞ্চম প্রকার: সেসব দলীল যা এমন অবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট যে অবস্থায় সালাত ত্যাগ করার ওযর-আপত্তি গ্রহণযোগ্য। উদাহরণস্বরূপ ইমাম ইবন মাজাহ রহ. কর্তৃক হোযায়ফা ইবনুল ইয়ামান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত হাদীস তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

«يدرس الإسلام كما يدرس وشي الثوب .... وتبقى طوائف من الناس والشيخ الكبير والعجوز يقولون : أدركنا آباءنا على هذه الكلمة لا إله إلا الله فنحن نقولها » فقال له صلة : ما تغني عنهم لا إله إلا الله وهم لا يدرون ما صلاة ولا صيام ولا نسك ولا صدقة ؟ فأعرض عنه حذيفة ثم ردها عليه ثلاثا كل ذلك يعرض عنه حذيفة ثم أقبل عليه في الثالثة فقال : «ياصلة ! تنجيهم من النار » ثلاثا» .

“ইসলাম মুছে যাবে যেমনিভাবে কাপড়ের নকসা আস্তে আস্তে মুছে যায়,... “মানুষের মাঝে অতি বৃদ্ধ ও অক্ষমদের একটি দল থাকবে যারা বলবে: আমাদের পূর্ব-পূরুষদের এই কালেমা ‘লা-ইলাহা ইল্লাহ’ ( لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ ) (আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই) বলতে শুনেছি অতঃপর আমরাও তাই বলছি।” তারপর সেলা রা. নামক সাহাবী তাঁকে (হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে) উদ্দেশ্য করে বললেন: শুধু কি ‘লা-ইলাহা ইল্লাহ’ ( لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ ) বলাটাই তাদের মুক্তির জন্য যথেষ্ট হবে, অথচ তারা জানে না যে, সালাত, সাওম, হজ, যাকাত ও সাদকা কী? হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু তাদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। অতঃপর তিনি (সেলা রাদিয়াল্লাহু আনহু) তিনবার সেই কথার পুনরাবৃত্তি করলেন, প্রত্যেক বারই হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু (উত্তর না দিয়ে) মুখ ফিরিয়ে নিলেন। অতঃপর তিনি (হুযায়ফা রাদিয়াল্লাহু আনহু) তাঁর দিকে ফিরে তিনবার বললেন: হে সেলা! এই কালেমা তাদেরকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিবে।” [ইবন মাজাহ, আস-সুনান, অধ্যায়: ফিতনা ( كتاب الفتن ), পরিচ্ছেদ: কুরআন ও ইলম বিলীন হয়ে যাওয়া ( باب ذهاب القرآن والعلم ), হাদীস নং ৪০৪৯; হাকেম: ৪/৪৭৩; বুসাইরী আয-যাওয়ায়েদ ( الزوائد ) এর মধ্যে বলেন: হাদীসটির সনদ সহীহ এবং তার বর্ণনাকারীগণ বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য, আর হাকেম রহ. বলেন: হাদীসটি ইমাম মুসলিম রহ. এর শর্তে সহীহ।]

অতএব, ঐসব মানুষ যাদেরকে এই কালেমা জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিল তারা ইসলামের বিধানসমূহ ত্যাগের ব্যাপারে নির্দোষ ছিল। কারণ, তারা এই বিষয়ে অজ্ঞাত ছিল, কাজেই তারা যতটা পালন করেছে ততটাই তাদের শেষ সামর্থ ছিল। তাদের অবস্থা ঠিক সেই লোকদের মত যারা ইসলামের বিধি-নিষেধ নির্ধারিত হওয়ার পূর্বেই মারা গিয়েছে অথবা বিধান পালনের শক্তি অর্জনের পূর্বেই মারা গিয়েছে। যেমন, সেই ব্যক্তি যে (একত্ববাদের) সাক্ষ্য দেয়ার পরে শরী‘আতের বিধিবিধান পালন করার সক্ষমতা অর্জনের পূর্বেই মারা গিয়েছে অথবা সে কাফিরের দেশে ইসলাম গ্রহণ করল তারপর শরী‘আতের বিধিবিধানের জ্ঞান লাভের সুযোগ পাওয়ার পূর্বেই মারা গেল।

ফলকথা এই যে, যারা সালাত ত্যাগকারীকে কাফির মনে করে না তারা যেসব দলীল পেশ করে সেসব দলীল যারা সালাত ত্যাগকারীকে কাফির মনে করে তাদের দেওয়া দলীল-প্রমাণের সমকক্ষ নয়। কারণ, (যারা কাফির মনে করে না) তারা যেসব দলীল পেশ করে থাকে সেগুলো হয়তো দুর্বল ও অস্পষ্ট অথবা তাতে মোটেই তার প্রমাণ নেই; অথবা সেগুলো এমন এমন গুণের সাথে সম্পৃক্ত যার বর্তমানে সালাত ত্যাগ করা সম্ভব নয় অথবা সেগুলো এমন অবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যাতে সালাত ত্যাগের ওযর গ্রহণযোগ্য অথবা হতে পারে সেই দলীলগুলো ‘আম (ব্যাপাক অর্থবোধক) যা সালাত বর্জনকারীর কুফুরীর দলীলসমূহ দ্বারা খাস (নির্দিষ্ট) করা হয়েছে।

