hadith book logo

অতি গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় প্রশ্নোত্তর

আল্লামা শাইখ আব্দুর রহমান ইবন নাসির ইবন সা‘দী আত-তামীমী আন-নাজদী আল-হাম্বলী

আকীদাহ্ সম্পর্কিত কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মাস’আলাহ্

শাইখ মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ খান মাদানী, শাইখ মুহাম্মাদ আবদুন নূর মাদানী

আক্বীদা ইসলামিয়াহ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব

আক্বীদা ও আমলের সংস্কার

কামাল উদ্দিন মোল্লা

আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল গুরুত্ব ও তাৎপর্য

আব্দুল্লাহ শহীদ আবদুর রহমান

আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের আকীদার সংক্ষিপ্ত মূলনীতি

ড. নাসের ইবন আবদুল করীম আল-আকল

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদা

শাইখ মুহাম্মাদ আস-সালেহ আল-উসাইমীন

ইমাম ত্বহাবী লিখিত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদা

ইমাম আবু জা‘ফর আহমাদ আত-ত্বহাবী রহ.

ইসলাম প্রচারক ভাই! প্রথমে তাওহীদের দাওয়াত দিন

শাইখ মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী রহ.
১০

ইসলাম ভঙ্গের ১০টি কারণ

মোহাম্মদ ইমাম হুসাইন কামরুল
১১

ইসলামি আকিদা ও মানবপ্রকৃতি

সানাউল্লাহ নজির আহমাদ
১২

ইসলামি আকিদার বৈশিষ্ট্যসমূহ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
১৩

ইসলামী আকীদা বিষয়ক কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মাসয়ালা

শায়খ মুহাম্মাদ জামীল যাইনু
১৪

ইসলামের মৌলিক নীতিমালা

ড. মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন সালেহ আস-সুহাইম
১৫

ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা

কতিপয় ছাত্র
১৬

ঈমান বুনিয়াদ ও পরিণতি

কামাল উদ্দীন মোল্লা
১৭

ঈমান-ইসলামের মূলভিত্তি ও ইসলামী আকীদা বিশ্বাস

মুহাম্মাদ বিন জামীল যাইনূ
১৮

ঈমানের প্রকৃত স্বাদ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১৯

ঈমানের মূলনীতিসমূহের ব্যাখ্যা

মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উছাইমীন
২০

ঈমানের মৌলিক নীতিমালা সংক্রান্ত মণিমুক্তা

ড. মুহাম্মাদ ইয়োসরী
২১

ঈমানের রুকনসমূহ

ইলমী গবেষণা ডীনশীপ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মদিনা মুনাওয়ারা
২২

ঈমানের স্বচ্ছ ধারণা

আমির জামান, নাজমা জামান
২৩

কতিপয় দীনী বিষয় যা একজন মুসলিমের জানা প্রয়োজন

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
২৪

কালেমা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এর অর্থ, শর্তসমূহ এবং ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে তার প্রভাব

শায়খ সালেহ ইবন ফাওযান আলে-ফাওযান
২৫

কালেমা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’

শাইখ আবদুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ ইবন বায
২৬

কালেমা শাহাদাত

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
২৭

কালেমার মর্মকথা

মুহাম্মদ মতিউল ইসলাম বিন আলী আ‏হমাদ
২৮

কাশ্‌ফুশ্‌ শুবহাত (সংশয় নিরসন)

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহ্‌হাব রহ.
২৯

কুরআন ও সহীহ হাদীছের আলোকে ২শতাধিক প্রশ্নোত্তর সহ নাজাত প্রাপ্ত দলের আকীদাহ

হাফেয বিন আহমাদ আল-হাকামী
৩০

কুরআন ও হাদীসের আলোকে সহজ আকীদা

ড. আহমাদ ইবন আব্দুর রহমান আল-কাযী
৩১

চার ইমামের আকীদাহ - মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান

মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান
৩২

চার ইমামের আকীদাহ

একদল অভিজ্ঞ আলেম
৩৩

তওহীদের তত্ত্বকথা

সানাউল্লাহ বিন নজির আহমদ
৩৪

তাওহীদ ও আকাইদ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ, কামালুদ্দিন মোল্লা, ইকবাল হোসাইন মাসুম
৩৫

তাওহীদ ও তার প্রমাণাদি আকীদার ব্যাপারে ৫০টি প্রশ্নোত্তর

শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব রহ.
৩৬

তাওহীদ পরিচিতি

ড. সালিহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
৩৭

তাওহীদ পুনরুদ্ধার

আবদুল্লাহ্‌ আল কাফী
৩৮

তাওহীদ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩৯

তাওহীদের কালেমা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ [এর ফযীলত, অর্থ, শর্ত ও পরিপন্থী বিষয়]

শাইখ ড. আব্দুর রাযযাক ইবন আব্দুল মুহসিন আল-বদর
৪০

তাওহীদের কিশতী

ডঃ মুহাম্মাদ বিন আবদুর রহমান আল উরাইফী
৪১

তাওহীদের বিশ্বাস

মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওহহাব
৪২

তাওহীদের মর্মকথা

আব্দুর রহমান বিন নাসের সাদী
৪৩

তাওহীদের হাকীকত

কাউসার বিন খালিদ
৪৪

তাক্বদীরঃ আল্লাহ্‌র এক গোপন রহস্য

আব্দুল আলীম ইব্‌ন কাওসার
৪৫

তিনটি মূলনীতি ও তার প্রমাণপঞ্জি

মুহাম্মাদ ইবন আবদুল ওয়াহহাব রহ.
৪৬

তোমার রব কে

মুহাম্মাদ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মদ আল-আম্মারী
৪৭

দু’টি সাক্ষী (লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ ওয়া মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ) এর অর্থ ও তাদের প্রত্যেকের জরুরী বিষয়

মাননীয় শাইখ আল্লামা আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুর রাহমান ইবন জিবরীন
৪৮

প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য যা জানা একান্ত কর্তব্য

শাইখ আব্দুল্লাহ ইবন ইবরাহীম আল-কার‘আওয়ী
৪৯

প্রশ্নোত্তরে তাওহীদ

ড. ইবরাহীম ইবন সালেহ আল-খুদ্বায়রী
৫০

প্রশ্নোত্তরে সহজ তাওহীদ শিক্ষা চার ইমামের আক্বীদা অবলম্বনে

বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম
৫১

প্রাথমিক তাওহীদ শিক্ষা

ডঃ আব্দুল আযীয বিন মুহাম্মাদ
৫২

ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম-১ ঈমান

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৫৩

ফিরক্বা নাজিয়াহ

ফিরক্বা নাজিয়াহ
৫৪

মহা উপদেশ (‘আদী ইবন মুসাফিরের অনুসারীদের এর কাছে লেখা চিঠি)

শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন তাইমিয়্যাহ
৫৫

মানব জীবনে ইসলামি আকিদার প্রভাব

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৫৬

যা না জানলেই নয়

নোমান বিন আবুল বাশার
৫৭

যেসব কারণে ঈমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৫৮

শাশ্বত জীবন ব্যবস্থা (হক দীন)

আশ-শাইখ আবদুর রহমান ইবন হাম্মাদ আ-লে উমার
৫৯

শিয়া আকীদা সম্পর্কে ইবন তাইমিয়্যার মিনহাজুস সুন্নাহ থেকে নির্বাচিত কিছু কথা

শরীফ ইবন ‘আলী আর-রাজেহী
৬০

সঠিক আকীদা-বিশ্বাস ও যা এর পরিপন্থী

শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায
৬১

সঠিক ইসলামী মতবাদ [আর-রিসালাতুশ শামিয়্যাহ]

আব্দুল আযীয ইবন মারযূক আত-ত্বারীফী
৬২

সমাজ সংস্কারে সঠিক আকীদার গুরুত্ব

ড. মোহাম্মাদ মানজুরে ইলাহী
৬৩

সহীহ হাদীস সম্বলিত অহী ও ঈমান বিশ্বকোষ

দ্বিয়াউর রহমান আব্দুল্লাহ আল-আ‘যামী
৬৪

সাহাবাদের ব্যাপারে আহলে সুন্নত ওয়াল-জামাতের আকিদা

মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-অহাইবি
৬৫

সাহাবায়ে কেরামের অবস্থান ও মর্যাদার বিষয়ে আহলে সুন্নাতের আকীদা-বিশ্বাস

ড. মো: আমিনুল ইসলাম
৬৬

অপরাধমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে সাওমের ভূমিকা

মুহাম্মাদ শাহিদুল ইসলাম
৬৭

আপনার সন্তানকে সালাতের নির্দেশ দিন

আলী হাসান তৈয়ব
৬৮

আসরের সলাতের সঠিক ওয়াক্ত

কামাল আহমাদ
৬৯

কসর ও জমা করে সালাত আদায় সম্পর্কে কিছু বিধান

আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
৭০

কিতাবুস্ সালাত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৭১

কিয়ামুল লাইলের সমপরিমাণ সওয়াব

ড. মুহাম্মাদ ইব্‌ন ইবরাহিম আন-নাইম
৭২

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে জামা‘আতে সালাত আদায় [বিধান, ফযীলত, ফায়েদা ও নিয়ম-কানূন]

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
৭৩

কুরআন ও সুন্নাহ’র আলোকে রাতের সালাত

ড. সাঈদ ইবন আলী ইবন ওয়াহফ আল-কাহতানী
৭৪

ছহীহ্‌ সুন্নাহ্‌র আলোকে বিতর নামায

মুহা: আবদুল্লাহ্‌ আল কাফী
৭৫

জানাযার কিছু বিধান

শিহাবউদ্দিন হোসাইন
৭৬

জামা‌‘আতের সাথে নামায আদায় কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তার তাৎপর্য, ফযীলত, আহকাম, উপকারিতা ও আদাবসমূহ

ড. সায়ীদ ইবন আলী ইবন ওয়াহফ আল্ ক্বাহতানি
৭৭

জামাআতে নামাযের চল্লিশটি উপকারিতা

জাহিদুল ইসলাম
৭৮

নবী ﷺ এর সালাত আদায়ের পদ্ধতি

আব্দুল আযীয ইবন ‌আব্দুল্লাহ ইবন বায
৭৯

নামাযে আমরা কীভাবে দু‘আ করব

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৮০

পকেট সালাত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৮১

পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর সম্মিলিত মুনাজাত

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৮২

ফজরের সালাত ও কিয়ামুল লাইলের জন্য সহায়ক উপকরণ

ড. রুকাইয়্যাহ বিনতে মুহাম্মদ আল-মাহারিব
৮৩

বেনামাযীর পরিণতি

মোঃ আবদুর রহমান
৮৪

মন দিয়ে নামায পড়ার উপায়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৮৫

মহা নাবীর সর্ব শেষ ওসিয়ত আস-সালাত, আস-সালাত

নূর মুহাম্মদ বদীউর রহমান
৮৬

রোযা বা সাওম

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৮৭

সাজদা থেকে (বসার পর) উঠার পদ্ধতি

মুহাম্মাদ আলী খাসখিলি
৮৮

সালাত আদায়ের জন্য আসো

খালেদ আবূ সালেহ
৮৯

সালাত আদায়ের পদ্ধতি

ড. সায়িদ ইবন আলী ইবন ওহাফ আল-কাহতানী
৯০

সালাত ও পবিত্রতা সম্পর্কে কয়েকটি বিশেষ প্রবন্ধ

আল্লামা শায়খ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায ও শায়খ মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৯১

সালাত ত্যাগকারীর বিধান

আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায রহ. ও মুহাম্মদ বিন সালেহ আল ওসাইমীন রহ.
৯২

সালাত বর্জনকারীর বিধান

মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন
৯৩

সালাত শিক্ষা

ড. আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ আলী আয-যাইদ
৯৪

সালাতুল আউওয়াবীন

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
৯৫

সালাতে একাগ্রতা অর্জনের ৩৩টি উপায়

শাইখ মুহাম্মাদ সালিহ আল-মুনাজ্জিদ
৯৬

সালাতে বিনয়ী হওয়ার তেত্রিশ উপায়

মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জেদ
৯৭

সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের সমাধান

আশরাফুল ইসলাম
৯৮

সালাতের গুরুত্ব ও ফযীলত

শাইখ আব্দুল্লাহ ইবন সা‘দ ইবন ইবরাহীম আল-ফালেহ
৯৯

সালাতের শেষ বৈঠকে বসার পদ্ধতি

কামাল আহমাদ
১০০

সালাতের সময়সূচি

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
১০১

আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যাকাতের ভূমিকা

মোঃ এনামুল হক
১০২

ঈদুল ফিতর ও যাকাতুল ফিতর এর সংক্ষিপ্ত বিধি বিধান

গবেষণা বিভাগ, ‘দুরারুস সানিয়্যা ফাউণ্ডেশন’
১০৩

কুরআন ও সহীহ হাদীসে আলোকে সদকা-খয়রাত

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
১০৪

জাকাতের গুরুত্ব, ফজিলত ও ব্যয়ের খাতসমূহ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১০৫

দানে বাড়ে সম্পদ, বৃদ্ধি পায় মর্যাদা

কামাল উদ্দিন মোল্লা
১০৬

দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা

ইকবাল হুসাইন মাসুম
১০৭

ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম-৩ যাকাত

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
১০৮

ব্যবসায়িক পণ্যের যাকাত

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
১০৯

যাকাত ও সাওম বিষয়ক দু’টি পুস্তিকা

শাইখ আব্দুল আযীয আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
১১০

সিয়াম ও যাকাত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১১১

আল-কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে রামাদান মাসে একজন মুমিনের দায়িত্ব ও কর্তব্য

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
১১২

ই‘তিকাফ তাৎপর্য, উদ্দেশ্য ও বিধান

মুহাম্মদ আকতারুজ্জামান
১১৩

ইবন রজব আল-হাম্বলী রহ. এর ‘লাতায়িফুল মা‘আরিফ’ অবলম্বনে রমযানের দায়িত্ব-কর্তব্য

শাইখ যাইনুদ্দীন আব্দুর রহমান ইবন রজব আল-হাম্বলী রহ.
১১৪

ঈদের তাৎপর্য, করণীয় ও বর্জনীয়

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১১৫

কাদের রোযা কবুল হয়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১১৬

কীভাবে স্বাগত জানাব মাহে রমযানকে

আব্দুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আস-সুদাইস
১১৭

চাঁদ দেখা ও সন্দেহের দিন রোজা রাখা প্রসঙ্গে শরীয়তের বিধান

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১১৮

পবিত্র রমাদান মাসে আমাদের করণীয়

আব্দুল্লাহ আল-মামুন আল-আযহারী
১১৯

প্রশ্নোত্তরে রমযান ও ঈদ

অধ্যাপক মোঃ নূরুল ইসলাম
১২০

ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম-৪ সাওম

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
১২১

বিদায় মাহে রমযান...কিছু ভাবনা...

ইকবাল হুছাইন মাছুম
১২২

বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ে সাওম

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
১২৩

মুমিনদের জন্য মাহে রমজানের হাদিয়া

শায়খ সালেহ বিন ফাওযান আল ফাওযান
১২৪

রমজান ও পরবর্তী সময়ে করণীয়

আবুল কালাম আজাদ
১২৫

রমজানের ফজিলত ও তাৎপর্য

আবদুল বারী আস-সুবায়তী
১২৬

রমযান মাসের ৩০ আসর

শায়খ মুহাম্মদ ইবন সালেহ ইবন উসাইমীন রহ.
১২৭

রমযান মাসের ঐতিহাসিক ঘটনাবলী ও এর কিছু শিক্ষা

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
১২৮

রমযানের বিষয়ভিত্তিক হাদীস শিক্ষা ও মাসায়েল

ইবরাহীম ইবন মুহাম্মাদ আল-হাকীল
১২৯

রমাদান মাসের ৩০ আমল

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
১৩০

রাসূল যেভাবে রমজান যাপন করেছেন

ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী
১৩১

রোজাদার বোনদের প্রতি

আব্দুল মালেক আল কাসেম
১৩২

রোজার আদব

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৩৩

রোযার ফযীলত ও শিক্ষা আমাদের করণীয়

মোঃ আব্দুল কাদের
১৩৪

সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
১৩৫

সাওম বিষয়ক আধুনিক কিছু মাসআলা

ফিকহী গবেষণা সেন্টার, আল-ইমাম ইউনিভার্সিটি
১৩৬

সিয়াম ও রমজান শিক্ষা-তাৎপর্য-মাসায়েল

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৩৭

সিয়াম বিষয়ক নির্বাচিত ফাতাওয়া

ইসলাম কিউ. এ
১৩৮

সিয়াম, তারাবীহ ও যাকাত বিষয়ে কয়েকটি অধ্যায়

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
১৩৯

আকীকা এবং এ সংক্রান্ত কিছু বিধান

আলী হাসান তৈয়ব
১৪০

আপনার হজ ও শ্রম কবুল হোক; কিন্তু…হজের পর করণীয় কী

গবেষণা বিভাগ, দারু ইব্‌ন খুযাইমাহ
১৪১

ইখলাসের অপরিহার্যতা ও হজ কবূলে তার প্রভাব

ড. সালেহ ইবন আবদুল আযীয সিন্দী
১৪২

ইহরাম-এর শিক্ষা

মীর মন্জুর মাহমূদ
১৪৩

উমরা আদায়ের পদ্ধতি

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
১৪৪

কুরবানী ফযীলত ও আমল

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
১৪৫

কুরবানীর ইতিহাস, উদ্দেশ্য ও কতিপয় বিধান

ড. মোঃ আবদুল কাদের
১৪৬

কোরবানি তাৎপর্য ও আহকাম

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৪৭

জিলহজের প্রথম দশ দিনঃ তৎপর্য ও ফজিলত

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৪৮

জিলহজের প্রথম দশ দিনের ফযীলত এবং ঈদ ও কুরবানীর বিধান

আব্দুল মালেক আল-কাসেম
১৪৯

নবী ﷺ যেভাবে হজ করেছেন (জাবের রা. যেমন বর্ণনা করেছেন)

শাইখ মুহাম্মাদ নাসেরুদ্দীন আল-আলবানী – রাহেমাহুল্লাহ –
১৫০

ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম-৫ হজ

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
১৫১

বিদায় হজের খুতবা কিছু আলোকপাত

আলী হাসান তৈয়ব
১৫২

মাবরুর হজ

মুহাম্মদ ইবন জামীল যাইনু
১৫৩

মাসায়েলে কুরবাণী ও আক্বীক্বা

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
১৫৪

মীকাত ও এহরাম বিষয়ক মাসায়েল

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
১৫৫

যিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন, ঈদ, কুরবানি ও আইয়ামে তাশরীকের দিনসমূহ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১৫৬

যিলহজ, ঈদ ও কোরবানি

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৫৭

যিলহজের প্রথম দশক ফযীলত ও আমল

আলী হাসান তৈয়ব
১৫৮

সংক্ষিপ্ত হজ, উমরা ও যিয়ারত গাইড

ড. মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক, মাওলানা মুহাম্মদ আখতারুজ্জামান
১৫৯

সংক্ষিপ্ত হজ, উমরা ও যিয়ারত

নু‘মান আবুল বাশার
১৬০

সহজ হজ্জ ও ওমরাহ্‌ নির্দেশিকা

শাইখ আখতারুল আমান
১৬১

হজ ও কুরবানীর বিকল্পের নসীহত এক অসঙ্গত দাবী

আলী হাসান তৈয়ব
১৬২

হজ কিভাবে মাবরূর হবে

নুমান বিন আবুল বাশার
১৬৩

হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নান্দনিক আচরণ

ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী
১৬৪

হজ, উমরা ও যিয়ারত গাইড

ড. মনজুরে এলাহী, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান, নোমান আবুল বাশার কাউসার বিন খালেদ, ইকবাল হোসাইন মাসুম, আবুল কালাম আজাদ, জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের, মুহাম্মদ আখতারুজ্জামান
১৬৫

হজ, উমরাহ ও যিয়ারতের পদ্ধতি [মাসনূন দো‘আসহ]

হাজী ও উমরাকারীদের হাদিয়া অফিসস্থ ইসলামী গবেষণা পরিষদ, মক্কা
১৬৬

হজ-উমরার ফাযাইল ও উপকারিতা

আলী হাসান তৈয়ব
১৬৭

হজকর্মসমূহের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
১৬৮

হজে প্রদত্ত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ফাতাওয়া

সাঈদ আব্দুল কাদির বাশানফার
১৬৯

হজের পরে

মুহাম্মাদ আব্দুর রব আফ্‌ফান
১৭০

হজের সাথে সংশ্লিষ্ট আকীদাগত ভুল-ভ্রান্তিসমূহ

ড. আহমাদ ইবন উসমান আল-মাযইয়াদ
১৭১

হজের সুবাসিত সুরভি

শাইখ ড. সালেহ ইবন মুহাম্মদ আলে তালেব
১৭২

হজ্জ ও উমরাহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

শাইখ মুহাম্মদ সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
১৭৩

হজ্জ ও ওমরাহ

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
১৭৪

হজ্জের মর্মার্থ ও শিক্ষা

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
১৭৫

আমি তাওবা করতে চাই

মুহাম্মদ বিন সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
১৭৬

আল-কোরআন ও সুন্নাহ হতে সংকলিত শরীয়তসম্মত উপায়ে ঝাড়-ফুঁক

আবদুল্লাহ ইবন আব্দুর রহমান আল-জিবরীন রহ.
১৭৭

আল্লাহর নৈকট্য লাভের অনন্য উপায় তাওবা

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
১৭৮

আসুন গান-বাজনা থেকে তাওবা করি

আলী হাসান তৈয়ব
১৭৯

কান্নার ফযীলত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১৮০

কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তাওবা ও পাপ মোচনকারী কিছু আমল

মো. আব্দুল কাদের
১৮১

কুরআনে কারীম ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে গুনাহ্ মাফের আমল

শাইখ সালীম ইবন ‘ঈদ আল-হিলালী
১৮২

তওবা কেন ও কিভাবে

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৮৩

তাওবা

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
১৮৪

দরূদ

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১৮৫

দৈনন্দিন সহীহ দু‘আ ও কুরআন-সুন্নার চিকিৎসা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১৮৬

দো‘আ-মোনাজাত কখন ও কীভাবে

শাইখ ফায়সাল ইবন আলী আল-বা‘দানী
১৮৭

নামাযের দো‘আ ও যিক্‌র

পশ্চিম দীরাহ ইসলামী দাওয়াহ্ সেন্টার
১৮৮

ব্যাধি ও মহামারী রোগ হতে পরিত্রাণের দুর্গ

ইসলামিক সেন্টার রাবওয়া, রিয়াদ
১৮৯

মানুষের উপর জিনের আছর কারণ, প্রতিকার ও সুরক্ষার উপায়

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৯০

যিকিরের তাৎপর্য ও ফযীলত

আব্দুল্লাহ আল বাকী
১৯১

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর সালাত (দরূদ) পড়ার অর্থ, ফযিলত, পদ্ধতি ও স্থানসমূহ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১৯২

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত প্রয়োজনীয় দো‘আর এক অনবদ্য সংকলন আল-হিসনুল ওয়াকী

আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ আল-সাদহান
১৯৩

শার‘ঈ মানদণ্ডে তাবীয-কবচ এবং ঝাড়-ফুঁক

আব্দুল আলীম ইবন কাওসার
১৯৪

ইন্টারনেট ইমান, আখলাক ও বুদ্ধি-বিবেকের পরীক্ষা

মুহাম্মাদ ইবনে ইব্রাহীম আল হামদ
১৯৫

ইসলাম নিয়ে বিদ্রূপের ভয়ঙ্কর প্রবণতা

ড. আমীন ইব্‌ন আব্দুল্লাহ আশ-শাকাওয়ী
১৯৬

ইসলামে সালাতের গুরুত্ব

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১৯৭

ইসলামে হালাল উপার্জন গুরুত্ব ও তাৎপর্য

ড. মোঃ আবদুল কাদের
১৯৮

ইসলামের দৃষ্টিতে দুর্নীতি প্রতিরোধ প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ

অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম
১৯৯

উপার্জন ইসলামী দৃষ্টিকোণ

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
২০০

কবীরা গুনাহ

ইমাম শামসুদ্দীন আয-যাহাবী রহ.
২০১

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে ব্যভিচার ও সমকামিতার ভয়াবহ পরিণতি

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
২০২

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে মদপান ও ধূমপানের অপকারিতা

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
২০৩

কুরআন-হাদিসের আলোকে সুদের ক্ষতি-অপকার-কুপ্রভাব

সায়ীদ বিন আলী বিন ওয়াহাফ আল-কাহতানি
২০৪

কেন ধূমপান করেন

শাইখ মুহাম্মদ ইবরাহিম আল-হামদ
২০৫

খাদ্য ও পণ্য-দ্রব্যে ভেজাল ইসলামের দৃষ্টিতে এর প্রতিকার

ড. মো: আবদুল কাদের
২০৬

গান-বাজনার ব্যাপারে ইসলামের বিধান

আখতারুজ্জামান মুহাম্মাদ সুলাইমান
২০৭

গানের বিধান ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
২০৮

গীবত থেকে বাঁচার উপায়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২০৯

গুরুতর অপরাধ মানুষ হত্যা

আলী হাসান তৈয়ব
২১০

ঘুষের ভয়াবহতা ও তা থেকে উত্তরণের উপায়

ড. মো. আব্দুল কাদের
২১১

ঘৃণ্য অপরাধ খাদ্যে ভেজাল

আলী হাসান তৈয়ব
২১২

চোখের গুনাহ

মফিজুল ইসলাম
২১৩

জামা‘আতে সালাত আদায়ের গুরুত্ব, পরিপ্রেক্ষিত বর্তমান সমাজ

আবুল কালাম আজাদ
২১৪

তারাবীহ্‌ সালাতের রাকা‘আত একটি তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
২১৫

দুর্নীতি ও ইসলামের দৃষ্টিতে তার প্রতিকার

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
২১৬

নেশাজাত দ্রব্যের বিধান

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২১৭

প্রবৃত্তি পূজাই সকল ব্যাধির কারণ

ড. আব্দুল আজিজ আব্দুল লতিফ
২১৮

বলুন এটাই শেষ সিগারেট

শাইখ আব্দুল মুহসিন আল-কাসিম
২১৯

মিথ্যার প্রচলিত আকার-প্রকৃতি

শামসুল হুদা আযীযুল হক
২২০

মোবাইল ফোন ব্যবহার বৈধতার সীমা কতটুকু

মুফীজুল ইসলাম আব্দুল আযীয
২২১

যে সকল হারামকে মানুষ তুচ্ছ মনে করে থাকে

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
২২২

যে সকল হারামকে মানুষ হালকা মনে করে

মুহাম্মাদ ছালেহ আল-মুনাজ্জিদ
২২৩

সালাত সালাত সংযুক্তি অযু, গোসল এবং পবিত্রতা বিষয়ক প্রবন্ধ

মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উছাইমীন
২২৪

সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি

গবেষণা পরিষদ, আল-মুনতাদা আল-ইসলামী
২২৫

সূদ

শাহ মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান
২২৬

হারাম খাবার যে জন্য নিষিদ্ধ

আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান
২২৭

হালাল উপার্জন

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
২২৮

হালাল রিযিকের সন্ধানে

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২২৯

অলী আওলিয়াদের অসীলা গ্রহণ ইসলামি দৃষ্টিকোণ

শায়খ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায রহ.
২৩০

আমরা কি উদযাপন করব

মদীনাস্থ সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধকারী সরকারী সংস্থার অফিস থেকে প্রকাশিত
২৩১

আশুরা করনীয় ও বর্জনীয়

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৩২

আশূরায়ে মুহাররম ও আমাদের করণীয়

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
২৩৩

ইত্তেবায়ে রাসূল

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
২৩৪

ইলমে গায়েব

অধ্যাপক আবদুন নূর সালাফী (রহ.)
২৩৫

ইসলামে সুন্নাহ’র অবস্থান

শাইখ সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
২৩৬

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী প্রবর্তন ও প্রবর্তক একটি ঐতিহাসিক পর্যালোচনা

প্রফেসর ড. খন্দকার আ.ন.ম আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
২৩৭

ঈদে মীলাদুন্নবী

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৩৮

উম্মতের ওপর নবী মুহাম্মাদ মোস্তাফা সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের অধিকার

ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ, ড. আদেল আশ-শিদ্দী
২৩৯

উসীলা গ্রহণ বৈধ ও অবৈধ পন্থা

আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুল হামীদ আল-আসারী
২৪০

কুফুরের পরিণতি

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
২৪১

ছবি ও মূর্তি

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
২৪২

ছবি ও মূর্তির ব্যাপারে ইসলামের হুকুম

আখতারুজ্জামান মুহাম্মাদ সুলাইমান
২৪৩

জাদুকর্ম, জ্যোতিষ ও দৈবকর্ম এবং এতদসংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে ইসলামের বিধান

আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
২৪৪

জাহেলিয়াতের যে সব রীতিনীতির বিরোধিতা রাসূল করেছেন

শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আবদুল ওহ্‌হাব রহ.
২৪৫

দীনে ইসলামে বিদআত ক্ষতি ও কুপ্রভাব

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৪৬

দুআ-মুনাজাতে নবী রাসূলের অসীলা দেয়া একটি পর্যালোচনা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৪৭

নববর্ষ উদযাপন করার বিধান

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
২৪৮

নবীর সুন্নতকে আঁকড়ে ধরা ও তার প্রভাব

শাইখ মুহাম্মদ সালিহ আল-‘উসাইমীন রহ.
২৪৯

পবিত্র কুরআনের আলোকে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের রিসালাত

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
২৫০

প্রচলিত বিভিন্ন খতম তাৎপর্য ও পর্যালোচনা

শাইখ মুস্তাফা সোহেল হিলালী
২৫১

বাংলাদেশে প্রচলিত শির্ক বিদ‘আত ও কুসংস্কার পর্যালোচনা

মো: আব্দুল কাদের
২৫২

বিদ‘আত ও এর মন্দ প্রভাব

শাইখ আবদুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায
২৫৩

বিদ‘আত পরিচিতির মূলনীতি

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
২৫৪

বিদ‘আত হ’তে সাবধান

শায়খ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায
২৫৫

বিদআত থেকে সাবধান

শাইখ সালেহ বিন ফাওযান আল-ফাওযান (রহঃ)
২৫৬

বিদআত দর্পণ

আবদুল হামীদ ফাইযী আল মাদানী
২৫৭

বিদআত

ইকবাল হোসাইন মাছুম
২৫৮

বিদআতের পরিচয়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২৫৯

বৈধ ও অবৈধ অসীলা- আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ আল জুহানী

আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ আল জুহানী
২৬০

বৈধ ও অবৈধ অসীলা

ডক্টর আব্দুস সালাম বারজাস আল আব্দুল করীম
২৬১

ভ্রান্ত তাবিজ-কবচ

: মুহাম্মদ বিন সোলায়মান আল-মুফাদ্দা
২৬২

মানত সম্পর্কে আমরা কী জানি

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৬৩

মানবগোষ্ঠীর জন্য নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রিসালাতের প্রয়োজনীয়তা

