hadith book logo

অতি গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় প্রশ্নোত্তর

আল্লামা শাইখ আব্দুর রহমান ইবন নাসির ইবন সা‘দী আত-তামীমী আন-নাজদী আল-হাম্বলী

আকীদাহ্ সম্পর্কিত কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মাস’আলাহ্

শাইখ মুহাম্মাদ শহীদুল্লাহ খান মাদানী, শাইখ মুহাম্মাদ আবদুন নূর মাদানী

আক্বীদা ইসলামিয়াহ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব

আক্বীদা ও আমলের সংস্কার

কামাল উদ্দিন মোল্লা

আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল গুরুত্ব ও তাৎপর্য

আব্দুল্লাহ শহীদ আবদুর রহমান

আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের আকীদার সংক্ষিপ্ত মূলনীতি

ড. নাসের ইবন আবদুল করীম আল-আকল

আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদা

শাইখ মুহাম্মাদ আস-সালেহ আল-উসাইমীন

ইমাম ত্বহাবী লিখিত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদা

ইমাম আবু জা‘ফর আহমাদ আত-ত্বহাবী রহ.

ইসলাম প্রচারক ভাই! প্রথমে তাওহীদের দাওয়াত দিন

শাইখ মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দীন আল-আলবানী রহ.
১০

ইসলাম ভঙ্গের ১০টি কারণ

মোহাম্মদ ইমাম হুসাইন কামরুল
১১

ইসলামি আকিদা ও মানবপ্রকৃতি

সানাউল্লাহ নজির আহমাদ
১২

ইসলামি আকিদার বৈশিষ্ট্যসমূহ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
১৩

ইসলামী আকীদা বিষয়ক কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ মাসয়ালা

শায়খ মুহাম্মাদ জামীল যাইনু
১৪

ইসলামের মৌলিক নীতিমালা

ড. মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন সালেহ আস-সুহাইম
১৫

ইসলামের রুকনসমূহের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা

কতিপয় ছাত্র
১৬

ঈমান বুনিয়াদ ও পরিণতি

কামাল উদ্দীন মোল্লা
১৭

ঈমান-ইসলামের মূলভিত্তি ও ইসলামী আকীদা বিশ্বাস

মুহাম্মাদ বিন জামীল যাইনূ
১৮

ঈমানের প্রকৃত স্বাদ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১৯

ঈমানের মূলনীতিসমূহের ব্যাখ্যা

মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উছাইমীন
২০

ঈমানের মৌলিক নীতিমালা সংক্রান্ত মণিমুক্তা

ড. মুহাম্মাদ ইয়োসরী
২১

ঈমানের রুকনসমূহ

ইলমী গবেষণা ডীনশীপ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, মদিনা মুনাওয়ারা
২২

ঈমানের স্বচ্ছ ধারণা

আমির জামান, নাজমা জামান
২৩

কতিপয় দীনী বিষয় যা একজন মুসলিমের জানা প্রয়োজন

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
২৪

কালেমা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এর অর্থ, শর্তসমূহ এবং ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে তার প্রভাব

শায়খ সালেহ ইবন ফাওযান আলে-ফাওযান
২৫

কালেমা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’

শাইখ আবদুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ ইবন বায
২৬

কালেমা শাহাদাত

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
২৭

কালেমার মর্মকথা

মুহাম্মদ মতিউল ইসলাম বিন আলী আ‏হমাদ
২৮

কাশ্‌ফুশ্‌ শুবহাত (সংশয় নিরসন)

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহ্‌হাব রহ.
২৯

কুরআন ও সহীহ হাদীছের আলোকে ২শতাধিক প্রশ্নোত্তর সহ নাজাত প্রাপ্ত দলের আকীদাহ

হাফেয বিন আহমাদ আল-হাকামী
৩০

কুরআন ও হাদীসের আলোকে সহজ আকীদা

ড. আহমাদ ইবন আব্দুর রহমান আল-কাযী
৩১

চার ইমামের আকীদাহ - মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান

মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান
৩২

চার ইমামের আকীদাহ

একদল অভিজ্ঞ আলেম
৩৩

তওহীদের তত্ত্বকথা

সানাউল্লাহ বিন নজির আহমদ
৩৪

তাওহীদ ও আকাইদ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ, কামালুদ্দিন মোল্লা, ইকবাল হোসাইন মাসুম
৩৫

তাওহীদ ও তার প্রমাণাদি আকীদার ব্যাপারে ৫০টি প্রশ্নোত্তর

শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব রহ.
৩৬

তাওহীদ পরিচিতি

ড. সালিহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
৩৭

তাওহীদ পুনরুদ্ধার

আবদুল্লাহ্‌ আল কাফী
৩৮

তাওহীদ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩৯

তাওহীদের কালেমা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ [এর ফযীলত, অর্থ, শর্ত ও পরিপন্থী বিষয়]

শাইখ ড. আব্দুর রাযযাক ইবন আব্দুল মুহসিন আল-বদর
৪০

তাওহীদের কিশতী

ডঃ মুহাম্মাদ বিন আবদুর রহমান আল উরাইফী
৪১

তাওহীদের বিশ্বাস

মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওহহাব
৪২

তাওহীদের মর্মকথা

আব্দুর রহমান বিন নাসের সাদী
৪৩

তাওহীদের হাকীকত

কাউসার বিন খালিদ
৪৪

তাক্বদীরঃ আল্লাহ্‌র এক গোপন রহস্য

আব্দুল আলীম ইব্‌ন কাওসার
৪৫

তিনটি মূলনীতি ও তার প্রমাণপঞ্জি

মুহাম্মাদ ইবন আবদুল ওয়াহহাব রহ.
৪৬

তোমার রব কে

মুহাম্মাদ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মদ আল-আম্মারী
৪৭

দু’টি সাক্ষী (লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ ওয়া মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ) এর অর্থ ও তাদের প্রত্যেকের জরুরী বিষয়

মাননীয় শাইখ আল্লামা আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুর রাহমান ইবন জিবরীন
৪৮

প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য যা জানা একান্ত কর্তব্য

শাইখ আব্দুল্লাহ ইবন ইবরাহীম আল-কার‘আওয়ী
৪৯

প্রশ্নোত্তরে তাওহীদ

ড. ইবরাহীম ইবন সালেহ আল-খুদ্বায়রী
৫০

প্রশ্নোত্তরে সহজ তাওহীদ শিক্ষা চার ইমামের আক্বীদা অবলম্বনে

বিশিষ্ট ওলামায়ে কেরাম
৫১

প্রাথমিক তাওহীদ শিক্ষা

ডঃ আব্দুল আযীয বিন মুহাম্মাদ
৫২

ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম-১ ঈমান

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৫৩

ফিরক্বা নাজিয়াহ

ফিরক্বা নাজিয়াহ
৫৪

মহা উপদেশ (‘আদী ইবন মুসাফিরের অনুসারীদের এর কাছে লেখা চিঠি)

শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন তাইমিয়্যাহ
৫৫

মানব জীবনে ইসলামি আকিদার প্রভাব

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৫৬

যা না জানলেই নয়

নোমান বিন আবুল বাশার
৫৭

যেসব কারণে ঈমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৫৮

শাশ্বত জীবন ব্যবস্থা (হক দীন)

আশ-শাইখ আবদুর রহমান ইবন হাম্মাদ আ-লে উমার
৫৯

শিয়া আকীদা সম্পর্কে ইবন তাইমিয়্যার মিনহাজুস সুন্নাহ থেকে নির্বাচিত কিছু কথা

শরীফ ইবন ‘আলী আর-রাজেহী
৬০

সঠিক আকীদা-বিশ্বাস ও যা এর পরিপন্থী

শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায
৬১

সঠিক ইসলামী মতবাদ [আর-রিসালাতুশ শামিয়্যাহ]

আব্দুল আযীয ইবন মারযূক আত-ত্বারীফী
৬২

সমাজ সংস্কারে সঠিক আকীদার গুরুত্ব

ড. মোহাম্মাদ মানজুরে ইলাহী
৬৩

সহীহ হাদীস সম্বলিত অহী ও ঈমান বিশ্বকোষ

দ্বিয়াউর রহমান আব্দুল্লাহ আল-আ‘যামী
৬৪

সাহাবাদের ব্যাপারে আহলে সুন্নত ওয়াল-জামাতের আকিদা

মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-অহাইবি
৬৫

সাহাবায়ে কেরামের অবস্থান ও মর্যাদার বিষয়ে আহলে সুন্নাতের আকীদা-বিশ্বাস

ড. মো: আমিনুল ইসলাম
৬৬

অপরাধমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে সাওমের ভূমিকা

মুহাম্মাদ শাহিদুল ইসলাম
৬৭

আপনার সন্তানকে সালাতের নির্দেশ দিন

আলী হাসান তৈয়ব
৬৮

আসরের সলাতের সঠিক ওয়াক্ত

কামাল আহমাদ
৬৯

কসর ও জমা করে সালাত আদায় সম্পর্কে কিছু বিধান

আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
৭০

কিতাবুস্ সালাত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৭১

কিয়ামুল লাইলের সমপরিমাণ সওয়াব

ড. মুহাম্মাদ ইব্‌ন ইবরাহিম আন-নাইম
৭২

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে জামা‘আতে সালাত আদায় [বিধান, ফযীলত, ফায়েদা ও নিয়ম-কানূন]

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
৭৩

কুরআন ও সুন্নাহ’র আলোকে রাতের সালাত

ড. সাঈদ ইবন আলী ইবন ওয়াহফ আল-কাহতানী
৭৪

ছহীহ্‌ সুন্নাহ্‌র আলোকে বিতর নামায

মুহা: আবদুল্লাহ্‌ আল কাফী
৭৫

জানাযার কিছু বিধান

শিহাবউদ্দিন হোসাইন
৭৬

জামা‌‘আতের সাথে নামায আদায় কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তার তাৎপর্য, ফযীলত, আহকাম, উপকারিতা ও আদাবসমূহ

ড. সায়ীদ ইবন আলী ইবন ওয়াহফ আল্ ক্বাহতানি
৭৭

জামাআতে নামাযের চল্লিশটি উপকারিতা

জাহিদুল ইসলাম
৭৮

নবী ﷺ এর সালাত আদায়ের পদ্ধতি

আব্দুল আযীয ইবন ‌আব্দুল্লাহ ইবন বায
৭৯

নামাযে আমরা কীভাবে দু‘আ করব

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৮০

পকেট সালাত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৮১

পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর সম্মিলিত মুনাজাত

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৮২

ফজরের সালাত ও কিয়ামুল লাইলের জন্য সহায়ক উপকরণ

ড. রুকাইয়্যাহ বিনতে মুহাম্মদ আল-মাহারিব
৮৩

বেনামাযীর পরিণতি

মোঃ আবদুর রহমান
৮৪

মন দিয়ে নামায পড়ার উপায়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৮৫

মহা নাবীর সর্ব শেষ ওসিয়ত আস-সালাত, আস-সালাত

নূর মুহাম্মদ বদীউর রহমান
৮৬

রোযা বা সাওম

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৮৭

সাজদা থেকে (বসার পর) উঠার পদ্ধতি

মুহাম্মাদ আলী খাসখিলি
৮৮

সালাত আদায়ের জন্য আসো

খালেদ আবূ সালেহ
৮৯

সালাত আদায়ের পদ্ধতি

ড. সায়িদ ইবন আলী ইবন ওহাফ আল-কাহতানী
৯০

সালাত ও পবিত্রতা সম্পর্কে কয়েকটি বিশেষ প্রবন্ধ

আল্লামা শায়খ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায ও শায়খ মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৯১

সালাত ত্যাগকারীর বিধান

আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায রহ. ও মুহাম্মদ বিন সালেহ আল ওসাইমীন রহ.
৯২

সালাত বর্জনকারীর বিধান

মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন
৯৩

সালাত শিক্ষা

ড. আব্দুল্লাহ ইবন আহমাদ আলী আয-যাইদ
৯৪

সালাতুল আউওয়াবীন

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
৯৫

সালাতে একাগ্রতা অর্জনের ৩৩টি উপায়

শাইখ মুহাম্মাদ সালিহ আল-মুনাজ্জিদ
৯৬

সালাতে বিনয়ী হওয়ার তেত্রিশ উপায়

মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জেদ
৯৭

সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠের পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের সমাধান

আশরাফুল ইসলাম
৯৮

সালাতের গুরুত্ব ও ফযীলত

শাইখ আব্দুল্লাহ ইবন সা‘দ ইবন ইবরাহীম আল-ফালেহ
৯৯

সালাতের শেষ বৈঠকে বসার পদ্ধতি

কামাল আহমাদ
১০০

সালাতের সময়সূচি

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
১০১

আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে যাকাতের ভূমিকা

মোঃ এনামুল হক
১০২

ঈদুল ফিতর ও যাকাতুল ফিতর এর সংক্ষিপ্ত বিধি বিধান

গবেষণা বিভাগ, ‘দুরারুস সানিয়্যা ফাউণ্ডেশন’
১০৩

কুরআন ও সহীহ হাদীসে আলোকে সদকা-খয়রাত

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
১০৪

জাকাতের গুরুত্ব, ফজিলত ও ব্যয়ের খাতসমূহ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১০৫

দানে বাড়ে সম্পদ, বৃদ্ধি পায় মর্যাদা

কামাল উদ্দিন মোল্লা
১০৬

দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা

ইকবাল হুসাইন মাসুম
১০৭

ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম-৩ যাকাত

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
১০৮

ব্যবসায়িক পণ্যের যাকাত

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
১০৯

যাকাত ও সাওম বিষয়ক দু’টি পুস্তিকা

শাইখ আব্দুল আযীয আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
১১০

সিয়াম ও যাকাত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১১১

আল-কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে রামাদান মাসে একজন মুমিনের দায়িত্ব ও কর্তব্য

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
১১২

ই‘তিকাফ তাৎপর্য, উদ্দেশ্য ও বিধান

মুহাম্মদ আকতারুজ্জামান
১১৩

ইবন রজব আল-হাম্বলী রহ. এর ‘লাতায়িফুল মা‘আরিফ’ অবলম্বনে রমযানের দায়িত্ব-কর্তব্য

শাইখ যাইনুদ্দীন আব্দুর রহমান ইবন রজব আল-হাম্বলী রহ.
১১৪

ঈদের তাৎপর্য, করণীয় ও বর্জনীয়

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১১৫

কাদের রোযা কবুল হয়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১১৬

কীভাবে স্বাগত জানাব মাহে রমযানকে

আব্দুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আস-সুদাইস
১১৭

চাঁদ দেখা ও সন্দেহের দিন রোজা রাখা প্রসঙ্গে শরীয়তের বিধান

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১১৮

পবিত্র রমাদান মাসে আমাদের করণীয়

আব্দুল্লাহ আল-মামুন আল-আযহারী
১১৯

প্রশ্নোত্তরে রমযান ও ঈদ

অধ্যাপক মোঃ নূরুল ইসলাম
১২০

ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম-৪ সাওম

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
১২১

বিদায় মাহে রমযান...কিছু ভাবনা...

ইকবাল হুছাইন মাছুম
১২২

বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ে সাওম

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
১২৩

মুমিনদের জন্য মাহে রমজানের হাদিয়া

শায়খ সালেহ বিন ফাওযান আল ফাওযান
১২৪

রমজান ও পরবর্তী সময়ে করণীয়

আবুল কালাম আজাদ
১২৫

রমজানের ফজিলত ও তাৎপর্য

আবদুল বারী আস-সুবায়তী
১২৬

রমযান মাসের ৩০ আসর

শায়খ মুহাম্মদ ইবন সালেহ ইবন উসাইমীন রহ.
১২৭

রমযান মাসের ঐতিহাসিক ঘটনাবলী ও এর কিছু শিক্ষা

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
১২৮

রমযানের বিষয়ভিত্তিক হাদীস শিক্ষা ও মাসায়েল

ইবরাহীম ইবন মুহাম্মাদ আল-হাকীল
১২৯

রমাদান মাসের ৩০ আমল

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
১৩০

রাসূল যেভাবে রমজান যাপন করেছেন

ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী
১৩১

রোজাদার বোনদের প্রতি

আব্দুল মালেক আল কাসেম
১৩২

রোজার আদব

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৩৩

রোযার ফযীলত ও শিক্ষা আমাদের করণীয়

মোঃ আব্দুল কাদের
১৩৪

সহীহ হাদীসের আলোকে সাওম বিশ্বকোষ

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
১৩৫

সাওম বিষয়ক আধুনিক কিছু মাসআলা

ফিকহী গবেষণা সেন্টার, আল-ইমাম ইউনিভার্সিটি
১৩৬

সিয়াম ও রমজান শিক্ষা-তাৎপর্য-মাসায়েল

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৩৭

সিয়াম বিষয়ক নির্বাচিত ফাতাওয়া

ইসলাম কিউ. এ
১৩৮

সিয়াম, তারাবীহ ও যাকাত বিষয়ে কয়েকটি অধ্যায়

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
১৩৯

আকীকা এবং এ সংক্রান্ত কিছু বিধান

আলী হাসান তৈয়ব
১৪০

আপনার হজ ও শ্রম কবুল হোক; কিন্তু…হজের পর করণীয় কী

গবেষণা বিভাগ, দারু ইব্‌ন খুযাইমাহ
১৪১

ইখলাসের অপরিহার্যতা ও হজ কবূলে তার প্রভাব

ড. সালেহ ইবন আবদুল আযীয সিন্দী
১৪২

ইহরাম-এর শিক্ষা

মীর মন্জুর মাহমূদ
১৪৩

উমরা আদায়ের পদ্ধতি

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
১৪৪

কুরবানী ফযীলত ও আমল

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
১৪৫

কুরবানীর ইতিহাস, উদ্দেশ্য ও কতিপয় বিধান

ড. মোঃ আবদুল কাদের
১৪৬

কোরবানি তাৎপর্য ও আহকাম

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৪৭

জিলহজের প্রথম দশ দিনঃ তৎপর্য ও ফজিলত

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৪৮

জিলহজের প্রথম দশ দিনের ফযীলত এবং ঈদ ও কুরবানীর বিধান

আব্দুল মালেক আল-কাসেম
১৪৯

নবী ﷺ যেভাবে হজ করেছেন (জাবের রা. যেমন বর্ণনা করেছেন)

শাইখ মুহাম্মাদ নাসেরুদ্দীন আল-আলবানী – রাহেমাহুল্লাহ –
১৫০

ফাতাওয়া আরকানুল ইসলাম-৫ হজ

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
১৫১

বিদায় হজের খুতবা কিছু আলোকপাত

আলী হাসান তৈয়ব
১৫২

মাবরুর হজ

মুহাম্মদ ইবন জামীল যাইনু
১৫৩

মাসায়েলে কুরবাণী ও আক্বীক্বা

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
১৫৪

মীকাত ও এহরাম বিষয়ক মাসায়েল

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
১৫৫

যিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন, ঈদ, কুরবানি ও আইয়ামে তাশরীকের দিনসমূহ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১৫৬

যিলহজ, ঈদ ও কোরবানি

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৫৭

যিলহজের প্রথম দশক ফযীলত ও আমল

আলী হাসান তৈয়ব
১৫৮

সংক্ষিপ্ত হজ, উমরা ও যিয়ারত গাইড

ড. মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক, মাওলানা মুহাম্মদ আখতারুজ্জামান
১৫৯

সংক্ষিপ্ত হজ, উমরা ও যিয়ারত

নু‘মান আবুল বাশার
১৬০

সহজ হজ্জ ও ওমরাহ্‌ নির্দেশিকা

শাইখ আখতারুল আমান
১৬১

হজ ও কুরবানীর বিকল্পের নসীহত এক অসঙ্গত দাবী

আলী হাসান তৈয়ব
১৬২

হজ কিভাবে মাবরূর হবে

নুমান বিন আবুল বাশার
১৬৩

হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ ﷺ এর নান্দনিক আচরণ

ফায়সাল বিন আলী আল বা’দানী
১৬৪

হজ, উমরা ও যিয়ারত গাইড

ড. মনজুরে এলাহী, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান, নোমান আবুল বাশার কাউসার বিন খালেদ, ইকবাল হোসাইন মাসুম, আবুল কালাম আজাদ, জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের, মুহাম্মদ আখতারুজ্জামান
১৬৫

হজ, উমরাহ ও যিয়ারতের পদ্ধতি [মাসনূন দো‘আসহ]

হাজী ও উমরাকারীদের হাদিয়া অফিসস্থ ইসলামী গবেষণা পরিষদ, মক্কা
১৬৬

হজ-উমরার ফাযাইল ও উপকারিতা

আলী হাসান তৈয়ব
১৬৭

হজকর্মসমূহের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
১৬৮

হজে প্রদত্ত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ফাতাওয়া

সাঈদ আব্দুল কাদির বাশানফার
১৬৯

হজের পরে

মুহাম্মাদ আব্দুর রব আফ্‌ফান
১৭০

হজের সাথে সংশ্লিষ্ট আকীদাগত ভুল-ভ্রান্তিসমূহ

ড. আহমাদ ইবন উসমান আল-মাযইয়াদ
১৭১

হজের সুবাসিত সুরভি

শাইখ ড. সালেহ ইবন মুহাম্মদ আলে তালেব
১৭২

হজ্জ ও উমরাহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

শাইখ মুহাম্মদ সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
১৭৩

হজ্জ ও ওমরাহ

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
১৭৪

হজ্জের মর্মার্থ ও শিক্ষা

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
১৭৫

আমি তাওবা করতে চাই

মুহাম্মদ বিন সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
১৭৬

আল-কোরআন ও সুন্নাহ হতে সংকলিত শরীয়তসম্মত উপায়ে ঝাড়-ফুঁক

আবদুল্লাহ ইবন আব্দুর রহমান আল-জিবরীন রহ.
১৭৭

আল্লাহর নৈকট্য লাভের অনন্য উপায় তাওবা

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
১৭৮

আসুন গান-বাজনা থেকে তাওবা করি

আলী হাসান তৈয়ব
১৭৯

কান্নার ফযীলত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১৮০

কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে তাওবা ও পাপ মোচনকারী কিছু আমল