সুতরাং যখন সালাত বর্জনকারী ব্যক্তির কাফির হওয়ার বিষয়টি এমন বলিষ্ঠ দলীল দ্বারা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়ে গেল যে দলীলের বিরুদ্ধে তার সমতুল্য কোনো দলীল নেই। ফলে তার ওপর কুফুরী ও মুরতাদ হওয়ার বিধান অবশ্যই প্রযোজ্য হবে। আর সঙ্গত কারণেই বিধানটি তার ইল্লতের (কারণ বা হেতুর) সাথে ইতিবাচক ও নেতিবাচকভাবে সংশ্লিষ্ট; অর্থাৎ সেই বিধানের কারণ পাওয়া গেলে তা প্রযোজ্য হবে আর যদি কারণ না পাওয়া যায় তবে তার বিধান প্রযোজ্য হবে না।
পরিচ্ছেদঃ ৭

দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ: সালাত বর্জনের কারণে অথবা অন্য কোনো কারণে মুরতাদ (ইসলাম ত্যাগকারী) হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে প্রযোজ্য বিধানাবলী প্রসঙ্গে

মুরতাদের ওপর কতিপয় ইহলৌকিক ও পরলৌকিক বিধান প্রযোজ্য হয়ে থাকে:
পরিচ্ছেদঃ ৮

প্রথমত: পার্থিব বিধানসমূহ:

১. তার অভিভাবক হওয়ার যোগ্যতা শেষ হয়ে যাওয়া: সুতরাং তাকে এমন কোনো কাজের অভিভাবক বানানো জায়েয হবে না যে কাজের জন্য ইসলাম অভিভাবকত্বের শর্তারোপ করেছে। আর এর ওপর ভিত্তি করে তাকে তার অনুপযুক্ত সন্তান ও অন্যান্যদের ওপর অভিভাবক (ওলী) নিযুক্ত করা বৈধ হবে না এবং তার তত্ত্বাবধানে তার যেসব মেয়েরা বা অন্য কেউ রয়েছে তাদের কাউকে বিয়ে দিতে পারবে না।

আর আমাদের ফিকহশাস্ত্রবিদগণ তাঁদের সংক্ষিপ্ত ও বিস্তারিত গ্রন্থগুলোতে পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন: যখন কোনো অভিভাবক মুসলিম মেয়েকে বিবাহ দিবে তখন সেই অভিভাবকের জন্য শর্ত হলো মুসলিম হওয়া, আর তারা বলেন:

لا ولاية لكافر على مسلمة .

“মুসলিম মেয়ের ওপর কোনো কাফির ব্যক্তির অভিভাবকত্ব চলবে না।”

আর আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেন:

«لا نكاح إلا بولي مرشد» .

“যোগ্য অভিভাবক ব্যতীত কোনো বিবাহ চলবে না।” আর সবচেয়ে বড় যোগ্যতা হলো দীন ইসলামকে গ্রহণ করা, আর সবচেয়ে বোকামী বা মূর্খতা ও অযোগ্যতা হচ্ছে কুফুরী করা ও ইসলাম থেকে বিমূখ হওয়া। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

﴿ وَمَن يَرۡغَبُ عَن مِّلَّةِ إِبۡرَٰهِ‍ۧمَ إِلَّا مَن سَفِهَ نَفۡسَهُۥۚ ﴾ [ البقرة : ١٣٠ ]

“আর যে নিজেকে নির্বোধ করেছে, সে ছাড়া ইবরাহীমের মিল্লাত থেকে আর কে বিমুখ হবে!” [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ১৩০]

২. তার আত্মীয়দের মীরাস (পরিত্যক্ত সম্পদ) থেকে বঞ্চিত হয়ে যাওয়া। কেননা কাফির ব্যক্তি মুসলিম ব্যক্তির উত্তরাধিকারী হতে পারে না, আর মুসলিম ব্যক্তি কাফিরের উত্তরাধিকারী হতে পারে না। কারণ, উসামা ইবন যায়েদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত হাদীসে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

«لاَ يَرِثُ الْمُسْلِمُ الْكَافِرَ وَلاَ يَرِثُ الْكَافِرُ الْمُسْلِمَ » .

“মুসলিম কাফিরের ওয়ারিস হবে না এবং কাফিরও মুসলিমের ওয়ারিস হবে না।” [সহীহ বুখারী, অধ্যায়: উত্তরাধিকার বণ্টনের বিধান ( كتاب الفرائض ), পরিচ্ছেদ: মুসলিম কাফিরের ওয়ারিস হবে না ( باب لاَ يَرِثُ الْمُسْلِمُ الْكَافِرَ ), হাদীস নং ৬৩৮৩; সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: উত্তরাধিকার বণ্টনের বিধান ( كتاب الفرائض ), পরিচ্ছেদ: মুসলিম কাফিরের ওয়ারিস হবে না ( باب لاَ يَرِثُ الْمُسْلِمُ الْكَافِرَ ), হাদীস নং ৪২২৫।]

৩. তার জন্য মক্কা ও তার হারামের এলাকায় প্রবেশ করা হারাম। কারণ, আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِنَّمَا ٱلۡمُشۡرِكُونَ نَجَسٞ فَلَا يَقۡرَبُواْ ٱلۡمَسۡجِدَ ٱلۡحَرَامَ بَعۡدَ عَامِهِمۡ هَٰذَا﴾ [ التوبة : ٢٨ ]

“হে ঈমানদারগণ! মুশরিকরা তো অপবিত্র, কাজেই এ বছরের পর তারা যেন মাসজিদুল হারামের ধারে-কাছে না আসে।” [সূরা আত- তাওবা আয়াত: ২৮]

