hadith book logo

জিজ্ঞাসা ও জবাব (১ম খণ্ড)

লেখকঃ ড. খোন্দকার আব্দুলাহ জাহাঙ্গীর (রাহিমাহুল্লাহ) • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ২৭৩

প্রশ্ন-২৭০: অবসাদগ্রস্ত অবস্থায় আমি নফল নামায পড়া সম্পর্কে জানতে চাই।

নিষিদ্ধ সময়গুলো বাদে দিনের যে কোনো সময় নফল নামায পড়া যাবে কি জানতে চাই। বিশেষ করে অবসাদগ্রস্ত অবস্থায় আমি নফল নামায পড়তে চাই।

উত্তর: জি, নিষিদ্ধ সময় বাদে যে কোনো সময় আপনি পড়তে পারেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর যখন মন খারাপ হত, অথবা বিপদ হত, তিনি নামাযে দাঁড়িয়ে যেতেন। আর আল্লাহ কুরআনে বলেছেন, নামায এবং সবর দ্বারা সাহায্য চাইতে। অবসাদগ্রস্ত আছেন, খারাপ লাগছে, ওযু করে (দুই রাকআত) নামাযে দাঁড়িয়ে যাবেন। এটা আল্লাহর রাসূলের (ﷺ) নির্দেশ। তিনি বলেছেন:

الصلاة خير موضوع، فمن استطاع أن يستخير فليستير

নামায হল সবচে’ ভালো বিষয়। কাজেই যতবেশি পার নামায পড়বে”। যখন নিষিদ্ধ সময় না, তখন আপনি ইচ্ছা করলে নামায পড়তে পারেন।

(তাবারানি, আল মু'জামুল আওসাত-২৪৩)

প্রশ্ন-২৭১: রাসূলুল্লহ (ﷺ) বারযাখ জীবন যাপন করছেন, নাকি একবারে জান্নাতে প্রবেশ করবেন? অন্য নবীদের বেলায় কি একই?

রাসূলুল্লহ (ﷺ) বারযাখ জীবন যাপন করছেন, নাকি একবারে জান্নাতে প্রবেশ করবেন? অন্য নবীদের বেলায় কি বারযাখ জীবন প্রযোজ্য?

উত্তর: সবারই বারযাখি জীবন আছে। হাদীসে এসেছে:

الأنبياء أحياء في قبورهم يصلون

নবীরা কবরে জীবিত থাকেন, সালাত আদায় করেন। এটা বারযাখি একটা হালত। কুরআনে নবীদের বারযাখের ব্যাপারে কিছু নেই। শহীদদের ব্যাপারে আছে। তবে একটা সহীহ হাদীস পাওয়া যায়, যেটা বললাম- নবীরা কবরে জীবিত, তারা সালাত আদায় করেন। অন্যান্য হাদীসে আমাদের নবীর কথা এসেছে- দরুদ ও সালাম তাঁর কাছে পৌছানো হয়, তিনি সালামের উত্তর দেন ইত্যাদি।

(মুসনাদ আবু ইয়ালা-৩৪২৫; মুসনাদ বাযযার-৬৮৮৮)