hadith book logo

জিজ্ঞাসা ও জবাব (১ম খণ্ড)

লেখকঃ ড. খোন্দকার আব্দুলাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২৬৪

প্রশ্ন-২৬১: অনেক সময় দেখা যায় মসজিদের খাদেম-মুআজ্জিনকে মুসল্লিরা বকাবকি করে। এটা কি ঠিক?

উত্তর: এটাই তো নিয়ম। পানি সবসময় নিচের দিকে গড়ায়। আসলে এই মসজিদ পরিচালনায় খাদেম-মুআজ্জিনের কোনো ভূমিকাই থাকে না। অন্যায় করে কমিটি। কমিটি তো ভাসুর, কাজেই কমিটিকে কিছু বলতে পারে না। রাগ করে খাদেমের। ইমাম দুই মিনিট দেরি করে আসলে রাগ করে। আর প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেত, এমপি সাহেব, মন্ত্রী সাহেব তিন ঘণ্টা দেরি করে আসলেও রাগ করে না। বসেই থাকে। অন্তর দিয়ে বসে থাকে। একবারও মনে করে না লোকটা দেরি করে আসল কেন! দেরি করে বাড়ি ফেরার সময়ও গাল দেয় না। মানসিকভাবে আমরা ইমামদেরকে চাকর মনে করি। আর ওদেরকে মালিক মনে করি। অথচ আইনত ওরা চাকর। ওরা আমার ট্যাক্সের টাকার বেতন নিয়ে চলে। আর ইমাম হল আমার নেতা। আল্লাহ তাকে নেতা বানিয়েছেন। এটা মানসিকতার অভাব। আমাদের ঝিনাইদহে এটা খুব বেশি। ঝিনাইদহ, যশোর, কুষ্টিয়া- আমাদের এলাকাতে এটা বেশি। কুমিল্লায় যান, বরিশালে যান, চট্টগ্রাম আর সিলেটে যান ওদিকে একজন ইমাম, একজন আলেমের অনেক মর্যাদা আছে। আমাদের এদিকে ইমাম-মুআজ্জিনকে মসজিদের কর্মচারি মনে করা হয়। এরা কর্মকর্তা-কর্মচারীর পার্থক্যও বোঝে না। অথবা বোঝে, কিন্তু বুঝতে চায় না।