৪. তার দ্বারা যবাইকৃত জীবজন্তু হারাম, অর্থাৎ গৃহপালিত জন্তু উট গরু ছাগল ইত্যাদি ধরনের জীবজন্তু যা হালাল হওয়ার জন্য যবেহ করার শর্ত আরোপ করা হয়েছে। কারণ, যবেহ করার জন্য অন্যতম শর্ত হলো যবেহকারীকে মুসলিম অথবা কিতাবধারী ইয়াহূদী বা খ্রিষ্টান হওয়া, আর মুরতাদ মূতিপূজক অগ্নিপূজক বা অনুরূপ কোনো ব্যক্তি যা যবেহ করবে তা খাওয়া হালাল হবে না।

প্রখ্যাত তাফসীরকারক খাযেন রহ. তাঁর তাফসীরের মধ্যে বলেছেন: “আলিমগণ এই ব্যাপারে একমত হয়েছেন যে, অগ্নিপূজক আরবের মুশরিকগণ ও মূতিপূজারীগণসহ সকল মুশরিক এবং যাদেরকে কোনো কিতাব দেওয়া হয় নি, এমন সকল ব্যক্তির যবাইকৃত সকল পশু-পাখি হারাম।”

আর ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল রহ. বলেন:

لا أعلم أحدا بخلافه إلا أن يكون صاحب بدعة

“কোনো ব্যক্তি এর বিপরীত মত পোষণ করেছেন বলে আমার জানা নেই, তবে হ্যাঁ বিদ‘আতপন্থী ব্যক্তি হলে বলতে পারে।”

৫. তার মৃত্যুর পরে তার ওপর জানাযার সালাত পড়া এবং তার জন্য ক্ষমা ও রহমতের দো‘আ করা হারাম। কারণ, আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

﴿وَلَا تُصَلِّ عَلَىٰٓ أَحَدٖ مِّنۡهُم مَّاتَ أَبَدٗا وَلَا تَقُمۡ عَلَىٰ قَبۡرِهِۦٓۖ إِنَّهُمۡ كَفَرُواْ بِٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ وَمَاتُواْ وَهُمۡ فَٰسِقُونَ ٨٤ ﴾ [ التوبة : ٨٤ ]

“আর তাদের মধ্যে কারো মৃত্যু হলে আপনি কখনো তার জন্য জানাযার সালাত পড়বেন না এবং তার কবরের পাশে দাঁড়াবেন না; তারা তো আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে অস্বীকার করেছিল এবং ফাসেক অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়েছে।” [সূরা আত- তাওবাহ, আয়াত: ৮৪] আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন,

﴿مَا كَانَ لِلنَّبِيِّ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ أَن يَسۡتَغۡفِرُواْ لِلۡمُشۡرِكِينَ وَلَوۡ كَانُوٓاْ أُوْلِي قُرۡبَىٰ مِنۢ بَعۡدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُمۡ أَنَّهُمۡ أَصۡحَٰبُ ٱلۡجَحِيمِ ١١٣ وَمَا كَانَ ٱسۡتِغۡفَارُ إِبۡرَٰهِيمَ لِأَبِيهِ إِلَّا عَن مَّوۡعِدَةٖ وَعَدَهَآ إِيَّاهُ فَلَمَّا تَبَيَّنَ لَهُۥٓ أَنَّهُۥ عَدُوّٞ لِّلَّهِ تَبَرَّأَ مِنۡهُۚ إِنَّ إِبۡرَٰهِيمَ لَأَوَّٰهٌ حَلِيمٞ ١١٤﴾ [ التوبة : ١١٣، ١١٤ ]

“আত্মীয়-স্বজন হলেও মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা নবী ও যারা ঈমান এনেছে তাদের জন্য সংগত নয় যখন এটা সুস্পষ্ট হয়ে গেছে যে, নিশ্চিতই তারা প্রজ্বলিত আগুনের অধিবাসী। আর ইবরাহীম তার পিতার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছিল তাকে এর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বলে, তারপর যখন এটা তার কাছে সুস্পষ্ট হলো যে, সে আল্লাহর শত্রু তখন ইবরাহীম তার সম্পর্ক ছিন্ন করলেন। ইবরাহীম তো কোমল হৃদয় ও সহনশীল।” [সূরা আত- তাওবা আয়াত: ১১৩–১১৪]

আর যে কোনো কারণেই হউক না কেন, যে ব্যক্তি কুফুরীর ওপর মারা গেল তার জন্য কোনো মানুষের পক্ষ থেকে ক্ষমা ও রহমতের দো‘আ করাটা দো‘আর ক্ষেত্রে এক প্রকার বাড়াবাড়ির শামিল, আল্লাহর সাথে এক ধরনের ঠাট্টা-বিদ্রূপ করা এবং নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও মুমিনগণের পথ থেকে খারিজ হয়ে যাওয়ার অন্তর্ভুক্ত।

আর যে ব্যক্তি আল্লাহ তা‘আলা ও পরকালের ওপর বিশ্বাস রাখে তার পক্ষে কিভাবে সম্ভব যে সে এমন ব্যক্তির জন্য মাগফিরাত ও রহমতের দো‘আ করবে যার মৃত্যু হয়েছে কুফুরী অবস্থায় এবং সে হচ্ছে আল্লাহর শত্রু? যেমনটি আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