মো. আব্দুল কাদের
১৮১

কুরআনে কারীম ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে গুনাহ্ মাফের আমল

শাইখ সালীম ইবন ‘ঈদ আল-হিলালী
১৮২

তওবা কেন ও কিভাবে

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৮৩

তাওবা

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
১৮৪

দরূদ

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১৮৫

দৈনন্দিন সহীহ দু‘আ ও কুরআন-সুন্নার চিকিৎসা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
১৮৬

দো‘আ-মোনাজাত কখন ও কীভাবে

শাইখ ফায়সাল ইবন আলী আল-বা‘দানী
১৮৭

নামাযের দো‘আ ও যিক্‌র

পশ্চিম দীরাহ ইসলামী দাওয়াহ্ সেন্টার
১৮৮

ব্যাধি ও মহামারী রোগ হতে পরিত্রাণের দুর্গ

ইসলামিক সেন্টার রাবওয়া, রিয়াদ
১৮৯

মানুষের উপর জিনের আছর কারণ, প্রতিকার ও সুরক্ষার উপায়

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
১৯০

যিকিরের তাৎপর্য ও ফযীলত

আব্দুল্লাহ আল বাকী
১৯১

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর সালাত (দরূদ) পড়ার অর্থ, ফযিলত, পদ্ধতি ও স্থানসমূহ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১৯২

রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত প্রয়োজনীয় দো‘আর এক অনবদ্য সংকলন আল-হিসনুল ওয়াকী

আব্দুল্লাহ ইবন মুহাম্মাদ আল-সাদহান
১৯৩

শার‘ঈ মানদণ্ডে তাবীয-কবচ এবং ঝাড়-ফুঁক

আব্দুল আলীম ইবন কাওসার
১৯৪

ইন্টারনেট ইমান, আখলাক ও বুদ্ধি-বিবেকের পরীক্ষা

মুহাম্মাদ ইবনে ইব্রাহীম আল হামদ
১৯৫

ইসলাম নিয়ে বিদ্রূপের ভয়ঙ্কর প্রবণতা

ড. আমীন ইব্‌ন আব্দুল্লাহ আশ-শাকাওয়ী
১৯৬

ইসলামে সালাতের গুরুত্ব

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
১৯৭

ইসলামে হালাল উপার্জন গুরুত্ব ও তাৎপর্য

ড. মোঃ আবদুল কাদের
১৯৮

ইসলামের দৃষ্টিতে দুর্নীতি প্রতিরোধ প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ

অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম
১৯৯

উপার্জন ইসলামী দৃষ্টিকোণ

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
২০০

কবীরা গুনাহ

ইমাম শামসুদ্দীন আয-যাহাবী রহ.
২০১

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে ব্যভিচার ও সমকামিতার ভয়াবহ পরিণতি

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
২০২

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে মদপান ও ধূমপানের অপকারিতা

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
২০৩

কুরআন-হাদিসের আলোকে সুদের ক্ষতি-অপকার-কুপ্রভাব

সায়ীদ বিন আলী বিন ওয়াহাফ আল-কাহতানি
২০৪

কেন ধূমপান করেন

শাইখ মুহাম্মদ ইবরাহিম আল-হামদ
২০৫

খাদ্য ও পণ্য-দ্রব্যে ভেজাল ইসলামের দৃষ্টিতে এর প্রতিকার

ড. মো: আবদুল কাদের
২০৬

গান-বাজনার ব্যাপারে ইসলামের বিধান

আখতারুজ্জামান মুহাম্মাদ সুলাইমান
২০৭

গানের বিধান ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
২০৮

গীবত থেকে বাঁচার উপায়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২০৯

গুরুতর অপরাধ মানুষ হত্যা

আলী হাসান তৈয়ব
২১০

ঘুষের ভয়াবহতা ও তা থেকে উত্তরণের উপায়

ড. মো. আব্দুল কাদের
২১১

ঘৃণ্য অপরাধ খাদ্যে ভেজাল

আলী হাসান তৈয়ব
২১২

চোখের গুনাহ

মফিজুল ইসলাম
২১৩

জামা‘আতে সালাত আদায়ের গুরুত্ব, পরিপ্রেক্ষিত বর্তমান সমাজ

আবুল কালাম আজাদ
২১৪

তারাবীহ্‌ সালাতের রাকা‘আত একটি তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
২১৫

দুর্নীতি ও ইসলামের দৃষ্টিতে তার প্রতিকার

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
২১৬

নেশাজাত দ্রব্যের বিধান

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২১৭

প্রবৃত্তি পূজাই সকল ব্যাধির কারণ

ড. আব্দুল আজিজ আব্দুল লতিফ
২১৮

বলুন এটাই শেষ সিগারেট

শাইখ আব্দুল মুহসিন আল-কাসিম
২১৯

মিথ্যার প্রচলিত আকার-প্রকৃতি

শামসুল হুদা আযীযুল হক
২২০

মোবাইল ফোন ব্যবহার বৈধতার সীমা কতটুকু

মুফীজুল ইসলাম আব্দুল আযীয
২২১

যে সকল হারামকে মানুষ তুচ্ছ মনে করে থাকে

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
২২২

যে সকল হারামকে মানুষ হালকা মনে করে

মুহাম্মাদ ছালেহ আল-মুনাজ্জিদ
২২৩

সালাত সালাত সংযুক্তি অযু, গোসল এবং পবিত্রতা বিষয়ক প্রবন্ধ

মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উছাইমীন
২২৪

সালাতের আহকাম ও পদ্ধতি

গবেষণা পরিষদ, আল-মুনতাদা আল-ইসলামী
২২৫

সূদ

শাহ মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান
২২৬

হারাম খাবার যে জন্য নিষিদ্ধ

আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান
২২৭

হালাল উপার্জন

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
২২৮

হালাল রিযিকের সন্ধানে

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২২৯

অলী আওলিয়াদের অসীলা গ্রহণ ইসলামি দৃষ্টিকোণ

শায়খ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায রহ.
২৩০

আমরা কি উদযাপন করব

মদীনাস্থ সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধকারী সরকারী সংস্থার অফিস থেকে প্রকাশিত
২৩১

আশুরা করনীয় ও বর্জনীয়

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৩২

আশূরায়ে মুহাররম ও আমাদের করণীয়

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
২৩৩

ইত্তেবায়ে রাসূল

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
২৩৪

ইলমে গায়েব

অধ্যাপক আবদুন নূর সালাফী (রহ.)
২৩৫

ইসলামে সুন্নাহ’র অবস্থান

শাইখ সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
২৩৬

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী প্রবর্তন ও প্রবর্তক একটি ঐতিহাসিক পর্যালোচনা

প্রফেসর ড. খন্দকার আ.ন.ম আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
২৩৭

ঈদে মীলাদুন্নবী

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৩৮

উম্মতের ওপর নবী মুহাম্মাদ মোস্তাফা সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের অধিকার

ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ, ড. আদেল আশ-শিদ্দী
২৩৯

উসীলা গ্রহণ বৈধ ও অবৈধ পন্থা

আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুল হামীদ আল-আসারী
২৪০

কুফুরের পরিণতি

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
২৪১

ছবি ও মূর্তি

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
২৪২

ছবি ও মূর্তির ব্যাপারে ইসলামের হুকুম

আখতারুজ্জামান মুহাম্মাদ সুলাইমান
২৪৩

জাদুকর্ম, জ্যোতিষ ও দৈবকর্ম এবং এতদসংক্রান্ত অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে ইসলামের বিধান

আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
২৪৪

জাহেলিয়াতের যে সব রীতিনীতির বিরোধিতা রাসূল করেছেন

শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আবদুল ওহ্‌হাব রহ.
২৪৫

দীনে ইসলামে বিদআত ক্ষতি ও কুপ্রভাব

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৪৬

দুআ-মুনাজাতে নবী রাসূলের অসীলা দেয়া একটি পর্যালোচনা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৪৭

নববর্ষ উদযাপন করার বিধান

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
২৪৮

নবীর সুন্নতকে আঁকড়ে ধরা ও তার প্রভাব

শাইখ মুহাম্মদ সালিহ আল-‘উসাইমীন রহ.
২৪৯

পবিত্র কুরআনের আলোকে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের রিসালাত

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
২৫০

প্রচলিত বিভিন্ন খতম তাৎপর্য ও পর্যালোচনা

শাইখ মুস্তাফা সোহেল হিলালী
২৫১

বাংলাদেশে প্রচলিত শির্ক বিদ‘আত ও কুসংস্কার পর্যালোচনা

মো: আব্দুল কাদের
২৫২

বিদ‘আত ও এর মন্দ প্রভাব

শাইখ আবদুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায
২৫৩

বিদ‘আত পরিচিতির মূলনীতি

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
২৫৪

বিদ‘আত হ’তে সাবধান

শায়খ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায
২৫৫

বিদআত থেকে সাবধান

শাইখ সালেহ বিন ফাওযান আল-ফাওযান (রহঃ)
২৫৬

বিদআত দর্পণ

আবদুল হামীদ ফাইযী আল মাদানী
২৫৭

বিদআত

ইকবাল হোসাইন মাছুম
২৫৮

বিদআতের পরিচয়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২৫৯

বৈধ ও অবৈধ অসীলা- আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ আল জুহানী

আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ আল জুহানী
২৬০

বৈধ ও অবৈধ অসীলা

ডক্টর আব্দুস সালাম বারজাস আল আব্দুল করীম
২৬১

ভ্রান্ত তাবিজ-কবচ

: মুহাম্মদ বিন সোলায়মান আল-মুফাদ্দা
২৬২

মানত সম্পর্কে আমরা কী জানি

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৬৩

মানবগোষ্ঠীর জন্য নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রিসালাতের প্রয়োজনীয়তা

আদেল আলী আশ-শিদ্দী ও আবদুর রাযযাক মা‘আশ
২৬৪

মাযারে প্রচলিত বিদআতসমূহ

কাউসার বিন খালেদ
২৬৫

মিলাদ মাহফিল

মুহাম্মাদ হারুন হুসাইন
২৬৬

মীলাদ প্রসঙ্গ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
২৬৭

মুহররম মাসে শিয়া সম্প্রদায়ের মাতম বিষয়ক বিদয়াত

আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আযিয আহমদ আত-তুয়াইজিরী
২৬৮

মূর্তি বনাম ভাস্কর্য সমকালীন বিতর্ক

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৬৯

মৃত ব্যক্তির জন্য ইছালে ছাওয়াব শরীয়তের দৃষ্টিভঙ্গি

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৭০

মৃত ব্যক্তির দাফন কাফন

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
২৭১

মৃত-ব্যক্তির জন্য করণীয় কাজের মাসনূন পদ্ধতি

আ.শ.ম শোয়াইব আহমাদ
২৭২

যুলুমের ভয়াবহ পরিণাম ও বাঁচার উপায়

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
২৭৩

যে কেউ কোনো জাতির সাথে সামঞ্জস্য বিধান করে চলবে সে তাদের দলভুক্ত বলে গণ্য হবে

ড. নাসের ইবন আবদিল কারীম আল-‘আকল
২৭৪

যেসব কারণে ইবাদাত বরবাদ হয়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২৭৫

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহর উপর আমলের আবশ্যকতা আর তার অস্বীকারকারীর কাফের হওয়া

আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
২৭৬

রাসূলুল্লাহ সা. তোমাদেরকে যা দিয়েছেন তা গ্রহণ কর

ড. আদেল আশ-শিদ্দী, ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ
২৭৭

শবে বরাত ও প্রাসঙ্গিক কিছু কথা

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
২৭৮

শবে বরাতঃ সঠিক দৃষ্টিকোণ

আব্দুল্লাহ শহীদ আবদুর রহমান
২৭৯

শবেবরাত

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
২৮০

শরী‘আতের স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও বিদ‘আতের ভয়াবহতা

শাইখ মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
২৮১

শাবান মাস বিবিধ আলোকপাত

কামাল উদ্দিন মোল্লা
২৮২

শাবানের পনেরতম রজনী উদযাপনের বিধান

আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায
২৮৩

শিরক

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২৮৪

শির্ক কী ও কেন

ড. মুহাম্মদ মুয্‌যাম্মিল আলী
২৮৫

শির্কের সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ

সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
২৮৬

সবচেয়ে বড় গুনাহ

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আহমদ আল-আম্মারী
২৮৭

সুন্নতের আলো ও বিদআতের আঁধার

সাঈদ বিন আলী ইবনে ওহাফ আল-কাহতানী
২৮৮

সুন্নতের প্রতি যত্নবান হওয়ার আদেশ ও তার আদব

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
২৮৯

সুন্নাত ও বিদয়াত

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (র.)
২৯০

সুন্নাত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
২৯১

সুন্নাতে রাসূলুল্লাহ আঁকড়ে ধরা ও বিদ‘আত থেকে সতর্ক থাকা

আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
২৯২

অকাল মৃত্যু বলে কিছু নেই

আলী হাসান তৈয়ব
২৯৩

আত্মহত্যা কোনো সমাধান নয়; সমস্যা

আলী হাসান তৈয়ব
২৯৪

এসো জান্নাতের পথে

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
২৯৫

কবর যিয়ারত ও কবরবাসীর কাছে সাহায্যের আবেদন

শাইখুল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যাহ
২৯৬

কবর যিয়ারত সংক্রান্ত কতিপয় জাল ও দুর্বল হাদীস

শাইখ হাম্মাদ ইবন মুহাম্মাদ আল-আনসারী আল-খাযরাজী আস-সা‘দী
২৯৭

কবরের প্রশ্ন ও প্রাসংগিক আলোচনা

মুহাম্মাদ মুনিরুজ্জামান বিন আশরাফ আলী
২৯৮

কবরের বর্ণনা

মুহাম্মদ ইকবাল কীলানী
২৯৯

কবরের শাস্তি ও শান্তি সম্পর্কে কতিপয় মাসআলা বারযাখী জীবন

শাইখ খালেদ ইবন আব্দুর রহমান আশ-শায়ে‘
৩০০

কিয়ামতের আলামত

আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
৩০১

কিয়ামতের ভয়াবহতা ও তারপর

আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
৩০২

কীভাবে আপনি জান্নাত লাভ করবেন

ইউসুফ ইবন মুহাম্মাদ আল ‘উয়াইয়েদ
৩০৩

কুরআন ও সুন্নাহ’য় বর্ণিত শাফা‘আত এবং শাফা‘আতকারী

শাইখ ইবরাহীম ইবন আবদিল্লাহ আল-হাযেমী
৩০৪

কুরআন ও সুন্নাহ্‌র আলোকে জান্নাত ও জাহান্নাম

আব্দুর রহমান বিন সাঈদ বিন আলী বিন ওহাফ আল-কাহতানী রহ.
৩০৫

কুরআন ও হাদীসের আলোকে মহাসাফল্য ও বড় ব্যর্থতা

ড. সাঈদ ইবন আলী ইবন ওয়াহাফ আল-ক্বাহত্বানী
৩০৬

কুরআনের আলোকে জান্নাত ও জাহান্নাম

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
৩০৭

ঘুমানোর আগে মরণের স্মরণ

আলী হাসান তৈয়ব
৩০৮

জান্নাত ও জাহান্নাম

শায়েখ আলী ইবনে আব্দুর রহমান আল-হুজাইফী
৩০৯

জান্নাতও জাহান্নামএর সংবাদপ্রাপ্ত নারী-পুরুষগণ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৩১০

জান্নাতের পথ

মুহাম্মাদ মুনিরুজ্জামান বিন আশরাফ আলী
৩১১

জান্নাতের পথে

আবু আব্দির রহমান
৩১২

জান্নাতের প্রতি আগ্রহী ও জাহান্নাম থেকে পলায়নকারীর জন্য বিশেষ উপদেশ

রাশেদ বিন আব্দুর রহমান আয-যাহরানী
৩১৩

পরকাল ভাবনা

মুহাম্মদ শামছুল হক ছিদ্দিক
৩১৪

মৃত্যু ও কবর সম্পর্কে করণীয় ও বর্জনীয়

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
৩১৫

যা হবে মরণের পরে

আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
৩১৬

সহীহ সুন্নাহ’র আলোকে জান্নাতের বৈশিষ্ট্য

ওয়াহিদ ইবন আবদিস সালাম বালী
৩১৭

আত-তাফসীর আল-মুইয়াসসার (দ্বিতীয় পারা)

একদল বিশেষজ্ঞ সৌদী আলেম
৩১৮

আমরা কিভাবে কুরআন বুঝব

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৩১৯

আম্মা পারা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩২০

আল কোরআন ও আধুনিক যুগের চাহিদা

জহির উদ্দিন বাবর
৩২১

আল-কুরআন ইসলামী শরীয়াহ্-এর অন্যতম উৎস

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৩২২

আল-কুরআন একটি মহা মু‘জিযা

ড. সা‘ঈদ ইবন আলী ইবন ওয়াহাফ আল-ক্বাহত্বানী
৩২৩

আল-কুরআন ও তার সুমহান মর্যাদা

শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ আলে শাইখ
৩২৪

আল-কুরআনুল কারিম হিফয করার ব্যবহারিক পদ্ধতি

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩২৫

আল-কুরআনুল কারীম মর্যাদা, শিক্ষা ও বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা

ইকবাল হুসাইন মাসুম
৩২৬

আল-কুরআনুল কারীমের অর্থানুবাদ প্রেক্ষাপট ও আবশ্যকীয় জ্ঞান

আলী হাসান তৈয়ব
৩২৭

আল-কুরআনের আলোকে মানুষের স্বরূপ বিশ্লেষণ

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৩২৮

আল-কুরআনের সংক্ষিপ্ত তাফসীর [সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১-১৪১]

কতিপয় উলামা
৩২৯

ইহতিসাব সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে অবতীর্ণ আয়াতসমূহ

নুমান আবুল বাশার
৩৩০

কুরআন আপনার পক্ষের কিংবা বিপক্ষের দলিল

মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মদ আল-ইম্মারি
৩৩১

কুরআন ও দীনি ইলম শিক্ষার বিনিময় পারিশ্রমিক নেওয়া

প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ ইবন মুবারক আলে সাইফ
৩৩২

কুরআন তিলাওয়াত ফযীলত ও আদব

আলী হাসান তৈয়ব
৩৩৩

কুরআন তিলাওয়াত করার নিয়ত

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩৩৪

কুরআন তিলাওয়াতের ফজিলত

মুহাম্মদ বিন সালেহ আল-উসাইমীন
৩৩৫

কুরআন শিক্ষা এবং এ খাতে ব্যয় প্রসঙ্গে

আলী হাসান তৈয়ব
৩৩৬

কুরআন শিক্ষা বিধান, পদ্ধতি ও ফযীলত

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
৩৩৭

কুরআনুল কারিমে সম্পদ ও নফসের জিহাদ একসাথে উল্লেখ করার হিকমত

ড. তাওফিক আলী যাবাদী
৩৩৮

কুরআনের সঙ্গে পূর্বসূরীদের সম্পর্ক

খালেদ ইবন আবদুল্লাহ আল-মুসলিহ
৩৩৯

তাফসীরুল কুরআন বিল কুরআন

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩৪০

তাফসীরুল কুরআন

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৩৪১

পবিত্র কোরআনে ইখলাস সম্পর্কে অবতীর্ণ আয়াতসমূহ

নুমান আবুল বাশার
৩৪২

পবিত্র কোরআনে ইত্তেবা সম্পর্কে অবতীর্ণ আয়াতসমূহ

নুমান আবুল বাশার
৩৪৩

সূরা ‘আসর’ আমাদের যা শেখায়

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৩৪৪

সূরা আত-তাওবার তাফসীর

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৩৪৫

সূরা আন-নাবা-এর তাফসীর

আবু আবদুল্লাহ কুরতুবী রহ.
৩৪৬

সূরা আল-ফাতিহা-এর তাফসীর

শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব রহ.
৩৪৭

সূরা আলে ইমরান

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩৪৮

সূরা কাফিরুন ও ইখলাস আমাদেরকে যা শেখায়

ফায়িয বিন সাঈদ আয-যাহরানী
৩৪৯

সূরা ফাতিহা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩৫০

হাফেয ইবন কাসীরের তাফসীর থেকে সংক্ষেপিত সূরা আল-আনফালের তাফসীর

শাইখ আহমদ মুহাম্মাদ শাকের
৩৫১

One Hadith a Day (সহীহ বুখারী থেকে ৩৬৫টি হাদীস ও শিক্ষা)

আমির জামান, নাজমা জামান
৩৫২

কল্যাণকর কাজে উদ্বুদ্ধকারী কতিপয় হাদীস

মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ
৩৫৩

গুরুত্বপূর্ণ বিশটি হাদিসের ভাষ্য

গবেষণা পরিষদ: আল-মুনতাদা আল-ইসলামী
৩৫৪

নির্বাচিত হাদীস চতুর্থ খণ্ড

ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ
৩৫৫

নির্বাচিত হাদীস পঞ্চম খণ্ড

ডক্টর মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ
৩৫৬

রমযান বিষয়ে জাল ও দুর্বল হাদিসসমূহ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩৫৭