আদেল আলী আশ-শিদ্দী ও আবদুর রাযযাক মা‘আশ
২৬৪

মাযারে প্রচলিত বিদআতসমূহ

কাউসার বিন খালেদ
২৬৫

মিলাদ মাহফিল

মুহাম্মাদ হারুন হুসাইন
২৬৬

মীলাদ প্রসঙ্গ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
২৬৭

মুহররম মাসে শিয়া সম্প্রদায়ের মাতম বিষয়ক বিদয়াত

আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আযিয আহমদ আত-তুয়াইজিরী
২৬৮

মূর্তি বনাম ভাস্কর্য সমকালীন বিতর্ক

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৬৯

মৃত ব্যক্তির জন্য ইছালে ছাওয়াব শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৭০

মৃত ব্যক্তির দাফন কাফন

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
২৭১

মৃত-ব্যক্তির জন্য করণীয় কাজের মাসনূন পদ্ধতি

আ.শ.ম শোয়াইব আহমাদ
২৭২

যুলুমের ভয়াবহ পরিণাম ও বাঁচার উপায়

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
২৭৩

যে কেউ কোনো জাতির সাথে সামঞ্জস্য বিধান করে চলবে সে তাদের দলভুক্ত বলে গণ্য হবে

ড. নাসের ইবন আবদিল কারীম আল-‘আকল
২৭৪

যেসব কারণে ইবাদাত বরবাদ হয়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২৭৫

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহর উপর আমলের আবশ্যকতা আর তার অস্বীকারকারীর কাফের হওয়া

আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
২৭৬

রাসূলুল্লাহ সা. তোমাদেরকে যা দিয়েছেন তা গ্রহণ কর

ড. আদেল আশ-শিদ্দী, ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ
২৭৭

শবে বরাত ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
২৭৮

শবে বরাতঃ সঠিক দৃষ্টিকোণ

আব্দুল্লাহ শহীদ আবদুর রহমান
২৭৯

শবেবরাত

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
২৮০

শরী‘আতের স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও বিদ‘আতের ভয়াবহতা

শাইখ মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
২৮১

শাবান মাস বিবিধ আলোকপাত

কামাল উদ্দিন মোল্লা
২৮২

শাবানের পনেরতম রজনী উদযাপনের বিধান

আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায
২৮৩

শিরক

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২৮৪

শির্ক কী ও কেন

ড. মুহাম্মদ মুয্‌যাম্মিল আলী
২৮৫

শির্কের সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ

সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
২৮৬

সবচেয়ে বড় গুনাহ

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আহমদ আল-আম্মারী
২৮৭

সুন্নতের আলো ও বিদআতের আঁধার

সাঈদ বিন আলী ইবনে ওহাফ আল-কাহতানী
২৮৮

সুন্নতের প্রতি যত্নবান হওয়ার আদেশ ও তার আদব

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৮৯

সুন্নাত ও বিদয়াত

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (র.)
২৯০

সুন্নাত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২৯১

সুন্নাতে রাসূলুল্লাহ আঁকড়ে ধরা ও বিদ‘আত থেকে সতর্ক থাকা

আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
২৯২

অকাল মৃত্যু বলে কিছু নেই

আলী হাসান তৈয়ব
২৯৩

আত্মহত্যা কোনো সমাধান নয়; সমস্যা

আলী হাসান তৈয়ব
২৯৪

এসো জান্নাতের পথে

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
২৯৫

কবর যিয়ারত ও কবরবাসীর কাছে সাহায্যের আবেদন

শাইখুল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যাহ
২৯৬

কবর যিয়ারত সংক্রান্ত কতিপয় জাল ও দুর্বল হাদীস

শাইখ হাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ আল-আনসারী আল-খাযরাজী আস-সা‘দী
২৯৭

কবরের প্রশ্ন ও প্রাসংগিক আলোচনা

মুহাম্মাদ মুনিরুজ্জামান বিন আশরাফ আলী
২৯৮

কবরের বর্ণনা

মুহাম্মদ ইকবাল কীলানী
২৯৯

কবরের শাস্তি ও শান্তি সম্পর্কে কতিপয় মাসআলা বারযাখী জীবন

শাইখ খালেদ ইবন আব্দুর রহমান আশ-শায়ে‘
৩০০

কিয়ামতের আলামত

আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
৩০১

কিয়ামতের ভয়াবহতা ও তারপর

আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
৩০২

কীভাবে আপনি জান্নাত লাভ করবেন

ইউসুফ ইবন মুহাম্মাদ আল ‘উয়াইয়েদ
৩০৩

কুরআন ও সুন্নাহ’য় বর্ণিত শাফা‘আত এবং শাফা‘আতকারী

শাইখ ইবরাহীম ইবন আবদিল্লাহ আল-হাযেমী
৩০৪

কুরআন ও সুন্নাহ্‌র আলোকে জান্নাত ও জাহান্নাম

আব্দুর রহমান বিন সাঈদ বিন আলী বিন ওহাফ আল-কাহতানী রহ.
৩০৫

কুরআন ও হাদীসের আলোকে মহাসাফল্য ও বড় ব্যর্থতা

ড. সাঈদ ইবন আলী ইবন ওয়াহাফ আল-ক্বাহত্বানী
৩০৬

কুরআনের আলোকে জান্নাত ও জাহান্নাম

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
৩০৭

ঘুমানোর আগে মরণের স্মরণ

আলী হাসান তৈয়ব
৩০৮

জান্নাত ও জাহান্নাম

শায়েখ আলী ইবনে আব্দুর রহমান আল-হুজাইফী
৩০৯

জান্নাতও জাহান্নামএর সংবাদপ্রাপ্ত নারী-পুরুষগণ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৩১০

জান্নাতের পথ

মুহাম্মাদ মুনিরুজ্জামান বিন আশরাফ আলী
৩১১

জান্নাতের পথে

আবু আব্দির রহমান
৩১২

জান্নাতের প্রতি আগ্রহী ও জাহান্নাম থেকে পলায়নকারীর জন্য বিশেষ উপদেশ

রাশেদ বিন আব্দুর রহমান আয-যাহরানী
৩১৩

পরকাল ভাবনা

মুহাম্মদ শামছুল হক ছিদ্দিক
৩১৪

মৃত্যু ও কবর সম্পর্কে করণীয় ও বর্জনীয়

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
৩১৫

যা হবে মরণের পরে

আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
৩১৬

সহীহ সুন্নাহ’র আলোকে জান্নাতের বৈশিষ্ট্য

ওয়াহিদ ইবন আবদিস সালাম বালী
৩১৭

আত-তাফসীর আল-মুইয়াসসার (দ্বিতীয় পারা)

একদল বিশেষজ্ঞ সৌদী আলেম
৩১৮

আমরা কিভাবে কুরআন বুঝব

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৩১৯

আম্মা পারা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩২০

আল কোরআন ও আধুনিক যুগের চাহিদা

জহির উদ্দিন বাবর
৩২১

আল-কুরআন ইসলামী শরীয়াহ্-এর অন্যতম উৎস

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৩২২

আল-কুরআন একটি মহা মু‘জিযা

ড. সা‘ঈদ ইবন আলী ইবন ওয়াহাফ আল-ক্বাহত্বানী
৩২৩

আল-কুরআন ও তার সুমহান মর্যাদা

শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ আলে শাইখ
৩২৪

আল-কুরআনুল কারিম হিফয করার ব্যবহারিক পদ্ধতি

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩২৫

আল-কুরআনুল কারীম মর্যাদা, শিক্ষা ও বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা

ইকবাল হুসাইন মাসুম
৩২৬

আল-কুরআনুল কারীমের অর্থানুবাদ প্রেক্ষাপট ও আবশ্যকীয় জ্ঞান

আলী হাসান তৈয়ব
৩২৭

আল-কুরআনের আলোকে মানুষের স্বরূপ বিশ্লেষণ

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৩২৮

আল-কুরআনের সংক্ষিপ্ত তাফসীর [সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১-১৪১]

কতিপয় উলামা
৩২৯

ইহতিসাব সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে অবতীর্ণ আয়াতসমূহ

নুমান আবুল বাশার
৩৩০

কুরআন আপনার পক্ষের কিংবা বিপক্ষের দলিল

মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মদ আল-ইম্মারি
৩৩১

কুরআন ও দীনি ইলম শিক্ষার বিনিময় পারিশ্রমিক নেওয়া

প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ ইবন মুবারক আলে সাইফ
৩৩২

কুরআন তিলাওয়াত ফযীলত ও আদব

আলী হাসান তৈয়ব
৩৩৩

কুরআন তিলাওয়াত করার নিয়ত

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩৩৪

কুরআন তিলাওয়াতের ফজিলত

মুহাম্মদ বিন সালেহ আল-উসাইমীন
৩৩৫

কুরআন শিক্ষা এবং এ খাতে ব্যয় প্রসঙ্গে

আলী হাসান তৈয়ব
৩৩৬

কুরআন শিক্ষা বিধান, পদ্ধতি ও ফযীলত

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
৩৩৭

কুরআনুল কারিমে সম্পদ ও নফসের জিহাদ একসাথে উল্লেখ করার হিকমত

ড. তাওফিক আলী যাবাদী
৩৩৮

কুরআনের সঙ্গে পূর্বসূরীদের সম্পর্ক

খালেদ ইবন আবদুল্লাহ আল-মুসলিহ
৩৩৯

তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩৪০

তাফসীরুল কুরআন

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৩৪১

পবিত্র কোরআনে ইখলাস সম্পর্কে অবতীর্ণ আয়াতসমূহ

নুমান আবুল বাশার
৩৪২

পবিত্র কোরআনে ইত্তেবা সম্পর্কে অবতীর্ণ আয়াতসমূহ

নুমান আবুল বাশার
৩৪৩

সূরা ‘আসর’ আমাদের যা শেখায়

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৩৪৪

সূরা আত-তাওবার তাফসীর

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৩৪৫

সূরা আন-নাবা-এর তাফসীর

আবু আবদুল্লাহ কুরতুবী রহ.
৩৪৬

সূরা আল-ফাতিহা-এর তাফসীর

শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব রহ.
৩৪৭

সূরা আলে ইমরান

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩৪৮

সূরা কাফিরুন ও ইখলাস আমাদেরকে যা শেখায়

ফায়িয বিন সাঈদ আয-যাহরানী
৩৪৯

সূরা ফাতিহা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩৫০

হাফেয ইবন কাসীরের তাফসীর থেকে সংক্ষেপিত সূরা আল-আনফালের তাফসীর

শাইখ আহমদ মুহাম্মাদ শাকের
৩৫১

One Hadith a Day (সহীহ বুখারী থেকে ৩৬৫টি হাদীস ও শিক্ষা)

আমির জামান, নাজমা জামান
৩৫২

কল্যাণকর কাজে উদ্বুদ্ধকারী কতিপয় হাদীস

মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ
৩৫৩

গুরুত্বপূর্ণ বিশটি হাদিসের ভাষ্য

গবেষণা পরিষদ: আল-মুনতাদা আল-ইসলামী
৩৫৪

নির্বাচিত হাদীস চতুর্থ খণ্ড

ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ
৩৫৫

নির্বাচিত হাদীস পঞ্চম খণ্ড

ডক্টর মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ
৩৫৬

রমযান বিষয়ে জাল ও দুর্বল হাদিসসমূহ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩৫৭

শামায়েলে তিরমিযী

মুহাম্মাদ বিন ঈসা আত তিরমিযী (রহ.)
৩৫৮

সহীহ হাদীসে কুদসী

আবু আব্দুল্লাহ মুস্তফা আল-আদাভী
৩৫৯

সুন্নাহের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৩৬০

হাদিসের প্রামাণিকতা

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩৬১

হাদীছের গল্প

গবেষণা বিভাগ, হাদীছ ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ
৩৬২

হাদীছের প্রামাণিকতা

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৩৬৩

হাদীস সংকলনের ইতিহাস

মওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহীম (রহ)
৩৬৪

অযু ব্যতীত কুরআনুল কারীম স্পর্শ করার বিধান

একদল বিজ্ঞ আলেম
৩৬৫

আল-ফাতাওয়া আল-মাক্কীয়্যাহ

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
৩৬৬

আল্লাহর আইন বাস্তবায়ন এবং এর পরিপন্থী বিষয় বর্জনের অপরিহার্যতা

আশ-শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ ইবন বায
৩৬৭

আল্লাহর ওপর ঈমানের অর্থ

ইসলাম কিউ এ
৩৬৮

ইসলামী আইন না মানার বিধান কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
৩৬৯

ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা

ড. আবদুল করিম জায়দান
৩৭০

ইসলামী শরীআতে শাস্তির বিধান

ড. আব্দুল কারীম যাইদান
৩৭১

ইসলামী শরীয়াহর বাস্তবায়ন ও উম্মাহর উপর এর প্রভাব

আব্দুল্লাহ ইবন স‘উদ আল-হুয়াইমিল
৩৭২

ইসলামী শারীয়াহ্ এর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য বর্তমান প্রেক্ষাপটে এর গুরুত্ব

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৩৭৩

ইসলামে মানবাধিকার

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
৩৭৪

কাফিরদেরকে ইসলামের প্রতি দাওয়াত না দিলে কি মুসলিমগণ অপরাধি হবে

ইসলাম কিউ এ
৩৭৫

খাদ্য ও পানীয় বিষয়ে ইসলামের বিধি-বিধান

মুহাম্মাদ ইবন ইবরাহীম ইবন আব্দুল্লাহ আত-তুইজিরী
৩৭৬

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নির্বাচিত ফাতাওয়া

মিরফাত বিনতে কামিল আবদিল্লাহ উসরা
৩৭৭

জানাযার বিধিবিধান সংক্রান্ত ৭০টি প্রশ্ন

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
৩৭৮

জিজ্ঞাসা ও জবাব (১ম খণ্ড)

ড. খোন্দকার আব্দুলাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ)
৩৭৯

তালাক ও তাহলীল

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৩৮০

দীনের ফিক্‌হ তথা জ্ঞানই ফিতনা থেকে বাঁচার সঠিক উপায়

শাইখ সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
৩৮১

ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে কি কোনো ইসলামী দলে যোগ দেওয়া যাবে

ইসলাম কিউ এ
৩৮২

ধূমপান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ফাতাওয়া

আমের সালেহ আলাওয়ী নাজী
৩৮৩

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি নূরের তৈরি

শাইখ আব্দুর রাকীব (মাদানী)
৩৮৪

নারী-পুরুষে দেখাদেখি, নির্জনে অবস্থান ও সহাবস্থান সংক্রান্ত বিবিধ ফাতওয়া

শাইখ আবদুল ‘আযীয ইবন আবদিল্লাহ ইবন বায, শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন, শাইখ আবদুল্লাহ ইবন আবদির রহমান আল-জিবরীন এবং স্থায়ী ফতোয়া বোর্ডের ফতোয়া
৩৮৫

ফিতনাতুত-তাকফীর

শায়খ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহ), শায়খ আব্দুল্লাহ বিন বায (রহ), শায়খ সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ), বিভিন্ন মুফাসসির ও মুহাদ্দিসদের (রহ) উদ্ধৃতি
৩৮৬

বারোশ’ (১২০০) মাস’আলা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩৮৭

মানুষের প্রাণ বাঁচাতেই কিসাস বা প্রাণদণ্ড

আলী হাসান তৈয়ব
৩৮৮

মাসিক আত-তাহরীক প্রশ্নোত্তর ২০১৫

দারুল ইফতা
৩৮৯

মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী

মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী
৩৯০

মুসলিমদের মা‘বুদ কে

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৩৯১

মেধাস্বত্ব ও কপিরাইট আইন

মাওলানা আবুল কালাম আযাদ
৩৯২

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সশরীরে এসে সাক্ষাত করেন, এমন ধারণা পোষণকারী ব্যক্তিকে কীভাবে প্রতিবাদ করব

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৩৯৩

শরিয়া বিধানের উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য

ইকবাল হোসাইন মাসুম
৩৯৪

শাস্তি প্রদান শরয়ি দৃষ্টিকোণ

আমর ইব্রাহীম
৩৯৫

শির্কের হাকিকত ও তার প্রকারসমূহ কী

ইসলাম কিউ.এ
৩৯৬

সহজ ফিকহ শিক্ষা

ড. সালিহ ইবন গানিম আস-সাদলান
৩৯৭

স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত বিবিধ প্রশ্ন-উত্তর

শাইখ মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন
৩৯৮

হিন্দু আশ্চর্যের কোনটি ভাল, হিন্দুধর্ম বা ইসলামের এবং কেন

ইসলাম কিউ এ
৩৯৯

হিল্লা, তালাক ও ফতোয়া যে কথাগুলো না বললেই নয়

আলী হাসান তৈয়ব
৪০০

অমুসলিমদের সাথে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আচরণ প্রসঙ্গ

ড. রাগিব আস-সারজানী
৪০১

আদর্শ মানব মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

এ এক এম নাজির আহমদ
৪০২

আপনার নবীকে চিনুন

মুহাম্মাদ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মাদ আল-আম্মারী
৪০৩

আল্লাহর রাসূলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আদর্শ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৪০৪

আল্লাহর রাসূলের প্রতি দরূদ-সালামের তাৎপর্য

ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ
৪০৫

ইউনুস ‘আলাইহিস সালামের ঘটনা

শায়খ ড. সালেহ আলে তালেব
৪০৬

কীভাবে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালোবাসব

মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৪০৭

চিনে নাও তুমি তোমার নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে

ড. আদেল আশ-শিদ্দী, ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ
৪০৮

দয়া ও ভালোবাসার অনন্য বিশ্ব নবী

আবু আব্দুর রাহমান
৪০৯

নবী আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চরিত্র ও গুণাবলি

নুমান বিন আবুল বাশার
৪১০

নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সাহায্য-সমর্থন করার একশত উপায়

ইকবাল হোসাইন মাছুম, কাউসার বিন খালেদ
৪১১

নবী জীবনী

আয-যুলফি দা‘ওয়াহ সেন্টার
৪১২

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের গুণাবলী

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
৪১৩

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে পবিত্রতা অর্জন করতেন

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
৪১৪

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মহিমান্বিত জীবনের শেষ একশ দিনের অসিয়্যতসমূহ

সালেহ ইবন আব্দুর রহমান আল-হুসাইন, আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ আল-হাজ
৪১৫

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমাজ সংস্কার

চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ
৪১৬

বিরুদ্ধবাদীদের সাথে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আচরণ

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৪১৭

বিশ্বনবী প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রের আদর্শ

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৪১৮

বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলা‌ইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শ (ইমাম ইবনুল কাইয়্যেম রহ. এর যাদুল মা‘আদ হতে সংক্ষেপিত)

ড. আহমাদ ইবন উসমান আল-মাযইয়াদ
৪১৯

বিশ্বমানবতার প্রতি বিশ্বনবীর শাশ্বত অবদান

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৪২০

মহানবীর অবমাননা ওরা যা করেছে আমরা যা করব

আলী হাসান তৈয়ব
৪২১

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবদান

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৪২২

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবদান

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৪২৩

রাসূল অবমাননার পরিণাম ও শাস্তি আমাদের করণীয়

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
৪২৪

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গৃহে একদিন

আব্দুল মালেক আল-কাসেম
৪২৫

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমকালীন আরবের অবস্থা ও তাঁর মক্কী জীবন

মো. আব্দুল কাদের
৪২৬

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহচর্য

শাইখ সালেহ ইবন আবদিল্লাহ আদ-দারওয়ীশ
৪২৭

রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামাজিক বিপ্লবের স্বরূপ

সিরজুল ইসলাম আলী আকবর
৪২৮

রাসূলের শানে সমসাময়িক ধৃষ্টতা আকার-প্রকৃতি ও নেপথ্য কাহিনী

নাসের বিন সুলাইমান আল-উমর
৪২৯

সমরবিদ হিসাবে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

মোঃ আবদুল কাদের
৪৩০

সর্বযুগের বিশ্বস্ত নবী

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৪৩১

সহীহ হাদীসের আলোকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়তের প্রমাণ

শাইখ মুকবিল ইবন হাদী আল ওয়াদি‘য়ী
৪৩২

আবু বকর ও উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমার জীবনের কিছু ঘটনা

হোমায়রা বান
৪৩৩

আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা

আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী
৪৩৪

আয়েশা রাদিআল্লাহু ‘আনহার ফজিলত

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৪৩৫

আল্লামা নওয়াব সিদ্দীক হাসান খান ভুপালী জীবন ও কর্ম

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
৪৩৬

আল্লামা মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী রহ.এর সংক্ষিপ্ত জীবনী

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
৪৩৭

ইহসান ইলাহী যহীর

নূরুল ইসলাম
৪৩৮

উম্মতের ওপর সাহাবীগণের অধিকারসমূহ

ড. সালিহ ইবন আব্দুল আযীয ইবন উসমান সিন্দী
৪৩৯

উসমান (রাঃ) রাঃ সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা

মূল আহমাদ আব্দুল আলি তাহতাভী
৪৪০

ওমর (রাঃ) সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা

আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী
৪৪১

ওমর ইবনে আবদুল আজীজ

রশীদ আখতার নদভী
৪৪২

খলিফা মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু সম্পর্কে ইনসাফপন্থীদের কিছু বাণী

আব্দুল মুহসিন ইবন হামদ আল-আব্বাদ
৪৪৩

ছাহাবা ন্যায়নিষ্ঠতা ও সুমহান মর্যাদা

মুস্তাফা কাসেম আব্বাস
৪৪৪

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবিবৃন্দ

ইকবাল হোসাইন মাসুম
৪৪৫

সাহাবায়ে কেরামের প্রতি আমাদের কর্তব্য

আব্দুর রাযযাক ইব্‌ন আব্দুল মুহসিন আল-বাদ্‌র
৪৪৬

সাহাবীগণের মর্যাদা

সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
৪৪৭

সাহাবীগণের হক ও ফযীলত সম্পর্কে যথাযথ করণীয়

আব্দুল্লাহ ইবন সালিহ আল-কুসাইর
৪৪৮

সাহাবীদের পেয়েছি, কিন্তু আহলে-বাইতকে হারাই নি

আবু খলিফা আলি ইব্‌ন মুহাম্মদ আল-কুদাইবি
৪৪৯

সাহিত্যিক মাওলানা আহমাদ আলী

হাদীছ ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ
৪৫০

আক্বীদায়ে মোহাম্মদী বা মাযহাবে আহলেহাদীছ

মাওলানা আহমাদ আলী
৪৫১

আধুনিক সমাজ ব্যবস্থায় ইসলাম প্রচারের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীতা

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৪৫২

আল্লাহর দিকে আহ্বান ও দাঈর গুণাবলি

শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
৪৫৩

আল্লাহর দিকে দাওয়াতের সম্বল

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৪৫৪

আল্লাহর দিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দাওয়াতের বাস্তব কিছু নমুনা

সাঈদ ইবন আলী ইবন ওহাফ আল-কাহতানী
৪৫৫

আল্লাহর পথে দাওয়াত

ড. আ.ন.ম. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
৪৫৬

আহলেহাদীছ আন্দোলন কি ও কেন

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৪৫৭

ইক্বামতে দ্বীন পথ ও পদ্ধতি

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৪৫৮

ইসলামী আন্দোলনে বিজয়ের স্বরূপ

ডঃ নাছের বিন সোলায়মান আল-ওমর
৪৫৯

ইসলামী দাওয়াহ প্রসারে গণমাধ্যমের অবদান

ড. মো: আব্দুল কাদের
৪৬০

ইসলামী মিডিয়ার স্বরূপ ও তাৎপর্য

ড. মো: আব্দুল কাদের
৪৬১

উদাত্ত আহবান

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৪৬২

উপদেশতত্ত্ব

আকীল ইবন মুহাম্মাদ আল-মাকতিরী
৪৬৩

একজন ঈমানদার দা‘ঈর গুণাবলী

মুহাম্মদ শাহিদুল ইসলাম
৪৬৪

একটি পত্রের জওয়াব

মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী আল-কোরায়শী
৪৬৫

কুরআনের আলোকে নূহ আলাইহিস সালামের দা‘ওয়াহ কার্যক্রম

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৪৬৬

কুরআনের আলোকে মূসা আলাইহিস সালামের ব্যক্তিত্ব ও দা‘ওয়াহ কার্যক্রম

মো: আবদুল কাদের
৪৬৭

দল, সংগঠন, ইমারত ও বায়‘আত সম্পর্কে বিশিষ্ট উলামায়ে কেরামের বক্তব্য

আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার
৪৬৮

দাঈ ভাইদের প্রতি

চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ
৪৬৯

দাঈদের প্রতি বার্তা

শাইখ মোহাম্মাদ বিন সালেহ আল-উসাইমিন
৪৭০

নবী মুহাম্মদ সা. এর আগমনের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য, দা‘ওয়াতের পদ্ধতি ও কৌশল

ড. মো: আবদুল কাদের
৪৭১

মুসলিম উম্মতের সর্বসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দার্‌স-সমূহ

মাননীয় শাইখ আব্দুল আযীয ইব্‌ন আব্দুল্লাহ ইব্‌ন বায
৪৭২

মুসলিম উম্মাহর জন্য গুরুত্বপূর্ণ দরসের সাথে সংশ্লিষ্ট বিধান

শাইখ আবদুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায
৪৭৩

সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ গুরুত্ব ও তাৎপর্য

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৪৭৪

সৎকাজের আদেশ ও মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৪৭৫

সমাজ বিপ্লবের ধারা

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৪৭৬

অর্থনীতিতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এর দশ দফা

শাহ মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান
৪৭৭

ইসলাম ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ

ড. এম উমর চাপরা
৪৭৮

ইসলামি অর্থনীতি শান্তি ও সমৃদ্ধির অব্যর্থ ব্যবস্থা

আলী হাসান তৈয়ব
৪৭৯

ইসলামের অর্থনীতি

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ)
৪৮০

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মাদকাসক্তির প্রভাব ও তার সমাধান

ড. মো. মুস্তাফিজুর রহমান, মো. মোশাররফ হোসাইন
৪৮১

ব্যবসা-বাণিজ্য করনীয় ও বর্জনীয়

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
৪৮২

আল্লাহর বাণী আল-কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান

মোহাম্মদ ওসমান গনি
৪৮৩

ইসলাম প্রচারে মনোবিজ্ঞানের ভূমিকা

আব্দুল্লাহ আল-খাতির রহ.
৪৮৪

ইসলামী বিধান ও আধুনিক বিজ্ঞান (প্রথম খন্ড)

মুহাম্মাদ ওসমান গনি
৪৮৫

কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান

ডা. জাকির নায়েক
৪৮৬

কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান সামঞ্জস্যপূর্ণ না অসামঞ্জস্যপূর্ণ

ডঃ জাকির আবদুল করিম নায়েক
৪৮৭

সৃজনশীল ও বৈজ্ঞানিক চিন্তার ব্যবহার একটি ভূমিকা

নুমান বিন আবুল বাশার
৪৮৮

আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ১ম খন্ড

আবুল ফিদা হাফিজ ইবন কাসীর আদ-দামেশকী (র)
৪৮৯

আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ২য় খন্ড

আবুল ফিদা হাফিজ ইবন কাসীর আদ-দামেশকী (র)
৪৯০

ইতিহাসের ইতিহাস

গোলাম আহমাদ মোর্তজা
৪৯১

ইসলামের ইতিহাস ১ম খণ্ড

মাওলানা আকবর শাহ খান নজিববাদী
৪৯২

চেপে রাখা ইতিহাস

গোলাম আহমাদ মোর্তজা
৪৯৩

বাজেয়াপ্ত ইতিহাস

গোলাম আহমাদ মোর্তজা
৪৯৪

মুসলমানদের পতন অতীত বর্তমান (সালাহউদ্দীন আইউবীর আবির্ভাব পূর্ব ইসলামি বিশ্ব ও বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা)

মুহাম্মদ আল আবদাহ
৪৯৫

আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করার গুরুত্ব

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
৪৯৬

আত্মীয়তা-সম্পর্ক রক্ষা করা

আলী হাসান তৈয়ব
৪৯৭

আদর্শ মুসলিম পরিবার

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৪৯৮

ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা

মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ আল কাফী
৪৯৯

ইসলামী নীতিমালার আলোকে বরকত অর্জন

সালেহ ইবন আবদুল আযীয ইবন মুহাম্মাদ আলে শাইখ
৫০০

ইসলামে বন্ধুত্ব ও শত্রুতা

শাইখ সালেহ ইবন ফাউযান আল-ফাউযান
৫০১

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার ভয়াবহ পরিণতি

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
৫০২

কোরআন ও হাদিসের আলোকে এতিম প্রতিপালন

মুহাম্মদ ওসমান গনি
৫০৩

ধৈর্য-সবর কখন ও কিভাবে

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫০৪

পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় ইসলামের শিক্ষা

আলী হাসান তৈয়ব
৫০৫

পরিবার ও পারিবারিক জীবন

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (র.)
৫০৬

পানাহারের আদব

আখতারুজ্জামান মুহাম্মাদ সুলাইমান
৫০৭

পিতামাতার অবাধ্যতা কারণ, কিছু বাহ্যিক চিত্র ও প্রতিকারের উপায়

শাইখ মুহাম্মদ ইবন ইবরাহীম আল-হামাদ
৫০৮

প্রতিবন্ধী ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
৫০৯

প্রতিবেশীর হক

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৫১০

মেহমানের মেহমানদারি

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৫১১

যে চৌদ্দটি আমলে রিজিক বাড়ে

আলী হাসান তৈয়ব
৫১২

রাতে দ্রুত ঘুমানোর উপকারিতা

আব্দুল্লাহ ইবন জারুল্লাহ আলে জারুল্লাহ
৫১৩

রিযক ও তার অনুমোদিত উপকরণ

শায়খ সাউদ আল-শুরাইম
৫১৪

সময় সে তো জীবন

চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ
৫১৫

সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন

আমির জামান, নাজমা জামান
৫১৬

সৌভাগ্যময় ঘর ও স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্ব

ড. সালেহ ইবন আবদিল্লাহ ইবন হুমাইদ
৫১৭

সৌভাগ্যময় জীবনের পূর্ণাঙ্গ উপায়

শাইখ আবদুর রহমান ইবন নাসের আস-সা‘দী
৫১৮

হাদীসের আলোকে আদর্শ স্বামী

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল আযহারী
৫১৯

আয়াতুল কুরসী ও তাওহীদের প্রমাণাদি

শাইখ আব্দুর রায্‌যাক ইবন আব্দুল মুহসিন আল-বদর
৫২০

আল্লাহ তা‘আলার নান্দনিক নাম ও গুণসমগ্র কিছু আদর্শিক নীতিমালা

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
৫২১

আল্লাহ তা‘আলার হক বা প্রাপ্য

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৫২২

আল্লাহ তাআলার দশ অসিয়ত

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫২৩

আল্লাহ তাআলার পরিচয়

হাফেয নেছার উদ্দিন
৫২৪

আল্লাহকে সম্মান দেওয়া ও তাকে গালমন্দকারীর বিধান

শায়খ আব্দুল আজিজ আত-ত্বারীফি
৫২৫

আল্লাহর জন্য ভালোবাসার নিদর্শন

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৫২৬

আল্লাহর জন্য ভ্রাতৃত্ব

মাজেদ আলি হাসান হাবিব
৫২৭

আল্লাহর দর্শন

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
৫২৮

আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করুন, তিনি আপনাকে ভালোবাসবেন