﴿مَن كَانَ عَدُوّٗا لِّلَّهِ وَمَلَٰٓئِكَتِهِۦ وَرُسُلِهِۦ وَجِبۡرِيلَ وَمِيكَىٰلَ فَإِنَّ ٱللَّهَ عَدُوّٞ لِّلۡكَٰفِرِينَ ٩٨ ﴾ [ البقرة : ٩٨ ]

“যে কেউ আল্লাহ তাঁর ফিরিশতাগণ, তাঁর রাসূলগণ এবং জিবরীল ও মীকাঈলের শত্রু হবে, তবে নিশ্চয় আল্লাহ কাফিরদের শত্রু।” [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ৯৮] সুতরাং আল্লাহ তা‘আলা এই আয়াতে সুস্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন যে, তিনি স্বয়ং প্রত্যেক কাফিরের শত্রু। ফলে প্রত্যেক মুমিনের জন্য অপরিহার্য হলো প্রত্যেক কাফির থেকে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করা। কেননা আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

﴿وَإِذۡ قَالَ إِبۡرَٰهِيمُ لِأَبِيهِ وَقَوۡمِهِۦٓ إِنَّنِي بَرَآءٞ مِّمَّا تَعۡبُدُونَ ٢٦ إِلَّا ٱلَّذِي فَطَرَنِي فَإِنَّهُۥ سَيَهۡدِينِ ٢٧﴾ [ الزخرف : ٢٦، ٢٧ ]

“আর স্মরণ করুন যখন ইবরাহীম তার পিতা এবং তার সম্প্রদায়কে বলেছিলেন, তোমরা যেগুলোর ইবাদাত কর নিশ্চয় আমি তাদের থেকে সম্পর্কমুক্ত, তবে তিনি ব্যতীত যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর নিশ্চয় তিনি শীঘ্রই আমাকে সৎপথে পরিচালিত করবেন।” [সূরা আয-যুখরুফ আয়াত: ২৬-২৭] আর আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেছেন:

﴿قَدۡ كَانَتۡ لَكُمۡ أُسۡوَةٌ حَسَنَةٞ فِيٓ إِبۡرَٰهِيمَ وَٱلَّذِينَ مَعَهُۥٓ إِذۡ قَالُواْ لِقَوۡمِهِمۡ إِنَّا بُرَءَٰٓؤُاْ مِنكُمۡ وَمِمَّا تَعۡبُدُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ كَفَرۡنَا بِكُمۡ وَبَدَا بَيۡنَنَا وَبَيۡنَكُمُ ٱلۡعَدَٰوَةُ وَٱلۡبَغۡضَآءُ أَبَدًا حَتَّىٰ تُؤۡمِنُواْ بِٱللَّهِ وَحۡدَهُ﴾ [ الممتحنة : ٤ ]

“অবশ্যই তোমাদের জন্য ইবরাহীম ও তার সাথে যারা ছিল তাদের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ। যখন তারা তাদের সম্প্রদায়কে বলেছিল তোমাদের সংগে এবং তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যার ইবাদাত কর তা হতে আমরা সম্পর্কমুক্ত। আমরা তোমাদেরকে অস্বীকার করি। তোমাদের ও আমাদের মধ্যে সৃষ্টি হলো শত্রুতা ও বিদ্বেষ চিরকালের জন‍্য, যতক্ষণ না তোমরা এক আল্লাহতে ঈমান আন।” [সূরা আল-মুমতাহিনাহ আয়াত: ৪] আর এর মাধ্যমে সে যেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণ ও অনুকরণ করার বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে পারে, যেহেতু আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

﴿وَأَذَٰنٞ مِّنَ ٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦٓ إِلَى ٱلنَّاسِ يَوۡمَ ٱلۡحَجِّ ٱلۡأَكۡبَرِ أَنَّ ٱللَّهَ بَرِيٓءٞ مِّنَ ٱلۡمُشۡرِكِينَ وَرَسُولُهُ﴾ [ التوبة : ٣ ]

“আর মহান হজের দিনে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে মানুষের প্রতি এটা এক ঘোষণা যে, নিশ্চয় মুশরিকদের সম্পর্কে আল্লাহ দায়মুক্ত এবং তাঁর রাসূলও।” [সূরা আত- তাওবা আয়াত: ৩]

আর ঈমানের সবচেয়ে মজবুত রশি হলো: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা আল্লাহর জন্য ঘৃণা করা আল্লাহর জন্য বন্ধুত্ব স্থাপন করা আর আল্লাহর জন্য শত্রুতা করা যাতে আপনি আপনার নিজের ভালোবাসার স্বার্থে ঘৃণার স্বার্থে বন্ধত্ব স্থাপনে এবং শত্রুতা প্রদর্শনে মহান আল্লাহ তা‘আলার সন্তুষ্টির সন্ধানী হয়ে যেতে পারেন।

৬. মুসলিম নারীকে তার পক্ষে বিয়ে করা হারাম: কারণ সে কাফির, আর কুরআন ও সুন্নাহর বক্তব্য এবং ইজমা তথা মুসলিম মিল্লাতের ঐক্যমত্যের দ্বারা প্রমাণিত যে কাফির ব্যক্তির জন্য মুসলিম নারী বৈধ নয়। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا جَآءَكُمُ ٱلۡمُؤۡمِنَٰتُ مُهَٰجِرَٰتٖ فَٱمۡتَحِنُوهُنَّۖ ٱللَّهُ أَعۡلَمُ بِإِيمَٰنِهِنَّۖ فَإِنۡ عَلِمۡتُمُوهُنَّ مُؤۡمِنَٰتٖ فَلَا تَرۡجِعُوهُنَّ إِلَى ٱلۡكُفَّارِۖ لَا هُنَّ حِلّٞ لَّهُمۡ وَلَا هُمۡ يَحِلُّونَ لَهُنَّۖ ﴾ [ الممتحنة : ١٠ ]