শামায়েলে তিরমিযী

মুহাম্মাদ বিন ঈসা আত তিরমিযী (রহ.)
৩৫৮

সহীহ হাদীসে কুদসী

আবু আব্দুল্লাহ মুস্তফা আল-আদাভী
৩৫৯

সুন্নাহের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৩৬০

হাদিসের প্রামাণিকতা

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৩৬১

হাদীছের গল্প

গবেষণা বিভাগ, হাদীছ ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ
৩৬২

হাদীছের প্রামাণিকতা

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৩৬৩

হাদীস সংকলনের ইতিহাস

মওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহীম (রহ)
৩৬৪

অযু ব্যতীত কুরআনুল কারীম স্পর্শ করার বিধান

একদল বিজ্ঞ আলেম
৩৬৫

আল-ফাতাওয়া আল-মাক্কীয়্যাহ

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
৩৬৬

আল্লাহর আইন বাস্তবায়ন এবং এর পরিপন্থী বিষয় বর্জনের অপরিহার্যতা

আশ-শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আবদুল্লাহ ইবন বায
৩৬৭

আল্লাহর ওপর ঈমানের অর্থ

ইসলাম কিউ এ
৩৬৮

ইসলামী আইন না মানার বিধান কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
৩৬৯

ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা

ড. আবদুল করিম জায়দান
৩৭০

ইসলামী শরীআতে শাস্তির বিধান

ড. আব্দুল কারীম যাইদান
৩৭১

ইসলামী শরীয়াহর বাস্তবায়ন ও উম্মাহর উপর এর প্রভাব

আব্দুল্লাহ ইবন স‘উদ আল-হুয়াইমিল
৩৭২

ইসলামী শারীয়াহ্ এর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য বর্তমান প্রেক্ষাপটে এর গুরুত্ব

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৩৭৩

ইসলামে মানবাধিকার

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
৩৭৪

কাফিরদেরকে ইসলামের প্রতি দাওয়াত না দিলে কি মুসলিমগণ অপরাধি হবে

ইসলাম কিউ এ
৩৭৫

খাদ্য ও পানীয় বিষয়ে ইসলামের বিধি-বিধান

মুহাম্মাদ ইবন ইবরাহীম ইবন আব্দুল্লাহ আত-তুইজিরী
৩৭৬

ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নির্বাচিত ফাতাওয়া

মিরফাত বিনতে কামিল আবদিল্লাহ উসরা
৩৭৭

জানাযার বিধিবিধান সংক্রান্ত ৭০টি প্রশ্ন

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
৩৭৮

জিজ্ঞাসা ও জবাব (১ম খণ্ড)

ড. খোন্দকার আব্দুলাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ)
৩৭৯

তালাক ও তাহলীল

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৩৮০

দীনের ফিক্‌হ তথা জ্ঞানই ফিতনা থেকে বাঁচার সঠিক উপায়

শাইখ সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
৩৮১

ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে কি কোনো ইসলামী দলে যোগ দেওয়া যাবে

ইসলাম কিউ এ
৩৮২

ধূমপান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ফাতাওয়া

আমের সালেহ আলাওয়ী নাজী
৩৮৩

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি নূরের তৈরি

শাইখ আব্দুর রাকীব (মাদানী)
৩৮৪

নারী-পুরুষে দেখাদেখি, নির্জনে অবস্থান ও সহাবস্থান সংক্রান্ত বিবিধ ফাতওয়া

শাইখ আবদুল ‘আযীয ইবন আবদিল্লাহ ইবন বায, শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন, শাইখ আবদুল্লাহ ইবন আবদির রহমান আল-জিবরীন এবং স্থায়ী ফতোয়া বোর্ডের ফতোয়া
৩৮৫

ফিতনাতুত-তাকফীর

শায়খ নাসিরুদ্দীন আলবানী (রহ), শায়খ আব্দুল্লাহ বিন বায (রহ), শায়খ সফিউর রহমান মুবারকপুরী (রহ), বিভিন্ন মুফাসসির ও মুহাদ্দিসদের (রহ) উদ্ধৃতি
৩৮৬

বারোশ’ (১২০০) মাস’আলা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৩৮৭

মানুষের প্রাণ বাঁচাতেই কিসাস বা প্রাণদণ্ড

আলী হাসান তৈয়ব
৩৮৮

মাসিক আত-তাহরীক প্রশ্নোত্তর ২০১৫

দারুল ইফতা
৩৮৯

মুখতাসারুল ফিক্হিল ইসলামী

মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম বিন আব্দুল্লাহ আত্ তুয়াইজিরী
৩৯০

মুসলিমদের মা‘বুদ কে

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৩৯১

মেধাস্বত্ব ও কপিরাইট আইন

মাওলানা আবুল কালাম আযাদ
৩৯২

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সশরীরে এসে সাক্ষাত করেন, এমন ধারণা পোষণকারী ব্যক্তিকে কীভাবে প্রতিবাদ করব

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৩৯৩

শরিয়া বিধানের উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য

ইকবাল হোসাইন মাসুম
৩৯৪

শাস্তি প্রদান শরয়ি দৃষ্টিকোণ

আমর ইব্রাহীম
৩৯৫

শির্কের হাকিকত ও তার প্রকারসমূহ কী

ইসলাম কিউ.এ
৩৯৬

সহজ ফিকহ শিক্ষা

ড. সালিহ ইবন গানিম আস-সাদলান
৩৯৭

স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত বিবিধ প্রশ্ন-উত্তর

শাইখ মুহাম্মদ ইবন সালেহ আল-‘উসাইমীন
৩৯৮

হিন্দু আশ্চর্যের কোনটি ভাল, হিন্দুধর্ম বা ইসলামের এবং কেন

ইসলাম কিউ এ
৩৯৯

হিল্লা, তালাক ও ফতোয়া যে কথাগুলো না বললেই নয়

আলী হাসান তৈয়ব
৪০০

অমুসলিমদের সাথে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আচরণ প্রসঙ্গ

ড. রাগিব আস-সারজানী
৪০১

আদর্শ মানব মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

এ এক এম নাজির আহমদ
৪০২

আপনার নবীকে চিনুন

মুহাম্মাদ ইবন আহমদ ইবন মুহাম্মাদ আল-আম্মারী
৪০৩

আল্লাহর রাসূলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আদর্শ

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৪০৪

আল্লাহর রাসূলের প্রতি দরূদ-সালামের তাৎপর্য

ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ
৪০৫

ইউনুস ‘আলাইহিস সালামের ঘটনা

শায়খ ড. সালেহ আলে তালেব
৪০৬

কীভাবে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ভালোবাসব

মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৪০৭

চিনে নাও তুমি তোমার নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে

ড. আদেল আশ-শিদ্দী, ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ
৪০৮

দয়া ও ভালোবাসার অনন্য বিশ্ব নবী

আবু আব্দুর রাহমান
৪০৯

নবী আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চরিত্র ও গুণাবলি

নুমান বিন আবুল বাশার
৪১০

নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সাহায্য-সমর্থন করার একশত উপায়

ইকবাল হোসাইন মাছুম, কাউসার বিন খালেদ
৪১১

নবী জীবনী

আয-যুলফি দা‘ওয়াহ সেন্টার
৪১২

নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের গুণাবলী

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
৪১৩

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে পবিত্রতা অর্জন করতেন

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
৪১৪

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মহিমান্বিত জীবনের শেষ একশ দিনের অসিয়্যতসমূহ

সালেহ ইবন আব্দুর রহমান আল-হুসাইন, আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ আল-হাজ
৪১৫

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমাজ সংস্কার

চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ
৪১৬

বিরুদ্ধবাদীদের সাথে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আচরণ

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৪১৭

বিশ্বনবী প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রের আদর্শ

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৪১৮

বিশ্বনবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলা‌ইহি ওয়াসাল্লামের জীবনাদর্শ (ইমাম ইবনুল কাইয়্যেম রহ. এর যাদুল মা‘আদ হতে সংক্ষেপিত)

ড. আহমাদ ইবন উসমান আল-মাযইয়াদ
৪১৯

বিশ্বমানবতার প্রতি বিশ্বনবীর শাশ্বত অবদান

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৪২০

মহানবীর অবমাননা ওরা যা করেছে আমরা যা করব

আলী হাসান তৈয়ব
৪২১

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবদান

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৪২২

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবদান

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৪২৩

রাসূল অবমাননার পরিণাম ও শাস্তি আমাদের করণীয়

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
৪২৪

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের গৃহে একদিন

আব্দুল মালেক আল-কাসেম
৪২৫

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমকালীন আরবের অবস্থা ও তাঁর মক্কী জীবন

মো. আব্দুল কাদের
৪২৬

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহচর্য

শাইখ সালেহ ইবন আবদিল্লাহ আদ-দারওয়ীশ
৪২৭

রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামাজিক বিপ্লবের স্বরূপ

সিরজুল ইসলাম আলী আকবর
৪২৮

রাসূলের শানে সমসাময়িক ধৃষ্টতা আকার-প্রকৃতি ও নেপথ্য কাহিনী

নাসের বিন সুলাইমান আল-উমর
৪২৯

সমরবিদ হিসাবে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

মোঃ আবদুল কাদের
৪৩০

সর্বযুগের বিশ্বস্ত নবী

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৪৩১

সহীহ হাদীসের আলোকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়তের প্রমাণ

শাইখ মুকবিল ইবন হাদী আল ওয়াদি‘য়ী
৪৩২

আবু বকর ও উমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমার জীবনের কিছু ঘটনা

হোমায়রা বান
৪৩৩

আবু বকর রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা

আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী
৪৩৪

আয়েশা রাদিআল্লাহু ‘আনহার ফজিলত

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৪৩৫

আল্লামা নওয়াব সিদ্দীক হাসান খান ভুপালী জীবন ও কর্ম

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
৪৩৬

আল্লামা মুহাম্মদ নাসিরুদ্দীন আলবানী রহ.এর সংক্ষিপ্ত জীবনী

আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
৪৩৭

ইহসান ইলাহী যহীর

নূরুল ইসলাম
৪৩৮

উম্মতের ওপর সাহাবীগণের অধিকারসমূহ

ড. সালিহ ইবন আব্দুল আযীয ইবন উসমান সিন্দী
৪৩৯

উসমান (রাঃ) রাঃ সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা

মূল আহমাদ আব্দুল আলি তাহতাভী
৪৪০

ওমর (রাঃ) সম্পর্কে ১৫০টি শিক্ষণীয় ঘটনা

আহমাদ আবদুল আলী তাহতাভী
৪৪১

ওমর ইবনে আবদুল আজীজ

রশীদ আখতার নদভী
৪৪২

খলিফা মুয়াবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু সম্পর্কে ইনসাফপন্থীদের কিছু বাণী

আব্দুল মুহসিন ইবন হামদ আল-আব্বাদ
৪৪৩

ছাহাবা ন্যায়নিষ্ঠতা ও সুমহান মর্যাদা

মুস্তাফা কাসেম আব্বাস
৪৪৪

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবিবৃন্দ

ইকবাল হোসাইন মাসুম
৪৪৫

সাহাবায়ে কেরামের প্রতি আমাদের কর্তব্য

আব্দুর রাযযাক ইব্‌ন আব্দুল মুহসিন আল-বাদ্‌র
৪৪৬

সাহাবীগণের মর্যাদা

সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
৪৪৭

সাহাবীগণের হক ও ফযীলত সম্পর্কে যথাযথ করণীয়

আব্দুল্লাহ ইবন সালিহ আল-কুসাইর
৪৪৮

সাহাবীদের পেয়েছি, কিন্তু আহলে-বাইতকে হারাই নি

আবু খলিফা আলি ইব্‌ন মুহাম্মদ আল-কুদাইবি
৪৪৯

সাহিত্যিক মাওলানা আহমাদ আলী

হাদীছ ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ
৪৫০

আক্বীদায়ে মোহাম্মদী বা মাযহাবে আহলেহাদীছ

মাওলানা আহমাদ আলী
৪৫১

আধুনিক সমাজ ব্যবস্থায় ইসলাম প্রচারের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীতা

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৪৫২

আল্লাহর দিকে আহ্বান ও দাঈর গুণাবলি

শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায রহ.
৪৫৩

আল্লাহর দিকে দাওয়াতের সম্বল

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৪৫৪

আল্লাহর দিকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দাওয়াতের বাস্তব কিছু নমুনা

সাঈদ ইবন আলী ইবন ওহাফ আল-কাহতানী
৪৫৫

আল্লাহর পথে দাওয়াত

ড. আ.ন.ম. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
৪৫৬

আহলেহাদীছ আন্দোলন কি ও কেন

মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৪৫৭

ইক্বামতে দ্বীন পথ ও পদ্ধতি

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৪৫৮

ইসলামী আন্দোলনে বিজয়ের স্বরূপ

ডঃ নাছের বিন সোলায়মান আল-ওমর
৪৫৯

ইসলামী দাওয়াহ প্রসারে গণমাধ্যমের অবদান

ড. মো: আব্দুল কাদের
৪৬০

ইসলামী মিডিয়ার স্বরূপ ও তাৎপর্য

ড. মো: আব্দুল কাদের
৪৬১

উদাত্ত আহবান

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৪৬২

উপদেশতত্ত্ব

আকীল ইবন মুহাম্মাদ আল-মাকতিরী
৪৬৩

একজন ঈমানদার দা‘ঈর গুণাবলী

মুহাম্মদ শাহিদুল ইসলাম
৪৬৪

একটি পত্রের জওয়াব

মোহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী আল-কোরায়শী
৪৬৫

কুরআনের আলোকে নূহ আলাইহিস সালামের দা‘ওয়াহ কার্যক্রম

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৪৬৬

কুরআনের আলোকে মূসা আলাইহিস সালামের ব্যক্তিত্ব ও দা‘ওয়াহ কার্যক্রম

মো: আবদুল কাদের
৪৬৭

দল, সংগঠন, ইমারত ও বায়‘আত সম্পর্কে বিশিষ্ট উলামায়ে কেরামের বক্তব্য

আব্দুল আলীম ইবনে কাওছার
৪৬৮

দাঈ ভাইদের প্রতি

চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ
৪৬৯

দাঈদের প্রতি বার্তা

শাইখ মোহাম্মাদ বিন সালেহ আল-উসাইমিন
৪৭০

নবী মুহাম্মদ সা. এর আগমনের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য, দা‘ওয়াতের পদ্ধতি ও কৌশল

ড. মো: আবদুল কাদের
৪৭১

মুসলিম উম্মতের সর্বসাধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দার্‌স-সমূহ

মাননীয় শাইখ আব্দুল আযীয ইব্‌ন আব্দুল্লাহ ইব্‌ন বায
৪৭২

মুসলিম উম্মাহর জন্য গুরুত্বপূর্ণ দরসের সাথে সংশ্লিষ্ট বিধান

শাইখ আবদুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায
৪৭৩

সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ গুরুত্ব ও তাৎপর্য

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৪৭৪

সৎকাজের আদেশ ও মন্দ কাজ থেকে নিষেধ করা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৪৭৫

সমাজ বিপ্লবের ধারা

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৪৭৬

অর্থনীতিতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এর দশ দফা

শাহ মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান
৪৭৭

ইসলাম ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ

ড. এম উমর চাপরা
৪৭৮

ইসলামি অর্থনীতি শান্তি ও সমৃদ্ধির অব্যর্থ ব্যবস্থা

আলী হাসান তৈয়ব
৪৭৯

ইসলামের অর্থনীতি

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ)
৪৮০

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মাদকাসক্তির প্রভাব ও তার সমাধান

ড. মো. মুস্তাফিজুর রহমান, মো. মোশাররফ হোসাইন
৪৮১

ব্যবসা-বাণিজ্য করনীয় ও বর্জনীয়

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
৪৮২

আল্লাহর বাণী আল-কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান

মোহাম্মদ ওসমান গনি
৪৮৩

ইসলাম প্রচারে মনোবিজ্ঞানের ভূমিকা

আব্দুল্লাহ আল-খাতির রহ.
৪৮৪

ইসলামী বিধান ও আধুনিক বিজ্ঞান (প্রথম খন্ড)

মুহাম্মাদ ওসমান গনি
৪৮৫

কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান

ডা. জাকির নায়েক
৪৮৬

কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান সামঞ্জস্যপূর্ণ না অসামঞ্জস্যপূর্ণ

ডঃ জাকির আবদুল করিম নায়েক
৪৮৭

সৃজনশীল ও বৈজ্ঞানিক চিন্তার ব্যবহার একটি ভূমিকা

নুমান বিন আবুল বাশার
৪৮৮

আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ১ম খন্ড

আবুল ফিদা হাফিজ ইবন কাসীর আদ-দামেশকী (র)
৪৮৯

আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ২য় খন্ড

আবুল ফিদা হাফিজ ইবন কাসীর আদ-দামেশকী (র)
৪৯০

ইতিহাসের ইতিহাস

গোলাম আহমাদ মোর্তজা
৪৯১

ইসলামের ইতিহাস ১ম খণ্ড

মাওলানা আকবর শাহ খান নজিববাদী
৪৯২

চেপে রাখা ইতিহাস

গোলাম আহমাদ মোর্তজা
৪৯৩

বাজেয়াপ্ত ইতিহাস

গোলাম আহমাদ মোর্তজা
৪৯৪

মুসলমানদের পতন অতীত বর্তমান (সালাহউদ্দীন আইউবীর আবির্ভাব পূর্ব ইসলামি বিশ্ব ও বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা)

মুহাম্মদ আল আবদাহ
৪৯৫

আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করার গুরুত্ব

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
৪৯৬

আত্মীয়তা-সম্পর্ক রক্ষা করা

আলী হাসান তৈয়ব
৪৯৭

আদর্শ মুসলিম পরিবার

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৪৯৮

ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা

মুহাম্মাদ আবদুল্লাহ আল কাফী
৪৯৯

ইসলামী নীতিমালার আলোকে বরকত অর্জন

সালেহ ইবন আবদুল আযীয ইবন মুহাম্মাদ আলে শাইখ
৫০০

ইসলামে বন্ধুত্ব ও শত্রুতা

শাইখ সালেহ ইবন ফাউযান আল-ফাউযান
৫০১

কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার ভয়াবহ পরিণতি

মোস্তাফিজুর রহমান ইবন আব্দুল আযীয আল-মাদানী
৫০২

কোরআন ও হাদিসের আলোকে এতিম প্রতিপালন

মুহাম্মদ ওসমান গনি
৫০৩

ধৈর্য-সবর কখন ও কিভাবে

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫০৪

পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় ইসলামের শিক্ষা

আলী হাসান তৈয়ব
৫০৫

পরিবার ও পারিবারিক জীবন

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (র.)
৫০৬

পানাহারের আদব

আখতারুজ্জামান মুহাম্মাদ সুলাইমান
৫০৭

পিতামাতার অবাধ্যতা কারণ, কিছু বাহ্যিক চিত্র ও প্রতিকারের উপায়

শাইখ মুহাম্মদ ইবন ইবরাহীম আল-হামাদ
৫০৮

প্রতিবন্ধী ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
৫০৯

প্রতিবেশীর হক

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৫১০

মেহমানের মেহমানদারি

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৫১১

যে চৌদ্দটি আমলে রিজিক বাড়ে

আলী হাসান তৈয়ব
৫১২

রাতে দ্রুত ঘুমানোর উপকারিতা

আব্দুল্লাহ ইবন জারুল্লাহ আলে জারুল্লাহ
৫১৩

রিযক ও তার অনুমোদিত উপকরণ

শায়খ সাউদ আল-শুরাইম
৫১৪

সময় সে তো জীবন

চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ
৫১৫

সুখী ও সুন্দর পরিবার গঠন

আমির জামান, নাজমা জামান
৫১৬

সৌভাগ্যময় ঘর ও স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্ব

ড. সালেহ ইবন আবদিল্লাহ ইবন হুমাইদ
৫১৭

সৌভাগ্যময় জীবনের পূর্ণাঙ্গ উপায়

শাইখ আবদুর রহমান ইবন নাসের আস-সা‘দী
৫১৮

হাদীসের আলোকে আদর্শ স্বামী

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল আযহারী
৫১৯

আয়াতুল কুরসী ও তাওহীদের প্রমাণাদি

শাইখ আব্দুর রায্‌যাক ইবন আব্দুল মুহসিন আল-বদর
৫২০

আল্লাহ তা‘আলার নান্দনিক নাম ও গুণসমগ্র কিছু আদর্শিক নীতিমালা

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন রহ.
৫২১

আল্লাহ তা‘আলার হক বা প্রাপ্য

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৫২২

আল্লাহ তাআলার দশ অসিয়ত

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫২৩

আল্লাহ তাআলার পরিচয়

হাফেয নেছার উদ্দিন
৫২৪

আল্লাহকে সম্মান দেওয়া ও তাকে গালমন্দকারীর বিধান

শায়খ আব্দুল আজিজ আত-ত্বারীফি
৫২৫

আল্লাহর জন্য ভালোবাসার নিদর্শন

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৫২৬

আল্লাহর জন্য ভ্রাতৃত্ব

মাজেদ আলি হাসান হাবিব
৫২৭

আল্লাহর দর্শন

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
৫২৮

আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করুন, তিনি আপনাকে ভালোবাসবেন