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৫২৯

আল্লাহর পথের অভিযাত্রী

ড. লুতফুল্লাহ ইবন মোল্লা আব্দুল আযীম খাজা
৫৩০

আল্লাহর সুন্দর নামসমূহের ব্যাখ্যা

শাইখ আব্দুর রহমান ইবন নাসের আস-সা‘দী
৫৩১

কার ইবাদত করব ও কেন করব

মুহাম্মদ নূরুল্লাহ তারীফ
৫৩২

কুরআনে বর্ণিত আল্লাহর কিছু সৃষ্টি নিদর্শন

আলী হাসান তৈয়ব
৫৩৩

আল্লাহর নিকট অধিক পছন্দনীয় আমল

আসমা বিনতে রাশেদ আর-রুয়াইশেদ
৫৩৪

ইসলামের নৈতিকতা ও আচরণ

ড. মারওয়ান ইবরাহীম আল-কায়সি
৫৩৫

ইসলামের সৌন্দর্য

আল্লামা শাইখ আব্দুর রহমান বিন নসের সাদী রহ.
৫৩৬

একজন মুসলিমের চারিত্রিক গুণাবলি

ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ, ড. আদেল আশ-শিদ্দী
৫৩৭

কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে মুসলিম জীবনের আদব-কায়দা

ড. মো: আমিনুল ইসলাম
৫৩৮

তরবিয়ত ও চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন

শামছুল হক ছিদ্দিক, নোমান আবুল বাশার, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৩৯

ন্যায়ের আদেশ ও অন্যায়ের নিষেধ অত্যাবশ্যক

শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায
৫৪০

পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য

মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান
৫৪১

ব্যক্তি ও সমাজ সংশোধনে ইসলামি দিক নির্দেশনা

মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনূ
৫৪২

মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৫৪৩

মুসলিম জীবনে সততা ও সত্যবাদিতা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৪৪

মুসলিমের আদব বা শিষ্টাচার

আহমদ আল-মাযইয়াদ/আদেল ইবন আলী আশ-শিদ্দী
৫৪৫

যুব সমাজের অবক্ষয় ও তার প্রতিকার- জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৫৪৬

যুব সমাজের অবক্ষয় ও তার প্রতিকার

সালেহ ইবন্ ফাওযান আল-ফাওযান
৫৪৭

রহমানের বান্দাদের গুণাবলী

আবুল কাসেম মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ
৫৪৮

সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজে নিষেধ

ইকবাল হোছাইন মাসুম
৫৪৯

হিংসা ও অহংকার

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৫৫০

অধ্যয়ন ও জ্ঞানসাধনা

আবু বকর সিরাজী
৫৫১

অন্তরের আমল ইখলাস

মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জেদ
৫৫২

অন্তরের আমল দ্বীনদারি

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৫৫৩

আত্মগঠন

খালিদ ইবন আব্দুল আযীয আবাল খায়ল
৫৫৪

আত্মশুদ্ধি

খালেদ ইবন আব্দুল্লাহ আল-মুসলেহ
৫৫৫

ইখলাছ মুক্তির পাথেয়

ফয়সাল বিন আলী আল বাদানী
৫৫৬

ইখলাস কেন ও কীভাবে

গবেষণা পরিষদ আল-মুনতাদা আল-ইসলামী
৫৫৭

ইখলাস

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
৫৫৮

ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৫৯

ইলম অন্বেষণের ফযীলত ও মর্যাদা

হুসামুদ্দীন সালীম কিলানী
৫৬০

ইলম হাসিল সম্পর্কে পূর্বসুরীদের কিছু বাণী

হিসামুদ্দীন সালীম কিলানী
৫৬১

ইলমে দীন অর্জনের পথ ও পদ্ধতি

সালেহ ইবন আবদুল আযীয আলে শাইখ
৫৬২

ইসলাম ধর্মে সৎকর্ম কবুল হওয়ার শর্তাবলি

ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ
৫৬৩

ইসলামে ‘তাকওয়া’র স্বরূপ ও সমাজ জীবনে এর প্রভাব

ড. মোঃ ছানাউল্লাহ
৫৬৪

ইসলামের প্রাথমিক শিক্ষা

অনুবাদ ও গবেষণা বিভাগ, জুবাইল দাওয়া এন্ড গাইডেন্স সেন্টার
৫৬৫

এক ব্যক্তির ঘটনা এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভাবনা

আলী হাসান তৈয়ব
৫৬৬

একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইলম অর্জন করা

হুসামুদ্দীন সালীম কিলানী
৫৬৭

কল্যাণ ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে পরস্পরে সহযোগিতা করা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৬৮

কল্যাণকর কাজে প্রতিযোগিতার গুরুত্ব ও তাৎপর্য

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৬৯

কিতাবুল ইলম

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৫৭০

গুনাহের দরজা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৭১

চিন্তা ও উৎকন্ঠার ইসলামি এলাজ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৫৭২

চিন্তা ও কর্মে বাস্তবতার অনুশীলন

সানাউল্লাহ বিন নজির আহমদ
৫৭৩

তাকওয়া

আমির জামান, নাজমা জামান
৫৭৪

তাকওয়ার উপকারিতা

মুহাম্মদ ইব্‌ন সালেহ আল-উসাইমীন
৫৭৫

তাক্বওয়া অর্জনের উপায়

মোহাম্মদ ইমাম হোসাইন কামরুল
৫৭৬

তিনটি মতবাদ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৫৭৭

নবী-রাসূলগণের ঘটনায় রয়েছে শিক্ষা

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
৫৭৮

নয়টি প্রশ্নের উত্তর

মুহাম্মাদ নাছেরুদ্দীন আলবানী (রহঃ)
৫৭৯

পাপ আকার-প্রকৃতি, প্রভাব ও প্রতিকার

গবেষণা পরিষদ, আল-মুনতাদা আল-ইসলামী কেন্দ্রীয় কার্যালয়
৫৮০

প্রকাশ্য, অপ্রকাশ্য কাজ ও কথায় নিয়্যত করা এবং ইখলাছ অবলম্বন করা

আবু যাকারিয়া মুহিউদ্দীন ইয়াহইয়া বিন শরফ আন-নববী রহ.
৫৮১

প্রশংসনীয় গবেষণা

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৫৮২

প্রাচ্যবিদ্যা পরিভাষা বিশ্লেষণ

ফয়সাল বিন খালেদ
৫৮৩

প্রিয় নবীর সান্নিধ্যে চল্লিশ আসর

আদেল বিন আলী আশ-শিদ্দী
৫৮৪

বাংলাদেশে ইসলামি শিক্ষানীতির রূপরেখা

আবদুস শহীদ নাসিম
৫৮৫

বিপদে ধৈর্যধারণ দশটি উপদেশ

সানাউল্লাহ বিন নজির আহমদ
৫৮৬

মজলিসের সৌরভ

তুরকী ইবন ইবরাহীম আল-খানীযান
৫৮৭

মুরাকাবা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৮৮

মুসলিম উম্মাহর সংশোধনের গুরুত্ব ও পদ্ধতি

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
৫৮৯

মুহাসাবা বা আত্মপর্যালোচনা প্রয়োজন ও পদ্ধতি

শাইখ মুহাম্মাদ তাকী উসমানী
৫৯০

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শিক্ষাক্রম ও বর্তমান শিক্ষাক্রমের একটি তুলনামূলক পর্যালোচনা

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৫৯১

শয়তান থেকে বাঁচার কৌশল

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৫৯২

শরয়ী ইলম সংক্রান্ত কিছু জরূরী জ্ঞাতব্য বিষয়

আবু আব্দিল ইলাহ্ ছালেহ্ বিন মুক্ববিল আল্ উছায়মী আত্ তামীমী
৫৯৩

শিক্ষা সাহিত্য ও সংস্কৃতি

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ)
৫৯৪

সৎব্যক্তিদের আসরসমূহ থেকে চার আসর

শাইখ আহমদ আর-রুমী আল-হানাফী রহ.
৫৯৫

সবর কী ও কেন

আলী হাসান তৈয়ব
৫৯৬

সাধারণ ও ইসলামী শিক্ষা কী এবং কেন

আলী হাসান তৈয়ব
৫৯৭

সারা বিশ্বের মুসলিমদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় পাঠ সমূহ

শাইখ আব্দুল্লাহ বিন বায (রহ.)
৫৯৮

আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৫৯৯

আহমদ দীদাত রচনাবলি - ফজলে রাব্বী ও মুহাম্মদ গোলাম মোস্তাফা

আহমদ দীদাত
৬০০

ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের ২০টি বিভ্রান্তিকর প্রশ্নের জবাব

ডাঃ জাকির নায়েক
৬০১

ইসলামের উপর ৪০টি অভিযোগ এবং তার প্রমাণ ভিত্তিক জবাব

ডা. জাকির নায়েক
৬০২

ইসলামের কিছু আলোচিত বিষয়ে অগ্রহণযোগ্য বিভ্রান্তি

শাইখ সালেহ ইবন আবদুল্লাহ আল-হুমাইদ
৬০৩

ইসলামের সমালোচনা ও তার জবাব

ড. সাঈদ ইসমাঈল চীনী
৬০৪

ঈসা মসীহ ইসলামের এক নবী চার্চের বিকৃতির এক ঐতিহাসিক আলেখ্য

মুহাম্মাদ আতাউর- রহীম
৬০৫

কিতাবুল মোকাদ্দস, ইঞ্জিল শরীফ ও ঈসায়ী ধর্ম

ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
৬০৬

কুরআন ও সুন্নাহের ওপর আরোপিত বিভিন্ন প্রশ্নের জাওয়াব

শাইখ: আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায রহ., শাইখ: মুহাম্মাদ বিন সালেহ বিন উসাইমীন রহ., শাইখ: আব্দুর রায্‌যাক আফীফি রহ., শাইখ: আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-জাবরীন রহ., শাইখ: সালেহ বিন ফাওযান আল-ফাওযান
৬০৭

খ্রিস্টান বানানোর অপকৌশল থেকে সাবধান

ইলমী গবেষণা ও ফাতাওয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি
৬০৮

ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৬০৯

বাংলাদেশে নাস্তিক্যবাদী অপতৎপরতা প্রতিরোধের উপায়

আলী হাসান তৈয়ব
৬১০

যিশু কি সত্যিই ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন

ডা. জাকির নায়েক
৬১১

সংক্ষিপ্ত ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব

সাইয়্যেদ মাহমূদ শুকরী আলূসী
৬১২

সংক্ষেপিত ইযহারুল হক্ক

ড. মুহাম্মাদ আহমদ আব্দুল কাদির মালকাবী
৬১৩

আল আকসা মসজিদের ইতিকথা

এ. এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
৬১৪

আলোচিত রাত-দিন

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৬১৫

একজন ইমামের দায়-দায়িত্ব

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৬১৬

কুরআন ও সুন্নাহ’র আলোকে আযান ও ইকামত

সাঈদ ইবন আলী ইবন ওহাফ আল-কাহতানী
৬১৭

কুরআন ও সুন্নাহের আলোকে মসজিদের ফযিলত, বিধি-বিধান ও আদাব

ড. সাঈদ বিন আলী বিন ওহাফ আল-কাহতানী
৬১৮

জুমু‘আ ফযীলত ও বিধি-বিধান

শাইখ আবদুল আযীয ইবন আহমাদ আল-উমাইর
৬১৯

জুমু‘আর দিনের বিধান

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৬২০

নাবালক ছেলের ইমামতের বিধান

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬২১

মসজিদে গমন শিষ্টাচার ও প্রভাব

সালেহ ইবন হামেদ আর-রিফা‘ঈ
৬২২

মসজিদে নববী শরীফের যিয়ারত ও যিয়ারতকারীর জন্য কতিপয় সতর্কতা ও নির্দেশনা

ড. আব্দুল্লাহ ইবন নাজী আল-মাখলাফী
৬২৩

মসজিদের ইমামদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান

আব্দুল আযীয ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ আস-সাদহান
৬২৪

জিহাদ ও ক্বিতাল

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৬২৫

দাওয়াত ও জিহাদ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৬২৬

মুজাহাদা মুমিন জীবনের দিশারী

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৬২৭

ইসলামের দৃষ্টিতে আন্তধর্ম বিয়ে

আলী হাসান তৈয়ব
৬২৮

বিয়ে করণীয় ও বর্জনীয়

আলী হাসান তৈয়ব
৬২৯

বিয়ের প্রস্তাব করণীয় ও বর্জনীয়

আলী হাসান তৈয়ব
৬৩০

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বহুবিবাহ

শাইখ মুহাম্মদ আলী সাবুনী
৬৩১

স্ত্রী নির্বাচন

মফিজুল ইসলাম
৬৩২

হিল্লা বিয়ে

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬৩৩

অন্য-পথের-কন্যারা

Mrs. Carol. L. Anway M.S. Ed.
৬৩৪

অসহায় নারীদের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসুন

আলী হাসান তৈয়ব
৬৩৫

ইসলামে নারী বনাম ইয়াহূদী-খৃষ্টান ধর্মে নারী

ড. শরীফ আব্দুল আযীম
৬৩৬

ইসলামে নারীর অধিকার

আলী হাসান তৈয়ব
৬৩৭

ইসলামের পর্দা বিধান নিয়ে একটি লিখিত সংলাপ

আলী হাসান তৈয়ব
৬৩৮

কিতাবুন নিসা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৬৩৯

কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে পর্দা

মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমিন রহ.
৬৪০

জান্নাতী রমণী

মুহাঃ আবদুল্লাহ্‌ আল কাফী
৬৪১

জান্নাতে নারীদের অবস্থা

আলী হাসান তৈয়ব
৬৪২

নারী ইসলামের পূর্বে ও পরে

মুতয়েব উমার আল-হারেসী
৬৪৩

নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ইসলামের ভূমিকা

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৬৪৪

নারী শিক্ষা সম্পর্কে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি

ড. মো. আব্দুল কাদের
৬৪৫

নারীদের যে বিষয়গুলো না জানলেই নয়

আমির জামান, নাজমা জামান
৬৪৬

নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলাম

শাইখ আব্দুর রাজ্জাক ইবন আব্দুল মুহসিন আল-বদর
৬৪৭

নারীর ইসলামী শিক্ষার ব্যবস্থাকরণ

আব্দুল্লাহ আল-মামুন
৬৪৮

নারীর জান্নাত যে পথে

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬৪৯

নারীর প্রাকৃতিক রক্তস্রাব

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৬৫০

পর্দা একটি ইবাদত

মাদারুল ওয়াত্বান, শিক্ষা বিভাগ
৬৫১

পর্দা কেন

শাইখ মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন ইসমাঈল আল-মুকাদ্দিম
৬৫২

পর্দা জাতীয় উন্নতির পথে বাধা নয়

পর্দা জাতীয় উন্নতির পথে বাধা নয়
৬৫৩

পর্দা নারীর দুর্গ ও রক্ষাকারী ঢাল

চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ
৬৫৪

পর্দাহীনতার পরিণতি

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৬৫৫

ফেরারী নারী

আবু বকর সিরাজী
৬৫৬

মহিলাদের স্রাব ও প্রসূতি অবস্থার বিধিবিধান সংক্রান্ত ৬০টি প্রশ্ন

আল্লামা শাইখ মুহাম্মাদ ইব্‌ন সালেহ্‌ আল-উসাইমীন
৬৫৭

মুক্তবাসিনী-২

আবু বকর সিরাজী
৬৫৮

মুখমণ্ডল ঢাকা কি হিজাবের অংশ নয়

আলী হাসান তৈয়ব
৬৫৯

মুমিন নারীদের বিশেষ বিধান

ড. সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
৬৬০

মুসলিম নারী এবং সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য

অধ্যাপক ড. ফালেহ ইবন মুহাম্মাদ আস-সুগাইর
৬৬১

মুসলিম নারীর অধিকার ও দায়িত্ব ইসলামের ইশতিহার ও সনদ

ফায়সাল বিন খালেদ
৬৬২

মুসলিম নারীর অবশ্য পালনীয় কতিপয় আমল

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৬৬৩

শরঈ পর্দা বলতে কী বুঝায়

আলী হাসান তৈয়ব
৬৬৪

সম্পদে নারীর উত্তরাধিকার ইসলামই দিয়েছে প্রাপ্তির নিশ্চয়তা

মুহাম্মাদ আফীফ ফুরকান
৬৬৫

সৌন্দর্য প্রদর্শন ও বেপর্দা প্রসঙ্গে মুমিন নারীদের জন্য কতিপয় নির্দেশনা

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৬৬৬

একজন সফল গার্ডিয়ানের গুণাবলি

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৬৬৭

একজন সফল শিক্ষকের গুণাবলি

মুহাম্মাদ শামসুল হক সিদ্দিক
৬৬৮

কীভাবে আমরা সন্তানদের লালন-পালন করব

আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান
৬৬৯

ক্যারিয়ার বিকশিত জীবনের দ্বার

আইসিএস পাবলিকেশন
৬৭০

ভালো ছাত্র হওয়ার উপায়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৬৭১

মোরা বড় হতে চাই

আহসান হাবীব ইমরোজ
৬৭২

যেভাবে একজন হাজী তার সন্তানদের উপদেশ দেবে

নু‘মান আবুল বাশার
৬৭৩

শিশুদের লালন-পালন [মাতা-পিতার দায়িত্ব ও সন্তানের করণীয়]

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন জামীল যাইনূ রহ.
৬৭৪

সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানের ক্ষেত্রে করণীয়

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬৭৫

সন্তান প্রতিপালনে ইসলামের প্রেরণা

আলী হাসান তৈয়ব
৬৭৬

সন্তানের হক

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
৬৭৭

সফলতা আপনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকবে

আলী হাসান তৈয়ব
৬৭৮

সফলতার পথ-পথান্তর

ড. তাওফিক আলি যবাদি
৬৭৯

আকীদা ও ফিক্হ [ ১ম শ্রেণী ]

অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসাইন মোল্লা, ড. মো. আনোয়ারুল কবীর, অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম, ড. মো. মানজূরে ইলাহী, অধ্যাপক মো. নূরুল্লাহ
৬৮০

আকীদা ও ফিক্হ [ ২য় শ্রেণী ]

অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসাইন মোল্লা, ড. মো. আনোয়ারুল কবীর, অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম, ড. মো. মানজূরে ইলাহী, অধ্যাপক মো. নূরুল্লাহ
৬৮১

আকীদা ও ফিক্হ [ ৩য় শ্রেণী ]

অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসাইন মোল্লা, ড. মো. আনোয়ারুল কবীর, অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম, ড. মো. মানজূরে ইলাহী, অধ্যাপক মো. নূরুল্লাহ
৬৮২

গল্পে আঁকা ইতিহাস ১ -আঁধার রাতের বন্ধু

আলী তানতাভী
৬৮৩

গল্পে আঁকা ইতিহাস ২ -অপরাধী ও পুলিশ

আলী তানতাভী
৬৮৪

গল্পে আঁকা ইতিহাস ৪ -দুই ভাইয়ের গল্প

আলী তানতাভী
৬৮৫

গল্পে আঁকা ইতিহাস ৫ -দুই সওদাগরের কাহিনী

আলী তানতাভী
৬৮৬

গল্পে আঁকা ইতিহাস ৬ -আঙুর ও মন্ত্রীত্ব

আলী তানতাভী
৬৮৭

গল্পে আঁকা ইতিহাস ৭ -মন্ত্রীর ছেলে

আলী তানতাভী
৬৮৮

ছোটদের আকীদাহ ও আখলাক

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৬৮৯

শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মাতৃদুগ্ধদানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য

ড. হুসাইন আহমাদ
৬৯০

শিশু সাহিত্যসাধনায় মুসলমান

মিরাজ রহমান
৬৯১

শিশুদের তাওহীদ শিক্ষা

ড. আব্দুল আজীজ বিন মুহাম্মদ আল আব্দুল লতীফ
৬৯২

শিশুদের প্রতি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভালোবাসা

মনির হোসেন হেলালী
৬৯৩

শিশুর নাম নির্বাচন ইসলামী দৃষ্টিকোণ

মুহাম্মাদ নুরুল্লাহ তারীফ
৬৯৪

শিশুর নৈতিকতা গঠনে পারিবারিক শিক্ষা ও পর্দা অনুশীলনের গুরুত্ব

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৬৯৫

সোনামনিদের হাদীস শিক্ষা আসর-১

আলী হাসান তৈয়ব
৬৯৬

হে আমার মেয়ে

আলী আত-তানতাওয়ী আল-মিসরী
৬৯৭

আয়াতে তাতহীর ও হাদিসে কিসার অর্থ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬৯৮

কতিপয় প্রশ্ন যা শী‘আ যুবকদের সত্যের দিকে ধাবিত করেছে

সুলাইমান ইবন সালেহ আল-খারাশি
৬৯৯

কাদিয়ানী মতবাদ (পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ)

এহসান ইলাহী জহীর
৭০০

কাদিয়ানীরা নিন্দনীয় কেন

ড. রফী‘ উওনলা বাসীরী ইজীবুঈ
৭০১

দ্বাদশ-ইমামী শী‘আ ধর্মের মূলনীতিসমূহের সুস্পষ্ট রূপরেখা

মুহিব্বুদ্দীন আল-খতিব
৭০২

নুসাইরিয়া সম্প্রদায়

ড. গালেব ইব্‌ন আলি আওয়াজি
৭০৩

প্রত্যেক শীয়ার প্রতি আমার নসিহত

শায়খ আবু বকর জাবের আল-জাযায়েরি
৭০৪

বারো ইমামের অনুসারী শিয়াদের দৃষ্টিতে চার ইমাম (আবু হানিফা, মালেক, শাফে‘ঈ ও আহমাদ)

শাইখ খালেদ ইবন আহমাদ আয-যাহরানী
৭০৫

শিয়া আকিদার অসারতা

শাইখ মুহাম্মদ আবদুস সাত্তার আত-তুনসাবী
৭০৬

শিয়া আলেম ও অধিকাংশ মুসলিম আলেমের মধ্যে বিরোধের বাস্তব চিত্র

সা‘ঈদ ইসমাঈল
৭০৭

শিয়া ও মসজিদে আকসা

তারেক আহমদ হিজাযী
৭০৮

শিয়াদের আকীদা-বিশ্বাস

আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আস সালাফী
৭০৯

শী‘আ মতবাদের বিস্তৃতি

আব্দুল্লাহ আল-মাত্বরাফী
৭১০

সূফীবাদ কুরআন ও সুন্নাহ-এর মানদণ্ডে

মুহাম্মাদ জামীল যাইনূ
৭১১

সূফীবাদ

আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
৭১২

হিযবুল্লাহ সম্পর্কে কী জানেন

আলী আস-সাদিক
৭১৩

হুতী শিয়াদের আসল চেহারা

প্রফেসর ডক্টর সুলাইমান বিন সালিহ আল গুসন
৭১৪

অন্তর বিধ্বংসী বিষয় আসক্তি

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৫

অন্তর বিধ্বংসী বিষয় দুনিয়ার মহব্বত

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৬

অন্তর বিধ্বংসী বিষয় প্রবৃত্তির অনুসরণ

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৭

অন্তর বিধ্বংসী বিষয়সমূহ অহংকার

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৮

অন্তর-বিধ্বংসী বিষয়সমূহ ঝগড়া-বিবাদ

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৯

অন্তর-বিধ্বংসী বিষয়সমূহ নিফাক

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭২০

অমুসলিম সংখ্যালঘুদের প্রতি ইসলামের উদারতা

আলী হাসান তৈয়ব
৭২১

আমরা কাদের সাথে বন্ধুত্ব করব

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৭২২

আমার দেখা বৃটেন

ড. আব্দুল্লাহ খাতের রহ.
৭২৩

আল-গিরাস চিন্তার উন্মেষ ও কর্মবিকাশের অনুশীলন (১ম খন্ড)

তাওফীক বিন খলফ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-রেফায়ী
৭২৪

আলেমগণের মধ্যে মতভেদ কারণ এবং আমাদের অবস্থান

আল্লামা শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ্ আল-উসাইমীন
৭২৫

আল্লাহর (দ্বীনকে) রক্ষা কর, তিনি তোমাকে রক্ষা করবেন

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৭২৬

আশুরাকে ঘিরে ইসলামী আদর্শ ও জাহিলি কীর্তিকলাপ

আব্দুল আযীয ইবন মারযুক তারিফী
৭২৭

ইনসানে কামেল

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৭২৮

ইন্টারনেট দীন প্রচারের বিশ্বমঞ্চ

আলী হাসান তৈয়ব
৭২৯

ইবনুল কাইয়্যেম রহ.-এর আল-ফাওয়ায়েদ অবলম্বনে মুখতাসারুল ফাওয়ায়েদ

ড. আহমাদ ইবন উসমান আল-মাযইয়াদ
৭৩০

ইবনুল কাইয়্যেম রহ.-এর কিতাবুর রূহ অবলম্বনে রূহ সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত মাসআলাসমূহ

সুলাইমান ইবন সালিহ আল-খারাশী
৭৩১

ইবাদত-বন্দেগীতে মধ্যপন্থা অবলম্বন

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৩২

ইসলাম একমাত্র পরিপূর্ণ দীন

মুহাম্মাদ আল-আমীন ইবন মুহাম্মাদ আল-মুখতার আশ্‌-শানকীতী
৭৩৩

ইসলাম ও বাস্তবতার আলোকে আরব জাতীয়তাবাদ

শাইখ আব্দুল আযীয ইব্‌ন আব্দিল্লাহ্ ইব্‌ন বায -রাহেমাহুল্লাহ্-
৭৩৪

ইসলাম ও সার্বজনীন মানবাধিকার

শায়খ লিয়াকত আলী আব্দুস সবুর
৭৩৫

ইসলাম বাস্তববাদী জীবনাদর্শ

শায়খ লিয়াকত আলী আব্দুস সবুর
৭৩৬

ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলা নববর্ষ উদযাপন মুসলিমদের করণীয়

ইঞ্জিনিয়ার মো: এনামুল হক
৭৩৭

ইসলামী মিডিয়ার উৎস, মূলনীতি ও ভিত্তিসমূহ

ড. মো: আব্দুল কাদের
৭৩৮

ইসলামী সভ্যতা ও সংস্কৃতি

আবুল কালাম আযাদ আনোয়ার ও আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান
৭৩৯

ইসলামী সমাজে মজুরের অধিকার

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম
৭৪০

ইসলামে ইবাদত ভাব ও তাৎপর্য

ইকবাল হোছাইন মাছুম
৭৪১

ইসলামে ইবাদাত

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৭৪২

ইসলামে জিযয়াহ্‌র বিধান

ড. মুনকিয বিন মাহমুদ আস-সাক্কার
৭৪৩

ইসলামে দাস বিধি

আবদুল্লাহ নাসেহ ‘উলওয়ান
৭৪৪

ইসলামে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) এর বিধান

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
৭৪৫

ইসলামে শ্রমিকের অধিকার

আলী হাসান তৈয়ব
৭৪৬

ইসলামে সার্বভৌমত্বের স্বরূপ

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
৭৪৭

ইসলামের দৃষ্টিতে বিশ্ব ভালবাসা দিবস

আ.স.ম শোয়াইব আহমাদ (পিএইচ.ডি)
৭৪৮

উৎসাহ উদ্দিপনা মূলক গল্প

QuranerAlo Desk
৭৪৯

একগুচ্ছ মুক্তাদানা দ্বীনে ইসলামীর সৌন্দর্য

শাইখ আবদুর রহমান ইবন নাসের ইবন সা‘দী রহ.
৭৫০

এপ্রিলের মিথ্যাচার

মুহাম্মদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৭৫১

কি ঘটেছিল কারবালায় কারা হুসাইন রাদিয়াল্লাহ আনহুকে হত্যা করেছে

আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
৭৫২

কীভাবে করবো বর্ষবরণ

খালেদ ইবন হুসাইন ইবন আবদুর রহমান
৭৫৩

কুরআন ও সুন্নার আলোকে এইচআইভি এইডস প্রতিরোধে তরুণদের করণীয়

ড. মোহাম্মাদ মানজুরে ইলাহী
৭৫৪

কুরআন ও সুন্নাহর দৃষ্টিকোণে স্বপ্ন ও তার ব্যাখ্যা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৫৫

কুরআন ও হাদীসের আলোকে শাফা‘আত

মুহাম্মাদ নাজমুল ইসলাম
৭৫৬

কেউ কারও দাস নয়, সবাই আল্লাহর দাস

আলী হাসান তৈয়ব
৭৫৭

খেলাধুলা ও শরীরচর্চায় ইসলামী মূলনীতি

আলী হাসান তৈয়ব
৭৫৮

গল্পের মাধ্যমে জ্ঞান

হাদীছ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
৭৫৯

গুহাতে আশ্রয় গ্রহণকারী তিন ব্যক্তির গল্প

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৭৬০

জীবন দর্শন

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৭৬১

দাড়ি রাখা ওয়াজিব

এ.কিউ.এম মাসূম মজুমদার
৭৬২

দীনী কাজ সহজিকরণে কম্পিউটার

আলী হাসান তৈয়ব
৭৬৩

দীনের ওপর অবিচল থাকার উপায়

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৭৬৪

দুর্নীতি রোধে কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা ইসলামী দৃষ্টিকোণ

ড. মো. আকতার হোসেন
৭৬৫

নবুওয়তের দাবীদারদের উৎপত্তি ও ঐতিহাসিক পরিণতি

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
৭৬৬

নাজাফ সম্মেলন

সাইয়েদ আব্দুল্লাহ আস-সুওয়াইদী
৭৬৭

নিয়ত অনুসারে পরিণতি

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৭৬৮

নিয়ত একটি তাত্ত্বিক পর্যালোচনা

মু. সাইফুল ইসলাম
৭৬৯

পবিত্র মদীনা মুনাওওয়ারার নাম, ফযিলত ও এখানে অবস্থানের আদবসমূহ

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৭৭০

পরিবেশ বিপর্যয় রোধে ইসলাম

মাওলাই মোস্তাফা বারজাওয়ী
৭৭১

পশ্চিমা সংস্কৃতির কুপ্রভাব

আলী হাসান তৈয়ব
৭৭২

প্রকৃতি ও শরীয়ত স্বীকৃত অধিকার

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল উসাইমিন রহ.
৭৭৩

প্রতিপক্ষের মতামত খন্ডনে ইসলামি শিষ্টাচার

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৭৪

ফিদাক নিয়ে ফাতিমা ও আবূ বকরের মাঝে বিরোধের হাকীকত

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৭৭৫

ফেসবুক হোক দাওয়াতের বাতায়ন

আলী হাসান তৈয়ব
৭৭৬

বন্ধুত্ব ও শত্রুতা ইসলামী দৃষ্টিকোণে

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৭৭৭

বর্ষাকালের বিবিধ বিধান

আলী হাসান তৈয়ব
৭৭৮

বাংলাদেশের মাতৃভাষা আন্দোলনের উদ্দেশ্য ও ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি

মুহাম্মাদ শাহিদুল ইসলাম
৭৭৯

বিশ্ব বাবা দিবস ইসলামী দৃষ্টিকোণ

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৮০

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস পেছন ফিরে দেখা

আলী হাসান তৈয়ব
৭৮১

বিশ্ব মা দিবস শরয়ী দৃষ্টিভঙ্গি

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৮২

বেলা ফুরাবার আগে

আবু বকর সিরাজী
৭৮৩

বৈধ অবৈধের মানদণ্ডে পবিত্র মক্কার বিভিন্ন স্থানসমূহের সম্মাননা

শাইখ সা‘দ ইবন আলী আশ-শাহরানী
৭৮৪

মদিনা শরিফের ফজিলত জিয়ারত ও অবস্থানকালীন আদব

আব্দুল মুহসিন বিন হামাদ আল আববাদ আল বদর
৭৮৫

মদীনাতুন্নবীর যিয়ারত

আখতারুজ্জামান
৭৮৬

মানব ও সমাজসেবায় ইসলামের প্রেরণা

আলী হাসান তৈয়ব
৭৮৭

মানব সম্পদ উন্নয়নে ইসলাম

ড. হুসাইন আহমাদ
৭৮৮

মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কী হারালো?

সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী (র.)
৭৮৯

মুসলিম উম্মাহর মানসিক বিপর্যয়ঃ কারণ ও প্রতিকার

ড. আব্দুল্লাহ আল-খাতির
৭৯০

মুসলিম জাতির বিপর্যয়ের কারণ

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
৭৯১

মুসলিমের হক

আলী হাসান তৈয়ব
৭৯২

মুহররম ও আশুরার ফযীলত

মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৭৯৩

যখন চাইবে আল্লাহর কাছেই চাইবে

ইকবাল হোছাইন মাছুম
৭৯৪

যিয়ারতে মসজিদে নববী

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৭৯৫

রাফ‘উল মালাম সম্মানিত ঈমামগণের সমালোচনার জবাব

শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন আবদুল হালীম ইবন তাইমিয়্যাহ
৭৯৬

শয়তানের প্রবেশপথ

নুমান বিন আবুল বাশার
৭৯৭

শরীয়তের মানদন্ডে রজব মাসের ফজিলত

ফায়সাল বিন আলী আল-বাদানী
৭৯৮

সৎ মানুষের হৃদয়ে শয়তান প্রবেশের ধরণ ও প্রকৃতি

ডক্টর আব্দুল্লাহ আল-খাতির
৭৯৯

সমুদ্র নি‘আমতের অফুরান ভাণ্ডার

আলী হাসান তৈয়ব
৮০০

স্বনির্ভরতা অর্জনে ইসলাম একটি পর্যালোচনা

ড. হুসাইন আহমাদ
৮০১

হারাম শরীফের দেশ ফজিলত ও আহকাম

দা‘ওয়াহ ও উসূলুদ্দীন ফ্যাকাল্টি, উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর সালাত (দরূদ) পড়ার অর্থ, ফযিলত, পদ্ধতি ও স্থানসমূহ

লেখকঃ জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের পরিচ্ছেদ সংখাঃ ৬২

পরিচ্ছেদঃ ১

কিতাবের নাম/ লেখক/ অনুবাদক/ সম্পাদক

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর সালাত (দরূদ) পড়ার অর্থ, ফযিলত, পদ্ধতি ও স্থানসমূহ

সংকলক: জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের

সম্পাদনা: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
পরিচ্ছেদঃ ২

ভূমিকা

إِنَّ الْحَمْدُ للهِ ، نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِيْنُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ ، وَنَعُـوْذُ بِاللهِ مِنْ شُرُوْرِ أَنْفُسِنَا ، وَمِنْ سَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا ، مَنْ يَّهْدِهِ اللهُ فَلاَ مُضِلَّ لَهُ ، وَمَنْ يُّضْلِلِ اللهُ فَلاَ هَادِيَ لَهُ ، وَأَشْهَدُ أَنْ لاَّ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ

নিশ্চয়ই যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্য। আমরা তারই প্রশংসা করি, তার কাছে সাহায্য চাই, তার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি। আল্লাহর নিকট আমরা আমাদের প্রবৃত্তির অনিষ্টতা ও আমাদের কর্মসমূহের মন্দ পরিণতি থেকে আশ্রয় কামনা করি। আল্লাহ যাকে হেদায়েত দেন, তাকে গোমরাহ করার কেউ নেই। আর যাকে গোমরাহ করেন তাকে হেদায়েত দেওয়ার কেউ নেই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্যিকার ইলাহ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরিক নেই। আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। সালাত ও সালাম নাযিল হোক তার উপর, তার পরিবার-পরিজন ও তার সাহাবীদের উপর এবং যারা কিয়ামত অবধি এহসানের সাথে তাদের অনুসরণ করেন তাদের উপর।

জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান বস্তু হল সময়। সময় কারো জন্য অপেক্ষা করে না। সময়ের সমুদ্র খুব দ্রুত বয়ে যায়। কোথাও থেমে যায়না কিংবা কারও অপেক্ষা করে না। এটি সময়ের মেহেরবানী যে, সে অনবরত চলতে থাকে এবং আমাদেরকে জীবনের দুঃখ-দুর্দশা ও মুসিবত সহ্য করার উপযোগী করে তুলে। সৌভাগ্যবান ব্যক্তি সে যে সময়কে কাজে লাগাতে পারে। আবহমান সময় মনের দুঃখের উৎকৃষ্ট উপশম। যদি সময় থেমে যায় তাহলে মনে হয় পৃথিবীতে মানুষ বেঁচে থাকা অসম্ভব হবে। আর প্রত্যেক মানুষ দুঃখের স্বরূপ ও বিষণ্ণতার ভাস্কর্য মনে হবে।

আমরা যারা হাদিস অধ্যয়ন করি, পড়ি বা লিখি তারা, অবশ্যই নবীকুল শিরোমণি, মুত্তাকীদের ইমাম, সারা জাহানের জন্য রহমত, পাপীদের জন্য আল্লাহর অনুমতিক্রমে শাফা‘আতকারী এবং সত্য পথের প্রদর্শক মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মুবারক নাম মুখ দিয়ে বার বার উচ্চারণ করে থাকি। সত্যবাদী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের এক সাথী উবাই ইবনু কা‘ব রাদিয়াল্লাহু আনহুকে কতই না সত্য কথা বলেছেন যে, হে কা‘ব! যদি তুমি তোমার সম্পূর্ণ সময় আমার উপর দরূদ পড়ার জন্য ব্যয় করে দাও তাহলে তোমার দুনিয়া ও আখিরাতের দুশ্চিন্তা ও দুঃখের জন্য তা যথেষ্ট হবে। [তিরমিযী: ২৪৫৭।]

আল্লাহ তা‘আলা কুরআনুল কারীমে স্বীয় কালাম সম্পর্কে বলেন,

﴿ٞۗ قُلۡ هُوَ لِلَّذِينَ ءَامَنُواْ هُدٗى وَشِفَآءٞۚ ٤٤ ﴾ [ فصلت : ٤٤ ]

“হে মুহাম্মদ! আপনি বলে দিন। ঈমানদারদের জন্য এই কুরআন হিদায়েত ও শিফা”। [সূরা ফুসসিলাত, আয়াত: ৪৪]

এই একই কথা নির্দ্বিধায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসের ব্যাপারেও বলা যেতে পারে যে, ঈমানদারদের জন্য তা হল হিদায়েত ও শিফা। আল্লাহর নবীর উপর দরূদ পড়ার নির্দেশ তো আল্লাহ নিজেই দিয়েছেন। সুতরাং, নবীর উপর দরূদ পড়ার অর্থই আল্লাহর আদেশের বাস্তবায়ন ও হুকুম পালন করা। আর নিঃসন্দেহে বলা যায় আল্লাহর আদেশ নিষেধ মানা ও তার বাস্তবায়নই হল হিদায়েত। আল্লাহর কুরআন যেমন মানব জাতির জন্য শিফা, অনুরূপভাবে আল্লাহর রাসূলের হাদিসও মানব জাতির জন্য শিফা। এ বিষয়ে অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা রয়েছে। যেমন-

ইমাম রমাদী রাহিমাহুল্লাহ রাহিমাহুল্লাহ সম্পর্কে “তারীখে বাগদাদ” নামক গ্রন্থে লিখিত আছে: যখন তিনি অসুস্থ হয়ে পড়তেন তখন বলতেন: আমাকে হাদিস পড়ে শুনাও কেননা তাতে রয়েছে শিফা। পাক ভারত উপমহাদেশে শাহ ওয়ালী উল্লাহ রাহিমাহুল্লাহ এর পরিবারের ধর্মীয় অবদানের কথা কার অজানা?। তাঁর পিতা শাহ আব্দুর রহীম রাহিমাহুল্লাহ বলতেন: দ্বীনি খেদমতের যা সৌভাগ্য আমি অর্জন করেছি তা সব একমাত্র দরূদ শরীফের বরকতেই করেছি।

আল্লামা সাখাবী রাহিমাহুল্লাহ ‘আল কাউলুল বদী’ গ্রন্থে অনেক মুহাদ্দিসের স্বপ্ন বর্ণনা করেছেন। যার দ্বারা প্রতিয়মান হয়, তাদের সবাইকে শুধুমাত্র এ কারণেই ক্ষমা করা হয়েছে যে তাঁরা হাদিস লেখার সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামের সাথে সাথে দরূদ পড়তেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়ার গুরুত্ব ও ফযীলত যে কত অপরিসীম তা আমরা চিন্তাই করতে পারি না। আমরা বিভিন্নভাবে আমাদের সময়কে অপচয় করে থাকি। যদি আমরা সময়কে অপচয় করে আল্লাহর নবীর উপর দরূদ পড়তে থাকি, তা আমাদের একদিন কাজে লাগবে।

এ বিষয়ে আমাদের জ্ঞানের অভাব খুবই প্রকট। তবে এটি যেমনটা চিন্তনীয় বিষয় তার চেয়েও অধিক দুশ্চিন্তার বিষয় হল, আমাদের অজ্ঞতার কারণে আমাদের সমাজে দরূদের নামে বিভিন্ন ধরনের কু-সংস্কার, বিদ‘আত, বানোয়াট ও উদ্ভট কথা-বার্তার প্রচলন। অনেকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি অতি ভক্তি প্রদর্শন করে এবং তাকে অধিক সম্মান দেখাতে গিয়ে তার সম্পর্কে এমন উদ্ভট কথা-বার্তা বলে থাকে, যা তার জন্য কখনোই প্রযোজ্য নয়। তিনি যে একজন আল্লাহর সৃষ্টি বা মাখলুক তাকে সে মর্যাদায় না রেখে অতি উৎসাহী কিছু লোক তাকে আল্লাহর মর্যাদায় পৌঁছে দেন। ফলে দেখা যায়, দরূদের নামে রাসূল সম্পর্কে এমন কিছু কথা রাসূলের শানে বলা হয়ে থাকে যা যথারীতি শির্কের পর্যায়ে পৌঁছে যায়। এ জন্য দরূদ শরীফ সম্পর্কে কুরআন ও সূন্নাহের সঠিক ও বিশুদ্ধ দিক নির্দেশনা কি তা জানা থাকা খুবই জরুরী। এ বইটিতে দরূদ পড়ার ফযিলত, গুরুত্ব, দরূদ পাঠের নিয়ম ও দরূদের শব্দসমূহ কি তা কুরআন ও হাদিসের আলোকে আলোচনা করা হয়েছে।
পরিচ্ছেদঃ ৩

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কবরের জীবন

এখানে একটি বিষয় জেনে থাকা খুবই জরুরী যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর পর তার জীবন সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের কথা সমাজে প্রচলিত রয়েছে। মূলত তার জীবন সম্পর্কে অস্পষ্টতা থাকার কারণ হল, এ সম্পর্কে হাদিস ও কুরআনে আসা নির্দেশনা সম্পর্কে সু-স্পষ্ট জ্ঞান না থাকা এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা হাদিস কুরআনে উল্লেখ না করা। তবে এ ক্ষেত্রে হাদিসে বা কুরআনে যতটুকু বর্ণনা পাওয়া যায়, তার উপর ঈমান আনা ও বিশ্বাস করাই একজন মুমিনের কাজ। সহীহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয়, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের কবর থেকে সালাম দাতার উত্তর দিয়ে থাকেন। কবরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শোনা এবং উত্তর প্রদান কিভাবে? এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এ ব্যাপারে এ কথা স্মরণ রাখা দরকার যে, ইহজীবন হিসেবে যেভাবে অন্য মানুষের উপর মৃত্যু আসে সেভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপরও মৃত্যু এসেছে। কুরআন মজীদের কয়েকটি স্থানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য ‘মৃত্যু’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,

﴿ إِنَّكَ مَيِّتٞ وَإِنَّهُم مَّيِّتُونَ ٣٠ ﴾ [ الزمر : ٣٠ ]

“হে মুহাম্মদ! আপনিও মৃত্যু বরণ করবেন এবং তারাও (কাফের-মুশরিকরাও) মৃত্যু বরণ করবে”। [সূরা ঝুমার, আয়াত: ৩০] সূরা আলে ইমরানে আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেছেন,

﴿ وَمَا مُحَمَّدٌ إِلَّا رَسُولٞ قَدۡ خَلَتۡ مِن قَبۡلِهِ ٱلرُّسُلُۚ أَفَإِيْن مَّاتَ أَوۡ قُتِلَ ٱنقَلَبۡتُمۡ عَلَىٰٓ أَعۡقَٰبِكُمۡۚ وَمَن يَنقَلِبۡ عَلَىٰ عَقِبَيۡهِ فَلَن يَضُرَّ ٱللَّهَ شَيۡ‍ٔٗاۗ وَسَيَجۡزِي ٱللَّهُ ٱلشَّٰكِرِينَ ١٤٤ ﴾ [ ال عمران : ١٤٤ ]

“আর মুহাম্মদ রাসূল ছাড়া আর কিছু নয়, তাঁর আগেও অনেক রাসূল চলে গেছেন। তা হলে কি তিনি যদি মারা যান কিংবা নিহত হন, তবে তোমরা পশ্চাদপসরণ করবে? বস্তুত: কেউ যদি পশ্চাদপসরণ করে, তবে তাতে আল্লাহর কিছুই ক্ষতি হবে না। আর যারা কৃতজ্ঞ আল্লাহ তাদের ছাওয়াব দান করবেন”। [আলে ইমরান: ১৪৪] সূরা আম্বিয়াতে আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেছেন,

﴿ وَمَا جَعَلۡنَا لِبَشَرٖ مِّن قَبۡلِكَ ٱلۡخُلۡدَۖ أَفَإِيْن مِّتَّ فَهُمُ ٱلۡخَٰلِدُونَ ٣٤ ﴾ [ الانبياء : ٣٤ ]

‘আপনার পূর্বেও আমি কোনো মানুষকে অনন্ত জীবন দান করিনি। সুতরাং আপনার মৃত্যু হলে তারা কি চিরজীবী হবে? [সুরা আম্বিয়া: ৩৪]

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর পর আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন:

«مَنْ كَانَ يَعْبُدُ مُحَمَّداً فَإِنَّ مُحَمَّداً قَدْ مَاتَ»

‘তোমাদের মধ্যে যে কেউ মুহাম্মদের ইবাদত করত তারা যেন জেনে রাখে, তিনি মারা গেছেন।’ [বুখারি, হাদিস: ৩৪৬৭]

কাজেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর পর তাকে গোসল দেওয়া হয়েছে, কাফন পরানো হয়েছে, জানাযার সালাত আদায় করা হয়েছে এবং কয়েক মন মাটির নীচে কবরে দাফন করা হয়েছে। সুতরাং, এটা একেবারেই নিঃসন্দেহ বলা যায় যে, ইহকালীন জীবন হিসেবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মারা গেছেন। তবে তাঁর বরযখী জীবন, সকল নবী-রাসূল, শহীদ, অলি এবং নেককার লোকদের চেয়ে অনেক অনেক পরিপূর্ণ। বরযখী জীবন সম্পর্কে জেনে রাখা উচিত, এই জীবনটি মৃত্যুর পূর্বে পৃথিবীর জীবনের মতও নয় এবং কিয়ামতের পরের জীবনের মতও নয়। আসলে সেই জীবনের বাস্তবতা কি? তা আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানে না। তাই আল্লাহ তা‘আলা কুরআনে স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন,

﴿وَلَا تَقُولُواْ لِمَن يُقۡتَلُ فِي سَبِيلِ ٱللَّهِ أَمۡوَٰتُۢ ۚ بَلۡ أَحۡيَآءٞ وَلَٰكِن لَّا تَشۡعُرُونَ ١٥٤﴾ [ البقرة : ١٥٤ ]

“আর যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয় তাঁদের মৃত বলও না। বরং তারা জীবিত কিন্তু তোমরা তা বুঝ না”। [সূরা বাকারা, আয়াত: ১৫৪] যেহেতু আল্লাহ তা‘আলা বরযখী জীবন সম্পর্কে অকাট্যভাবে ঘোষণা করে দিলেন যে, বরযখী জীবনের ধরণ সম্পর্কে তোমাদের কোনো বোধ নেই, সেহেতু এ ব্যাপারে আমাদের জন্যেও যুক্তির ঘোড়া দৌড়ানো কোনো ক্রমেই উচিত নয়। এরূপ যুক্তি পেশ করা মোটেও ঠিক হবে না যে, যখন সালামও শুনেন এবং তার উত্তরও দিয়ে থাকেন তাহলে সেই জীবন দুনিয়াবি জীবন থেকে ভিন্ন হবে কেন? অথবা যখন তিনি সালাম শুনেন তাহলে অন্য কথা-বার্তা শুনবেন না কেন? ইত্যাদি। আসলে আমাদের ঈমানের চাহিদা হল, যা কিছু আমাদেরকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তাকে কোনো রকম কমবেশ না করে সম্পূর্ণভাবে মেনে নেওয়া। যে ব্যাপারে চুপ থেকেছেন সে ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেওয়ার পরিবর্তে চুপ থাকা। এটাই হল স্বীয় দ্বীন-ঈমান বাঁচানোর নিরাপদ উপায়। অন্যথায় আমরা যদি আমাদের জ্ঞানের বাইরে এবং আল্লাহ ও তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে বিষয়ে কোনো দিক নির্দেশনা দেননি সে বিষয়ে মাথা ঘামাই তা হলে আমরা পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত হব। যারা আল্লাহ ও তার রাসূল যে সব বিষয়গুলো স্পষ্ট করেননি সে সব বিষয়গুলো সম্পর্কে না জেনে মন্তব্য করেন তাদের আল্লাহ তা‘আলা কঠিন হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿وَلَا تَقۡفُ مَا لَيۡسَ لَكَ بِهِۦ عِلۡمٌۚ إِنَّ ٱلسَّمۡعَ وَٱلۡبَصَرَ وَٱلۡفُؤَادَ كُلُّ أُوْلَٰٓئِكَ كَانَ عَنۡهُ مَسۡ‍ُٔولٗا ٣٦﴾ [ الاسراء : ٣٦ ]

“আর যে বিষয়ে তোমার জানা নেই তার অনুসরণ করো না। নিশ্চয় কান, চোখ ও অন্তঃকরণ-এদের প্রতিটির ব্যাপারে সে জিজ্ঞাসিত হবে”। [সূরা আল-ইসরা, আয়াত: ৩৬]

এছাড়াও আল্লাহ রাসূলের নির্দেশিত বিষয়সমূহের প্রতি হুবহু ঈমান না এনে তার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ খুঁজে বেড়ায় এবং যুক্তির ঘোড়া দোড়ায় তাদের বিষয়ে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿فَأَمَّا ٱلَّذِينَ فِي قُلُوبِهِمۡ زَيۡغٞ فَيَتَّبِعُونَ مَا تَشَٰبَهَ مِنۡهُ ٱبۡتِغَآءَ ٱلۡفِتۡنَةِ وَٱبۡتِغَآءَ تَأۡوِيلِهِۦۖ وَمَا يَعۡلَمُ تَأۡوِيلَهُۥٓ إِلَّا ٱللَّهُۗ وَٱلرَّٰسِخُونَ فِي ٱلۡعِلۡمِ يَقُولُونَ ءَامَنَّا بِهِۦ كُلّٞ مِّنۡ عِندِ رَبِّنَاۗ وَمَا يَذَّكَّرُ إِلَّآ أُوْلُواْ ٱلۡأَلۡبَٰبِ ٧ ﴾ [ ال عمران : ٧ ]

“ফলে যাদের অন্তরে রয়েছে সত্য-বিমুখ প্রবণতা, তারা ফিতনার উদ্দেশ্যে এবং ভুল ব্যাখ্যার অনুসন্ধানে মুতাশাবিহ আয়াতগুলোর পেছনে লেগে থাকে। অথচ আল্লাহ ছাড়া কেউ এর ব্যাখ্যা জানে না। আর যারা জ্ঞানে পরিপক্ব, তারা বলে, আমরা এ গুলোর প্রতি ঈমান আনলাম, সবগুলো আমাদের রবের পক্ষ থেকে। আর বিবেক সম্পন্নরাই উপদেশ গ্রহণ করে”। [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৭]
পরিচ্ছেদঃ ৪

একটি বাতিল আকীদা-বিশ্বাস ও তার খণ্ডন:

বিভিন্ন হাদীসে বিভিন্ন ভাষায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথা বলেছেন,

« إِنَّ لِلَّهِ فِي الْأَرْضِ مَلَائِكَةً سَيَّاحِينَ، يُبَلِّغُونِي مِنْ أُمَّتِي السَّلَامَ »

“আল্লাহ তা‘আলা কিছু মালাইকাহ তথা ফেরেশতাদের দায়িত্ব দিয়েছেন যে, তারা যেন পৃথিবীতে ঘুরে বেড়ায় এবং যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ-সালাম পাঠ করে, তাদের দরূদ ও সালাম তাঁর কাছে পৌঁছায়”। [আহমদ, হাদিস: ৩৬৬৬, নাসায়ী, হাদিস: ৩/৩৪ দারিমী ইত্যাদি]

এই হাদীসের পরিষ্কার অর্থ হল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বদা কবর শরীফে উপস্থিত থাকেন। আর সর্বস্থানে উপস্থিত ও সর্বদর্শী হন না। বাস্তবে যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বস্থানে উপস্থিত ও সর্বদর্শী হতেন তাহলে ফেরেশতা নির্ধারণ করে তাঁর কাছে দরূদ-সালাম পৌঁছানোর কি প্রয়োজন ছিল? কোনো কোন হাদীসে স্পষ্টভাবে এ কথাও পাওয়া যায় যে, ফেরেশতাগণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এটাও বলে দেন যে, এই দরূদ-সালাম প্রেরণ করেছেন অমুকের ছেলে অমুক। এর দ্বারা এ কথাও স্পষ্ট হয়ে যায় যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলেমুল গায়েব ছিলেন না। কারণ, যদি তিনি গায়েব জানতেন তাহলে ফেরেশতাদের বলতে হত না দরূদ ও সালাম প্রেরণকারী কে?।
পরিচ্ছেদঃ ৫

হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয় এরূপ দরূদ ও সালাম:

এমনিতেই বর্তমানে দ্বীনে ইসলামে বিদ‘আতের সংযোগ দৈনন্দিন জীবনের নিয়মে পরিণত হয়েছে। কিন্তু বিশেষভাবে যিকির-আযকার ও দো‘আ অযীফার বেলায় মানুষের মনগড়া এবং সূন্নাহ বিরুদ্ধ অনেক বস্তু সংযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে মাসনূন দো‘আ ও যিকির যেন ভুলে যাওয়া অধ্যায় হয়ে গেছে। অনেক মনগড়া ও গায়রে মাসনূন দরূদ-সালাম সমাজে প্রচলিত হয়ে পড়েছে। যেমন- দরূদে তাজ, দরূদে তুনাজ্জীনা, দরূদে হাজারী, দরূদে নারীয়া ইত্যাদি। এগুলোর মধ্যে প্রত্যেকটির পড়ার নিয়ম ও সময় ভিন্ন ভিন্ন বলা হয়েছে। আবার এগুলোর অনেক উপকারের কথাও বিভিন্ন বই পুস্তকে লিপিবদ্ধ আছে। উল্লেখিত বিভিন্ন নামে লিখিত এ সকল দরূদসমূহের একটিরও কোনো শব্দ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত নয়। কাজেই এগুলো পড়ার নিয়ম এবং এগুলোর উপকারের কথা বাতিল হবে বৈকি।

শরীয়তে মনগড়া ও গায়রে মাসনূন কাজের ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিসগুলো প্র্রত্যেক মুসলিমের দৃষ্টিতে থাকা উচিত, যেন এই সংক্ষিপ্ত ও অতি মূল্যবান জীবনে ব্যয় কৃত সময়, সম্পদ এবং অন্যান্য যোগ্যতা কিয়ামতের দিন ধ্বংস না হয়ে যায়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

«مَنْ عَمِلَ عَمَلًا لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ» ( رواه البخاري ومسلم

‘যে ব্যক্তি দ্বীনের মধ্যে এমন কোনো কাজ করেছে যার ভিত্তি শরীয়তে নেই, সেই কাজ প্ররিত্যজ্য। [বুখারী: ২৫৫০, মুসলিম: ১৭১৮] অর্থাৎ, আল্লাহর কাছে এই কাজের কোনো ছাওয়াব পাওয়া যাবে না। অন্য এক হাদীসে তিনি বলেছেন, “প্রত্যেক বিদ‘আত গোমরাহী আর প্রত্যেক গোমরাহীর ঠিকানা হল জাহান্নাম।” [ইবনু মাজাহ: ৪১]

এ ব্যাপারে বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত ঘটনাটি খুবই শিক্ষণীয় হবে বলে মনে করি। ঘটনাটি এরূপ যে,

" جاء ثلاثة رهط إلى بيوت أزواج النبي ( صلى الله عليه وسلم ) يسألون عن عبادة النبي ( صلى الله عليه وسلم ) ، فلما أخبروا كأنهم تقالوها، فقالوا : وأين نحن من رسول الله ( صلى الله عليه وسلم ) ؟ قد غفر له ما تقدم من ذنبه وما تأخر . فقال أحدهم : أما أنا، فأنا أصلي الليل أبدا، وقال آخر : أصوم الدهر ولا أفطر . وقال آخر : أنا أعتزل النساء فلا أتزوج أبدا ! فجاء رسول الله ( صلى الله عليه وسلم ) إليهم، فقال : أنتم الذين قلتم كذا وكذا؟ أما والله إني لأخشاكم لله، وأتقاكم له، ولكني أصوم وأفطر، وأصلي وأرقد، وأتزوج النساء، فمن رغب عن سنتي فليس مني ". أخرجه البخاري (3 / 411) والبيهقي (7 / 77)

তিন ব্যক্তি নবী পত্নীগণের কাছে আসলেন এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইবাদাতের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলেন। যখন তাদের বলা হল, তখন তারা সেটা কম মনে করল। তারপর তারা বলল, কোথায় আমরা আর কোথায় রাসূল? তাঁর তো পূর্বের ও পরের সকল গোনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছে। তারপর তাদের থেকে একজন বলল, আমি এখন থেকে সারা রাত সালাত পড়ব এবং মোটেও বিশ্রাম নেব না। দ্বিতীয় ব্যক্তি বলল, আমি এখন থেকে সব সময় ছিয়াম পালন করব আর কখনো ছাড়ব না। তৃতীয় ব্যক্তি কলল, আমি কখনো বিয়ে করব না। নারীদের থেকে অনেক দূরে থাকব। যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ বিষয়ে জানতে পারলেন তখন তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ! আমি তোমাদের মধ্যে সব চেয়ে বেশী আল্লাহকে ভয় করি, সব চেয়ে বেশী পরহেজগার, আমি রাত্রে সালাতও পড়ি আবার ঘুমাইও, ছিয়ামও পালন করি আবার ছেড়েও দেই এবং আমি মহিলাদের বিয়েও করি। সুতরাং মনে রেখ, যে ব্যক্তি আমার সুন্নাহ থেকে মুখ ফিরাবে তার সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। [বুখারি: ৪১১/৩, মুসলিম: ১২৯/৪]

পাঠকবৃন্দ! একটু চিন্তা করুন। উল্লেখিত হাদীসে তিন ব্যক্তি তাদের ধারণা মতে নেক কাজ করা এবং বেশী ছাওয়াব অর্জনের উদ্দেশ্যে এরূপ ইচ্ছা করেছিলেন। কিন্তু তাদের নিয়ম নিজেদের বানানো এবং সূন্নাহ বিরূদ্ধ ছিল বিধায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের কথার উপর অত্যন্ত অসন্তুষ্টি প্রকাশ করলেন। দরূদ ও সালামের ব্যাপারেও সমান কথা হবে।

মনগড়া ও সুন্নাহ বিরূদ্ধ দরূদ ও সালামের জন্য সব রকমের মেহনত, প্রচেষ্টা অকেজো ও উপকারশূন্য। বরং খুব বেশী সম্ভব যে হয়ত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অসন্তুষ্টি এবং রাগের বড় কারণ হবে। সুতরাং, আপনারা সে দরূদ পাঠ করুন যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত। মনে রাখবেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র মুখ থেকে বের হওয়া একটি শব্দ পৃথিবীর সকল ওলী বুজর্গ এবং সৎলোকদের বানানো কালাম অপেক্ষা অনেক অনেক মূল্যবান ও শ্রেষ্ঠ হবে।

আমি এ রিসালাটিতে দরূদ শরীফের মাসায়েল লেখার সময় হাদিসগুলো নির্বাচনের ক্ষেত্রে সহীহ এবং হাসান এর মাপকাঠি স্থিতিশীল রাখার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। এরপরও যদি কারও নজরে কোনো দুর্বল হাদিস ধরা পড়ে তাহলে আমাকে জানানোর অনুরোধ রইল।

رَبَّنَاتَقَبَّلْ مِنَّا إِنَّكَ أَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْمُ وَتُبْ عَلَيْنَاَ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوابُ الرَّحِيْمُ
পরিচ্ছেদঃ ৬

সালাত {দরূদ} এর অর্থ ও ব্যাখ্যা:

কুরআনে আল্লাহ তা‘আলা ঈমানদারদের স্বীয় রাসূলের উপর দরূদ পড়ার নির্দেশ দেন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿ إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِيِّۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ صَلُّواْ عَلَيۡهِ وَسَلِّمُواْ تَسۡلِيمًا ٥٦ ﴾ [ الاحزاب : ٥٦ ]

“আল্লাহ তা‘আলা নবীর উপর সালাত পেশ করেন। আর তাঁর মালাক তথা ফেরেশতাগণ নবীর জন্য আল্লাহর কাছে সালাত পেশ করেন। অতএব হে ঈমানদার লোকেরা! তোমরাও নবীর উপর সালাত ও সালাম প্রেরণ কর”। [সূরা আহযাব, আয়াত: ৫৬]

اللهُــــــــــــمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّـدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّـدٍ كَمَـا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْـمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْـمَ إِنَّكَ حَمِيْـدٌ مَجِيْـدٌ . اللهُــــــــــــمَّ باَرِكْ عَلَى مُحَمَّـدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّـدٍ كَمَـا باَرَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْـمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْـمَ إِنَّكَ حَمِيْـدٌ مَجِيْـدٌ .