“হে ঈমানদারগণ! তোমাদের কাছে মুমিন নারীরা হিজরত করে আসলে তোমরা তাদেরকে পরীক্ষা করো; আল্লাহ্ তাদের ঈমান সম্বন্ধে সম্যক অবগত। অতঃপর যদি তোমরা জানতে পার যে তারা মুমিন নারী তবে তাদেরকে কাফিরদের কাছে ফেরত পাঠিয়ে দিয়ো না। মুমিন নারীগণ কাফিরদের জন্য বৈধ নয় এবং কাফিরগণ মুমিন নারীদের জন্য বৈধ নয়।” [সূরা আল-মুমতাহিনাহ আয়াত: ১০]

আল-মুগনী ( المغني ) নামক কিতাবে (৬/৫৯২) বলা হয়েছে: “আহলে কিতাব ব্যতীত সমস্ত কাফিরের মেয়েরা এবং তাদের যবাইকৃত জীবজন্তু হারাম হওয়ার ব্যাপারে আলিমগণের মাঝে কোনো মতভেদ নেই।” তিনি আরো বলেন: “মুরতাদ (ইসলাম ত্যাগকারী) মেয়েকে বিয়ে করা হারাম, সে যে কোনো ধর্মের অনুসারীই হউক না কেন। কারণ, তার জন্য ঐ দীনের অনুসারীর বিধান সাব্যস্ত হয় নি, যে দীনে সে পরিবর্তিত হয়ে গেছে।”

আর একই গ্রন্থের মুরতাদের পরিচ্ছেদে (৮/১৩০) বলা হয়েছে: “যদি সে বিয়ে করে তার বিয়ে শুদ্ধ হবে না। কারণ, তাকে বিয়ের ওপর স্থির রাখা যায় না, আর যা বিয়ের ওপর স্থির রাখতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে তা বিয়ে সংঘটিত হওয়ার ব্যাপারেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে যেমন প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয় কাফির কর্তৃক মুসলিম নারীকে বিয়ে করার সময়।” [হানাফী কিতাব মাজমা‘উল আনহুর ( المجمع الأنهر ) এর কাফিরের বিয়ে নামক পরিচ্ছেদ ( باب نكاح الكافر ) এর শেষে (১ / ২০২) রয়েছে: “মুরতাদ পুরুষ এবং মুরতাদ নারীকে বিয়ে করা বৈধ নয়।” কারণ, এই ব্যাপারে সকল সাহাবীর ঐক্যবদ্ধ ইজমা সংঘটিত হয়েছে।]

সুতরাং আপনি তো দেখতে পেলেন যে মুরতাদ মেয়েকে বিয়ে করা পরিষ্কাভাবে হারাম করা হয়েছে; অপরপক্ষে মুরতাদ পুরুষের সঙ্গে (মুসলিম মেয়ের) বিয়ে অশুদ্ধ। অতএব, বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর যদি মুরতাদ হয়ে যায় তাহলে কী হতে পারে?

আল-মুগনী ( المغني ) নামক কিতাবে (৬/২৯৮) বলা হয়েছে: “যখন স্বামী ও স্ত্রীর কোনো একজন বাসরের পূর্বেই মুরতাদ হয়ে যায় তখন সাথে সাথেই বিয়ে বাতিল হয়ে যাবে এবং তাদের একজন অপর জনের ওয়ারিস (সম্পদের উত্তরাধিকারী) হবে না। আর যদি বাসরের পরে মুরতাদ হয় তাহলে এই ব্যাপারে দু‘টি মত রয়েছে: তন্মধ্যে প্রথম মতটি হলো: সঙ্গে সঙ্গে তাদের মধ্যকার বিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে, আর দ্বিতীয় মত হলো: ইদ্দত পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত বিয়ে স্থগিত হয়ে থাকবে (ইদ্দত পূর্ণ হলেই বিয়ে বাতিল হয়ে যাবে)।”

আল-মুগনী ( المغني ) নামক কিতাবে (৬/639) আরো বলা হয়েছে: “বাসরের পূর্বে মুরতাদ হওয়ার কারণে বিয়ে বিচ্ছেদ হয়ে যাবে- এটা সকল আলিমের বক্তব্য এবং এর স্বপক্ষে দলীল পেশ করা হয়েছে।”

আর তাতে আরো বলা হয়েছে: বাসরের পর মুরতাদ হলে ইমাম মালেক ও আবূ হানিফা রহ.-এর মতে সঙ্গে সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাবে, আর ইমাম শাফেঈ রহ.-এর মতে ইদ্দত পূর্ণ হওয়ার পর বিবাহ বিচ্ছেদ হবে।