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৫২৯

আল্লাহর পথের অভিযাত্রী

ড. লুতফুল্লাহ ইবন মোল্লা আব্দুল আযীম খাজা
৫৩০

আল্লাহর সুন্দর নামসমূহের ব্যাখ্যা

শাইখ আব্দুর রহমান ইবন নাসের আস-সা‘দী
৫৩১

কার ইবাদত করব ও কেন করব

মুহাম্মদ নূরুল্লাহ তারীফ
৫৩২

কুরআনে বর্ণিত আল্লাহর কিছু সৃষ্টি নিদর্শন

আলী হাসান তৈয়ব
৫৩৩

আল্লাহর নিকট অধিক পছন্দনীয় আমল

আসমা বিনতে রাশেদ আর-রুয়াইশেদ
৫৩৪

ইসলামের নৈতিকতা ও আচরণ

ড. মারওয়ান ইবরাহীম আল-কায়সি
৫৩৫

ইসলামের সৌন্দর্য

আল্লামা শাইখ আব্দুর রহমান বিন নসের সাদী রহ.
৫৩৬

একজন মুসলিমের চারিত্রিক গুণাবলি

ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ, ড. আদেল আশ-শিদ্দী
৫৩৭

কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে মুসলিম জীবনের আদব-কায়দা

ড. মো: আমিনুল ইসলাম
৫৩৮

তরবিয়ত ও চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন

শামছুল হক ছিদ্দিক, নোমান আবুল বাশার, আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৩৯

ন্যায়ের আদেশ ও অন্যায়ের নিষেধ অত্যাবশ্যক

শাইখ আব্দুল আযীয ইবন আব্দুল্লাহ ইবন বায
৫৪০

পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব ও কর্তব্য

মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান
৫৪১

ব্যক্তি ও সমাজ সংশোধনে ইসলামি দিক নির্দেশনা

মুহাম্মদ বিন জামীল যাইনূ
৫৪২

মুমিনের আমল ও চরিত্র যেমন হওয়া উচিত

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৫৪৩

মুসলিম জীবনে সততা ও সত্যবাদিতা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৪৪

মুসলিমের আদব বা শিষ্টাচার

আহমদ আল-মাযইয়াদ/আদেল ইবন আলী আশ-শিদ্দী
৫৪৫

যুব সমাজের অবক্ষয় ও তার প্রতিকার- জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৫৪৬

যুব সমাজের অবক্ষয় ও তার প্রতিকার

সালেহ ইবন্ ফাওযান আল-ফাওযান
৫৪৭

রহমানের বান্দাদের গুণাবলী

আবুল কাসেম মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ
৫৪৮

সৎ কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজে নিষেধ

ইকবাল হোছাইন মাসুম
৫৪৯

হিংসা ও অহংকার

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৫৫০

অধ্যয়ন ও জ্ঞানসাধনা

আবু বকর সিরাজী
৫৫১

অন্তরের আমল ইখলাস

মুহাম্মদ সালেহ আল মুনাজ্জেদ
৫৫২

অন্তরের আমল দ্বীনদারি

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৫৫৩

আত্মগঠন

খালিদ ইবন আব্দুল আযীয আবাল খায়ল
৫৫৪

আত্মশুদ্ধি

খালেদ ইবন আব্দুল্লাহ আল-মুসলেহ
৫৫৫

ইখলাছ মুক্তির পাথেয়

ফয়সাল বিন আলী আল বাদানী
৫৫৬

ইখলাস কেন ও কীভাবে

গবেষণা পরিষদ আল-মুনতাদা আল-ইসলামী
৫৫৭

ইখলাস

আব্দুল্লাহ আল মামুন আল-আযহারী
৫৫৮

ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৫৯

ইলম অন্বেষণের ফযীলত ও মর্যাদা

হুসামুদ্দীন সালীম কিলানী
৫৬০

ইলম হাসিল সম্পর্কে পূর্বসুরীদের কিছু বাণী

হিসামুদ্দীন সালীম কিলানী
৫৬১

ইলমে দীন অর্জনের পথ ও পদ্ধতি

সালেহ ইবন আবদুল আযীয আলে শাইখ
৫৬২

ইসলাম ধর্মে সৎকর্ম কবুল হওয়ার শর্তাবলি

ড: মুহাম্মাদ মর্তুজা বিন আয়েশ মুহাম্মাদ
৫৬৩

ইসলামে ‘তাকওয়া’র স্বরূপ ও সমাজ জীবনে এর প্রভাব

ড. মোঃ ছানাউল্লাহ
৫৬৪

ইসলামের প্রাথমিক শিক্ষা

অনুবাদ ও গবেষণা বিভাগ, জুবাইল দাওয়া এন্ড গাইডেন্স সেন্টার
৫৬৫

এক ব্যক্তির ঘটনা এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভাবনা

আলী হাসান তৈয়ব
৫৬৬

একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইলম অর্জন করা

হুসামুদ্দীন সালীম কিলানী
৫৬৭

কল্যাণ ও তাকওয়ার ক্ষেত্রে পরস্পরে সহযোগিতা করা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৬৮

কল্যাণকর কাজে প্রতিযোগিতার গুরুত্ব ও তাৎপর্য

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৬৯

কিতাবুল ইলম

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৫৭০

গুনাহের দরজা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৭১

চিন্তা ও উৎকন্ঠার ইসলামি এলাজ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৫৭২

চিন্তা ও কর্মে বাস্তবতার অনুশীলন

সানাউল্লাহ বিন নজির আহমদ
৫৭৩

তাকওয়া

আমির জামান, নাজমা জামান
৫৭৪

তাকওয়ার উপকারিতা

মুহাম্মদ ইব্‌ন সালেহ আল-উসাইমীন
৫৭৫

তাক্বওয়া অর্জনের উপায়

মোহাম্মদ ইমাম হোসাইন কামরুল
৫৭৬

তিনটি মতবাদ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৫৭৭

নবী-রাসূলগণের ঘটনায় রয়েছে শিক্ষা

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
৫৭৮

নয়টি প্রশ্নের উত্তর

মুহাম্মাদ নাছেরুদ্দীন আলবানী (রহঃ)
৫৭৯

পাপ আকার-প্রকৃতি, প্রভাব ও প্রতিকার

গবেষণা পরিষদ, আল-মুনতাদা আল-ইসলামী কেন্দ্রীয় কার্যালয়
৫৮০

প্রকাশ্য, অপ্রকাশ্য কাজ ও কথায় নিয়্যত করা এবং ইখলাছ অবলম্বন করা

আবু যাকারিয়া মুহিউদ্দীন ইয়াহইয়া বিন শরফ আন-নববী রহ.
৫৮১

প্রশংসনীয় গবেষণা

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৫৮২

প্রাচ্যবিদ্যা পরিভাষা বিশ্লেষণ

ফয়সাল বিন খালেদ
৫৮৩

প্রিয় নবীর সান্নিধ্যে চল্লিশ আসর

আদেল বিন আলী আশ-শিদ্দী
৫৮৪

বাংলাদেশে ইসলামি শিক্ষানীতির রূপরেখা

আবদুস শহীদ নাসিম
৫৮৫

বিপদে ধৈর্যধারণ দশটি উপদেশ

সানাউল্লাহ বিন নজির আহমদ
৫৮৬

মজলিসের সৌরভ

তুরকী ইবন ইবরাহীম আল-খানীযান
৫৮৭

মুরাকাবা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৫৮৮

মুসলিম উম্মাহর সংশোধনের গুরুত্ব ও পদ্ধতি

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
৫৮৯

মুহাসাবা বা আত্মপর্যালোচনা প্রয়োজন ও পদ্ধতি

শাইখ মুহাম্মাদ তাকী উসমানী
৫৯০

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শিক্ষাক্রম ও বর্তমান শিক্ষাক্রমের একটি তুলনামূলক পর্যালোচনা

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৫৯১

শয়তান থেকে বাঁচার কৌশল

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৫৯২

শরয়ী ইলম সংক্রান্ত কিছু জরূরী জ্ঞাতব্য বিষয়

আবু আব্দিল ইলাহ্ ছালেহ্ বিন মুক্ববিল আল্ উছায়মী আত্ তামীমী
৫৯৩

শিক্ষা সাহিত্য ও সংস্কৃতি

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম (রহ)
৫৯৪

সৎব্যক্তিদের আসরসমূহ থেকে চার আসর

শাইখ আহমদ আর-রুমী আল-হানাফী রহ.
৫৯৫

সবর কী ও কেন

আলী হাসান তৈয়ব
৫৯৬

সাধারণ ও ইসলামী শিক্ষা কী এবং কেন

আলী হাসান তৈয়ব
৫৯৭

সারা বিশ্বের মুসলিমদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় পাঠ সমূহ

শাইখ আব্দুল্লাহ বিন বায (রহ.)
৫৯৮

আন্তঃধর্মীয় সংলাপ ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৫৯৯

আহমদ দীদাত রচনাবলি - ফজলে রাব্বী ও মুহাম্মদ গোলাম মোস্তাফা

আহমদ দীদাত
৬০০

ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের ২০টি বিভ্রান্তিকর প্রশ্নের জবাব

ডাঃ জাকির নায়েক
৬০১

ইসলামের উপর ৪০টি অভিযোগ এবং তার প্রমাণ ভিত্তিক জবাব

ডা. জাকির নায়েক
৬০২

ইসলামের কিছু আলোচিত বিষয়ে অগ্রহণযোগ্য বিভ্রান্তি

শাইখ সালেহ ইবন আবদুল্লাহ আল-হুমাইদ
৬০৩

ইসলামের সমালোচনা ও তার জবাব

ড. সাঈদ ইসমাঈল চীনী
৬০৪

ঈসা মসীহ ইসলামের এক নবী চার্চের বিকৃতির এক ঐতিহাসিক আলেখ্য

মুহাম্মাদ আতাউর- রহীম
৬০৫

কিতাবুল মোকাদ্দস, ইঞ্জিল শরীফ ও ঈসায়ী ধর্ম

ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর
৬০৬

কুরআন ও সুন্নাহের ওপর আরোপিত বিভিন্ন প্রশ্নের জাওয়াব

শাইখ: আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায রহ., শাইখ: মুহাম্মাদ বিন সালেহ বিন উসাইমীন রহ., শাইখ: আব্দুর রায্‌যাক আফীফি রহ., শাইখ: আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল-জাবরীন রহ., শাইখ: সালেহ বিন ফাওযান আল-ফাওযান
৬০৭

খ্রিস্টান বানানোর অপকৌশল থেকে সাবধান

ইলমী গবেষণা ও ফাতাওয়া বিষয়ক স্থায়ী কমিটি
৬০৮

ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৬০৯

বাংলাদেশে নাস্তিক্যবাদী অপতৎপরতা প্রতিরোধের উপায়

আলী হাসান তৈয়ব
৬১০

যিশু কি সত্যিই ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন

ডা. জাকির নায়েক
৬১১

সংক্ষিপ্ত ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব

সাইয়্যেদ মাহমূদ শুকরী আলূসী
৬১২

সংক্ষেপিত ইযহারুল হক্ক

ড. মুহাম্মাদ আহমদ আব্দুল কাদির মালকাবী
৬১৩

আল আকসা মসজিদের ইতিকথা

এ. এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
৬১৪

আলোচিত রাত-দিন

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৬১৫

একজন ইমামের দায়-দায়িত্ব

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৬১৬

কুরআন ও সুন্নাহ’র আলোকে আযান ও ইকামত

সাঈদ ইবন আলী ইবন ওহাফ আল-কাহতানী
৬১৭

কুরআন ও সুন্নাহের আলোকে মসজিদের ফযিলত, বিধি-বিধান ও আদাব

ড. সাঈদ বিন আলী বিন ওহাফ আল-কাহতানী
৬১৮

জুমু‘আ ফযীলত ও বিধি-বিধান

শাইখ আবদুল আযীয ইবন আহমাদ আল-উমাইর
৬১৯

জুমু‘আর দিনের বিধান

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৬২০

নাবালক ছেলের ইমামতের বিধান

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬২১

মসজিদে গমন শিষ্টাচার ও প্রভাব

সালেহ ইবন হামেদ আর-রিফা‘ঈ
৬২২

মসজিদে নববী শরীফের যিয়ারত ও যিয়ারতকারীর জন্য কতিপয় সতর্কতা ও নির্দেশনা

ড. আব্দুল্লাহ ইবন নাজী আল-মাখলাফী
৬২৩

মসজিদের ইমামদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান

আব্দুল আযীয ইবন মুহাম্মদ ইবন আব্দুল্লাহ আস-সাদহান
৬২৪

জিহাদ ও ক্বিতাল

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৬২৫

দাওয়াত ও জিহাদ

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৬২৬

মুজাহাদা মুমিন জীবনের দিশারী

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৬২৭

ইসলামের দৃষ্টিতে আন্তধর্ম বিয়ে

আলী হাসান তৈয়ব
৬২৮

বিয়ে করণীয় ও বর্জনীয়

আলী হাসান তৈয়ব
৬২৯

বিয়ের প্রস্তাব করণীয় ও বর্জনীয়

আলী হাসান তৈয়ব
৬৩০

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বহুবিবাহ

শাইখ মুহাম্মদ আলী সাবুনী
৬৩১

স্ত্রী নির্বাচন

মফিজুল ইসলাম
৬৩২

হিল্লা বিয়ে

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬৩৩

অন্য-পথের-কন্যারা

Mrs. Carol. L. Anway M.S. Ed.
৬৩৪

অসহায় নারীদের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসুন

আলী হাসান তৈয়ব
৬৩৫

ইসলামে নারী বনাম ইয়াহূদী-খৃষ্টান ধর্মে নারী

ড. শরীফ আব্দুল আযীম
৬৩৬

ইসলামে নারীর অধিকার

আলী হাসান তৈয়ব
৬৩৭

ইসলামের পর্দা বিধান নিয়ে একটি লিখিত সংলাপ

আলী হাসান তৈয়ব
৬৩৮

কিতাবুন নিসা

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৬৩৯

কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে পর্দা

মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমিন রহ.
৬৪০

জান্নাতী রমণী

মুহাঃ আবদুল্লাহ্‌ আল কাফী
৬৪১

জান্নাতে নারীদের অবস্থা

আলী হাসান তৈয়ব
৬৪২

নারী ইসলামের পূর্বে ও পরে

মুতয়েব উমার আল-হারেসী
৬৪৩

নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ইসলামের ভূমিকা

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৬৪৪

নারী শিক্ষা সম্পর্কে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি

ড. মো. আব্দুল কাদের
৬৪৫

নারীদের যে বিষয়গুলো না জানলেই নয়

আমির জামান, নাজমা জামান
৬৪৬

নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলাম

শাইখ আব্দুর রাজ্জাক ইবন আব্দুল মুহসিন আল-বদর
৬৪৭

নারীর ইসলামী শিক্ষার ব্যবস্থাকরণ

আব্দুল্লাহ আল-মামুন
৬৪৮

নারীর জান্নাত যে পথে

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬৪৯

নারীর প্রাকৃতিক রক্তস্রাব

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৬৫০

পর্দা একটি ইবাদত

মাদারুল ওয়াত্বান, শিক্ষা বিভাগ
৬৫১

পর্দা কেন

শাইখ মুহাম্মদ ইবন আহমদ ইবন ইসমাঈল আল-মুকাদ্দিম
৬৫২

পর্দা জাতীয় উন্নতির পথে বাধা নয়

পর্দা জাতীয় উন্নতির পথে বাধা নয়
৬৫৩

পর্দা নারীর দুর্গ ও রক্ষাকারী ঢাল

চৌধুরী আবুল কালাম আজাদ
৬৫৪

পর্দাহীনতার পরিণতি

জাকেরুল্লাহ আবুল খায়ের
৬৫৫

ফেরারী নারী

আবু বকর সিরাজী
৬৫৬

মহিলাদের স্রাব ও প্রসূতি অবস্থার বিধিবিধান সংক্রান্ত ৬০টি প্রশ্ন

আল্লামা শাইখ মুহাম্মাদ ইব্‌ন সালেহ্‌ আল-উসাইমীন
৬৫৭

মুক্তবাসিনী-২

আবু বকর সিরাজী
৬৫৮

মুখমণ্ডল ঢাকা কি হিজাবের অংশ নয়

আলী হাসান তৈয়ব
৬৫৯

মুমিন নারীদের বিশেষ বিধান

ড. সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান
৬৬০

মুসলিম নারী এবং সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য

অধ্যাপক ড. ফালেহ ইবন মুহাম্মাদ আস-সুগাইর
৬৬১

মুসলিম নারীর অধিকার ও দায়িত্ব ইসলামের ইশতিহার ও সনদ

ফায়সাল বিন খালেদ
৬৬২

মুসলিম নারীর অবশ্য পালনীয় কতিপয় আমল

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৬৬৩

শরঈ পর্দা বলতে কী বুঝায়

আলী হাসান তৈয়ব
৬৬৪

সম্পদে নারীর উত্তরাধিকার ইসলামই দিয়েছে প্রাপ্তির নিশ্চয়তা

মুহাম্মাদ আফীফ ফুরকান
৬৬৫

সৌন্দর্য প্রদর্শন ও বেপর্দা প্রসঙ্গে মুমিন নারীদের জন্য কতিপয় নির্দেশনা

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন
৬৬৬

একজন সফল গার্ডিয়ানের গুণাবলি

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৬৬৭

একজন সফল শিক্ষকের গুণাবলি

মুহাম্মাদ শামসুল হক সিদ্দিক
৬৬৮

কীভাবে আমরা সন্তানদের লালন-পালন করব

আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান
৬৬৯

ক্যারিয়ার বিকশিত জীবনের দ্বার

আইসিএস পাবলিকেশন
৬৭০

ভালো ছাত্র হওয়ার উপায়

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৬৭১

মোরা বড় হতে চাই

আহসান হাবীব ইমরোজ
৬৭২

যেভাবে একজন হাজী তার সন্তানদের উপদেশ দেবে

নু‘মান আবুল বাশার
৬৭৩

শিশুদের লালন-পালন [মাতা-পিতার দায়িত্ব ও সন্তানের করণীয়]

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন জামীল যাইনূ রহ.
৬৭৪

সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানের ক্ষেত্রে করণীয়

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬৭৫

সন্তান প্রতিপালনে ইসলামের প্রেরণা

আলী হাসান তৈয়ব
৬৭৬

সন্তানের হক

হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল
৬৭৭

সফলতা আপনাকে হাতছানি দিয়ে ডাকবে

আলী হাসান তৈয়ব
৬৭৮

সফলতার পথ-পথান্তর

ড. তাওফিক আলি যবাদি
৬৭৯

আকীদা ও ফিক্হ [ ১ম শ্রেণী ]

অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসাইন মোল্লা, ড. মো. আনোয়ারুল কবীর, অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম, ড. মো. মানজূরে ইলাহী, অধ্যাপক মো. নূরুল্লাহ
৬৮০

আকীদা ও ফিক্হ [ ২য় শ্রেণী ]

অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসাইন মোল্লা, ড. মো. আনোয়ারুল কবীর, অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম, ড. মো. মানজূরে ইলাহী, অধ্যাপক মো. নূরুল্লাহ
৬৮১

আকীদা ও ফিক্হ [ ৩য় শ্রেণী ]

অধ্যক্ষ মো. আনোয়ার হোসাইন মোল্লা, ড. মো. আনোয়ারুল কবীর, অধ্যাপক মো. নূরুল ইসলাম, ড. মো. মানজূরে ইলাহী, অধ্যাপক মো. নূরুল্লাহ
৬৮২

গল্পে আঁকা ইতিহাস ১ -আঁধার রাতের বন্ধু

আলী তানতাভী
৬৮৩

গল্পে আঁকা ইতিহাস ২ -অপরাধী ও পুলিশ

আলী তানতাভী
৬৮৪

গল্পে আঁকা ইতিহাস ৪ -দুই ভাইয়ের গল্প

আলী তানতাভী
৬৮৫

গল্পে আঁকা ইতিহাস ৫ -দুই সওদাগরের কাহিনী

আলী তানতাভী
৬৮৬

গল্পে আঁকা ইতিহাস ৬ -আঙুর ও মন্ত্রীত্ব

আলী তানতাভী
৬৮৭

গল্পে আঁকা ইতিহাস ৭ -মন্ত্রীর ছেলে

আলী তানতাভী
৬৮৮

ছোটদের আকীদাহ ও আখলাক

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৬৮৯

শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মাতৃদুগ্ধদানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য

ড. হুসাইন আহমাদ
৬৯০

শিশু সাহিত্যসাধনায় মুসলমান

মিরাজ রহমান
৬৯১

শিশুদের তাওহীদ শিক্ষা

ড. আব্দুল আজীজ বিন মুহাম্মদ আল আব্দুল লতীফ
৬৯২

শিশুদের প্রতি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভালোবাসা

মনির হোসেন হেলালী
৬৯৩

শিশুর নাম নির্বাচন ইসলামী দৃষ্টিকোণ

মুহাম্মাদ নুরুল্লাহ তারীফ
৬৯৪

শিশুর নৈতিকতা গঠনে পারিবারিক শিক্ষা ও পর্দা অনুশীলনের গুরুত্ব

ড. মোঃ আবদুল কাদের
৬৯৫

সোনামনিদের হাদীস শিক্ষা আসর-১

আলী হাসান তৈয়ব
৬৯৬

হে আমার মেয়ে

আলী আত-তানতাওয়ী আল-মিসরী
৬৯৭

আয়াতে তাতহীর ও হাদিসে কিসার অর্থ

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৬৯৮

কতিপয় প্রশ্ন যা শী‘আ যুবকদের সত্যের দিকে ধাবিত করেছে

সুলাইমান ইবন সালেহ আল-খারাশি
৬৯৯

কাদিয়ানী মতবাদ (পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ)

এহসান ইলাহী জহীর
৭০০

কাদিয়ানীরা নিন্দনীয় কেন

ড. রফী‘ উওনলা বাসীরী ইজীবুঈ
৭০১

দ্বাদশ-ইমামী শী‘আ ধর্মের মূলনীতিসমূহের সুস্পষ্ট রূপরেখা

মুহিব্বুদ্দীন আল-খতিব
৭০২

নুসাইরিয়া সম্প্রদায়

ড. গালেব ইব্‌ন আলি আওয়াজি
৭০৩

প্রত্যেক শীয়ার প্রতি আমার নসিহত

শায়খ আবু বকর জাবের আল-জাযায়েরি
৭০৪

বারো ইমামের অনুসারী শিয়াদের দৃষ্টিতে চার ইমাম (আবু হানিফা, মালেক, শাফে‘ঈ ও আহমাদ)

