hadith book logo

জিজ্ঞাসা ও জবাব (১ম খণ্ড)

লেখকঃ ড. খোন্দকার আব্দুলাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ৩০২

প্রশ্ন-৩০৩: বর্তমানে অধিকাংশ বক্তা টাকার চুক্তিতে ওয়াজ করেন। বিষয়টা আপনি কীভাবে দেখেন?

বর্তমানে অধিকাংশ বক্তা টাকার চুক্তিতে ওয়াজ করেন। আমাকে পাঁচ হাজার অথবা দশ হাজার ইত্যাদি টাকা দেয়া লাগবে। বিষয়টা আপনি কীভাবে দেখেন?

উত্তর: বিষয়টা আমি খুবই ভালোভাবে দেখি। কারণ, এই বক্তাগুলো গান গায়। আর যে কোনো গায়ক, (আমাদের যেমন মমতাজ বেগমসহ আরো অনেকে আছে) তারা তো টাকার বিনিময়ে গান গায়। তো যে গান গাইতে আসবে সে তো টাকা নিতেই। আসবে। যে ওয়ায়েজরা চুক্তি করে আসে, সেই ওয়ায়েজরা গান গায়। এবং আমরা গান শোনার জন্যই তাদের দাওয়াত দিই। যে যত বেশি মিথ্যা কথা বলে, আজগুবি গল্প করে, সুরের ফোয়ারা ছোটায়- তার তত বেশি টাকা দিয়ে আনে। কাজেই গান শোনার জন্য, গল্প শোনার জন্য টাকা দিয়ে আনা উচিত। এটা হল প্রথম কথা।দুই নাম্বার কথা হল, আমাদের দেশের মানুষ বড় অদ্ভুত। আমাদের দেশের মানুষেরা ডাক্তারের কাছে যাওয়ার আগে তার ডিগ্রি দেখে। সে কেমন ডাক্তার, খোজ খবর নেয়। আর আলেমদের ব্যাপারে কোনো খোজ খবর রাখে না। আলা হজরত, মুফতি, আল্লামা লিখে দিয়েছে, ব্যস। উনার শিক্ষাগত যোগ্যতা কী, উনি কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আছেন, উনার এলমি যোগ্যতা কী, আলেম সমাজে গ্রহণযোগ্যতা কেমন- এগুলো বিচার করে না। তো এ জন্য এই বিজনেসটা এখন খুব ভালো চলছে। মিথ্যা গল্প শোনানোর জন্য আখিরাতে জাহান্নামে যাবে, তো দুনিয়ায় টাকা নেবে না, তা তো হয়। তাহলে তো দুনিয়া আখিরাত সবই গেল।