এ কথার দাবি হচ্ছে চার ইমামের ঐক্যবদ্ধ মতের ভিত্তিতে স্বামী ও স্ত্রীর কোনো একজন মুরতাদ হলে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাবে; কিন্তু যদি বাসরের পূর্বে মুরতাদ হয় তাহলে সঙ্গে সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাবে। আর যদি বাসরের পর মুরতাদ হয় তবে ইমাম মালেক ও ইমাম আবূ হানিফা রহ.-এর মতে তাৎক্ষণিকভাবে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটবে, আর ইমাম শাফেঈ রহ.-এর মতে ইদ্দত পার হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে তারপর বিচ্ছেদ ঘটবে। উপরোক্ত দুই মাযহাবের অনুরূপ ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল রহ. থেকে দু‘টি বর্ণনা রয়েছে।

আল-মুগনী ( المغني ) নামক গ্রন্থের ৬৪০ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে: “স্বামী ও স্ত্রী উভয়ে যদি একই সঙ্গে মুরতাদ হয়ে যায় তাহলে তাদের হুকুমও অনুরূপ যেমন হুকুম রয়েছে উভয়ের মধ্য থেকে কোনো একজন মুরতাদ হলে, যদি বাসরের পূর্বে মুরতাদ হয় তাহলে সঙ্গে সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাবে। আর যদি বাসরের পর মুরতাদ হয় তবে কি সঙ্গে সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাবে নাকি ইদ্দত অতিবাহিত হওয়ার পর বিবাহ বিচ্ছেদ হবে? এই ব্যাপারে দু‘টি বর্ণনা রয়েছে: ইমাম শাফেঈ রহ.-এর মতে ইদ্দত অতিবাহিত হওয়ার পর বিবাহ বিচ্ছেদ হবে। আর ইমাম আবূ হানিফা রহ.-এর মতে এই ক্ষেত্রে (স্বামী ও স্ত্রী উভয়ে একই সঙ্গে মুরতাদ হলে) ইস্তিহসান ( استحسان ) এর ভিত্তিতে বিবাহ বিচ্ছেদ হবে না। কারণ, তাদের উভয়ের ধর্ম ভিন্ন ভিন্ন হয়ে যায় নি, আর এটা ঠিক তেমনই যেমন দু‘জনই যদি একই সঙ্গে ইসলাম গ্রহণ করে।” অতঃপর আল-মুগনী ( المغني ) নামক গ্রন্থের লেখক তার (ইমাম আবূ হানিফা রহ.-এর) উক্ত কিয়াস-এর ( طرد ) তথা গঠনমূলক ও ( عكس ) বা বিপরীতমূখী প্রমাণ প্রদানের মাধ্যমে খণ্ডন করেছেন।

আর যখন একথা সুস্পষ্ট হয়ে গেল যে মুরতাদের বিবাহ কোনো মুসলিমের সঙ্গে শুদ্ধ নয় চাই সে নারী হউক বা পুরুষ, আর এটাই কুরআন ও সুন্নাহর দ্বারা প্রমাণিত; আর এটাও পরিষ্কার হয়ে গেল যে সালাত বর্জনকারী হচ্ছে কাফির যা কুরআন সুন্নাহ ও সকল সাহাবীর বক্তব্য দ্বারা প্রমাণিত। আর এটাও পরিষ্কার হয়ে গেল যে কোনো ব্যক্তি যদি সালাত আদায় না করে এবং কোনো মুসলিম নারীকে বিয়ে করে তাহলে তার বিয়ে শুদ্ধ নয় আর এই বন্ধন দ্বারা সেই নারী তার জন্য হালালও নয়, তবে সে যদি আল্লাহ তা‘আলার নিকট তাওবা করে এবং ইসলামের দিকে ফিরে আসে তাহলে তার ওপর বিবাহকে আবার নবায়ন করা আবশ্যক হবে। আর অনুরূপ বিধান প্রযোজ্য হবে ঐ নারীর ক্ষেত্রেও যে সালাত আদায় করে না।

আর এটা কাফিরদের কুফুরী অবস্থায় সংঘটিত বিবাহ থেকে ভিন্ন রকম; যেমন একজন কাফির পুরুষ একজন কাফির মেয়েকে বিয়ে করল অতঃপর উক্ত স্ত্রী ইসলাম গ্রহণ করল এই পরিস্থিতিতে যদি সে মেয়ের ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি বাসরের পূর্বে হয়ে থাকে তাহলে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাবে। আর যদি সে মেয়ের ইসলাম গ্রহণের বিষয়টি বাসরের পরে হয়ে থাকে তাহলে বিবাহ বিচ্ছেদ হবে না বরং স্বামীর ইসলাম গ্রহণের অপেক্ষায় থাকবে। তারপর যদি ইদ্দত পূর্ণ হওয়ার পূর্বেই স্বামী ইসলাম গ্রহণ তাহলে সে মেয়ে তারই স্ত্রীরূপে বহাল থাকবে। আর যদি স্বামীর ইসলামের পূর্বেই ইদ্দত শেষ হয়ে যায় তাহলে সেই স্বামীর জন্য তার ওপর কোনো অধিকার থাকবে না। কারণ, এখানে পরিষ্কার হয়ে গেল যে সেই মেয়ের ইসলাম গ্রহণ করার সময় থেকেই বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে।