শাইখ খালেদ ইবন আহমাদ আয-যাহরানী
৭০৫

শিয়া আকিদার অসারতা

শাইখ মুহাম্মদ আবদুস সাত্তার আত-তুনসাবী
৭০৬

শিয়া আলেম ও অধিকাংশ মুসলিম আলেমের মধ্যে বিরোধের বাস্তব চিত্র

সা‘ঈদ ইসমাঈল
৭০৭

শিয়া ও মসজিদে আকসা

তারেক আহমদ হিজাযী
৭০৮

শিয়াদের আকীদা-বিশ্বাস

আব্দুল্লাহ বিন মুহাম্মদ আস সালাফী
৭০৯

শী‘আ মতবাদের বিস্তৃতি

আব্দুল্লাহ আল-মাত্বরাফী
৭১০

সূফীবাদ কুরআন ও সুন্নাহ-এর মানদণ্ডে

মুহাম্মাদ জামীল যাইনূ
৭১১

সূফীবাদ

আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
৭১২

হিযবুল্লাহ সম্পর্কে কী জানেন

আলী আস-সাদিক
৭১৩

হুতী শিয়াদের আসল চেহারা

প্রফেসর ডক্টর সুলাইমান বিন সালিহ আল গুসন
৭১৪

অন্তর বিধ্বংসী বিষয় আসক্তি

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৫

অন্তর বিধ্বংসী বিষয় দুনিয়ার মহব্বত

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৬

অন্তর বিধ্বংসী বিষয় প্রবৃত্তির অনুসরণ

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৭

অন্তর বিধ্বংসী বিষয়সমূহ অহংকার

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৮

অন্তর-বিধ্বংসী বিষয়সমূহ ঝগড়া-বিবাদ

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭১৯

অন্তর-বিধ্বংসী বিষয়সমূহ নিফাক

মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ
৭২০

অমুসলিম সংখ্যালঘুদের প্রতি ইসলামের উদারতা

আলী হাসান তৈয়ব
৭২১

আমরা কাদের সাথে বন্ধুত্ব করব

শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৭২২

আমার দেখা বৃটেন

ড. আব্দুল্লাহ খাতের রহ.
৭২৩

আল-গিরাস চিন্তার উন্মেষ ও কর্মবিকাশের অনুশীলন (১ম খন্ড)

তাওফীক বিন খলফ বিন আবদুল্লাহ বিন আল-রেফায়ী
৭২৪

আলেমগণের মধ্যে মতভেদ কারণ এবং আমাদের অবস্থান

আল্লামা শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ্ আল-উসাইমীন
৭২৫

আল্লাহর (দ্বীনকে) রক্ষা কর, তিনি তোমাকে রক্ষা করবেন

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৭২৬

আশুরাকে ঘিরে ইসলামী আদর্শ ও জাহিলি কীর্তিকলাপ

আব্দুল আযীয ইবন মারযুক তারিফী
৭২৭

ইনসানে কামেল

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৭২৮

ইন্টারনেট দীন প্রচারের বিশ্বমঞ্চ

আলী হাসান তৈয়ব
৭২৯

ইবনুল কাইয়্যেম রহ.-এর আল-ফাওয়ায়েদ অবলম্বনে মুখতাসারুল ফাওয়ায়েদ

ড. আহমাদ ইবন উসমান আল-মাযইয়াদ
৭৩০

ইবনুল কাইয়্যেম রহ.-এর কিতাবুর রূহ অবলম্বনে রূহ সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত মাসআলাসমূহ

সুলাইমান ইবন সালিহ আল-খারাশী
৭৩১

ইবাদত-বন্দেগীতে মধ্যপন্থা অবলম্বন

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৩২

ইসলাম একমাত্র পরিপূর্ণ দীন

মুহাম্মাদ আল-আমীন ইবন মুহাম্মাদ আল-মুখতার আশ্‌-শানকীতী
৭৩৩

ইসলাম ও বাস্তবতার আলোকে আরব জাতীয়তাবাদ

শাইখ আব্দুল আযীয ইব্‌ন আব্দিল্লাহ্ ইব্‌ন বায -রাহেমাহুল্লাহ্-
৭৩৪

ইসলাম ও সার্বজনীন মানবাধিকার

শায়খ লিয়াকত আলী আব্দুস সবুর
৭৩৫

ইসলাম বাস্তববাদী জীবনাদর্শ

শায়খ লিয়াকত আলী আব্দুস সবুর
৭৩৬

ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলা নববর্ষ উদযাপন মুসলিমদের করণীয়

ইঞ্জিনিয়ার মো: এনামুল হক
৭৩৭

ইসলামী মিডিয়ার উৎস, মূলনীতি ও ভিত্তিসমূহ

ড. মো: আব্দুল কাদের
৭৩৮

ইসলামী সভ্যতা ও সংস্কৃতি

আবুল কালাম আযাদ আনোয়ার ও আখতারুজ্জামান মুহাম্মদ সুলাইমান
৭৩৯

ইসলামী সমাজে মজুরের অধিকার

মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম
৭৪০

ইসলামে ইবাদত ভাব ও তাৎপর্য

ইকবাল হোছাইন মাছুম
৭৪১

ইসলামে ইবাদাত

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৭৪২

ইসলামে জিযয়াহ্‌র বিধান

ড. মুনকিয বিন মাহমুদ আস-সাক্কার
৭৪৩

ইসলামে দাস বিধি

আবদুল্লাহ নাসেহ ‘উলওয়ান
৭৪৪

ইসলামে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) এর বিধান

মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
৭৪৫

ইসলামে শ্রমিকের অধিকার

আলী হাসান তৈয়ব
৭৪৬

ইসলামে সার্বভৌমত্বের স্বরূপ

ড. মোঃ আব্দুল কাদের
৭৪৭

ইসলামের দৃষ্টিতে বিশ্ব ভালবাসা দিবস

আ.স.ম শোয়াইব আহমাদ (পিএইচ.ডি)
৭৪৮

উৎসাহ উদ্দিপনা মূলক গল্প

QuranerAlo Desk
৭৪৯

একগুচ্ছ মুক্তাদানা দ্বীনে ইসলামীর সৌন্দর্য

শাইখ আবদুর রহমান ইবন নাসের ইবন সা‘দী রহ.
৭৫০

এপ্রিলের মিথ্যাচার

মুহাম্মদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৭৫১

কি ঘটেছিল কারবালায় কারা হুসাইন রাদিয়াল্লাহ আনহুকে হত্যা করেছে

আব্দুল্লাহ শাহেদ আল-মাদানী
৭৫২

কীভাবে করবো বর্ষবরণ

খালেদ ইবন হুসাইন ইবন আবদুর রহমান
৭৫৩

কুরআন ও সুন্নার আলোকে এইচআইভি এইডস প্রতিরোধে তরুণদের করণীয়

ড. মোহাম্মাদ মানজুরে ইলাহী
৭৫৪

কুরআন ও সুন্নাহর দৃষ্টিকোণে স্বপ্ন ও তার ব্যাখ্যা

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৫৫

কুরআন ও হাদীসের আলোকে শাফা‘আত

মুহাম্মাদ নাজমুল ইসলাম
৭৫৬

কেউ কারও দাস নয়, সবাই আল্লাহর দাস

আলী হাসান তৈয়ব
৭৫৭

খেলাধুলা ও শরীরচর্চায় ইসলামী মূলনীতি

আলী হাসান তৈয়ব
৭৫৮

গল্পের মাধ্যমে জ্ঞান

হাদীছ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ
৭৫৯

গুহাতে আশ্রয় গ্রহণকারী তিন ব্যক্তির গল্প

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৭৬০

জীবন দর্শন

প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব
৭৬১

দাড়ি রাখা ওয়াজিব

এ.কিউ.এম মাসূম মজুমদার
৭৬২

দীনী কাজ সহজিকরণে কম্পিউটার

আলী হাসান তৈয়ব
৭৬৩

দীনের ওপর অবিচল থাকার উপায়

শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৭৬৪

দুর্নীতি রোধে কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা ইসলামী দৃষ্টিকোণ

ড. মো. আকতার হোসেন
৭৬৫

নবুওয়তের দাবীদারদের উৎপত্তি ও ঐতিহাসিক পরিণতি

ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
৭৬৬

নাজাফ সম্মেলন

সাইয়েদ আব্দুল্লাহ আস-সুওয়াইদী
৭৬৭

নিয়ত অনুসারে পরিণতি

সিরাজুল ইসলাম আলী আকবর
৭৬৮

নিয়ত একটি তাত্ত্বিক পর্যালোচনা

মু. সাইফুল ইসলাম
৭৬৯

পবিত্র মদীনা মুনাওওয়ারার নাম, ফযিলত ও এখানে অবস্থানের আদবসমূহ

ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
৭৭০

পরিবেশ বিপর্যয় রোধে ইসলাম

মাওলাই মোস্তাফা বারজাওয়ী
৭৭১

পশ্চিমা সংস্কৃতির কুপ্রভাব

আলী হাসান তৈয়ব
৭৭২

প্রকৃতি ও শরীয়ত স্বীকৃত অধিকার

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল উসাইমিন রহ.
৭৭৩

প্রতিপক্ষের মতামত খন্ডনে ইসলামি শিষ্টাচার

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৭৪

ফিদাক নিয়ে ফাতিমা ও আবূ বকরের মাঝে বিরোধের হাকীকত

সানাউল্লাহ নজির আহমদ
৭৭৫

ফেসবুক হোক দাওয়াতের বাতায়ন

আলী হাসান তৈয়ব
৭৭৬

বন্ধুত্ব ও শত্রুতা ইসলামী দৃষ্টিকোণে

কামাল উদ্দিন মোল্লা
৭৭৭

বর্ষাকালের বিবিধ বিধান

আলী হাসান তৈয়ব
৭৭৮

বাংলাদেশের মাতৃভাষা আন্দোলনের উদ্দেশ্য ও ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি

মুহাম্মাদ শাহিদুল ইসলাম
৭৭৯

বিশ্ব বাবা দিবস ইসলামী দৃষ্টিকোণ

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৮০

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস পেছন ফিরে দেখা

আলী হাসান তৈয়ব
৭৮১

বিশ্ব মা দিবস শরয়ী দৃষ্টিভঙ্গি

আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
৭৮২

বেলা ফুরাবার আগে

আবু বকর সিরাজী
৭৮৩

বৈধ অবৈধের মানদণ্ডে পবিত্র মক্কার বিভিন্ন স্থানসমূহের সম্মাননা

শাইখ সা‘দ ইবন আলী আশ-শাহরানী
৭৮৪

মদিনা শরিফের ফজিলত জিয়ারত ও অবস্থানকালীন আদব

আব্দুল মুহসিন বিন হামাদ আল আববাদ আল বদর
৭৮৫

মদীনাতুন্নবীর যিয়ারত

আখতারুজ্জামান
৭৮৬

মানব ও সমাজসেবায় ইসলামের প্রেরণা

আলী হাসান তৈয়ব
৭৮৭

মানব সম্পদ উন্নয়নে ইসলাম

ড. হুসাইন আহমাদ
৭৮৮

মুসলমানদের পতনে বিশ্ব কী হারালো?

সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী (র.)
৭৮৯

মুসলিম উম্মাহর মানসিক বিপর্যয়ঃ কারণ ও প্রতিকার

ড. আব্দুল্লাহ আল-খাতির
৭৯০

মুসলিম জাতির বিপর্যয়ের কারণ

জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের
৭৯১

মুসলিমের হক

আলী হাসান তৈয়ব
৭৯২

মুহররম ও আশুরার ফযীলত

মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-মুনাজ্জিদ
৭৯৩

যখন চাইবে আল্লাহর কাছেই চাইবে

ইকবাল হোছাইন মাছুম
৭৯৪

যিয়ারতে মসজিদে নববী

মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
৭৯৫

রাফ‘উল মালাম সম্মানিত ঈমামগণের সমালোচনার জবাব

শাইখুল ইসলাম আহমাদ ইবন আবদুল হালীম ইবন তাইমিয়্যাহ
৭৯৬

শয়তানের প্রবেশপথ

নুমান বিন আবুল বাশার
৭৯৭

শরীয়তের মানদন্ডে রজব মাসের ফজিলত

ফায়সাল বিন আলী আল-বাদানী
৭৯৮

সৎ মানুষের হৃদয়ে শয়তান প্রবেশের ধরণ ও প্রকৃতি

ডক্টর আব্দুল্লাহ আল-খাতির
৭৯৯

সমুদ্র নি‘আমতের অফুরান ভাণ্ডার

আলী হাসান তৈয়ব
৮০০

স্বনির্ভরতা অর্জনে ইসলাম একটি পর্যালোচনা

ড. হুসাইন আহমাদ
৮০১

হারাম শরীফের দেশ ফজিলত ও আহকাম

দা‘ওয়াহ ও উসূলুদ্দীন ফ্যাকাল্টি, উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়

সূরা আল-ফাতিহা-এর তাফসীর

লেখকঃ শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব রহ. পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১০

পরিচ্ছেদঃ ১

কিতাবের নাম/ লেখক/ অনুবাদক/ সম্পাদক

সূরা আল-ফাতিহা-এর তাফসীর

শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব রহ.

অনুবাদ: মুহাম্মাদ রকীবুদ্দীন হুসাইন

সম্পাদনা: ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া
পরিচ্ছেদঃ ২

কভার পেইজ থেকে

সূরা আল-ফাতিহা মূলতঃ একটি প্রার্থনা বিশেষ, যা আল্লাহ তা‘আলা মানুষকে শিক্ষা দিয়েছেন। অবশিষ্ট কুরআন হলো তাঁর পক্ষ থেকে এর জবাব, যার মধ্যে মানবকুলের জন্য সহজ-সরল ও সঠিক জীবন-পথের পুর্ণাঙ্গ ও বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব রহ. কর্তৃক রচিত সূরা আল-ফাতিহা-এর এ তাফসীরখানা অতি সংক্ষিপ্ত হলেও তিনি এর মধ্যে আল্লাহর সাথে বান্দার মোনাজাত ও ইবাদাতে তাওহীদ -এ দু’টি বিষয় অত্যন্ত চমৎকার ও যুক্তিপূর্ণভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন।
পরিচ্ছেদঃ ৩

অনুবাদকের কথা

আল্লাহ তা‘আলার কালাম কুরআন মাজীদের প্রথম ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এক অংশ হলো এ সূরা আল-ফাতিহা। এ সূরা সমগ্র কুরআন মাজীদের সার-সংক্ষেপ। পূর্ণাঙ্গ সূরা রূপে এটিই প্রথম নাযিল হয় এবং কুরআন মাজীদের প্রথমেই এর স্থান নির্ধারণ করা হয়। এজন্য এর নাম সূরা আল-ফাতিহা (প্রারম্ভিক সূরা) রাখা হয়েছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: (যার হাতে আমার জীবন-মরণ, আমি তাঁর শপথ করে বলছি, সূরা আল-ফাতিহা-এর দৃষ্টান্ত তাওরাত, যাবুর, ইঞ্জিল প্রভৃতি কোনো আসমানী কিতাবে তো নেই, এমনকি পবিত্র কুরআনেও এর দ্বিতীয় নেই)। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন: (সূরা আল-ফাতিহা সব রোগের ঔষধ বিশেষ।) অপর আরেকটি হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “যে ব্যক্তি সূরা আল-ফাতিহা পড়ে না তার সালাত হয় না।” [সহীহ বুখারী ও মুসলিম।]

সূরা আল-ফাতিহা মূলত একটি প্রার্থনা বিশেষ, যা আল্লাহ তা‘আলা মানুষকে শিক্ষা দিয়েছেন। অবশিষ্ট কুরআন হলো তাঁর পক্ষ থেকে এর জবাব, যার মধ্যে মানবকুলের জন্য সহজ-সরল ও সঠিক জীবন-পথের পুর্ণাঙ্গ ও বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।

শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব রহ. কর্তৃক রচিত সূরা আল-ফাতিহা-এর এ তাফসীরখানা অতি সংক্ষিপ্ত হলেও তিনি এর মধ্যে আল্লাহর সাথে বান্দার মোনাজাত ও ইবাদাতে তাওহীদ -এ দু’টি বিষয় অত্যন্ত চমৎকার ও যুক্তিপূর্ণভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন। পরবর্তীকালে রচিত তাফসীরগুলোতে সাধারণত: বিষয় দুটো এমন গুরুত্বসহকারে বর্ণনা করা হয় নি। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও বাংলা ভাষী ভাই-বোনদের প্রতি দায়িত্ব পালনের তাগিদে বাংলা ভাষায় সূরা আল-ফাতিহা-এর এ তাফসীরখানা অনুবাদ করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি। যারা আরবী ভাষায় অজ্ঞ বা অদক্ষ তারা যাতে কমপক্ষে ১৭ বার দৈনিক সালাতে পঠিতব্য এ সূরাটি স্থিরচিত্তে পড়েন এবং কী বিষয়ে আল্লাহর সাথে মোনাজাত করছেন তার মর্মার্থ অনুধাবনের চেষ্টা করেন। আল্লাহ তা‘আলার দরবারে ভুল-ত্রুটির ক্ষমা চাই এবং তাঁর পবিত্র কালাম সম্পর্কিত এ খেদমতটুকু কবুল করার প্রার্থনা জানাই।

উল্লেখ্য, আমি এ অনুবাদের কাজে রিয়াদস্থ টিচার্স ট্রেনিং কলেজের কুরআন শিক্ষা বিভাগের প্রধান ড. ফাহদ ইবন আব্দুর রহমান ইবন সুলায়মান আল-রুমী কর্তৃক প্রতিপাদিত ‘তাফসীরে ফাতিহা-এর কপিটি অনুসরণ করেছি।

আল্লাহ তা‘আলাই আমাদের তাওফীক দাতা।

অনুবাদক
পরিচ্ছেদঃ ৪

এক নজরে শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহ্হাব তামীমী রহ.

শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব রহ. হিজরী দ্বাদশ শতাব্দীর এক অন্যতম ধর্ম সস্কারক ছিলেন। তিনি ১১১৫ হিজরী মোতাবেক ১৭০৩ খৃষ্টাব্দে সউদী আরবের নাজদ এলাকায় আল-‘উয়াইনা নামক শহরে এক ধর্মপ্রাণ ও সম্মানিত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। আল ‘উয়াইনা শহরটি সউদী আরবের বর্তমান রাজধানী রিয়াদের প্রায় ৭০ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত।

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহ্হাবের পিতা ছিলেন আল-‘উয়াইনার একজন বিচারপতি। বংশগত দিক দিয়ে তিনি ছিলেন প্রসিদ্ধ তামীম গোত্রীয়। হাম্বালী মাযহাবের তৎকালীন একজন খ্যাতনামা আলেম হিসেবেও তিনি সুপরিচিত ছিলেন।

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব রহ. বার বৎসর বয়সে পদার্পন করার আগেই পবিত্র কুরআন মাজীদ হিফয করেন। এরপর তার পিতাসহ স্থানীয় উলামাদের কাছে ফিকহ, তাফসীর ও হাদীস শাস্ত্রের অধ্যয়ন শুরু করেন। তারপর তিনি আরো অধিক বিদ্যার্জনের উদ্দেশ্যে সফরে বের হন। প্রথমে হজ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কা মুকাররামা গমন করেন। সেখানে থেকে মদীনা মুনাওয়ারা যিয়ারতে যান এবং সেখানকার আলেমগণের নিকট থেকে জ্ঞানার্জন করেন। মদীনায় থাকাকালীন তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কবর ও বাকী‘য়ে গারকাদ (বাকী গোরস্থান)-কে কেন্দ্র করে কিছু লোকের বিদ‘আত ও অবৈধ ক্রিয়া-কর্মের প্রতি তার তীব্র ক্ষোভ ব্যক্ত করেন এবং তাদের এ জাতীয় কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য নসীহত করেন। অতঃপর তিনি স্বীয় এলাকা নাজদে প্রত্যাবর্তন করেন। কিছু দিন পর তিনি বসরা সফরে বের হন। সেখানে বিদ‘আত ও কুসংস্কার যা দেখতে পেলেন তা ছিল মদীনা মুনাওয়ারায় সংঘটিত কুসংস্কারের চেয়েও অধিক ও মারাত্মক। সেখানে ছিল সজ্জিত কবরসমূহ, কিছু লোক এগুলোর তাওয়াফ করত এবং বরকত লাভের উদ্দেশ্যে মাসেহ (স্পর্শ) করত। এতদ্ব্যতীত ছিল আরো অনেক বিদ‘আত ও কুসংস্কার, যা দেখে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত হন এবং সেখানকার লোকদের এ জাতীয় কাজ করতে নিষেধ করেন।

কিন্তু শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাবের বিদ‘আত বিরোধী এ ভূমিকা সেখানকার লোকেরা গ্রহণ করতে পারে নি। তারা তাকে বসরা থেকে বের করে দিল। শূন্যপদ, শূন্যহাত ও নগ্নমস্তকে অসহায় অবস্থায় গ্রীষ্মের প্রখর রোদের মাঝে তিনি বসরা থেকে বের হয়ে পড়েন। পথিমধ্যে পিপাসায় মৃত্যুমুখে পতিত হওয়ার উপক্রম হয়ে উঠেছিল। আল্লাহর রহমতে জুবায়র বাসীরা তাকে আশ্রয় দিয়ে মৃত্যুর কবল থেকে রক্ষা করে।

