যেমন আল্লাহর বাণীতে এসেছে,
﴿ أُوْلَٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ بَِٔايَٰتِ رَبِّهِمۡ وَلِقَآئِهِۦ﴾ [
الكهف :
١٠٥ ]
“তারাই তো কুফরি করেছে আল্লাহর আয়াতসমূহে এবং তাঁর সাক্ষাতের সাথে”। [
সূরা আল-কাহাফ: ১০৫] আবার তারা মিথ্যারোপও করত, সেজন্য আল্লাহ সেগুলোর জবাবে বলেছেন,
﴿ مَٰلِكِ يَوۡمِ ٱلدِّينِ ٤ ﴾ [
الفاتحة :
٤ ]
“বিচার দিনের মালিক”। [সূরা আল-ফাতেহা: ৪] অনুরূপ,
﴿لَّا بَيۡعٞ فِيهِ وَلَا خُلَّةٞ وَلَا شَفَٰعَةٞۗ ﴾ [
البقرة :
٢٥٤ ]
“যেদিন থাকবে না কোনো বেচা-কেনা, কোনো বন্ধুত্ব, কোনো সুপারিশ”। [
সূরা আল-বাকারাহ: ২৫৪] তদ্রূপ,
﴿إِلَّا مَن شَهِدَ بِٱلۡحَقِّ وَهُمۡ يَعۡلَمُونَ ٨٦ ﴾ [
الزخرف :
٨٦ ]
“তবে যে হকের সাক্ষ্য দেবে এমতাবস্থায় যে তারা তা জানে (সেই কেবল সুপারিশের মালিক হবে)”। [সূরা আয-যুখরুফ: ৮৬]
১১০। মানুষদের মধ্যে যারা ইনসাফপূর্ণ কথা ও কাজের আদেশ দেয় তাদের হত্যা করা।
১১১। মূর্তি, জাদুকর ও তাগুত তথা আল্লাহবিরোধী শক্তির উপর বিশ্বাস রাখা [অর্থাৎ যে কাজগুলো আল্লাহর বলে একান্ত বলে স্বীকৃত, যেগুলো বান্দার নয়, সেগুলো দ্বারা বান্দার সীমালঙ্ঘন করে সেগুলো তাদের জন্য সাব্যস্ত করা। যেমন, শয়তান, গায়েবী ইলমের দাবীদার, আল্লাহ ব্যতীত অন্য বিধান প্রদানকারী, নিজের ইবাদতের দিকে আহ্বানকারী কোনো সৃষ্টজীব, এমন প্রত্যেক জীব, তাকে কেউ ইবাদত করতে দেখলে তাতে সন্তুষ্টি প্রকাশকারী।]।
১১২। মুশরিকদের ধর্মকে মুসলিমদের দ্বীনের উপর শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করা।
১১৩। হককে বাতিলের সাথে সংমিশ্রণকারী [যেমন বর্তমানে সকল ধর্মকে একই মুখী বলে ধারণা পোষণকারী। যারা ইসলাম ও অন্যান্য ধর্মকে একই নিক্তিতে পরিমাপ করে থাকে।]।
১১৪। হক জানার পরও তা গোপন করা।
১১৫। পথভ্রষ্টতার সবচেয়ে ভিত্তি, আর তা হচ্ছে, না জেনে আল্লাহর উপর কথা বলা।