আর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে কাফিরগণ তাদের স্ত্রীদের সঙ্গে একই সময় ইসলাম গ্রহণ করত এবং নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে তাদের নিজ নিজ বিয়ের ওপর স্থির রাখতেন, তবে যদি তাদের মধ্যে বিয়ে হারাম হওয়ার কারণ বিদ্যমান থাকত তাহলে ভিন্ন কথা, যেমন স্বামী-স্ত্রী দু‘জনই অগ্নিপূজক এবং তাদের উভয়ের মাঝে এমন আত্মীয়তার সম্পর্ক রয়েছে যার কারণে তাদের একে অপরের সঙ্গে বিয়ে হারাম। অতএব, যখন তারা দু‘জন ইসলাম গ্রহণ করবে তখন তাদের মধ্যে বিয়ে হারাম হওয়ার কারণ বিদ্যমান থাকার কারণে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ করে দেওয়া হবে।

আর এই মাসআলাটি ঐ মুসলিম ব্যক্তির মাসআলার মত নয়, যে সালাত ত্যাগ করার কারণে কাফির হয়েছে। অতঃপর মুসলিম নারীকে বিয়ে করেছে। কারণ, মুসলিম নারী কাফিরের জন্য হালাল নয় এটা কুরআন ও হাদীসের বক্তব্য এবং ইজমা দ্বারা প্রমাণিত যেমনটি পূর্বে আলোচিত হয়েছে যদিও সে কাফিরটি মৌলিকভাবে মুরতাদ নয়, আর এই জন্য যদি কোনো কাফির কোনো মুসলিম নারীকে বিয়ে করে তাহলে বিয়েটি বাতিল বলে গণ্য হবে এবং তাদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ করে দেয়া আবশ্যক (ওয়াজিব) হবে। আর যদি সে ইসলাম গ্রহণ করে এবং সে মেয়েকে ফিরিয়ে নিতে চায় তাহলে আবার নতুন করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া ব্যতীরেকে তার জন্য এটা সম্ভব হবে না।

৭. সালাত বর্জনকারী কর্তৃক মুসলিম নারীকে বিয়ে করার পর জন্ম হওয়া সন্তানদের বিধান: মায়ের দিকে লক্ষ্য করলে সর্বাবস্থায় সন্তান হচ্ছে মায়ের। আর স্বামীর দিকে লক্ষ্য করলে যারা সালাত বর্জনকারীকে কাফির মনে করেন না তাদের মতে সেসব সন্তান তার সাথে সম্পৃক্ত হবে; কারণ (তাদের মতে) তার বিবাহ শুদ্ধ ছিল। আর যারা সালাত বর্জনকারীকে কাফির মনে করেন এবং এটাই সঠিক যেমনটি তার ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণসহ প্রথম পরিচ্ছেদে আলোচিত হয়েছে; আমরা সেই মতের ওপর ভিত্তি করে বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখব:

* যদি স্বামী একথা না জানে যে তার বিবাহ বাতিল ছিল অথবা তার এই বিশ্বাস ছিল না যে (সালাত বর্জনকারী কাফির) তাহলে সন্তানগুলো তার সন্তান বলেই গণ্য হবে। কারণ, এই অবস্থায় তার ধারণা মতে স্ত্রী মিলন বৈধ ছিল। সুতরাং তার এই মিলন সংশয়ের মিলন ছিল যাতে বংশ সাব্যস্ত হয়ে যাবে।

* আর স্বামী যদি একথা জানে যে তার বিবাহ বাতিল ছিল অথবা তার এই বিশ্বাস ছিল যে (সালাত বর্জনকারী কাফির) তাহলে সন্তানগুলো তার সন্তান বলে গণ্য হবে না। কারণ, তার সন্তান এমন বীর্য থেকে সৃষ্টি হয়েছে যার সম্বন্ধে তার ধারণা ও বিশ্বাস ছিল তার সহবাস হারাম হয়েছে; কেননা তার সেই সহবাস হয়েছে এমন এক স্ত্রীর সাথে যে স্ত্রী তার জন্য হালাল ছিল না।
পরিচ্ছেদঃ ৯

দ্বিতীয়ত: মুরতাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য পরকালীন বিধানসমূহ:

১. ফিরিশতাগণ কর্তৃক তাকে ধমকের সুরে তিরস্কার ও আঘাত করা বরং তারা তাদের মুখমণ্ডলে ও পিঠে আঘাত করবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

﴿وَلَوۡ تَرَىٰٓ إِذۡ يَتَوَفَّى ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ يَضۡرِبُونَ وُجُوهَهُمۡ وَأَدۡبَٰرَهُمۡ وَذُوقُواْ عَذَابَ ٱلۡحَرِيقِ ٥٠ ذَٰلِكَ بِمَا قَدَّمَتۡ أَيۡدِيكُمۡ وَأَنَّ ٱللَّهَ لَيۡسَ بِظَلَّٰمٖ لِّلۡعَبِيدِ ٥١﴾ [ الانفال : ٥٠، ٥١ ]

“আর আপনি যদি দেখতে পেতেন যখন ফিরিশতাগণ যারা কুফুরী করেছে তাদের প্রাণ হরণ করছিল, তাদের মুখমণ্ডলে ও পিঠে আঘাত করছিল, আর বলছিল তোমরা দহনযন্ত্রণা ভোগ কর। এটা তো সে কারণে যা তোমাদের হাত আগে পাঠিয়েছিল, আর আল্লাহ তো তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যাচারী নন।” [সূরা আল-আনফাল আয়াত: ৫০-৫১]

২. তার হাশর হবে কাফির ও মুশরিকদের সাথে। কেননা সে তাদেরই একজন। কারণ, আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