কথিত আছে যে, তিনি বসরা ত্যাগের পর সিরিয়া অভিমুখে যাওয়ার মনস্থ করেছিলেন; কিন্তু আর্থিক অসুবিধার জন্য সেদিকে না গিয়ে আল-আহসার পথে নাজদ প্রত্যাবর্তন করেন।

দেশে ফিরে শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব হারীমলা নামক শহরে পিতার সাথে অবস্থান শুরু করেন। ইতিঃপূর্বে তার পিতা আল-‘উয়াইনা থেকে হারীমলায় বদলি হয়ে যান। হিজরী ১১৫৩ সনে তার পিতা মারা যান। পিতার মৃত্যুর পর তিনি একাই দাওয়াত ও সংস্কারের কাজে সমূহ বাধা-বিপত্তি মোকাবেলা করতে থাকেন। এ সময়ে তিনি তাওহীদের ওপর বই লিখা শুরু করেন। বিভিন্ন দিক থেকে প্রবল বিরোধিতা সত্বেও তার সুনাম ও দাওয়াতের খবর চতুর্দিকে ছড়িয়ে পড়ে। অতঃপর হারীমলাবাসীরা তার দাওয়াত ও সংস্কারমূলক কাজে একমত হতে না পেরে তাকে সেখান থেকে বিতাড়িত করে দেয়। এক পর্যায়ে তাকে হত্যা করারও ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। কিন্তু আল্লাহ তা‘আলা তাকে রক্ষা করেন। এরপর তিনি আল- ‘উয়াইনায় উপস্থিত হন। সেখানকার শাসক তাকে স্বাগত জানান এবং তার প্রতি উপযুক্ত সম্মান প্রদর্শন করেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন সমাধির উপর তৈরি অনেক গম্বুজ ও নানাবিধ কুসংস্কারের কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করেন এবং খাঁটি তাওহীদের বার্তা লোক সমাজে প্রচার করতে থাকেন।

এখানেও শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব হিংসুক ও সংস্কার বিরোধী লোকদের ষড়যন্ত থেকে রেহাই পান নি। অবশেষে এখান থেকেও তাকে বিদায় নিতে হলো। অতঃপর তিনি রিয়াদের নিকবর্তী দার‘ইয়া নামক শহরে উপনীত হন। সেখানকার শাসক আমীর ‘মুহাম্মাদ ইবন সউদ’ তাকে স্বাগত জানান এবং দীনে হকের প্রচার এবং সুন্নাতে রাসূলকে জীবন্ত ও বিদ‘আত নির্মূল অভিযানে সব রকমের সাহায্য-সহায়তার নিশ্চয়তা প্রদান করেন।

এমনিভাবে দার‘ইয়া শহরকে কেন্দ্র করে শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব দীনের দাওয়াত পুনরোদ্দমে শুরু করেন। নিকটবর্তী ও দূরবর্তী এলাকার শাসক, গোত্রীয় প্রধান ও আলেমবর্গের প্রতি দাওয়াত ও সংস্কারের কাজে তার সাথে যোগ দেওয়ার জন্য পত্র লিখে আহ্বান জানান। ফলে অনেকেই তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে সংস্কার ও দাওয়াতের কাজে ঝাপিয়ে পড়ে।

এখানে উল্লেখ্য, দার‘ইয়া আগমনের পর আমীর ‘মুহাম্মাদ ইবন সউদ’ ও শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওহ্হাবের মধ্যে হিজরী ১১৫৭ সনে দাওয়াত ও সংস্কারের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সাহায্যের যে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তা ‘দার‘ইয়া চুক্তি’ নামে পরিচিত। প্রকৃতপক্ষে এ চুক্তিটি সংস্কারমূলক আন্দোলন এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় জাগরণে গোটা আরব উপদ্বীপ তথা আধুনিক মুসলিম বিশ্বে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ ছিল। নির্মল তাওহীদ ও শরী‘আতের বিধি-বিধানের দিকে প্রত্যাবর্তনের এ আহ্বান নাজদ এলাকায় এক ধর্মীয় পুনঃজাগরণের প্রবাহ সৃষ্টি করে। যথাযথভাবে সালাত প্রতিষ্ঠা হয়, বিদ‘আত, কুসংস্কার, শির্ক ও অবৈধ কর্মাদি বিলুপ্ত হয় এবং দিকে দিকে খাঁটি তাওহীদের বাণী ছড়িয়ে পড়ে।

শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব ইত্যবসরে ইবাদাত, তা‘লীম ও ওয়াজ নসীহতে মনোনিবেশ করেন এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বই-পুস্তক রচনা করেন। তন্মধ্যে তাওহীদ, ঈমান, ফাযাইলে ইসলাম, কাশফুশ শুবুহাত ও মাসাইলে জাহেলিয়া ছিল অন্যতম।

প্রকৃত তাওহীদের বার্তাবাহক, কুসংস্কারের বিরুদ্ধে দুর্জয় সেনা ও শরী‘আতের বিধি-বিধান বাস্তবায়নের আপোষহীন সংগ্রামী এ মহান ধর্মীয় নেতা শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল ওয়াহহাব রহ. ১২০৬ হিজরী সনে দার‘ইয়ায় ইন্তেকাল করেন। আল্লাহ তা‘আলা তার ওপর রহমত বর্ষণ করুন। আমীন।

بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَِّيمِ

প্রিয় পাঠক! (আল্লাহ তা‘আলা আপনাকে তাঁর আনুগত্যের পথে পরিচালিত করুন, আপনাকে তাঁর হিফাযতের আওতায় পরিবেষ্টিত রাখুন এবং দুনিয়া ও আখেরাতে তিনি আপনার অভিভাবকত্ব গ্রহণ করুন।) জেনে রাখুন, সালাতের প্রাণ অর্থাৎ মূল উদ্দেশ্যে হলো এর মধ্যে অন্তরকে আল্লাহ তা‘আলার প্রতি নিবিষ্ট রাখা। সুতরাং যদি কোনো সালাত উপস্থিত ও নিবিষ্ট অন্তর ব্যতিরেকে আদায় করা হয় তাহলে তা হবে প্রাণহীন দেহের মতো অসার। এর প্রমাণ আল্লাহ তা‘আলার বাণী:

﴿فَوَيۡلٞ لِّلۡمُصَلِّينَ ٤ ٱلَّذِينَ هُمۡ عَن صَلَاتِهِمۡ سَاهُونَ ٥﴾ [ الماعون : ٤، ٥ ]

‘‘সেই সব মুসল্লীদের জন্য ধ্বংস অনিবার্য, যারা তাদের সালাত সম্পর্কে উদাসীন।’’ [সূরা আল-মা‘উন, আয়াত: ৪-৫]

এখানে السهو (উদাসীনতা) এর ব্যাখ্যায় যারা বলা হয়; নির্ধারিত সময়ে সালাত আদায়ে উদাসীনতা, সালাতের মধ্যে পালনীয় ওয়াজিব সম্পর্কে উদাসীনতা এবং সালাতে আল্লাহর প্রতি অন্তর হাযির ও নিবিষ্টতা করতে উদাসীনতা। সহীহ মুসলিমে বর্ণিত একটি হাদীস উপরোক্ত ব্যাখ্যা প্রমাণ করে। উক্ত হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:

«تِلْكَ صَلَاةُ الْمُنَافِقِ، تِلْكَ صَلَاةُ الْمُنَافِقِ، تِلْكَ صَلَاةُ الْمُنَافِقِ، يَجْلِسُ يَرْقُبُ الشَّمْسَ حَتَّى إِذَا كَانَتْ بَيْنَ قَرْنَيِ الشَّيْطَانِ، قَامَ فَنَقَرَهَا أَرْبَعًا، لَا يَذْكُرُ اللهَ فِيهَا إِلَّا قَلِيلًا»

“এটা মুনাফিকের সালাত, এটা মুনাফিকের সালাত, এটা মুনাফিকের সালাত, সে সূর্যের দিকে চেয়ে থাকে, যখনই সূর্য অস্ত যাওয়ার সন্ধিক্ষণে শয়তানের শিংদ্বয়ের মধ্যবর্তী স্থানে পৌঁছে, তখন সে দাঁড়িয়ে তড়িঘড়ি করে চার রাকাত সালাত এমন ভাবে পড়ে নেয় যার মধ্যে সে আল্লাহর যিকির অল্পই করে থাকে” [. সহীহ মুসলিম (আল-মাসজিদ); আবু দাউদ (আস-সালাত); তিরমিযী (মাওয়াকীতে সালাত); নাসাঈ (মাওয়াকীতে সালাত) ও মুসনাদে আহমদ]

এখানে (সূর্যের দিকে চেয়ে থাকে) দ্বারা সময়ের অপচয়, (তড়িঘড়ি করে চার রাকাত সালাত পড়া) দ্বারা সালাতের রুকনগুলো সঠিকভাবে পালন না করা এবং (সে আল্লাহর যিকির অল্পই করে থকে) দ্বারা নিবিষ্ট ও স্থিরচিত্ত না হওয়ার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। একথা অনুধাবনের পর পাঠক মহোদয় সালাতের অন্তর্ভুক্ত এক বিশেষ রুকন ও ইবাদাত উপলব্ধি করার চেষ্টা করুন, আর তা হলো ‘সূরা আল-ফাতিহা’ পড়া, যাতে আল্লাহ তা‘আলা আপনার সালাত বহুগুণ সাওয়াব বিশিষ্ট পাপ মোচনকারী মকবুল সালাতের মধ্যে গণ্য করে নেন।

সূরা আল-ফাতিহা সঠিকভাবে অনুধাবনের পথ উন্মুক্ত করার এক সর্বোত্তম সহায়ক হলো সহীহ মুসলিমে সংকলিত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত একটি বিশুদ্ধ হাদীস। তিনি বলেন: আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, আল্লাহ তা‘আলা বলেন: (আমি সালাত (সূরা আল-ফাতিহা) আমার ও আমার বান্দাদের মধ্যে অর্ধেক অর্ধেক ভাগ করে নিয়েছি, আর আমার বান্দা যা চাইবে তা-ই তাকে দেওয়া হবে।) বান্দা যখন বলে:

﴿ٱلۡحَمۡدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ ٢﴾ [ الفاتحة : ٢ ]

“সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য।’’ [সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত: ২]

আল্লাহ তা‘আলা তখন বলেন: (আমার বান্দা আমার প্রশংসা করলো।)

যখন বান্দা বলে:

﴿ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ ٣﴾ [ الفاتحة : ٣ ]

‘‘পরম করুণাময় অতি দয়ালু।’’ [সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত: ৩]

তখন আল্লাহ বলেন: (আমার বান্দা আমার গুণগান করলো।)

যখন বান্দা বলে:

﴿مَٰلِكِ يَوۡمِ ٱلدِّينِ ٤﴾ [ الفاتحة : ٤ ]

‘‘প্রতিফল দিবসের মালিক।’’ [সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত: ৪]

তখন আল্লাহ বলেন: (আমার বান্দা আমার মর্যাদা বর্ণনা করলো।)

যখন বান্দা বলে:

﴿إِيَّاكَ نَعۡبُدُ وَإِيَّاكَ نَسۡتَعِينُ ٥﴾ [ الفاتحة : ٥ ]

‘‘আমরা তোমারই ইবাদাত করি এবং তোমারই কাছে সাহায্য চাই।’’ [সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত: ৫]

তখন আল্লাহ বলেন: (এটা আমার ও আমার বান্দার মধ্যে বিভক্ত এবং বান্দার জন্য তা-ই রয়েছে যা সে চাইবে।)

অতঃপর যখন বান্দা বলে:

﴿ٱهۡدِنَا ٱلصِّرَٰطَ ٱلۡمُسۡتَقِيمَ ٦ صِرَٰطَ ٱلَّذِينَ أَنۡعَمۡتَ عَلَيۡهِمۡ غَيۡرِ ٱلۡمَغۡضُوبِ عَلَيۡهِمۡ وَلَا ٱلضَّآلِّينَ ٧﴾ [ الفاتحة : ٦، ٧ ]

‘‘আমাদের সরল পথ দেখাও। তাদের পথ যাদের তুমি নি‘আমত দিয়েছ, তাদের পথ নয় যারা গযবপ্রাপ্ত এবং পথভ্রষ্ট।’’ [সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত: ৬-৭]

তখন আল্লাহ তা‘আলা বলেন: (এসব তো আমার বান্দার জন্য এবং আমার বান্দা যা চাইবে তার জন্য তা-ই রয়েছে।) [. সহীহ মুসলিম (আস-সালাত); আবু দাউদ (আস-সালাত); তিরমিযী (তাফসীরে কুরআন) এবং নাসাঈ (আল-ইফতেতাহ)।] (হাদীস সমাপ্ত)

বান্দা যখন একথা চিন্তা করবে এবং জানতে পারবে যে, সূরা আল-ফাতিহা দু’ভাগে বিভক্ত, প্রথম ভাগ إياك نعبد পর্যন্ত আল্লাহর জন্য, আর দ্বিতীয় ভাগ অর্থাৎ তার পর থেকে সূরার শেষ পর্যন্ত, যা বলে বান্দা দো‘আ করে, তার নিজের জন্য এবং একথাও যখন সে চিন্তা করবে যে, যিনি এ দো‘আ তাকে শিক্ষা দিয়েছেন তিনি হলেন কল্যাণময় মহান আল্লাহ। তিনি তাকে এ দো‘আ পড়ার এবং প্রতি রাকাতে তা বারবার ব্যক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ তা‘আলা দয়া ও করুণাবশতঃ এ দো‘আ কবুলের নিশ্চয়তাও দিয়েছেন, যদি বান্দা নিষ্ঠা ও উপস্থিত চিত্তে তা করে থাকে, তখন তার কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠবে যে, অধিকাংশ লোক অবহেলা ও উদাসীনতার ফলে সালাতে নিহিত কি মূল্যবান সম্পদ হারিয়ে থাকে!
পরিচ্ছেদঃ ৫

কবিতা:

قد هيؤك لأمر لو فطـــــنت له

فاربأ بنفسك أن ترعى مـع الهمل

وأنت في غفلة عما خلقـــت له

وأنت في ثقة من وثبة الأجـــــل

فزك بنفسك مما قد يدنـــــسها

واختر لها ما ترى من خالص العمل

أأنت في سكرة ام أنت مـــــنتبها

অর্থ: তোমাকে তো মহৎ কাজের জন্য তৈরী করেছে, হায়! তুমি যদি তা আঁচ করে নিতে। অতএব, ঐসব অবাঞ্ছিত লোকদের থেকে নিজেকে দূরে রাখ।

‘তুমি তোমার সৃষ্টির উদ্দেশ্য সম্পর্কে উদাসীন এবং অহেতুক বিশ্বাস কর যে, মৃত্যু তোমাকে সহজে পাকড়াও করবে না।’

‘যা তোমার আত্মাকে কলুষিত করতে পারে তা থেকে তুমি উহা পবিত্র রাখ এবং এর মঙ্গলের জন্য খালেছ নেক আমল অর্জন কর।’

‘তুমি কি বিভোর না সতর্ক? নিরাপদ তোমায় প্রবঞ্চনা দিল, না অভিলাষ তোমাকে অমনোযোগী করে ফেলেছে?’

প্রিয় পাঠক! আমি এ মহান সূরার কিছু মর্মার্থ এখানে পেশ করছি। আশা করি, আপনি উপস্থিত চিত্তে সালাত পড়বেন এবং মুখে যা ব্যক্ত করেন তা যেন আপনার অন্তর উপলব্ধি করে থাকে। কেননা মুখে যা উচ্চারিত হয় তা যদি অন্তর বিশ্বাস না করে তাহলে এটা কোনো নেক কাজ হিসেবে পরিগণিত হয় না। যেমন আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

﴿يَقُولُونَ بِأَلۡسِنَتِهِم مَّا لَيۡسَ فِي قُلُوبِهِمۡۚ﴾ [ الفتح : ١١ ] ‘‘তারা মুখে মুখে এমন কথা বলে যা তাদের অন্তরে নেই।’’ [সূরা আল-ফাতহ, আয়াত: ১১]

এখন সংক্ষিপ্তাকারে প্রথমে ‘ইস্তে‘আযা’ (আউযুবিল্লাহ) এবং পরে ‘বাসমালাহ’ (বিসমিল্লাহ)-এর অর্থগত বর্ণনা দিয়ে সূরা আল-ফাতিহা-এর বর্ণনা শুরু করছি:
পরিচ্ছেদঃ ৬

‘ইস্তে‘আযা’ (আউযুবিল্লাহর তাফসীর)

أَعُوذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ .

“আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি আল্লাহর কাছে বিতাড়িত শয়তান থেকে”।

এর অর্থ হলো: আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করি, তাঁর দরবারে নিরাপত্তা কামনা করি এ মানব শত্রু বিতাড়িত শয়তানের অনিষ্ট থেকে, যাতে সে আমার ধর্মীয় বা পার্থিব কোনো ক্ষতি সাধন করতে না পারে, আমি যে বিষয়ে আদিষ্ট তা সম্পাদনে সে যেন আমাকে বাধা দিতে না পারে এবং যা নিষিদ্ধ তার প্রতি সে যেন আমাকে উদ্বুদ্ধ করতে না পারে। কেননা যখন বান্দা সালাত, কুরআন তিলাওয়াত বা অন্য কোনো কল্যাণকর কাজের ইচ্ছা পোষণ করে থাকে, তখন এ শয়তান তাকে বিভ্রান্ত করার জন্য তৎপর হয়ে উঠে।

আর তা এ জন্য যে, আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা ব্যতিরেকে আপনার পক্ষে শয়তানকে দূর করার কোনো উপায় নেই। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

﴿ۚ إِنَّهُۥ يَرَىٰكُمۡ هُوَ وَقَبِيلُهُۥ مِنۡ حَيۡثُ لَا تَرَوۡنَهُمۡۗ ﴾ [ الاعراف : ٢٧ ]

‘‘সে (শয়তান) ও তার দলবল তোমাদের এমনভাবে দেখতে পায় যে, তোমরা তাদের দেখতে পাও না।’’ [সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত: ২৭]

সুতরাং আপনি যখন আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করবেন এবং তাঁকে আঁকড়ে ধরবেন তখন তা সালাতের মধ্যে আপনার আন্তরিক উপস্থিতি বা একাগ্রচিত্ত হওয়ার একটি প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়াবে। অতএব, আপনি এ বাক্যের মর্মার্থ ভালোভাবে অনুধাবন করবেন এবং অধিকাংশ লোকের ন্যায় শুধু মুখে মুখে তা ব্যক্ত করে ক্ষান্ত হবেন না।
পরিচ্ছেদঃ ৭

‘বাসমালাহ’ (বিসমিল্লাহ-এর তাফসীর)

﴿بِسۡمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ﴾ ‘বিসমিল্লাহ’ (আল্লাহর নামে) এর অর্থ হলো: আমি এ কাজে -পড়া, দো‘আ বা অন্য কিছুই হোক নিয়োজিত হলাম আল্লাহর নামে, আমার শক্তি সামর্থ্যের বলে নয়, বরং এ কাজ সম্পাদন করতে যাচ্ছি আল্লাহ তা‘আলার সাহায্যে, তাঁর কল্যাণময় ও মহান নামের বরকত কামনা করে। দীনি ও পার্থিব প্রতিটি কাজের প্রারম্ভে এ ‘বাসমালাহ’ পড়তে হয়। সুতরাং যখন আপনি মনে করবেন যে, আপনার এ পড়া কেবল আল্লাহরই সাহায্য নিয়ে শুরু হচ্ছে, স্বীয় শক্তি সামর্থের তোয়াক্কা করে নয়, তখন তা আপনার অন্তরের উপস্থিতি ও যাবতীয় কল্যাণ লাভের পথে সমূহ প্রতিবন্ধক দূরীকরণে প্রধান সহায়ক হয়ে থাকবে।

﴿ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ﴾ ‘‘পরম করুণাময় অতি দয়ালু।’’

রহমত থেকে উদ্ভুত গুণবাচক দু’টি নাম। তন্মধ্যে একটি অপরটির চেয়ে অধিকতর অর্থবহ। যেমন, সর্বজ্ঞ ও অতি জ্ঞানী। ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেন, এ গুণবাচক নাম দু’টি অতি সূক্ষ্ম, তন্মধ্যে একটি অপরটির চেয়ে অধিকতর সূক্ষ্ম অর্থাৎ অধিক রহমত সম্পন্ন।
পরিচ্ছেদঃ ৮

সূরা আল-ফাতিহা-এর তাফসীর

সূরা আল-ফাতিহা সাতটি আয়াতের সমষ্টি। প্রথম তিন আয়াতে ও চতুর্থ আয়াতের প্রথমার্ধ আল্লাহর জন্য এবং চতুর্থ আয়াতের দ্বিতীয়ার্ধসহ শেষ তিন আয়াত বান্দার জন্য। সূরার প্রথম আয়াত:

﴿ٱلۡحَمۡدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ ٢﴾ [ الفاتحة : ٢ ]

‘‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সৃষ্টিকুলের রব।’’