আবুল আলীয়া রহ. বলেন, ‘আল্লাহর সালাত তার নবীর উপর’ এ কথাটির অর্থ, ফেরেশতাদের নিকট নবীর প্রশংসা করা। আর নবীর উপর ‘ফেরেশতাদের সালাত’ এ কথাটির অর্থ, নবীর জন্য দো‘আ করা। ইবনে আব্বাস রা. বলেন, ফেরেশতারা আল্লাহর নবীর উপর সালাত পড়ে এ কথাটির অর্থ হল, তারা বরকতের জন্য দো‘আ করে। ইমাম তিরমিযি রহ. সুফিয়ান সাওরী সহ বিভিন্ন আহলে ইলম থেকে বর্ণনা নকল করেন, তারা বলেন, ‘সালাতুর রব’ এ কথার অর্থ, রহমত, আর ‘সালাতুল মালায়েকা’ এ কথার অর্থ, ক্ষমা চাওয়া।

এ আয়াত দ্বারা উদ্দেশ্য হল, আল্লাহ তার স্বীয় বান্দাদেরকে উর্ধ্ব জগতে তার প্রিয় বান্দা ও নবীর যে কত বড় মর্যাদা তা জানিয়ে দেওয়া- আল্লাহ তা‘আলা নিজেই তার নিকটতম ফেরেশতাদের নিকট তার প্রশংসা করেন এবং ফেরেশতারা তার জন্য রহমতের দো‘আ করতে থাকে। তারপর আল্লাহ তা‘আলা জমীনের অধিবাসীদের নির্দেশ দেন তারাও যেন, তার নবীর উপর সালাত ও সালাম পড়ে। যাতে আসমান ও জমীন উভয় জগতের অধিবাসী আল্লাহর নবীর উপর সালাত ও সালাম পেশ করার বিষয়ে একত্র হয়।

কারও কারও মতে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর আল্লাহ তা‘আলার সালাত পাঠের অর্থ হল, রহমত অবতীর্ণ করা। আর ফেরেশতাগণ ও মুসলিমদের সালাত পাঠের অর্থ হল, তাঁর জন্য আল্লাহর কাছে রহমতের দো‘আ করা [তবে ইবনুল কাইয়্যেম তার জালাউল আফহাম গ্রন্থে এ মতটিকে শক্তভাবে খণ্ডন করেন।]। এ মতের সপক্ষে তারা দলীল হিসেবে নিম্নোক্ত হাদীসটি পেশ করে থাকেন:

عَنْ أَبِى هٌرَيْرَةَ رَضِى اللهٌ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم قَالَ الْمَلاَئِكَةُ تُصَلَّى عَلَى أَحَدِكُمْ مَا دَامَ فِى مُصَلاَّهُ الَّذِي صَلَّى فِيْهِ مَالَمْ يُحْدِثْ ، تَقُولُ : اللَّهَمَّ اغْفِرْ لَهُ اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ . ( رواه البخارى فى صحيحه ، كتاب الصلاة ، باب الحدث فى المسجد (

আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্য থেকে কোনো ব্যক্তি তার ছালাতের স্থানে যতক্ষণ বসে থাকবে ততক্ষণ তার ওযু না ভাঙ্গা পর্যন্ত মালাকরা অর্থাৎ ফেরেশতারা তার উপর সালাত পড়তে থাকে। তারা বলে, হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা করে দাও, হে আল্লাহ তার প্রতি দয়া কর। [বুখারী, হাদিস: ৬৫৯]

তাছাড়া অন্য হাদীসেও এসেছে,

عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا قَالَتْ : قال قَالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : ) إِنَّ اللهَ وَمَلاَئِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى مَيَامِنِ الصُّفُوفِ . ( رواه أبوداود، صحيح سنن أبى داؤد للألبانى، الجزء الأول .(

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা এবং তাঁর মালাকগণ কাতারের ডান পাশের লোকদের উপর সালাত প্রেরণ করেন। [আবুদাউদ, হাদিস: ৬৭৬ ইবনে মাজাহ: ১০০৫। (অন্য শব্দে হাসান)]

[তবে যারা এ মতের বিরোধিতা করেন, তাঁরা বলেন, কুরআন ও হাদীসের বিভিন্ন স্থানে ‘সালাত’ অর্থ ‘দো‘আ’ এসেছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু এর রাসূলের উপর আল্লাহর পক্ষ থেকে ‘সালাত’ এর অর্থ রহমত বা দো‘আ করা নয়। বরং আল্লাহ কর্তৃক তার কাছে যারা আছেন তাদের কাছে তার নবীকে সম্মান ও সুনামের সাথে উল্লেখ করা [বিস্তারিত দেখুন, ইবনুল কাইয়্যেমের লেখা গ্রন্থ জালাউল আফহাম। [সম্পাদক]]। (সম্পাদক)]
পরিচ্ছেদঃ ৭

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়ার বিধান

নবীর উপর দরূদ পড়ার বিধান-হুকুম সম্পর্কে আলেমদের একাধিক মত রয়েছে-

এক. কাযী আয়াদ্ব রহ. ও ইবনে আব্দুল বার রহ. বলেন, জীবনে একবার দরূদ পড়া ওয়াজিব। চাই তা সালাতের মধ্যে হোক অথবা সালাতের বাইরে হোক। যেমন-তাওহীদের কালিমা জীবনে একবার বলা ওয়াজিব।

দুই. বেশি বেশি করে দরূদ পড়া ওয়াজিব। যত বেশি পড়তে পারে ততই সাওয়াব হবে। তাতে সংখ্যা নির্ধারণ করার কোনো প্রয়োজন নেই।

তিন. যখন আল্লাহর রাসূলের নাম উল্লেখ করা হয়, তখন তার উপর দরূদ পড়া ওয়াজিব।

চার. শুধু মাত্র সালাতের শেষ বৈঠকে দরূদ পড়া ওয়াজিব।

পাঁচ. দরূদ পড়া মুস্তাহাব, ওয়াজিব নয়। এ বিষয়ে উল্লিখিত মতামত ছাড়াও আরও বিভিন্ন মতামত রয়েছে। এ সংক্ষিপ্ত বইতে সবগুলো একত্র করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।
পরিচ্ছেদঃ ৮

সকল নবীদের উপর দরূদ পাঠ করা

দরূদ শুধু নবীদের জন্য খাস। নবী ছাড়া আর কারো জন্য দরূদ পড়ার কোনো বিধান নেই। সুতরাং শুধু নবীদের জন্যই দরূদ পাঠ করা উচিত। নবী ছাড়া অন্য মুসলিমদের জন্য দো‘আ ইস্তেগফার করাই ইসলামী শরীয়তের বিধান।

عَنْ ابنِ عَبَّاسٍ رَضِى اللهُ عَنْهُمَا أَنَّهُ قَالَ : لاَ تُصَلُّوْا صَلاَةً عَلَى أَحَدٍ إِلاَّ عَلَى النَّبِىِّ وَلَكِنْ يُدْعَى لِلْمسْلِمِيْنَ وَالمُسْلِمَاتِ بِالاسْتِغْفَارِ . ( صحيح ، رواه إسماعيل القاضى فى فضل الصَّلاةِ عَلى النبى فضل الصلاة على النبي ).

ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, নবী ব্যতীত অন্য কারও জন্য দরূদ পাঠ করো না। তবে মুসলিম নর-নারীর জন্য ইস্তেগফারের মাধ্যমে দো‘আ করা যেতে পারে। [ইসমাঈল আল্ কাযী, হাদিস: ৭৫, (সহীহ)]
পরিচ্ছেদঃ ৯

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ শরীফ পড়ার লাভ ও ফযীলত এক- একবার দরূদ পাঠ করলে আল্লাহ তা‘আলা দশবার দরূদ পাঠ করেন, দশটি গুণাহ্ ক্ষমা করেন এবং দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।

প্রমাণ-

عَنْ أَنَسٍ رَضِى اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : مَنْ صَلَّى عَلَىَّ صَلاَةً وَاحِدَةً صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ عَشْرَ صَلَوَاتٍ وَحُطَّتْ عَنْهُ عَشْرُ خَطِيْئَاتٍ وَرُفِعَتْ لَهُ عَشَرُ دَرَجَاتٍ .( صحيح ، رواه النسائى ، صحيح سنن النسائى للألبانى الجزء الأول (

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পড়বে, আল্লাহ তা‘আলা তার উপর দশবার দরূদ পাঠ করবেন, তার দশটি গুণাহ্ ক্ষমা করবেন, আর তার দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন। [নাসায়ী, হাদিস: ১২৩০। (সহীহ)]
পরিচ্ছেদঃ ১০

দুই- বেশী বেশী দরূদ পাঠ করা কিয়ামতের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নৈকট্য লাভের কারণ:

عَنْ ابنِ مَسْعُودٍ رَضِى اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : أَوْلَى النَّاسِ بِى يَوْمَ القِيَامَةِ أَكْثَرهُمْ عَلَىَّ صَلاَةً . ( صحيح ، رواه الترمذى ، مشكاة المصابيح تحقيق الألبانى الجزء الأول (

ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কিয়ামতের দিন সবচেয়ে বেশী আমার নিকটতম হবে সেই ব্যক্তি, যে আমার উপর বেশী বেশী দরূদ পড়ে। [তিরমিযী, হাদিস: ৯২৩.। সহীহ]
পরিচ্ছেদঃ ১১

তিন- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পাঠ করা এবং তাঁর জন্য জান্নাতে উত্তম মর্যাদা প্রার্থনা করা কিয়ামতের দিন তাঁর সুপারিশে ধন্য হওয়ার বড় কারণ।

عَنْ عَبْدِاللهِ بْنِ عَمْرٍو رَضِى اللهُ عَنْهُمَا قَالَ : قَالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : مَنْ صَلَّى عَلَىَّ أَوْسَأَلَ لِيَ الْوَسِيْلَةَ حَقَّتْ عَلَيْهِ شَفَاعَتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ . ( صحيح، رواه إسماعيل القاضِي في فضل الصلاةِ عَلى النبى صلي الله عليه وسلم، فضل الصلاة على النبى للألبانى . (

আব্দুল্লাহ ইবন ‘আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার উপর দরূদ পড়বে অথবা আমার জন্য উসীলা (জান্নাতে উচ্চ মর্যাদা)-র দো‘আ করবে তার জন্য আমি কিয়ামতের দিন অবশ্যই সুপারিশ করব। [ইসমাঈল আল-কাযী, হাদিস: ৫০ (সহীহ)]
পরিচ্ছেদঃ ১২

চার- দরূদ শরীফ গুনাহ ক্ষমা হওয়া এবং সকল দুঃখ-কষ্ট ও বিষন্নতা থেকে মুক্তি অর্জনের উপায়:

عَنْ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ رَضِى اللهُ عَنْهُ قَالَ : قُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ ! إِنِّى أُكْثِرُ الصَّلاَةَ عَلَيْكَ فَكَمْ أَجْعَلُ لَكَ مِنْ صَلاَتِي ؟ قَالَ : مَا شِئتَ . قُلْتُ : الرُّبْعَ . قَالَ : مَاشِئْتَ ، فَإِنْ زِدْتَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكَ . فَالثُّلُثَيْنِ . قَالَ : مَاشِئْتَ فَإِنْ زِدْتَ فَهُوَ خَيْرٌلَكَ . قُلْتُ : أَجْعَلُ لَكَ صَلاَتِي كُلَّهَا . قَالَ : إِذَاً تُكْفَى هَمُّكَ وَيُغْفَرُ لَكَ ذَنْبُكَ . ( حسن ، رواه الترمذي ، صحيح سنن الترمذى للألبانى الجزء الثانى (

“উবাই ইবনু কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আপনার উপর বেশী বেশী দরূদ পাঠ করি। আমি কত সময় দরূদ পড়ব? তিনি বললেন: যত তোমার মন চায়। আমি বললাম, চতুর্থাংশ? তিনি বললেন: যত মন চায়। তবে আরও বাড়ালে তা তোমার জন্য কল্যাণকর হবে। আমি বললাম, দুই তৃতীয়াংশ? তিনি বললেন: যত মন চায়। তবে আরও বাড়ালে তা তোমার জন্য কল্যাণকর হবে। আমি বললাম, আমি আপনার জন্য পুরো সময়েই দরূদ পড়ব। তিনি বললেন: তাহলে তোমার দুশ্চিন্তা দূর হবে এবং তোমার পাপ ক্ষমা হবে। [তিরমিযী, হাদিস: ১৯৯৯।(হাদিসটি হাসান)]
পরিচ্ছেদঃ ১৩

পাঁচ- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য দরূদ পাঠকারীর উপর আল্লাহ তা‘আলা দরূদ পাঠ করেন আর তাঁকে সালামদাতার উপর শান্তি বর্ষণ করেন।

عَنْ عَبْدِالرَّحْمَنِ بْنِ عَوفٍ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : خَرَجَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم حَتّي دَخَلَ نَخْلاً فَسَجَدَ فَأَطَالَ السُّجُوْدَ حَتَّى خَشِيْتُ أَنْ يَكُوْنَ اللهُ قَدْ تَوَفَّاهُ ، قَالَ : فَجِئْتُ أَنْظُرُ فَرَفَعَ رَأْسَهُ فَقَالَ : مَالَكَ؟ فَذَكَرْتُ لَهُ ذَلِكَ . قَالَ : فَقَالَ : إِنَّ جِبْرِيْلَ عَلَيْهِ السَّلاَمُ قَالَ لِى : أَلاَ أُبَشِّرُكَ أَنَّ اللهَ عَزَّوَجَلَّ يَقُوْلُ لَكَ مَنْ صَلَّى عَلَيْكَ صَلاَةً صَلَّيْتُ عَلَيْهِ وَمَنْ سَلَّمَ عَلَيْكَ سَلَّمْتُ عَلَيْه . ( صحيح ، رواه أحمد ، فضل الصلاة على النبى للألبانى (

“আব্দুর রহমান ইবন ‘আওফ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে এক খেজুর বাগানে প্রবেশ করলেন। অতঃপর দীর্ঘক্ষণ সেজদা করলেন। এমন কি আমাদের ভয় হল তাঁর কোনো মৃত্যু হয়ে গেল নাকি। আমি তাঁকে দেখতে আসলাম তখন তিনি মাথা উঠালেন এবং বললেন: তোমার কি হল? আমি তাঁকে আমাদের ভয়ের কথা ব্যক্ত করলাম। তারপর তিনি বললেন: জিবরীল আলাইহিস সালাম আমাকে বললেন: আমি কি আপনাকে এই সু-সংবাদ দেব না যে, আল্লাহ তা‘আলা বলছেন: “যে ব্যক্তি আপনার উপর দরূপ পাঠ করবে, আমি তার উপর দরূদ পাঠ করব। আর যে ব্যক্তি আপনাকে সালাম করবে আমি তার উপর শান্তি নাযিল করব”। [আহমদ, হাদিস: ৭ (সহীহ)]
পরিচ্ছেদঃ ১৪

ছয়- সকাল-বিকাল দশবার করে দরূদ পড়া, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুপারিশ অর্জনের বড় কারণ।

عَنْ أَبِى الدَّرْداءِ رضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : مَنْ صَلَّي عَلَيَّ حِيْنَ يُصْبِحُ عَشْرًا وَحِيْنَ يُمْسِي عَشْرًا أَدْرَكَتْهُ شَفَاعَتِي يَوْمَ القِيَامَةِ . ( حسن ، رواه الطبراني ، صحيح الجامع الصغير للألبانى (

“আবুদ দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার উপর সকালে দশ বার দরূদ পড়বে এবং সন্ধ্যায় দশবার দরূদ পড়বে, সে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন আমার সুপারিশ লাভে ধন্য হবে। [ত্বাবরানী, হাদিস: ৬২৩৩ (হাদিসটি হাসান)]
পরিচ্ছেদঃ ১৫

সাত- দরূদ পাঠ করা দো‘আ কবুল হওয়ার কারণ।

দো‘আ করা আগে ও পরে দরূদ পাঠ করা দ্বারা দো‘আ কবুল হয়। আর যদি দরূদ পাঠ করা না হয়, তাহলে দো‘আ কবুল হয় না।

عَنْ عَبْدِاللهِ بْنِ مَسْعُوْدٍ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : كُنْتُ أُصَلّي وَالنَّبِيُّ صلي الله عليه وسلم وَأَبُوْ بَكْرٍ وَعُمَرُ رَضِي اللهُ عَنْهُمَا مَعَهُ ، فَلَمَّا جَلَسْتُ بَدَأْتُ بِالثَّنَاءِ عَلَي اللهِ ثُمَّ الصَّلاَةِ عَلَى النَّبِىِّ صلي الله عليه وسلم ثُمَّ دَعَوْتُ لِنَفْسِي فَقَالَ النَّبِىُّ صلي الله عليه وسلم : سَلْ تُعْطَهْ ، سَلْ تُعْطَهْ . ( حسن ، رواه الترمذي ، صحيح سنن الترمذى للألبانى الجزء الأول (

“আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি সালাত আদায় করছিলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং আবুবকর রাদিয়াল্লাহু আনহু ও উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাঁর সাথে ছিলেন। যখন আমি বসলাম তখন প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পাঠ করলাম। অতঃপর নিজের জন্য দো‘আ করলাম। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তুমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা কর, তোমাকে অবশ্যই দেওয়া হবে। তুমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা কর তোমাকে অবশ্যই দেওয়া হবে। [তিরমিযী, হাদিস: ৪৮৬ (হাসান)]
পরিচ্ছেদঃ ১৬

আট- দরূদ পাঠকারীকে আল্লাহ তা‘আলা দশবার স্মরণ করেন।

যে ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একবার দরূদ পাঠ করে আল্লাহ তা‘আলা তার উপর দশবার দরূদ পাঠ করেন।

عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ رَضِي اللهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم قَال : مَنْ صَلَّي عَلَيَّ وَاحِدَةً صَلَّي اللهُ عَلَيْهِ عَشْرًا . ( رواه مسلم ، كتاب الصلاة على النبى صلي الله عليه وسلم (

“আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পড়বে আল্লাহ তা‘আলা তার প্রতি দশবার দরূদ পাঠ করেন। [মুসলিম, হাদিস: ৪০৮]
পরিচ্ছেদঃ ১৭

নয়- একবার দরূদ পাঠকারীর উপর আল্লাহ তা‘আলা দশবার দরূদ পাঠ করেন। আর একবার সালামকারীর উপর দশটি শান্তি বর্ষণ করেন।

প্রমাণ:

عَنْ أَبِى طَلْحَةَ رَضِي اللهُ عَنْهُ أنَّه قال قَالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم , جَاء ذَاتَ يَوْمٍ وَالْبُشْرَى فِي وَجْهِهِ فَقُلْنَا إِنَّا لَنَرَى البُشْرَى فِى وَجْهِكَ فَقَالَ : إِنَّهُ أَتَانِى الْمَلَكُ جِبْرِيْلُ فَقَالَ : يَا مُحَمَّدُ إِنَّ رَبَّكَ يَقُوْلُ أَمَا يُرَضِيْكَ صلي الله عليه وسلم أَنَّهُ لاَيُصَلِّي عَلَيْكَ أَحَدٌ إِلاَّ صَلَّيْتُ عَلَيْهِ عَشْرًا , وَلاَ يُسَلِّمْ عَلَيْكَ أَحَدٌ إِلاَّ سَلَّمْتُ عَلَيْهِ عَشْرًا . ( حسن ، رواه النسائي ، صحيح سنن النسائى للألبانى الجزء الأول (

“আবু তালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগমন করলেন। তখন তাঁর চেহারা আনন্দে উজ্জ্বল ছিল। আমরা বললাম, আমরা আপনার চেহারাতে আনন্দের নিদর্শন দেখছি। তখন তিনি বললেন, আমার কাছে জিবরীল আলাইহিস সালাম এসে এ কথার সুসংবাদ দিয়েছেন যে, আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, আপনি কি এতে সন্তুষ্ট নন, যে ব্যক্তি আপনার উপর দরূদ পড়বে আমি তার উপর দশবার দরূদ পাঠ করব। আর যে ব্যক্তি আপনাকে একবার সালাম করবে আমি তার উপর দশটি শান্তি বর্ষণ করব। [নাসায়ী, হাদিস: ১২১৬ (হাসান)]
পরিচ্ছেদঃ ১৮

দশ- একবার দরূদ পাঠ করলে আমল নামায় দশটি পূণ্য লেখা হয়।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : مَنْ صَلَّي عَلَيَّ مَرَّةً وَاحِدَةً كَتَبَ اللهُ لَهُ عَشْرَ حَسَنَاتٍ . ( رَوَاهُ إِسْمَاعِيْلُ الْقَاضِيُّ فِي فَضْلِ الصَّلاَةِ عَلَي النَّبِيِّ صلي الله عليه وسلم (

“আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পড়ে আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য দশটি ছাওয়াব লিখে দেন।” [ইসমাঈল আলকাযী। (হাদিসটি সহীহ)]
পরিচ্ছেদঃ ১৯

এগার- যতক্ষণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পাঠ করা হয়, ততক্ষণ ফেরেশতারা তার জন্য রহমতের দো‘আ করতে থাকেন।

عَنْ عَامِرِ بْنِ رَبِيْعَةَ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَال : سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلي الله عليه وسلم يَقُوْلُ : مَا مِنْ عَبْدٍ يُصَلِّي عَلَيَّ إِلاَّ صَلَّتْ عَلَيْهِ الْمَلاَئِكَةُ مَا صَلَّي عَلَيَّ فَلْيُقِلَّ أَوْ لَيُكْثِرْ . ) رَوَاهُ إِسْمَاعِيْل الْقَاضِي فِى فَضْلِ الصَّلاَةِ عَلَى النَّبِيِّ صلي الله عليه وسلم (

“আমের ইবনু রাবী‘আহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোনো ব্যক্তি যখন আমার উপর দরূদ পাঠ করে, তখন সে যতক্ষণ পড়তে থাকবে ততক্ষণ ফিরিশতারা তার জন্য রহমতের দো‘আ করতে থাকে, অতএব কম বেশ পড়া তার ইচ্ছাধীন ব্যাপার। [ইবনু মাজাহ।]

আব্দুল্লাহ মাসউদ হতে একটি মারফু হাদিসে বর্ণিত, তিনি বলেন,

" إن أولى الناس بي يوم القيامة أكثرهم علي صلاة ". وحسنه الترمذي وصححه ابن حبان

“কিয়ামতের দিন সর্বাধিক উত্তম ব্যক্তি সে হবে যে আমার উপর অধিক পরিমাণে দরূদ পড়বে। তিরমিযী হাদিসটি হাসান বলেছেন এবং ইবনে হিব্বান সহীহ বলেছেন”। [ইবনু হিব্বান, হাদিস: ৯১১, তিরমিযি: ৪৮৪]
পরিচ্ছেদঃ ২০

বারো : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাম দাতার সালামের উত্তর দান করেন।

عَنْ أِبِي هُرَيْرَةَ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : مَا مِنْ أَحَدٍ يُسَلِّمُ عَلَيَّ إِلاَّ رَدَّ اللهُ عَلَيَّ رُوْحِي حَتَّي أَرُدَّ عَلَيْهِ السَّلاَمَ . ( حسن ، رواه أبوداود ، فضل الصلاة على النبى للألبانى )

“আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন কোনো ব্যক্তি আমাকে সালাম করে তখন আল্লাহ তা‘আলা আমার রূহ ফিরিয়ে দেন এবং আমি তার সালামের উত্তর দেই।” [আবুদাউদ, হাদিস: ৬ (হাসান)]

বিঃ দ্রঃ- বিভিন্ন হাদীসে দরূদ পাঠের প্রতিদান ভিন্ন ধরণের বর্ণিত আছে। তা বাস্তবে পাঠকারীর ইখলাস, ঈমান ও পরহেজগারী এবং নিয়তের উপর নির্ভরশীল। যার এখলাস যত বেশি হবে, সে সাওয়াব ও তত বেশি পাবে।
পরিচ্ছেদঃ ২১

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ শরীফ পাঠ করার গুরুত্ব এক. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শোনে দরূদ পড়া:

কারণ, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শুনে যে ব্যক্তি দরূদ পড়ে না তার জন্য তিনি বদ-দো‘আ করেছেন। প্রমাণ:

عَنْ أَبِى هُرَيْرَةَ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ : رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : رَغِمَ أَنْفُ رَجُلٍ ذَكََرْتُ عِنْدَهُ فَلَمْ يُصَلِّ عَلَيَّ وَرَغِمَ أَنْفُ رَجُلٍ دَخَلَ عَلَيْهِ رَمَضَانُ ثُمَّ انْسَلَخَ قَبْلَ أَنْ يُغْفَرَ لَهُ ، وَرَغِمَ أَنْفُ رَجُلٍ أَدْرَكَ عِنْدَهُ أَبْوَاهُ الْكِبَرَ فَلَمْ يُدْخِلاَهُ الْجَنَّةَ . ( صحيح ، رواه الترمذي ، صحيح سنن الترمذى للألبانى الجزء الثالث . (

“আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সেই ব্যক্তি লাঞ্ছিত হোক যার কাছে আমার নাম নেওয়া হল কিন্তু সে আমার উপর দরূদ পড়ল না। সে ব্যক্তি লাঞ্ছিত হোক যার কাছে রমযান মাস আসল কিন্তু সে নিজের পাপ ক্ষমা করাতে পারল না। আর সে ব্যক্তিও লাঞ্চিত হোক যে পিতা-মাতাকে বৃদ্ধাবস্থায় পেল, কিন্তু তারা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারল না। [তিরমিযী: হাদিস: ২৮১০ (সহীহ)]

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শোনার পর দরূদ না পড়লে তাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদ-দোআ করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শুনে যে ব্যক্তি দরূদ পড়ে না তার জন্য জিবরীল আলাইহিস সালাম বদ-দো‘আ করেছেন আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমীন বলেছেন।

عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ : رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : أُحْضُرُوْا الْمِنْبَرَ، فَحَضَرْنَا فَلَمَّا ارْتَقَى الدَّرَجَةَ قَالَ : آمِيْنَ ، ثُمَّ ارْتَقَي الدَّرجَةَ الثَّانِيَةَ فَقَالَ : آمِيْنَ ، ثُمَّ ارْتَقَي الدَّرَجَةَ الثَّالِثَةَ فَقَالَ : آمِيْنَ ، فَلَمَّا فَرَغَ نَزَلَ عَنْ الْمِنْبَرِ قَالَ : فَقُلْنَا لَهُ : يَا رَسُوْلَ اللهِ صلي الله عليه وسلم لَقَدْ سَمِعْنَا مِنْكَ الْيَوْمَ شَيْئُا مَا كُنَّا نَسْمَعُهُ . قَالَ : إِنَّ جِبْرِيْلَ عَرَضَ لِي فَقَالَ : بَعُدَ مَنْ أَدْرَكَ رَمَضَانَ فَلَمْ يُغْفَرْ لَهُ ، فَقُلْتُ : آمِيْنَ ، فَلَمَّا رَقِيْتُ الثَّالِثَةَ قَالَ : بَعُدَ مَنْ أَدْرَكَ أَبَوَيْهِ الْكِبَرَأَوْ أَحَدَهُمَا فَلَمْ يُدَخِلاَهَ الْجَنَّةَ . فَقُلْتُ : آمِيْنَ . ( صحيح ، رواه الحاكم ، فضل الصلاة على النبى للألبانى )

“কা‘ব ইবনু উজরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা মিম্বরের কাছে একত্রিত হও। আমরা উপস্থিত হলাম। যখন তিনি মিম্বরের প্রথম স্তরে চড়লেন তখন বললেন, হে আল্লাহ কবুল করুন। তারপর যখন দ্বিতীয় স্তরে চড়লেন তখনও বললেন, হে আল্লাহ কবুল করুন। তারপর তৃতীয় স্তরে চড়ে আবারও বললেন, হে আল্লাহ কবুল করুন। খুতবা শেষে যখন মিম্বর থেকে অবতরণ করলেন, তখন আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আজ আমরা আপনার থেকে এমন কিছু শুনলাম যা এর পূর্বে আর কখনও শুনিনি। তখন তিনি বললেন, আমার কাছে জিবরীল আলাইহিস সালাম এসে বলল, যে ব্যক্তি রমযান পেয়েও তাকে ক্ষমা করা হল না সে বঞ্চিত হোক। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ কবুল করুন। যখন দ্বিতীয় স্তরে চড়লাম তখন তিনি বললেন, যার কাছে আপনার নাম উল্লেখ করা হল কিন্তু সে আপনার উপর দরূদ পড়ল না, সেও বঞ্চিত হোক। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ কবুল করুন। যখন তৃতীয় স্তরে চড়লাম, তখন তিনি বললেন, যে পিতা-মাতাকে অথবা তাদের কোনো একজনকে বৃদ্ধাবস্থায় পেয়েও তারা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাতে পারল না সেও বঞ্চিত হোক। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ কবুল করুন। [হাকিম: হাদিস-১৯। (সহীহ)]
পরিচ্ছেদঃ ২২

দুই. যে ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়ে না সে প্রকৃত কৃপণ:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর যে দরূদ পড়ে না তাকে তিনি কৃপণ বলে আখ্যায়িত করেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শোনার পর সাথে সাথে তার উপর দরূদ পড়তে হবে। প্রমাণ:

عنْ عَلِيِّ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : الْبَخِيْلُ الَّذِي مَنْ ذُكِرْتُ عِنْدَهُ فَلَمْ يُصَلِّ عَلَيَّ . ( صحيح ، رواه الترمذي ، صحيح سنن الترمذى الجزء الثالث )

“আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সেই ব্যক্তি প্রকৃত কৃপণ, যার কাছে আমার নাম নেওয়া হল কিন্তু সে আমার উপর দরূদ পড়ল না। [তিরমিযী, ২৮১১। (সহীহ)]

عَنْ أَبِي ذر رَضِي اللهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم قَالَ : إِنَّ أَبْخَلَ النَّاسِ مَنْ ذُكِرْتُ عِنْدَهُ فَلَمْ يُصَلِّ عَلَيَّ . رواه أسماعيل القاضي في فضل الصلاة على النبي صلي الله عليه وسلم ، فضل الصلاة على النبى للألبانى )

“আবু যার রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সেই ব্যক্তি বড় কৃপণ, যার কাছে আমার নাম নেওয়া হল, কিন্তু সে আমার উপর দরূদ পড়ল না। [ঈসমাঈল আল- কাযী: ৩৭। (সহীহ)]

عن أبي ذر - رضي الله عنه - قال : «خرجت ذات يوم فأَتَيتْتُ رسولَ الله - صلى الله عليه وآله وسلم - قال : «ألا أخبركم بأبخل الناس؟» قالوا : «بلى يا رسول الله» . قال : «مَنْ ذُكِرْتُ عِنْدَهُ فَلَمْ يُصَلّ عَلَيَّ فَذّلِكَ أبخَلُ النَّاسِ» ( صحيح رواه ابن أبي عاصم في كتاب الصلاة ).