﴿ٱحۡشُرُواْ ٱلَّذِينَ ظَلَمُواْ وَأَزۡوَٰجَهُمۡ وَمَا كَانُواْ يَعۡبُدُونَ ٢٢ مِن دُونِ ٱللَّهِ فَٱهۡدُوهُمۡ إِلَىٰ صِرَٰطِ ٱلۡجَحِيمِ ٢٣﴾ [ الصافات : ٢٢، ٢٣ ]

“(ফিরিশতাদেরকে বলা হবে) ‘একত্র কর যালিম ও তাদের সহচরদেরকে এবং তাদেরকে যাদের ‘ইবাদাত করত তারা আল্লাহর পরিবর্তে। আর তাদেরকে পরিচালিত কর জাহান্নামের পথে।” [সূরা আস-সাফ্ফাত আয়াত: ২২-২৩] আর আয়াতে উল্লিখিত أزواج শব্দট زوج শব্দের বহুবচন, আর তা হলো الصنف (শ্রেণী বা প্রকার) অর্থাৎ যারা যালিম এবং তাদের শ্রেণীভুক্ত কাফির ও যালিমদেরকে একসাথে হাশরের ময়দানে একত্রিত করা হবে।

৩. তারা জাহান্নামে স্থায়ীভাবে চিরদিন অবস্থান করবে; কেননা আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

﴿إِنَّ ٱللَّهَ لَعَنَ ٱلۡكَٰفِرِينَ وَأَعَدَّ لَهُمۡ سَعِيرًا ٦٤ خَٰلِدِينَ فِيهَآ أَبَدٗاۖ لَّا يَجِدُونَ وَلِيّٗا وَلَا نَصِيرٗا ٦٥ يَوۡمَ تُقَلَّبُ وُجُوهُهُمۡ فِي ٱلنَّارِ يَقُولُونَ يَٰلَيۡتَنَآ أَطَعۡنَا ٱللَّهَ وَأَطَعۡنَا ٱلرَّسُولَا۠ ٦٦﴾ [ الاحزاب : ٦٤، ٦٦ ]

“নিশ্চয় আল্লাহ কাফিরদেরকে করেছেন অভিশপ্ত এবং তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন জ্বলন্ত আগুন। সেখানে তারা চিরস্থায়ী হবে এবং তারা কোন অভিভাবক পাবে না কোন সাহায্যকারীও নয়। যেদিন তাদের মুখমণ্ডল আগুনে উলট-পালট করা হবে সেদিন তারা বলবে হায়! আমরা যদি আল্লাহকে মানতাম আর রাসূলকে মানতাম!” [সূরা আল-আহযাব আয়াত: ৬৪-৬৬]

আর এখানেই সমাপ্ত হয়ে গেল এই বিরাট মাসআলার ব্যাপারে আমি যা বলতে চেয়েছিলাম যে সমস্যায় বহু লোকজন জর্জরিত।

* আর যে ব্যক্তি তাওবা করতে চায় তার জন্য তাওবার দরজা খোলা রয়েছে। সুতরাং হে মুসলিম ভাই! অতীতের পাপের প্রতি লজ্জিত ও অনুতপ্ত হয়ে একনিষ্ঠতার সাথে আল্লাহ তা‘আলার নিকট তাওবা করুন এবং দৃঢ় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন যে আমি আর পাপের কাজে যাব না এবং খুব বেশি বেশি সৎ কাজ করব। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

﴿إِلَّا مَن تَابَ وَءَامَنَ وَعَمِلَ عَمَلٗا صَٰلِحٗا فَأُوْلَٰٓئِكَ يُبَدِّلُ ٱللَّهُ سَيِّ‍َٔاتِهِمۡ حَسَنَٰتٖۗ وَكَانَ ٱللَّهُ غَفُورٗا رَّحِيمٗا ٧٠ وَمَن تَابَ وَعَمِلَ صَٰلِحٗا فَإِنَّهُۥ يَتُوبُ إِلَى ٱللَّهِ مَتَابٗا ٧١﴾ [ الفرقان : ٦٩، ٧٠ ]

“তবে যে তাওবা করে ঈমান আনে ও সৎকাজ করে ফলে আল্লাহ তাদের গুণাহসমূহ নেক দ্বারা পরিবর্তন করে দেবেন। আর আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। আর যে তাওবা করে ও সৎকাজ করে সে তো সম্পূর্ণরূপে আল্লাহর অভিমুখী হয়।” [সূরা আল-ফুরকান আয়াত: ৭০-৭১]

মহান আল্লাহ তা‘আলার নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদেরকে স্বীয় কাজে যোগ্যতা দান করেন আর আমাদের সকলকে তাঁর সঠিক ও সোজা পথ প্রদর্শন করেন, তাদের পথ যাদের প্রতি আল্লাহ নি‘আমত দান করেছেন। তারা হচ্ছেন: নবীগণ এবং সিদ্দীক (সত্যবাদী) শহীদ ও সৎকর্মশীল ব্যক্তিবর্গ, যারা অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্ট তাদের পথে নয়।

আল্লাহ তা‘আলার এক নগণ্য বান্দার কলমে লেখা:

মুহাম্মদ সালেহ আল-‘উসাইমীন

২৩/০২/১৪০৭ হি.

রিডিং সেটিংস

Bangla

System

আরবি ফন্ট নির্বাচন

Kfgq Hafs

অনুবাদ ফন্ট নির্বাচন

Kalpurush

22
17

সাধারণ সেটিংস

এই সদাকা জারিয়ায় অংশীদার হোন

মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।

সাপোর্ট করুন