জেনে রাখুন, ٱلۡحَمۡدُ এর অর্থ ঐচ্ছিক উপকার সাধনের উপর মৌখিক প্রশংসা ব্যক্ত করা। মৌখিক প্রশংসা বলে কাজের মাধ্যমে যে প্রশংসা হয় তা পৃথক করে দেওয়া হলো। কাজের মাধ্যমে প্রশংসা যাকে লিসানুল হাল বা অবস্থার ভাষা বলা হয়, মূলত তা কৃতজ্ঞতারই এক প্রকার। ঐচ্ছিক উপকার বলে এমন কাজই বুঝানো হয়েছে যা মানুষ আপন ইচ্ছায় করে থাকে। আর যে উপকার বা উত্তম কাজে মানুষের কোনো হাত নেই, যেমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ইত্যাদি, এমন বিষয়ের ওপর প্রশংসা করাকে হামদ না বলে মাদহ বলা হয়ে থাকে। হামদ এবং শুকর এতদুভয়ের মধ্যে পার্থক্য হলো: হামদের মধ্যে গুণাবলী বর্ণনাসহ প্রশংসা করা, তা প্রশংসাকারীর প্রতি কোনো ইহসানের বিনিময়ে সাধিত হোক অথবা বিনিময় ছাড়া হোক। আর শুকর কেবল কৃতজ্ঞের প্রতি ইহসানের বিনিময়ই হয়ে থাকে। এ দিক দিয়ে শুকরের চেয়ে হামদ ব্যাপক। কেননা হামদ এর মধ্যে গুণাবলী ও ইহসান উভয়ই অন্তর্ভুক্ত।

তাই আল্লাহ তা‘আলার হামদ করা হয় তাঁর সর্ব সুন্দর নামসমূহ এবং পূর্বাপর তাঁর সমুহ সৃষ্টির ওপর। এ জন্য আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

﴿ ٱلۡحَمۡدُ لِلَّهِ ٱلَّذِي لَمۡ يَتَّخِذۡ وَلَدٗا﴾ [ الاسراء : ١١١ ] ‘‘আল্লাহ তা‘আলারই সকল প্রশংসা যিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করেন নি।’’ [সূরা আল-ইসরা, আয়াত: ১১১]

আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন:

﴿ ٱلۡحَمۡدُ لِلَّهِ ٱلَّذِي خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَ﴾ [ الانعام : ١ ]

‘‘আল্লাহ তা‘আলারই সকল প্রশংসা যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন।’’ [সূরা আল-আন‘আম, আয়াত: ১]

এ প্রসঙ্গে কুরআন মাজীদে আরো অনেক আয়াত রয়েছে।

শুকর কেবল দান বা অনুগ্রহের বিনিময়েই হয়ে থাকে। তাই এদিক দিয়ে এর প্রয়োগ উক্ত হামদের চেয়ে সীমিত। তবে তার প্রয়োগ অন্তর, হাত ও ভাষার মাধ্যমে ব্যক্ত হতে পারে। এ জন্য আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:

﴿ٱعۡمَلُوٓاْ ءَالَ دَاوُۥدَ شُكۡرٗاۚ﴾ [ سبا : ١٣ ] ‘‘হে দাউদ বংশধরগণ! কৃতজ্ঞতাস্বরূপ তোমরা নেক কাজ করে যাও।’’ [সূরা সাবা, আয়াত: ১৩]

পক্ষান্তরে হামদ কেবল অন্তর এবং ভাষার মাধ্যমেই ব্যক্ত করা হয়। এ দিক দিয়ে শুকর তার বিভিন্ন প্রকার অনুসারে অধিকতর ব্যাপক এবং হামদ তার উপলক্ষের দিক দিয়ে অধিকতর ব্যাপক।

ٱلۡحَمۡدُ এর আলিফ ও লাম সার্বিক বা বর্গীয় অর্থে ব্যবহৃত। অর্থাৎ সর্ববিধ প্রশংসা এর অন্তর্গত এবং সবই আল্লাহ তা‘আলার জন্য, অন্য কারো জন্য নয়। এমন সব কাজ যাতে মানুষের কোনো হাত নেই, যেমন মানুষ সৃষ্টি, চক্ষু, অন্তর ইত্যাদি সৃষ্টি, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি এবং জীবিকারাজি প্রদান ইত্যাদি -এ জাতীয় কাজের ওপর আল্লাহর প্রশংসা স্পষ্ট। আর যেসব কাজের ওপর মখলুক প্রশংসা কুড়ায়, যেমন নেক বান্দা ও নাবী-রাসূলগণ যে সব কাজের জন্য প্রশংসিত হন, এভাবে কেউ কোনো মঙ্গল কাজ করলে, বিশেষ করে তা যদি আপনার উদ্দেশ্যে করে থাকে, এ সমস্ত প্রশংসাও আল্লাহ তা‘আলার প্রাপ্য। তা এ অর্থে যে, আল্লাহ তা‘আলাই এ কর্তাকে সৃষ্টি করেছেন, তাকে এ কাজ করার উপকরণ প্রদান করেছেন এবং তাকে এ কাজের ওপর আগ্রহী ও সমর্থ্য করেছেন। এ ছাড়া আরো অনেক অনুগ্রহ দান করেছেন যার কোনো একটির অবর্তমানে এ কর্তা ব্যক্তি প্রশংসিত হতে পারে না। এ দৃষ্টিতেই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহরই প্রাপ্য।

﴿لِلَّهِ رَبِّ ٱلۡعَٰلَمِينَ﴾ ‘‘আল্লাহর জন্য যিনি সৃষ্টিকুলের রব।’’

‘আল্লাহ’ আমাদের মহান ও কল্যাণময় প্রতিপালকের নাম। এর অর্থ: ইলাহ অর্থাৎ মা‘বুদ (উপাস্য)।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

﴿وَهُوَ ٱللَّهُ فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَفِي ٱلۡأَرۡضِ﴾ [ الانعام : ٣ ] “এবং তিনিই আল্লাহ আকাশমণ্ডলীতে ও পৃথিবীতে।’’ [সূরা আল-আন‘আম, আয়াত: ৩]

অর্থাৎ তিনি মা‘বুদ আকাশমণ্ডলীতে এবং মা‘বুদ এ পৃথিবীতে। তিনি অন্যত্র বলেন:

﴿إِن كُلُّ مَن فِي ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضِ إِلَّآ ءَاتِي ٱلرَّحۡمَٰنِ عَبۡدٗا ٩٣ لَّقَدۡ أَحۡصَىٰهُمۡ وَعَدَّهُمۡ عَدّٗا ٩٤﴾ [ مريم : ٩٣، ٩٤ ]

“আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে এমন কেউ নেই যে, দয়াময় আল্লাহর নিকট বান্দারূপে উপস্থিত হবে না। তিনি তাদেরকে পরিবেষ্টন করে আছেন এবং তাদেরকে বিশেষভাবে গণনা করে রেখেছেন।” [সূরা মারয়াম, আয়াত: ৯৩-৯৫]

رب এর অর্থ প্রভু, প্রতিপালক, নিয়ন্তা। العالمين একবচনে العالم মহান কল্যাণময় আল্লাহ বাদে সব কিছুকে ‘আলম নামে আখ্যায়িত করা হয়। আল্লাহ বাদে প্রত্যেক বাদশাহ, নবী, মানুষ, জিন্ন ইত্যাদি প্রতিপালিত, বশবর্তী, নিয়ন্ত্রিত, ফকীর ও মুখাপেক্ষী। সবই এক মহান সত্তার প্রতি সম্পর্কিত -এতে তার কোনো শরীক নেই। তিনিই একমাত্র পরমুখাপেক্ষীবিহীন সত্তা এবং তাঁরই প্রতি সর্ব বিষয় সম্পর্কিত। [. ٱلرَّحۡمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ এর অর্থ বিসমিল্লাহ-এর ব্যাখ্যায় দ্রষ্টব্য।]

এরপর আল্লাহ তা‘আলা উল্লেখ করেন: مَٰلِكِ يَوۡمِ ٱلدِّينِ অন্য ক্বিরাতে আছে: مَلِكِ يَوۡمِ ٱلدِّينِ এখানে দ্রষ্টব্য যে, আল্লাহ তা‘আলা কুরআনের প্রথম সূরার একই স্থানে যেভাবে উলুহিয়্যাহ, রুবুবিয়্যাহ ও মুলকের বা আধিপত্যের উল্লেখ করেছেন, সেভাবে কুরআনের শেষ সূরায় এগুলোর উল্লেখ করে তিনি বলেন:

﴿قُلۡ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلنَّاسِ ١ مَلِكِ ٱلنَّاسِ ٢ إِلَٰهِ ٱلنَّاسِ ٣﴾ [ الناس : ١، ٣ ]

“বলুন (হে রাসূল) আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি মানুষের রবের, মানুষের অধিপতির, মানুষের মা‘বুদের।” [সূরা আন-নাস, আয়াত: ১-৩] মহান কল্যাণময় আল্লাহ কুরআনের প্রথম দিকে এক স্থানে তাঁর এ তিনটি গুণের উল্লেখ করেছেন, আবার এ গুণাত্রয় কুরআনের শেষাংশে এক স্থানে একত্রে উল্লেখ করেছেন। সুতরাং যে ব্যক্তি নিজের মঙ্গল চায় তার উচিৎ এ স্থানদ্বয়ের প্রতি মনোযোগ প্রদান করা এবং এ সম্পর্কে গবেষণা ও পর্যালোচনায় সচেষ্ট হওয়া। তার আরো জানা উচিৎ যে, মহাজ্ঞানী আল্লাহ তা‘আলা কুরআনের প্রথমে, আবার কুরআনের শেষাংশে একত্রে এগুলোর উল্লেখ একসাথে করেছেন। কেবল এ উদ্দেশ্যে যে, এগুলোর মর্মার্থ অনুধাবন করা এবং এগুলোর পরস্পরের মধ্যে অর্থগত ব্যবধান সম্পর্কে বান্দার অবগত হওয়া অতীব প্রয়োজন। প্রতিটি গুণের একটা নির্দিষ্ট অর্থ রয়েছে যা অন্যটির মধ্যে নেই। যেমন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তিনটি গুণ, আল্লাহর রাসূল, সর্বশেষ নবী এবং আদম সন্তান। মোটকথা: এর প্রত্যেকটির এক একটি অর্থ রয়েছে যা অন্যটি থেকে ভিন্ন।

যখন এ কথা জানা হলো যে, ‘আল্লাহ’ অর্থ ‘ইলাহ’ এবং ইলাহ যিনি তিনিই মা‘বুদ। অতঃপর তুমি তাকে ডাকো তাঁর নামে কুরবানী করো বা তাঁর নামে মান্নত করো, তখন সত্যিকারভাবে তুমি বিশ্বাস করলে যে, তিনিই আল্লাহ। আর যদি কোনো সৃষ্টিকে ডাকো ভালো হউক আর মন্দ হউক বা তাঁর নামে কুরবানী বা তাঁর নামে মান্নত করো তাহলে তোমার বিশ্বাস হলো যে এটাই তোমার আল্লাহ। এভাবে যদি কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে জানা যায় যে, সে তার জীবনের ক্ষণিকের জন্য হলেও ‘শামসান’ [. শামসান: প্রকৃত নাম মুহাম্মাদ ইবন শামসান। তার ছেলেরা তার নামে মান্নত করার জন্য লোকদের নির্দেশ দিত। লোক তাকে বিশেষ অলী ও শাফা‘আতের অধিকারী হিসেবে বিশ্বাস করত।] অথবা ‘তাজ’ [. রিয়াদের অদূরে ‘আল-খারজ’ এলাকার অধিবাসী ছিল। লোক তাকে বিশেষ অলী ও অনেক অলৌকিক শক্তির অধিকারী বলে বিশ্বাস করত। তার নামে মান্নত জমা করা হত। শাসকবৃন্দ তাকে ও তার অনুসারীদের ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত ছিল। তাজ ও শামসানের দ্বারা নজদ এলাকায় অনেক লোক বিভ্রান্ত হয়েছিল।] কে আল্লাহ হিসেবে বিশ্বাস করেছে, তাহলে সে বনী ইসরাঈলের পর্যায়ে পতিত হবে, যখন তারা গো বৎসের পূজা করেছিল। অতঃপর যখন তাদের কাছে তাদের ভ্রান্তি ধরা পড়লো তখন তারা ভীত-সন্ত্রস্ত্র ও অনুতপ্ত হয়ে যা বলেছিল আল্লাহ তা‘আলা কুরআনে তা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন:

﴿ وَلَمَّا سُقِطَ فِيٓ أَيۡدِيهِمۡ وَرَأَوۡاْ أَنَّهُمۡ قَدۡ ضَلُّواْ قَالُواْ لَئِن لَّمۡ يَرۡحَمۡنَا رَبُّنَا وَيَغۡفِرۡ لَنَا لَنَكُونَنَّ مِنَ ٱلۡخَٰسِرِينَ ١٤٩ ﴾ [ الاعراف : ١٤٩ ]

‘‘অতঃপর যখন তারা অনুতপ্ত হলো এবং বুঝতে পারল যে, আমরা নিশ্চিতই গোমরাহ হয়ে পড়েছি, তখন বলতে লাগল, আমাদের প্রতি যদি আমাদের রব ক্ষমা ও করুণা না করেন তাহলে অবশ্যই আমরা ধ্বংস (সর্বনাশগ্রস্থ) হয়ে যাবো।’’ (সূরা আল-আ‘রাফ, আয়াত: ১৪৯]

( رب ) এর অর্থ হলো মালিক, নিয়ন্ত। আল্লাহ তা‘আলা সব কিছুর মালিক এবং তিনি সব কিছুর নিয়ন্তা -এটি ধ্রুব সত্য। যাদের বিরুদ্ধে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুদ্ধ করেছেন, সেই প্রতিমাপূজকরা আল্লাহর এ গুণ স্বীকার করত। আল্লাহ তা‘আলা এ সম্পর্কে কুরআন মাজীদের একাধিক স্থানে বর্ণনা করেছেন। যেমন, সূরা ইউনুসের এক আয়াতে বলেন:

﴿قُلۡ مَن يَرۡزُقُكُم مِّنَ ٱلسَّمَآءِ وَٱلۡأَرۡضِ أَمَّن يَمۡلِكُ ٱلسَّمۡعَ وَٱلۡأَبۡصَٰرَ وَمَن يُخۡرِجُ ٱلۡحَيَّ مِنَ ٱلۡمَيِّتِ وَيُخۡرِجُ ٱلۡمَيِّتَ مِنَ ٱلۡحَيِّ وَمَن يُدَبِّرُ ٱلۡأَمۡرَۚ فَسَيَقُولُونَ ٱللَّهُۚ فَقُلۡ أَفَلَا تَتَّقُونَ ٣١﴾ [ يونس : ٣١ ]

“(হে রাসূল) আপনি জিজ্ঞেস করুন, কে রিযিক দান করেন তোমাদেরকে আকাশ থেকে ও পৃথিবী থেকে? কিংবা কে তোমাদের কান বা চোখের মালিক? কে জীবিতকে মৃতের ভেতর থেকে বের করেন, কে-ইবা মৃতকে জীবিতদের মধ্য থেকে বের করে? কে করে কর্ম সম্পাদনের ব্যবস্থাপনা? তখন তারা বলে উঠবে, আল্লাহ। তখন আপনি বলুন, তারপরও কি তোমরা আল্লাহকে ভয় করবে না।’’ [সূরা ইউনুস, আয়াত: ৩১]

সুতরাং যে ব্যক্তি বিপদ মুক্তি ও প্রয়োজন সাধনের উদ্দেশ্যে আল্লাহকে ডাকে এবং পরে এ উদ্দেশ্যে কোনো মাখলুককেও ডাকে, বিশেষ করে মাখলুককে ডাকার সাথে তার ইবাদাতের সাথে নিজের সম্পর্ক সংশ্লিষ্ট করে ফেলে, যেমন সে ডাকার সময় বলে, অমুক তোমার বান্দা বা অলীর বান্দা বা নবীর বান্দা অথবা যুবাইরের বান্দা. তখন এর দ্বারা সে সেই মাখলুকের রুবুবিয়্যাত স্বীকার করে নিল এবং সমগ্র বিশ্বের রব হিসেবে আল্লাহকে স্বীকার করল না; বরং তার রুবুবিয়্যাতের কিছু অংশ অস্বীকার করে বসল।

আল্লাহ তা‘আলা সে বান্দাকে রহম করুন, যে নিজেকে নসীহত করে এবং এ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অনুধাবনের চেষ্টা করে আর এ সম্পর্কে সীরাতে মুস্তাকীমের অনুসারী আলেমগণের ভাষ্য জিজ্ঞেস করে। তারা সূরাটির ব্যাখ্যা এভাবে করেছেন কিনা?

( الملك ) শব্দের ব্যাখ্যা একটু পরে আসছে ইনশা-আল্লাহ। আল্লাহ তা‘আলার বাণী:

﴿مَٰلِكِ يَوۡمِ ٱلدِّينِ ٤﴾ [ الفاتحة : ٤ ]

“প্রতিফল দিবসের মালিক।” [সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত: ৩] অন্য ক্বিরাতে:

﴿مَلِكِ يَوۡمِ ٱلدِّينِ ٤﴾ [ الفاتحة : ٤ ] “প্রতিফল দিবসের অধিপতি।” [সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত: ৩]

উভয় আকারে সকল ভাষ্যকারদের নিকট এর অর্থ তা-ই যা আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নিম্নোক্ত বাণীতে ব্যক্ত করেছেন। তা হলো:

﴿وَمَآ أَدۡرَىٰكَ مَا يَوۡمُ ٱلدِّينِ ١٧ ثُمَّ مَآ أَدۡرَىٰكَ مَا يَوۡمُ ٱلدِّينِ ١٨ يَوۡمَ لَا تَمۡلِكُ نَفۡسٞ لِّنَفۡسٖ شَيۡ‍ٔٗاۖ وَٱلۡأَمۡرُ يَوۡمَئِذٖ لِّلَّهِ ١٩﴾ [ الانفطار : ١٧، ١٩ ]

“আর, তুমি কর্মফল দিবস সম্পর্কে কি জান? আবার, কর্মফল দিবস সম্পর্কে তুমি কি জান? সেদিন কেউ কারো জন্য কিছু করার ক্ষমতা রাখবে না। সেদিন ক্ষমতা থাকবে শুধু আল্লাহর হাতে ।’’ [সূরা ইনফিতার, আয়াত: ১৭-১৯]

যে ব্যক্তি এ আয়াতের ব্যাখ্যা সঠিকভাবে অনুধাবন করবে এবং জানতে পারবে যে, কর্মফল দিবস ও অন্যান্য দিবসসহ সব কিছুর মালিক আল্লাহ তা‘আলা হওয়া সত্বেও এ দিনের (কিয়ামতের) অধিকারকে তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন সে উপলব্ধি করতে পারবে যে, এখানে সেই মহান বিষয়টিকেই খাছ করে উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, যা অনুধাবন করে যে জান্নাতে যাওয়ার সে এবং যা পরিজ্ঞাত না হয়ে যে জাহান্নামে যাওয়ার সে যাবে। বিষয়টি অর্থাৎ ‘কিয়ামতের দিন সম্পর্কে অধিকার একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার’ এ অর্থ কত-ই না মহান, যার ওপর বিশ বছর ধরে চিন্তা-ভাবনা করলেও এর যথাযথ হক আদায় সম্ভব হবে না। কোথায় সে মর্মার্থ ও এর প্রতি বিশ্বাস এবং কুরআন কর্তৃক স্পষ্টভাবে ব্যক্ত বিষয়ের ওপর ঈমান আর কোথায় এ সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: (হে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কন্যা ফাতেমা! আমি আল্লাহর শাস্তি থেকে তোমাকে একটুও বাঁচাতে পারব না।) কোথায় আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের এ কথা, আর কোথায় সে তথাকথিত ‘কাসীদা বুরদা’ নামক গাঁথাতে আসা কবি বূসিরীর উক্তি:

ولن يضيق رسول الله جاهــــك بي ...... إذا الكريم تحلى باسم منتقم

فإن لي ذمة منه بتسمـــــــــيتي …... محمدا وهو أوفى الخلق بالذمــم

إن لم تكن في معادي آخذا بيدي ....... فضلا وإلا فقل يا زلة القــدم

“হে রাসূলাল্লাহ! তোমার মর্যাদা আমার জন্য সংকোচিত হবে না, যখন আল্লাহ কারীম আমার ওপর প্রতিশোধ নিতে উদ্যত হবেন।

মুহাম্মাদ নামকরণে আমার প্রতি দায়িত্ব রয়েছে তার ওপর। আর তিনিই হলেন সর্বাধিক দায়িত্ব পূরণকারী।

দয়া করে যদি তিনি হাতে ধরে আমায় উদ্ধার না করেন তাহলে আমার পদস্খলন নিশ্চিত।”

নিজের মঙ্গল কামনাকারীর পক্ষে উপরোক্ত কবিতাগুচ্ছ ও তার অর্থ সম্পর্কে গভীর চিন্তা-ভাবনা করা উচিৎ। যে সকল সাধারণ মানুষ ও তথাকথিত আলেমবর্গ যারা এগুলোর প্রতি আকৃষ্ট এবং কুরআন মাজীদের পরিবর্তে এগুলোর যারা আবৃত্তি করে, তাদেরও এ ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করে দেখা উচিৎ। কোনো বান্দার অন্তরে কি এ কবিতাগুচ্ছের প্রতি বিশ্বাস আর আল্লাহ তা‘আলার বাণী:

﴿ يَوۡمَ لَا تَمۡلِكُ نَفۡسٞ لِّنَفۡسٖ شَيۡ‍ٔٗاۖ وَٱلۡأَمۡرُ يَوۡمَئِذٖ لِّلَّهِ ١٩ ﴾ [ الانفطار : ١٩ ]

“যেদিন কেউ কারো উপকার করতে পারবে না এবং সেদিন সব কর্তৃত্ব হবে আল্লাহর।” [সূরা আল-ইনফিতার, আয়াত: ১৯] এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস: “হে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কন্যা ফাতেমা! আমি আল্লাহর শাস্তি থেকে তোমাকে একটুও বাঁচতে পারব না।” এর প্রতি বিশ্বাস একত্রিত হতে পারে? আল্লাহর শপথ, তা হতে পারে না, আল্লাহর শপথ, তা হতে পারে না, আল্লাহর শপথ, তা হতে পারে না। যেমন একত্রিত হতে পারে না এ কথা বলা যে, -মূসা আলাইহিস সালাম সত্য, অনুরূপ ফির‘উনও সত্য। তদ্রূপ একথা কথা বলা যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত আবার আবু জাহলও সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
পরিচ্ছেদঃ ৯

কবিতা:

لا والله ما استويا ولن يتلاقيا ... حتى تشيب مفارق الغربان .