“আবু যর রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ঘর থেকে বের হয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে আসলে, তিনি আমাকে বলেন, আমি কি তোমাদের সত্যিকার কৃপণ ব্যক্তি কে সে সম্পর্কে বলে দেব? সাহাবীরা বললেন, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেন, সেই সত্যিকার কৃপণ যার সামনে আমার নাম আলোচনা করা হল, অথচ সে আমার উপর দরূদ পাঠ করল না।
পরিচ্ছেদঃ ২৩

তিন. দরূদ না পড়া অনুতাপের কারণ হয়:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পাঠ না করা কিয়ামতের দিন অনুতাপের কারণ হবে। প্রমাণ:

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : مَا قَعَدَ قَوْمٌ مَقْعَدًا لَمْ يَذْكُرُوْا فِيْهِ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ وَيُصلُّوا عَلَى النَّبيِّ إِلاَّ كَانَ عَلَيْهِمْ حَسْرَةً يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَإِنْ دَخَلُوْا الْجَنَّةَ للثَّوَابِ . ( صحيح ، رواه أحمد وابن حبان والحاكم والخطيب، سلسلة الأحاديث الصحيحة للألبانى الجزء الأول (

“আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে মজলিসে লোকেরা আল্লাহর যিকির করে না এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়ে না, সেই মজলিস কিয়ামতের দিন তাদের জন্য অনুতাপের কারণ হবে। যদিও নেক আমলের কারণে জান্নাতে চলে যায়। [আহমদ, ইবনু হিব্বান, হাকিম, খতীব ৭৬। (হাদিসটি সহীহ)]

যখন কোথাও মজলিস বা অনুষ্ঠান হবে, তখন তাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়া ও আল্লাহর যিকির করা খুবই জরুরী। অন্যথায় তা আমাদের জন্য অনুতাপ ও পরিতাপের কারণ হবে।
পরিচ্ছেদঃ ২৪

চার. দরূদ পাঠ করা জান্নাতের পথকে সুগম করে:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পাঠ না করা জান্নাত থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণ হবে। প্রমাণ:

عَنْ ابْنِ عَبّاسٍ رَضِى الله عَنْهُ قَالَ : قَالَ : رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : مَنْ نَسِيَ الصَّلاةَ عَلَيَّ خَطِىءَ طَرِيْقَ الْجَنَّةِ . ) صحيح ، رواه ابن ماجه ، صحيح سنن ابن ماجة الجزء الأول .(

“আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার উপর দরূদ পড়া ভুলে যাবে সে জান্নাতের রাস্তা ভুলে যাবে। [ইবনু মাজাহ: ৭৪০। (হাদিসটি সহীহ)]
পরিচ্ছেদঃ ২৫

পাঁচ. দরূদ দো‘আ কবুল হওয়ার পূর্ব শর্ত:

যে দো‘আর পূর্বে দরূদ পড়া হয় না সেই দো‘আ আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না। দো‘আ করার পূর্বে অবশ্যই দুরূদ পড়তে হবে।

عَنْ اَنسِ رضى اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ : رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : كُلُّ دُعَاءٍ مَحْجُوْبٌ حَتَّى يُصَلّى عَلَى النَّبِىِّ صلي الله عليه وسلم . ( حسن ، رواه الطبرانى ، سلسلة الأحاديث الصحيحة للألبانى الجزء الخامس (

“আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যতক্ষণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়া হবে না ততক্ষণ দো‘আ কবুল করা হয় না। [ত্বাবরানী: ২০৩৫। (হাসান)]
পরিচ্ছেদঃ ২৬

দরূদ শরীফের মাসনূন শব্দসমূহ

আমাদের দেশে নবী সা. এর উপর দরূদ পড়ার বিভিন্ন শব্দ পাওয়া যার অধিকাংশই হাদিস দ্বারা প্রমাণিত বা স্বীকৃত কোনো দরূদ নয়। এগুলো সবই মনগড়া, বানানো ও জাল হাদিসের বৃত্তিতে আমাদের কাছে পৌছেছে। সুতরাং, এ সব মনগড়া, বানানো ও জাল দরূদ থেকে বিরত থাকতে হবে এবং বিশুদ্ধ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত দরূদের অনুসরণ করতে হবে। নিম্নে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রমাণিত দরূদের শব্দগুলো দেওয়া হল-

(১)

عَنْ أَبِي حُمَيْدٍ السَّاعِدِي رَضِي اللهُ عَنْهُ أَنَّهُمْ قَالُوْا : يَا رَسُوْلَ الله صلي الله عليه وسلم كَيْفَ نُصَلّي عَلَيْكَ؟ فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلي الله عليه وسلم : قُوْلُوا : اللَّهُم صَلِّ عَلى مُحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وذُرِّيَتِهِ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ وَبَارِكْ عَلَى مَحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وَذرِّيَتِهِ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلَ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ . ( صحيح ، رواه البخاري، كتاب الأنبياء ، باب قول الله تعالى واتخذ الله ابراهيم خليلا ( .

“আবু হুমাইদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ছাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনার উপর দরূদ পড়ব কিভাবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরা বল ‘আল্লাহুম্মা ছাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আযওয়াজিহী ওয়া যুররিয়্যাতিহী কামা ছাল্লাইতা ‘আলা আলি ইবরাহীমা, ওয়া বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আযওয়াজিহী ওয়া যুররিয়্যাতিহী কামা বারাকতা ‘আলা আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্মাজীদ’।

অর্থাৎ, হে আল্লাহ! মুহাম্মদ এবং তাঁর পত্নীগণ ও সন্তানদের প্রতি এমনভাবে দরূদ পাঠ কর যেমনভাবে করেছ ইব্রাহীমের পরিবার-পরিজনের উপর। হে আল্লাহ! মুহাম্মদ এবং তাঁর পত্নীগণ ও সন্তানদের প্রতি এমনভাবে বরকত অবতীর্ণ কর যেমনভাবে করেছ ইব্রাহীমের পরিবার-পরিজনের উপর। নিশ্চয় তুমি মহান এবং সুপ্রশংসিত। [বুখারী, হাদিস: ৩৩৬৯]

(২)

عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : لَقِيَنِي كَعْبُ بْنُ عُجْرَةَ رَضِي اللهُ عَيْهُ فَقَالَ : أَلاَ أُهْدِي لَكَ هَدِيَّةً سَمِعْتُها مِنْ النّبى صلي الله عليه وسلم ؟ فَقُلْتُ بَلَى فَأَهْدِهَا لِي ! فَقَالَ : سَأَلْنَا رَسُولَ اللهِ كَيْفَ الصَّلاَةُ عَلَيْكُمْ أَهْلِ الْبَيْتِ فَإِنَّ اللهَ قَدْ عَلَّمَنَا كَيْفَ نُسَلِّمُ عَلَيْكَ ؟ قُولُوْا : اللهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ إِبْرَاهِيْمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ , اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ . ( صحيح ، رواه البخاري كتاب الأنبياء ، باب قول الله تعالى واتخذ الله ابراهيم خليلا (.

“আব্দুর রহমান ইবনু আবি লায়লা রাহিমাহুল্লাহ বলেন, আমার সাথে কা‘ব ইবনু উজরার সাক্ষাৎ হল, তিনি বললেন: আমি কি সেই হাদিয়াটুকু তোমার কাছে পৌঁছাব না যা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছি? আমি বললাম, অবশ্যই আপনি আমাকে সেই হাদিয়া দেন। তারপর বললেন: আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি এবং আহলে বাইতের উপর কিভাবে সালাত তথা দরূদ পাঠ করব? কেননা আল্লাহ তা‘আলা আমাদেরকে আপনাকে কিভাবে সালাম জানাব তা বলে দিয়েছেন। তিনি বললেন: তোমরা বল: ‘আল্লাহুম্মা ছাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা ছাল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীমা ওয়া ‘আলা আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্মাজীদ। ‘আল্লাহুম্মা বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা কারাকতা ‘আলা ইবরাহীমা ওয়া ‘আলা আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্মাজীদ।

অর্থাৎ, হে আল্লাহ! মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজনদের উপর এমনভাবে দরূদ পাঠ কর যেমনভাবে করেছ ইব্রাহীম ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর, নিশ্চয় তুমি মহান এবং প্রশংসিত। হে আল্লাহ! মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজনদের উপর এমনভাবে বরকত দাও যেমনভাবে দিয়েছ ইব্রাহীম ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর। নিশ্চয় তুমি মহান এবং প্রশংসিত। [বুখারী, হাদিস: ৩৩৭০।]

(৩)

عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَمْرٍو رَضِي اللهُ عَنْهُ أَتَي رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم رَجُلٌ حَتّى جَلَسَ بَيْنَ يَدَيْهِ , فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم أَمَّا السَّلاَمُ عَلَيْكَ فَقَدْ عَرَفَنَاهُ , وَأَمَّا الصَّلاَةُ فَأَخْبِرْنَا بِهَا كَيْفَ نُصَلِّى عَلَيْكَ؟ فَصَمَتَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم حَتَّى وَدَدْنَا أَنَّ الرَّجُلَ الَّذِى سَأَلَهُ لَمْ يَسْأَلْهُ . ثُمَّ قَالَ : إِذَا صَلَّيْتُمْ عَلَي فَقُوْلُوا : اللهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ النَبىّ الأُمِيِّ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ . ( حسن ، رواه إسماعيل القاضي في فضل الصلاة علي النبي صلي الله عليه وسلم ، فضل الصلاة على النبى للألبانى .(

“উকবা ইবনু আমের রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে এসে বসল এবং বলল: ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনাকে কিভাবে সালাম জানাব তা আমরা জানি। তবে আপনার উপর কিভাবে সালাত তথা দরূদ পাঠ করব? তা আমাদের বলে দিন। তখন তিনি চুপ থাকলেন এমনকি আমরা ভাবলাম যদি প্রশ্নকারী প্রশ্ন না করত তাহলে অনেক ভাল হত। তারপর তিনি বললেন: তোমরা আমার উপর সালাত পাঠ করার জন্য বল: ‘আল্লাহুম্মা ছাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিনিন্নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া ‘আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা ছাল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীমা ওয়া ‘আলা আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্মাজীদ।

অর্থাৎ, হে আল্লাহ! নিরক্ষর নবী মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজনদের উপর এমনভাবে দরূদ পাঠ কর যেমনভাবে করেছ ইব্রাহীম ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর নিশ্চয় তুমি মহান এবং প্রশংসিত। [ইসমাঈল কাযী, হাদিস: ৫৯ (হাসান)]

(৪)

عَنْ أَبِيِ مَسْعُوْدٍ الأَنْصارِيِّ رَضِي اللهُ عَنْهُ أَنَّهُ قَالَ : أَتَانَا رَسُولُ للهِ صلي الله عليه وسلم فِي مَجْلِسِ سَعْدِ بْنِ عُبَادَةَ رَضِي اللهُ عَنْهُ فَقَالَ لَهُ بَشِيْرُ بْنُ سَعْدٍ : أَمَرَنَا اللهُ عَزَّ وَجَلَّ أَنْ نُصَلِّيَ عَلَيْكَ يَا رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم فَكَيْفَ نُصَلِّي عَلَيْكَ؟ فَسَكَتَ رَسُولُ اللهِ صلي الله عليه وسلم حَتَّى تَمَنَّيْنَا أَنَّهُ لَمْ يَسْأَلْهُ ثُمَّ قَالَ : قُوْلُوْا : الَّلهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آل إِبْرَاهِيْمَ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ فَي الْعَالَمِيْنَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ وَالسَّلاَمُ كَمَا عَلَمتمْ . ] صحيح ، رواه مسلم ، كتاب الصلاة ، باب الصلاة على النبى بعد التشهد .[

“আবু মাসউদ আনসারী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা সা‘দ ইবনু উবাদার মজলিসে আমাদের কাছে আসলেন। তখন বশীর ইবনু সা‘দ তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন: ইয়া রাসুলাল্লাহ! আল্লাহ তা‘আলা আমাদের আদেশ দিয়েছেন যেন আমরা আপনার উপর দরূদ পড়ি। আমরা কিভাবে আপনার উপর সালাত তথা দরূদ পাঠ করব? তখন তিনি চুপ থাকলেন এমনকি আমরা ভাবলাম যদি প্রশ্নকারী প্রশ্ন না করত তাহলে অনেক ভাল হত। তারপর তিনি বললেন: তোমরা বল: ‘আল্লাহুম্মা ছাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা ছাল্লাইতা ‘আলা আলি ইবরাহীমা, ওয়া বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা ‘আলা আলি ইবরাহীমা ফিল আলামীনা ইন্নাকা হামীদুম্মাজীদ’।

অর্থাৎ, হে আল্লাহ! মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজনদের উপর এমনভাবে দরূদ পাঠ কর যেমনভাবে করেছ ইব্রাহীম ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর। আর মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজনদের উপর এমনভাবে বরকত দাও যেমনভাবে পৃথিবীতে দিয়েছ ইব্রাহীম ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর। নিশ্চয় তুমি মহান এবং প্রশংসিত। [মুসলিম, হাদিস: ৪০৫।]

(৫)

عَنْ أَبِي سَعِيْدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : قُلْنَا يَا رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم هذَا التَّسْلِيْمُ فَكَيْفَ نُصَلِّي عَلَيْكَ؟ قَالَ : قُوْلُوْا : الَّلهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ عَبْدِكَ وَرَسُوْلِكَ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَي آلِ إِبْرَاهِيْمَ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَي آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلى إِبْرَاهِيْمَ . ( رواه البخاري ، كتاب التفسير ، باب قول الله تعالى إن الله وملائكته يصلون على النبى .(

“আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমরা বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! সালাম তো আমাদের জানা আছে। তবে আমরা কিভাবে আপনার উপর সালাত তথা দরূদ পাঠ করব? তখন তিনি বললেন: তোমরা বল: ‘আল্লাহুম্মা ছাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিন আব্দিকা ওয়া রাসুলিকা, কামা ছাল্লাইতা ‘আলা আলি ইবরাহীমা, ওয়া বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা ‘আলা ইবরাহীমা’।

অর্থাৎ হে আল্লাহ! তোমার বান্দা এবং রাসূল মুহাম্মদ এর উপর এমনভাবে দরূদ পাঠ কর যেমনভাবে করেছ ইব্রাহীমের পরিবার-পরিজনের উপর। আর মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজনদের উপর এমনভাবে বরকত দাও যেমনভাবে দিয়েছ ইব্রাহীম এর উপর। [বুখারী, হাদিস: ৪৭৯৮]

(৬)

عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : لَقِيَنِي كَعْبُ بْنُ عُجْرَةَ رَضِي اللهُ عَيْهُ فَقَالَ : أَلاَ أُهْدِي لَكَ هَدِيَّةً ؟ خرج علينا رسول الله فقلنا قد عرفنا كيف نسلم عليك فكيف نصلي عليك ؟ قال : قُولُوْا : اللهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ َعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ , اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ . ( صحيح ، رواه مسلم ، كتاب الصلاة ، باب الصلاة على النبى بعد التشهد .(

“আব্দুর রহমান ইবনু আবি লায়লা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমার সাথে কা‘ব ইবনু উজরার সাক্ষাত হল, তিনি বললেন: আমি কি তোমাকে একটি হাদিয়া দেব না? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে আসলেন। আমরা তাঁকে জিজ্ঞেস করলামঃ আপনাকে কিভাবে সালাম জানাব তা আমরা জানি। তবে আপনার উপর কিভাবে সালাত তথা দরূদ পাঠ করব? তিনি বললেন: তোমরা বল: ‘আল্লাহুম্মা ছাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা ছাল্লাইতা ‘আলা আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্মাজীদ। ‘আল্লাহুম্মা বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা ‘আলা আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্মাজীদ’।

অর্থাৎ হে আল্লাহ! মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজনদের উপর এমনভাবে দরূদ পাঠ কর যেমনভাবে করেছ ইব্রাহীমের পরিবার-পরিজনের উপর নিশ্চয় তুমি মহান এবং প্রশংসিত। হে আল্লাহ! মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজনদের উপর এমনভাবে বরকত দাও যেমনভাবে দিয়েছ ইব্রাহীমের পরিবার-পরিজনের উপর। নিশ্চয় তুমি মহান এবং প্রশংসিত। [মুসলিম, হাদিস: ৪০৬ ।]

(৭)

عَنْ أَبِي سَعِيْدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِى اللهُ عَنْهُ قَالَ : قُلْنَا يَا رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم السَّلاَمُ عَلَيْكَ قَدْ عَرَفْنَاهُ فَكَيْفَ الصَّلاَةُ عَلَيْكَ؟ قَالَ : قُوْلُوا : الَّلهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ عَبْدِكَ وَرَسُوْلِكَ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ وَ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَآلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلِى إِبْرَاهِيْمَ . ( صحيح ، رواه النسائي ، صحيح سنن النسائى الجزء الأول .(

(৭) আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমরা বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! সালাম তো আমাদের জানা আছে। তবে আমরা কিভাবে আপনার উপর সালাত তথা দরূদ পাঠ করব? তখন তিনি বললেন: তোমরা বল: ‘আল্লাহুম্মা ছাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিন আব্দিকা ওয়া রাসুলিকা, কামা ছাল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীমা, ওয়া বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা ‘আলা ইবরাহীমা’।

অর্থাৎ হে আল্লাহ! তোমার বান্দা ও রাসূল মুহাম্মদ এর উপর এমনভাবে দরূদ পাঠ কর যেমনভাবে করেছ ইব্রাহীম এর উপর। আর মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজনদের উপর এমনভাবে বরকত দাও যেমনভাবে দিয়েছ ইব্রাহীম এর উপর। [নাসায়ী, হাদিস: ১২২৬।(সহীহ)]

(৮)

عَنْ أَبِي سَعِيْدٍ الخُدْرِيِّ قَالَ : قُلْنَا يَا رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم هَذَا السَّلاَمُ عَلَيْكَ قَدْ عَرَفْنَاهُ فَكَيْف الصَّلاَةُ ؟ قَالَ : قُوْلُوْا : الَّلَهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ عَبْدِكَ وَرَسُوْلِكَ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ . ( صحيح ، رواه ابن ماجة ، صحيح سنن ابن ماجة الجزءالأول .(

“আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমরা বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! সালাম তো আমাদের জানা আছে। তবে আমরা কিভাবে আপনার উপর সালাত তথা দরূদ পাঠ করব? তখন তিনি বললেন: তোমরা বল: ‘আল্লাহুম্মা ছাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিন আব্দিকা ওয়া রাসুলিকা, কামা ছাল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীমা, ওয়া বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা ‘আলা ইবরাহীমা’।

হে আল্লাহ! তোমার বান্দা ও রাসূল মুহাম্মদ এর উপর এমনভাবে দরূদ পাঠ কর যেমনভাবে করেছ ইব্রাহীম এর উপর। আর মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজনদের উপর এমনভাবে বরকত দাও যেমনভাবে দিয়েছ ইব্রাহীম এর উপর। [ইবনু মাজাহ, হাদিস: ৭৩৬। (সহীহ)]

(৯)

عَنْ أَبِي حُمَيْدٍ السَّاعِدِيِّ رَضِي اللهُ عَنْهُ أَنَّهُمْ قَالُوْا : يَا رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم أُمِرْنَا بِالصَّلاَةِ عَلَيْكَ فَكَيْفَ نُصَلِّي عَلَيْكَ ؟ فقال : قُوْلُوا : الَّلهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَتِهِ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَأَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَتِهِ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ فِي الْعَالَمِيْنَ , إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ . ( صحيح ، رواه ابن ماجة ، صحيح سنن ابن ماجة الجزء الأول (

“আবু হুমাইদ সা‘য়েদী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ছাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদেরকে আপনার উপর দরূদ পড়ার আদশ দেওয়া হয়েছে। আমরা কিভাবে আপনার উপর দরূদ পড়ব? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: তোমরা বল: ‘আল্লাহুম্মা ছাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আযওয়াজিহী ওয়া যুররিয়্যাতিহী কামা ছাল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীমা ওয়া বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আযওয়াজিহী ওয়া যুররিয়্যাতিহী কামা বারাকতা ‘আলা ইবরাহীমা ফিল আলামীনা ইন্নাকা হামীদুম্মাজীদ’।

অর্থাৎ হে আল্লাহ! মুহাম্মদ এবং তাঁর পত্নীগণ ও সন্তানদের প্রতি এমনভাবে দরূদ পাঠ কর যেমনভাবে করেছ ইব্রাহীমের উপর। হে আল্লাহ! মুহাম্মদ এবং তাঁর পত্নীগণ ও সন্তানদের প্রতি এমনভাবে বরকত অবতীর্ণ কর যেমনভাবে করেছ ইব্রাহীমের পরিবার-পরিজনের উপর। নিশ্চয় তুমি মহান এবং প্রশংসিত। [ইবনু মাজাহ, হাদিস: ৭৩৮ । (সহীহ)]

(১০)

عَنْ زَيْدِ بْنِ خَارِجَةَ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : أَنَا سَأَلْتُ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم فَقَالَ : صَلُّوْا عَلَيَّ وَاجْتَهِدُوْا فِي الدُّعَآءِ وَقُوْلُوْا : الَّلهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ . ( صحيح ، رواه النسائي ، صحيح سنن النسائى الجزء الأول ).

“যায়েদ ইবনু খারিজাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি বললেন: তোমরা আমার উপর দরূদ পড় এবং অনেক বেশী চেষ্টা করে দো‘আ’ কর। এভাবে বল: ‘আল্লাহুম্মা ছাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা আলি মুহাম্মাদিন’।

অর্থাৎ, হে আল্লাহ! মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজনদের উপর রহমত বর্ষণ কর। [নাসায়ী, হাদিস: ১২২৫ (সহীহ)]

(১১)

عَنْ مُوْسَى بْنِ طَلْحَةَ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَال : أَخْبَرَنِي زَيْدُ بْنُ خَارِجَةَ قَالَ : قُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم قَدْ عَلِمْنَا كَيْفَ نُسَلِّمُ عَلَيْكَ فَكَيْفَ نُصَلِّي عَلَيْكَ ؟ قَالَ صَلُّوْا عَلَيَّ وَقُوْلُوْا : الَّلهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ وَآلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ . ( صحيح ، رواه أحمد ، فضل الصلاة على النبى للألبانى (

“মুসা ইবনু ত্বালহা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যায়েদ ইবনু খারিজাহ আমাকে বললেন যে, তিনি বলেছেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনাকে কিভাবে সালাম করব তা আমারা জানি। তবে আপনার উপর সালাত তথা দরূদ কিভাবে পাঠ করব? তখন তিনি বললেন: তোমরা আমার উপর দরূদ পাঠ করতঃ বল: ‘আল্লাহুম্মা বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা বারাকতা ‘আলা ইবরাহীমা ওয়া আলি ইবরাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্মাজীদ’।

অর্থাৎ হে আল্লাহ! মুহাম্মদ এবং তাঁর পরিবার-পরিজনদের উপর এমনভাবে বরকত দাও যেমনভাবে দিয়েছ ইব্রাহীম ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর। নিশ্চয় তুমি মহান এবং প্রশংসিত। [মুসনাদু আহমদ, হাদিস: ৬৮। (সহীহ)]
পরিচ্ছেদঃ ২৭

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর সালাম পাঠ করা

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর সালাম প্রেরণের জন্য মাসনূন শব্দ হল নিম্নরূপ।

عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعٌوْدِ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : الْتَفَتَ إِلَيْنَا رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم فَقَالَ : إِنَّ اللهَ هُوَ السَّلاَمُ , فَإِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ فَلْيَقُلْ : التَّحِيَّاتُ للهِ وَالصَّلوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ السّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَا تُهُ , السّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عَبَادِ اللهِ الصَّالَحِيْنَ ، فَإِنَّكُمْ إِذَا قُلْتٌمٌوْهَا أَصَابَتْ كَلَ عَبْدٍ صَالِحٍ فِي السَّمَآءِ وَالأرْضِ , أَشْهَدُ أَنْ لاَّ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ .( صحيح ، رواه البخاري ، كتاب الصلاة ، باب التشهد فى الآخرة ).

“আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের দিকে তাকিয়ে বললেন: আল্লাহই হলেন ‘সালাম’। অতএব তোমরা যখন সালাত আদায় করবে তখন বলবে-‘আতাতহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াচ্ছালাওয়াতু ওয়াত্ত্বাইয়িবাতু আসসালামু আলাইকা আইয়ুহান্নাবিইয়ু ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু, আসসালামু ‘আলাইনা ওয়া ‘আলা ইবাদিল্লাহিচ্ছালিহীন’ -এরূপ বললে আসমান ও জমিনের প্রত্যেক নেককার ব্যক্তি তা প্রাপ্ত হবে। তারপর বলবে ‘আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসুলুহু’। [বুখারী, হাদিস: ৮৩১]

মাসআলা: উল্লেখিত হাদিসসমূহে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়া ও তার সালাম প্রেরণ করার প্রদ্ধতি ও শব্দসমূহ বর্ণনা করে দেওয়া হয়েছে। যেহেতু দরূদ পাঠ করা এটি একটি ইবাদত তাই এ বিষয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শেখানো প্রদ্ধতি ও শব্দগুলোর অনুসরণ করাই বাঞ্চনীয়। এর বাইরে কোনো প্রদ্ধতি বা শব্দ গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের দেশে দরূদে তুনাজ্জিনা, দরূদে মুকাদ্দাস, দরূদে তাজ, দুরূদে লাকী এবং দরূদে আকবার ইত্যাদির যে প্রচলন রয়েছে সে সব দুরূদের শব্দগুলো সূন্নাহ দ্বারা প্রমাণিত নয়। সুতরাং, এগুলো পরিতাজ্য। সুন্নাতের অনুসরণ করাই ইসলামের অনুসারীদের জন্য একান্ত জরুরী।
পরিচ্ছেদঃ ২৮

দরূদ শরীফ পড়ার স্থানসমুহ এক- সালাতের শেষাংশে দরূদ পাঠ করা:

সালাত শেষ করার পূর্বে দরূদ পাঠ করা সূন্নাত। প্রমাণ:

عَنْ فُضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : سَمِعَ النَّبِيُّ صلي الله عليه وسلم رَجُلاً يَدْعُوفِى صَلاَتِهِ فَلَمْ يُصَلِّ عَلَى النَّبِيِّ صلي الله عليه وسلم . فَقَالَ النَّبِيُّ صلي الله عليه وسلم : عَجَّلَ هَذَا ثُمَّ دَعَاهُ فَقَالَ لَهُ أَوْ لِغَيْرِهِ إِذَا صَلّى أَحَدُكُمْ فَلْيَبْدَأْ بِتَحْمِيْدِ اللهِ والثَّنَآءِ عَلَيْهِ ثُمَّ لَيُصَلِّ عَلَى النَّبِيِّ صلي الله عليه وسلم ثُمَّ لَيَدْعُ بَعْدُ مَا شَاءَ . ( صحيح ، رواه الترمذى ، صحيح سنن الترمذى الجزء الثالث ).

“ফুদ্বালাহ ইবনু উবাইদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে ছালাতে দো‘আ করতে শুনলেন। লোকটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পাঠ করল না। তখন তিনি বললেন, এই লোকটি তাড়া-হুড়া করল। তারপর তাকে ডেকে বললেন, যখন তোমাদের কেউ সালাত পড়বে তখন প্রথম আল্লাহর প্রশংসা করবে তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়বে। অতঃপর যা ইচ্ছা দো‘আ করবে। [তিরমিযী, হাদিস: ২৭৬৭। (সহীহ)]
পরিচ্ছেদঃ ২৯

দুই. জানাযার সালাতে দরূদ পড়া

জানাযার ছালাতে (নামায) দ্বিতীয় তাকবীরের পর দরূদ পাঠ করা সুন্নাত। প্রমাণ-

عَنْ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلٍ رَضِي اللهُ عَنْهُ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلي الله عليه وسلم أَنَّ السُّنَّةَ فِي الصَّلاَةِ عَلَى الْجَنَازَةِ أَنْ يُكَبِّرَ الإِمَامُ ثُمَّ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ بَعْدَ التَّكْبِيْرَةِ الأُوْلَى سِرًّا فِي نَفْسِهِ ثُمَّ يُصَلِّي عَلَى النَّبِيِّ صلي الله عليه وسلم وَيُخَلِّص الدُّعَاءَ لِلْجَنَازَةِ فِي التَّكْبِيْرَاتِ وَلاَ يَقْرَأُ فِي شَئْيٍ مِنْهُنَّ ثُمَّ يُسَلِّمْ سِرَّاً فِي نَفْسِهِ . ( رواه الشافعي ، مسند الشافعى الباب الثالث والعشرون فى صلاة الجنائز (

“আবু উমামাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তাঁকে একজন ছাহাবী বলেছেন, জানাযার ছালাতে (নামায) সূন্নাত হল, প্রথমে ইমাম তাকবীর বলবে। প্রথম তাকবীরের পর চুপে চুপে সূরা ফাতিহা পাঠ করবে, তারপর (দ্বিতীয়) তাকবীর (এর পর) দরূদ পাঠ করবে এবং (তৃতীয় তাকবীরের পর) মৃতের জন্য বিশেষভাবে দো‘আ করবে। কুরআন পাঠ করবে না। তারপর (চতুর্থ তাকবীরের পর) চুপে চুপে সালাম দিবে। [শাফেয়ী, হাদিস: ৫৮১ । (সহীহ)]
পরিচ্ছেদঃ ৩০

তিন. আযান শুনার পর দো‘আ পড়ার পূর্বে দরূদ পাঠ করা সূন্নাত:

عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَمْرٍو بْنِ الْعَاصِ رَضِي اللهُ عَنْهُمَا أَنَّهُ سَمِعَ النَّبِيَّ صلي الله عليه وسلم يَقُوْلُ : إِذَا سَمِعْتُمُ الْمُؤَذِّنَ فَقُوْلُوْا مِثْلَ مَا يَقُوْلُ ثُمَّ صَلُّوْا عَلَىَّ فَإِنَّهُ مَنْ صَلَّى عَلّيَّ صَلاَةً صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ بِهَا عَشْراً , ثُمَّ سَلُوْا اللهَ لِي الْوَسِيْلَةَ فَإِنَّهَا مَنْزِلَةٌ فِي الْجَنَّةِ لاَ تَنْبَغِي إِلاَّ لِعَبْدٍ مِنْ عِبَادِ اللهِ وَأَرْجُوْ أَنْ أَكُوْنَ أَنَا هُوَ فَمَنْ سَأَلَ اللهَ لِي الْوَسِيْلَةَ حَلَّتْ لَهُ الشَّفَاعَةُ . ( صحيح ، رواه مسلم ، كتاب الصلاة باب القول مثل قول المؤذن .(

“আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যখন তোমরা মুআয্যিনের আযান শুনবে তখন তার মত বল। তারপর আমার উপর দরূদ পড়। কেননা যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পড়বে আল্লাহ তা‘আলা তার উপর দশবার দরূদ পাঠ করবেন। তারপর তোমরা আল্লাহর কাছে আমার জন্য উসীলার দো‘আ করবে। কারণ উসীলা হল জান্নাতে একটি উচ্চতর মর্যাদা, যা আল্লাহর বান্দাদের মধ্য থেকে শুধু একজনই প্রাপ্ত হবে। আমি আশা করি আমিই হব সেই ব্যক্তি। অতএব যে ব্যক্তি আমার জন্য আল্লাহর কাছে উসীলার দো‘আ করবে সে আমার সুপারিশ প্রাপ্ত হবে। [মুসলিম, হাদিস: ৩৮৪।]
পরিচ্ছেদঃ ৩১

চার. সর্বাবস্থায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়া ইসলামের নির্দেশ:

প্রত্যেক ঈমানদারের প্রতি সর্বাবস্থায় ও সর্বস্থানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পাঠের নির্দেশ রয়েছে।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَال رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : لاَ تَتَّخِذُوْا قَبْرِي عِيْداً وَلاَ تَجْعَلُوْا بُيُوْتَكُمْ قُبُوْراً وَحَيْثُمَا كُنْتُمْ فَصَلُّوْا عَلَيَّ فَإِنَّ صَلاَتَكُمْ تَبْلُغُنِي . ( صحيح ، رواه أَحمد ، فضل الصلاة على النبى للألبانى ).

“আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা আমার কবরকে ঈদে (মিলনমেলায়) পরিণত করো না। আর তোমরা তোমাদের ঘরকে কবরে পরিণত করনা। তোমরা যেখানেই থাকনা কেন আমার উপর দরূদ পড়। কারণ তোমাদের দরূদ আমার কাছে পৌঁছে যায়। [আহমদ, হাদিস: ২০ (সহীহ)]

عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيْقِ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : قالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : أَكْثِرُوْا الصَّلاَةَ عَلَيَّ فَإِنَّ اللهَ وَكَّلَ بِي مَلَكاً عِنْدَ قَبْرِي فَإِذَا صَلَّي عَلَيَّ رَجُلٌ مِنْ أُمَّتِي قَالَ لِي ذَلِك الْمَلَكُ : يَا مُحَمَّدَ إِنَّ فُلاَنَ ابْنَ فُلاَنٍ صَلَّي عَلَيْكَ السَّاعَةَ . ( حسن ، رواه الديلمي ، سلسلة الأحاديث الصحيحة للألبانى ، الجزء الأول (

“আবু বকর ছিদ্দীক রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা আমার উপর বেশী বেশী দরূদ পড়। কারণ আল্লাহ তা‘আলা আমার কবরের কাছে একজন মালাক (ফেরেশতা) নির্ধারণ করে রেখেছেন। যখন আমার উম্মতের কোনো ব্যক্তি আমার উপর দরূদ পাঠ করে তখন সে মালাক আমাকে বলে, হে মুহাম্মদ! অমুকের ছেলে অমুক এই মুহুর্তে আপনার উপর দরূদ পাঠ করেছে। [দায়লামী, হাদিস: ১২১৫। (হাসান)]

عَنْ ابْنِ مَسْعُوْدٍ رَضِي اللهُ عَنْهُ قالَ : قَالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : إِنَّ للهِ مَلاَئِكَةً سَيَّاحِيْنَ فِي الأَرْضِ يُبَلِّغُوْنِي مِنْ أُمَّتِي السَّلاَمَ . ( صحيح ، رواه النسائي ، صحيح سنن النسائى الجزء الأول (

“আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহর কতিপয় ফেরেশতা রয়েছেন যারা বিশ্বে ঘুরে বেড়ায়। তারা আমার উম্মতের পক্ষ থেকে আমার কাছে সালাম পৌঁছিয়ে দেন। [নাসায়ী, ১২৮২। (সহীহ)]
পরিচ্ছেদঃ ৩২

পাঁচ. জুমার দিন বেশি বেশি করে দরূদ পড়া:

জুমার দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর বেশী বেশী দরূদ পাঠ করার নির্দেশনা রয়েছে:

عَنْ اَبِيْ مَسْعُوْدٍ الأَنْصَارِيِّ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : أَكْثِرُوْا الصَّلاَةَ عَلَيَّ فِي يُوْمِ الْجُمْعَةِ فَإِنَّهُ لَيْسَ يُصَلِّ عَلَيِّ أَحَدٌ يَوْمَ الْجُمْعَةِ إِلاَّ عُرِضَتْ عَلَيَّ صَلاّتُهُ . ( صحيح ، رواه الحاكم والبيهقي ، صحيح الجامع الصغير الجزء الأول .(

“আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, জুমার দিন আমার উপর বেশী বেশী দরূদ পড়, কারণ যে ব্যক্তি জুমার দিন আমার উপর দরূদ পড়বে তার দরূদ আমার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। [হাকেম, বায়হাকী, হাদিস: ১২১৯। (সহীহ)]

عَنْ أَوْسِ بْنِ أَوْسِ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : إِنَّ مِنْ أَفْضَلِ أَيَّامِكُمْ يَوْمِ الْجُمْعَةِ فِيْهِ خُلِقَ آدَمُ , وَفِيْهِ قُبِضَ , وَفِيْهِ الْنَفْخَةُ , وَفِيْهِ الْصَّعْقَةُ , فَأَكْثِرُوْا عَلَيَّ مِن الصَّلاَةِ فِيْهِ فَإِنَّ صَلاَتَكُمْ مَعْرَوْضَةٌ عَلَيَّ . قَالَ قَالُوْا : يَا رَسُوْلَ اللهِ وَكَيْفَ تُعْرَضُ صَلاَتُنَا عَلَيْكَ وَقَدْ أَرَمْتَ ؟ يَقوُلُوْنَ بِلَيْتَ فَقَالَ : إِنَّ اللهَ عَزَّ وَجَلَّ حَرَّمَ عَلَي الأَرْضِ أَجْسَادَ الأَنْبِيَاءِ . ( صحيح ، رواه أبوداؤد ، صحيح سنن أبوداؤد ، الجزء الأول (

“আউস ইবনু আউস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সর্বোত্তম দিন হল, জুমার দিন। এই দিনে আদম আলাইহিস সালাম কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই দিনেই তাঁর রূহ কবজ করা হয়েছে, এই দিনেই শিংগায় ফুঁক দেওয়া হবে এবং এই দিনেই লোকেরা বেহুশ হবে। অতএব তোমরা এই দিনে আমার উপর বেশী বেশী দরূদ পাঠ কর। কারণ তোমাদের দরূদ আমার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। ছাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! আপনার কাছে আমাদের দরূদ কিভাবে পৌঁছানো হবে? আপনি তো মাটিতে মিশে যাবেন। তখন তিনি বললেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা জমিনের উপর নবীদের শরীর খাওয়া করা হারাম করেছেন। [আবুদাউদ, হাদিস: ৯২৫। (সহীহ)]
পরিচ্ছেদঃ ৩৩

ছয়. দো‘আর সময় দরূদ পড়া:

দো‘আ ও মুনাজাত করার সময় আল্লাহর প্রশংসাবাদের পর দরূদ পড়ার আদেশ রয়েছে।

عَنْ فُضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ قَالَ : بَيْنَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم قَاعِدٌ إِذْ دَخَلَ رَجَلٌ فَصَلَّى فَقَالَ : اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِيْ وَارْحَمْنِي . فَقَالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : عَجَّلْتَ أَيُّهَا الْمُصَلِّي ، إِذَا صَلَّيْتَ فَقَعَدْتَ فَاحْمَدِ اللهَ بِمَا هُوَ أَهْلُهُ وَصَلِّ عَلَيَّ ثُمَّ ادْعُهْ ، قَالَ : ثُمَّ صَلَّى رَجَلٌ آخَرٌ بَعْدَ ذلِكَ فَحَمِدَ اللهَ وَصَلَّي عَلَي النَّبِيِّ صلي الله عليه وسلم . فَقَالَ النَّبِيُّ صلي الله عليه وسلم : أَيُّهَا الْمُصَلَّي أدْعُ تُجَبْ . ( صحيح ، رواه الترمذى ، صحيح سنن الترمذى الجزء الأول (.

“ফুদ্বালাহ ইবনু উবাইদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসেছিলেন এমতাবস্থায় এক ব্যক্তি প্রবেশ করে সালাত আদায় করল তথায় সে বলল, হে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করা এবং দয়া কর। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে সালাত আদায়কারী! তুমি তাড়াহুড়া করে ফেলেছো। যখন তুমি সালাত আদায় করতে গিয়ে বসবে তখন আল্লাহর যথাযোগ্য প্রশংসা করবে তারপর আমার উপর দরূদ পড়বে তারপর দো‘আ করবে। ফুদ্বালা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তারপর আর এক লোক সালাত আদায় করল। সে আল্লাহর প্রশংসা করল এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়ল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: হে সালাত আদায়কারী! তুমি দো‘আ কর তোমার দো‘আ কবুল করা হবে। [তিরমিযী, হাদিস: ২৭৬৫ (সহীহ)]
পরিচ্ছেদঃ ৩৪

সাত. গুনাহ ক্ষমা প্রাপ্তির জন্য দরূদ পড়া সূন্নাত:

দরূদ শরীফ গুনাহ ক্ষমা হওয়া এবং সকল দুঃখ-কষ্ট ও বিষন্নতা থেকে মুক্তি অর্জনের উপায়।

عَنْ أُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ رَضِى اللهُ عَنْهُ قَالَ : قُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ ! إِنِّى أُكْثِرُ الصَّلاَةَ عَلَيْكَ فَكَمْ أَجْعَلُ لَكَ مِنْ صَلاَتِي ؟ قَالَ : مَا شِئتَ . قُلْتُ : الرُّبْعَ . قَالَ : مَاشِئْتَ ، فَإِنْ زِدْتَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكَ . فَالثُّلُثَيْنِ . قَالَ : مَاشِئْتَ فَإِنْ زِدْتَ فَهُوَ خَيْرٌلَكَ . قُلْتُ : أَجْعَلُ لَكَ صَلاَتِي كُلَّهَا . قَالَ : إِذَاً تُكْفَى هَمُّكَ وَيُغْفَرُ لَكَ ذَنْبُكَ . ( حسن ، رواه الترمذي ، صحيح سنن الترمذى للألبانى الجزء الثانى (

“উবাই ইবনু কা‘ব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি আপনার উপর বেশী বেশী দরূদ পাঠ করি। আমি কত দরূদ পড়ব? তিনি বললেন, যত তোমার মন চায়। আমি বললাম, চতুর্থাংশ? তিনি বললেন: যত মন চায়। তবে আরও বাড়ালে তা তোমার জন্য কল্যাণকর হবে। আমি বললাম- দুই তৃতীয়াংশ? তিনি বললেন: যত মন চায়। তবে আরও বাড়ালে তা তোমার জন্য কল্যাণকর হবে। আমি বললাম- আমি আপনার জন্য পুরা সময়েই দরূদ পড়ব। তিনি বললেন: তাহলে তোমার দুশ্চিন্তা দূর হবে এবং তোমার পাপ ক্ষমা হবে। [তিরমিযী, হাদিস: ১৯৯৯]
পরিচ্ছেদঃ ৩৫

আট. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম শুনা, পড়া কিংবা লেখার সময় দরূদ পড়া সুন্নাত।

عَنْ عَلِيٍّ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : الْبَخِيْلُ الَّذِي مَنْ ذُكِرْتُ عَنْدَهُ فَلَمْ يُصَلِّ عَلَيَّ . ( صحيح ، رواه الترمذي ، صحيح سنن الترمذى للألبانى الجزء الثالث (

“আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সেই ব্যক্তি কৃপণ, যার কাছে আমার নাম নেওয়া হল কিন্তু সে আমার উপর দরূদ পড়ল না। [তিরমিযী, হাদিস: ২৮১১ (সহীহ)]
পরিচ্ছেদঃ ৩৬

নয়. মসজিদে প্রবেশের সময় দরূদ পড়া:

মসজিদে প্রবেশ করা ও মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর সালাম প্রেরণ করা সূন্নাত। প্রমাণ:

عَنْ فَاطِمَةَ رَضِي اللهُ عَنْهَا بِنْتِ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم قَالَتْ : كَانَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم إِذَا دَخَلَ الْمَسْجِدَ يَقُوْلُ : بِسْمِ اللهِ وَالسَّلاَمِ عَلَي رَسُوْلِ اللهِ ، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذُنُوْبِي ، وَافْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ ، وَإِذاخَرَجَ قَالَ : بِسْمِ اللهِ وَالسَّلاَمُ عَلَي رَسُوْلِ اللهِ ، اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذُنُوْبِي وَافْتَحْ لِي اَبْوَابَ فَضْلِكَ . ( صحيح ، رواه ابن ماجه ، صحيح سنن ابن ماجة للألبانى الجزء الأول (

“ফাতেমা বিনতু মুহাম্মদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মসজিদে প্রবেশ করতেন তখন বলতেন: ‘বিসমিল্লাহি ওয়াসসালামু ‘আলা রাসূলিল্লাহি আল্লাহুম্মাগফিরলী যুনুবী ওয়াফতাহলী আবওয়াবা রাহমাতিকা’

অর্থাৎ, আল্লাহর নামে আমি মসজিদে প্রবেশ করছি, আল্লাহর রাসূলের উপর শান্তি হোক, হে আল্লাহ! আমার গুনাহ ক্ষমা কর এবং আমার জন্য আপনার রহমতের দরজা খোলে দাও।

আর যখন মসজিদ থেকে বের হতেন তখন বলতেন: ‘বিসমিল্লাহি ওয়াস্সালামু আলা রাসূলিল্লাহি আল্লাহুম্মাগফিরলী যুনুবী ওয়াফতাহলী আবওয়াবা ফাদলিকা’

অর্থাৎ, আল্লাহর নামে আমি মসজিদ থেকে বের হচ্ছি, আল্লাহর রাসূলের উপর শান্তি হোক, হে আল্লাহ! আমার গুনাহ ক্ষমা কর এবং আমার জন্য আপনার করুণার দরজা খোলে দাও। [ইবনু মাজাহ, ৬২৫। (সহীহ)]
পরিচ্ছেদঃ ৩৭

দশ. সালাতের শেষাংশে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়া:

সালাত শেষে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর সালাম পৌঁছানো সুন্নাত। প্রমাণ:

عَنْ أَبِي سَعِيْدٍ الْخُدْرِيِّ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : كَانَ إِذَا سَلَّمَ النَّبِيُّ صلي الله عليه وسلم مِنَ الصَّلاَةِ قَالَ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ : سُبْحَانَ رَبِّكَ رَبِّ الْعِزَّةِ عَمَّا يَصِفُوْنَ ، وَسَلاَمٌ عَلَي الْمُرْسَلِيْنَ ، وَالْحَمْدُ للهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ . ( حسن ، رواه أبويعلي ، عدة الحصن الحصين ( ،

“আবু সা‘ঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাত থেকে সালাম ফিরাতেন তখন তিনবার বলতেন: সুবহানা রাব্বিকা রাব্বিল ইযযাতি আম্মা ইয়াছিফুন, ওয়া সালামুন আলাল মুরসালীন, ওয়াল হামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন। অর্থাৎ, হে আল্লাহ! লোকেরা যা বলে তা থেকে তুমি পবিত্র এবং মর্যাদা পূর্ণ, সকল নবীদের উপর সালাম ও শান্তি হোক, আর সকল প্রশংসা সারা বিশ্বের প্রতিপালক মহান আল্লাহর জন্য। [আবু ইয়া‘লা, হাদিস: ২১৩ (হাসান)]
পরিচ্ছেদঃ ৩৮

এগার. প্রতিটি মজলিশে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরূদ পাঠ করা সূন্নাত:

প্রত্যেক মজলিসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পাঠ করা সুন্নাত। প্রমাণ:

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : مَا جَلَسَ قَوْمٌ مَجْلِسًا لَمْ يَذْكُرُوْا اللهَ فِيْهِ , وَلَمْ يُصَلُّوْا عَلَي نَبِيِّهِمْ إِلاَّ كَانَ عَلَيْهِمْ تِرَةً فَإِنْ شَاءَ عَذَّبَهُمْ وَإِنْ شَاءَ غَفَرَ لَهُمْ . ( صحيح ، رواه الترمذي ، صحيح سنن الترمذى للألبانى الجزء الثالث (

“আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, কোনো সম্প্রদায় যদি কোনো মজলিসে বসে এবং তাতে আল্লাহর স্মরণ করে না এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়ে না, তাহলে সেই মজলিস তাদের জন্য অনুতাপের কারণ হবে। অতএব তিনি চাইলে তাদের শাস্তি দিবেন কিংবা তাদের ক্ষমা করে দিবেন। [তিরমিযী, হাদিস: ২৬৯১। (সহীহ)]
পরিচ্ছেদঃ ৩৯

বারো. সকাল-সন্ধা দরূদ পাঠ করা:

প্রত্যেক সকাল-সন্ধ্যায় দরূদ পাঠ করা সূন্নাত। প্রমাণ:

عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : مَنْ صَلَّى عَلَيَّ حَيْنَ يُصْبِحُ عَشْرًا وَحِيْنَ يُمْسِي عَشْرًا أَدْرَكَتْهُ شَفَاعَتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ . ( حسن ، رواه الطبراني ، صحيح الجامع الصغير للألبانى (

“আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সকালে দশ বার দরূদ পড়বে এবং সন্ধ্যায় দশবার দরূদ পড়বে সে কিয়ামতের দিন আমার সুপারিশ লাভে ধন্য হবে। [ত্বাবরানী, হাদিস: ৬২৩৩ (হাসান)]
পরিচ্ছেদঃ ৪০

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়ার লাভ ও উপকারিতা

আল্লাহর নবীর উপর দরূদ পড়ার লাভ ও ফযিলত সম্পর্কে অসংখ্য হাদিস বর্ণিত, যাতে যারা বেশি বেশি করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরূদ পড়ে তাদের অবস্থান ও মান মর্যদা তুলে ধরা হয়েছে। নিম্নে আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়ার কয়েকটি লাভ ও উপকারিতা আলোচনা করছি।
পরিচ্ছেদঃ ৪১

এক. আল্লাহর নির্দেশ বাস্তবায়ন করা:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়া মানে, আল্লাহর নির্দেশ বাস্তবায়ন করা। কারণ আল্লাহ নিজেই তার নবীর উপর দরূদ পড়ার নির্দেশ দেন এবং তিনি নিজেও তার উপর দরূদ পড়েন। যদিও আল্লাহর দরূদ পড়া আর আমাদের দরূদ পড়ার অর্থ এক নয়। আমাদের দরূদ পড়ার অর্থ হল, তার জন্য দো‘আ করা। আর আল্লাহর দরূদ পড়ার অর্থ হল তার প্রশংসা করা।

অনুরূপভাবে রাসূলের উপর দরূদ পড়ার মাধ্যমে ফেরেশতাদের সাথেও একাত্মতা পোষণ ও তাদের অনুকরণ করা হয়। কারণ তারাও আল্লাহর নবীর উপর দরূদ পড়েন। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿ إِنَّ ٱللَّهَ وَمَلَٰٓئِكَتَهُۥ يُصَلُّونَ عَلَى ٱلنَّبِيِّۚ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ صَلُّواْ عَلَيۡهِ وَسَلِّمُواْ تَسۡلِيمًا ٥٦ ﴾ [ الاحزاب : ٥٦ ]

“আল্লাহ তা‘আলা নবীর উপর দরূদ পাঠ করেন। আর তাঁর মালাক তথা ফেরেশতাগণ নবীর জন্য আল্লাহর কাছে রহমতের দো‘আ করেন। অতএব, হে ঈমানদার লোকেরা! তোমরাও নবীর উপর সালাত ও সালাম প্রেরণ কর”। [সূরা আহযাব, আয়াত: ৫৬]
পরিচ্ছেদঃ ৪২

দুই. আল্লাহ তা‘আলা দরূদ পাঠকারীর উপর দরূদ পড়েন:

আল্লাহর নবীর উপর কেউ একবার দরূদ পড়লে আল্লাহ ও তার ফেরেশতারা তার দশবার দরূদ পড়ে। যতক্ষণ পর্যন্ত লোকটি দরূদ পড়তে থাকে ফেরেশতারাও তার উপর দরূদ পড়তে থাকে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

«مَنْ صَلَّى عَلَيَّ صَلَاةً صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ بِهَا عَشْرًا» ( رواه مسلم ).

“যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করে আল্লাহ তা‘আলা তার উপর দশবার দরূদ পাঠ করে। [মুসলিম, হাদিস: ৩৮৪।]

وعَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ عَنْ أَبِيهِ - رضي الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللهِ - صلى الله عليه وآله وسلم - جَاءَ ذَاتَ يَوْمٍ وَالْبُشْرَى فِي وَجْهِهِ فَقُلْنَا : إِنَّا لَنَرَى الْبُشْرَى فِي وَجْهِكَ؟ فَقَالَ : «إِنَّهُ أَتَانِي الْمَلَكُ فَقَالَ : يَا مُحَمَّدُ إِنَّ رَبَّكَ يَقُولُ : أَمَا يُرْضِيكَ أَنَّهُ لَا يُصَلِّي عَلَيْكَ أَحَدٌ إِلَّا صَلَّيْتُ عَلَيْهِ عَشْرًا، وَلَا يُسَلِّمُ عَلَيْكَ أَحَدٌ إِلَّا سَلَّمْتُ عَلَيْهِ عَشْرًا» . ( صحيح رواه النسائي وغيره ).

“আব্দুল্লাহ ইবন আবি তালহা রা. তার পিতা থেকে বর্ণনা করে বলেন, একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মধ্যে উপস্থিত হলেন, আমরা তাঁর চেহারায় খুশির ভাব দেখতে পেলাম, আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আপনার চেহারার মধ্যে আনন্দ দেখতে পাচ্ছি। তিনি বললেন, আমার নিকট ফেরেশতা এসে বললেন, হে মুহাম্মদ তোমার রব বলেন, তুমি কি এতে খুশি নও যে, যদি কোনো ব্যক্তি তোমার উপর একবার দরূদ পড়ে আমি তার উপর দশবার দরূদ পড়ি এবং যদি কেউ একবার সালাম দেয়, আমি তাকে দশবার সালাম দেই?” [নাসাঈ, হাদীস : ১২৮৩।]

وعن أنس - رضي الله عنه - قال : قال رسول الله - صلى الله عليه وآله وسلم -: «أَكْثِرُوا الصلاةَ عَليَّ يوَْمَ الجمعَة؛ فإنه أتاني جِبريلُ آنفًا عن ربِّه - عز وجل - فقال : «مَا عَلَى الأرضِ مِن مُسلمٍ يُصَلِّي عليكَ مرَّةً واحدةً إلا صليتُ أنا وملائكَتي عليهِ عشرًا» ( حسن رواه الطبراني )

“আনাস রা. হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, জুমার দিন তোমরা আমার উপর বেশি বেশি করে সালাত পড়। কারণ, জিবরীল আ. আমার নিকট এখনি তার রবের নিকট থেকে এ বাণী নিয়ে এসেছে যে, “জমিনের উপর কোনো মুসলিম যদি আমার উপর একবার দরূদ পড়ে আমি এবং আমার ফেরেশতারা তার উপর দশবার দরূদ পড়ি”। [তাবরানী, হাদিস: ৫৬৭৪]

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন,

«مَا مِنْ مُسْلِمٍ يُصَلِّي عَلَيَّ إِلَّا صَلَّتْ عَلَيْهِ الْمَلَائِكَةُ مَا صَلَّى عَلَيَّ؛ فَلْيُقِلَّ الْعَبْدُ مِنْ ذَلِكَ أَوْ لِيُكْثِرْ» . ( حسن رواه ابن ماجه )

“কোনো মুসলিম আমার উপর দরূদ পড়া মাত্রই ফেরেস্তারা তার উপর সমপরিমাণ দরূদ পড়ে। সুতরাং, একজন মুসলিম যেন দরূদ পড়ে এবং বেশি করে দরূদ পড়ে। [ইবনু মাযা, হাদিস: ৯০৭]
পরিচ্ছেদঃ ৪৩

তিন- গুনাহসমূহ ক্ষমা করেন:

যে ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর একবার দরূদ পড়ে, আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য দশটি নেকি লিপিবদ্ধ করেন, দশটি গুনাহ ক্ষমা করেন এবং দশটি দরজা বুলন্দ করেন।

عَنْ أَبِي طَلْحَةَ الْأَنْصَارِيِّ - رضي الله عنه - قَالَ : أَصْبَحَ رَسُولُ الله - صلى الله عليه وآله وسلم - يَوْمًا طَيِّبَ النَّفْسِ يُرَى فِي وَجْهِهِ الْبِشْرُ، قَالُوا : يَا رَسُولَ الله، أَصْبَحْتَ الْيَوْمَ طَيِّبَ النَّفْسِ يُرَى فِي وَجْهِكَ الْبِشْرُ؟ قَالَ : «أَجَلْ أَتَانِي آتٍ مِنْ رَبِّي - عز وجل - فَقَالَ : مَنْ صَلَّى عَلَيْكَ مِنْ أُمَّتِكَ صَلَاةً كَتَبَ اللهُ لَهُ عَشْرَ حَسَنَاتٍ، وَمَحَا عَنْهُ عَشْرَ سَيِّئَاتٍ، وَرَفَعَ لَهُ عَشْرَ دَرَجَاتٍ، وَرَدَّ عَلَيْهِ مِثْلَهَا» . ( صحيح رواه أحمد والنسائي )

“আবু তালহা আল আনসারী রা. হতে বর্ণিত তিনি বলেন, একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন সকালে আমাদের মধ্যে উপস্থিত হলে, আমরা তার চেহারার মধ্যে খুশি দেখতে পেলাম, আমরা বললাম হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আপনার চেহারার মধ্যে আনন্দ দেখতে পাচ্ছি। তিনি বললেন, আমার নিকট আমার রবের পক্ষ হতে একজন ফেরেশতা এসে বলল, যদি তোমার উম্মতের কোনো ব্যক্তি তোমার উপর একবার দরূদ পড়ে আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য দশটি নেকী লিপিবদ্ধ করেন, দশটি গুনাহ ক্ষমা করেন, দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন এবং তার জন্য সমপরিমাণ রহমত প্রেরণ করেন। [আহমদ, হাদিস: ১৬৩৫২]
পরিচ্ছেদঃ ৪৪

চার. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে দরূদ পাঠকারীর আলোচনা:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়াতে রাসূলের সামনে তোমার নাম উল্লেখ করার সৌভাগ্য লাভ হয়। একজন মানুষের জন্য এর চেয়ে বড় পাওনা আর কি হতে পারে যে তার নাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট আলোচনা হয়। প্রমাণ:

فعن ابن مسعود - رضي الله عنه - عن النبي - صلى الله عليه وآله وسلم - قال : «إِنَّ لِلَّهِ مَلَائِكَةً سَيَّاحِينَ فِي الْأَرْضِ يُبَلِّغُونِي مِنْ أُمَّتِي السَّلَامَ» ( صحيح رواه النسائي وابن حبان )

“আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহর কতিপয় ফেরেশতা রয়েছেন যারা বিশ্বে ঘুরে বেড়ায়। তারা আমার উম্মতের পক্ষ থেকে আমার কাছে সালাম পৌঁছিয়ে দেন। [নাসায়ী, হাদিস: ইবনে হিব্বান (সহীহ)]

وعن الحسن بن علي - رضي الله عنهما - أن رسول الله - صلى الله عليه وآله وسلم - قال : «حَيْثُمَا كُنْتُمْ فَصَلُّوا عَلَيَّ، فَإِنَّ صَلاتَكُمْ تَبْلُغُنِي» . ( صحيح رواه الطبراني ).

“হাসান ইবন আলী রা. বলেন, তোমরা যেখানেই থাক, আমার উপর দরূদ পাঠ কর, কারণ, তোমাদের সালাত আমার নিকট পৌছানো হয়। [তাবরানী, হাদিস: সহীহ]
পরিচ্ছেদঃ ৪৫

পাঁচ- রাসূলের উত্তর পাওয়ার সৌভাগ্য লাভ:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়া দ্বারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পক্ষ হতে দরূদ এবং সালামের উত্তর পাওয়ার সৌভাগ্য লাভ হয়। প্রমাণ:

فعن أبي هريرة - رضي الله عنه - عن رسول الله - صلى الله عليه وآله وسلم - قال : «مَا مِنْ أَحَدٍ يُسَلِّمُ عَلَيَّ إِلَّا رَدَّ اللهُ عَلَيَّ رُوحِي حَتَّى أَرُدَّ عَلَيْهِ السَّلَامَ» ( حسن رواه أحمد وأبو داود )

“আবু হুরাইরা রা. হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে কোনো মুসলিম আমার উপর সালাম দেয়, আল্লাহ তা‘আলা আমার রূহকে শরীরে ফিরিয়ে দেয় যাতে আমি তার সালামের উত্তর দিতে পারি। [আহমদ ও আবু দাউদ: ২০৪১ হাদিসটি হাসান]
পরিচ্ছেদঃ ৪৬

ছয়- রাসূলের ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়া দ্বারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি মহব্বত বৃদ্ধি ও নৈকট্য লাভের কারণ হয়ে থাকে। প্রমাণ:

عن أبي أمامة - رضي الله عنه - قال : قال رسول الله - صلى الله عليه وآله وسلم -: «أكثِرُوا علَيَّ مِن الصلاةِ في كلِّ يومِ جمعة؛ فإن صلاةَ أمَّتي تُعرَضُ عليَّ في كلِّ يومِ جمعة؛ فمَن كانَ أكثرَهم عليَّ صلاةً كانَ أقربَهُم منِّي منزِلةً» ( حسن رواه البيهقي )

“আবু উমামা রা. হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমার প্রতি জুমায় আমার উপর দরূদ বেশি করে পড়, কারণ, আমার উম্মতের দরূদ পাঠ প্রতি জুমায় আমার নিকট পেশ করা হয়, যে ব্যক্তি বেশি দরূদ পাঠকারী হয়ে থাকে, যে মর্যাদার দিক দিয়ে আমার বেশি নিকটে হয়ে থাকে। [বাইহাকী, হাদিস: ৫৯৯৫]

وعن ابن مسعود - رضي الله عنه - قال : قال رسول الله - صلى الله عليه وآله وسلم -: «أَوْلَى النَّاسِ بِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَكْثَرُهُمْ عَلَيَّ صَلَاةً» . ( حسن رواه الترمذي ).