“আল্লাহর শপথ, বিষয় দু’টি সমান নয়। তা একত্রিত হতে পারে না, যতক্ষণ না কাকের মাথা শুভ্র বর্ণের হবে।”

সুতরাং যে ব্যক্তি এ বিষয়টি অনুধাবন করবে এবং বুরদার কবিতা ও এর আসক্ত ব্যক্তিদের প্রতি দৃষ্টি প্রদান করবে, সে ভালো করেই ইসলামের অসহায়তা উপলব্ধি করতে পারবে। এটিও উপলব্ধি করতে পারবে যে, শত্রুতা এবং আমাদের জানমাল ও নারীদের হালাল মনে করা প্রকৃতপক্ষে আমাদের পক্ষ থেকে তাদের কাফির বলা বা তাদের সাথে যুদ্ধ করার কারণে নয়; বরং তারাই (বিরোধীরা) আমাদের ওপর যুদ্ধ ও কুফুরী ফাতওয়া শুরু করেছে। শুরু করেছে তখনই যখন আল্লাহ তা‘আলার নিম্নোক্ত বাণী তুলে ধরা হলো। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

﴿وَأَنَّ ٱلۡمَسَٰجِدَ لِلَّهِ فَلَا تَدۡعُواْ مَعَ ٱللَّهِ أَحَدٗا ١٨﴾ [ الجن : ١٨ ]

“সুতরাং তোমরা আল্লাহর সাথে কাউকে ডেকো না।” [সূরা আল-জিন্ন, আয়াত: ১৮]

আল্লাহ তা‘আলা আরো বলেন:

﴿ أُوْلَٰٓئِكَ ٱلَّذِينَ يَدۡعُونَ يَبۡتَغُونَ إِلَىٰ رَبِّهِمُ ٱلۡوَسِيلَةَ أَيُّهُمۡ أَقۡرَبُ﴾ [ الاسراء : ٥٧ ]

“তারা যাদের আহ্বান করে তারাই তো তাদের রবের নৈকট্য অনুসন্ধান করে যে, তাদের মধ্যে কে কত নিকটতম হতে পারে।’’ [সূরা আল-ইসরা, আয়াত: ৫৭]

তিনি আরো বলেন:

﴿ لَهُۥ دَعۡوَةُ ٱلۡحَقِّۚ وَٱلَّذِينَ يَدۡعُونَ مِن دُونِهِۦ لَا يَسۡتَجِيبُونَ لَهُم بِشَيۡءٍ﴾ [ الرعد : ١٤ ] “সত্যের আহ্বান তাঁরই, যারা তাঁকে ব্যতীত অপরকে আহ্বান করে তাদের কোনোই সাড়া দেয় না ওরা।’’ [সূরা আর-রা‘দ, আয়াত: ১৪]

এ হলো মুফাসসিরগণের ঐকমত্যে আল্লাহর বাণী مَٰلِكِ يَوۡمِ ٱلدِّينِ এর মর্মার্থের কিয়দাংশ। আল্লাহ তা‘আলা স্বয়ং এ আয়াতের ব্যাখ্যা দিয়েছেন সূরা ইনফিতারের কয়েকটি আয়াতে, যা ইতঃপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রিয় পাঠক! (আল্লাহ আপনাকে তার আনুগত্যের পথে পরিচালিত করুন) জেনে রাখুন, সর্বদা অসত্যের সাথে সংঘর্ষের মাধ্যমে সত্য স্পষ্ট হয়ে উঠে। আরবীতে বলা হয়: وبضدها تتبين الاشياء অর্থাৎ সকল বস্তু তার বিপরীত বস্তুর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠে।

প্রিয় পাঠক! উপরে যা বলা হলো সে বিষয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা, দিনের পর দিন, মাসের পর মাস এবং বছরের পর বছর চিন্তা-ভাবনা করে দেখুন, নিশ্চয় আপনি সঠিকভাবে জানতে পারবেন, আপনার প্রপিতা ইবরাহীম আলাইহিস সালামের মিল্লাত ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দীন। ফলে, সে পথে চলে তাদের উভয়ের সাথে কিয়ামতের দিন একত্রিত হবেন এবং এ পৃথিবীতে সত্য পথ থেকে দূরে থাকার কারণে কর্মফল দিবসে হাওযে কাওসার থেকে বিদূরিত হবেন না, যেমন বিদূরিত হবে সেই ব্যক্তি যে তাদের পথে লোকদের বাধা প্রদান করেছিল। আশা করি, আপনি কিয়ামতের দিন পুলসিরাতের উপর দিয়ে নিরাপদে পার হবেন। আপনার পদস্খলন ঘটবে না, যেমন ঘটবে ঐ ব্যক্তির পৃথিবীতে তাদের (ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ এর) সীরাতে মুস্তাকীম থেকে যার পদস্খলন ঘটে থাকবে। সুতরাং আপনার কর্তব্য সর্বদা ভয় ও উপস্থিত চিত্তে এ ফাতিহার দো‘আ পাঠ করা।

﴿إِيَّاكَ نَعۡبُدُ وَإِيَّاكَ نَسۡتَعِينُ ٥﴾ [ الفاتحة : ٥ ]

“(হে আল্লাহ!) আমরা শুধু তোমারই ইবাদাত করি এবং তোমারই সাহায্য কামনা করি।” [সূরা আর-ফাতিহা, আয়াত: ৫]

ইবাদতের অর্থ পূর্ণ মহব্বত, চরম বিনয়, ভয় ও অবচয়ন। এখানে কর্মকে ক্রিয়ার পূর্বে (অর্থাৎ نعبدُ এর পূর্বে إياك শব্দকে নিয়ে আসা) এবং দ্বিতীয়বার ( إياك শব্দকে পুনরায়) উল্লেখ করার উদ্দেশ্য ক্রিয়ার প্রতি অধিকতর গুরুত্ব প্রদান এবং ক্রিয়াকে কর্মের মধ্যে সীমিত রাখা। অর্থাৎ অন্য কারো নয় কেবল তোমারই ইবাদাত করি এবং কেবল তোমার ওপরই ভরসা করি إِيَّاكَ نَعۡبُدُ অর্থাৎ ইবাদাতে কেবল তোমারই তাওহীদ প্রতিষ্ঠা করি।

এর অর্থ: আপনি আপনার রবের সাথে ওয়াদা ও চুক্তিবদ্ধ হচ্ছেন যে, আপনি তাঁর সাথে তাঁর ইবাদাতে কাউকে শরীক করবেন না, হোক না সে ফিরিশতা বা নবী বা অন্য কেউ। যেমন, সাহাবীগণকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে:

﴿وَلَا يَأۡمُرَكُمۡ أَن تَتَّخِذُواْ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةَ وَٱلنَّبِيِّ‍ۧنَ أَرۡبَابًاۗ أَيَأۡمُرُكُم بِٱلۡكُفۡرِ بَعۡدَ إِذۡ أَنتُم مُّسۡلِمُونَ ٨٠﴾ [ ال عمران : ٨٠ ]

“এবং সে তোমাদের নির্দেশ দেয় না যে, তোমরা ফিরিশতা ও নবীগণকে নিজেদের রব হিসেবে গ্রহণ করে নাও। তোমরা মুসলিম হবার পর সে কি তোমাদের কুফুরী শিখাবে?’’ [সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৮০]

আয়াতটি অনুধাবন করুন এবং স্মরণ করুন, পূর্বে রুবুবিয়্যাত সম্পর্কে আলোচনায় যা বলেছিলাম। তাজ ও শামসানের প্রতি আরোপিত কু-বিশ্বাস ও কুসংস্কার জাতীয় কাজ যদি সাহাবীগণ রাসূলগণের সাথে করলে মুসলিম হওয়ার পর কাফের হয়ে যেত, তাহলে যে লোক ঐরূপ কাজ তাজ বা তার অনুরূপ লোকের সাথে করে সে কী হতে পারে?

﴿وَإِيَّاكَ نَسۡتَعِينُ ٥﴾ [ الفاتحة : ٥ ] “এবং আমরা শুধু তোমারই সাহায্য কামনা করি।’’ [সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত: ৫]

وَإِيَّاكَ نَسۡتَعِينُ এর মধ্যে দু’টি বিষয় রয়েছে, প্রথম বিষয়- আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা আর তা হলো তওয়াক্কুল করা এবং স্বীয় শক্তি সামর্থ্যের অহমিকা থেকে বিমুক্ত হওয়া। আর দ্বিতীয় বিষয় হলো- বাস্তবে আল্লাহর নিকট থেকে সাহায্য লাভের তলব পেশ করা। উপরে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এ সাহায্য প্রার্থনা বান্দার ভাগে পড়ে।

﴿ٱهۡدِنَا ٱلصِّرَٰطَ ٱلۡمُسۡتَقِيمَ ٦﴾ [ الفاتحة : ٦ ]

“(হে আল্লাহ!) আমাদের সরল-সহজ পথে চালাও।” [সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত: ৬]

এটিই হলো, আল্লাহর নিকট বান্দার স্পষ্ট দো‘আ, যা বান্দার ভাগে রয়েছে। এর অর্থ বিনয়, নম্র, অবিচল হয়ে আল্লাহর নিকট এ প্রার্থনা করা যে, তিনি যেন প্রার্থনাকারীকে এ মহান মতলব (সিরাতে মুস্তাকীম) দান করেন। এটি এমন মতলব, দুনিয়া ও আখেরাতে এর চেয়ে উত্তম কিছু আল্লাহ কাউকে দান করেন নি। আল্লাহ তা‘আলা হুদায়বিয়ার সন্ধি নামক বিজয়ের পর তাঁর প্রিয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওপর অনুগ্রহের উল্লেখ করে বলেন:

﴿وَيَهۡدِيَكَ صِرَٰطٗا مُّسۡتَقِيمٗا﴾ [ الفتح : ٢ ]

“(যাতে তোমার) রব তোমাকে সিরাতে মুস্তকীমের পথে পরিচালিত করেন।” [সূরা আল-ফাতহ, আয়াত: ২]

এখানে الهداية বলতে তাওফীক ও পথ প্রদর্শন বুঝনো হয়েছে।

বান্দার পক্ষে উচিৎ উপরোক্ত বিষয়ের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা করা। কেননা সিরাতে মুস্তাকীমের প্রতি হিদায়াতের মধ্যে ফলপ্রসূ জ্ঞান ও নেক আমল অন্তর্ভুক্ত, যাতে বান্দা আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ (মৃত্যু) পর্যন্ত এর ওপর সঠিকভাবে পরিপূর্ণ পদ্ধতিতে দৃঢ় প্রতিষ্ঠিত থাকতে পারে।

الصراط এর অর্থ স্পষ্ট পথ। আর المسقيم এর অর্থ এমন পথ যার মধ্যে কোনো বক্রতা নেই। সিরাতে মুস্তাকীম দ্বারা সেই দীন বুঝানো হয়েছে যা আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রাসূলের ওপর নাযিল করেছেন এবং এটিই তাদের পথ যাদের ওপর আল্লাহ নি‘আমত দান করেছেন। আর তারা হলেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর প্রিয় সাহাবীগণ। [. ٱلَّذِينَ أَنۡعَمۡتَ عَلَيۡهِمۡ “তুমি যাদের ওপর নি‘আমত দান করেছ” -এর ব্যাখ্যায় এখানে তাফসীর ইবন কাসীরে বর্ণিত আব্দুর রহমান ইবন যায়দ ইবন আসলামের তাফসীর অনুসরণ করা হয়েছে। তবে ইবন কাসীরসহ অধিকাংশ মুফাসসির আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা-এর তাফসীরকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। তারা আয়াতের ব্যাখ্যায় এ আয়াতে পেশ করেন: ﴿وَمَن يُطِعِ ٱللَّهَ وَٱلرَّسُولَ فَأُوْلَٰٓئِكَ مَعَ ٱلَّذِينَ أَنۡعَمَ ٱللَّهُ عَلَيۡهِم مِّنَ ٱلنَّبِيِّ‍ۧنَ وَٱلصِّدِّيقِينَ وَٱلشُّهَدَآءِ وَٱلصَّٰلِحِينَۚ وَحَسُنَ أُوْلَٰٓئِكَ رَفِيقٗا ٦٩﴾ [ النساء : ٦٩ ]“আর যে ব্যক্তি আল্লাহর হুকুম ও তাঁর রাসূলের হুকুম মান্য করবে সে ঐসব লোকের সাথী হবে যাদের প্রতি আল্লাহ পাক অনুগ্রহ করেছেন, তাঁরা হলেন, নবী, সিদ্দীক, শহীদ এবং সৎকর্মশীল নেক বান্দাগণ। আর তাদের সান্নিধ্য কতই উত্তম। [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ৬৯] -অনুবাদক।]

প্রিয় পাঠক! আপনি সর্বদা প্রতি রাকাতে এ আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে দো‘আ করছেন, তিনি যেন আপনাকে নি‘আমতপ্রাপ্তদের পথে পরিচালত করেন। আপনার ওপর কর্তব্য হচ্ছে আল্লাহ তা‘আলার এ কথা সত্য বলে স্বীকার করা যে, এ পথই হলো সিরাতে মুস্তাকীম। তাই যখনই কোনো পদ্ধতি, জ্ঞান বা ইবাদাত এ পথের পরিপন্থী হবে তা সিরাতে মুস্তাকীম হতে পারে না, বরং তা হবে বক্র ও বিভ্রান্ত। এটিই উক্ত আয়াতের প্রথম দাবী এবং একে অন্তর দিয়ে বিশ্বাস করতেই হবে। প্রত্যেক মুমিনকে অবশ্যই শয়তানের এ প্রবঞ্চনা ও ধোকা থেকে বাঁচতে হবে, আর তা হচ্ছে এটা মনে করা যে, উপরোক্ত বিষয়ে মোটামুটিভাবে বিশ্বাস রেখে বিস্তারিত জানা পরিত্যাগ করা চলে, এ বিশ্বাস থেকে সতর্ক থাকতে হবে। কেননা সবচেয় বড় কাফের মুরতাদ (ধর্মত্যাগী) ব্যক্তিরাও এ বিশ্বাস পোষণ করে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত এবং যা তাঁর বিরোধী হবে তা বাতিল। এরপর তাদের সামনে এমন কিছু আসে যা তাদের প্রবৃত্তি চায় না, তখন তারা ওদের মতো হয়ে যায়, যাদের প্রসঙ্গে আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

﴿فَرِيقٗا كَذَّبُواْ وَفَرِيقٗا يَقۡتُلُونَ﴾ [ المائ‍دة : ٧٠ ]

“তখন তারা এক দলকে অবিশ্বাস করে এবং এক দলকে তারা হত্যা করে।” [সূরা আল-মায়েদা, আয়াত: ৭০]

আল্লাহর বাণী:

﴿غَيۡرِ ٱلۡمَغۡضُوبِ عَلَيۡهِمۡ وَلَا ٱلضَّآلِّينَ﴾ [ الفاتحة : ٧ ] “তাদের পথে নয় যাদের ওপর তোমার গযব পড়েছে এবং তাদেরও নয় যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে।” [সূরা আল-ফাতিহা, আয়াত: ৭]

ٱلۡمَغۡضُوبِ عَلَيۡهِمۡ যাদের উপর গযব পড়েছে তারা হল ঐসব আলেম যারা তাদের ইলম মোতাবেক আমল করে নি এবং الضالون ‘পথভ্রষ্ট’ ওরাই যারা ইলম ব্যতিরেকে আমল করে। প্রথমটি হলো ইয়াহূদীদের বৈশিষ্ট্য আর দ্বিতীয়টি হলো খৃষ্টানদের বৈশিষ্ট্য।

অনেক লোকের অবস্থা হলো, তারা যখন তাফসীরে দেখে ইয়াহূদীরা গযবপ্রাপ্ত আর খৃষ্টানরা পথভ্রষ্ট, তখন সেই জাহেল লোকদের ধারণা হয় যে, উপরোক্ত গুণাবলী ইয়াহূদী ও খৃষ্টানদের বেলায়ই প্রযোজ্য এবং এ কথাও তারা স্বীকার করে যে, আল্লাহ তা‘আলা তাদের ওপর ফরয করে দিয়েছেন যেন তারা এ দো‘আ করে এবং উপরোক্ত গুণ বিশিষ্ট লোকদের পথ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করে।

সুবহানাল্লাহ! কীভাবে সে ধরণা করে যে, তাকে আল্লাহ তা‘আলা এ শিক্ষা দিলেন এবং তার জন্য পছন্দ করে তার ওপর ফরয করে দিলেন যেন সে সর্বদা এ দো‘আ করে অথচ তার ওপর এ কাজের কোনো ভয় নেই। এমনকি সে চিন্তাও করে না যে, সে এমন কাজ করতে পারে। এটি আল্লাহর ওপর তার কু-ধারণার অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহই সর্বাধিক জানেন। (সূরা ফাতিহা-এর ব্যাখ্যা এখানেই শেষ)

উল্লেখ্য যে, আমীন শব্দটি সূরা আল-ফাতিহা-এর অংশ নয়। এটি দো‘আর ওপর সমর্থন সূচক শব্দ। এর অর্থ: ‘হে আল্লাহ! তুমি কবুল কর।’ জাহেল লোকদের এ বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া কর্তব্য, যাতে তারা এ ধারণা পোষণ না করে যে, এ শব্দটি আল্লাহর কালামের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত।

পরিশেষে, দুরূদ ও সালাম জানাই আমাদের প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণের প্রতি।

সমাপ্ত
পরিচ্ছেদঃ ১০

শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আবদুল ওহহাব রহ. সূরা ফাতিহা থেকে যা চয়ন করেছেন:

এখানে এমন কিছু বিষয় উল্লেখ করা হচ্ছে যা শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবন আবদুল ওহহাব রহ. সূরা ফাতিহা থেকে চয়ন করেছেন:

- إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ এতে আল্লাহর তাওহীদ সাব্যস্ত হয়েছে।

- اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ এতে রাসূলের আনুগত্যের বিষয়টি সাব্যস্ত হয়েছে।

৩- দীনের তিনটি রুকন রয়েছে। ভালোবাসা, আশা ও ভয়। প্রথম আয়াতে রয়েছে ভালোবাসা, দ্বিতীয়টিতে রয়েছে আশা, আর তৃতীয়টিতে রয়েছে ভয়।

৪- অধিকাংশ মানুষ প্রথম আয়াতের অর্থ জানা না থাকার কারণে ধ্বংস হয়েছে। অর্থাৎ যাবতীয় হামদ (প্রশংসা) ও যাবতীয় রুবুবিয়াত বা প্রভুত্ব কেবল জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য সাব্যস্ত না করার কারণেই ধ্বংস হয়েছে।

৫- প্রথম যারা নি‘আমতপ্রাপ্ত তাদের সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন, প্রথম যারা রোষাণলে পড়েছে ও পথভ্রষ্ট হয়েছে তাদের সম্পর্কে জানা।

৬- নি‘আমতপ্রাপ্তদের উল্লেখ করার মাধ্যমে আল্লাহ কর্তৃক তাদের সম্মানিত করা ও প্রশংসা করা হয়েছে।

৭- রোষাণলপ্রাপ্ত ও পথভ্রষ্টদের উল্লেখ কারার মাধ্যমে মহান আল্লাহর অপার ক্ষমতা ও প্রতিপত্তির বিষয়টি প্রকাশ লাভ করল।

৮- সূরা ফাতেহা হচ্ছে দো‘আ, তবে এর সাথে সাথে স্মরণ রাখতে হবে যে আল্লাহ তা‘আলা অমনোযোগী অন্তর থেকে দো‘আ কবুল করেন না।

- صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ এ আয়াতাংশের মাধ্যমে ইজমা‘ তথা উম্মতের ঐকমত্য যে প্রমাণ তা সাব্যস্ত হলো।

১০- উক্ত বাক্য থেকে বুঝা যায় যে, মানুষকে যদি তার নিজের ওপর ন্যস্ত করা হয় তবে সে ধ্বংস হয়ে যাবে।

১১- এ আয়াতসমূহে তাওয়াক্কুল তথা আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলের বিষয়টি ফুটে উঠেছে।

১২- এ আয়াতসমূহের মাধ্যমে প্রমাণিত হলো যে শির্ক অসার বিষয়।

১৩- এ আয়াতসমূহের মাধ্যমে বিদ‘আতের অসারতা প্রমাণিত হলো।

১৪- সূরা আল-ফাতিহার কোনো একটি আয়াত যদি কেউ ভালোভাবে জানে তবে সে ফক্বীহ হিসেবে বিবেচিত হবে। আর এর প্রতিটি আয়াত নিয়ে আলাদা আলাদা গ্রন্থ রচিত হতে পারে।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা‘আলা সবচেয়ে বেশি জানেন।

রিডিং সেটিংস

Bangla

System

আরবি ফন্ট নির্বাচন

Kfgq Hafs

অনুবাদ ফন্ট নির্বাচন

Kalpurush

22
17

সাধারণ সেটিংস

এই সদাকা জারিয়ায় অংশীদার হোন

মুসলিম উম্মাহর জন্য বিজ্ঞাপনমুক্ত মডার্ন ইসলামিক এপ্লিকেশন উপহার দিতে আমাদের সাহায্য করুন। আপনার এই দান সদাকায়ে জারিয়া হিসেবে আমল নামায় যুক্ত হবে ইন শা আল্লাহ।

সাপোর্ট করুন