“ইবনে মাসউদ রা. হতে বর্ণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মানুষের মধ্যে সে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন উত্তম হবে, যে আমার উপর বেশি বেশি দরূদ পড়ে। [তিরমিযি, হাদিস:]

হাদিসে উত্তম বলতে মানুষের সবচেয়ে কাছের লোক এবং যারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুপারিশ লাভে ধন্য তাদরে বুঝানো হয়েছে। যারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর বেশি বেশি দরূদ পাঠ করেন তারাই রাসূলের অনুকরণ করেন এবং তাদের অন্তরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি ভালোবাসা থাকে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿قُلۡ إِن كُنتُمۡ تُحِبُّونَ ٱللَّهَ فَٱتَّبِعُونِي يُحۡبِبۡكُمُ ٱللَّهُ وَيَغۡفِرۡ لَكُمۡ ذُنُوبَكُمۡۚ وَٱللَّهُ غَفُورٞ رَّحِيمٞ ٣١ ﴾ [ ال عمران : ٣١ ]

“বল, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাস, তাহলে আমার অনুসরণ কর, আল্লাহ তোমাদেরকে ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৩১]
পরিচ্ছেদঃ ৪৭

সাত. গুনাহ মাপ হয়:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পাঠ গুনাহ মাপের কারণ হয় এবং দুনিয়া ও আখেরাতের যাবতীয় সমস্যা সমাধানের জন্য তা যথেষ্ট হয়। প্রমাণ:

عن أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ - رضي الله عنه - قال : كَانَ رَسُولُ الله - صلى الله عليه وآله وسلم - إِذَا ذَهَبَ ثُلُثَا اللَّيْلِ قَامَ فَقَالَ : «يَا أَيُّهَا النَّاسُ اذْكُرُوا اللهَ، اذْكُرُوا اللهَ، جَاءَتْ الرَّاجِفَةُ تَتْبَعُهَا الرَّادِفَةُ، جَاءَ الْمَوْتُ بِمَا فِيهِ، جَاءَ الْمَوْتُ بِمَا فِيهِ» . قُلْتُ : يَا رَسُولَ اللهِ، إِنِّي أُكْثِرُ الصَّلَاةَ عَلَيْكَ، فَكَمْ أَجْعَلُ لَكَ مِنْ صَلَاتِي؟فَقَالَ : «مَا شِئْتَ» . قُلْتُ : الرُّبُعَ؟ قَالَ : «مَا شِئْتَ، فَإِنْ زِدْتَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكَ» . قُلْتُ : النِّصْفَ؟ قَالَ : «مَا شِئْتَ، فَإِنْ زِدْتَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكَ» . قُلْتُ : فَالثُّلُثَيْنِ؟ قَالَ : «مَا شِئْتَ، فَإِنْ زِدْتَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكَ» . قُلْتُ : أَجْعَلُ لَكَ صَلَاتِي كُلَّهَا؟ قَالَ : «إِذًا تُكْفَى هَمَّكَ وَيُغْفَرُ لَكَ ذَنْبُكَ» . ( حسن صحيح رواه والترمذي )

“উবাই ইবন কা‘ব রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাতের দুই তৃতীয়াংশ অতিবাহিত হওয়ার পর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুম থেকে উঠে যেতেন। অতঃপর তিনি বলতেন, হে মানুষেরা! তোমরা আল্লাহর যিকির কর, তোমরা আল্লাহর যিকির কর, রাজেফা তো প্রায় এসেই গেছে তারপরই রাদেফা আসবে। মৃত্যু তার আনুষাঙ্গিক বিষয়গুলো নিয়ে উপস্থিত, মৃত্যু তার আনুষাঙ্গিক বিষয়গুলো নিয়ে উপস্থিত। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনার উপর বেশি বেশি করে সালাত প্রেরণ করতে চাই। আমি আপনার উপর কতবার সালাত প্রেরণ করব? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি যা পার, আমি বললাম, আমার সমূদয় দো‘আর চার ভাগের এক ভাগ? তিনি বললেন, তুমি যা পার, তবে যদি তুমি বাড়াও তাহলে তা তোমার জন্য উত্তম। আমি বললাম, তাহলে কি আমি আমার সমূদয় দো‘আর অর্ধেক আপনার জন্য সালাত প্রেরণে নিয়োজিত করব? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি যা পার, তবে যদি তুমি বাড়াও তাহলে তা তোমার জন্য উত্তম। আমি বললাম, তাহলে কি আমি আমার সমূদয় দো‘আর তিনভাগের একভাগ আপনার জন্য সালাত পাঠে ব্যয় করব? তিনি বললেন, তুমি যা পার, তবে যদি তুমি বাড়াও তাহলে তা তোমার জন্য উত্তম। আমি বললাম, আমি আমার সমূদয় দো‘আই কি আপনার জন্য সালাত প্রেরণে কাটিয়ে দেব। তিনি বললেন, তাহলে তা তোমাকে দুশ্চিন্তা করবে এবং তোমার গুনাহসমূহ মুচে দেবে। [বর্ণনায় তিরমিযি, হাদিস: ২৪৫৭, তিনি বলেন হাদিসটি হাসান ও সহীহ।]
পরিচ্ছেদঃ ৪৮

আট: শাফাআত লাভের কারণ হয়:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পাঠ করা তার শাফাআত লাভের কারণ হয়। প্রমাণ:

فعن عبد الله بن عمرو - رضي الله عنه - قال : قال رسول الله - صلى الله عليه وآله وسلم -: «مَنْ صَلَّى عليَّ أو سألَ لِيَ الوسيلةَ حقَّتْ عليهِ شفَاعَتي يَومَ القِيَامَة» ( رواه الجهضمي في فضل الصلاة على النبي - صلى الله عليه وآله وسلم - وصححه الألباني )

“আব্দুল্লাহ ইবন ‘আমর রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আমার উপর দরূদ পড়ে অথবা আমার জন্য আল্লাহর নিকট ওসিলা চায়, কিয়ামতের দিন তার জন্য আমার সুপারিশ অবধারিত হবে। [আল্লামা জাহদামী হাদিসটি বর্ণনা করেন এবং আল্লামা আলবানী হাদিসটিকে সহীহ বলে আখ্যায়িত করেন।]
পরিচ্ছেদঃ ৪৯

নয়. দো‘আ কবুল হয়:

দো‘আ করার পূর্বে দুরূদ পড়া হলে, তাতে তার দো‘আ কবুল হয়। উমামাহ রা. হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়া না হলে, কোনো দো‘আই কবুল করা হয় না।

হাদিসের ব্যাখ্যায় আল্লামা মুনাবী রহ. বলেন, ( كلُّ دعاءٌ محجوبٌ ) কথাটির অর্থ, দো‘আ কবুল করা হয় না। অর্থাৎ, যে দো‘আর সাথে দুরূদ পড়া হয় না, সে দো‘আ আল্লাহর নিকট পৌছানো হয় না। কারণ, দুরূদ পাঠ করা দো‘আ কবুল হওয়ার মাধ্যম।

وعن علي - رضي الله عنه - قال : «كل دعاء محجوب حتى يصلى على محمد - صلى الله عليه وآله وسلم -» . ( صحيح رواه الطبراني موقوفًا ).

“আলী রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, সব দো‘আই বিরত রাখা হয়ে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত না রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়া না হয়। [তাবরানী মওকুফ সনদে হাদিসটি বর্ণনা করেন। হাদিসটি বিশুদ্ধ।]

অন্য বর্ণনায় বর্ণিত,

وعَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ - رضي الله عنه - قَالَ : «إِنَّ الدُّعَاءَ مَوْقُوفٌ بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ لَا يَصْعَدُ مِنْهُ شَيْءٌ حَتَّى تُصَلِّيَ عَلَى نَبِيِّكَ - صلى الله عليه وآله وسلم -» ( صحيح رواه الترمذي )

সাঈদ ইবনে মুসাইয়্যেব রহ. ওমর ইবন খাত্তাব রা. হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূল সা. বলেন, দো‘আ আসমান ও জমিনের মাঝে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে, তোমাদের নবীর উপর দো‘আ পড়া ছাড়া কোনো দো‘আই আসমান পর্যন্ত আরোহন করে না। [(বর্ণনায় তিরমিযি, হাদিস নং ৪৮৬, হাদিসটি সহীহ)]
পরিচ্ছেদঃ ৫০

দশ. মজলিস বরকত পূর্ণ হয়:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়া মুজলিস সুঘ্রাণ হওয়া ও কিয়ামতের দিন অনুতাপ মুক্ত হওয়ার কারণ হয়। যে মজলিসে আল্লাহর যিকির করা হয় না, তার প্রশংসা করা না হয় এবং তার নবীর উপর দরূদ পড়া করা না হয়, এ ধরনের মজলিস দূর্গন্ধময় হয়ে থাকে। আর যে মজলিসে দুরূদ পড়া হয় সে মজলিস দূর্গন্ধযুক্ত হওয়া থেকে মুক্ত হয়।
পরিচ্ছেদঃ ৫১

এগারো. কৃপণ বলে আখ্যায়িত করা হতে পরিত্রাণ লাভ:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম উচ্চারণ করার সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পাঠ করা, তার নামের সাথে কৃপণ শব্দটি যোগ করা হতে মুক্তি লাভ করে এবং বান্দা অন্তরের কাঠিন্য হতে মুক্তি লাভ করে।
পরিচ্ছেদঃ ৫২

বারো. জান্নাতের পথ সুগম করে:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পাঠ করা দরূদ পাঠকারীকে জান্নাতের দিকে পথ দেখায় আর যে দরূদ পাঠ করে না তাকে জান্নাতের পথ হতে বিচ্যুত করে।
পরিচ্ছেদঃ ৫৩

তেরো. উত্তম প্রশংসা অর্জন:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পাঠকারীর সু-প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলা আসমানবাসী ও জমীন বাসীর মাঝে স্থায়ীভাবে ধরে রাখেন। কারণ, একজন মুসল্লি আল্লাহর নিকট এ বিষয়টিই কামনা করেন যে, আল্লাহ তা‘আলা যেন, আল্লাহর রাসূলের মান, মর্যাদা ও সম্মান সর্বদা অবশিষ্ট রাখেন। সুতরাং তার বিনিময় ও তার অনুরূপই হবে। ফলে দরূদ পাঠ কারীর জন্য আল্লাহ তা‘আলা একই বিনিময় (তার মান-মর্যাদা ও সম্মান অক্ষুন্ন রাখা) দান করবেন।
পরিচ্ছেদঃ ৫৪

চৌদ্দ. বরকত লাভের কারণ:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পাঠ করা দরূদ পাঠকারীর আমল, হায়াত ও যাবতীয় কর্মে বরকতের কারণ হয়। কারণ, দরূদ পাঠকারী আল্লাহর রাসূল তার পরিবার পরিজন ও সাহাবীদের জন্য দো‘আ করে থাকেন। আর এ দো‘আ অবশ্যই কবুল হবে। আর যখন কোনো বান্দা অপরের জন্য দো‘আ করে আল্লাহ তা‘আলা তাকেও অনুরূপ বিনিময় দান করেন।
পরিচ্ছেদঃ ৫৫

পনেরো. আল্লাহর রহমত লাভ:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়া আল্লাহর রহমত লাভের কারণ হয়:

যেমন আল্লামা ইবনুল কাইয়েম রহ. বলেন, সালাতের এক অর্থ হল, রহমত। ফলে যে ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরূদ পাঠ করবে সে অবশ্যই আল্লাহর রহমত লাভে ধন্য হবে। অথবা সালাত পাঠের আবশ্যকীয় ও অনিবার্য ফল হল, আল্লাহর রহমত লাভ করা। সুতরাং একজন দরূদ পাঠকারী যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর বেশি বেশি করে দরূদ পাঠ করবে তখন সে আল্লাহর পক্ষ হতে রহমতের ভাগি হবে।
পরিচ্ছেদঃ ৫৬

ষোলো. রাসূলের মহব্বত স্থায়ী হওয়া, বৃদ্ধি পাওয়া ও দ্বিগুণ হওয়া:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পাঠ করা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি স্থায়ী মহব্বত, মহব্বত বৃদ্ধি ও দ্বিগুণ হওয়ার কারণ:

আর এটি হল ঈমানের দৃঢ় বন্ধন; এটি ছাড়া কখনোই একজন ঈমানদারের ঈমান পূর্ণতা লাভ করে না এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মহব্বত ছাড়াও ঈমানের পূর্ণতা সম্ভব নয়। কোনো বান্দা যখন তার মাহবুবের আলোচনা বেশি বেশি করে তখন তার অন্তরে তার উপস্থিতি স্থায়ী হয়। তার সৌন্দর্য ও গুণাগুণগুলো তার সামনে বার বার ভেসে উঠে। তার প্রতি তার ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়, তার প্রতি তার আগ্রহ ও শওক বাড়তে থাকে এবং তার অন্তরে সেই কেবল স্থান করে নেয়। আর যখন কোনো মানুষ তার মাহবুবের আলোচনা থেকে বিরত থাকে, তার সৌন্দর্যগুলোকে অবলোকন না করে তখন মাহবুবের প্রতি তার ভালোবাসা লোপ পায়। যখন কোনো মানুষ কাউকে ভালোবাসে তখন মাহবুবের দর্শন, তার সৌন্দর্যের আলোচনা ও তার গুণাগুণ ছাড়া কোনো কিছুই তার চক্ষুকে শীতল করতে পারে না, কোনো কিছুই তার অন্তরকে শান্ত করতে পারে না। সে তার মাহবুবের আলোচনা শুনতে ও তার দর্শন লাভ করতে সব সময় ব্যাকুল থাকে।
পরিচ্ছেদঃ ৫৭

সতেরো. রাসূলের উপর দরূদ পড়া দ্বারা রাসূলের মহব্বহত লাভে বান্দা ধন্য হয়:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পাঠ করা, তার মহব্বতের কারণ:

দরূদ পাঠকারীর অন্তরে যেমনিভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি মহব্বত বাড়ে অনুরূপভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মহব্বত লাভেরও কারণ হয়ে থাকে।
পরিচ্ছেদঃ ৫৮

আঠারো. রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পাঠ করা বান্দার হিদায়েতের কারণ হয় এবং তার আত্মার জীবন লাভ হয়:

কারণ, যখন কোনো বান্দা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর বেশি বেশি দরূদ পড়ে এবং তার আলোচনা করে, তখন তার অন্তরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মহব্বত বৃদ্ধি পায়। তখন তার অন্তরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদেশ নিষেধ পালনে তার অন্তরে কোনো সংকোচ থাকে না এবং তার আনীত শরীয়তের প্রতি তার মধ্যে কোনো প্রকার অনীহা ও অনাগ্রহ তার মধ্যে অবশিষ্ট থাকে না বরং তার অন্তরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আনীত শরীয়ত তার অন্তরে প্রগাড়ভাবে স্থান করে নেয় এবং অন্তরে তা বসে যায়। সে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শ হতে হিদায়াত, কামিয়াবী ও বিভিন্ন ধরনের ইলম সংগ্রহ করতে থাকে। যখন অন্তরের মধ্যে শক্তি বৃদ্ধি পায়, আল্লাহর মারেফত হাসিল হয় এবং দূরদর্শিতা অর্জন হতে থাকে, তখন তার উপর সালাত পাঠ আরও বৃদ্ধি পায় এবং তার রূহানী শক্তি প্রবল হয়।
পরিচ্ছেদঃ ৫৯

ঊনিশ. রাসূলের হক আদায় করা:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পাঠ তার কিছুটা হলেও তার হক আদায় করা।
পরিচ্ছেদঃ ৬০

বিশ. আল্লাহর যিকিরকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়:

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পাঠ আল্লাহর যিকির ও শুকরিয়া আদায়কে অন্তর্ভুক্ত করে এবং তার বান্দার উপর তার অনুগ্রহসমূহ জানার সুযোগ করে দেয়। একজন দরূদ পাঠকারী যখন তার উপর দরূদ পড়ে তার দরূদের মধ্যে আল্লাহর যিকির থাকে, আল্লাহর রাসূলের আলোচনা থাকে, তার জন্য উত্তম বিনিময় চাওয়া হয়ে থাকে।
পরিচ্ছেদঃ ৬১

লেখার সময় পূরো দরূদ লেখার পরিবর্তে সা./স. ইত্যাদি সংক্ষিপ্ত শব্দ দ্বারা দরূদ লেখার বিধান

আমাদের উচিত হল, আমরা যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরূদ পড়ব তখন পুরো দরূদ পড়ব এবং যখন তার নামের শেষে দরূদ লিখব তখনও দরূদ শরিফ পুরোপুরি খিলব। কোনো প্রকার সংকেত বা কোনো অসমাপ্ত শব্দ ব্যবহার করব না।

শাইখ আব্দুল আযীয ইবন বায রহ. বলেন, ...আমরা জানি যেমনিভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ সালাতের তাশাহুদের পর, খুতবার সময়, দো‘আ ইস্তেগফারের সময়, আজানের পর, মসজিদে প্রবেশে ও বাহির হওয়ার সময় অনুরূপভাবে কোনো কিতাব, প্রবন্ধ, রিসালা ও লেখনি লেখার সময় ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাম লিখার সময় পুরো দরূদ লেখা সূন্নাত। আর দরূদটি পরিপূর্ণ লিখতে হবে, যাতে আল্লাহর আদেশের পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন হয় এবং একজন পাঠক যখন তা পাঠ করে সে বুঝতে পারে যে এখানে দরূদ পড়া হয়েছে। সংক্ষিপ্তাকারে যেমন- (সা.)(ص) أو ( صلعم ) ইত্যাদি লেখা কোনোক্রমেই উচিত নয়। অনেককে এভাবে লেখতে দেখা যায়, এটি আল্লাহ তা‘আলার বাণী-{ صَلُّوا عَلَيْهِ وسَلِّمُوا تَسْلِيماً } ( الأحزاب :56). এর পরিপন্থী। এছাড়াও এ দ্বারা দরূদ পড়ার উদ্দেশ্য পূরণ হয় না এবং দরূদ পড়ার যে সব লাভের কথা কুরআন ও হাদিসে বর্ণিত তা হতে বঞ্চিত হয়। আবার অনেক সময় দেখা যায় একজন পাঠক সংকেত দ্বারা কি উদ্দেশ্য তা বুঝতে পারে না এবং সজাগ থাকে না। এ কারণেই আহলে ইলম সংকেত দিয়ে দরূদ শরীফ লেখাকে অপছন্দ করেন। দেখুন মাজমুয়ায়ে ফতওয়ায়ে ইবন বায, পৃ: ৩৯৭-৩৯৯/২
পরিচ্ছেদঃ ৬২

দরূদ সম্পর্কীয় দুর্বল হাদিসসমূহ

عَنْ أَنَسٍ رَضِي اللهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم : مَنْ صَلَّي عَلَيَّ يَوْمَ الْجُمْعَةِ ثَمَانِيْنَ مَرَّةً غَفَرَ اللهُ لَهُ ذَنُوْب َثَمَانِيْنَ عَامًا , فَقِيْلَ لَهُ : كَيْفَ الصَّلاَةُ عَلَيْكَ يَا رَسُولَ اللهِ ؟ قَالَ : تَقُوْلُ : اللَّهُمَّ صلِّ عَلَي مُحَمَّدٍ وَنَبِيِّكَ وَرَسُوْلِكَ النَّبِيِّ الأُمِّيِّ وَتَعْقِدُ وَاحِدًا . رواه الخطيب

দুই- আনস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি জুমার দিন আমার উপর আশিবার দরূদ পাঠ করবে আল্লাহ তা‘আলা তার আশি বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন”। তখন তাঁকে জিজ্ঞেস করা হল, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার উপর দরূদ কিভাবে পাঠ করা হবে? বললেন: বল -“আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা মুহাম্মাদিন ওয়া নাবীয়্যিকা ওয়া রাসূলিকান নবীয়্যিল উম্মিয়্যি”।

ফায়েদা: এই হাদিসটি জাল। বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন -সিলসিলা যয়ীফাহঃ ১/ হা/নং ২১৫।

عَنْ يُوْنُسَ مَوْلَي بَنِي هَاشِمٍ قَالَ : قُلْتُ لِعَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ أَوْ ابْنِ عُمَرَ كَيْفَ الصَّلاَهُ عَلَي النَّبِيِّ صلي الله عليه وسلم ؟ قَالَ : اللَّهُمَّ اجْعَلْ صَلَوَاتِكَ وَبَرَكَاتِكَ وَرَحْمَتِكَ عَلَي سَيِّدِ الْمُرْسَلِيْنَ وَإِمَامِ الْمُتَّقِيْنَ وَخَاتِمِ النَّبِيِّيْنَ مُحَمَّدٍ عَبْدِكَ وَرَسُوْلِكَ وَإِمَامِ الْخَيْرِ وَقَائِدِ الخير اللَّهُمَّ ابْعَثَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَقَامًا مَحْمُوُْدًا يَغْبِطْهُ الأَوَّلُوْنَ وَالآخِرُوْنَ وَصَلِّ عَلَي مُحَمَّدٍ وَعَلَي آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَي إِبْرَاهِيْمَ وَعَلَي آلِ إِبْرَاهِيْمَ . رواه إسماعيل القاضي في فضل الصلاة النبي صلي الله عليه وسلم

দুই- হাসেম গোত্রের আযাদকৃত দাস ইউনুস বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনু উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলাম, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়ার নিয়ম কি? তিনি বললেন: “আল্লাহুম্মাজ‘আল ছালাওয়াতিকা ওয়া বারাকাতিকা ওয়া রাহমাতিকা আলা সাইয়িদিল মুসলিমীনা ওয়া ইমামিল মুত্তাকীনা ওয়া খাতামিন্নাবিয়্যীনা মুহাম্মাদিন আব্দিকা ওয়া রাসুলিকা ওয়া ইমামিল খাইরি ওয়া কায়িদিল খাইরি, আল্লাহুম্মাবআ’ছহু ইয়াউমাল কিয়ামাতি মাকামান মাহমূদান ইয়াগবিতুহুল আউওয়ালূনা ওয়াল আখিরুনা, ওয়া ছাল্লি আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা ছাল্লাইতা আলা ইবরাহীমা ওয়া আলা আলি ইবরাহীম”।

ফায়েদা: এই হাদিসটি দুর্বল। বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন, ‘ফদ্বলুচ্ছালাত আলান্নাবী’ হা/নং ৬১।

مَنْ صَلَّي عَلَيَّ مَرَّةً لَمْ يَبْقِ مِنْ ذُنُوْبِهِ ذَرَّةٌ .

তিন- “যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে তার কোনো গুনাহ থাকবে না”।

ফায়েদা: এই হাদিসটি জাল। বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন, কাশফুল খাফা, হা/নং ২৫১৬।

مَنْ حَجَّ حَجَّةَ الإِسْلاَمِ وَزَارَ قَبْرِي وَغَزَا غَزْوَةً وَصَلَّ عَلَيَّ فِي الْمُقَدِسِ لَمْ يَسْأَلْهُ اللهُ فِيْمَا افْتِرَضَ عَلَيْهِ .

চার- যে ব্যক্তি ইসলামের হজ্জ আদায় করে আর আমার কবর যিয়ারাত করে আর যুদ্ধ করে এবং বাইতুলমুকাদ্দাসে আমার উপর দরূদ পড়েছে তাকে আল্লাহ তা‘আলা ফরয বিধানাবলি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবেন না।

ফায়েদা: এই হাদিসটি যয়ীফ। বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন- ফদ্বলুচ্ছালাতি আলান্নাবিয়্যি: শায়খ আলবানী, হা/নং ৬১।

الصَّلاَةُ عَلَي النَّبِيِّ صلي الله عليه وسلم أَفْضَلُ مِنْ عِتْقِ الرِّقَابِ . رواه التيمي

পাঁচ “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়া দাস মুক্ত করার চেয়ে উত্তম।

ফায়েদা: এই হাদিসটি জাল। বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন, আল মাকাছিদুল হাছানাহঃ হা/নং ৩৬০।

عَنْ سَهْلٍ بْنِ سَعْدٍ عَنْ أَبِيْهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلي الله عليه وسلم قَالَ : لاَوُضُوْءَ لِمَنْ لم يُصَلِّ عَلَي النَّبِيِّ صلي الله عليه وسلم . رواه الطبراني

ছয়- সাহাল ইবনু সাআ’দ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরূদ পড়েনি তার ওযু হবেনা। -তাবরানী।

ফায়েদা: এই হাদিসটি যয়ীফ তথা দুর্বল। বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন: যয়ীফুল জামিউসসাগীর, আলবানী, ২/ হা/নং ৬৩৩১।

كُلُّ الأَعْمَالِ فِيْهَا الْمَقْبُوْلُ وَالْمَرْدُوْدُ إِلاَّ الصَّلاَةُ عَلَيَّ فَإِنَّهَا مَقْبُوْلَةٌ غَيْرَمَرْدُوْدَةٍ

সাত- সকল আমলের কিছু গ্রহণযোগ্য হয় আর কিছু অগ্রহণযোগ্য। কিন্তু আমার জন্য পঠিত দরূদ কখনো অগ্রাহ্য হয়না। বরং সর্বদা গৃহিত হয়।

ফায়েদা: এই হাদিসটি যয়ীফ। বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন: আলফাওয়ায়িদুল মাজমূ‘আঃ হা/নং ১০৩১।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মহব্বত লাভ করা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সূন্নাতের অনুসরণ তার আদেশ নিষেধসমূহের বাস্তবায়ন দ্বারাই হয়ে থাকে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿ قُلۡ إِن كُنتُمۡ تُحِبُّونَ ٱللَّهَ فَٱتَّبِعُونِي يُحۡبِبۡكُمُ ٱللَّهُ وَيَغۡفِرۡ لَكُمۡ ذُنُوبَكُمۡۚ وَٱللَّهُ غَفُورٞ رَّحِيمٞ ٣١ قُلۡ أَطِيعُواْ ٱللَّهَ وَٱلرَّسُولَۖ فَإِن تَوَلَّوۡاْ فَإِنَّ ٱللَّهَ لَا يُحِبُّ ٱلۡكَٰفِرِينَ ٣٢ ﴾ [ ال عمران : ٣١، ٣٢ ]

বল, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাস, তাহলে আমার অনুসরণ কর, আল্লাহ তোমাদেরকে ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু, বল, তোমরা আল্লাহ ও তার রাসূলের আনুগত্য কর। তারপর যদি তারা মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে নিশ্চয় আল্লাহ কাফিরদেরকে ভালোবাসেন না। [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৩১, ৩২]

এ আয়াত দ্বারা বুঝা যায়, যে ব্যক্তি আল্লাহকে মহবব্বত করে বলে দাবী করে অথচ সে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শের অনুসরণ করে না, সে অবশ্যই স্বীয় দাবীতে মিথ্যুক। তাকে অবশ্যই যাবতীয় কর্মে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সূন্নাতের অনুসরণ করতে হবে। যেমন, বিশুদ্ধ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,

«مَنْ عَمِلَ عَمَلًا لَيْسَ عَلَيْهِ أَمْرُنَا فَهُوَ رَدٌّ» ( رواه البخاري ومسلم )

‘যে ব্যক্তি দ্বীনের মধ্যে এমন কোনো কাজ করেছে যার ভিত্তি শরীয়তে নেই, সেই কাজ পরিত্যাজ্য’। [বুখারী: ২৫৫০, মুসলিম: ১৭১৮] (বুখারী, মুসলিম)

এ কারণেই আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

قُلۡ إِن كُنتُمۡ تُحِبُّونَ ٱللَّهَ فَٱتَّبِعُونِي يُحۡبِبۡكُمُ ٱللَّهُ

অর্থাৎ, তোমাদের জন্য তাকে মহব্বত করার চেয়েও বড় জিনিষটি লাভ হবে। আর তা হল, তিনি তোমাদের মহব্বত করবেন। আর এটি অবশ্যই প্রথমটি হতে উত্তম। হাসান বাসরী রহ. ও অন্যান্য সালফে সালেহীনগণ বলেন, অনেক মানুষ দাবী করে আমরা আল্লাহ তা‘আলাকে ভালোবাসী। আল্লাহ তা‘আলা তাদের এ আয়াতের মাধ্যমে যাচাই করেন, আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

قُلۡ إِن كُنتُمۡ تُحِبُّونَ ٱللَّهَ فَٱتَّبِعُونِي يُحۡبِبۡكُمُ ٱللَّهُ

তারপর আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

وَيَغۡفِرۡ لَكُمۡ ذُنُوبَكُمۡۚ وَٱللَّهُ غَفُورٞ رَّحِيمٞ

অর্থাৎ, তোমরা যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসরণ করবে, তখন তোমাদের জন্য আল্লাহর আয়াতে ঘোষিত পুরস্কার লাভ হবে। তারপর আল্লাহ তা‘আলা সবাইকে সম্বোধন করে বলেন,

قُلۡ أَطِيعُواْ ٱللَّهَ وَٱلرَّسُولَۖ فَإِن تَوَلَّوۡاْ أي : خالفوا عن أمره فَإِنَّ ٱللَّهَ لَا يُحِبُّ ٱلۡكَٰفِرِينَ

আয়াত দ্বারা বুঝা যায়, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আদর্শের বিরোধিতা করা কুফর। আর যারা কুফরি করে তাদের আল্লাহ তা‘আলা মহব্বত করেন না। যদিও সে এ দাবী করে যে, সে আল্লাহকে মহব্বত করে এবং তার নৈকট্য লাভ করে। কিন্তু রাসূল সা. এর ইত্তেবা ছাড়া সে মুমিন হতে পারবে না। রাসূল জ্বীন ও মানুষ উভয় সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত রাসূল তার সবার উপর তার ইত্তেবা করা ফরয। এমন কি যদি কোনো নবী বা রাসূল ও বড় কোনো মনীষীও তার যুগে আগমন করত তাহলে তার উপর রাসূলে উপর ঈমান আনা, তার ইত্তেবা করা ও তার আনীত দ্বীনের অনুসরণ করা ওয়াজিব হত।

রিডিং সেটিংস

Bangla

System

আরবি ফন্ট নির্বাচন

Kfgq Hafs

অনুবাদ ফন্ট নির্বাচন

Kalpurush

22
17

সাধারণ সেটিংস

এই সদাকা জারিয়ায় অংশীদার হোন

মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।

সাপোর্ট করুন